![]() |
| Diary of a homeopathic doctor (3rd part) |
একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার আজীবণ সাধনা করেন কিভাবে একজন রোগাক্রান্ত অসুস্হ
মানুষটিকে দ্রুত, বিনা কষ্টে, সহজসরল উপায়ে আদর্শ আরোগ্য দেয়া যায়। এই কঠিন পথ পরিক্রমায়
লেখাপড়া, অধ্যবসায় ও কঠিন পরিশ্রম প্রয়োজন হয়। একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের আজীবণের
সাধনার ফসল হলো তার রেখে যাওয়া রোগীলিপি, অভিজ্ঞতা লব্ধ নোটসমুহ। নিজের জীবদ্দশায় স্বীকৃতি
না পেলেও মৃত্যুর পরে একজন গুনী হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার যুগ যুগ বেচে থাকেন তার রেখে
যাওয়া পান্ডুলিপির সাহায্যে। নশ্বর এই পৃথিবী থেকে কথন যে বিদায় নিতে হবে তা আমরা কেউ
জানি না। মরিতে চাহি না আমি এই সুন্দর ভুবনে........। আমার প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা আপনাদের
জন্য শেয়ার করলাম।
* প্রথম ও দ্বিতীয় দুই পর্বে ৫০+৫০=১০০টি অভিজ্ঞতা পেশ করা হয়েছে। আজ আমি হোমিওপ্যাথিক
নবিন ডাক্তার ও হোমিওপ্যাথিক ছাত্র বন্ধুদের জন্য আমার ডাইরির কিছু অংশ পেশ করিলাম।
ü 101* ইথুজা নির্বাচক
লক্ষণ- দুধ অসহ্য, বমি,হঠাৎ রোগ, আক্রমণ সাথে মৃতের মত অবস্থা, নিদ্রালুতা, শুষ্ক জিহ্বা
পিপাসাহীন ইত্যাদি।
ü 102* ক্রোধের কারণে
জন্ডিসে- ক্যামোমিলা, বালকদের পেটের বেদনায় ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া, আন্ত্রিক লক্ষণে ব্রাইয়োনিয়া
উপযোগী সদৃশ ঔষধ।
ü 103* সালফারে নিদ্রাশেষে,ল্যাকেসিসে
যতটুকু নিদ্রা ততটাই অসুস্হ হয় আর সিফিলিনামের রোগী নিদ্রার কথা ভাবতেই রোগ বৃদ্ধি
দৃশ্যমান।
ü 104* সালফারে রক্তপ্রবাহের
বিশৃঙ্খলা, লাকেসিসে হৃৎপিণ্ডের দুর্বলতা, সিফিলিনামে রক্তোচ্ছাসে উষ্ণতা শ্বাসকষ্ট,নিদ্রাভঙ্গে
বৃদ্ধি।
ü 105* চায়না বা সিঙ্কোনার
রোগীচিত্র- বল, বীর্য, রক্তক্ষরণে ভঙ্গস্বাস্থ্য,কুইনের কুফল, শীতার্ত, প্রবণ, অজীর্ণ,
পেটফাপা, ডিসপেপসিয়া ইত্যাদি।
ü 106* আর্জেন্ট নাইট্রিকামের
রোগী চিত্র- চিকন দুর্বল, উৎকণ্ঠা, উদ্বেগপূর্ণ ভবিষ্যতে অমঙ্গলের ভয়, গরমকাতর, গলা
শ্লেষ্মাময়, গলা খেকড়ানী স্বভাব ইত্যাদি।
ü 107* লাল বর্ণের প্রস্রাবের
রোগীর সদৃশ ঔষধ- বোভিষ্টা, বেলেডোনা, লাইকোপোডিয়াম, সার্সাপ্যারিলা ইত্যাদি।
ü 108* বংশে ক্যানসারের
ইতিহাস, সংক্রামক রোগে বারবার আক্রান্ত, দেহে অসংখ্য জড়ুল বা তিলক এই লক্ষণ সমষ্টির
সদৃশ ঔষধ কার্সিনোসিন।
ü 109* পিত্তপাথুরীর
জ্বালা, বেদনা, বমন ও লিভার অসুস্থতায় নক্স, চায়না, কার্ডুয়াস ইত্যাদি বিফলেও কোলিস্টেরিনাম বিফল হয় না।
ü 110* কার্পাস লুটিয়ামের
