হোমিওপ্যাথি পাঠশালা
প্রকাশনা- ক্ল্যাসিকাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। - ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
জনপ্রিয় পোস্ট
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২০, ২০২৬
দাঁতের ব্যথায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস- (BHMEC), এম.এস.এস( রাষ্ট্রবিজ্ঞান)(NU)।গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬। ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার পাশে, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ।
বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
ঘামের হোমিওপ্যথিক চিকিৎসা
![]() |
| ঘর্ম চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি |
ঘামের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
লক্ষণভিত্তিক ঔষধ নির্বাচন ও রেপার্টরি নির্দেশনা
ঘাম বা Perspiration শরীরের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার একটি অংশ। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ঘামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত, অস্বাভাবিকভাবে কম, নির্দিষ্ট সময়ে বা শরীরের বিশেষ কোনো অংশে ঘাম হওয়া কোনো অন্তর্নিহিত শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
তাই ঘাম নিজে সবসময় একটি স্বতন্ত্র রোগ নয়, অনেক ক্ষেত্রে এটি অন্য কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যার একটি উপসর্গ। অতিরিক্ত ঘামের ক্ষেত্রে রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য, বয়স, পরিবেশ, ওজন, ওষুধ সেবন, হরমোনজনিত সমস্যা এবং অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করা প্রয়োজন।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কেবল “বেশি ঘাম” দেখে ঔষধ নির্বাচন না করে রোগীর ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, ঘামের স্থান, সময়, গন্ধ, প্রকৃতি, কারণ, সহগামী উপসর্গ এবং সামগ্রিক রোগচিত্র বিবেচনা করা হয়।
জ্বরের সঙ্গে ঘাম:
একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
জ্বরের সময় অন্যান্য উপসর্গের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঘাম শুরু হয়ে রোগীর অস্বস্তি ও জ্বর কমতে থাকলে সেটি সাধারণত রোগের স্বাভাবিক পরিবর্তনের অংশ হতে পারে।
অন্যদিকে জ্বর বা গুরুতর অসুস্থতার সময়ে হঠাৎ অতিরিক্ত ঠান্ডা ঘাম, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা, তীব্র দুর্বলতা বা অন্যান্য গুরুতর উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন।
বিশেষ সতর্কতা:
হঠাৎ ঠান্ডা ঘাম ও বুকব্যথা/শ্বাসকষ্ট/অজ্ঞানভাব থাকলে এটিকে শুধু “ঘামের উপসর্গ” হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
ঘামের গুরুত্বপূর্ণ ধরন ও হোমিওপ্যাথিক ঔষধের লক্ষণ
নিচের ঔষধগুলো কোনো নির্দিষ্ট রোগের “নিশ্চিত চিকিৎসা” হিসেবে নয়; বরং প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক Materia Medica ও repertory-তে বর্ণিত লক্ষণচিত্রের উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হলো।
১. Silicea
শীতকাতর রোগীর হাত ও পায়ের তালুতে অতিরিক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম Silicea-এর একটি পরিচিত লক্ষণচিত্র।
বিশেষ করে পায়ের ঘামের সঙ্গে দুর্গন্ধ এবং সামগ্রিকভাবে শীতকাতরতা থাকলে রোগীর অন্যান্য লক্ষণের সঙ্গে মিলিয়ে Silicea বিবেচনা করা হয়।
২. Caladium
ঘামের বিশেষত্ব হিসেবে মিষ্টি বা sweetish ধরনের গন্ধ এবং ঘামে মাছি আকৃষ্ট হওয়ার উল্লেখ পাওয়া যায়।
শুধু ঘামের গন্ধ নয়—রোগীর অন্যান্য সাধারণ ও বিশেষ লক্ষণ মিলিয়ে Caladium নির্বাচন করা উচিত।
