টপিকস

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭

পঞ্চাশ সহস্র পদ্ধতির (50 millesimal or LM Potency) ঔষধের ব্যবহার ও তার প...



পঞ্চাশ সহস্রাধিক পদ্ধতিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন আপনার সকল জড়তা কেটে যাবে। ৬ষ্ঠ সংস্করণ অনুসরণ করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগীর আদর্শ আরোগ্যের জন্য উপযুক্ত। ৬ষ্ঠ সংস্করণ যেহেতু ডাঃ হ্যানিম্যানের শেষ সংস্করণ । ঔষধ কোম্পানীর পূর্বে প্রস্তুতকৃত দশমিক ও শততমিক ঔষধ ব্যবহারে সকল ডাক্তার ও ঔষধ কোম্পানী অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল তাই নতুন পদ্ধতি ব্যবহারের প্রতি অনিহা প্রকাশ করেন। পঞ্চাশ সহস্রাধিক পদ্ধতিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্বারা রোগীর দ্রুত ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া সহজ সরল উপায়ে আদর্শ আরোগ্যের হয় ইহা প্রমাণিত ও পরিক্ষীত।যুগপরিক্রমায় আজ এই পদ্ধতিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহারে সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বন্ধুদের এগিয়ে আসতে হবে। ‌

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?

ডা: ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ প্রসঙ্গে তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ।



হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা.স্যামুয়েল হ্যানিম্যান তার শেষ জীবনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এই তথ্য সত্য কিন্তু তার ইসলাম গ্রহণের কথা অস্বীকার করছে সাম্প্রদায়িক খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। সাম্প্রদায়িকতায় আক্রান্ত হয়ে সত্য চাপা দিতে অত্যন্ত পারদর্শী পশ্চিমা জগৎ যতদিন সম্ভব সম্রাট নেপোলিয়ান, মার্মাডিউক এবং পিকথল, মরিস বোকাইলি, নীল আর্মস্ট্রংসহ আরো অনেক মনীষীর
ইসলাম গ্রহণের সংবাদকে চাপা দিয়ে রেখেছিল। সত্য কোন দিনই হারিয়ে যায় না। কালের প্রবাহে কোন একদিন প্রকাশিত হয়ই।সম্ভবত সবচেয়ে বেশী সময় ধরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কৃর্তা ডা.স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ইসলাম
গ্রহণের সংবাদটি চাপা পড়ে আছে।

বিশিষ্ট গবেষক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান
অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্রে লেখাপড়া করে ডাক্তার হন এবং অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি অনুযায়ী রোগীদের সেবা প্রদান করতেন।চিকিৎসা সেবারপাশাপাশি তিনি গবেষণা ও চিকিৎসা বিষয়ক বইয়ের অনুবাদ করেছেন। গবেষণার এক পর্যায়ে তিনি অ্যালোপ্যাথিতে ক্ষতিকর
সাইড অ্যাফেক্ট (পার্শপ্রতিক্রিয়া)
দেখতে পান।এতে তিনি অ্যালোপ্যাথিক
চিকিৎসা পদ্ধতি পরিত্যাগ করেন। সাইড অ্যাফেক্টের কারণ নির্ণয়ের গবেষণার
মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সূত্র
আবিষ্কৃত হয়। পেরুভিয়ান  কপিবা সিঙ্কোনা গাছের বাকল নিয়ে গবেষণা করতে করতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উদ্ভব হয়। সুস্থ
মানবদেহে ওষুধ প্রয়োগ করে ডা.স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ওষুধের গুণাবলী পরীক্ষা করতেন। এ ধরনের গুণাবলী যখন কোন অসুস্থ ব্যক্তির মধ্যে দেখা যেত তখন তিনি তা প্রয়োগ করলে রোগটি সেরে যেত এটাকে বলে সদৃশ বিধান বা হোমিওপ্যাথি।
এভাবেই প্রাকৃতিক নিয়মে ওষুধ পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োগ করার চিকিৎসা বিধান প্রতিষ্ঠা করেন বিজ্ঞানী ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ১৭৯০ সালে মানবদেহে পরীক্ষামূলক
পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়। ডা.হ্যানিম্যান নিজের শরীরে প্রথম পরীক্ষা করলেন ‘সিঙ্কোনা’। এক কথায় আমরা বলতে পারি ১৭৯০ সনে হোমিওপ্যাথির যাত্রা।হ্যানিম্যান নিজের শরীরে ৯৯টি ওষুধ প্রয়োগ করেন। পৃথিবীর কনিষ্ঠতম চিকিৎসা পদ্ধতি হ’ল হোমিওপ্যাথি।ওষুধ পরীক্ষার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার নিয়ম-নীতি প্রকাশ করেন ১৮১০ সালে। অর্গানন নামে যার
পরিচিতি চিকিৎসক মহলে।তার জীবনের শেষ পর্যায়ে অর্গানন ৬ষ্ঠ
সংস্করণ সমাপ্ত করেন। বইটির আধুনিক ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৮৮২
সালে হ্যানিম্যান ফাউন্ডেশন,আমেরিকা থেকে। হোমিওপ্যাথির জন্ম জার্মানীতে। বিকাশ ফ্রান্সে, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ব্রিটেনে ১৮০৫ সালে। প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘দি প্যারিস কলেজ অব হোমিওপ্যাথি’।ডা. হ্যানিম্যান সম্পর্কে ড. হুদহুদ মোস্তফার গবেষণা থেকে চাঞ্চল্যকর
তথ্য পাওয়া যায়।ড.হুদহুদ মোস্তফা এক নিবন্ধে লিখেছেন অনেক কথা। ১৯৯৮ সালে লন্ডনে এক সেমিনারে ডা. মোস্তফার সাক্ষাৎ ঘটে এক ইঞ্জিনিয়ারের সাথে। তার
নাম উইলিয়াম হ্যানিম্যান। বিজ্ঞানী ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানেরই এক উত্তর-পুরুষ তিনি।বিশ্বাসে ক্যাথলিক খৃষ্টান।কথা প্রসঙ্গে তিনি জানালেন,হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান গবেষণার এক পর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করে মুসলমান  হয়েগিয়েছিলেন এবং তিনি আমৃত্যু ইসলামী বিশ্বাসেই প্রতিষ্ঠিত
ছিলেন। যে কারণে তিনি নিজ জন্মভূমি, স্বজাতি, আত্মীয়-পরিজন ত্যাগ করে দ্বিতীয় স্ত্রী মাদাম ম্যালনীকে নিয়ে প্যারিসে হিজরত
করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মাদাম  ম্যালনীওস্বামীর সাথে ইসলাম ধর্ম
গ্রহণ করেছিলেন। হ্যানিম্যানের  অনুসন্ধানস্পৃহা অত্যন্ত প্রবল ছিল। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্বন্ধে ব্যাপক জ্ঞান আহরণের জন্যবহু ভাষা শিক্ষা লাভ করেন।পুরাকালের বিভিন্ন সভ্যতার
যুগে চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাপক
গবেষণা করতে গিয়ে ইসলামের স্বর্ণযুগের আবিষ্কার ওচিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞান লাভের জন্য আরবী ভাষায়
দক্ষতা অর্জন, তদুপরি আরব বণিক ও
পরিব্রাজকদের কাছ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের ধর্ম, সম্পর্কেও অবগত হন। আরবী ভাষায় দক্ষতার কারণে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনও
তিনি অধ্যয়ন করেন।ক্রমে তিনি ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যান। এক শুভক্ষণে তিনি ইসলামের কালেমা পাঠ করে মনে প্রাণে মুসলমান হয়ে যান। এ ঘটনা জানাজানি হয়ে পড়লে হ্যানিম্যানের আত্মীয়-স্বজনরা তার প্রতি বিরূপ হয়ে পড়েন। চির পরিচিত পরিবেশ তার বিরুদ্ধে চলে যায়। শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সব সহায় সম্পদ
উত্তরাধিকারী ও আত্মীয়-স্বজনদের
মধ্যে বিলিবণ্টন করে দিয়ে তিনি ইসলামে নবদীক্ষিত স্ত্রী মাদাম ম্যালানীকে নিয়ে প্যারিসের পথে হিজরত করেন। এ সময়টা ছিল১৮৩৫ সালের জুন মাস। তারা তাদের
জীবদ্দশায় আর কখনও জার্মানীতে ফিরে যাননি। হিজরত নবীদের সুন্নাত। ইসলাম গ্রহণের কারণে জার্মান বিজ্ঞানী হ্যানিম্যানকেও সেই সুন্নাতেরই অনুসরণ করতে হয়।ইঞ্জিনিয়ার উইলিয়াম হ্যানিম্যান  আরোকিছু মহামূল্যবান তথ্য দিয়ে সবাইকে চিরকৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করেছেন।
প্রথমেই তিনি ডা.মোস্তফাকে বলেছিলেন লন্ডনস্থ হ্যানিম্যান মিউজিয়ামে যেতে।
ঠিকানা : হ্যানিম্যান মিউজিয়াম পাউইজ প্যালেস, গ্রেট আরমন্ড স্ট্রিট, লন্ডন, ডব্লিউসি।সেখানে হ্যানিম্যানের ব্যবহৃত বহু
জিনিসপত্র আছে। বই-পুস্তকের এক বিরাট সংগ্রহও আছে। এর  মধ্যেমহাগ্রন্থ আল-কুরআন থেকে শুরু করে মুসলিম চিকিৎসা বিজ্ঞানী আবু আলী ইবনে সিনা বিরচিত আল-কানুন ফিত তিবসহ শতাধিক আরবী গ্রন্থ রয়েছে। ব্যবহৃত জিনিসপত্রের
মধ্যে রয়েছে মসজিদের নকশা করা জায়নামায, মূল্যবান পাথরের তসবীসহ, একটি টার্কিশ টুপি। ব্যবহৃত জায়নামাযে সেজদার চিহ্ন স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
এসব নিদর্শন ড. মোস্তফার মনে গভীর
দাগ কাটে। বিজ্ঞানী হ্যানিম্যান সম্পর্কে তিনি লেখাপড়া ও অনুসন্ধান শুরু করেন। তার অনুসন্ধান ও গবেষণার চার বছর চলছে। বক্ষমান প্রবন্ধে তিনি এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যাদি সংক্ষেপে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছেন। এ পর্যন্ত তিনি নিম্নলিখিত তথ্যগুলো সত্য ও বাস্তবতার ব্যাপারে নিশ্চিত। হয়েছেন
১. ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান তার কোন লেখায় খৃষ্টবাদের মূলমন্ত্র‘তৃতত্ত্ব’ (TRINITY) সম্পর্কে কখনও উল্লেখ করেননি; বরং এক সৃষ্টিকর্তা, God, Creator প্রভৃতি একক অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করেছেন।
২. রিচার্ড হ্যাল কর্তৃক লিখিত হ্যানিম্যানের জীবনী গ্রন্থ Samuel
Hahnemann : His Life and work-
এর দ্বিতীয় খন্ডের ৩৮৯ পৃষ্ঠায় এক রোগীকে লেখা পত্রে উল্লেখ করেন :
We feel then we are resting in
the friendship of the only One. Do
you desire any other religion?
There is none. Everything else is
a miserable low human conception full of superstition a true destruction of humanity.
তিনি একই পৃষ্ঠায় উল্লিখিত অপর এক
পত্রে লিখেছেন : I acknowledge
with sincere thankfulness the
infinite march of the One-great giver of all good. আবার একই
পুস্তকে ৩৮৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে :
I shall not become a catholic and
I would prefer not even to limit
myself in the creed of the
protestant but rather to hold with you to deism only a higher
sense is rather to hold with you
to deism only a higher sense is
taught by the Seet to that name,
as that is the faith which most
nearly satisfies? 
এ স্বীকৃতি ইসলাম ছাড়া কি হ’তে পারে?
৩. ড. আর ই ডাজেন কর্তৃক সংগৃহীত
হ্যানিম্যান লেসার রাইটিংস গ্রন্থের ৫৭১, ৫৭৯ পৃষ্ঠায় আরবী লেখা উদ্ধৃতি দেয়া আছে।যা হ্যানিম্যানের আরবী ভাষায় গভীর পান্ডিত্যের প্রমাণ বহন করে।
৪. হ্যানিম্যানের ইসলাম গ্রহণ এবং জার্মানী ত্যাগের পর তিনি আর কখনও কোথাও তার পিতৃ প্রদত্ত নাম  ক্রিশ্চিয়ানফ্রেডারিক আদ্য শব্দ দু’টি ব্যবহার করেননি। যে শব্দ দু’টো খৃষ্ট ধর্মাবলম্বী পরিচয় বহন করে। প্যারিসে হিজরতের পর  চিঠিপত্রসহসর্বত্র কেবল ‘স্যামুয়েল হ্যানিম্যান’ লিখতেন। স্যামুয়েল ইসরাইল বংশীয় একজন নবীর নাম,যা একজন মুসলমানের নাম হিসাবেও গ্রহণযোগ্য। একথা তার খৃষ্টান ধর্ম
ত্যাগের আর একটি শক্তিশালী প্রমাণ।
৫. ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত ম্যাগাজিনে ২৫৪ পৃষ্ঠায় স্পষ্ট ভাষায়
বর্ণিত হয়েছে : মাদাম ম্যালানী তার
স্বামী হ্যানিম্যানের মৃত্যুপূর্ব অছিয়তের কারণে কোন অুমসলিমকে তার
দাফনে অংশগ্রহণ করতে দেননি।
তিনি দাফনের দিনক্ষণ সবই গুপ্ত
রেখে কোন মুসলমানের সাক্ষাৎ
পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছিলেন।
হ্যানিম্যানের মৃত্যু ২ জুলাই ১৮৪৩ তারিখে। কোন মুসলমানের সাক্ষাৎ
না পেয়ে ম্যালানী নিজে তার
সমবিশ্বাসী (নবদীক্ষিত মুসলিম) দৃঢ়
প্রত্যয়ী দু’ব্যক্তির সহযোগিতায় মহান
চিকিৎসা বিজ্ঞানী হ্যানিম্যানকে মৃত্যুর
৯ দিন পর ১১ জুলাই কবরস্থ করেন। হ্যানিম্যানেরই
ইচ্ছা অনুযায়ী প্যারিসের অখ্যাত মাউন্ট মারাট্টির গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।এটি খৃষ্টানদের গোরস্থান হ’লেও একটু আলাদা। পূর্বেই উল্লেখ করেছি হ্যানিম্যান তার সমাজের  প্রচলিতখৃষ্টান ধর্ম ত্যাগের কারণে জার্মানীতে পরিচিত পরিবেশ তার বিরুদ্ধে চলে যায়। নিরাপত্তা ও শান্তির সন্ধানে তিনি ১৮৩৫ সালের
জুন মাসে ৮০ বছর ২ মাস বয়সে তার পৈতৃক দেশ জার্মানী ত্যাগ করেন। আর
কখনও তিনি বা তার স্ত্রী ফ্রান্স থেকে জার্মানীতে ফিরে যাননি।
এতে প্রমাণিত হয় ইসলাম গ্রহণের
ফলে বিজ্ঞানী হ্যানিম্যান ও মাদাম
ম্যালানীর জীবনের শান্তি ও নিরাপত্তা জার্মানিতে কতটুকু বিপন্ন ছিল। সর্বাধুনিক ও অতি উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমা বিশ্ব শুধু কি মুসলমানী গন্ধের কারণেই হোমিওপ্যাথিকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না? 
ড.মোস্তফা লিখেছেন বিজ্ঞানী হ্যানিম্যান সাহিত্যের যতদূর গভীরে আমি পৌঁছতে পেরেছি,ততটুকুর মধ্যে কোথাও আমি ইসলামের মহানবী (ছাঃ)-এর নীতি আদর্শের পরিপন্থী কোন কিছুই খুঁজে পাইনি।
বরং আমি উপলব্ধি করেছি হ্যানিম্যানের
রচনাবলী ও চিকিৎসা ব্যবস্থায় ইসলামী আদর্শের গভীর ছাপ বিদ্যমান। ইসলাম বলে, ‘নিশ্চয়ই আমার ছালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মৃত্যু আল্লাহ রাববুল আলামীনের জন্য উৎসর্গিত’ (আন‘আম১৬২)।সেই সুরে সুর মিলিয়ে হ্যানিম্যানও বলে গেছেন, আমি আমার জীবনে কখনও স্বীকৃতি চাইনি, মানব কল্যাণে আমার আবিষ্কৃত সত্যের জন্য
আমি স্বার্থপরতামুক্তভাবে যার বিকাশ ঘটিয়েছি সমগ্র বিশ্বের জন্য,
যা সর্বোচ্চ সত্তার নিমিত্তে উৎসর্গিত। Life & Work of Hahnemann-By Richard Raehl. হ্যানিম্যানের প্রবাদ তুল্য উক্তি ‘রোগীকে চিকিৎসা কর রোগকে নয়’।
আল্লাহতা'লা উনাকে & আমাদের সকলকে কবুল করুন।-(আমিন)
(সংগ্রহিত ও সম্পাদিত)