রোগীচিত্র- উপযুক্ত বয়সেও নারীত্ব অবিকশিত, ঋতু কম/ হয় না, জরায়ুর স্বাভাবিক করে বন্ধ্যাত্ব
অবসান করে।
ü 111* নানা প্রকার
ঔষধের বিষক্রিয়ায় রুক্ষ মেজাজ,কোষ্ঠকাঠিন্য, অনিদ্রা দূর করতে নাক্স ভুমিকার প্রয়োজন
অনস্বীকার্য।
ü 112* গর্ভস্রাব প্রবনতা
আরোগ্যে সদৃশ ঔষধ- সিপিয়া, এপিস, ক্যালকেরিয়াকার্ব, স্যাবাইনা, এসিড নাই, থুজা, ইগ্নেসিয়া
ইত্যাদি।
ü 113* জরায়ুর বহিনির্গমনের
সদৃশ ঔষধ- সিপিয়া, লিলিয়াম, মিউরেক্স, হেলোনিয়াস, নেট্রাম কার্ব ও মিউর, পালস ইত্যাদি।
ü 114* উচ্চ শ্রেণীর
শীতকাতর রোগীর সদৃশ ঔষধ- হিপার সাল্ফ, সোরিনাম, লিডাম, কেলি কার্ব, ফেরাম ফস, ক্রিয়োজোট
ইত্যাদি।
ü 115* তীক্ষ্ণ বুদ্ধি,
ভীরুতা, উদ্বিগ্নতা, হতবুদ্ধি কোন কাজ শুরু করিতে ভয় কিন্তু শুরু করলে অনায়াসে করে,
সদৃশ ঔষধটি সাইলেসিয়া।
ü 116* ভিরেট্রাম এলবামের
রোগী চিত্র- পিপাসা, কপালে ঘাম, বমি ও মল, অম্লখাদ্যের ইচ্ছা, অস্হিরতা সর্বক্ষেত্রেই
রোগ প্রাবল্য ইত্যাদি।
ü 117* সুনির্বাচিত
ঔষধে রোগীর কোন উন্নতি না হলে প্রতিক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে সহায়ক - সালফার, সোরি, সিফিলি,
মেডো, টিউবারকুলিনাম।
ü 118* রোগীর রোগ সম্পর্কে
ভাবলে রোগ বৃদ্ধি, কাজে ব্যাস্ত থাকলে উপশম, সদৃশ ঔষধ ক্যালকেরিয়া ফস, এসিড আক্সা,
হেলোনিয়াস ইত্যাদি।
ü 119* হেলোনিয়াস ডায়োইকার
রোগী চিত্র- অলস,দুর্বল, অস্হিরতা, অন্যের দোষ ধরে, জরায়ুর দুর্বলতা, গর্ভবতীদের ডায়াবেটিস
ইত্যাদি।
ü 120* বৃদ্ধ না হয়েও
বৃদ্ধের ন্যায় চেহারা প্রাপ্ত রোগী দেখলেই সর্বাগ্রে আর্জেন্ট নাই সদৃশ ঔষধটি প্রয়োগের
চিন্তা করা যায়।
ü 121* এসিড মিউরের
রোগী চিত্র- রাগী,ভীষণ দুর্বল, মলদ্বারে স্পর্শ কাতর, ঋতুকালীন মলদ্বারে ব্যথা, প্রস্রাবের
সময় মলত্যাগ বাধ্য ইত্যাদি।
ü 122* নোংরা রোগীর
সদৃশ ঔষধ- সালফার,সোরিনাম, গ্রাফাইটিস এদের পার্থক্য যথাক্রমে নোংরা থাকতে পছন্দ, অসমর্থ,
বোধ শক্তির অভাব।
ü 123* রোগীর সামান্য
নড়াচড়া, গোলমালে, গানবাজনাও অসহ্য, রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ: এসিড ফস।
ü 124* হঠাৎ প্রস্রাবের
বেগ আসে, সদৃশ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ- পেট্রোসেলিনিয়াম, ক্যান্থারিস, ক্যানাবিস স্যাটাইভা,
মার্কসল ইত্যাদি।
ü 125* রোগী সামান্য
প্রতিবাদ সহ্য করতে পারে না রেগে যায়, সদৃশ ঔষধ- ইগ্নেসিয়া, ফেরামমেট, এনাকার্ডিয়াম,
কোকুলাস ইন্ডিকা ইত্যাদি।
ü 126* দুধ পানে উদরাময়
হলে সদৃশ ঔষধ- ক্যালকেরিয়া কার্ব, নেট্রাম কার্ব, নিকোলাস, সালফার ইত্যাদি।
ü 127* ক্যালাডিয়াম