৩. Nitric Acid
শীতকাতর, খিটখিটে বা ক্রুদ্ধ স্বভাবের রোগীর ক্ষেত্রে—
- হাত-পায়ে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম
- বগলে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম
- প্রস্রাবে তীব্র গন্ধ
- পায়ের ঘামের সঙ্গে আঙুলের ফাঁকে ক্ষত বা চর্মসমস্যা
ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য থাকলে Nitric Acid-এর লক্ষণচিত্র বিবেচনা করা হয়।
৪. Calcarea Carbonica
বিশেষ করে—
- স্থূল বা মেদবহুল গঠন
- শরীরের বিভিন্ন অংশে অতিরিক্ত ঘাম
- মাথায় বেশি ঘাম
- টক গন্ধযুক্ত মাথার ঘাম
- ঘামে বালিশ ভিজে যাওয়া
ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য থাকলে Calcarea Carbonica-এর সঙ্গে লক্ষণগত মিল পাওয়া যেতে পারে।
৫. Acidum Lacticum
হাতের তালু বা পায়ের তালুতে প্রচুর ঘাম, কিন্তু ঘামে উল্লেখযোগ্য দুর্গন্ধ নেই—এমন ক্ষেত্রে Acidum Lacticum-এর লক্ষণচিত্র বিবেচনা করা হয়।
৬. Veratrum Album
কপালে ঠান্ডা ঘাম Veratrum Album-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচিত লক্ষণ।
বিশেষ করে গুরুতর দুর্বলতা, বমি, ডায়রিয়া, শক-সদৃশ অবস্থা বা অন্যান্য তীব্র উপসর্গের সঙ্গে ঠান্ডা ঘাম থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে।
৭. Bovista
শীতকাতর রোগীর বগলের ঘামে রসুনের মতো গন্ধ থাকলে Bovista-এর লক্ষণচিত্রের সঙ্গে মিল পাওয়া যেতে পারে।
৮. Psorinum
Materia Medica-তে Psorinum-এর ক্ষেত্রে—
- অতিরিক্ত শীতকাতরতা
- অপরিচ্ছন্নতার প্রবণতা
- গোসলের প্রতি অনীহা
- শরীরের দুর্গন্ধ
- দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম
ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ রয়েছে।
তবে কোনো ব্যক্তির পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসকে রোগ নির্ণয়ের একমাত্র ভিত্তি করা উচিত নয়; সম্পূর্ণ রোগচিত্র বিবেচনা করা জরুরি।
৯. Conium
চোখ বন্ধ করে ঘুমের তন্দ্রা আসার সময় সারা শরীরে ঘাম শুরু হওয়া Conium-এর একটি বিশেষ লক্ষণ হিসেবে repertory-তে পাওয়া যায়।
১০. Thuja
ঘুমের সময় শরীরে ঘাম হওয়া এবং ঘুম ভেঙে গেলে ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া—এই বিশেষ modality Thuja-এর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।
রোগীর অন্যান্য মানসিক ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে ঔষধ নির্বাচন করা উচিত।
১১. Sambucus Nigra
Sambucus-এর একটি বিশেষ লক্ষণচিত্র হলো—
ঘুমের সময় শরীর শুষ্ক থাকে, কিন্তু ঘুম থেকে জাগার পর ঘাম শুরু হয়।
রেপার্টরিতে “perspiration on waking” এবং ঘুমের সঙ্গে ঘামের বিভিন্ন modality-তে Sambucus-এর উল্লেখ রয়েছে।
ঘামের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বিশেষভাবে লক্ষ্য করতে হবে
একজন রোগীর ঘাম বিশ্লেষণের সময় শুধু “কত বেশি ঘাম হয়” তা জানা যথেষ্ট নয়। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো কেসটেকিংয়ের অংশ হওয়া উচিত।
১. ঘামের স্থান
- মাথা
- মুখ
- কপাল
- বগল
- হাতের তালু
- পায়ের তালু
- বুক
- পিঠ
- সারা শরীর
- শরীরের এক পাশ
২. ঘামের সময়
- সকালে
- দুপুরে
- বিকেলে
- সন্ধ্যায়
- রাতে
- মধ্যরাতে
- ঘুমের সময়
- ঘুম থেকে জাগার পর
- চোখ বন্ধ করলে
- খাবারের পর
- হাঁটার সময়
- সামান্য পরিশ্রমে
- মানসিক উত্তেজনায়
৩. ঘামের প্রকৃতি
- ঠান্ডা
- গরম
- আঠালো বা clammy
- অতিরিক্ত
- অল্প
- হঠাৎ
- দীর্ঘস্থায়ী
- দুর্বলতাকারী
৪. ঘামের গন্ধ
- দুর্গন্ধযুক্ত
- টক
- মিষ্টি
- পচা
- রসুনের মতো
- সালফারের মতো
- প্রস্রাবের মতো
- মাছের মতো
- গন্ধহীন
৫. ঘামের সঙ্গে কী ঘটে?
