জনপ্রিয় পোস্ট

মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২০

শ্বেতী বা Leucoderma রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :


শ্বেতী রোগের হোমিওপ্যাধিক চিৎিসা।



শ্বেতী (Leucoderma) রোগে চামড়া সাদা হয়ে যায়। ইহাতে সর্ব প্রথম সাদা বিন্দুর ন্যায় দাগ পড়ে এবং ধীরে ধীরে অধিক স্থান জুড়ে সাদা হয়ে যায়। চর্মের স্বাভাবিক বর্ণের ( Pigment )উপাদান বিকৃতি বা অভাব হেতু চর্ম দুধের মত সাদা হলে তাকে শ্বেতী বা ধবল বলে।

শ্বেতী রোগের কারণসমুহ 

শ্বেতী রোগের কারণ সম্বন্ধে মতভেদ আছে। অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণকে দায়ী করা হয় । চর্মের স্বাভাবিক রঙ সৃষ্টির মূলে রয়েছে মিলানীন ( Melanin ) জাতীয় Pigment এবং ইহা চর্মের Pigment Layer এ থাকে। দেহের কিছু অংশের Pigment নষ্ট হয়ে গেলে তার ফলে এই রোগ হয়। যদি শরীরের সর্বত্র এইরূপ চর্মবর্ণের বিকৃতি ঘটে তবে তাকে অ্যালবিনোস ( Albinos ) বলে। অনেকের মতে লিভার দোষ হেতু।কোন কোন চিকিৎসা বিজ্ঞানীর মতে লিভারের ক্রিয়া বিকলতার জন্য পিতামাতা থেকে সন্তানদের দেহে এই রোগ সৃষ্টি হয়।

Ø শ্বেতী রোগের লক্ষণ
অনেক সময় অতি সামান্য অংশে প্রকাশ লাভ করে পড়ে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত রোগী রোদের তাপসহ্য করতে পারে না, রোদে বের হলে কষ্ট পায়। আক্রান্ত স্থানের লোমগুলো ঠিকই থাকে কিন্তু সাদা হয়ে যায়।
স্ত্রী পুরুষ উভয়কেই আক্রমণ করতে পারে। এই রোগে তেমন স্বাস্থ্যহানি হয় না, শুধু মাত্র চর্মের স্বাভাবিক বর্ণ নষ্ট হয়ে যায় এবং অন্য কোন কষ্ট হয় না।
কুষ্ঠরোগের সঙ্গে ইহার কোন সম্পর্ক নেই। কুষ্ঠের মত ইহা ধ্বংসাত্বক নয় অথবা স্পর্শ সংক্রামক নয়। দেহের যে কোন স্থানে প্রকাশ পেতে পারে।মাথায় হলে চুলগুলো সাদা হয়ে যায়।
শ্বেতী রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি লক্ষন ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্হা। রোগীর সার্বলাক্ষনিক বিবেচনায় সঠিক ঔষধ প্রয়োগ করতে পারলে সহজেই নিরাময় সম্ভব। যদিও এ রোগটি আরোগ্য করা কঠিন তবুও হোমিও মতে সঠিক সময়ে ও সঠিক নিয়মে চিকিৎসা করলে আরোগ্য হয়। এ চিকিৎসা একটি প্রাকৃতিক ও পার্শ-প্রতিক্রিয়াহীণ পদ্ধতি।যদি এ পদ্ধতিতে নিরাময় সম্ভব না হলে বুঝবেন আপনি হয় সঠিক ডাক্তারের নিকট যাননি আথবা সঠিক ঔষধ ও নিয়ম অনুযাযী চিকিৎসিত হননি।
শ্বেতী রোগের হোমিও চিকিৎসার ঔষধ সমুহের লক্ষণ ভিত্তিক তালিকা

Ø আর্স সাল্ফ ফ্লেবম

এই ঔষধটি শ্বেতী রোহগর শ্রেষ্ঠ ঔষধ। শ্বেতী রোগ অল্প পরিসর স্হানে ও মাথায় হলে উপযোগী। ৩x শক্তির ২টি বড়ি দিনে তিন বার খেলে এবং অয়েল বুচি বাহ্য প্রয়োগ করলে শ্বেতী রোগ আরোগ্য হবে। মনে রাখতে হবে এ ঔষধ শ্বেতী রোগের চিকিৎসা দীর্ঘদিন করতে হয়।