সেগুইনামের রোগীচিত্র- কামাতুর, ধ্বজভঙ্গ, মিষ্টিঘর্ম, ধুমপান ও অতিরিক্ত যৌনকর্মের
কুফল, যোনিতে চুলকানি ইত্যাদি।
ü 128* ডিজিটেলিস হৃৎপিণ্ডের
রোগীর জন্য অত্যন্ত উপকারী কিন্তু ভুল নির্বাচন ও নিম্ন শক্তিতে রোগীর মারাত্মক ক্ষতি
হতে পারে।
ü 129* কোনিয়ামের বিশিষ্ট
লক্ষণ- অলস, নির্বোধ, উদাসীন, ক্ষীণ বুদ্ধি, যৌন আকংক্ষা দমন, অতিরিক্ত সঙ্গমের কুফলে
পক্ষাঘাত ইত্যাদি।
ü 130* স্ত্রীলোকের
যোনিদ্বার দিয়ে সশব্দে বায়ু নির্গত হলে সদৃশ ঔষধ- লাইকোপোডিয়াম, ল্যাক ক্যান, ব্রোমিয়াম
ইত্যাদি।
ü 131* সুস্পষ্ট লক্ষণ
ছাড়া ক্রনিক রোগীর চিকিৎসা এন্টিসোরিক সদৃশ ঔষধ দ্বারা শুরু করা উচিত। এ ক্ষেত্রে
লাইকোপোডিয়াম দেয়া নিষেধ।
ü 133* কার্যের সাথে
যেমন কারণের সম্পর্ক, হাইড্রোজেনয়েড ধাতুর রোগীর সাথে সাইকোসিস মায়াজমের সম্পর্ক
তেমন।
ü 134* সামান্য ব্যাথা,
আবেগ, পরিশ্রমের কারণে মুখমণ্ডল, গাল গলায় রক্তিম আভায় সদৃশ ঔষধ- জেলস, কোকা, এমিল
নাইট্রেট ইত্যাদি।
ü 135* মানসিক আঘাত
পেয়ে যক্ষ্মা- আর্নিকা, ইগ্নেশিয়া, নেট্রাম মিউর, ফসফরিক অ্যাসিড।
ü 136* ভারী বোঝা উত্তলন
করিয়া পা ফসকাইয়া পড়িয়া,উচু থেকে নীচু নামিয়া অথবা কোমরে কোন প্রকার আঘাত লাগিয়া কোমর
টনকিয়া গেলে, উঠিতে, বসিতে, দাড়াইতে, চলিতে ব্যথা হইলে আর্নিকা অব্যর্থ।
ü 137* সর্দির কারনে
নাক বন্ধ থাকলে নাক্স ভুমিকা বিশেষ ফলদায়ক। নাক্স বিফল হলে সাম্বুকাস প্রায়ই বিফল হয়
না।
ü 138* নাকে সর্দি বুকে
ঘড়ঘড় করে নাকের দুইপাতা একবার উঠে একবার নামে এইরুপ উঠানামা লক্ষণসহ সর্দিতে নাক বন্ধ
থাকার কারণে শিশু স্তন্য পান করিতে পারে না সেই শিশুর জন্য লাইকোপোডিয়াম উপযোগী।
ü 139* ইগ্নেসিয়ার অদ্ভুত
লক্ষণ- ১)ভরপুর আহারের পরেও পেট যেন খালি। ২) সঙ্গীতের শব্দে কাণের সোঁ সোঁ শব্দের অবসান
হয়। ৩)কোনকিছু চিবালে দাতের ব্যাথা কমে। ৪)ভ্রমনে অর্শের বেদনার অবসান। ৫)ধ্বজ ভঙ্গ
রোগীর সঙ্গমের ইচ্ছা প্রবল। ৬)জ্বরে শীতকর অবস্হায়। জলপান করে কিন্তু উত্তাপে পীপাসাহীণ।
৭)কাশিলে কাশির আরও বৃদ্ধি। ৮)গঠনে পুরুম কিন্তু স্বভাবে স্ত্রী।
ü 140* মুখে জল উঠার
সদৃশ ঔষধ সমুহ- এবিস নাইগ্রা, এসেটিক এসিড, এন্টিম ক্রুড, ব্রাইয়োনিয়া, ক্যালকেরিয়া
কার্ব, কার্বোভেজ, লাইকোপোডিয়াম, নেট্রাম কার্ব, নাক্স ভুমিকা, রবিনিয়া উত্যাদি লক্ষণ
ভেদে উপযোগী।
ü 141* গর্ভাবস্হায়
লালা স্রাবের সদৃশ ঔষধ- পালসেটিলা, সাইক্লামেন, আইরিস ভার্স, কেলিবাই ক্রম, ইপিকাক,
সালফার, মারআক সল, নেট্রাম মিউর ইত্যাদি।
ü 142* হলুদ বর্ণের
গাঢ়, অল্প প্রস্রাব, চক্ষু হলুদ, মুখে তিক্ত স্বাদ, মাঝে মাঝে বমি, বমি ভাব। কোষ্ঠবদ্ধতা,মল