- ঘামের পর দুর্বলতা
- ঘামের সঙ্গে শীত শীত ভাব
- ঘামের পর জ্বর কমে
- ঘামে উপসর্গ কমে
- ঘামের সময় উপসর্গ বেড়ে যায়
- ঘুমের সঙ্গে সম্পর্ক
- পরিশ্রমের সঙ্গে সম্পর্ক
Kent Repertory অনুযায়ী ঘামের গুরুত্বপূর্ণ Rubric
Kent Repertory-তে PERSPIRATION অধ্যায়ের অধীনে ঘামের স্থান, সময়, প্রকৃতি, গন্ধ, কারণ ও modality অনুযায়ী বহু rubric রয়েছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ rubric হলো:
Perspiration in general
Perspiration, daytime
Perspiration, during sleep
Perspiration, on closing the eyes
Perspiration, on waking
Perspiration, cold
Perspiration, clammy
Perspiration, profuse
Perspiration, offensive
Perspiration, sour
Perspiration, sweetish
Perspiration, oily
Perspiration, after exertion
Perspiration, during fever
Perspiration, during sleep
Perspiration, while walking
Perspiration, single parts
Perspiration, covered parts
Perspiration, one-sided
এই rubric-গুলো ব্যবহার করে রোগীর ব্যক্তিগত লক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ঔষধসমূহকে repertorize করা যায়।
সামান্য পরিশ্রমে অতিরিক্ত ঘাম
সামান্য হাঁটা, কাজ, কথা বলা বা মানসিক পরিশ্রমেই যদি অস্বাভাবিকভাবে বেশি ঘাম হয়, তাহলে এটিকে শুধুমাত্র একটি হোমিওপ্যাথিক লক্ষণ হিসেবে না দেখে দুর্বলতা, স্থূলতা, উদ্বেগ, অতিরিক্ত গরম পরিবেশ, থাইরয়েডের সমস্যা, সংক্রমণ, ডায়াবেটিস, হরমোনজনিত পরিবর্তন বা অন্যান্য শারীরিক কারণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।
রেপার্টরি অনুযায়ী exertion-এর সঙ্গে ঘামের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঔষধের উল্লেখ রয়েছে; তবে রোগীর সম্পূর্ণ কেসের সঙ্গে মিল ছাড়া শুধু একটি rubric-এর ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন করা যুক্তিযুক্ত নয়।
ঘামের গন্ধ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
হোমিওপ্যাথিক কেসটেকিংয়ে ঘামের odor একটি গুরুত্বপূর্ণ characteristic symptom হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ:
Offensive perspiration: Silicea, Nitric Acid, Sulphur, Thuja, Mercurius, Psorinum প্রভৃতি ঔষধের লক্ষণচিত্রে পাওয়া যায়।
Sour perspiration: Calcarea Carbonica, Silicea, Lycopodium, Nitric Acid, Sulphur, Veratrum Album প্রভৃতি ঔষধের সঙ্গে repertory-তে সম্পর্ক পাওয়া যায়।
Sweetish perspiration: Caladiumসহ কয়েকটি ঔষধের উল্লেখ রয়েছে।
তবে একই rubric-এ অনেক ঔষধ থাকায় একটি মাত্র লক্ষণ দিয়ে চূড়ান্ত ঔষধ নির্বাচন করা উচিত নয়।
ঘামের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মূলনীতি
হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে রোগীর ক্ষেত্রে শুধু “অতিরিক্ত ঘাম” নয়, বরং—
রোগীর ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য + ঘামের স্থান + সময় + কারণ + গন্ধ + প্রকৃতি + modality + সহগামী উপসর্গ + সাধারণ লক্ষণ