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল আশুলিয়া সাভার ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭

ডাঃ জেমস টেইলর কেন্টের চিকিৎসা বিষয়ে অযৌক্তিক তর্কবিতর্ক।

ডাঃ জেমস টেইলর কেন্ট।

জেমস টায়লার কেণ্ট আমেরিকার একজন বিখ্যাত হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। তার জীবন কাল ১৮৪৯ - ১৯১৬ খ্রীষ্টাব্দ। হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের কাছে  জনপ্রিয়।কেন্ট রেপার্টরি সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নিকট সমাদৃত। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে তার হাত ধরে। ডাঃ কেন্টের কিছু বিষয় নিয়ে কিছু হোমিওপ্যাথিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
ওনার সম্পর্কে কিছু ভুল প্রভাব আমাদের মধ্যে রয়ে গেছে। যেমন কেণ্ট মানে উচ্চ শক্তির ব্যবহার। কেণ্ট মানে কোনও বাহ্য প্রয়োগ নয়। কেণ্ট মানে কোনও থেরাপিউটিকস অনুযায়ী ওষুধ নয়। কেণ্ট মানে প্যাথোলজি কে গুলি মারো। শুধু সিমটমস বা লক্ষণ ধরো ইত্যাদি।
আজ কেণ্টের -ই কিছু উদ্ধৃতি দিয়ে ঐ ভ্রান্তি গুলোর অবসানে কিছু বলার চেষ্টা করছি :-
১ - উচ্চ শক্তির ব্যবহার :
কেণ্টের মেটেরিয়া মেডিকার Calcaria sulph অধ্যায়ে প্রথম অনুচ্ছেদে কেণ্ট বলছেন, "গ্রন্থকার (কেণ্ট) শুশলারের ১২ পোটেন্সি প্রায়শই ব্যবহার করেছেন। পরে ৩০ পোটেন্সি ও ২০০ পোটেন্সিও ব্যবহার করেছেন। এখন আরও উচ্চতর পোটেন্সি ব্যবহার করেন।"
দেখা যাচ্ছে উনি প্রথমে নিম্নতর শক্তির ব্যবহার করে হাত পাকিয়েছেন। পরে অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে উচ্চতর শক্তি ব্যবহার করেছেন।
এটাই বাস্তব সম্মত। একটা ওষুধ সম্বন্ধে জ্ঞান প্রথম প্রথম কম থাকাই যুক্তি সঙ্গত। চিকিৎসকের বয়স বাড়ার সাথে সাথে ওষুধের কার্যাবলী বেশি বেশি করে হৃদয়ঙ্গম হবে, এটাই তো স্বাভাবিক। যখন ওষুধের ওপর আধিপত্য আসবে, উচ্চ হতে উচ্চতর শক্তির ওষুধ প্রয়োগ করে তথাকথিত 'ম্যাজিক' দেখাবে। প্রথম থেকেই ২০০, ১০০০, ১০০০০ শক্তির ওষুধ প্রয়োগ করে, বিরাট বিরাট হোঁচট খেয়ে নিজেকে খেলো হতে হবে না।
২ - থেরাপিউটিকস নৈব নৈব চ :
ডা কেণ্ট তাঁর মেটেরিয়া মেডিকার স্পঞ্জিয়া অধ্যায়ে ১৫ নং অনুচ্ছেদে বলেছেন "Laryngismus stridulus প্রায়ই মেয়েদের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়।
Ign.,Gels.,Laurocer. এবং Spongia, Ignatia ও Gelsimium দশটার মধ্যে আটটা ভালো করে দেয়।"
এগুলো কী?
এগুলো হচ্ছে ওষুধের স্থানিক প্রবণতা অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন। এগুলো অচ্ছুৎ নয়। আমাদের শিক্ষাগত ত্রুটির জন্য এসব নজর এড়িয়ে যায়। এগুলো থেরাপিউটিকস এর আভাস মাত্র।
৩ - প্যাথোলজি কে গুলি মারো :
"স্পঞ্জিয়া -র মানসিক লক্ষণ বলেই দেয় যে এটা হার্টের ওষুধ"। - Spongia অধ্যায়ে প্রথম লাইন।
Aurum met এর শেষ থেকে চতুর্থ অনুচ্ছেদে বলছেন "লিভার কে শক্ত করার ক্ষমতা, বৃদ্ধি করার ক্ষমতা এবং প্রদাহ উৎপন্ন করা, হৃদরোগে লিভারের কাঠিন্য, লিভার এবং হার্টের আয়তনে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হওয়া আরও উল্লেখ যোগ্য বিষয়।
পেটে রক্ত চলাচলে রক্তবহা শিরার সহিত হার্টের ঘনিষ্ঠতার কথা বিবেচনা করলে দেখা যাবে - হার্টের এবং লিভারের রোগ হতাশা ও নৈরাশ্যের সঙ্গে যুক্ত। অপর দিকে লক্ষ্য করলে সম্ভবত এই চিন্তাই মাথায় আসবে যে, যক্ষ্মা বা ক্ষয়রোগে তো কেহই হতাশাগ্রস্ত হয় না!
এই রোগীরা মনে করে তারা ভালো হয়ে যাবে। ফুসফুস হয়তো গুটিতে ( tubercle) ভর্তি হয়ে আছে তবু সে মনে করে গলা থেকে কিছু বেরিয়ে গেলে ভালো হয়ে যাবে। আরও লক্ষ্য করবে, ফুসফুসের সহিত 'বোধশক্তি' এবং হার্টের সঙ্গে 'ইচ্ছাশক্তি ' বিশেষ ভাবে সম্পর্কযুক্ত। হার্টের সামান্য কষ্ট হতাশা বা আশাহত করে এবং ফুসফুসের রোগী বেশ আশান্বিতই থাকে।
Carduus Marianus অধ্যায়ে প্রথম লাইনে কেণ্ট বলছেন, "লিভারের গুরুত্ব পূর্ণ ওষুধ গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, এভাবে বলার জন্য হোমিওপ্যাথিক গ্রন্থকার কে যদি দোষ না দেওয়া হয় তাহলে অবশ্যই একথা বলা যায়।"
এগুলো কি প্যাথোলজি নির্দেশ করে না - নিশ্চয়ই করে।
৪ - বাহ্য প্রয়োগ :
Calendula অধ্যায়ে অষ্টম ও নবম বাক্যে বলেছেন "মেরিগোল্ড, Calendula, এইসব বহিঃক্ষত এত সুন্দর সারায় এরকম অন্য কিছুতে হয় না। কেউ বলবে এটাও হোমিওপ্যাথি সম্মত নয়। আসলে ওরা সেই ধরনের লোক যারা মুখে বাঘ সিংহ মারে, ইঁদুর দেখলে লাফিয়ে উঠে।"
মোদ্দা কথা হল কেণ্ট, বোরিক, হিউজেস, ক্লার্ক, ফ্যারিংটন, বার্ণেট - সকলেই একই পথের পথিক। আমরা, বাঙালিরা গভীর অধ্যয়নে অপারগ। ফলে অন্ধের হস্তি দর্শনের মত একটা খণ্ড চিত্র আমাদের মনে আসে। পূর্ণ অধরা থেকে যায়।
(সংকলিত)
#####  ডাঃ বেণী মাধব।
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল আশুলিয়া, সাভার ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৭

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বিদ্যাসাগর।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, মানুষের ফ্রি চিকিৎসা দিতেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকে সমর্থন করতেন। বাংলাভাষী এপার বাংলা ওপার বাংলার মেহনতি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। তার প্রতি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ ঋণী। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
হোমিওপ্যাথি ও বিদ্যাসাগর
১৮৬৬ সাল।বিখ্যাত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক বেরিনী সাহেব তখন কলকাতায়।বেরিনী সাহেবের সাথে তখন যথেষ্ট সখ্যতা বউবাজারের বাঙালি ডাক্তার রাজেন্দ্রনাথ দত্তের।রাজেন ডাক্তার বিদ্যাসাগর মহাশয়ের মাথাব্যথা কমিয়েছিলেন হোমিওপ্যাথির দ্বারা । ফলে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার ওপর একটা আস্থা তৈরি হয়।একদিন অসুস্থ দ্বারকানাথ মিত্রকে দেখে একই গাড়িতে ফিরছেন ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার ও বিদ্যাসাগর। মহেনবাবু তখন শহর কলকাতার নামকরা অ্যালোপ্যাথি ডাক্তার।
 তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা জানতেন। হোমিওপ্যাথি আর অ্যালোপ্যাথি কোনটা শ্রেষ্ঠ? এনিয়ে শুরু হল দুজনের আলোচনা।দেখতে দেখতে আলোচনা তর্কের আকার নিল। অবশেষে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের যুক্তি মেনে নিলেন মহেনবাবু, শুরু করলেন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। কিছুদিনের মধ্যেই ইংরেজ ডাক্তার বেরিনী সাহেবকে অনেক পেছনে ফেলে দিলেন ডাক্তার মহেন্দ্রলাল।অল্পদিনেই মহেনবাবুর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রচার ও প্রসার এত বৃদ্ধি পেল যে বেরিনী সাহেবকে চলে যেতে হল কলকাতা ছেড়ে।
বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ছোটো মেয়ের কঠিন রোগ সেরেছিল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার ফলে। বিদ্যাসাগর মহাশয় ঠিক করেন তিনি নিজে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিখবেন।সুকিয়া স্ট্রিটের ডাক্তার চন্দ্রমোহন বোসের কাছ থেকে তিনি হোমিওপ্যাথি শিক্ষা নিতে থাকেন।শব ব্যবচ্ছেদ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে শেখার জন্য বিদ্যাসাগর মহাশয় কিছু নরকঙ্কাল সংগ্রহ করেন।হোমিওপ্যাথি বিষয়ে একাধিক বই কেনেন।বানিয়ে ফেলেন আস্ত একখানা লাইব্রেরি।বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বই এর খুব যত্ন ছিল।প্রতিটি বই যত্ন করে বাঁধিয়ে রাখতেন। একবার বিদ্যাসাগর মহাশয়ের লাইব্রেরিতে এক ধনী বন্ধু এসেছেন। তিনি বললেন -" আপনি কি পাগল ! এসব পুস্তক বাঁধিয়ে রাখার কি প্রয়োজন ছিল? " বিদ্যাসাগর উত্তরে বললেন -"একগাছি দড়ি দিয়েও তো আপনি আপনার ঘড়িটি বেঁধে রাখতে পারতেন, এত টাকা দামের সোনার চেন দিয়ে বেঁধে রাখবার কি প্রয়োজন।আপনি তো আরও বড় পাগল।"
বিদ্যাসাগর শেষজীবনের অনেকখানি সময় কাটিয়েছিলেন আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম কারমাঁটারে। বিদ্যাসাগর মহাশয় সেখানেও গরীব মানুষদের চিকিৎসা করতেন বিনে পয়সায়।রাতবিরেতে ছুটে যেতেন তাঁর হোমিওপ্যাথির ব্যাগ হাতে।বিদ্যাসাগর তাদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন 'ডাক্তার বিদ্যাসাগর'।
(সংকলিত)
তথ্যসূত্র- কলকাতা টিভি
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল আশুলিয়া সাভার ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জরুরি প্রয়োজন