গাটগাট হয়ে নির্গত হয়। লিভারের স্হানে বেদনা। ডানপাশে শুইতে অক্ষমতা ইত্যাদি লক্ষণে
কার্ডুয়াস মেরি উপযোগী।
ü 143* অতিরিক্ত কুইনাইন
সেবন জনিত কারণে জন্ডিস হলে নাক্স ভুমিকা উপযোগী।
ü 144* যে সকল রোগী
লাজুক স্মরণশক্তি কম তাদের জন্য এম্ব্রাগ্রেসিয়া উপযোগী। যে সকল রোগী অফিসের বস কিংবা
উন্টারভিউ বোর্ডের কাছে উপস্হিত হতে ভয় পায়, সংখ্যা মনের থাকে না বিশেষ করে বৃদ্ধদের
স্মরণশক্তি বুদ্ধিতে এম্ব্রাগ্রেসিয়া উপযোগী।
ü 145* তৃষ্ণাহীন রোগীর
সদৃশ ঔষধ- ইস্কুলাস, এনাকার্ডিয়াম, এমোন মিউর, এন্টিমক্রুড, এন্টিমটার্ট, এপিস, আর্জেন্ট
নাই আর্সেনিক এলবম, অ্যাসাফিটিডা, বেলেডোনা, ফেরাম ফস,জেলসিমিয়াম, হেলেবোরাস, ইপিকাক,
কেলি কার্ব,ওপিয়াম, পালসেটিলা, রাসটক্স, স্যাবাডিলা, সিপিয়া, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া ইত্যাদি।
ü 146* নাক,অর্শ, গলক্ষত
ইত্যাদি ছিদ্রপথে প্রচুর রক্তক্ষরণের প্রবনতা, ঠান্ডা পানি দিলে রক্তক্ষরণ বৃদ্ধিতে
সদৃশ ঔষধ এমোনিয়াম কার্ব।
ü 147* মুত্রযন্ত্রের
পীড়ায় ক্যান্থারিস ও এপিস মেল ঔষধ দুইটি নির্বাচনে পার্থক্য হলো ক্যান্থারিসের জ্বালাপোড়া
এপিসের হুলফোটানো বেদনা।
ü 148* হৃৎপিণ্ডের যাবতীয়
রোগ ডানপাশে শয়নে বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ- ক্যালমিয়া, প্লাটিনাম, স্পঞ্জিয়া আর্জেন্ট নাইট্রিকাম
ইত্যাদি।
ü 149* কোষ্ঠকাঠিন্য
ও ঋতুসল্প তায় গ্রাফাইটিস প্রয়োগের জন্য রোগীর চর্মরোগ বর্তমান অথবা চর্মরোগের ইতিহাস
বিদ্যমান থাকা জরুরি।
ü 150* শরীরের ডানদিকে
রোগাক্রমন এর সদৃশ ঔষধ- একোনাইট, ইস্কুলাস, অ্যাগ্নাস, অ্যালুমিনা, অ্যামোনকার্ব, এপিস,
আর্জেন্টাম মেট, আর্সেনিক, অরামমেট, ব্যাপটিসিয়া, বেলেডোনা, বিসমাথ, বোরাক্স, ব্রাইওনিয়া,
ক্যালকেরিয়া, ক্যালকেরিয়া ফস, ক্যান্থারিস, কষ্টিকাম, চেলিডোনিয়াম, ককুলাস, কলচিকাম,
কলোসিন্হ, কোনিয়াম, ক্রোটেলাস, ড্রসেরা, হিপার সাল্ফ, ইগ্নেসিয়া, ইপিকাক, আইরিস, ম্যাগ্নেসিয়া
মিউর ম্যাঙ্গানাম, মার্কুরিয়াস, নেট্রাম কার্ব, নাক্স মশ্চেটা, নাক্স ভুমিকা, পেট্রোলিয়াম,
প্লাম্বাম, পডোফাইলাম, পালসেটিলা, র্যানানকুলাস, স্যাবাইনা, স্যাঙ্গুনেরিয়া, সার্সাপ্যারিলা,
সিকেল, সাইলিসিয়া, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া, সালফএসিড, টিউক্রিয়াম, জিঙ্কাম ইত্যাদি।*শরীরের
বামদিকে রোগাক্রমণ এর সদৃশ ঔষধ- অ্যালিয়াম সেপা, অ্যানাকার্ডিয়াম, অ্যান্টিমক্রড, অ্যান্টিমটার্ট,
আর্জেন্টামনাইট, আর্নিকা, অ্যাসাফোটিডা, অ্যাসারাম, বার্বারিস, ব্রোমিয়াম, ব্রায়োনিয়া,