Ø সিফিলিনাম

খেয়াল রাখতে হবে যে চিকিৎসার শুরুতে এক মাত্রা 1m, 10m, cm.শক্তির সিফিলিনাম বাসি পেটে দেয়ার ফলে রোগ আরোগ্য দ্রুত হবে।

Ø সোরালিয়া কুরি

শ্বেতী রোগের গুরুত্বপুর্ন ঔষধ।এটি বাহ্য প্রয়োগও হয়। পুরাতন ও যে কোন স্হানে হউক সেখানে সোরালিয়া কোরি প্রয়োগ হয়। ৩ শক্তির বা ৬ শক্তির অথবা মাদার টিংচার প্রয়োগে রোগ আরেগ্যে বেশী সহায়ক।

Ø রেডিয়াম ব্রোমাইড

কোন তেজস্ক্রিয়তার কারনে শ্বেতী রোগ হয়ে থাকলে তার জন্য উপযোগী। ৩০শক্তি দিনে ২ মাত্রা ২০০শক্তির ১ মাতা দিবেন।

Ø চেলিডোনিয়াম

যদি রোগীর লিভার দোষ থাকে তাকে চেলিডোনিয়াম মাদার টিংচার ৪/৫ ফোটা দিনে চার বার দিবেন।

Ø মার্ক সল
রোগীর আমাশয় থাকলে মার্ক সল ৩০ শক্তি দিনে তিন বার, ২০০ শক্তি দিনে দুইবার দিন শপরে আস্তে আস্তে উচ্চ শক্তি অগ্রসর হবেন।

এছাড়াও আর্স সাল্ফ রুব্রম, এসিড নাই, নেট্রাম কার্ব, ও সিপিয়া সুনামের সাথে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘকাল স্হায়ী রোগ আরোগ্যের জন্য ড্রসেরা, সিলেনিয়াম, ম্যাঙ্গেনাম আর্জেন্টাম ও প্রয়োজন হয়ে থাকে।

বোরিকের রেপার্টরির সাহায্যে শ্বেতী রোগের সদৃশ ঔষধ নির্বাচন

LEUCODERMA
 (See Face, pale.) -- Ars. s. fl., Nat. m., Nit. ac., Sumb., Zinc. p.
Pale -- Abrot., Acet. ac., Ant. t., Apis, Arg. n., Ars., Bell., Berb. v., Bor., Calc. c., Calc. p., Camph., Carbo v., Cina, Cinch., Cupr. m., Cycl., Dig., Ferr. ac., Ferr. m., Ferr. mur., Ferr. red., Glon., Helleb., Ipec., Kali c., Lach., Lecith., Med., Merc. c., Merc. d., Morph., Nat. c., Nat. m., Nit. ac., Phos. ac., Phos., Plumb. m., Puls., Pyr., Santon., Sec., Sep., Sil., Spit., Stann., Staph., Tab., Ver. a., Zinc. m.

বাহ্য প্রয়োগ
শ্বেতী রোগেরে হোমিও উপযোগী ঔষধের পাশাপাশি ওয়েল বুচি, সোরালিয়া কুরি, স্কুকুম চক বাহ্য প্রয়োগ করিলে রোগ আরোগ্যের সহজ হয়। হোমিওপ্যাথিতে উপযুক্ত চিকিৎসা আছে।ডাঃ ডগলাস বলেন বাহ্যিক ভাবে এসেটিক অ্যাসিড লাগালে আক্রান্ত স্থানটির চারিদিকের বর্ণ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
শ্বেতী রোগের বাইয়োকেমিক ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা

Ø ফেরম ফস

চর্ম প্রদাহিত, স্হানে স্হানে রক্তাধিক্য, চর্ম অমসৃন, উত্তাপ, দপদপানি ব্যাথা, স্ফীত ভাব, জ্বরজ্বর ভাব, চোখে জ্বালা, হাত ও পায়ের তালু উত্তপ্ত । রেগীর নিদ্রাহীনতা বিদ্যমান থাকে।৩,৬,১২শক্তির ৪ বড়ি দিনেতিন বার।

Ø নেট্রাম সাল্ফ

ত্বকের স্হানে স্হানে বিবর্ন ভাব্সহ পিত্ত লক্ষণ ত্বকে জ্বালাকর চুলকানি থাকলে উপযোগী।

Ø কেলি মিউর

ত্ববের স্হানে স্হানে চুলকানি, সাদা সাদা গুড়া উঠে।টিকার কুফলে চর্মরোগ, জরায়ু, পাকস্হলীর বিভিন্ন রোগ।মুখে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্রুন ও আচিল থাকলে উপযোগী। শক্তির ৪ বড়ি দিনে তিন বার।

উপসংহার

 যদি শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকে তবে সেই অনুসারে পথ্য খেতে হবে। ঘি, দুধ, ছানা, মাখন প্রভৃতি স্নেহ জাতীয় খাদ্য হিতকর। ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্যও প্রয়োজন যাতে - স্নায়ুর পুষ্টিসাধন এবং রক্ত উৎপাদনের কাজ হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস, উগ্রমসল্যা যুক্ত খাদ্য বর্জন, ক্ষতি কর যে কোন নেশা পরিহার করতে হবে। 

হোমিওপ্যাথিতে উপযুক্ত চিকিৎসা আছে। তবে এই ক্ষেত্রে সাধারণ স্বাস্থ্যনীতি পালন করতে হবে।কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে বেল বা ইসবগুলের ভুষির শরবৎ উপকারী ।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

 


সোমবার, জুন ২৯, ২০২০

কাঁশির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।


কাশি কি ?

কাশি নিজে কোন রোগ নয়। অন্যরোগের উপসর্গ স্বরুপ। ঠান্ডা বা সর্দি লাগা, ঠান্ডা দ্রব্য আহার, উপজিহ্বা বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে কাশি হয়। কাশি দুই প্রকার যথাঃ সরল কাশি ও শুষ্ক কাশি। কাশির সাথে কিছু বাহির না হলে তাকে শুষ্ক কাশি আর কাশির সময় কিছু তরল শ্লেষ্মা বাহির হলে তাকে সরল কাশি বলে। প্রায় সকল বক্ষ ব্যাধিতেই এবং কিছু হৃদরোগে কফ-কাশি হয়ে থাকে। আমাদের দেহে দুটি ফুসফুস রয়েছে। এ দুই ফুসফুসে রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় শ্বাসনালি। শ্বাসনালি বা ব্রংকাস থেকেই কফ তৈরি হয়। কফ-কাশির প্রসঙ্গ এলেই যে রোগের কথা প্রথমে মনে আসে, সেটি হল যক্ষ্মা। যক্ষ্মা হলে কাশি লেগেই থাকে। প্রথম দিকে কফ পাতলা শ্লেষ্মা জাতীয় হয়। এটি জীবাণু সংক্রমিত হলে পেকে হলুদ হয়ে যায়।

কাশির চিকিৎসায় বিশিষ্ট লক্ষণের বিচারে সদৃশ ঔষধ নির্বাচন গাইড

* দিনের বেলায় কাশি -অ্যামোন কার্ব, আর্জেন্ট মেট, ইউফ্রেসিয়া, ফেরাম, ল্যাকেসিস, ম্যাঙ্গেনাম, ফসফরাস, রিউমেক্স, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া ইত্যাদি।
* জ্বরের শীত অবস্হায় কাশি-
আর্সেনিক, ব্রায়োনিয়া, চায়না, ফেরাম, ফসফরাস, সোরিনাম, পালসেটিলা, রাসটক্স, রিউমেক্স, স্যাবাডিলা, মিপিয়া, টিউবারকুলিয়াম ইত্যাদি।
* গর্ভবস্হায় কাশি-
কস্টিকাম, কোনিয়াম, নাক্স মস্কেটা ইত্যাদি।
* হামের পর কাশি -
ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, কার্বো ভেজ, ড্রসেরা, ইউপেটা, পারফো, হাইয়োসিয়েমাস, কেলি কার্ব, নেট্রাম কার্ব, পালসেটিলা, সালফার ইত্যাদি।
* ঋতু বাধাপ্রাপ্ত হইয়া কাশি-
মিলিফোলিয়াম, পালসেটিলা সেনেসিও ইত্যাদি।
* ঋতুর পূর্বে কাশি-
আর্জেন্টাম নাইট, গ্রাফাইটিস, সালফার ইত্যাদি।
* ঋতুর সময় কাশি-
ক্যাল্কেরিয়া ফস, গ্রাফাইটিস, সিপিয়া, জিঙ্কাম ইত্যাদি।
* শুইলে কাশি কম পড়ে-
ইউফ্রেসিয়া, ফেরাম, হাইড্রাস্টিস, থুজা।
*হাঁপানি কম পড়ে -
সোরিনাম) ইত্যাদি।
* খাইলে কাশি কপাম পড়ে-
ইউফ্রেসিয়া, স্পন্জিয়া।
*খাইলে কাশি বৃদ্বি পায় এবং বমি হইয়া গেলে নিবৃওি-
মেজেরিয়াম।
* দক্ষিণ পার্শ্ব চাপিয়া শুইলে কাশির বৃদ্বি
-কার্ব অ্যানি, সিনা, মার্কুরিয়াস, স্ট্র্যানাম।
* উপুর হইয়া শুইলে কাশি কম পড়ে-
ব্যারাইটা কার্ব, ইউপেটা- পারফো, মেডোরিনাম, সিফিলিনাম।
* ঠান্ডা জল লাগিলে উপশম-
ব্যারাইটা কার্ব,কস্টিকাম, কুপ্রাম, কক্কাস-ক্যা, ওপিয়াম।
* কাশির ধমকে মল বা মুত্র বাহির হইয়া পড়ে-
রিউমেক্স, স্কুইলা ইত্যাদি।
* কাশির সহিত ক্রমাগত উদগার-
অ্যম্ব্রা গ্রেসিয়া।
* কাশির সহিত হাঁচি -
জাস্টিসিয়া।
* সঙ্গমের পড় কাশি-
ট্যারেন্টুলা।
*টিকা লইবার পর কাশি-
থুজা, ভ্যাক্সিনিনাম।
* ধুমপানে বৃদ্বি -
ল্যাকেসিস, ড্রসেরা, নাক্স ভুমিকা, পালস, থুজা।
* হাঁপানি কাশি-
ইপিকাক, আর্সেনিক এলবম, কেলি কার্ব, সালফার, কার্ব ভেজ, থুজা, নেট্রাম সালফ, মেডোরিনাম, ন্যাজা, পালস, ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম, নাক্স ভুমি, সেনেগা, সিফিলিনাম ইত্যাদি।
*শ্বাসকষ্ট এত প্রবল যে শুইতে অপারগ-
এন্টিমটার্ট, এপিস, এপো, আর্স, অরাম, ক্যাকটাস, হিপার, কার্বভেজ, কেলিকার্ব, ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম, মার্কসল, নাক্সভুমিকা, ন্যাজা পালসেটিলা, সেনেগা , সিপিয়া, সালফার, ট্যাবেকাম, টেরিবিন্হ, টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।
*হুপিং কাশিতে রক্তস্রাব
- আর্ণিকা, বেলেডোনা, কোরালিয়মরুব্রম, ক্রোটেলাস, ড্রসেরা, ইপিকাক, ব্রোমিয়াম ইত্যাদি।
* স্নায়োবিক কাশি
- এগারিকাস, এম্ব্র্যা-গ্রিসিয়া , চায়না, সিমিসিফিউগা, কফিয়া, ল্যাকেসিস, ষ্টিক্টা ইত্যাদি।
* বর্ষা ও স্যাতসেতে ঋতুতে কাশি বৃদ্বি-
ক্যালকেরিয়া কার্ব, ডক্লামারা, ইপিকাক , নেট্রাম সালফ, রাস টক্স ইত্যাদি।
* কাশি সরল ঘড়ঘড়ে-
এমন কার্ব, এমন মিউর, এন্টিম আর্স, এন্টিম টার্ট , চেলিডোনিয়াম, হিপার সালফ, মিফাইটিস, সেনেগা, সাইলেসিয়া, স্কুইলা, ভেরেট্রাম এলবম ইত্যাদি।

বোরিক রেপার্টিরির সাহায্যে কাশির একক সদৃশ ঔষধ নির্বাচন

  • COUGH

++ DAYTIME : Agar., ail., alum., Am-c., am-m., anac., ang., ant-t., arg-m., arn., arum-d., bar-c., bar-m., bell., bism-ox., bov., brom., bry., bufo-r., calc-p., calc., cham., chin., cic., coc-c., coloc., com., con., cot., cupr., Euphr., ferr-p., ferr., gamb., graph., guai., hep., kali-bi., kali-br., kali-c., kali-n., kali-p., Lach., laur., lyc., manc., mez., mur-ac., nat-a., nat-c., nat-m., Nat-s., nicc., nit-ac., nux-v., Phos., rhus-t., sars., sep., sil., sol-t-æ., spong., stann., staph., sulph., sumb., thu., viol-o., zinc.

++ MORNING : Acon., agar., agn., ail., all-c., all-s., Alum., alumn., am-c., am-m., ambr., anac., ang., ant-c., ant-t., apoc., arg-m., arn., ars-i., Ars., arum-d., aur., bad., bar-c., bar-m., bell., bor., bov., brom., bry., calad., calc-p., calc-s., Calc., canth., carb-an., carb-s., carb-v., caust., cham., chel., chin-a., chin-s., Chin., cina., coc-c., coca., cod., colch., con., cop., cor-r., crot-t., cupr., cur., dig., dios., dirc., dros., dulc., erig., Euphr., ferr-ar., ferr-i., ferr-m., ferr-p., ferr., graph., grat., gymn., hep., hyper., ign., indg., iod., ip., iris., Kali-ar., Kali-bi., Kali-c., kali-i., kali-n., kali-p., kali-s., kreos., lach., lachn., laur., led., lyc., mag-c., mag-s., mang., meny., meph., merc., mill., Mosch., mur-ac., naja., nat-a., nat-c., nat-m., nat-p., nat-s., nit-ac., nux-m., Nux-v., ol-an., ol-j., op., osm., ox-ac., par., ph-ac., phel., Phos., phyt., plb., psor., Puls., pyrus., rhod., rhus-t., Rumx., sang., sars., Scil., sel., seneg., sep., sil., spig., stann., staph., stram., sul-ac., Sulph., sumb., tab., tarent., tell., thu., verat., vib., zinc., zing.

++ FORENOON : Agar., alum., am-c., am-m., bell., bry., camph., chin-s., coc-c., dios., dros., glon., grat., hell., kali-c., lact., mag-c., nat-a., nat-c., nat-m., rhus-t., sabad., sars., seneg., sep., sil., stann., staph., sul-ac., sulph., zing.

++ AFTERNOON : Agar., all-c., alum., am-c., am-m., ant-t., anth., arn., ars., asaf., astac., bad., bapt., bell., bov., bry., calc-p., calc., caps., chel., chin-a., chin., coc-c., coca., cupr., fago., ferr-i., gamb., kali-ar., kali-bi., kali-c., laur., lyc., mag-c., mez., mosch., mur-ac., nat-a., nat-c., nat-m., nat-p., nux-v., ol-an., phel., phos., sang., stann., staph., sulph., thu., zinc.

++ EVENING : Acet-ac., acon., Act-r., agar., agn., ail., all-c., alum., alumn., am-br., am-c., am-m., ambr., anac., anan., ant-c., ant-t., apis., apoc., arg-n., arn., ars-i., Ars., arum-d., arund., aspar., bad., bar-c., bar-m., bell., bism-ox., bor., bov., brom., bry., calc-s., Calc., Caps., carb-an., carb-s., Carb-v., caust., cham., chel., chin-a., chin-s., chin., chlor., cina., cinnb., coc-c., coca., cocc., coff., coloc., con., cop., crot-t., cub., dios., dol., dros., eug., eup-per., eup-pur., euphr., ferr-ar., ferr-i., ferr-p., ferr., fl-ac., graph., gymn., Hep., hydr-ac., Ign., indg., iod., ip., ir-fœ., kali-bi., kali-c., kali-i., kali-s., kalm., kreos., lach., lact., laur., led., lith., Lyc., lycps., mag-c., mag-m., mag-s., merc-c., merc-i-r., Merc., mez., mosch., mur-ac., naja., nat-a., nat-c., nat-m., nicc., Nit-ac., nux-m., nux-v., ol-an., olnd., ox-ac., par., petr., ph-ac., phel., phos., prun-s.,psor., Puls., ran-b., rheum., rhod., rhus-t., rumx., ruta., sang., Scil., seneg., sep., sil., sin-n., sol-t-æ., spong., Stann., staph., stict., still., stront., sul-ac., sulph., sumb., tab., tarent., teucr., thu., upa., verat-v., verat., verb., zinc., zing



EVENING, bed, in
++
 bed, in : Acon., agn., Alumn., am-c., am-m., anac., ant-t., Ars., bell., bor., calc., caps., carb-an., carb-v., caust.,coca., cocc., coff., Con., dol., dros., ferr-ar., ferr., graph., Hep., hyos., Ign., indg., ip., kali-ar., kali-c., kali-p., kali-s., kreos., lach., lact., Lyc., mag-c., mag-s., Merc., naja., nat-c., Nat-m., nat-p., nicc., nit-ac., nux-m., nux-v., par., petr., ph-ac., phos., phyt., puls., rhus-t., ruta., Sep., sil., stann., staph., still., Sulph., teucr., thu., verat., verb.
++
 NIGHT : Acon., Act-r., æth., agar., alum., Am-br., Am-c., am-m., ambr., Anac., anan., ant-t., apis., apoc., aral., arg-n., arn., Ars., arum-d., asaf., asar., aur-m., aur-s., aur., bad., Bar-c., bar-m., Bell., bism-ox., bor., bry., cact., calad., calc-f., calc-s., Calc., caps., carb-an., Carb-s., carb-v., card-m., cast., caust., cench., Cham., chel., chin-a., chin-s., chin., cina., coc-c., cocc., cod., coff., colch., coloc., com., con., cor-r., crot-t., cupr., cur., cycl., dig., dros., dulc., erig., eug., eup-per., ferr-ar., ferr-p., ferr., gamb., gels., Graph., grat., guai., hep., Hyos., ign., indg., ip., ir-fœ., Kali-ar., kali-bi., kali-br., Kali-c., kali-n., kali-p., Kali-s., kalm., kreos., Lach., lachn., lact-ac., led., lepi., Lues., Lyc., mag-arct., mag-aust., mag-c., mag-m., mag-p., mag-s., manc., meph., merc-c., Merc., mez., mur-ac., naja., nat-a., nat-c., nat-m., nat-p., nat-s., nit-ac., nux-v., œna., ol-an., ol-j., op., par., petr., phel., phos., phyt., psor., Puls., rhod., rhus-t., rumx., ruta., sabad., samb., sang., Scil., Sel., senec., seneg., Sep., sol-t-æ., spig., spong., stann., staph., stict., stront., sul-ac., Sulph., tab., tarent., ther., thu., verat.,verb., vib., vinc., zinc., zing., ziz.