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক একমত।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ যে অবদান রাখছে তা এলোপ্যাথির তুলনায় কম নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নে- উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার কোন সুযোগ নাই। কোন দেশকে উন্নতি করতে হলে সে জাতিকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উন্নত ও সমৃদ্ধ হতে হয়। আমাদের দেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলেও হোমিওপ্যাথি কোন ইউনিভার্সিটি স্থাপিত হয় নাই।দেশের মানুষের উন্নত চিকিৎসা প্রদানের জন্য হোমিওপ্যাথি ইউনিভার্সিটি এখন সময়ের দাবী।
 উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ছাড়া কোন বিষয়ের উন্নয়ন সম্ভব নয়।আধুনিক বিশ্ব প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চমানের গবেষণার মাধ্যমে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।অথচ চিকিৎসা ক্ষেত্রের অন্যতম একটি শাখা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অভাবে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ জনগনের চাহিদা মতো সেবা প্রদানে ব্যর্থ হচ্ছে। বিশ্ব হোমিওপ্যাথিক প্রয়োগ কৌশলের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা হোমিওপ্যাথির সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পারছিনা। বিষয়ভিত্তিক গবেষণা ও টেকনিক্যাল দক্ষতা না থাকায় জাতীয় স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখতে ব্যর্থ হচ্ছি। সম্প্রতি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া দূর্যোগ মোকাবেলা করতে হয়েছে ডেঙ্গুজ্বরকে কেন্দ্র করে। প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় ডেঙ্গুজ্বরে সু-নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা না থাকায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ২০১৫ সালে সরকারিভাবে ডেঙ্গুজ্বরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গাইডলাইন তৈরি করেছে এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অবদান রাখছে। আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অভাবে এরকম কোন নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনায় দূর্যোগ মোকাবেলা করার মতো হোমিওপ্যাথিক গাইডলাইন তৈরি করে সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছেনা।
ভারতে ১৬৫টি কলেজ থেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা দেয়া হয় যা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত। এমনকি “জয়পুর হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়” নামে একটি পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথিক ব্শ্বিবিদ্যালয় চালু আছে। ৩০৭টি হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে সিট সংখ্যা ১৩,৬৯৪টি। অনেক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি CCU ও ICU সেবা প্রদানেরও ব্যবস্থা আছে। কেরালায় সকরারিভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হোমিওপ্যাথিক ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র। গুজরাট, রাজস্থান, কেরেলা, উত্তরপ্রদেশ, সিকিম, পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন প্রদেশে গড়ে উঠেছে বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল। আফ্রিকার ঘানা ও কেনিয়ায় গড়ে উঠেছে হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক। অথচ, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমাদের দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় উচ্চশিক্ষার অভাবে শুধুমাত্র চেম্বারকেন্দ্রিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা চলছে অত্যন্ত লাজুক অবস্থায়। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ শ্রীলংকায়ও প্রতিষ্ঠা হচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বিশ্ববিদ্যালয়ে হোমিওপ্যাথিতে গ্র্যাজুয়েশন(Dtech) ও মাস্টারস’(Mtech) ডিগ্রী প্রদান করা হয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান এতটাই উচ্চমানের যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক রেপার্টরির রুব্রিক সংযোজন হয়ে থাকে Mtech কোর্সের থিসিস থেকে।
ভারতের কল্যাণী ইউনিভার্সিটির Zoology Department এর Cytogenetics and Molecular Biology Laboratory ও আমেরিকার California University-র Department of Entomology and Institute for Integrative Genome Biology যৌথভাবে এক গবেষণায় দেখিয়েছেন যে কিভাবে Ultra-highly diluted plant extracts জেনেটিক লেভেলে P53(প্রোটিন৫৩) ক্যান্সার জিনের উপর প্রভাব বিস্তার করে। যা ELSEVIER জার্নালে ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত হয়েছে।
ন্যানো-ফার্মাকোলজির এই যুগে Dr. Nancy Malik ২০১৫ সালের ১৮ই জুন, এক গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছেন যে হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাদারটিংচার থেকে ২০০পটেন্সিতে 1¬4000 picograms/mililitre এ 5¬100 nanometer size এর ন্যানো-পার্টিকেলস বিদ্যমান থাকে। যা তিনি উপস্থাপন করেছেন Supper Avogrado’s Limit হিসাবে।
জার্মানীর Philipps University-র Department of Chemistry and Scientific Centre for Materials Sciences এবং ব্রিটেনের DiagnOx Laboratory থেকে গবেষণা চলছে Solvent Polarity Indicators হিসাবে Solvatochromic Dyes ব্যবহার করে কিভাবে হোমিওপ্যাথিক পটেন্সি মেডিসিনের Linear Free Energy প্যারামিটার নির্ণয় করা যাবে।
বর্তমান যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা Gene নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করছেন এবং Chronic disease-এ বংশানুক্রমিক ধারাবাহিকতার জন্য দায়ী Gene sequence গুলোকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন, অনেক ক্ষেত্রে সফলকাম হয়েছে বলে দাবী করা হয়েছে। Chronic disease সম্বন্ধে বহু ব্যর্থতা সাফল্যের ১২বছরের গবেষণালব্ধ ডাঃ হ্যানিম্যানের Miasm তত্ত্ব: stigma transmitted generation to generation এবং রোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে dynamic agent দায়ী miasm-এর স্বরুপ উম্মোচন করেছেন। Luc Montagnier-র গবেষণা প্রতিবেদন DNA waves and water থেকে জানা যায় short sequences of DNA(e.g. a single gene) ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক সিগনাল(electro-magnetic signals) প্রেরণ করতে পারে যা কিছু exogenous retroviruses(HIV), hepatitis virus (HBV, HVC)-কে চিহ্নিত করতে পারে। এই DNA sequence রোগের ধরন মোতাবেক electro-magnetic signals(EMS) রোগির Uncommon, peculiar, stricking এবং Characteristic symptoms প্রকাশ করতে ভূমিকা রাখে।
বর্তমান বিশ্বে আরও অনেক উচ্চমান গবেষণা হচ্ছে যা ভবিষ্যৎ হোমিওপ্যাথির জন্য আশাব্যঞ্জক ফলাফল আশা করা যাচ্ছে। বিশ্ব হোমিওপ্যাথির উন্নয়ন ও গবেষণার ধারা আমাদের দেশে অব্যাহত রাখতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করা এখন সময়ের দাবী। তাই বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথিক ইউনিভার্সিটি তৈরি করে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্র সৃষ্টি করার জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই। উচ্চতর গবেষণা ও দেশের মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নয়নের বিকল্প নেই। স্বল্প খরচে ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে এই সরকার যত দ্রুত উপলব্ধি করবে ততই দ্রুত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দ্বার উন্মোচন হবে। দেশের সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বন্ধুদের এলক্ষ্যে এগিয়ে আসতে হবে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। আসুন আমরা সবাই একসাথে মিলে এই মহতী উদ্যোগে শামিল হই।
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?


ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ডি.এইচ.এম.এস
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল সাভার ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করা সময়ের দাবি।

Homeopathic treatment,research and higher education.

" হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা।

যে কোন সিস্টেম বিশেষ করে সেটা যদি হয় মানুষের স্বাস্থ্য বিষয়ক তবে তাতে অবশ্যই সর্বোচ্চ লেভেলের উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। কারণ হেলথ সিস্টেমের উপর রয়েছে আমাদের জীবন মরণের সম্পর্ক।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থানেই প্রধান চিকিৎসা ব্যবস্থা হলো এলোপ্যাথি। কিন্তু এলোপ্যাথি সর্বক্ষেত্রেই সবচেয়ে ভাল সেবাটা দিতে পারছে কি? বহুক্ষেত্রেই পারছে না। এর অনেকগুলো কারণ রয়েছে।

★★ একটা কারণ হলো এই চিকিৎসা সেবা ব্যয়বহুল।

=> যেখানে পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ দারিদ্রের নিম্ন রেখায় বসবাস করে, যেখানে খাদ্য ও বাসস্থানের প্রয়োজনীয়তা মিটাতে তাদের হিমশিম খেতে হয়, সেখানে প্রচলিত এলোপ্যাথিক চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে যায়।

★★ অপরদিকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বহু রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে তেমন সফলতা দেখাতে পারে না। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ভাইরাল ডিজিজ মোকাবেলায় এখনও এলোপ্যাথির সফলতা কম। তাই আমরা দেখি ডেঙ্গি, হাম, চিকেন পক্স, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগে এলোপ্যাথির তেমন কার্যকরি ওষুধ নাই।

★★ নতুন করে আরেকটি সমস্যা দেখা দিয়েছে যেটা খুবই ভীতিপ্রদক। সেটা হলো #এন্টিবায়োটিক_রেজিস্ট্যান্স।

=> ব্যাকটেরিয়াগুলো এখন এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। ফলে এমন ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া যদি কোন রোগীতে আক্রমণ করে তবে চিকিৎসকদের তেমন কিছু করার থাকে না, কারণ এন্টিবায়োটিক সেখানে কাজ করে না।
২০১৮ সালে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউ-তে মোট ৯০০ রোগী ভর্তি হয়েছিল, যাদের মধ্যে ৪০০ জন মারা যায়।
এদের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে তাদের শরীরে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া ছিল। (সূত্র বিবিসি নিউজ, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯, অনলাইন)

★★ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রচলিত চিকিৎসার ওষুধের ক্ষতিকর #পার্শপ্রতিক্রিয়া।
=> CDC: Centers for disease control and Prevention এর তথ্যমতে ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ হাজারের চেয়ে বেশি মানুষ ড্রাগের ওভারডোজের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু করেছে। (https://www.cdc.gov/drugoverdose/)
এই যদি আমেরিকার মতো দেশের অবস্থা হয় সেখানে আমাদের মত দেশে যেখানে ওষুধের যথেচ্ছার ব্যবহার হয় তার পরিসংখ্যান কত খারাপ হবে।

এখানে আমি কয়েকটি অসুবিধার কথা বললাম। এসব কারণেই উন্নত দেশের পাশাপাশি উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে বিকল্প চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকা অত্যাবশকীয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৮ সাল থেকে সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার আন্দোলনে বিকল্প চিকিৎসাব্যবস্থাকে স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োগের জন্য সকল দেশের প্রতি স্ব স্ব দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রয়োগ করার জন্য উৎসাহিত করে আসছে।
বাংলাদেশে সরকারের স্বাস্থ্য অবকাঠামোতে ইউনানী, আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে স্বীকৃত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এবং বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগের বেশি মানুষের ইউনানী, আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথির উপর আস্থা ওয়েছে এবং গ্রামীন জনগোষ্ঠির ৮০ ভাগ তাদের স্বাস্থ্য সেবায় এসব পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে। [বাংলাপিডিয়া: bn.banglapedia.org/index.php?title=বিকল্প_চিকিৎসা]

=> বিকল্প চিকিৎসার মধ্যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
হোমিওপ্যাথিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ইউ.কে এর তথ্য মতে পৃথিবীর গড়ে ২০০ মিলিয়ন মানুষ নিয়মিতভাবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে থাকে। ইউরোপের ৪২ টা দেশের মধ্যে ৪০ টা দেশেই কমবেশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রচলিত আছে। নেদারলেন্ডের চিকিৎসকগনের প্রায় অর্ধেক সংখ্যক হোমিওপ্যাথিক ওষুধও প্রেস্ক্রাইব করেন।
বেশ কিছু দেশ তাদের জাতীয় চিকিৎসা সেবায় হোমিওপ্যাথিকে অন্তর্ভূক্ত করেছেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান, ব্রাজিল, চিলি, মেক্সিকো, সুইজারল্যান্ড, কিউবা, ইংল্যান্ড।
২৩০ বছর ধরে হোমিওপ্যাথি সাধারণ লোকদের নিকট তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। যারা হোমিওপ্যাথি কাজ করে না বলে অভিযোগ করে থাকেন তাদের জন্য এই তথ্যটাই উপযুক্ত জবাব।

মানুষ যাতে হোমিওপ্যাথির সর্বোচ্চ পর্যায়ের সেবা পেতে পারে সে ব্যবস্থা আমাদের আমাদের দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তৈরি করতে হবে।  আমাদের দেশে বর্তমানে হোমিওপ্যাথিক ডিপ্লোমা এবং গ্র্যাজুয়েশন কোর্স চালু আছে।
কিন্তু পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোন প্রতিষ্ঠান নাই।
পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নে রিসার্চ এর বিকল্প নাই।
পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে আমরা অনেক রোগের ব্যাপক আক্রমন দেখতে পাচ্ছি যেগুলো আমাদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত চিকিৎসা কিছু করতে পারছে না, সেখানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ভাল ভুমিকা করে আসছে।

একটা উদাহরণ দেই -
Cuba দেশে ১৯৯০ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত লেপটোসপাইরসিস রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছিল। ২০০৭ সালে হারিকেন ঝড়ের পর এটা মহামারী আকার ধারণ করে।
লেপ্টোস্পাইরোসিস এর প্রচলিত ভ্যাক্সিন তৈরি করা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। তাই সেখানে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রতিরোধক হিসেবে খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। Leptospira ব্যাকটেরিয়া থেকে হোমিওপ্যাথিক পটেন্টাইন্সড মেডিসিন NosLepto তৈরি করা হয়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত এলাকার ২৩ লক্ষ লোকজনকে এই ওষুধ খাওয়ানো হয়। NosLepto 200c খাওয়ানোর ২ সপ্তাহের পর থেকে নতুন আক্রমনের হার কমে যায়। এবং ২০০৮ সাল নাগাদ এর সংখ্যা কমতেই ছিল।
হোমিওপ্রোফাইল্যাটিক (NosLepto 200c) দেয়ায় এই আক্রমের হার ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ৮৪% কমে গিয়েছিল। অপরদিকে অন্য স্থানে যেখানে হোমিওপ্রোফাইলেকটিক খাওয়া হয় নি সেখানে আক্রান্তের হার ২১.৭% বেড়ে গিয়েছিল।
পরিবর্তীতে কিউবান সরকার পুরো দেশেই  হোমিওপ্রোফাইলেকটিক খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
একটা মজার তথ্য হলো এই পুরো কাজটি হোমিওপ্যাথরা করে নাই। করেছিল ভ্যাক্সিন এক্সপার্ট এলোপ্যাথিকগণই।
[Homeopathy. 2010 Jul;99(3):156-66. doi: 10.1016/j.homp.2010.05.009.
Large-scale application of highly-diluted bacteria for Leptospirosis epidemic control.
Bracho G1, Varela E, Fernández R, Ordaz B, Marzoa N, Menéndez J, García L, Gilling E, Leyva R, Rufín R, de la Torre R, Solis RL, Batista N, Borrero R, Campa C.]

[https://www.bmj.com/content/345/bmj.e6184/rr/616928]

সম্প্রতি বাংলাদেশে যে ডেঙ্গু জরের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে সেখানেও আমরা হোমিওপ্রফাইল্যাক্লি ব্যবহার করতে পারে। ভারতের সেন্ট্রাল কাউন্সিল ফর রিসার্চ ইন হোমিওপ্যাথি
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সময় প্রায় ৪ হাজার লোককে Dengue nosode খাইয়েছিল পরবর্তীতে ২১ হাজারের মানুষের ফলোআপ করতে পেড়েছিল। তাতে দেখা যায় মাত্র ৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল।

সেযাক আমাদের দক্ষ হোমিওপ্যাথ গড়ে তোলার লক্ষে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বিভিন্ন কোর্স চালু করার ভীষণ দরকার। সে লক্ষে বর্তমানে হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অনস্বীকার্য। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারতে হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। সেখানে হোমিওপ্যাথির বিভিন্ন সাবজেক্টের উপর এমডি, পিএইচডি করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার, হোমিওপ্যাথির দিকপাল ডা: সাখাওয়াত ইসলাম ‍ভুইয়া স্যার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা রাখি কর্তৃপক্ষ এটির প্রতিষ্ঠায় সদয় দৃষ্টি দিবেন।

 Dr. Mohammad Mohshinuzzaman BHMS, PGD

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭

আপনি নিজেই করতে পারেন মাইগ্রেনের প্রতিকার





আপনি যদি মাইগ্রিনস এবং মাথাব্যাথা ভোগ করেন তবে আপনি জানেন যে এটি কীভাবে আপনাকে ভোগাতে পারে । আমার এর কিছু প্রতিকার খুঁজে বের করেছি আশা করি আপনার উপকার হবে

যদি আপনি বা পরিবারের কেউ মাইগ্রেনের যন্ত্রণা ভোগ করে তবে জেনে নিন ঃ

মাইগ্রেন  কি ? 
মাইগ্রেন এক ধরনের মাথা ব্যাথা যার শুরুটা সীমিত পর্যায়ে থাকে কিন্তু তীব্রতা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে । সাধারণত এই ব্যাথা মাথা এক পাশে বা উভয় পাশে হতে পারে 

মাইগ্রেনের কারণ 
সাধারণত ব্যথা 4 ঘন্টা থেকে 3 দিন স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে এই ব্যথা এত গুরুতর হয়ে যায় যে এটি আপনাকে বিছানায় ফেলে দেয়। মাইগ্রেন ব্যথা সঠিক কারণ এখনও অজানা। গবেষকরা বলেছিলেন যে এটি একটি স্নায়ুসংক্রান্ত সমস্যা বলে মনে করা হয়, তবে বেশ কিছু জিনিস রয়েছে যা ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে, এদের মধ্যে কয়েকটি রয়েছে:
  • পচা বাসি খাবার এবং খাধ্যে অনিয়ম
  • মানসিক চাপ
  • হরমোন বা পরিবেশগত পরিবর্তন
  • সূর্যের দীর্ঘ সময় এক্সপোজার
  • ঘুমের অভাব
  • অ্যালকোহল এবং কিছু খাবার খাওয়া

চলুন ম্যাগ্রাইনগুলির সাধারণ লক্ষণগুলির দিকে দেয়া যাক:
  • সংকীর্ণ ব্যাথা থেকে তীব্র ব্যাথা (মাথা মাথার একপাশে )
  • বমি ভাব বা বমি করা
  • ঝাপসা দৃষ্টি
  • হালকা বা শব্দ সংবেদনশীলতা
  • ক্ষুধামান্দ্য
  • মাথা ঘোরা
  • অবসাদ
  • মাইগ্রেইন মাথাব্যাথা চলাকালীন সময়ে আপনার মস্তিষ্কের চারপাশে রক্তচাপ বেড়ে যাবে।
  • টিস্যু এবং তাদের চারপাশের স্নায়ু জ্বালা করবে ।
আপনি কেন এই রোগে আক্রান্ত ? আপনি কোন প্রবেশে আছে মানে সেইখানের - আবহাওয়া, তাপ, উজ্জ্বল আলো, দূষণ, ধূমপান, পারফিউম এবং উচ্চ শব্দ কোন একটির তারতম্যে আপনি এই রগের যন্ত্রণা ভোগ করতে পারেন । আপনি অনিমিত ঘুম অভ্যাস তৈরি করেছেন কি ? এটা কিন্তু মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ শারীরিকভাবে অতিরিক্ত কাজ করছেন না তো ?