একত্রে বিবেচনা করে ঔষধ নির্বাচন করা অধিক যুক্তিসঙ্গত।
অর্থাৎ,
“ঘাম বেশি = একটি নির্দিষ্ট ঔষধ”
এমন সরল সূত্রে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন করা উচিত নয়।
বায়োকেমিক দৃষ্টিতে Natrum Muriaticum
অল্প পরিশ্রমেই প্রচুর ঘাম এবং ঘামের পর দুর্বলতা অনুভূত হওয়া—এমন রোগীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে লবণের প্রতি আকর্ষণসহ অন্যান্য সামঞ্জস্যপূর্ণ লক্ষণ থাকলে Natrum Muriaticum-এর বায়োকেমিক/হোমিওপ্যাথিক লক্ষণচিত্র বিবেচনা করা হয়।
এখানেও শুধু ঘাম ও লবণপ্রিয়তার ওপর ভিত্তি করে ঔষধ নির্ধারণ না করে সম্পূর্ণ রোগচিত্র মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সতর্কতা
অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক ঘামের পেছনে কখনও কখনও গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক কারণ থাকতে পারে। বিশেষ করে নিচের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:
- হঠাৎ অস্বাভাবিক ঠান্ডা ঘাম
- বুকব্যথা বা বুক চাপ লাগা
- শ্বাসকষ্ট
- মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি
- দীর্ঘদিন ধরে রাতে অতিরিক্ত ঘাম
- অকারণে ওজন কমে যাওয়া
- দীর্ঘস্থায়ী জ্বর
- অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন
- হাত কাঁপা
- অস্বাভাবিক তৃষ্ণা বা প্রস্রাব
- নতুন কোনো ওষুধ শুরু করার পর অতিরিক্ত ঘাম
এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা, হৃদ্যন্ত্র বা অন্যান্য চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।
উপসংহার
ঘাম একটি সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া হলেও এর পরিমাণ, স্থান, সময়, গন্ধ, প্রকৃতি এবং সহগামী উপসর্গ রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ঘামের একটি মাত্র লক্ষণকে কেন্দ্র করে ঔষধ নির্বাচন না করে রোগীর সম্পূর্ণ symptom picture তৈরি করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী repertory ও Materia Medica-এর সাহায্যে ঔষধ নির্বাচন করাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক কেসটেকিং → সঠিক লক্ষণ নির্বাচন → সঠিক repertorization → Materia Medica দ্বারা যাচাই → তারপর ঔষধ নির্বাচন।
লেখক
ডাঃ মোঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
এ আর টাওয়ার রুম নাম্বার- ৯
আশুলিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড,
বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের দক্ষিণ পাশে
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা
Govt. Reg. No. 23876
মোবাইল - 01716651488
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস- (BHMEC), এম.এস.এস( রাষ্ট্রবিজ্ঞান)(NU)।গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬। ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার পাশে, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ।
হস্ত-মৈথুনের কুফলের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
![]() | |
|
কারণ সমুহ
উপযুক্ত শিক্ষার অভাব,অসৎসঙ্গ, বা বন্ধুদের কুপ্ররোচনা, লিঙ্গের চর্মে চুলকানী ইত্যাদি কারনে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়।শিশুকালে প্রথমে নিজের অজান্তেই যৌনাঙ্গে হাত দিতে দিতে মনের মাঝে আনন্দ উপলদ্ধি করে।এক ধরনের সুখানুভুতি থেকে শুরু করে।একদিন কিশোর-কিশোরীগন ক্ষণিক সুখ লাভের প্রত্যাশায় ইহাতে অভ্যস্হ হয় এবং ক্রমে ক্রমে ইহা কু-অভ্যাসে পরিণত হইয়া তাহাদের স্বাস্থ্য ক্ষয় করিয়া থাকে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা
অরাম মেট
অতিরিক্ত হস্ত-মৈথুনের কুফলে স্বপ্নদোষ, অনৈচ্ছিক রেতঃপাত, ধাতুদৌর্বল্য ও ধ্বজভঙ্গ এইরুপ নানা দুর্বলতা,জীবনের প্রতি ঘৃণা অত্ম হত্যার ইচ্ছা অর্থাৎ আরাম মেটের সকল লক্ষণ যখন এসে যায় তখন অরাম মেট প্রয়োগ জরুরী।
ক্যালকেরিয়া কার্ব
হস্তমৈথুনের কুফল দুরকরে ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।বিশেষত মোটা,থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।সাধারণতঃ নাক্স ভমিকা ও সালফারের পরে ব্যবহৃত হয়।অত্যধিক সঙ্গম অহেতুক ইচ্ছা, সঙ্গমকালে লিঙ্গ সম্পূর্ণ দৃঢ় হয় না,উপযুক্ত সময়ের পূর্বে অথবা অসম্পূর্ণ রেতঃস্খলন হয়।সঙ্গমের পর ঘর্মস্রাব,সঙ্গমের পর দৈহিক ও মানসিক দুর্বলতা দেখা দিলে ক্যালকেরিয়া কার্ব প্রয়োজন হয়।
সিঙ্কোনা বা চায়না
অত্যধিক রেতঃক্ষয়বশতঃ দুর্বলতা হজম শক্তির অভাব,অত্যন্ত দুর্বল এই সকল লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে দেখা দেয় তার পরম বন্ধু চায়না।
ডায়োস্কোরিয়া
লিঙ্গ এরূপ শিথিল হইয়া পড়ে যে, এক রাত্রেই ২/৩ বার স্বপ্নদোষ হয় এবং তৎপর দিন রোগী দুর্বলতা অনুভব করে, বিশেষতঃ জানুদ্বয় বিশেষ দুর্বল হইয়া পড়ে সেই রোগীর জন্য এই ঔষধটি অতিজরুরী।
লাইকোপোডিয়াম
হস্ত-মৈথুনের ফলে সম্পূর্ণ ধ্বজভঙ্গ।লিঙ্গ উত্থান আদৌ হয় না বা আংশিক হয়।লিঙ্গ শীতল ও ছোট।স্ত্রী সহবাসে অক্ষম।সেই রোগীর পেটফাপাসহ লাইকোপোডিয়ামের লক্ষণ সমষ্টি দেখা দিলে অত্যন্ত কার্য়করী।
নাক্স ভুমিকা
ইহা হস্ত-মৈথুনের কুফলের প্রথম অবস্থায় শ্রেষ্ঠ ঔষধ।রোগীর শিরঃপীড়া, রাত্রিকালে বিশেষতঃ সকালের দিকে প্রায়ই অনৈচ্ছিক রেতঃক্ষয়।ইহাতে উন্নতি ক্ষান্ত হইলে প্রায়শঃ সালফার নির্দিষ্ট হইবে এবং তৎপরে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ও লাইকোপোডিয়াম।
এসিড ফস
অত্যধিক ইন্দ্রিয়পরায়ণতার দূরবর্তী কুফলে ইহা (তরুণ অবস্থায় – সিঙ্কোনা )বিশেষ উপযোগী।সম্পূর্ণ দেহ দুর্বল বোধ হয় ;রোগী শিরোঘূর্ণন বশতঃ মনে করে সে পড়িয়া যাইবে,শয়ন করিয়া থাকিলে সে মনে করে যে তাহার পদদ্বয় ঊর্ধ্বে উঠিতেছে।তাহার জননেন্দ্রিয় সমূহ শিথিল হইয়া ঝুলিয়া পড়ে।সঙ্গম কালে অতিসত্বর বীর্যপাত।প্রস্রাব অথবা মলত্যাগ প্রচেষ্টায় রেতঃস্খলন হয়।লিঙ্গ আদৌ উত্থিত হয় না বা অসম্পূর্ণ ভাবে উত্থিত হয়।রোগী তাহার অণ্ডকোষের উপর পিপীলিকা সঞ্চালনানুভুতি অনুভব করে ।পদদ্বয় ও পৃষ্ঠদেশ অতিশয় দুর্বল, চলিতে গেলে থর থর করিয়া কম্পিত হয়।
ষ্টেনাম মেট
হস্ত-মৈথুনের কুফলে পক্ষাঘাত হলে সেই পক্ষাঘাতের রোগীর চিকিৎসায় ষ্টানাম মেট জরুরী।
ষ্টেফিসেগ্রিয়া
ইহা স্ত্রীলোক ও পুরুষদিগের হস্ত-মৈথুনের কুফলে অপর একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ ।পুরুষদিগের অতিশয় শীর্ণতা, চক্ষুর চতুর্দিকে কালিমা চক্র, বিবর্ণ ও পিঙ্গলাভ মুখ, বিশেষ লাজুক ও খিটখিটে প্রকৃতির এবং বিষণ্ণ ।নিঃসঙ্গতা ভালবাসে এবং স্ত্রীলোক সম্বন্ধে লাজুক।স্ত্রীলোকদিগের গর্ভাশয় বা ডিম্বকোষ সংক্রান্ত লক্ষণাদি।
সালফার
ইহা প্রায়শই নাক্স ভমিকার অনুপূরক।ইহার রোগী দুর্বল ও ক্ষীণ এবং তৎসহ পাকাশয়িক লক্ষণাদি দেখা দেয়।রোগীর মূর্ছার ভাব,উত্তাপের ঝলক,হাত পা ঠান্ডা এবং মাথায় উত্তাপ বোধ।বীর্য ক্ষীণ ও জলবৎ এবং গন্ধশূন্য প্রায়ই রাত্রিকালে অনৈচ্ছিক রেতঃস্খলন এবং তাহার ফলে রোগী প্রাতঃকালে অবসন্ন হইয়া পড়ে।লিঙ্গাদি শিথিল, কচিৎ উত্থিত হয় ।লিঙ্গ-মুণ্ড শীতল।সঙ্গমের চেষ্টা করিলে অতি শীঘ্র,পায়ই স্পর্শ মাত্র,রেতঃস্খলিত হয়।
জিঙ্কাম মেট
জননেন্দ্রিয় মধ্যে স্থানীয় উত্তেজনা ,বীর্যস্খলনে নিবৃতি ইত্যাদি লক্ষন বিবেচনায় জিঙ্কাম মেট উপযোগী।
কোবাল্টাম
খনিজ ধাতব উপাদান হতে তৈরী একটি সদৃশ ঔষধ। যাহা কোমর বেদনার সদৃশ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।তবে বিশেষ করে স্ত্রীসহবাসের পরে বা স্বপ্নদোষের পরে কোমর বেদনা হলে ব্যবহৃত হয়।রোগীর যদি বসিয়া থাকলে বেদনা বৃদ্ধি পায় এবং দাড়াইলে,চলাফেরা করিলে ও শুইয়া থাকলে আরাম বোধ করে তবে কোবাল্টাম উপযুক্ত ঔষধ।
জেলসিমিয়াম
রোগীর সঙ্গম-শক্তি বিশেষ ভাবে (প্রায় ধবভঙ্গের মত) হ্রাস হইয়া পড়ে।রাত্রিকালে লিঙ্গাদির শিথিলতাসহ, কামোত্তেজনা ব্যতীত প্রায়ই অনৈচ্ছিক রেতঃপাত এবং প্রায়ই অণ্ডকোষে শীতল ঘর্মের উদ্ভব হয়।
প্ল্যাটিনা
বিষণ্ণ ও মন মরা প্রকৃতির,শীর্ণতা,মৃগীরোগের ন্যায় আক্ষেপ বা খেঁচুনি। প্রায়ই সজ্ঞান থাকে ; চক্ষু কোটরাগত এবং হরিদ্রাভ চর্ম, মুখ বিবর্ণ ও চুপসান। কিশোরদিগের হস্ত-মৈথুনের কুফলে ইহা একটি বিশিষ্ট ঔষধ।
ক্যালাডিয়াম সেগা
অতিরিক্ত হস্ত-মৈথুনের ফলে লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে।লিঙ্গ-মুণ্ডের চর্মের ঈষৎ উম্মুক্ত করিলেও তাহা তৎস্থানেই অবস্থান করে,স্বয়ং সঙ্কুচিত হয় না।রাত্রিকালে স্বপ্নে অথবা বিনা স্বপ্নে কামোত্তেজনা ব্যাতিরেকে রেতঃস্খলন।বালিকাদিগের যোনিমধ্যে ক্রিমি প্রবিষ্ট হইয়া তাহাদের উত্তেজনায় হস্ত-মৈথুনের চিকিৎসায় ইহা শ্রেষ্ঠ ঔষধ।হস্ত-মৈথুনের পর মানসিক অবসাদ এবং পদদ্বয়ের দুর্বলতা।হস্ত-মৈথুনের ফলে মুখে-ব্রুণ।
বোরিকের রেপার্টরির সাহায্যে সদৃশ ঔষধ নির্বাচন
MASTURBATION
ILL effects
Agn., Anac., Apis, Arg. m., Bellis, Calad., Calc. c., Calc. p., Cinch., Con., Diosc., Gels., Graph., Grat., Kali br., Lyc., Nat. m., Nux v., Phos. ac., Picr. ac., Plat., Salix n., Staph., Still., Sul., Tab., Thuya, Tribul., Ustil., Zinc. m., Zinc. oxyd.
মহিলাদের
MASTURBATION
In children,due to pruritus vulvć
- Calad., Orig., Zinc. m.
ONANISM, from : Agar.,alum.,ambr.,anac., ant-c.,arg-m.,ars.,bov.,bufo-r.,calad.,calc-s.,Calc.,carb-v.,Chin., Cocc., Con., dig., ferr., Gels., hyos., iod., kali-c., kali-p., lyc., mag-p., merc-c., merc., mosch., nat-c., nat-m., Nat-p., nux-m., nux-v., Orig., petr., Ph-ac., phos., plb., puls., Scil., Sel., Sep., sil., spig., Staph., Sulph.
উপসংহা
হস্তমৈথুন পুরুষের একটি কু-অভ্যাস।এটি একটি জঘন্য অভ্যাস। এ অভ্যাসটি ত্যাগ করা জরুরী। এর কুফলে নপুংশক হয়ে যাবেন। পুষ্টিকর আহার ও সুচিকিৎসা নিলে এ রোগ মুক্তিতে হতাশার কোন করন নেই।সহজেই আরোগ্য হয়। মনে রাখতে হবে যেখানে সেখানে অপচিকিৎসা দ্বারা যাতে ক্ষতিগ্রস্হ না হন।রাস্তার পাশে চটকদার কোন পোষ্টার দেখে ভন্ড প্রতারকদের হাতে পরে হাজার হাজার রোগী ক্ষতিগ্রস্হ হয়। ভুলেও এ দের হাতে রোগ চিকিৎসার জন্য যাবেন না। যারা ভুলে হস্তমৈথুনের অভ্যাস করেছেন আজই ইহা ত্যাগ করুন। আর যারা ক্ষতিগ্রসণ হয়েছেন শীঘ্র হস্তমৈথুন ত্যাগ করার পাশাপাশি একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিন।
ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস- (BHMEC), এম.এস.এস( রাষ্ট্রবিজ্ঞান)(NU)।গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬। ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার পাশে, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬
হাত কাঁপা ও রাইটার্স ক্র্যাম্পের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
![]() |
হাত কাঁপা ও রাইটার ক্র্যাম্পের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা |
হাত কাঁপা ও রাইটার্স ক্র্যাম্পের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস- (BHMEC), এম.এস.এস( রাষ্ট্রবিজ্ঞান)(NU)।গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬। ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার পাশে, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ।
সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬
নাক ডাকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
![]() |
| নাক ডাকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। |
নাক ডাকার কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-
নাক ডাকা একটি শ্বাসযন্ত্রের একটি রোগ।নাক ডাকা এমন একটি রোগ যা অনেকেই জানেন না যে, শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাস্থ্যের জন্য কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।আপনার শরীরের শ্বাস প্রশ্বাসের ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কিত নাকডাকা একটি শ্বাসযন্ত্রের রোগ। এটি দিনের বেলা নিদ্রাহীনতার কারণে হতে পারে আবার শারীরিকভাবে অক্ষমতার কারণেও হতে পারে। এটি নিয়ন্ত্রণ না করা হয় তবে এটি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ইত্যাদির মতো অন্যান্য রোগের পথ সুগম করতে পারে ভারত উপমহাদেশে এবং বিদেশেও এমন অনেক রোগী রয়েছেন যারা পুরোপুরি এই রোগের কবলে পড়ে নিয়মিত সহায়তা নিচ্ছেন চিকিৎসকের কাছে।
নাক ডাকা দুটি ধরণের হয়:
নাক ডাকার লক্ষণ সমষ্টি (Symptoms)
· Problem in inhaling (শ্বাস নিতে সমস্যা)
· Feeling short of breath (শ্বাস কষ্ট)
· Feeling tired the whole day ( ক্লান্ত লাগা)
· Not sleeping at night। (নিদ্রায় ব্যাঘাত)
· Feeling irritated (অস্বস্তি বোধ করা)
· Forgetfulness (ভুলে যাওয়া।)
· Feeling tired just by doing a light work (সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্ত বোধ।)
· Snoring (নাকে শব্দ)
· Memory loss (স্মৃতি লোপ)
নাক ডাকার প্রতিকার (Prevention)
· Stop smoking (ধুমপান বন্ধ করুন)
· Stop the consumption of liquor (মদ খাওয়া বন্ধ করুন)
· Do some respiratory exercises in morning hours before sunrise (সূর্য্ উদয়ের আগেই শ্বসপ্রশ্বাসের কিছু ব্যায়াম করুণ)
----------
++ morning, while sleeping : Petr.
· Arsenicum album is prescribed for individuals who have breathing difficulties
· Sulphur is a commonly used homeopathic remedy especially given in breathing congestion
· lachesis is a remedy prescribed for uncontrollable conditions which sometimes persist at night
· Spongia is also a better option when there is a feeling of blocked chest area
· Opium is also prescribed for the patients who feel confused after sleep disorder.
আর্সেনিকাম অ্যালবাম-
স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকারগুলি ব্যাক্তিস্বাতন্ত্রের দিকে ও সমস্ত সমস্যাগুলির দিকে মনোযোগ দেয়। আর্সেনিক এলবাম এর রোগীর লক্ষণ সমষ্টি এবং অসুস্থতার জন্য ভয়ঙ্কর, উত্তেজনাপূর্ণ এবং উত্তেজিত প্রতিক্রিয়াযুক্ত লোকদের জন্য বিবেচিত হয়। আর্সেনিকাম অ্যালবাম আর্সেনিয়াস অক্সাইড থেকে উদ্ভূত এবং অতিরিক্ত পরিমাণে সেবন করলে এটি একটি মারাত্মক বিষ। হোমিওপ্যাথিক ডোজগুলিতে, আর্সেনিকাম অ্যালবাম ক্ষতিকারক নয় কারণ এটি পরিমাপের অতি সূক্ষ্ম হয়।
Lachesis ল্যাকেসিস-
ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার জানিয়েছে যে এই যৌগটি এমন লোকদের জন্য উপযুক্ত যারা, সাধারণত ভয়ভীতিপূর্ণ এবং উদ্বিগ্ন, ঈর্ষান্বিত মন এবং অতিরিক্ত কথা বলার অভ্যাস রয়েছে। ল্যাকেসিস দক্ষিণ আমেরিকার একটি বিষাক্ত সাপের বিষ থেকে প্রস্তুত। ক্লিনিকাল হোমিওপ্যাথির শিক্ষা ও উন্নয়ন কেন্দ্রটি উল্লেখ করেছে যে কনস্ট্যান্টাইন হেরিং হোমিওপ্যাথিক ফার্মাকোপিয়ায় প্রস্তুত করেছিলেন, যিনি পরে আমেরিকান স্কুল অফ হোমিওপ্যাথিক কলেজে প্রকাশ করেছিলেন।
Sulphur সালফার-
Spongia tosta স্পঞ্জিয়া টোস্টা-
উপসংহার-
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত সদৃশ ঔষধ নির্বাচন কৌশল একটি জটিল প্রক্রিয়া। অল্প সময়ে ওপিয়াম, আর্সেনিক এলবাম, স্পনঞ্জিয়া, সালফারের সামান্য পরিচয় উপস্থাপন করেছি। উপরে নাক ডাকার সদৃশ ঔষধের তালিকা দুইটি রেপার্টরির সাহায্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে মেটেরিয়া মেডিকার সাহায্য নিয়ে সঠিক ঔষধটি নির্বাচন করতে হবে। আমার লেখা পড়ে একা একা ঔষধ নির্বাচন করে চিকিৎসা করতে চেষ্টা করবেন না এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন সহজে আরোগ্য লাভ করুন। নাক ডাকা সাধারণ রোগ মনে হলেও চিকিৎসা অত্যন্ত কঠিন। পরিমিত মাত্রায় সঠিক ঔষধটি প্রয়োগ করতে সক্ষম হলে দ্রুত আরোগ্য লাভ করবে।
ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মেবাইল: ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস- (BHMEC), এম.এস.এস( রাষ্ট্রবিজ্ঞান)(NU)।গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬। ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার পাশে, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ।
একক লক্ষণে মনে রাখার মতো ১০০টি প্রধান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ (দ্বিতীয় পর্ব)
একক লক্ষণে মনে রাখার মতো ১০০টি প্রধান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ (দ্বিতীয় পর্ব)
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস- (BHMEC), এম.এস.এস( রাষ্ট্রবিজ্ঞান)(NU)।গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬। ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার পাশে, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ।