ক্যাপসিকাম, ক্যামোমিলা, চেলিডোনিয়াম, চায়না, সিমিসিফুগা, সিনা, ক্লিমেটিস, কলচিকাম,
কলোসিন্হ, ক্রোটনটিগ, কুপ্রম, ডালকামারা, ইউফ্রেসিয়া, ফেরামফস, গ্রাফাইটিস, গুয়েকাম,
ক্রিয়োজোট, ল্যাকেসিস, মার্কুরিয়াস, মিউরিয়েটিক এসিড, গুলিয়েন্ডার, ফসফরাস, রডোডেনড্রন,
স্যাবাইনা, সেলিনিয়াম, সিপিয়া, সাইলিসিয়া, স্পাইজিলিয়া, স্ক্রুইলা, স্টানাম, সালফার,
থুজা ইত্যাদি।
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার আজীবণ সাধনা করেন কিভাবে একজন রোগাক্রান্ত অসুস্হ
মানুষটিকে দ্রুত, বিনা কষ্টে, সহজসরল উপায়ে আদর্শ আরোগ্য দেয়া যায়। এই কঠিন পথ পরিক্রমায়
লেখাপড়া, অধ্যবসায় ও কঠিন পরিশ্রম প্রয়োজন হয়। একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের আজীবণের
সাধনার ফসল হলো তার রেখে যাওয়া রোগীলিপি, অভিজ্ঞতা লব্ধ নোটসমুহ। নিজের জীবদ্দশায় স্বীকৃতি
না পেলেও মৃত্যুর পরে একজন গুনী হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার যুগ যুগ বেচে থাকেন তার রেখে
যাওয়া পান্ডুলিপির সাহায্যে। নশ্বর এই পৃথিবী থেকে কথন যে বিদায় নিতে হবে তা আমরা কেউ
জানি না। মরিতে চাহি না আমি এই সুন্দর ভুবনে........। আমার প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা আপনাদের
জন্য শেয়ার করলাম।
* প্রথম ও দ্বিতীয় দুই পর্বে ৫০+৫০=১০০টি অভিজ্ঞতা পেশ করা হয়েছে। আজ আমি হোমিওপ্যাথিক
নবিন ডাক্তার ও হোমিওপ্যাথিক ছাত্র বন্ধুদের জন্য আমার ডাইরির কিছু অংশ পেশ করিলাম।
ü 101* ইথুজা নির্বাচক
লক্ষণ- দুধ অসহ্য, বমি,হঠাৎ রোগ, আক্রমণ সাথে মৃতের মত অবস্থা, নিদ্রালুতা, শুষ্ক জিহ্বা
পিপাসাহীন ইত্যাদি।
ü 102* ক্রোধের কারণে
জন্ডিসে- ক্যামোমিলা, বালকদের পেটের বেদনায় ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া, আন্ত্রিক লক্ষণে ব্রাইয়োনিয়া
উপযোগী সদৃশ ঔষধ।
ü 103* সালফারে নিদ্রাশেষে,ল্যাকেসিসে
যতটুকু নিদ্রা ততটাই অসুস্হ হয় আর সিফিলিনামের রোগী নিদ্রার কথা ভাবতেই রোগ বৃদ্ধি
দৃশ্যমান।
ü 104* সালফারে রক্তপ্রবাহের
বিশৃঙ্খলা, লাকেসিসে হৃৎপিণ্ডের দুর্বলতা, সিফিলিনামে রক্তোচ্ছাসে উষ্ণতা শ্বাসকষ্ট,নিদ্রাভঙ্গে
বৃদ্ধি।
ü 105* চায়না বা সিঙ্কোনার
রোগীচিত্র- বল, বীর্য, রক্তক্ষরণে ভঙ্গস্বাস্থ্য,কুইনের কুফল, শীতার্ত, প্রবণ, অজীর্ণ,
পেটফাপা, ডিসপেপসিয়া ইত্যাদি।
ü 106* আর্জেন্ট নাইট্রিকামের
রোগী চিত্র- চিকন দুর্বল, উৎকণ্ঠা, উদ্বেগপূর্ণ ভবিষ্যতে অমঙ্গলের ভয়, গরমকাতর, গলা
শ্লেষ্মাময়, গলা খেকড়ানী স্বভাব ইত্যাদি।
ü 107* লাল বর্ণের প্রস্রাবের
রোগীর সদৃশ ঔষধ- বোভিষ্টা, বেলেডোনা, লাইকোপোডিয়াম, সার্সাপ্যারিলা ইত্যাদি।