Single remedyrubrics in Kent’s repertory

COUGH

1.    Cough, noon, lying down, amel = Mang

2.    Cough, midnight, before, 11:30 pm = Coc-c

3.    Cough, midnight, after, day-break, until = Nux-v

4.    Cough, breathing, from = Rumx

5.    Cough, choking, morning, rising, after = Cina

6.    Cough, closing, eyes at night excites cough = Hep

7.    Cough, constant, night, walking = Sep

8.    Cough, croupy, walking, only after = Calc-s

9.    Cough, dry, night, midnight, daybreak, until = Nux-v

10. Cough, dry, chronic dry cough in pining boys = Lyc

11. Cough, dry, chronic, in scrofulous children = Bar-m

12. Cough, dry, eating, amel = Spong

13. Cough, dry, emaciated boys, in = Lyc

14. Cough, dry, flatus, discharge up and down, amel must sit up also = Sang

15. Cough, dry, menses during = Zinc

16. Cough, dry, stomach, as if from = Bry, Sep

17. Cough, eructations, amel = Sang

18. Cough, exhausting, night, sleep, disturbing = Puls

19. Cough, flatus, passing, amel = Sang

20. Cough, hoarse, evening, until midnight = Hep

21. Cough, hollow, morning, waking, on = Ign

22. Cough, irritation, as if some fluid had gone the wrong way = Lach

23. Cough, loose, forenoon = Stram

24. Cough, lying, noon, amel = Mang

25. Cough, lying, evening, must sit up = Ars, Con, Puls, Sang, Sep

26. Cough, lying, night, midnight, waken him = Apis

27. Cough, lying, only when first lying down, was obliged to sit up and cough it out, then had rest = Con

28. Cough, nervous, evening, lying, while = Hyos

29. Cough, paroxysmal, night, midnight, before, 11 pm, lying down, after = Rumx

30. Cough, paroxysmal, night, midnight, after, 2 am = Dros

31. Cough, paroxysmal, uninterrupted paroxysms = Cupr

32. Cough, rattling, hoarseness, without = Kali-s

33. Cough, scraping, fauces = Dros

34. Cough, sit up, and cough it out, when had rest = Con

35. Cough, sonorous = Stram

36. Cough, spasmodic, whooping cough, after = Sang

37. Cough, suffocative, morning, rising, after = Cina

38. Cough, suffocative, evening, 7 pm = Ip

39. Cough, suffocative, swallowing, on = Brom

40. Cough, tickling, night, 11:30 pm = Coc-c

41. Cough, tickling, lying, while = Dros

42. Cough, uncovering, feet or head = Sil

43. Cough, violent, morning, rising, before = Nux-v

44. Cough, wind, west, in the = Hep 

 

কাশির চিকিৎসার পাশাপাশি নিচে উল্লেখিত খাদ্য পরিহার করা জরুরী।
দুধ

কাশি হলে অনেকেই বলেন, গরম দুধ খেতে। গলায় আরাম হয় ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে দুধ ফুসফুস ও গলায় মিউকাস প্রোডাকসন বাড়িয়ে দেয়। কাশি হলে তাই দুধ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
ডিহাইড্রেশন

কাশি হলে গলা শুকনো একেবারেই রাখা ঠিক নয়। তাই বলে চা, কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্ক নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, তরল খাবার যেমন স্যুপ খেতে পারেন।
প্রক্রিয়াজাত খাবার-
প্রক্রিয়াজাত খাবার কাশি চলাকালীন একেবারেই ঠিক নয়। কাশি বাড়বে। ব্রেড, পাস্তা, বেকড খাবার, চিপস বা সুগারি ডেসার্টে কাশি বাড়ে। বদলে শাকসবজি বা পুষ্টিকর খাবারে মন দিন। বিশেষ করে ভিটামিন 'সি' যে খাবারে রয়েছে।
ভাজিপোড়া

কাশি হলে অনেক সময়ই মুখে রুচি থাকে না। অনেকেই ভাজা খাবার খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করেন। ওটাই ভুল করেন। তাতে কাশি বাড়ে। ফাস্ট ফুড, জ্যাঙ্ক ফুড কাশি হলে ডাক্তাররা পুরোপুরি ছাড়তে বলছেন।
টক জাতীয় ফল

যাতে সাইট্রিক অ্যাসিড রয়েছে, কাশি হলে খেতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকরা। সাইট্রিক অ্যাসিড গলায় সংক্রমণ ঘটায় ও কফ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া জলজ খাদ্য, ঠান্ডা পানিতে গোছল, বৃষ্টিতে ভেজা, রাত্রি জাগরণ নিষিদ্ধ।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৬৮৮

Comments System

[blogger][disqus][facebook]

Disqus Shortname

theme-daddy