মাইগ্রেন রিলিভার পানীয়

  • অর্ধেক  আনারস
  • ৩-৪ টি কেলি পাতা
  • একটি  সেলারি পাতা 
  • একটি শসা  
  • একটি লেবু 
  • ১/২  ইঞ্চি আদা রুট 
একত্রে মিশিয়ে পান করুন ।আপনার মাইগ্রেন নিরাময় হবে।

ইভা হোমিও হল।

বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

গোঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭

সিয়াম সাধনা আল্লাহর হুকুম পালন আর সুস্থ জীবনযাপনের উপায়।

রোজা আমাদের মহা উপকারী।


রোজার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানলে আমরা নিজেদের সুস্থ রাখার স্বার্থে অবশ্যই রোযা রাখতাম। তাই আসুন জেনে নেই আমরা কেন রোযা রাখবো। প্রসংগক্রমে উল্লেখ্য যে ইসলামের সকল বিধি বিধান সম্পূর্ন বিজ্ঞান ভিত্তিক আর তার উৎস হলো বিজ্ঞানময় কোরান।

শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোজার উপকারিতা অপরিসীম। আসুন আমরা দেখি রোজা শরীরের জন্য কতটা উপকারী-

১) রোযা থাকা অবস্থায় কমপক্ষে ১৫ ঘন্টা যাবতীয় খানাপিনা বন্ধ থাকে। এ সময় পাকস্থলী, অন্ত্রনালী, যকৃত, হৃদপিন্ডসহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশ্রাম পায়। তখন এসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিজেদের পুনর্গঠনে নিয়োজিত হতে পারে। অন্যদিকে দেহে যেসব চর্বি জমে শরীরের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় সেগুলো রোযার সময় দেহের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর জন্য ছুটে যায়। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী তার "সুপিরিয়র নিউট্রিশন" গ্রন্থে ডা. শেলটন বলেছেন, উপবাসকালে শরীরের মধ্যকার প্রোটিন, চর্বি, শর্করা জাতীয় পদার্থগুলো স্বয়ং পাচিত হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলোর পুষ্টি বিধান হয়।

২) নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঔষুধ ও শল্য চিকিৎসার প্রখ্যাত ডাঃ অ্যালেকসিস বলেছেন, উপবাসের মাধ্যমে লিভার রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয় ফলে ত্বকের নিচে সঞ্চিত চর্বি, পেশীর প্রোটিন, গ্রন্থিসমূহ এবং লিভারে কোষসমূহ আন্দোলিত হয়। আভ্যন্তরীণ দেহ যন্ত্রগুলোর সংরক্ষণ এবং হ্নদপিণ্ডের নিরাপত্তার জন্য অন্য দেহাংশগুলোর বিক্রিয়া বন্ধ রাখে। খাদ্যাভাব কিংবা আরাম-আয়েশের জন্য মানুষের শরীরের যে ক্ষতি হয়, রোজা তা পূরণ করে দেয়।"

৩) ডাঃ আইজাক জেনিংস বলেছেন, " যারা আলস্য ও গোড়ামীর কারণে এবং অতিভোজনের কারণে নিজেদের সংরক্ষিত জীবনী শক্তিকে ভারাক্রান্ত করে ধীরে ধীরে আত্মহত্যার দিকে এগিয়ে যায়, রোযা তাদেরকে এ বিপদ থেকে রক্ষা করে।"

৪) বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী নাষ্টবারনার বলেন, "ফুসফুসের কাশি, কঠিন কাশি, সর্দি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা কয়েকদিনের রোযার কারণেই নিরাময় হয়।"

৫) ডাক্তার দেওয়ান এ,কে,এম, আব্দুর রহীম বলেছেন, "রোযাব্রত পালনের কারণে মস্তিস্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র সর্বাধিক উজ্জীবিত হয়।

৬) স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী ডা. আব্রাহাম জে হেনরি রোযা সম্পর্কে বলেছেন, "রোযা হলো পরমহিতৈষী ওষুধ বিশেষ। কারণ রোযা পালনের ফলে বাতরোগ, বহুমূত্র, অজীর্ণ, হৃদরোগ ও রক্তচাপজনিত ব্যাধিতে মানুষ কম আক্রান্ত হয়।"

৭) গবেষণায় দেখা গেছে, রোযাদার পেপটিক আলসারের রোগীরা রোযা রাখলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি রোগীদের জন্যও রোযা উপকারী।

8) ডাক্তারদের মতে, রোযার ফলে মস্তিষ্কের সেরিবেলাম ও লিমরিক সিস্টেমের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ার কারণে মনের অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর হয়-যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য মঙ্গলজনক। বহুমূত্র রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রোযা খুব উপকারী। ডাক্তারী পরীক্ষায় দেখা গেছে, একাধারে ১৫ দিন রোযা রাখলে বহুমূত্র রোগের অত্যন্ত উপকার হয়।

৯) কিডনী সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা রোযা রাখলে এ সমস্যা আরো বেড়ে যাবে ভেবে রোযা রাখতে চান না। অথচ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোযা রাখলে কিডনীতে সঞ্চিত পাথর কণা ও চুন দূরীভূত হয়।

১০) স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে, সারা বছর অতিভোজ, অখাদ্য, কুখাদ্য, ভেজাল খাদ্য খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যে জৈব বিষ জমা হয় তা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এক মাস রোজা পালনের ফলে তা সহজেই দূরীভূত হয়ে যায়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের রোজা পরিপূর্ণভাবে পালন করার তৌফিক দিন। আমীন।

সূত্র -ইন্টানেট
ডা. মো. আবদুল খালেক খান
পাবনা হোমিও চেম্বার।
পল্লী বিদ্যুৎ,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
সেল ০১৭১১০৪৮৪৯৯

ভালোবাসার রকমারি ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

ভালবাসার রকমারি ও হোমিওপ্যাথিক ব্যাখ্যা।
ভালোবাসা !
হৃদয়ে ভালোবাসা, প্রকাশ্যে ভালোবাসার অভিব্যক্তি সব যেন হয় মার্জিত ও রুচিশীল। অশালীন আর অসুন্দর ভালোবাসার কারণে মানসিক বিপর্যয়, রোগবালাই বাসা বাঁধে। সেই অসুস্থ রোগীদের জন্য উপকারী রুব্রিকের সহজ ব্যাখ্যা ও সদৃশ ঔষধ নির্বাচন কৌশল।
Love বাংলা ভাষায় ভালবাসা।Love is a variety of different feelings ,states and attitudes that ranges from interpersonal affection."-অর্থাৎ ভালবাসা হচ্ছে বিভিন্ন অনুভূতি, অবস্থা এবং দৃষ্টিভঙ্গির সমাবেশ যা ব্যক্তির মধ্যে বিরাজমান স্নেহ-প্রীতি থেকে সৃষ্টি হয়।

এ ভালবাসা বিরাজ করতে পারে পিতা-মাতা,পু কন্যা,ভাই-বোন, আত্মীয়- স্বজন,গাছপালা,প সর্বত্র।

ভালবাসার সাথে যৌনতার ও লিঙ্গগত কিছু সাদৃশ্য থাকলেও দু'টি বিষয়ের ভিন্নতা চিন্তা না করার কারণে অনেকেই বিষয়গুলোকে গুলিয়ে ফেলে।ভালবাসা দিবসের নামে তরুণ-তরুণীদের মাঝে অবাধে মেলামেশা, ভালবাসার অধিকারে দেহ দান করা ,

ক্লাবে , পার্কে বা হোটেলে রাত কাটানো- এসব কান্ডকীর্তি ভালবাসা বহিঃপ্রকাশের নামে চরম অশ্লীলতা।এসকল বেহায়া যুব সমজের কুমননের চিকিত্সায় নিম্নোক্ত রুব্রিকসমূহ আমরা নিতে পারি-
Amorous (কামার্ত/কামজনিত/প্রেমবিষয়ক)
Lascivious (লম্পট/ধৃষ্ট/কামোদ্দীপক/কামুক)
Obscene (অশ্লীল/অস্রাব্য/নোংরা/জঘন্য/বিশ্রি রকম/অশোভন)
Homosexuality (সমকামিতা/সমরতি)

রেপার্টরীতে ভালবাসাকে-'Love'-রুব্রিক দিয়ে হাইলাইট করা হয়েছে।এ রুব্রিকের অধীনে অনেকগুলো সাবরুব্রিক থেকে কিছু সাবরুব্রিক উল্লেখ করছি।

রুব্রিক- Love ,anal coition with woman (স্ত্রীলোকদের সাথে মলদ্বারে সঙ্গমের মাধ্যমে ভালবাসা)।ঔষধ-কস্টিকাম,নাক্স,প্লাটিনা।

রুব্রিক-Love ,animals অথবা Animals ,love for animals (প্রাণীদের প্রতি ভালবাসা)।ঔষধ-ব্যারাইটা কার্ব,কস্টিকাম, ইগ্নেসিয়া, মার্কসল,নেট্রাম মিউর,ফসফরাস,প্লাটিনা,পালসেটিলা,সিপিয়া, সালফার, ট্যারেন্টুলা,থুজা,টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।

রুব্রিক- Love ,children for (বাচ্চাদের প্রতি ভালবাসা)।ঔষধ-আর্সেনিক ,হিপার ,ফসফরাস ,প্লাটিনা ,সিপিয়া ইত্যাদি।

রুব্রিক-Love ,family for (পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা)।ঔষধ-আর্সেনিক ,কার্সিনোসিন ,কস্টিকাম ,কফিয়া ,হিপার ,ইগ্নেসিয়া ,ফসফরাস ,পালস ,রাসটক্স ,স্পাইজে ,সাইলেসিয়া ,জিঙ্কাম।

রুব্রিক- Love ,friends for (বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা)।ঔষধ- ক্যালি-ফস ,ল্যাক-ক্যান ,ফসফরাস।

রুব্রিক- Love ,married man ,with(বিবাহিত পুরুষের সাথে প্রণয়ের/ভালবাসার সম্পর্ক স্থাপন করে)।একমাত্র ঔষধ- নেট্রাম মিউর।

রুব্রিক-Love ,nature ,for(প্রকৃতি প্রেমিক ,যেমন-কবি-সাহিত্যিকরা প্রকৃতিকে ভালবাসেন)।

Love ,parents for (পিতামাতার প্রতি ভালবাসা)।একমাত্র ঔষধ- নেট্রাম মিউর।

রুব্রিক-Love ,sick (প্রেমাতুর)।এ রুব্রিকের অধীনে এন্টিম ক্রুড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

ভালবাসায় হতাশ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে রুব্রিক-Ailments from ,love ,disappointed-এপিস ,এন্টিম ক্রুড ,আর্সেনিক ,বেল ,ব্রায়ো ,
ইগ্নেসিয়া ,কলোসিন্থ,নেট্রাম মিউর ,এসিড ফস ,স্টাফি ,পালস- এ রুব্রিকের অধীনে অবস্থানকারী গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

অত্যন্ত রোমান্টিক প্রেমিক যুগলদের জন্য রুব্রিক নেওয়া যাবে- Romantic love desire forভালবাসা সম্পর্কিত ভ্রান্তবিশ্বাসের রুব্রিকসমূহ হল-Delusion ,love ,is impossible,Delusion ,loved by parents ; she is not.

স্বপ্নে ভালবাসা ও তার রুব্রিক-Dream ,love ,fallen in
রেপার্টরীতে খুঁজলে ভালবাসা সংক্রান্ত এ ধরণের আরো অনেকগুলো রুব্রিকের খোঁজ আমরা দেখতে পাই।

যাই হোক ভালবাসা দিবসে শ্রদ্ধেয় ডা.স্যামুয়েল হ্যানিম্যানসহ পৃথিবীর সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের এবং হোমিওপ্যাথির সমস্ত অনুরাগীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।

মায়াজমেটিক চিকিত্সার মাধ্যমে সকল হিংস্রতা দূরীভূত হয়ে প্রাণের অস্তিত্বধারণকারী মাতৃময়ী এ পৃথিবী ভালবাসার পৃথিবীতে পরিণত হোক এই প্রত্যাশা করি।

ডাঃ ফায়েক এনামের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত ও সংকলিত।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল আশুলিয়া সাভার ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭

রহস্যময়তায় ঘেরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান


Scientific research homeopathy.