ü 108* বংশে ক্যানসারের
ইতিহাস, সংক্রামক রোগে বারবার আক্রান্ত, দেহে অসংখ্য জড়ুল বা তিলক এই লক্ষণ সমষ্টির
সদৃশ ঔষধ কার্সিনোসিন।
ü 109* পিত্তপাথুরীর
জ্বালা, বেদনা, বমন ও লিভার অসুস্থতায় নক্স, চায়না, কার্ডুয়াস ইত্যাদি বিফলেও কোলিস্টেরিনাম বিফল হয় না।
ü 110* কার্পাস লুটিয়ামের
রোগীচিত্র- উপযুক্ত বয়সেও নারীত্ব অবিকশিত, ঋতু কম/ হয় না, জরায়ুর স্বাভাবিক করে বন্ধ্যাত্ব
অবসান করে।
ü 111* নানা প্রকার
ঔষধের বিষক্রিয়ায় রুক্ষ মেজাজ,কোষ্ঠকাঠিন্য, অনিদ্রা দূর করতে নাক্স ভুমিকার প্রয়োজন
অনস্বীকার্য।
ü 112* গর্ভস্রাব প্রবনতা
আরোগ্যে সদৃশ ঔষধ- সিপিয়া, এপিস, ক্যালকেরিয়াকার্ব, স্যাবাইনা, এসিড নাই, থুজা, ইগ্নেসিয়া
ইত্যাদি।
ü 113* জরায়ুর বহিনির্গমনের
সদৃশ ঔষধ- সিপিয়া, লিলিয়াম, মিউরেক্স, হেলোনিয়াস, নেট্রাম কার্ব ও মিউর, পালস ইত্যাদি।
ü 114* উচ্চ শ্রেণীর
শীতকাতর রোগীর সদৃশ ঔষধ- হিপার সাল্ফ, সোরিনাম, লিডাম, কেলি কার্ব, ফেরাম ফস, ক্রিয়োজোট
ইত্যাদি।
ü 115* তীক্ষ্ণ বুদ্ধি,
ভীরুতা, উদ্বিগ্নতা, হতবুদ্ধি কোন কাজ শুরু করিতে ভয় কিন্তু শুরু করলে অনায়াসে করে,
সদৃশ ঔষধটি সাইলেসিয়া।
ü 116* ভিরেট্রাম এলবামের
রোগী চিত্র- পিপাসা, কপালে ঘাম, বমি ও মল, অম্লখাদ্যের ইচ্ছা, অস্হিরতা সর্বক্ষেত্রেই
রোগ প্রাবল্য ইত্যাদি।
ü 117* সুনির্বাচিত
ঔষধে রোগীর কোন উন্নতি না হলে প্রতিক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে সহায়ক - সালফার, সোরি, সিফিলি,
মেডো, টিউবারকুলিনাম।
ü 118* রোগীর রোগ সম্পর্কে
ভাবলে রোগ বৃদ্ধি, কাজে ব্যাস্ত থাকলে উপশম, সদৃশ ঔষধ ক্যালকেরিয়া ফস, এসিড আক্সা,
হেলোনিয়াস ইত্যাদি।
ü 119* হেলোনিয়াস ডায়োইকার
রোগী চিত্র- অলস,দুর্বল, অস্হিরতা, অন্যের দোষ ধরে, জরায়ুর দুর্বলতা, গর্ভবতীদের ডায়াবেটিস
ইত্যাদি।
ü 120* বৃদ্ধ না হয়েও
বৃদ্ধের ন্যায় চেহারা প্রাপ্ত রোগী দেখলেই সর্বাগ্রে আর্জেন্ট নাই সদৃশ ঔষধটি প্রয়োগের
চিন্তা করা যায়।
ü 121* এসিড মিউরের
রোগী চিত্র- রাগী,ভীষণ দুর্বল, মলদ্বারে স্পর্শ কাতর, ঋতুকালীন মলদ্বারে ব্যথা, প্রস্রাবের
সময় মলত্যাগ বাধ্য ইত্যাদি।
ü 122* নোংরা রোগীর
সদৃশ ঔষধ- সালফার,সোরিনাম, গ্রাফাইটিস এদের পার্থক্য যথাক্রমে নোংরা থাকতে পছন্দ, অসমর্থ,
বোধ শক্তির অভাব।
ü 123* রোগীর সামান্য
নড়াচড়া, গোলমালে, গানবাজনাও অসহ্য, রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ: এসিড ফস।
ü 124* হঠাৎ প্রস্রাবের
বেগ আসে, সদৃশ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ- পেট্রোসেলিনিয়াম, ক্যান্থারিস, ক্যানাবিস স্যাটাইভা,
মার্কসল ইত্যাদি।
ü 125* রোগী সামান্য
প্রতিবাদ সহ্য করতে পারে না রেগে যায়, সদৃশ ঔষধ- ইগ্নেসিয়া, ফেরামমেট, এনাকার্ডিয়াম,
কোকুলাস ইন্ডিকা ইত্যাদি।
ü 126* দুধ পানে উদরাময়
হলে সদৃশ ঔষধ- ক্যালকেরিয়া কার্ব, নেট্রাম কার্ব, নিকোলাস, সালফার ইত্যাদি।
ü 127* ক্যালাডিয়াম
সেগুইনামের রোগীচিত্র- কামাতুর, ধ্বজভঙ্গ, মিষ্টিঘর্ম, ধুমপান ও অতিরিক্ত যৌনকর্মের
কুফল, যোনিতে চুলকানি ইত্যাদি।
ü 128* ডিজিটেলিস হৃৎপিণ্ডের
রোগীর জন্য অত্যন্ত উপকারী কিন্তু ভুল নির্বাচন ও নিম্ন শক্তিতে রোগীর মারাত্মক ক্ষতি
হতে পারে।
ü 129* কোনিয়ামের বিশিষ্ট
লক্ষণ- অলস, নির্বোধ, উদাসীন, ক্ষীণ বুদ্ধি, যৌন আকংক্ষা দমন, অতিরিক্ত সঙ্গমের কুফলে
পক্ষাঘাত ইত্যাদি।
ü 130* স্ত্রীলোকের
যোনিদ্বার দিয়ে সশব্দে বায়ু নির্গত হলে সদৃশ ঔষধ- লাইকোপোডিয়াম, ল্যাক ক্যান, ব্রোমিয়াম
ইত্যাদি।
ü 131* সুস্পষ্ট লক্ষণ
ছাড়া ক্রনিক রোগীর চিকিৎসা এন্টিসোরিক সদৃশ ঔষধ দ্বারা শুরু করা উচিত। এ ক্ষেত্রে
লাইকোপোডিয়াম দেয়া নিষেধ।
ü 133* কার্যের সাথে
যেমন কারণের সম্পর্ক, হাইড্রোজেনয়েড ধাতুর রোগীর সাথে সাইকোসিস মায়াজমের সম্পর্ক
তেমন।
ü 134* সামান্য ব্যাথা,
আবেগ, পরিশ্রমের কারণে মুখমণ্ডল, গাল গলায় রক্তিম আভায় সদৃশ ঔষধ- জেলস, কোকা, এমিল
নাইট্রেট ইত্যাদি।
ü 135* মানসিক আঘাত
পেয়ে যক্ষ্মা- আর্নিকা, ইগ্নেশিয়া, নেট্রাম মিউর, ফসফরিক অ্যাসিড।
ü 136* ভারী বোঝা উত্তলন
করিয়া পা ফসকাইয়া পড়িয়া,উচু থেকে নীচু নামিয়া অথবা কোমরে কোন প্রকার আঘাত লাগিয়া কোমর
টনকিয়া গেলে, উঠিতে, বসিতে, দাড়াইতে, চলিতে ব্যথা হইলে আর্নিকা অব্যর্থ।
ü 137* সর্দির কারনে
নাক বন্ধ থাকলে নাক্স ভুমিকা বিশেষ ফলদায়ক। নাক্স বিফল হলে সাম্বুকাস প্রায়ই বিফল হয়
না।
ü 138* নাকে সর্দি বুকে
ঘড়ঘড় করে নাকের দুইপাতা একবার উঠে একবার নামে এইরুপ উঠানামা লক্ষণসহ সর্দিতে নাক বন্ধ
থাকার কারণে শিশু স্তন্য পান করিতে পারে না সেই শিশুর জন্য লাইকোপোডিয়াম উপযোগী।
ü 139* ইগ্নেসিয়ার অদ্ভুত
লক্ষণ- ১)ভরপুর আহারের পরেও পেট যেন খালি। ২) সঙ্গীতের শব্দে কাণের সোঁ সোঁ শব্দের অবসান
হয়। ৩)কোনকিছু চিবালে দাতের ব্যাথা কমে। ৪)ভ্রমনে অর্শের বেদনার অবসান। ৫)ধ্বজ ভঙ্গ
রোগীর সঙ্গমের ইচ্ছা প্রবল। ৬)জ্বরে শীতকর অবস্হায়। জলপান করে কিন্তু উত্তাপে পীপাসাহীণ।
৭)কাশিলে কাশির আরও বৃদ্ধি। ৮)গঠনে পুরুম কিন্তু স্বভাবে স্ত্রী।
ü 140* মুখে জল উঠার
সদৃশ ঔষধ সমুহ- এবিস নাইগ্রা, এসেটিক এসিড, এন্টিম ক্রুড, ব্রাইয়োনিয়া, ক্যালকেরিয়া
কার্ব, কার্বোভেজ, লাইকোপোডিয়াম, নেট্রাম কার্ব, নাক্স ভুমিকা, রবিনিয়া উত্যাদি লক্ষণ
ভেদে উপযোগী।
ü 141* গর্ভাবস্হায়
লালা স্রাবের সদৃশ ঔষধ- পালসেটিলা, সাইক্লামেন, আইরিস ভার্স, কেলিবাই ক্রম, ইপিকাক,
সালফার, মারআক সল, নেট্রাম মিউর ইত্যাদি।
ü 142* হলুদ বর্ণের
গাঢ়, অল্প প্রস্রাব, চক্ষু হলুদ, মুখে তিক্ত স্বাদ, মাঝে মাঝে বমি, বমি ভাব। কোষ্ঠবদ্ধতা,মল
গাটগাট হয়ে নির্গত হয়। লিভারের স্হানে বেদনা। ডানপাশে শুইতে অক্ষমতা ইত্যাদি লক্ষণে
কার্ডুয়াস মেরি উপযোগী।
ü 143* অতিরিক্ত কুইনাইন
সেবন জনিত কারণে জন্ডিস হলে নাক্স ভুমিকা উপযোগী।
ü 144* যে সকল রোগী
লাজুক স্মরণশক্তি কম তাদের জন্য এম্ব্রাগ্রেসিয়া উপযোগী। যে সকল রোগী অফিসের বস কিংবা
উন্টারভিউ বোর্ডের কাছে উপস্হিত হতে ভয় পায়, সংখ্যা মনের থাকে না বিশেষ করে বৃদ্ধদের
স্মরণশক্তি বুদ্ধিতে এম্ব্রাগ্রেসিয়া উপযোগী।
ü 145* তৃষ্ণাহীন রোগীর
সদৃশ ঔষধ- ইস্কুলাস, এনাকার্ডিয়াম, এমোন মিউর, এন্টিমক্রুড, এন্টিমটার্ট, এপিস, আর্জেন্ট
নাই আর্সেনিক এলবম, অ্যাসাফিটিডা, বেলেডোনা, ফেরাম ফস,জেলসিমিয়াম, হেলেবোরাস, ইপিকাক,
কেলি কার্ব,ওপিয়াম, পালসেটিলা, রাসটক্স, স্যাবাডিলা, সিপিয়া, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া ইত্যাদি।
ü 146* নাক,অর্শ, গলক্ষত
ইত্যাদি ছিদ্রপথে প্রচুর রক্তক্ষরণের প্রবনতা, ঠান্ডা পানি দিলে রক্তক্ষরণ বৃদ্ধিতে
সদৃশ ঔষধ এমোনিয়াম কার্ব।
ü 147* মুত্রযন্ত্রের
পীড়ায় ক্যান্থারিস ও এপিস মেল ঔষধ দুইটি নির্বাচনে পার্থক্য হলো ক্যান্থারিসের জ্বালাপোড়া
এপিসের হুলফোটানো বেদনা।
ü 148* হৃৎপিণ্ডের যাবতীয়
রোগ ডানপাশে শয়নে বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ- ক্যালমিয়া, প্লাটিনাম, স্পঞ্জিয়া আর্জেন্ট নাইট্রিকাম
ইত্যাদি।
ü 149* কোষ্ঠকাঠিন্য
ও ঋতুসল্প তায় গ্রাফাইটিস প্রয়োগের জন্য রোগীর চর্মরোগ বর্তমান অথবা চর্মরোগের ইতিহাস
বিদ্যমান থাকা জরুরি।
*শরীরের
বামদিকে রোগাক্রমণ এর সদৃশ ঔষধ- অ্যালিয়াম সেপা, অ্যানাকার্ডিয়াম, অ্যান্টিমক্রড, অ্যান্টিমটার্ট,
আর্জেন্টামনাইট, আর্নিকা, অ্যাসাফোটিডা, অ্যাসারাম, বার্বারিস, ব্রোমিয়াম, ব্রায়োনিয়া,
ক্যাপসিকাম, ক্যামোমিলা, চেলিডোনিয়াম, চায়না, সিমিসিফুগা, সিনা, ক্লিমেটিস, কলচিকাম,
কলোসিন্হ, ক্রোটনটিগ, কুপ্রম, ডালকামারা, ইউফ্রেসিয়া, ফেরামফস, গ্রাফাইটিস, গুয়েকাম,
ক্রিয়োজোট, ল্যাকেসিস, মার্কুরিয়াস, মিউরিয়েটিক এসিড, গুলিয়েন্ডার, ফসফরাস, রডোডেনড্রন,
স্যাবাইনা, সেলিনিয়াম, সিপিয়া, সাইলিসিয়া, স্পাইজিলিয়া, স্ক্রুইলা, স্টানাম, সালফার,
থুজা ইত্যাদি।
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮






