বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

দেহের অর্ধাংগের পক্ষাঘাতের বাইয়োকেমিক চিকিৎসা

Biochemic treatment for Hemiplegia.

সংজ্ঞাঃ- দেহের অর্ধেক অংশ যেমন কেবল বাম/ডান অংশ আক্রান্ত হয় তবে তাকে হেমিগ্লোজিয়া বলে।
কারণঃ-
১.মস্তিষ্কের ভিতর রক্ত ক্ষরণ এবং মস্তিষ্কের ধমনীর মদ্ধে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া।
২.শরীরের কোন অংশে বা অঙ্গের অনুভূতি ও গতি শক্তি হ্রাস পেয়ে।
৩.উচ্চ রক্ত চাপ,উচু স্থান হতে পড়ে যাওয়া।
৪.জীবানু সংক্রামন
৫স্নায়ুমন্ডলীতে আঘাত লাগা বা কোন স্থানের নার্ভ ছিড়ে যাওয়া।
লক্ষণঃ-লক্ষণ অনুসারে একে বিভিন্ন ভাবে ভাগ করা যায়।যথাঃ
১.সর্বাংগীন পক্ষাঘাত-সম্পুর্ণ শরীরে পক্ষাঘাত,দেহের স্বাভাবিক কর্মশক্তি কমে যায়।(বৃদ্ধদের বেশী হয়)
২.অর্ধাংগের পক্ষাঘাত- দেহের নিম্নাংশে বা অর্ধাংশে পক্ষাঘাত।সাধারণত মস্তিষ্কেররোগে ইহা হতে পারে অথবা সুষষ্মাকান্ডের রোগেও হতে পারে।
৩.মূখমন্ডলের পক্ষাঘাত-এতে মুখ,নাক,চোখ প্রভৃতি অংশে পক্ষাঘাত।চোখ মুখে কোন সাড়া থাকে না।মস্তিষ্কের রোগে ইহা হতে পারে।
৪.মেরুমজ্জায় পক্ষাঘাত-মেরুদন্ডের ও সুষম্না কান্ডের পক্ষাঘাত।যক্ষা বা স্নায়বিক রোগ জনিত কারনে হতে পারে।
৫.শিশুদের পক্ষাঘাত-এই জাতীয় পক্ষাঘাতের সংগে কোষ্ঠ কাঠিন্য খাদ্য গ্রহণে অক্ষমতা, দূর্বলতা,নরাচরা করতে কষ্ট,আক্রান্ত স্থান থর থর করে কাঁপে।