হোমিওপ্যাথির রহস্য উন্মোচনঃ
 হোমিওপ্যাথি রহস্যময় চিকিৎসা বিজ্ঞানঃ- স্যামুয়েল হ্যানিম্যান প্রবর্তিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দু’শতাব্দীরও বেশিদিন ধরে চলে আসছে।এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে ওষুধকে অনেক সময় Potentisation-এর নামে এতখানিই ‘লঘু’ করা হয় যে তাতে মূল ওষুধের কোনও অণু -পরমাণুরও থাকা সম্ভব নয়।অর্থাৎ কিনা রাসায়নিক বিচারে এরা জল ছাড়া আর কিছু নয়। অথচ এরা দিব্যি ওষুধের মতো কাজ করে। শুধু তাই নয়, বহু ক্ষেত্রে অত্যাশ্চর্য ফল দেয়। অন্য ওষুধকেও ছাড়িয়ে যায়। এই হল রহস্য। যার সুষ্ঠু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আজও অধরা।
হোমিওপ্যাথি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই
অনেকেই সন্দেহ করেন যে, হোমিওপ্যাথিতে রোগ সারে মনের কারণে, আর হোমিওপ্যাথি কৃতিত্ব নিতে চায়।হোমিওপ্যাথি একটা বুজরুকি।এটাকে আইন করে বন্ধ করা দরকার। কিন্ত দু’শো বছর ধরে কোটি কোটি মানুষের রোগারোগ্যের অস্ত্রকে এভাবে ফুৎকারে নস্যাৎ করা যায় না, বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি যখন শিশু, পশু এবং উদ্ভিদেরও উপকারে আসে, যেসব ক্ষেত্রে ‘এটা খেলেই আমি সেরে যাব’ এরকম মননের কোনও ব্যাপার থাকে না। এছাড়া আরও অন্যান্য যুক্তির সাহায্যে মানসিক তত্ত্বকে খারিজ করা যায়। কিন্তু, আসল প্রয়োজন হল দুটি মৌলিক প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর।
 #অতিমাত্রায় লঘুকৃত একটা ওষুধ কীভাবে অন্যটার থেকে আলাদা হয় ?
দুশো বছর ধরে কোটি কোটি রোগীর ক্ষেত্রে নিদানিক সাফল্য সত্ত্বেও এই দুটো মৌলিক প্রশ্নের সদুত্তরের অভাবে হোমিওপ্যাথি আজও বৈজ্ঞানিক তো বটেই এমনকী ইপ্সিত সামাজিক স্বীকৃতিও পায়নি। বর্তমান কালের নিদানিক সাফল্যের পরিসংখ্যান এই মৌলিক প্রশ্নগুলোকে পাশ কাটিয়ে যায়। ফলে, স্বীকৃতিও এদের পাশ কাটিয়ে যায়। তাই এটা পরিষ্কার যে, প্রশ্নগুলোর সদুত্তর ছাড়া এই অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়।
এটা লক্ষ্য করার বিষয় যে, অতি লঘুকৃত ওষুধগুলো রাসায়নিক বিচারে জল ছাড়া আর কিছু না হলেও এরা কিন্তু জীবদেহে কাজ করে মূল ভেষজ ও তার পোটেন্সি অনুসারে। যেমন, নেট্রাম মিউর-৩০সি ও নেট্রাম সালফ-৩০সি পৃথক পৃথক ফল দেয়। সাইলিসিয়া-৩সি এবং সাইলিসিয়া-২০০সি পৃথকভাবে কাজ করে। তাই এটা বলা যায় যে, ‘কিছু একটা’ ব্যাপার এদের পৃথক করে। এখন কথা হল কী সেই ‘কিছু একটা’। কোনও উদ্ভট তত্ত্বের আমদানী না করেও যদি দেখা যায় যে জলের এমন কোনও ক্ষমতা আছে যার দ্বারা সে মূল ভেষজ ও তার পোটেন্সি জ্ঞাপক বার্তাকে কোনও আণবিক কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের দ্বারা ধরে রাখতে পারে, তাহলে জলের বিভিন্ন আণবিক অবস্থাকে সেই ‘কিছু একটা’ বলে চিহ্নিত করা যায়। জলের তিনটি অসামান্য গুণ এই কাজটি করতে সক্ষম। গুণ তিনটি হল—(১) স্বাভাবিক তাপমাত্রায় জলের মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বরফখণ্ড বা কেলাস ভাসতে দেখা যায়। (২) যাদের কাঠামো অসংখ্য প্রকারের হতে পারে এবং (৩) আকারপ্রকার বিভিন্ন রকমের বস্তুকণা দ্বারা প্রভাবিত হয়।
এখানে একটা কথা বলা দরকার যে, জলের এই সব গুণের পরিচয় পাওয়া গেছে ১৯৬৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত নানা পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে।
এর থেকে আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, হোমিওপ্যাথির অতি লঘুকৃত বস্তুগুলো রাসায়নিক বিচারে জল ছাড়া আর কিছু না হলেও আণবিক কাঠামোর দিক থেকে এরা একে অন্যের থেকে পৃথক। এখন দেখতে হবে এদের কোনও ভেষজ গুণ আছে কি না।
# ভেষজগুণের চাবিকাঠিটা কোথায়, অর্থাৎ কীভাবে রোগ সারায় ?
জলের আণবিক কাঠামো ভেষজ ও তার পোটেন্সিভিত্তিক, আর জৈব অণুর গঠন বিভিন্ন কারণে একটু-আধটু পালটাতে পারে, কিন্তু সেটা বেশি হয়ে গেলে সেটা তার রুগ্ণ অবস্থা সূচিত করে। এছাড়াও জলের আর একটি অসামান্য ধর্মের কথা আমাদের বোধের মধ্যে রাখতে হবে। সেটা হল—সব জৈব অণুই জলের অণুদের ফাঁকে ফাঁকে খাপ খেয়ে যায়, তা জল তরল বা কঠিন যে অবস্থারই হোক না কেন। এটা না হলে ফ্রিজে খাবারদাবার সংরক্ষণ করা যেত না। পক্ষান্তরে, যখন কোনও অণু জলের অণুদের ফাঁকে ফাঁকে খাপ খায় না তখন জল জমে বরফ হওয়ার সময় ওই অণুগুলোকে গুঁড়িয়ে দেয় এবং জলের বাইরে বার করে দেয়। এ জন্যই উত্তর মহাসাগরের বরফ লবণমুক্ত। অতএব, জলীয় অণু উপযুক্ত আকৃতির হলে তারা চাপ দিয়ে একটু-আধটু পালটে জৈব অণুর আকৃতিকে তাদের সুস্থস্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারে, যদি আকৃতির গরমিল তেমন বড় মাপের না হয়। বাস্তবেও দেখা যায় যে, ছোট ছোট বরফের কেলাসের সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত জৈব অণুদের সারিয়ে তোলা যায়।
কাঠামোর মিল এবং ছাঁচ-নীতি জীবের বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে একথা জীববিজ্ঞানে আজ সুবিদিত। স্বাস্থ্য রক্ষা তথা রোগ আরোগ্যে জলের আণবিক কাঠামোর মাধ্যমে এই নীতির ভূমিকা থাকা খুবই স্বাভাবিক। এও দেখা যায় যে, রুগ্ণ জীবকোষের অন্তর্গত জলের ছাঁচ/ কাঠামোগুলো জৈব অণুদের রুগণ ছাপ গ্রহণ করে ভাঙাচোরা অবস্থা পায়। বিপরীতভাবে, আকৃতির গরমিল তেমন বড় মাপের না হলে জলের উপযুক্ত ছাঁচ বা কাঠামো যে রুগণ ঩জৈব অণুদের চাপ দিয়ে তাদের সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে এর মধ্যেও কোনও অস্বাভাবিকতা নেই।
সিদ্ধান্তঃ
 এ থেকে এই সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, অতি লঘুকৃত ওষুধের ক্ষেত্রে বিশেষ বিশেষভাবে গঠিত জলের আণবিক ছাঁচ/ কাঠামোই ওষুধের আসল রূপ। আর নিম্ন শক্তির ওষুধে তো জল ছাড়াও মূল রাসায়নিক বস্তুর ছাঁচ বা কাঠামো থাকছেই। ফলে, কাঠামোগত মডেলের সংজ্ঞা দাঁড়ায়: রোগ নিরাময়ের ক্ষমতাযুক্ত বস্তুই ওষুধের মান্যতার অধিকারী এবং জলের বা অন্য কোনও রাসায়নিক বস্তুর আণবিক ছাঁচ বা কাঠামোই তার ভেষজগুণের উৎস।
উপসংহার ঃ
উপরের বৈজ্ঞানিক তথ্য ছাড়াও কয়েকটি সাধারণ ব্যাপারও কাঠামোগত মডেলকে সমর্থন করে। যেমন, রাসায়নিক ফর্মুলাই যদি ওষুধ নির্ণয় করত, তাহলে কার্বোএনিমেলিস এবং গ্রাফাইটিস দুটো আলাদা ওষুধ হত না, কারণ রাসায়নিক বিচারে দুটোই কার্বন। এদের পার্থক্যের উৎস হল, এদের আণবিক বিন্যাসের পার্থক্য। এক্স-রে নামক ওষুধটি গোড়া থাকেই রাসায়নিক পরিচয়বিহীন। জলের ওপর আরোপিত আণবিক বিন্যাস ছাড়া অন্য কিছুই এর ভেষজ গুণের উৎস হতে পারে না। প্রখর তাপে বা সূর্যালোকে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ হয়ে যায়। এর গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা এই হতে পারে যে, তাপের প্রভাবে পরিচয় বহনকারী ছাঁচ বা কাঠামোগুলো গলে গিয়ে এই বিপত্তি ঘটায়। সংরক্ষণকারী বস্তু (যেমন, সুরাসার) ছাড়া কেবলমাত্র জলে গুলে দেওয়া শক্তিকৃত ওষুধের গুণ তিন-চার দিনের বেশি থাকে না। কারণ, বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, জলের অন্তর্গত কেলাসগুলো দীর্ঘদিন থাকে না, আপনাআপনি ভেঙে যায় এবং আবার নতুনভাবে গড়ে ওঠে।

সাধারণক্ষেত্রেও কাঠামোগত ধারণা যে বৈধতা পেতে পারে তার যেন একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এটা সুবিদিত যে ব্যাকটেরিয়াকে মারার ব্যাপারে অ্যান্টিবায়োটিক যে নীতিতে কাজ করে, তা কাঠামোকে অবলম্বন করেই। ব্যাকটেরিয়ার বিশেষ অংশে গিয়ে অ্যান্টিবায়োটিকের অণু কাঠামোগতভাবে তালার সঙ্গে চাবির মতো আটকে যায় এবং তার জৈব ক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে। জলের আণবিক কাঠামোরও এই ধরনের ভূমিকা থাকা স্বাভাবিক। সাধারণত রাসায়নিক দৃষ্টিতেই ওষুধের ব্যাখ্যা করা হয়। হোমিওপ্যাথি আমাদের বাধ্য করে কাঠামোগত দৃষ্টিকোণ থেকে ওষুধকে বোঝার জন্য। হয়তো একদিন কাঠামোগত দৃষ্টিকোণ থেকেই সমস্ত ওষুধকে বোঝার দিন আসবে।
সুত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,আশুলিয়া থানার পাশে,
সাভার ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নাম্বার ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

রোগাক্রান্ত পার্শ বিবেচনায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন।

রোগাক্রান্ত পার্শ্ব বিবেচনায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ঔষধ নির্বাচন একটি কঠিন কাজ।রোগ আক্রমনের কারণ,রোগে আক্রমনের স্হান ও পার্শ্ব ঔষধ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিবেচনা করার প্রয়োজন হয়।রোগ আক্রমন ডান পার্শে হওে যে ঔষধ নির্বাচিত হবে সেই রোগ বাম পার্শ্বে হলে ঔষধ ভিন্ন হবে।রোগ প্রথমে ডানে পরে বামে অথবা প্রথমে বামে পরে ডানে আক্রান্ত হলেও ভিন্ন ভিন্ন ঔষধ নির্বাচিত হবে। রোগাক্রান্ত পার্শ্ব বিবেচনায় ঔষধ নির্বাচনের একটি হ্যান্ড নোট আপনাদের উপহার দিলাম।এই নোট,রোগের সঠিক ঔষধ নির্বাচনে কাজে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।

*শরীরের ডানদিকে রোগাক্রমন এর সদৃশ ঔষধ :-
একোনাইট,ইস্কুলাস,অ্যাগ্নাস,অ্যালুমিনা,অ্যামোন কার্ব,এপিস,আর্জেন্টাম মেট,আর্সেনিক,অরাম মেট,ব্যাপটিসিয়া, বেলেডোনা,বিসমাথ,বোরাক্স, ব্রাইওনিয়া,ক্যালকেরিয়া,ক্যালকেরিয়া ফস,ক্যান্থারিস,কষ্টিকাম, চেলিডোনিয়াম, ককুলাস,কলচিকাম,কলোসিন্হ,কোনিয়াম,ক্রোটেলাস, ড্রসেরা,হিপারসালফ,ইগ্নেসিয়া,ইপিকাক,আইরিস,ম্যাগ্নেসিয়া মিউর, ম্যাঙ্গানাম,মার্কুরিয়াস, নেট্রাম কার্ব,নাক্স মশ্চেটা,নাক্সভুমিকা, পেট্রোলিয়াম, প্লাম্বাম,পডোফাইলাম, পালসেটিলা, র‌্যানানকুলাস, স্যাবাইনা,স্যাঙ্গুনেরিয়া,সার্সাপ্যারিলা,সিকেল,সাইলিসিয়া,স্ট্যাফিসেগ্রিয়া,সালফ-এসিড,টিউক্রিয়াম,জিঙ্কাম ইত্যাদি।

*শরীরের বামদিকে রোগাক্রমণ এর সদৃশ ঔষধ :-
অ্যালিয়াম সেপা,অ্যানাকার্ডিয়াম,অ্যান্টিম-ক্রড,অ্যান্টিম টার্ট, আর্জেন্টাম নাইট,আর্নিকা, অ্যাসাফোটিডা, অ্যাসারাম,বার্বারিস, ব্রোমিয়াম, ব্রায়োনিয়া,ক্যাপসিকাম,ক্যামোমিলা,চেলিডোনিয়াম,চায়না,সিমিসিফুগা,সিনা,ক্লিমেটিস,কলচিকাম,কলোসিন্হ,ক্রোটনটিগ,কুপ্রম,ডালকামারা,ইউফ্রেসিয়া,ফেরামফস,গ্রাফাইটিস,গুয়েকাম,ক্রিয়োজোট,ল্যাকেসিস,মার্কুরিয়াস,মিউরিয়েটিকএসিড,গুলিয়েন্ডার,ফসফরাস,রডোডেনড্রন,স্যাবাইনা,সেলিনিয়াম,সিপিয়া,সাইলিসিয়া,স্পাইজিলিয়া,স্ক্রুইলা,স্টানাম,সালফার,থুজা ইত্যাদি।

*প্রথমে বামদিকে পরে ডানদিকেঃ 
একোনাইট,এলোমিনা,ক্যালকেরিয়াফস,কলচিকাম,ডালকামারা,
কেরিকার্ব,ক্রিয়োজোট,ল্যাকেসিস,নাইট্রিক এসিড,ফাইটোলক্কা,রাস টক্স ইত্যাদি।

*প্রথমে ডানদিকে পরে বামদিকে :-অ্যাসেটিক,বেলেডোনা,মেরেজিয়াম,স্যাঙ্গুনেরিয়া,সালফার ইত্যাদি।
কেন্ট রেপার্টরির সাহয্যে রোগাক্রান্ত পার্শ ভিত্তিক ঔষধের তালিকাঃ
SIDE, right, then left
----------





++ then left : Acet-ac., acon., ars-n., aspar., bell., Lyc., mez., sang., spong., sulph.
++ left : Acon., Act-r.all-c.aloe., am-br.anac.ant-c.ant-t.apis.,arg-m.Arg-n.arn.arum-t., Asaf.Asar.asc-t.aster.aur-m-n., bar-m., berb.bism-ox., brom.bry.calc.cann-s., canth., Caps., caust., cham.chel.chin.Cina.Clem., cocc., colch.coloc.Croc.crot-t.,cupr.dulc.Eupho.euphr.ferr-p., ferr.gels., Graph.guai.hep., ign., ip., iris., kali-chl.Kreos.Lach.lith.mag-m., mang., meny., merc-c.merc-i-r.merc.Mez., mosch., mur-ac.naja., nat-s., nit-ac.nux-m., Olnd.onos.osm.ox-ac., par.Phos., phys., plb., ran-b., ran-s.rhod.sabin.sal-ac., Scil.Sel.Sep.sil.spig.Stann., staph., stront., sul-ac., Sulph., tab., tarax.teucr., ther., thu., ust., vesp., viol-o.viol-t.xan.
++ then right : Acon., aloe., calc-p., colch.dulc., elaps., kali-c., kreos., Lach., naja., nit-m-ac., phyt., rhus-t.

চিররোগের আদর্শ আরোগ্য লাভের জন্য উপরোক্ত পয়েন্ট অবশ্যই অনুরণ করতে হবে।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় মনগড়া কোন কাজ চলে না।অর্গাননের নির্দেশিকা অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করতে হবে।একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রোগীর রোগাক্রান্ত পার্শ বিবেচনার আলোকে সদৃশ ঔষধ নির্বাচন রোগ আরোগ্যের আদর্শ পথ।এর সামান্য ব্যত্যয় ঘটলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আদর্শ আরোগ্য লাভ অসম্ভব।

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

ডা: ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।

গো রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭

ডা. নজরুল ইসলাম ভুইয়া ও বি.এইচ.এম.এস ডিগ্রী শুরুর কথা।

 


বাংলাদেশে বিএইচএমএস ডিগ্রি বাস্তবায়নের কিছু দুর্লভ স্মৃতি। সময় কিভাবে চলে যায়! আজও মনে পড়ে ৪২ বছর আগে কিভাবে প্রতিটি দিন পার করেছি এই আন্দোলনে। হয়ত অনেক বিএইচএমএস ছাত্র-ছাত্রী আজ জানে না সেদিনের হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি কোর্স বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি, মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং সেই সময়কার আন্দোলনরত সকল সহযোদ্ধার কথা । এই বৃদ্ধ বয়সে এসে যখন পিছনে ফিরে তাকাই, যখন দেখি আমার ছাত্র-ছাত্রীরা ফ্রন্ট লাইনে থেকে করোনা মহামারীতে হোমিওপ্যাথির পতাকা উন্নত রেখে নিরলস কাজ করে চলেছে, তখন নিজেকে অনেক সফল মনে হয়। যেই স্বপ্ন সেদিনের তরুণ হৃদয়ে দেখেছিলাম হয়ত তার সামান্যই পূরণ করতে পেরেছি। স্বপ্নের জয়যাত্রা অব্যাহত থাক। অপহোমিওপ্যাথিক চর্চা নিপাত যাক, আর ক্ল্যাসিকাল হোমিওপ্যাথ হয়ে গড়ে উঠুক আজকের শিক্ষার্থীরা।

https://www.youtube.com/watch?v=Hl76usW2f0s&feature=share&fbclid=IwAR1NxHsFZer4QlMB07_LvtI_OoHa1tKa2eIiE-LKbflXSjOMDT40Jyjpv8s&ab_channel=Dr.IMRANBHMSHOMEOPATH

ডা. নজরুল ইসলাম ভুইয়া  

স‍্যারের ফেসবুক পাতা থেকে সঙ্কলিত।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭

বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স সৃষ্টির ইতিহাস

 


বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স সৃষ্টির ইতিহাস 

*********************************

প্রারম্ভিক 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আইনের মাধ্যমে ১৯৭২খ্রি. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এর রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয় ও চালু হয় চার বছর ছয় মাস মেয়াদি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স। Bangladesh Homoeopathic Practitioner's ordinance, 1983 (Ordi. No. XLl of 1983) আইনের অধীনে বর্তমানে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের অধিনে বর্তমানে প্রায় ৬৪টি সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স রয়েছে। 


ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কৃতদের উচ্চশিক্ষা অর্জন তাদের অধিকার। Unani, Ayurvedic and Homoeopathic Practitioners Act. 1965 (ll of 1965) আইনের অধীনে বাংলাদেশে প্রথম ১৯৭২খ্রি. বেসরকারি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকায় নৈশ শাখায় ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সে প্রথম শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়। তারপর ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের নৈশ শাখার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কলেজে ডিএইচএমএস কোর্সের দিবা শাখা চালু হয়। তারপর ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের শিক্ষার্থী ডা. আলমগীর মতির নেতৃত্বে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ডিএইচএমএস কোর্সের শিক্ষার্থীদের দাবি ও আন্দোলনের ফলে উচ্চশিক্ষার ১৯৭৮খ্রি. এইচ.এম.বি.বি.এস নাম দিয়ে কোর্স চালু হয়। কোর্সটি ব্যাচেলর ডিগ্রি হলেও কলেজ কোর্সটি কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে অনুমোদন সেসময় ছিলনা। যারা বা যেসব শিক্ষার্থী তৎসময়ে সে কোর্সে ভর্তি হয় তাদেরকে কলেজে লিখিত অঙ্গিকার দিয়ে ভর্তি হতে হয়েছিল যে কলেজ হতে সে কোর্সে পাস করার পর কলেজ যে সার্টিফিকেট দিবে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে ও কোন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবেনা। তারপর ১৯৭৮খ্রি. সরাসরি উচ্চ মাধ্যমিক (বিজ্ঞান) পাসকৃতরা যারা বেশিরভাগ এলোপ্যাথ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হতে চেয়েছিল কিন্তু ভর্তি হতে পারেনি বা ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকা উত্তীর্ণ হয়নি তারা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখে বেসরকারি  বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ৫ বছর মেয়াদি একাডেমিক ও ১ বছর ইন্টার্নশীপ এর এইচএমবিবিএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সে ১ম বর্ষে কলেজে নিজ নিজ লিখিত অঙ্গিকার দিয়ে ভর্তি হয়। চলমান এ ব্যাচটি যখন ৩য়/৪র্থ বর্ষে চলতে থাকে তখন এ ব্যাচের সঙ্গে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) পাসকৃতরা উচ্চশিক্ষার জন্য সরাসরি এইচএমবিবিএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সে ভর্তি হয়। তৎসময়ে কোর্সের নাম নিয়ে বিভ্রান্ত ছিল, স্নাতক পর্যায়ের ব্যাচেলর ডিগ্রি কোর্স হলেও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড পরীক্ষা গ্রহণ করত। বোর্ড কখনও স্নাতক ডিগ্রি সার্টিফিকেট দিতে পারেনা ও দিলেও তা গ্রহণযোগ্যতা থাকেনা। স্নাতক পর্যায়ের ডিগ্রি পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় তা বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত।


উনিশ শতকের সত্তোর ও আশির দশকে ভারতে সরকারি আইন/নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক (বিজ্ঞান) পাসকৃতরা ৫ বছর একাডেমিক ও ১ বছর ইন্টার্নশীপ করার মাধ্যমে সরাসরি বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স করতে পারত এবং বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সের পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্টিফিকেট প্রদান করতো।  আর তৎসময়ে ভারতে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) পাসকৃতরা গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড/ব্রীজ) কোর্সের মাধ্যমে ২ বছর মেয়াদি একাডেমিক ও ৬ মাস ইন্টার্নশীপ করার মাধ্যমে বিএইচএমএস কোর্স করেছে। যার জন্য ভারতে সরকারিভাবে আলাদা নীতিমালা/আইন আছে। 


বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন উনিশ শতকের ৮০ দশকে ডিএইচএমএস পাস করে কনডেন্সড কোর্সের মাধ্যমে এইচএমবিবিএস (হোমিওপ্যাথি) (পরবর্তীতে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনহীন এইচএমবিবিএস কোর্সকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএইচএমএস কোর্স নামকরণ করে) কোর্সে অধ্যয়নরত হোমিওপ্যাথি ছাত্রনেতাগণ ও উচ্চমাধ্যমিক (বিজ্ঞান) পাসকৃত হয়ে সরাসরি এইচএমবিএস (হোমিওপ্যাথি) (পরবর্তীতে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনহীন এইচএমবিবিএস কোর্সকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএইচএমএস কোর্স নামকরণ করে) কোর্সে অধ্যয়নরত হোমিওপ্যাথি ছাত্রনেতাগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে হোমিওপ্যাথিতে উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য ভারতে গিয়ে ভারতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মন্ত্রণালয় হতে বিএইচএমএস কোর্সের আইন-নীতিমালা/সিলেবাস/কারিকুলাম সংগ্রহ করে। সেসময় উচ্চমাধ্যমিক (বিজ্ঞান) পাস করে হোমিওপ্যাথি ছাত্রনেতারা একাডেমির ৫ বছর মেয়াদি সরাসরি বিএইচএমএস কোর্সের আইন/নীতিমালা/কারিকুলাম সহ অন্যান্য নথি সংগ্রহ করে জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া ও হরিদাস।

ভারতের মত বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের অন্তর্ভুক্ত করে সরাসরি বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) ও সরাসরি ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) পাসকৃতরা গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড/ব্রীজ) কোর্সের মাধ্যমে বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স অনুমোদন তথা চালু করতে নথি এবং নীতিমালা প্রদান, বিএইচএমএস সার্টিফিকেট অর্জন, বেসরকারী বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ অধিভুক্ত করা, কোর্সে ইতিপূর্বে যারা ভর্তি হয়েছে তাদেরকে স্বীকৃতি প্রদান করা, নতুন একটি সরকারী হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করার জন্য "হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ" নামে কমিটি করে। কমিটির নেতৃত্বে গত উনিশ শতকের আশির দশকে বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে অনুমোদন ও সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য রাজপথে আন্দোলন করে। "হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ" কমিটি এর এক অংশের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন উচ্চমাধ্যমিক (বিজ্ঞান) পাস করে এইচএমবিবিএস (যাহা পরবর্তীতে নামকরণ হয় বিএইচএমএস) শিক্ষার্থী সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক জনাব শামসুল হক (বাবলু) সহ পরিষদের কমিটির সকল সদস্য যারা সকলেই বেসরকারী বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন এইচএমবিবিএস (বিএইচএমএস) কোর্সের শিক্ষার্থী।


ছাত্রনেতা জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া নেতৃত্বে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীগণ যানবাহনে করে লাঠি হাতে মিরপুর-১৪ সরকারী পরিত্যক্ত বেদখলকৃত জায়গা দখল করে সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখে। এজন্য হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া মামলা-হামলার শিকার হন। হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ অবদান রাখে।

বিএইচএমএস ডিগ্রী কোর্সের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স অনুমোদন পাওয়া এবং কলেজ অধিভুক্ত অন্যান্য দাবি বাস্তবায়ন হওয়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এ মান্নান "হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ" বিলোপ করা (বিলুপ্ত করা) আহবান জানান (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক ২৫ জুলাই ১৯৮৬খ্রি.)। সংগঠন বিলুপ্ত করায় তৎকালীন "হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ" এর আহবায়ক/সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া কে এখন অনেকে চিনেনা। তাদের অবদান ও সুবিধা নিচ্ছে অন্যরা। তিনি পরবর্তীতে লেখাপড়া শেষ করে সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ফিলোসোফি ডিপার্টমেন্ট এর প্রভাষক পদে যোগদান করেন ও পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হয়েছিলেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত।


আর ডিএইচএমএস পাসকৃত কনডেন্সড কোর্সের মাধ্যমে এইচএমবিবিএস (বিএইচএমএস) কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা অপর একটি কমিটি করে হোমিওপ্যাথিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন, যারা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ হতে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) পাস করে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে কনডেন্সড কোর্স এইচএমবিবিএস (বিএইচএমএস) অধ্যয়নরতরা ছাত্রনেতা ডা. আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, ছাত্রনেতা ডা. আলমগীর মতি, ছাত্রনেতা ডা. সাখাওয়াত ইসলাম ভুঁইয়া প্রমূখ। কমিটির সকল সদস্য ডিএইচএমএস পাসকৃত, ডিএইচএমএস পাস করে কনডেন্সড কোর্সে মাধ্যমে এইচএমবিবিএস (বিএইচএমএস) করার জন্য ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স ও কনডেন্সড কোর্সের মাধ্যমে বিএইচএমএস ডিগ্রি অনুমোদন করা সহ নীতিমালা ও কারিকুলাম অনুমোদন করা, ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) পাসকৃতরা ভারতের মত গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড/ব্রীজ) কোর্সের মাধ্যমে ২ বছর একাডেমির ও ইন্টার্নশীপ করার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএইচএমএস কোর্স ও সার্টিফিকেট অর্জন করা, ১৯৭৮খ্রি. হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনহীন ব্যাচেলর ডিগ্রি এইচএমবিবিএস (বিএইচএমএস) কোর্স চালুকৃত বেসরকারি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএইচএমএস কোর্সের ও কনডেন্সড বিএইচএমএস কোর্সের কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান দাবি জানায়। 


১৯৮৬খ্রি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএইচএমএস কোর্সের অনুমোদন ও ১৯৮৭খ্রি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ কে বিএইচএমএস কোর্সের প্রথম অধিভুক্ত কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। ভারত সরকারের ডিএইচএমএস পাসকৃতদের উচ্চশিক্ষার গ্রেডেড ডিগ্রি/কনডেন্সড/ব্রীজ কোর্সের মাধ্যমে বিএইচএমএস ডিগ্রি নেবার "Homoeopathy (Graded Degree Course) B.H.M.S Regulations, 1983" আইনের অনেক বিষয় Bangladesh Homoeopathic practitioner's Ordinance, 1983 অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ও বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ হোমিওপ্যাথি অধ্যাদেশে ধারা- ১৩ এর (এফ), ২০ এর (২), ২১ এবং The Homoeopathic Regulations- 1985 এর ধারা- ৩ এর ১২, ১৩, ১৪ অনুচ্ছেদে ডিএইচএমএস পাসকৃতদেরকে কনডেন্সড কোর্সের মাধ্যমে তৎসময়ে ২ বছর একাডেমির ও ১ ইন্টার্নশীপ করে বিএইচএমএস কোর্সের বিষয়ে বেশকিছু সুপষ্ট ধারা-উপধারা অন্তর্ভুক্ত থাকায় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএইচএমএস কোর্স অনুমোদন এবং কনডেন্সড কোর্সের বিএইচএমএস ডিগ্রি কারিকুলাম প্রণয়ন সহজতর হয়েছে।


১৯৮৬খ্রি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএইচএমএস কোর্স অনুমোদন ও ১৯৮৭খ্রি. বেসরকারি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজকে প্রথম অধিভুক্ত কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ১৯৭৮খ্রি. হতে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের অধিনে এইচএমবিবিএস (বিএইচএমএস) কোর্সের সকল পরীক্ষা ১৯৮৬খ্রি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন ও বৈধতা দেয়। তবে ভারতের সিলেবাস/কারিকুলাম অনুযায়ী সকল বিষয়ে যে নম্বর তার কম নম্বরে বোর্ড যে গুলো পরীক্ষা নিয়েছিল সেগুলোর বাঁকি নম্বরের ১ম বর্ষ, ২য় বর্ষ, ৩য় বর্ষ, ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৬ মাসের মধ্যে পরীক্ষার জন্য ফরমপূরণ ব্যবস্থা, পরীক্ষার রুটির প্রকাশ, পরীক্ষা গ্রহণ এবং পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ৫ম বর্ষের সকল বিষয়ের পরীক্ষার ফরমপূরণ, পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, পরীক্ষা গ্রহণ করার ব্যবস্থা নেয় (১ বছরের মধ্যে বিগত সকল পরীক্ষা শেষ করে)। তবে বেসরকারি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনক না হাওয়াতে বিএইচএমএস কোর্সের সকল পরীক্ষা পরবর্তীকাল হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর কার্জন হলে প্রতি বছর স্বাভাবিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। যাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বিএইচএমএস কোর্স ও পরীক্ষা এবং সার্টিফিকেটের মান-গ্রহণযোগ্যত্য বজায় থাকে। 


[সূত্র : Homoeopathic Family (BHMS) গ্রুপ লাইভ ভিডিওতে সাক্ষাতকার Dr. Md. Nazrul Islam Bhuiyan, Bangladesh. 20 July, 2020 ও অন্যান্য নথি/তথ্য]


"Thank you. I shall try to give you correct information. In the year 1980 I was the 2nd year HMBBS Course  Student. Dr.Alamgir Moti Bhai  was the final year DHMS(Night Section) Student Who is the  Main Leader for creating HMBBS Course. Dr. Abdur Razzaq Talukder admitted Ist year DHMS Course in the year 1982.Creating of Condense (BHMS)  Course  was in the year 1987 under the leadership of Dr.Abdur Razzaq Talukder  Dr.Shakhawat Islam(Khokon) &Dr.Aman Ullah Jheku & others. Here Dr.Alamgir Moti's activities was Less important. Under the activities of Homoeopathic Degree Course Bastabayon Parishad BHMS Course Established in the University Of Dhaka Where Dr. Moti's activities is meaningless But I Salute Dr.Moti for Creating HMBBS course in Bangladesh Homoeopathic Medical College and Hospital. May be Homoeo Pashajebi Samity and DHMS Doctors and Students together movements help to create Condensed Course."


"May  be 37 years back. It was not correctly remain in my mind. perhaps National  Homoeopathic Students Parishad. Dr.Ulfat Rana and Dr.Shakhawat Islam Bhuiyan (Khokon) Was the President and Secretary. But I want to remember the then Principal Dr.K.M.Waziullah Principia Dr.Md.Hossain (Who was the key Maker) all teachers and all the Students Leader Dr.Shakhwat Islam Bhuiyan Dr.Abdur y Razzaq Talukder  Dr.Ulfat Rana Dr.Abu Taher Dr

Dilip kumar Ray Dr.M.A.Kader  Dr.Lutfa Apa Dr.Asis Shankar Neugoi Dr.Aman Ullah Jeku and the  then DHMS Students to help BHMS Students for established BHMS course and Government Homoeopathic Medical College and Hospital."

--Dr. Md. Nazrul Islam Bhuiyan (10. 09. 2020)

(সূত্র : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে সংগৃহীত)


বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ পরিচিতি :

---------------------------------------------------------------

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা : ৫ জুলাই ১৯৪৮ খ্রি.


(ক). একাডেমিক চালুকৃত কোর্স : ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি), বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি)।


(খ). সংক্ষিপ্ত বিবরণ : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত একটি সায়ত্বশাসিত মেডিকেল কলেজ। এটি ১৯৪৮ সালে ৫ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিতে শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। এখানে ৪ বছর একাডেমির ও ৬ মাস ইন্টার্নশীপ সহ ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স এবং ৫ বছর একাডেমির ও ১ বৎসর ইন্টার্নশীপসহ বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স আছে। প্রতি বছর ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ নীতিবাক্য "সিমিলিয়া সিমিলিবাস কিউরেন্টার"। 

ধরন- সায়ত্বশাসিত মেডিকেল কলেজ।


(গ). প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি : বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস।


(ঘ). অনুষদ এবং বিভাগ : বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজটি ৪ তলা বিশিষ্ট ভবনে অবস্থিত। ভবনের নীচতলায় প্রশাসনিক অফিস এবং ২য় ও ৩য় তলায় ক্লাশরুম সমূহ অবস্থিত। এছাড়া ভবনটিতে একটি অডিটোরিয়াম রয়েছে। যেখানে একসাথে ২৫০ জন লোকের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে শহীদ মিনার ও ছাত্র সংসদ।


(ঙ). ক্যাম্পাস : ৪৬/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড 

(বঙ্গভবনের দক্ষিণ পার্শ্বে, জয়কালি মন্দির সংলগ্ন),

ঢাকা, বাংলাদেশ।


নিম্নে ১৯৮৬-১৯৮৭খ্রি. বিএইচএমএস ডিগ্রী অনুমোদন প্রক্রিয়া বিষয়ে বাংলাদেশের দৈনিক ইত্তেফাক ও The Bangladesh Observer সংবাদপত্রের পাতা এবং পরবর্তীতে "চিকিৎসা সমাজবিজ্ঞানী ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহীম" বইতে ১০৯-১১০নং পৃষ্টা প্রকাশিত সম্পূর্ণ তথ্য সহ বিভিন্ন তথ্য প্রকাশিত করা হলো : 


১। সংবাদপত্রের শিরোনাম : 

"ঢাকা ভার্সিটিতে হোমিও ডিগ্রী কোর্স প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত"।

--------------------------------------------------------------------

প্রতিবেদন : "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ঠা এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কোর্স প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইয়াছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ১১ই মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কোর্স প্রবর্তনের সম্ভাবনা যাচাইর জন্য জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম ইব্রাহিমের নেতৃত্বে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি গত ১১ই মার্চ তাহাদের রিপোর্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রী কোর্স প্রবর্তন এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে ১৯৭৮ সাল হইতে চালুকৃত ডিগ্রী কোর্সকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একাডেমিক কাউন্সিলের নিকট সুপারিশ করে। একাডেমিক কাউন্সিল গত ১৫ই মার্চ উক্ত কমিটির সুপারিশ অনুমোদন করে। সিন্ডিকেট ৪ঠা এপ্রিলের সভায় একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুমোদন করে।


হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক জনাব শামসুল হক বাবলু এক বিবৃতিতে হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কোর্সের স্বীকৃতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট ও পর্যালোচনা কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানাইয়াছেন।"


[প্রকাশিতঃ দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ। তারিখ ২১ এপ্রিল ১৯৮৬খ্রি.]


২। সংবাদপত্রের শিরোনাম : 

"সরকারী হোমিও কলেজ ও হাসপাতাল সেপ্টেম্বরে চালু হইবে"।

--------------------------------------------------------------------

"ইত্তেফাক রিপোর্টঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীব বিজ্ঞান অনুষদের ফার্মাসী বিভাগের আওতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ডিগ্রী কোর্সকে ভার্সিটির ডিগ্রী হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়াছে। ঢাকায় অবস্থিত হোমিওপ্যাথ ডিগ্রী কলেজটি ঢাকা ভার্সিটির ২১তম অধিভুক্ত কলেজ হিসাবে মর্যাদা পাইবে। মীরপুর চৌদ্দ নম্বর সেকশনে নির্মীয়মান সরকারী হোমিও কলেজ ও হাসপাতালে সেপ্টেম্বর হইতে কাজ শুরু হইবে। হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রীকে স্বীকৃতি দানের দাবীতে শিক্ষার্থীরা ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ গঠন করিয়া গত তিন বৎসর যাবত আন্দোলন করিতেছিল।


ঢাকা ভার্সিটির ভিসি প্রফেসর এ মান্নানের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে ভিসিসহ বিভিন্ন বক্তা এ তথ্য প্রক্শ করেন। টিএসসির সেমিনার কক্ষে হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত সম্বর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর সৈয়দ আলী আহসান পরিকল্পনা কমিশনের ভূতপূর্ব সদস্য ডঃ আবদুল্লাহ ফারুক, প্রবীণ সাংবাদিক আলহাজ শাম্স-উল-হুদা, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীন ডঃ কাজী জাকির হোসেন ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হোমিও প্রকল্পের ভূতপূর্ব পরিচালক জনাব আনোয়ারুল হক, কলেজ অধ্যক্ষ জনাব মোহাম্মদ হোসেন।


পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি প্রফেসর সৈয়দ আলী আহসান শিল্পোন্নত পাশ্চাত্য দেশে এলোপ্যাথির অত্যাধুনিক চিকিৎসা অতীব ব্যয়বহুল হইয়া পড়ার কথা উল্লেখ করিয়া বলেন,কোন সেবা সংস্থার সহায়তা না পাইলে সেখানে কোন দরিদ্র ব্যক্তির পক্ষে আজ চিকিৎসা গ্রহণ দুস্কর। হোমিও চিকিৎসা খুব ব্যয় বহুল নয়। হোমিওপ্যাথি ডিগ্রী কলেজকে ল্যাবোরেটরী, লাইব্রেরী, শবব্যবচ্ছেদ ব্যবস্থা এবং দেহ পরীক্ষার যন্ত্রপাতিতে আধুনিক করিয়া তোলার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।


সম্বর্ধনার জবাবে ভিসি প্রফেসর এ মান্নান বলেন, শতকরা ৯০ ভাগ মানুষের সুলভ চিকিৎসার চাহিদা ও প্রয়োজনের দিকে তাকাইয়াই বিশ্ববিদ্যালয় এ ডিগ্রীকে স্বীকৃতি প্রদানে ঐক্যমতে পৌঁছিয়াছে। জাতীয় ঔষধ নীতি কমিটির অন্যতম সদস্য প্রফেসর মান্নান বলেন, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকালে জীবনরক্ষায় অদ্রান্ত পেনিসিলিন আজ কাজ করে না। এমপিসিলিনেরও একই দশা হইয়াছে। সীসার পাইপে পানি সরবরাহের পরিণাসে ধীর বিষক্রিয়ায় একদা রোমান সাম্রাজ্য ধ্বংস হইয়াছিল। আজ এলোপ্যাথ ঔষধরাজির এমনি ধীর প্রতিক্রিয়া ও পার্শ্বক্রিয়া মানব অস্তিত্বে ছড়াইয়া পড়িতেছে। আজ হইতে ৩০/৪০ বৎসর পরে ইহার সর্বব্যাপী অহিতকর পরিণাম প্রকটভাবে আত্নপ্রকাশ করিবে। দূরদশিতা ও দেশপ্রেম যাহাদের আছে তাহাদের তিনি আধুনিক চিকিৎসা ও জ্ঞানবিজ্ঞানের সাথে দেশীয় চিকিৎসা পদ্ধতিকে টিকাইয়া রাখা ও বিকশিত করার আহবান জানান।


ভাইস চ্যান্সেলার বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ডিগ্রীকে ভার্সিটি স্বীকৃতি ডিগ্রীর মর্যাদা দিয়া এ উপমহাদেশে বাংলাদেশ এ শাস্ত্রটির অগ্রগতিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখিয়্ছে। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নীতি প্রসঙ্গে ভিসি বলেন, এচিকিৎসার ঔষধরাজি ছোট, মাঝারি ও বড় শিল্পে দেশীয়ভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে 'প্রয়োজনীয়' হিসাবে ঔষধ সংখ্যা সুনির্দিষ্ট করিয়া দেওয়া হইয়াছে। ইহাতে কোন ভুল হইয়া থাকিলে সংশোধনের অবকাশও আছে।


তিনি 'হোমিও ডিগ্রী বাস্তবায়ন পরিষদ' বিলোপ করিয়া দিবার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান এবং বলেন, তাহাদের দাবি পূরণ হইয়াছে। সিলেবাস প্রণীত হইয়াছে। অনুষদ প্রতিনিধি ও ভার্সিটির কলেজ পরিদর্শক শীঘ্রই তাহাদের কলেজ পরিদর্শন করিবেন। উল্লেখ, দেশে হোমিওপ্যাথিক ১ টি ডিগ্রী কলেজ ছাড়া ডিপ্লোমা কলেজের সংখ্যা ২০টি। এসএসসি উত্তীর্ণরা ডিপ্লোমা কোর্সে চার বৎসর অধ্যয়ন করে। ডিগ্রী কোর্স ৫ বৎসেরর। এইচএসসি (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণরা এ কোর্সে ভর্তি হয়, দেশে হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকদের সংখ্যা ৩০ হাজার, তন্মধ্য ২০/২৫ ভাগ ডিপ্লোমাধারী। ডিপ্রোমা কোর্স নূতনভাবে পূর্ণগঠিত হোমিও বোর্ডের আওতায় পরিচালিত হয়।"


[প্রকাশিত : দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ। তারিখ : ২৫ জুলাই ১৯৮৬খ্রি.]


৩। সংবাদপত্রের শিরোনাম :

"হোমিওপ্যাথিক কলেজের স্বীকৃতি লাভ"।

---------------------------------------------------------

"বাসস জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সাম্প্রতিক বৈঠকে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা'কে অধিভুক্ত কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই কলেজে ৫ বৎসরের শিক্ষা কোর্সে বি.এইচ.এম.এস ডিগ্রী দেওয়া হইবে।'


[প্রকাশিত : দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ। তারিখ : ১৯ মে ১৯৮৭খ্রি.]


৪। " DU recognises homeo Course"

-----------------------------------------------------

"The Academic Council and Syndicate of the Dhaka University recently recognised the Bangladesh Homoeopathic Medical College, Dhaka as a constituent college, press release said on Monday, reports BSS.


The college will be entitied to offer a five-year course and will award the degree of 'Bachelor of Homoeopathic Medicine and Surgery' (B.H.M.S)."


[ Published : The Bangladesh Observer, Dhaka. Date : 19 May' 1987 ]


৫। "হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডাঃ ইব্রাহিমের অবদান"

--------------------------------------------------------------------

আত্নমানবতার সেবায় নিবেদিত প্রাণ ডাঃ ইব্রাহিম জীবনব্যাপী সুদীর্ঘ অভিযানের পথে যে দিক দিয়েই মানব সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন সে পথকেই স্বাগত জানিয়ে সেপথেই নিজের হাতকে প্রসারিত করেছেন। তিনি ছিলেন সুবিবেচক। মানব সেবায় তাঁর মূল মাধ্যম আধুনিক চিকিৎসা। কিন্তু এরই মধ্যে তাঁর জীবনীতে আমরা দেখেছি চিকিৎসা বিজ্ঞান ছাড়াও তিনি আরো বহু পথে অতি উৎসাহে, অত্যন্ত সফলতার সাথে জনসেবা করে গেছেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ডিগ্রীর স্বীকৃতির আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্তির গ্রহণ যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে চালুকৃত ডিগ্রী কোর্সকে স্বীকৃতি প্রদান করা যায় কিনা তা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ১৯৮৪ সালে জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ডাঃ ইব্রাহিম কে আহবায়ক করে "Committee for Introducing Homoeopathic Degree under the university of Dhaka and Affiliation of Existing Homoeopathic Degree Course under Dhaka University" এই নামে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। উক্ত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেনঃ


(১) সভাপতিঃ জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম ইব্রাহিম।

(২) সদস্যঃ অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

(৩) সদস্যঃ অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফারুক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

(৪) সদস্যঃ ডাঃ এস. এ. তালুকদার, ফার্মেসী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

(৫) সদস্যঃ অধ্যাপক আব্দুস সালাম, এনাটমী বিভাগ ও ডীন, ফেকালটি অব মেডিসিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

(৬) সদস্যঃ অধ্যাপক ডাঃ কাজী মশিউর রহমান, প্রধান, মাইক্রোবায়োলজী বিভাগ, আই.পি.জি.এম.আর।

(৭) সদস্যঃ অধ্যাপক ডাঃ মিজানুর রহমান, পরিচালক, নিপসম।

(৮) সদস্যঃ ডাঃ আব্দুর রহিম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড।


১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত উক্ত কমিটির সদস্যরা ডাঃ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে সর্বমোট ৭টি সভায় মিলিত হন। একবার ঢাকার জয়কালি মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। উল্লেখিত সাতটি সভায় কিছু কিছু শক্তিশালী বাঁধা ডাঃ ইব্রাহিমকে অতিক্রম করতে হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তাঁর যুক্তি ছিল জোরালো। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সমন্ধে ডাঃ ইব্রাহিমের বহুপূর্ব থেকেই বিশেষ ধারণা ছিল। তাছাড়া তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সেবাদানকারী সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত কয়েক দশক ধরে এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা সেবার সাথে সদস্য দেশের দেশীয় ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা সেবাকে উৎসাহিত করে আসছে। আমাদের দেশের প্রাচীনকাল থেকে আয়ুর্বেদীক এবং ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি চলে আসছে। সাথে সাথে সুদীর্ঘকাল ধরে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত এদেশেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা জনপ্রিয় চিকিৎসা সেবা হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। সমাজের একটা বিরাট অংশ এই চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে উপকৃত হয়ে আসছে। এর জন্য আমাদের দেশে যেমন রয়েছে হোমিওপ্যাথিক কলেজ তেমনি প্রতি বছর এ সকল হোমিওপ্যাথিক কলেজ থেকে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী উক্ত বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজের বিরাট একটি অংশের চিকিৎসা সেবার কাজে নিয়োজিত আছে। যদিও দীর্ঘকালব্যাপী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা সমাজে চিকিৎসা দিয়ে আসছে এবং সমাজে তারা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসাবে পরিচিত, কিন্তু তাদের কোন প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিলনা। সমাজে যদি এই চিকিৎসার চাহিদা না থাকত অথবা সমাজ যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থা দ্বারা উপকৃত না হতো তবে অবশ্যই এই চিকিৎসা ব্যবস্থা এমনিতেই সমাজ থেকে বিতাড়িত হতো। কিন্তু তা না হয়ে বলা যায় এর দ্বারা সমাজ উপকৃত হচ্ছে। তাছাড়া এ চিকিৎসা ব্যবস্থা এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার মত তত ব্যয়বহুল না হওয়াতে সমাজের নিম্ন আয়ের জনসাধারণ স্বল্প ব্যয়ে তা গ্রহণ করার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু যারা এই চিকিৎসা শিক্ষা গ্রহণ করে ডাক্তার হচ্ছে তাদের যদি প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকে তাহলে অবশ্যই এটা স্বীকৃত চিকিৎসা পদ্ধতিতে পড়বে না। একদিকে সমাজের বিরাট অংশ বিশেষ করে নিম্ন আয়ের জনসাধারণ এই চিকিৎসা পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল এবং সল্প ব্যয়ে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে পেয়ে আসছে অন্যদিকে তার স্বীকৃতি থাকবেনা এটা নিশ্চয় অযৌক্তিক। ডাঃ ইব্রাহিমের এরুপ জোরালো যুক্তিতে সদস্যরা একমত হন। অবশেষে উক্ত কমিটির সপ্তম সভায় সদস্যগণ সর্ব সম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, যেহেতু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্বারা দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাধারণ জনগোষ্ঠী উপকৃত হয়ে আসছে সেহেতু এই চিকিৎসা বিজ্ঞান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবার মাত্র দুই দিন বাকি। এমনি অবস্থায় হোমিওপ্যাথিক ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া দুই দিন পূর্বে সম্ভবত একটার সময় ডাঃ ইব্রাহিমের অফিসে বসে ঐ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি জমা দেবার জন্য অনুরোধ করলেন, নতুবা তাদেরকে পরবর্তী একাডেমিক কাউন্সিলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এর অর্থ হবে পরবর্তী এক বছরের জন্য হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কোর্স ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি অনুধাবন করে তিনি দ্রুত প্রতিবেদনটি তৈরি করে সই করে দেন। জনাব নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া (বর্তমান হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার) ঐ দিনই তিনটার সময় চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেন। এভাবে ১৯৮৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এবং সিন্ডিকেট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষাকে স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত করে। 

এ প্রসঙ্গে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, যিনি উক্ত কমিটির সদস্য ছিলেন, কিন্তু ব্যস্ততার জন্য অনেক মিটিং-এ যোগদান করতে না পারলেও নেপথ্যে তিনি যথেষ্ট সহযোগিতা করেছিলেন। তাছাড়া তৎকালীন হোমিওপ্যাথিক ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি বর্তমানে ডাঃ নজরুল ইসলামের নিরলস প্রচেষ্টা সময় মত চূড়ান্ত প্রতিবেদন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাতে এবং পরবর্তীতে হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কোর্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তিতে নেপথ্যে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছিল।


[ বই : "চিকিৎসা সমাজবিজ্ঞানী ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম" লেখক- এম. আমিনুল হক। 

অধ্যায় : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডাঃ ইব্রাহিমের অবদান, (পৃষ্টা নং ১০৯ ও পৃষ্টা নং ১১০) সম্পূর্ণ অংশ ]


পর্যালোচনা :

----------------

১৯৭৮খ্রি. হতে বেসরকারী বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে চালুকৃত বিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সকে ১৯৮৬খ্রি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মেসী বিভাগ অধিনে বিএইচএমএস কোর্স প্রথম অনুমোদন প্রদান করে ও চালু করে এবং অধিভুক্ত বিএইচএমএস কোর্সের জন্য বেসরকারী বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজকে স্বীকৃতি দিতে অনুমতি প্রদান করে।

কিন্ত তৎকালীন হোমিওপ্যাথি ডিএইচএমএস নেতারা ১৯৭৮খ্রি. স্বীকৃতি বিহীন কোর্সটি অধিভুক্ত বিহীন কলেজে চালু রাখে ও ভর্তি হয়। বিএইচএমএস কোর্সের জন্য ভারতে দেশের কয়েকজন ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস অধ্যয়নরত হোমিওপ্যাথি নেতা যারা বিএইচএমএস সার্টিফিকেট নেবার স্বপ্ন দেখে তারা গমন করেন। ভারত হতে গ্রেডেড ডিগ্রি কোর্স (কনডেন্সড কোর্স) মাধ্যমে বিএইচএমএস ডিগ্রি আইন ও সিলেবাস সংগ্রহ করে। তা সামরিক সরকারের নিকট রাজনৈতিক তদবীর করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে অনুমোদন করতে ব্যবহার করে।

দেশে সামরিক সরকার ১৯৮৬খ্রি. এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট/সিনেট অনুমোদন দেবার সময় ১৯৭৮খ্রি. হতে স্বীকৃতি বিহীন বিএইচএমএস কোর্সকে অনুমোদন ও ১৯৮৭খ্রি. কোর্সের কলেজকে স্বীকৃতি দেয়? অবৈধ কে বৈধতা দেয়?

অনেকে আশির দশকের ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি নেতা পরিচয় দেয়? হোমিওপ্যাথির জন্য রাজপথে রক্ত ঝড়িয়েছে বলে বেড়ায়? আত্নমর্যাদা বিলীন করে, সংবিধানিকভাবে অবৈধ সামরিক সরকারের সময় অবৈধ সুবিধা নিয়ে বিএইচএমএস করেছে বা করে থাকলে তা কি কখনও বলে?

জাতি ও হোমিওপ্যাথরদের সময় এসেছে বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য ইতিহাস জানার, চেনার, বোঝার।

(তৎসময়ে ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি নেতারা নিজেরা সুবিধা ব্যবহার করে বিএইচএমএস করলেও কোন সাধারণ ডিএইচএমএস গণ বিএইচএমএস করতে পারেনি। নিজেরা বিএইচএমএস সার্টিফিকেট নিয়ে আশা পূর্ণ হলেও, বলে বেড়িয়েছেন সকল ডিএইচএমএস'রা বিএইচএমএস করার সুযোগ পেলে হোমিওপ্যাথি মেধা থাকবেনা। হোমিওপ্যাথিতে মেধাবীরা আসুক। তাদের ভাষ্য সরাসরি উচ্চমাধ্যমিক বিজ্ঞান পাস করে বিএইচএমএস ১ম বর্ষে ভর্তি হোক। তাদের নিকট উচ্চমাধ্যমিক বিজ্ঞান পাসকৃতরা শুধু মেধাবী)

ভারতে সকল ডিএইচএমএস'রা বিএইচএমএস করতে পারলেও বাংলাদেশে কেন নয়? কয়েক দশকে দেশে কি ভারতের চেয়ে বেশি মেধাবীরা হোমিওপ্যাথিতে এসেছে? হোমিওপ্যাথি সার্বিক উন্নয়ন হয়েছে? রাজনৈতিক জাতাঁকলে সাধারণ ডিএইচএমএস'রা!


বিশ্বব্যাপি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের/ডিপ্লোমা পাসদের উচ্চশিক্ষা অর্জন তাদের সংবিধানিক অধিকার ও বয়সের কোন বাঁধা নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ফার্মেসী বিভাগ এর অধীনে পরিচালিত ডিএইচএমএস পাসকৃতদের বয়স নির্ধারণ করে গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড) কোর্সে বছরে অল্প সংখ্যক প্রায় এক থেকে দুই শতাধিক ভর্তির সুযোগ থাকলেও বিগত ২০১৩খ্রি. হতে অদৃশ্য চক্রান্তে তাও বন্ধ। জানা যায় কে বা কারা গোপন পত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দিয়ে গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড) কোর্সটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে কারা জড়িত তা জাতি ও হোমিওপ্যাথরা সত্য জানতে চায়? এ চক্রান্তে যারা জড়িত ইতিহাস তাদের কখনও ক্ষমা করবেনা।


বাংলাদেশে ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান নির্ধারণ না থাকায় বা কোন সমমান না করায় বাংলাদেশে ভারত ও পাকিস্তান মত কোন উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেই, হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল নেই, বাংলাদেশে সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই, সামাজিক মর্যাদা নেই সহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন।

১৯৯১খ্রি. বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড তার বোর্ড মিটিংয়ে ডিএইচএমএস কোর্সকে স্নাতক (পাস) মান প্রদানে সিদ্ধান্ত নেয়, তা অবগত ও বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯২খ্রি. সচিব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পত্র প্রেরণ করলে, সিনিয়র সহকারী সচিব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, রেজিষ্ট্রার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ক পত্র প্রেরণ করলে, উপ-রেজিষ্ট্রার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড চেয়ারম্যানের নিকট ডিএইচএমএস কোর্সের সিলেবাস চাইয়ে পত্র প্রেরণ করলেও কয়েকদশক যাবত কোর্সের সমমান সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ও কার্যকর হয়নি এবং ফাইলটি চাপা পড়ে আছে। এ তথ্যটিও বোর্ড গোপন করেছিল। তা মে'২০১৮খ্রি. চিকিৎসক, শিক্ষক, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) নেতৃত্বে দেশব্যাপী ডিএইচএমএস'দের সামাজিক আন্দোলনের সময় গোপন নথি গুলো যা বোর্ড গোপন করে রেখেছিল, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ও হোমিওপ্যাথগণ এবং দেশবাসী জানতে পারে।


ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের সমমান নেই, উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা নেই ফলে শিক্ষার্থীরা অন্য বিষয়ে জেনারেল শিক্ষায় পড়ছে ও অন্য পেশায় ঝুঁকছে?

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২খ্রি. স্বাধীন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সটি চালু করেন। আমলাতন্ত্র ও বোর্ডের অযোগ্যতা-ব্যর্থতার কারণে স্বাধীনতার চারদশক অতিক্রম করলেও শোষিত-বঞ্চিত ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান বাংলাদেশে হয়নি। সমমান না থাকায় বাংলাদেশের ডিএইচএমএস কোর্স করে কোন উচ্চশিক্ষার (কনডেন্সড/ব্রীজ/গ্রেডেড ডিগ্রি কোর্স) কোন সুযোগ নেই এবং সরকারী কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেই। পাকিস্তানে ডিএইচএমএস ১ম ও ২য় বর্ষ উচ্চমাধ্যমিক এবং ৩য় ও ৪র্থ বর্ষ করার পর বিএস-সি (পাস) ডিগ্রি সমমান। পাকিস্তানে ডিএইচএমএস পাসকৃতরা সরাসরি বিএইচএমএস ২ বছর মেয়াদি কোর্সে (গ্রেডেড কোর্স/কনডেন্সড কোর্স/ব্রীজ কোর্স) ভর্তি হয়ে কোর্স করে, তারপর এমডি করতে পারে। ভারতে ডিএইচএমএস পাসকৃত সকলকে গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড/ব্রীজ কোর্স) মাধ্যমে বিএইচএমএস ২ বছর মেয়াদি কোর্সে ভর্তি ও ৬ মাস মেয়াদি ইন্টার্নশীপ করে সকলকে বিএইচএমএস পাস ডিগ্রি। বিএইচএমএস পাস করার পর এমডি/পিএইচ-ডি করতে পারে। বাংলাদেশে ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান ও উচ্চশিক্ষার, সরকারী কর্মসংস্থান ব্যবস্থা নেই! 

বাংলাদেশে ১৯৭২খ্রি. হতে ডিএইচএমএস কোর্স ৪ বছর ৬ মাস মেয়াদি হলেও সঠিক সময় পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ হয়না, তারপর ইন্টার্নশীপ, রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র...এগুলো করতে একজনের ন্যুনতম ৬ বছর বা সাড়ে ৬ বছর লাগে। শিক্ষা খরচ বৃদ্ধি।

বাংলাদেশে ১৯৭২খ্রি. হতে অন্যান্য ডিপ্লোমা ২/৩ বছর মেয়াদি ছিল। সেগুলো মধ্যে বর্তমানে ২ বছর মেয়াদি কোর্স গুলো উচ্চমাধ্যমিক সমমান মান। আর যেগুলো ডিপ্লোমা ৩/৪ বছর মেয়াদি সে গুলোকে প্রথম ২ বছর উচ্চমাধ্যমিক সমমান ও পরবর্তী বছর গুলোকে উচ্চমাধ্যমিক সমমান এর উর্দ্ধে মান দিয়েছে। বিশ্বের সব রাষ্ট্রে উচ্চমাধ্যমিক সমমান এর উর্দ্ধে মান প্রাপ্তরা পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা অর্জনে বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। তাহলো তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের চেয়ে উচ্চশিক্ষা কোর্সে তাদের ২/৩ বছর কম সময় লাগে ও উচ্চশিক্ষা ডিগ্রি অর্জন করতে পারে এবং তাদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে বয়সের কোন বাঁধা নেই। সে সকল ডিপ্লোমাদের শিক্ষা খরচ সীমিত ও সে সকল ডিপ্লোমা কোর্সের সমমানও রয়েছে এবং সকল দেশেই সে সকল ডিপ্লোমা পাসকৃতদের সরকারি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আছে।


পরিশেষ :

বাংলাদেশে ১৯৭২খ্রি. হতে ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান নেই, ডিএইচএমএস কোর্সের সমমান নির্ধারণ না থাকায় বাংলাদেশে ভারত ও পাকিস্তান মত কোন উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেই, হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল নেই, বাংলাদেশে সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই, সামাজিক মর্যাদা নেই সহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন। তৎকালীন ৮০ দশকের আত্নপরিচয় দেওয়া হোমিওপ্যাথ নেতারা অবদান রেখে গেছেন ও রাজপথে রক্ত ঝড়িয়েছেন প্রচার করে? যার কারণে বর্তমান প্রজন্মের  ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) দেরকে প্রতিনিয়ত দাবি ও অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করতে হচ্ছে!


বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ও হোমিওপ্যাথ পরিবারের একজন হিসাবে ০৪ ফেব্রুয়ারি'২০১৬খ্রি. বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ০২ জানুয়ারি'২০১৭খ্রি. মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে সহ অন্যান্যদেরকে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি ইতিহাসে প্রথম চিকিৎসক, শিক্ষক, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) কর্তৃক লিখিত ও প্রদানকৃত ৩ (তিন) দফা দাবির মধ্যে যা ৩ (তিন) নং দাবিতে অন্তর্ভুক্ত করা ছিল। যাতে ১ (এক) নং দাবি ছিল ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের সমমান নির্ধারণ করা ও ২ (দুই) নং দাবি ছিল ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কৃতদের সরকারী উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা এবং ৩ (তিন) নং দাবি ছিল হোমিওপ্যাথিতে উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসা এবং গবেষণার জন্য বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। পরবর্তীতে ২১এপ্রিল ২০১৯খ্রি. মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি, স্বাস্থ্য সচিব, বোর্ড চেয়ারম্যান অন্যান্যদেরকে ডিএইচএমএস কোর্সের সমমান ও উচ্চশিক্ষা দাবি/অধিকার সম্বলিত পত্র ও হোমিওপ্যাথি বিষয়ক বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানের সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি/ডকুমেন্টস সহ বিভিন্ন সময় ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) কর্তৃক সরকারি বাংলাদেশ ডাক বিভাগ মাধ্যমে রেজিষ্টার্ড ডাকে প্রদান। অদৃশ্য একটি চক্র ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) এর এগুলো ভাল পদক্ষেপ থেমে দিচ্ছে? সম্ভবত তা সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের হস্তগত হতে দিচ্ছেনা বা ভুল বুঝাচ্ছে বা বিভ্রান্ত করছে? হোমিওপ্যাথকে রক্ষার্থে ও উন্নয়নে এ চক্রকে খুঁজে বের করা ও ইতিহাসে ঘৃণিত হিসাবে তাদের চিন্তিত করা দরকার।


ডিএইচএমএস কৃতদের সমমান প্রদান ও ডিএইচএমএস কৃতদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করে দেবার মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে ডিএইচএমএস কোর্স চালুর স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজটি সমাপ্ত করা দরকার। 

"বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আইন (প্রস্তাবিত)" এবং "স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন (প্রস্তাবিত)" যথাযথভাবে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) অধিকার বজায় রেখে প্রণয়ন ও জাতীয় সংসদে পাস করে কার্যকর করা দরকার। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সরকারের নিকট আহবান রইল।


[জ্ঞাতব্য : ইতিহাস লেখা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও চলমান বিষয়। তারপরও কারো নিকট আরও কোন যথাযথ ডকুমেন্টস ও নথি থাকলে লেখকের নিকট প্রদান করলে সংযুক্ত করা হবে]

(সংক্ষিপ্ত)


লেখক পরিচিতি :

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)

(চিকিৎসক, শিক্ষক, হোমিওপ্যাথি নেতা, শিক্ষক নেতা, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক)

বগুড়া, বাংলাদেশ।

১০ সেপ্টেম্বর' ২০২০খ্রি.