অর্ধাঙ্গের প্যারালাইসিসের বাইয়োকেমিক চিকিৎসাঃ

কেলিফসঃ- সর্বপ্রকার পক্ষাঘাতে উপযোগী।অঙ্গ বিশেষ বা মুখমন্ডলের পক্ষাঘাতে অধিক উপযোগী।পক্ষাঘাতে গলার স্বর হ্রাস পায়।কোন কোন রোগী হাঁটতে পারে আবার কোন কোন রোগী কিছুর উপর ভর করে ধীরে ধীরে হাটতে পারে।মুখমন্ডলের পক্ষাঘাত।অর্ধাঙ্গের বা বিশেষ কোন অঙ্গের পক্ষাঘাত।পক্ষাঘাতের ভাব হঠাত করে আসে।শিশুদের পক্ষাঘাত।যে কোন স্নায়বিক দুর্বলতার জন্য কেলিফসের প্রয়োজন।পক্ষাঘাত বা  আরষ্টতার ভাব টান টান বোধের জন্যে ইহা একান্ত প্রয়োজন।
ম্যাগনেসিয়া ফসঃ-পেশীর পক্ষাঘাত।মাথা ও হস্তদ্বয় কাঁপে।স্নায়ুতন্ত্রের পক্ষাঘাত।হাতপা ও মাথা ইত্যাদি অনিচ্ছা সত্বেও কাঁপতে থাকে।মাংসপেশী সমূহের পক্ষাঘাত।শ্বেত নার্ভ ফাইবারর্সের পক্ষাঘাত।আক্ষেপ,বিদ্যুৎবৎ বেদনা,আক্ষেপিক শ্বাস কষ্ট,স্নায়বিক শ্বাসকষ্ট।জ্বর বিহীন তড়কা।আঙ্গুলের সংকোচন,চোখ দুটি খোলা থাকে।এক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে।মুখ হা করার পর অনেক সময় আর বন্ধ করতে পারে না।কোনিয়া,ধনুষ্টংকার,স্ক্রুফুলা রোগের উপযোগী।
ক্যালকেরিয়া ফসঃ- শীতলতা,অসাড়তা,সন্ঞ্চারণশীল পক্ষাঘাতে উপকারী।শীতলতার অনুভূতি,অসাড়তার অনুভুতি।দীর্ঘ দিন দুর্বলকর রোগে ভোগার পর পৃষ্ঠ দেশে আঘাত পাবার ন্যায় অনুভূতি।দীর্ঘদিন ভিজা, স্যাতসেতে জায়গায় শোবার পর পৃষ্ঠে আঘাতের মত অনুভুতি।স্নায়ুশূল পীড়া ঠিক একই সময় বারবার আরম্ভ হয় এবং রাতে বৃদ্ধি পায়।হাড় ভাঙ্গা ব্যাথা।আক্রান্ত স্থান সুড় সুড় করে,অসাড়তা বোধ এবং ঠান্ডা বোধ।ইত্যাদি লক্ষনে ক্যালকেরিয়া ফস উপযোগী।
নেট্রাম ফসঃ-নিম্নাঙ্গের বিশেষ করে হাটুর নিচের দুর্বলতা।হাটার সময় পা যেন ঠিকমত পরে না।একদিকে পা ফেলার সময় অন্যদিকে সরে যায়।পাকস্হলীর খালিবোধ।হাত ও মুখের পেশীর স্পন্দন।মানসিক পরিশ্রমে স্নায়বিক দুর্বলতা।মৃগী রোগীর,দৈহিক কম্পন ও দুর্বলতাসহ অর্ধাঙ্গের পক্ষাঘাতের রোগীর জন্য উপযোগী।ক্রিমি জনিত অনিদ্রা,দাঁত কড়মড় করা,ঘুমের মধ্যে চমকে উঠা রোগীর জন্য উপযোগী।
সাইলেসিয়াঃ শিশুদের মানসিক চঞ্চলতা অধিক,মানসিক কাজ করতে পারে না।অতি সহজে দুর্ল হয়ে পড়ে।ীশু অতিশয় ক্ষুদ্রকায়,পরিপোষক শক্তির অভাব।প্রচুর আহার সত্যেও পুষ্টিহীনত্।স্মরণশক্তির অভাব।মুখে প্রচন্ড বেদনা।মুখের চোয়লে ভীষণ বেদনা।দুর্বলতার জন্র সর্বদা শুয়ে থাকতে চায়।রোগীর গরম বা ঠান্ডা কোন কিছুতেই আরাম হয় না।পক্ষাঘাতের রোগীর হাত ও পায়ের কম্প হলে সাইলেসিয়া উপযোগী।

পক্ষাঘাতের রোগীর জন্য সতর্কতাঃ
পক্ষাঘাতের বিভিন্ন কারণ রয়েছে,কারণ অনুসারে রোগীর উপযুক্ত খাবার নির্বাচন করা জরুরী।উপযুক্ত খাদ্য তালিকা,নিয়মিত ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি দেয়া প্রয়োজন।পক্ষাঘাতকে কোন ক্রমেই অবহেলা নয়।ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির উপর নির্ভর করা উচিত।ঝাড়ফুক দিয়ে এই রোগ সারাতে গিয়ে বিলম্ব করলে চিকিৎসার অযোগ্য হয়ে পড়ে ফলে কোন কাজ হয় না।এমনিতে এই রোগের চিকিৎসা অনেক জটিল।

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডা: ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
গোঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮             

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন