জনপ্রিয় পোস্ট

শনিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০২০

বাংলাদেশ অনলাইন ফোরামের শপথনামা

 


বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরামের গঠনতন্ত্র

 বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আল্লাহর নামে শুরু করছি বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম বাংলাদেশের রেজিস্টার ডাক্তারদের একটি সংগঠন। এটি একটি রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ও বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথিক চর্চা কেন্দ্র। এখানে সকল ডাক্তারগন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নিজেরা শিখেন এবং অপরকে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের দক্ষ করার  লক্ষ্য নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের শ্লোগান হচ্ছে নিজে শিখবো এবং অপর হোমিওপ্যাথিক বন্ধুদেরকে শেখানোর জন্য চেষ্টা করব। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সকল হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার দের দক্ষ করে তোলার প্রত্যয়ে স্বেচ্ছাশ্রম দিবে এই সংগঠন।

 বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরামের দুটি পরিষদ থাকবে। একটি উপদেষ্টা পরিষদ অপরটি কার্যকরী পরিষদ। উপদেষ্টা পরিষদে বাংলাদেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকদের নিয়ে পরামর্শক ও নীতিনির্ধারক হিসেবে একটি ফোরাম থাকবে, যার নাম হবে BOHF উপদেষ্টা পরিষদ। এডভাইজরি গ্রুপের তৎপরতা BOHF সংহতি ও ভরসাস্থল। উপদেষ্টা পরিষদের গৃহিত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা কার্যকরি পরিষদ বাস্তবায়ন করবে। BOHF কার্যকরী পরিষদের অন্তর্ভুক্ত হবেন দেশের রেজিস্ট্রার  চিকিৎসকগণ। কার্যকরী পরিষদের আকার হবে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট।

 দেশের আট টি বিভাগের আট টি শাখা কমিটি গঠিত হবে। আটটি  বিভাগের রেজিস্ট্রার বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বন্ধুদের সংযুক্ত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হবে। সেই সঙ্গে আপনাদের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যকরি পরিষদে নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ বিভাগের গ্রুপে সংযুক্ত থেকে প্রশিক্ষণ ও অন‍্যান‍্য গৃহিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভাগীয় কমিটিকে সহায়তা দিয়ে যাবেন।  সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সন্মানিত স‍্যারদেরকেও নিজ নিজ বিভাগীয় গ্রুপে এডমিন করা হয়েছে। বিভাগীয় গ্রুপে কমিটির বাইরে হোমিওপ্যাথি অনুরাগীদের সংযুক্ত করে আমাদের BOHF এর কলেবর বৃদ্ধির মাধ্যমে  ভবিষ্যতে ভালো ভালো আলোচক খুজে পেতে সহজ হবে আমাদের শ্রমের সুফল পাবেন। বিভাগীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে নিজ বিভাগের নেতৃত্বে সমন্বয় সাধন করবেন। বিভাগীয় সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কমিটির অন‍্যান্ন নেতৃবৃন্দকে জাতীয় নির্বাহী সদস্য হিসেবে কেন্দ্রে সংযুক্ত হবেন। এভাবেই বিভাগীয় কমিটি ও কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে সমন্বয় রক্ষা হবে। মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকারের  শাসনব্যবস্থার মধ্যে যে গঠনতান্ত্রিক কাঠামো ও নিয়ন্ত্রণ ব‍্যবস্থা রয়েছে সেই আদলে প্রধান মন্ত্রী ও রাস্ট্রপতির মধ্যে যে সম্পর্ক মর্যাদা ও নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য থাকে আমাদের সংগঠনকেও সেই আদলে পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব পেশ করছি। প্রধান মন্ত্রীর ক্ষমতা / সভাপতি এবং রাষ্ট্রপতি / প্রধান উপদেষ্টা। মন্ত্রী / দফতর সম্পাদক নির্বাহী সদস্য পার্লামেন্ট মেম্বার। বৃটিশ রাজ পরিবারের মর্যাদা সে দেশের জনগণের আস্থা ও ভরসাস্থল তেমনি উপদেষ্টা পরিষদ আমাদের শেষ আশ্রয়।  যেমনটি ঐ দেশের শাসনব্যবস্থার অলিখিত প্রথা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত জাতি তৈরি করেছে। ঠিক তেমনি আমাদের উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে আমাদের BOHF এর উন্নত সেবার মাধ্যমে দেশের হোমিওপ্যাথির সুনাম ও স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত হবে ইনশাআল্লাহ।

সম্মানিত উপদেষ্টা পরিষদ


১◆ডা. মুহিবুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টা নেতৃত্বে অনন্য সাহসীক হোমিওপ্যাথ।

২◆ডা. ডাক্তার  এ কে এম রুহুল আমিন ( রেপার্টরি এক্সপার্ট।

৩◆ ডাক্তার মুহশীনুজ্জামান  গবেষক ও আবিষ্কারক।

৪◆ ডাক্তার এ আর এম জামিল তথ্যপ্রযুক্তির ব‍্যবহারে হোমিওপ্যাথির গবেষণা।

৫◆ ডাক্তার জহিরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথির প্রতিনিধিত্বকারী

৬◆ ডাক্তার অনন‍্য মান্নান  অনলাইনে হোমিওপ্যাথিক আদর্শিক নীতিবাদি।

৭◆ ডাক্তার বশির মাহমুদ ইলিয়াস হোমিওপ্যাথিক। লেখক ও ব্লগা।

৮◆ডা. নজরুল ইসলাম ভূইয়া। শিক্ষক ও সংগঠক।

৯◆ডা. অমিত রায় হোমিওপ্যাথিক বোর্ড প্রতিনিধি।

১০◆ ডা. নাজির হোসেন শিক্ষক ও লেখক।

১১◆ ডা. আব্দুল খালেক খান শিক্ষক ও সংগঠক।


কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকা: 


কার্যনির্বাহী কমিটি-


১. সভাপতি: ডা. মো. ইয়াকুব আলী সরকার 

২. সহ-সভাপতি-  ১: ডা. বিপুল চৌধুরী 

৩. সহ-সভাপতি-২: ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

৪. মহাসচিব: ডা. রাতুল মাহমুদ সজল

৫. যুগ্ম-মহাসচিব-১: ডা. পুলক কুমার রায় 

৬. যুগ্ম-মহাসচিব-২: ডা. রাসেল নিপুণ 

৭. সাংগঠনিক সম্পাদক: ডা. সাহানা রেবা 

৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- (১) ডা. রাসেল আমিন।

৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (২) ডা. দেওয়ান আনিসুর রহমান 

১০. অর্থ সম্পাদক: 

১১. সহ অর্থ সম্পাদক: 

১২. প্রচার সম্পাদক: ডা. মীর মনির হোসেন 

১৩. সহ-প্রচার সম্পাদক - ১:  ডাক্তার সাহজাদা সাজু

১৪. সহ-প্রচার সম্পাদক -২: ডা. নাজমুল ইসলাম 

১৫. দপ্তর সম্পাদক: ডা. সালমা ইসলাম 

১৬. সহ দপ্তর সম্পাদক: ডা. খাদিজা মনি

১৭. গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক: ডা. আসলাম উদ্দিন

১৮. সহ গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক: শিরিন আক্তার 

১৯. প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: আশরাফুল আলম।

২০. সহ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ফরিদ উদ্দীন

২১.  প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: ডাক্তার লাবনী আমীন 

২২. সহ  প্রশিক্ষণ বিষয়ক : ডা. কামরুন্নাহার মুন

২৩. অনলাইন চিকিৎসা স্বাস্থ্য পরামর্শ বিষয়ক সম্পাদক : ডা : সানজীদা ইয়াসমিন

২৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মো: গোলাম মোস্তফা (সারোয়ার)। চট্টগ্রাম। 

২৫. সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক : 

কার্যকরী সদস্য-

২৬: ডা. মাসুমা খানম। খুলনা।

২৭: ডা. জি এম মাসুম নরসিংদী।

২৮: ডা. আমির হামজা রাব্বি নিলফামারি।

২৯: ডা. ফরিদ উদ্দিন (মাদারিপুর)

৩০: মোহাম্মদ ইব্রাহিম ভুইয়া 

৩১: ডা. মোহাম্মদ আবু তাহের, চট্টগ্রাম।


বিভাগীয় সভাপতিদের তালিকা 

১◆রংপুর : ডা. আবু সাইদ।

২◆খুলনা : ডা. গাজী আজীজ।

৩◆ঢাকা : ডা. এ আলম হোসাইনী।

৪◆ ডা: লোকমান হোসেন। 

◆মহাসচিব 

◆অর্থ সম্পাদক 

◆সহ অর্থ সম্পাদক 

◆ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক 

বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আজকের মধ্যে নেতা নির্বাচন করে কেন্দ্রীয় কমিটিকে শক্তিশালী করতে উপস্থিত সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

শপথ নামা-১

আমি ডা. ইয়াকুব আলী শাসনব্যবস্থার সরকার ভরসাস্থল ভাপতি- বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম। মহান সৃষ্টিকর্তার  নামে শপথ করিতেছি যে, আমি  Bangladesh Online Homoeopathathic Forum এর সভাপতি  হিসেবে  BOHF  এর গঠনতন্ত্র মানিয়া চলিব এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাসম্ভব আন্তরিকতার সাথে পালন করিব। মহাত্মা হ্যানিমানের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল হয়ে তার প্রবর্তিত অর্গানন অব মেডিসিন এর নিয়মনীতি মেনে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন‍্য সদা সচেষ্ট থাকিব। অর্গানন অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচার, প্রসার ও চর্চায় সবাইকে উৎসাহিত করিব। বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক সকল চিকিৎসকদের একটি প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে BOHF এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকিব। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে উপদেষ্টা পরিষদের কাছে দায়বদ্ধ থাকিব।

************************************

BOHF শপথ  নামা -২

আমি  নাম-------পদবী- বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম। মহান সৃষ্টিকর্তার  নামে শপথ করিতেছি যে, আমি  Bangladesh Online Homoeopathathic Forum এর ( পদের নাম---  ) হিসেবে  BOHF  এর গঠনতন্ত্র মানিয়া চলিব এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাসম্ভব আন্তরিকতার সাথে পালন করিব। মহাত্মা হ্যানিমানের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল হয়ে তার প্রবর্তিত অর্গানন অব মেডিসিন এর নিয়মনীতি মেনে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন‍্য আমার উপর যে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে তাহা পালনে সদা প্রস্তুত থাকিব। সংগঠনের দায়িত্ব পালনে সভাপতির নিকট জবাবদিহি করিতে প্রস্তুত থাকিব।


করবে। র প্রভাবেই জীবন সুস্থভাবে চলে এবং বিশৃঙ্খল হলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। কাজেই আমাদের লক্ষ্য হবে সদৃশ ও সুনির্বাচিত ওষুধ দিয়ে জীবনীশক্তিকে সন্তুষ্ট বা উজ্জীবিত করা।

Targets, plans & philosophical objectives of BOHF as Preamble(প্রস্তাবনা) are attached here. Learned advisors are requested to consider & to put up corrections for approval of Advisory board. 

Onanno Mannan, Advisor 

-------------


প্রস্তাবনা

বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম( BOHF) এর উদ্দেশ্য ও কর্মসূচিঃ

                 Prepared by Dr. Bipul Chowdhury


শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান পরমদয়ালু পরমকরুণাময় যিনি সমস্ত প্রাণ ও নিষ্প্রাণে সর্বজ্ঞাত ও বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রতিপালক ও মালিক। সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার, যার অনুগ্রহেই আমরা সর্বদা বেঁচে আছি; তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।


কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি হোমিওপ্যাথির জনক শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী মহাত্মা স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেমানের প্রতি যার আবিষ্কৃত চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বব্যাপি লক্ষ লক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি নিরলসভাবে। 

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান হচ্ছে এপর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত সবচেয়ে আধুনিক চিকিসা বিজ্ঞান। সাধারণ বিজ্ঞানকে জানতে মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের প্রয়োজন আর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান জানতে প্রয়োজন সুপার মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের। যেকোন চিকিৎসা শাস্ত্রের তুলনায় হোমিওপ্যাথিতে বেশিরভাগ ক্রনিক ডিজিজগুলো  বিনাকষ্টে, সহজে ও স্থায়ীভাবে আরোগ্য হয়।

অতীতে পৃথিবীতে যত মহামারী রোগ এসেছে যেখানে হোমিওপ্যাথির তুলনায় কনভেনশনাল চিকিৎসায় মৃত্যুহার প্রায় ৪৩.৬২ শতাংশ, সেখানে হোমিওপ্যাথিতে মৃত্যুহার ছিল মাত্র ৭.৭০ শতাংশ।

বর্তমানে কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের চিকিৎসায়ে আবারো প্রমাণিত হলো হোমিওপ্যাথির শ্রেষ্ঠত্ব এবং এর গুরুত্ব সেই প্রত্যাশায় বলতে চাই....

"এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার শ্রেষ্ঠ সময় তার"

"বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরে, বহু ব্যায় করে বহু দেশ ঘুরে, দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু। দেখা হয় নাই, চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু দুই'পা ফেলিয়া একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু "

সত্যিই তাই....! আমরা কখনো কেউ হোমিওপ্যাথির বিশালত্ব ও গভীরতা দেখিনা !

সেই ইচ্ছায় ব্রতী হয়ে আজ আমরা একত্রিত হলাম আপনাদের পাশে।


প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সমূহঃ

১। আমাদের সংগঠনের নাম হবে "বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম।

২। আমাদের সংগঠনটি হবে একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ সংগঠন। 

৩। এর মূল উদ্দেশ্য ও আদর্শ হবে অর্গাননের আলোকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল চিকিৎসককে ধাপে ধাপে হ্যানেম্যানিয়ান চিকিৎসকে পরিণত করা।

৪। আমরা জানি এ কাজটি অত্যন্ত দুরুহ এবং কঠিনতম কাজ। কিন্তু কাজ যতই কঠিন হোক না কেন, যদি তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও আর্দশ সঠিক হয়, তবে যেকোন কাজেরই লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব নয়। আমরা জানি হাজার মাইলের পরিক্রমাও শুরু হয় প্রথম একটি দুটি পদক্ষেপের মাধ্যমে। 

৫। হৃদয়ে যদি সবার প্রতি সমান ভালোবাসা, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, উদারতা, সততা, মানবতার কল্যাণে কাজ করার যদি প্রত্যয় থাকে, ত্যাগের উদ্দেশ্য ও আর্দশ লালন করি, তবে শেষ পর্যন্ত মহান স্রষ্টা আমাদের বিজয়ী করবেনই।

৬। অামাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সংস্কারমুক্ত হয়ে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তায় উন্নতজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে উন্নতজ্ঞানের অধিকারী পরিপূর্ণ আর্দশ চিকিৎসক তৈরি করে ক্রনিক ডিজিজে ভোগা দেশের আপামর জনসাধারণকে উন্নত ও স্থায়ী চিকিৎসা সেবা দিয়ে হোমিওপ্যাথির হারানো সোনালী দিন ফিরয়ে আনা।

৭। হোমিওপ্যাথিতে স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেম্যানের পরবর্তী সময়ের পর ডা. লিপি, ডা. হেরিং, ডা. বোনিং হাউসেন, ডা. ফ্যারিংটন, ডা. কেন্ট, ডা. ন্যাশ সহ যারা হোমিওপ্যাথিকে আলোকিত করেছেন তৎপরবর্তী কালে বর্তমানে হোমিওপ্যাথির অগ্রযাত্রা অনেকটাই ম্রিয়মাণ ও খন্ডিত বটে। আমাদের ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য আধুনিক জ্ঞান নির্ভর গবেষণামূলক মৌলিক চর্চার মাধ্যমে ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিকে সবার সামনে স্বগৌরবে উপস্থাপিত করা।

৮। হোমিওপ্যাথিতে মানসম্মত উন্নত ক্ল্যাসিক্যাল চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির প্রতি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর আস্থা আরো বাড়ানো, ক্রমান্বয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে অন্যান্য চিকিৎসা সেবার উপর মানুষের নির্ভরতা কমানো।

৯। সমগ্রদেশে অবহেলিত সকল শ্রেণির হোমিওপ্যাথ সহ তরুণ মেধাবী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের নিয়মিত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মানসম্মত উন্নত জ্ঞানের অধিকারী আর্দশ চিকিৎসকে পরিণত করা ও উদ্বুদ্ধ করা।

১০। সর্বাগ্রে একজন ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতা হবার আগে একজন ভাল উন্নত জ্ঞানের অধিকারী, ভাল প্র্যাকটিশনার হওয়া খুবই জরুরী। কারণ জনসাধারণের মাঝে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সফলতার প্রথম দ্বায়িত্বই থাকে একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাতে। হোমিওপ্যাথির ইমেজ বা সুনাম বা সম্মান ও সুখ্যাতি সৃষ্টি হয় একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাত ধরেই। 

১১। আমরা যখন ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরি করতে পারবো, তখন ভালো চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার থেকে ধীরে ধীরে আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন অধিক ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতার সৃষ্টি হবে। একসময় তারাই হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে হাল ধরবে ও দ্যুতি ছড়াবে।

১২। ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমাদের উন্নত জ্ঞান চর্চার নিমিত্তে কতগুলো মৌলিক বিষয়কে প্রধান্য দিতে হবে। বিজ্ঞান সর্বদা ডায়নামিক বা গতিশীল। সকল প্রকার গোঁড়ামির উর্ধ্বে উঠে সংস্কার মুক্ত হয়ে জানতে হবে সবই, এর আলোকে-

(১) অর্গানন অব মেডিসিন, (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা, (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম (৪)রেপার্টরী, (৫) প্র্যাকটিস অব মেডিসিন (৬) এনাটমি, ( ৭) ফিজিওলজি, (৮) ফার্মাকোলজি, (৯) গাইনোকোলজি ও অবসট্রেকটিস, (১০) সাইকোলজি, (১১) মাইক্রোবায়লজি, (১২) হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতি, (১৩) মেডিকেল জুরিসপ্রুডেন্স, (১৪) হোমিওপ্যাথিক ফিলসফি, (১৫) প্যাথলজি, (১৬) আধুনিক ডায়াগনোসিস সহ ইত্যাদি সবই জানতে হবে। 


১৩। একজন আর্দশ জ্ঞাননির্ভর আধুনিক উন্নত চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমরা কতকগুলো মৌলিক বিষয় কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিষয় ভিত্তিক সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক Advance Knowledge of Homoeopathy Specialized Class বা উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাসের ব্যবস্থা করবো। প্রতি মাস শেষে রিভিউ ক্লাসের ব্যাবস্থা বৎসর শেষে সার্বিক বিষয়ে অগ্রগতি ও পর্যালোচনা করা।

১৪। আমরা জানি যে চিকিৎসক হিসেবে হোমিওপ্যাথির ভালো চিকিৎসক তৈরির প্রধানতম ও ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপঃ

(১) অর্গানন অব মেডিসিন (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম  (৪) রেপার্টরী  এবং       (৫) প্র্যাকটিস অব মেডিসিন।

১৫। ম্যাটেরিয়া মেডিকা থেকে মায়াজমেটিক রেমিডি গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১টি করে মেডিসিন আলোচনা করার সাথে রিমেডির কম্পারেটিভ রিলেশনশিপ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ১ টি মেডিসিন করে প্রতি মাসে ৪টি থেকে ৫টি মেডিসিন এবং বছরে ৪৮-৫০ টি মেডিসিন আলোচনা ও রিভিউ করা।

১৬। অর্গানন অব মেডিসিন থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজমের বিশদ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজম করে মাসে ১২-১৫ টি এফোরিজম এবং বৎসরে ১৬০-১৮০টি এফোরিজম পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসান্তে রিভিউ করা।

১৭। রেপার্টরির ৩৭টি অধ্যায়ের মধ্য থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রথম অধ্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকের মর্মার্থ ও রেপার্টরির ব্যবহার, রোগী থেকে প্রাপ্ত তথ্য রুব্রিকে পরিণত করার কৌশল বা প্রয়োগ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসে ২ টি অধ্যায় করে ১২ মাসে ২৪ টি অধ্যায়ের পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।

১৮। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনে প্রায়োরিটি বেসিসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে রোগের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয়, রোগের গতিপ্রকৃতি ও চিকিৎসা বিধান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা। প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মাসে ৪টি বছরে ৪৮ টি রোগ নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।

১৯। প্রত্যেক পাক্ষিকে মায়াজম তত্ত্বের আলোচনা, রোগারোগ্যে মায়াজমেটিক বেরিয়ার, মায়াজমেটিক রেমেডির আলোচনা ও রিভিউ করা। 

২০। সর্বশেষ Art of Case Taking নিয়ে আলোচনা করা।

২১। Art of Second prescription নিয়ে আলোচনা করা।

২২। Patient follow-up & Management নিয়ে আলোচনা করা।

২৩। Drug Relationship & Doses form নিয়ে আলোচনা করা।

২৪। প্রত্যেক পাক্ষিকে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করা।

২৫। ফোরামের লেখকদের বিষয়ভিত্তিক মৌলিক লেখার ওপর, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উপর বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক বা পুরষ্কার দেওয়া। 

২৬। দেশব্যাপী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সমগ্র দেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মাঝথেকে স্বীকৃতি স্বরূপ বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক পুরষ্কার দেওয়া।

২৭। হোমিপ্যাথির সম্প্রসারণে একটি ত্রৈমাসিক হোমিওপ্যাথিক জার্নাল প্রকাশ করা। সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক যেকোন গবেষণাধর্মী মৌলিক লেখা ছাপানো হবে।

২৮। দেশব্যাপী প্রতিটি বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি গঠন করে সংগঠনের বিস্তৃত নেটওর্য়াক গড়ে তোলা।

২৯। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপজেলা কমিটি গঠন করা। 

৩০। প্রতি বৎসরান্তে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মেম্বারদের নিয়ে একদিন পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। সেখানে সংগঠনের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা এবং রিভিউ করা করা।

৩১। সর্বাগ্রে মেধাবীদের এবং গবেষণামূলক কাজে আত্মনিবেদিত চিকিৎসকদের মূল্যায়িত করা ও সম্মানিত করা।


★প্রস্তাবনার দ্বিতীয় অংশঃ


বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম( BOHF) এর আদর্শিক লক্ষ্যঃ

         প্রস্তুতকারী- ডাক্তার অনন্য মান্নান, উপদেষ্টা।


১। হ্যানিম্যানিয়ান হোমিওপ্যাথির উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস।

২। মহাত্মা হ্যানেমানের অর্গানন ও ক্রনিক ডিজিজ গ্রন্থের দর্শন ও নির্দেশনাই আমাদের চলার শক্তি এবং তার আবিষ্কৃত ও পূর্ণতায় প্রতিষ্ঠিত মহান চিকিৎসা ব্যবস্থা হোমিওপ্যাথিকে আরো যে সকল মহান বিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ যুগে যুগে লালন, প্রতিপালন, বিকশিতকরণ ও ছড়িয়ে দিতে অবদান রেখেছেন তাদের প্রতি আস্থা ও তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ।

৩। মহাত্মা হ্যানেমানের দেখানো পথে বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে পীড়িত মানবতার সেবাই আমাদের ব্রত।

৪। বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথি অর্থাৎ ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির চর্চা, বিকাশ, শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে বৃহত্তর ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক সমাজ গড়ে তোলা।  ক্লাসিক্যাল বলতে শিক্ষিত, পরিমার্জিত ও নিয়ননীতি নির্ভর বুঝতে হবে।

৫। সদৃশনীতিতে চিকিৎসা, মায়াজম পরিচয়ে দক্ষতা অর্জন ও ক্রনিক রোগ চিকিৎসায় সফলতা বৃদ্ধি আমাদের লক্ষ্য।

৬। রোগের নহে রুগীর চিকিৎসা করতে হবে। অর্থাৎ ওষুধ নির্বাচনে রোগ নহে রুগীর লক্ষণই গুরুত্বপূর্ণ।

৭। জীবনীশক্তিই প্রধান নিয়ামক অতীন্দ্রীয় শক্তি। এর প্রভাবেই জীবন সুস্থভাবে চলে এবং বিশৃঙ্খল হলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। কাজেই আমাদের লক্ষ্য হবে সদৃশ ও সুনির্বাচিত ওষুধ দিয়ে জীবনীশক্তিকে সন্তুষ্ট বা উজ্জীবিত করা।

৮। হোমিওপ্যাথিক বিশেষ নিয়মে শক্তিকরণের মাধ্যমে ওষুধের পরিপূর্ণ আরোগ্যশক্তি বিকশিত হয়্। কাজেই নিতান্ত প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র ছাড়া মাদার টিঙ্কচার বা নিম্নশক্তির ব্যবহার নয়।

৯। সর্বদা সদৃশনীতিতে চিকিৎসা করব।

১০। সর্বদা পরীক্ষিত ওষুধ ব্যবহার করব।

১১। শক্তিকৃত ওষুধ কেবল সুক্ষ্ম মাত্রায় ব্যবহার করব।

১২। রুগীতে একই সময়ে কেবলমাত্র একটি ওষুধই ব্যবহার করব।

১৩। ক্রনিক রোগে ওষুধ প্রয়োগের পর ক্রিয়া প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করব। সেবিত ওষুধের ক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওষুধের পুনঃপ্রয়োগ করব না বা দ্বিতীয় কোন ওষুধ দিব না।

১৪। ৫০ সহস্রতমি ওষুধের প্রয়োগরীতি ভিন্ন হেতু অর্গানন ৬ষ্ঠ সংস্করণে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে শক্তির কিঞ্চিত পরিবর্তন রীতিতে ঘনঘন বা নিয়মিত সেবন করিয়ে যাবো। ওষুধ বা মাত্রাজনিত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিজ্ঞতা ও সতর্কতার সাথে ওষুধের মাত্রা লঘু করব অথবা ওষুধ সেবনের ব্যবধান বাড়িয়ে দেব।

১৫। চিকিৎসাকালে জটিল ও অনমনীয় রোগের ক্ষেত্রে সিনিয়র বিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেব এবং প্রয়োজনে রেফার করব।

১৬। হোমিওপ্যাথিতে অসাধ্য ও সার্জিক্যাল কেস মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চিকিৎসা করব না।

১৭। দুর্ঘটনা, দৈব-দুর্বিপাক, অস্ত্রোপচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাল ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দিব।

১৮। পেটেন্ট, টনিক, মিশ্র এবং অপরিক্ষীত ওষুধ ব্যবহার করব না।

১৯। চিকিৎসা পেশায় সর্বোচ্য সততা্, নৈতিকতা, অর্গানন, নিয়মনীতি, হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নির্দেশনা ও সরকারী আইন-কানুন মেনে চলব।

১৬। হোমিওপ্যাথিতে অসাধ্য ও সার্জিক্যাল কেস মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চিকিৎসা করব না।

১৭। দুর্ঘটনা, দৈব-দুর্বিপাক, অস্ত্রোপচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাল ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দিব।

১৮। পেটেন্ট, টনিক, মিশ্র এবং অপরিক্ষীত ওষুধ ব্যবহার করব না।

১৯। চিকিৎসা পেশায় সর্বোচ্য সততা্, নৈতিকতা, অর্গানন, নিয়মনীতি, হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নির্দেশনা ও সরকারী আইন-কানুন মেনে চলব।

১৭। রেপার্টরীর ৩৭টি অধ্যায়ের মধ্য থেকে প্রতিসপ্তাহে প্রথম অধ্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকের মর্মার্থ ও রেপার্টরীর ব্যাবহার, রোগী থেকে প্রাপ্ততথ্য রুব্রিকে পরিণত করার কৌশল বা প্রয়োগ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসে ২ টি অধ্যায় করে ১২ মাসে ২৪ টি অধ্যায়ের পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।

১৮। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনে প্রায়োরিটি বেসিসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে রোগের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয়, রোগের গতিপ্রকৃতি ও চিকিৎসা বিধান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা। প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মাসে ৪টি বছরে ৪৮ টি রোগ নিয়ে অালোচনা পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।

১৯। প্রত্যেক পাক্ষিকে মায়াজম তত্ত্বের অালোচনা, রোগারোগ্যে মায়াজমেটিক বেরিয়ার, মায়াজমেটিক রেমেডির অালোচনা ও রিভিউ করা। 

২০। প্রত্যেক পাক্ষিকে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর উপর অালোচনা করা।

২১। ফোরামের লেখকদের বিষয়ভিত্তিক মৌলিক লেখার ওপর, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষনের উপর বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক বা পুরষ্কার বা এওয়ার্ড দেওয়া। 

২২। দেশব্যাপী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সমগ্রদেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মাঝথেকে স্বীকৃতি স্বরুপ বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক পুরষ্কার দেওয়া।

২৩। হোমিপ্যাথির সম্প্রসারণে একটি ত্রৈমাসিক হোমিওপ্যাথিক জার্নাল প্রকাশ করা। সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক যেকোন গবেষণা ধর্মী মৌলিক লেখা ছাপানো হবে।

২৪। দেশব্যাপী প্রতিটি বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি গঠণ করে সংগঠনের বিস্তৃত নেটওর্য়াক গড়ে তোলা।

২৫। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপজেলা কমিটি গঠন করা।

২৬।  প্রতি বৎসরান্তে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মেম্বারদের নিয়ে একদিন পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানের অায়োজন করা। সেখানে সংগঠনের অগ্রগতি নিয়ে অালোচনা এবং রিভিউ করা করা।

২৭। সর্বাগ্রে মেধাবীদের এবং গবেষণামূলক কাজে অাত্মনিবেদিত চিকিৎসকদের মূল্যায়িত করা ও সম্মানিত করা। 

২৮। সংগঠনের মূল আদর্শই হলো সঠিক হোমিওপ্যাথিক জ্ঞানের চর্চা করা।

এই খসড়া 

ডা.  বিপুল চৌধুরী স্যার সাথেই অনন্য মান্নান স্যারের পর প্রস্তাব পেষ করেছেন দুটো যাচাই-বাছাই করে চুড়ান্ত করতে অনুরোধ করছি।

বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম( BOHF) এর উদ্দেশ্য ও কর্মসূচিঃ Prepared by Dr. Bipul Chowdhury 

শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান পরমদয়ালু পরমকরুণাময় যিনি সমস্ত প্রাণ ও নিষ্প্রাণে সর্বজ্ঞাত ও বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রতিপালক ও মালিক। সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার, যার অনুগ্রহেই আমরা সর্বদা বেঁচে আছি; তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি হোমিওপ্যাথির জনক শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী মহাত্মা স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেমানের প্রতি যার আবিষ্কৃত চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বব্যাপি লক্ষ লক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি নিরলসভাবে।  হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান হচ্ছে এপর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত সবচেয়ে আধুনিক চিকিসা বিজ্ঞান। সাধারণ বিজ্ঞানকে জানতে মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের প্রয়োজন আর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান জানতে প্রয়োজন সুপার মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের। যেকোন চিকিৎসা শাস্ত্রের তুলনায় হোমিওপ্যাথিতে বেশিরভাগ ক্রনিক ডিজিজগুলো  বিনাকষ্টে, সহজে ও স্থায়ীভাবে আরোগ্য হয়। অতীতে পৃথিবীতে যত মহামারী রোগ এসেছে যেখানে হোমিওপ্যাথির তুলনায় কনভেনশনাল চিকিৎসায় মৃত্যুহার প্রায় ৪৩.৬২ শতাংশ, সেখানে হোমিওপ্যাথিতে মৃত্যুহার ছিল মাত্র ৭.৭০ শতাংশ। বর্তমানে কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের চিকিৎসায়ে আবারো প্রমাণিত হলো হোমিওপ্যাথির শ্রেষ্ঠত্ব এবং এর গুরুত্ব সেই প্রত্যাশায় বলতে চাই.... "এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার শ্রেষ্ঠ সময় তার" "বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরে, বহু ব্যায় করে বহু দেশ ঘুরে, দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু। দেখা হয় নাই, চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু দুই'পা ফেলিয়া একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু " সত্যিই তাই....! আমরা কখনো কেউ হোমিওপ্যাথির বিশালত্ব ও গভীরতা দেখিনা ! সেই ইচ্ছায় ব্রতী হয়ে আজ আমরা একত্রিত হলাম আপনাদের পাশে।  প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সমূহঃ ১। আমাদের সংগঠনের নাম হবে "বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম। ২। আমাদের সংগঠনটি হবে একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ সংগঠন।  ৩। এর মূল উদ্দেশ্য ও আদর্শ হবে অর্গাননের আলোকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল চিকিৎসককে ধাপে ধাপে হ্যানেম্যানিয়ান চিকিৎসকে পরিণত করা। ৪। আমরা জানি এ কাজটি অত্যন্ত দুরুহ এবং কঠিনতম কাজ। কিন্তু কাজ যতই কঠিন হোক না কেন, যদি তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও আর্দশ সঠিক হয়, তবে যেকোন কাজেরই লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব নয়। আমরা জানি হাজার মাইলের পরিক্রমাও শুরু হয় প্রথম একটি দুটি পদক্ষেপের মাধ্যমে।  ৫। হৃদয়ে যদি সবার প্রতি সমান ভালোবাসা, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, উদারতা, সততা, মানবতার কল্যাণে কাজ করার যদি প্রত্যয় থাকে, ত্যাগের উদ্দেশ্য ও আর্দশ লালন করি, তবে শেষ পর্যন্ত মহান স্রষ্টা আমাদের বিজয়ী করবেনই। ৬। অামাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সংস্কারমুক্ত হয়ে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তায় উন্নতজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে উন্নতজ্ঞানের অধিকারী পরিপূর্ণ আর্দশ চিকিৎসক তৈরি করে ক্রনিক ডিজিজে ভোগা দেশের আপামর জনসাধারণকে উন্নত ও স্থায়ী চিকিৎসা সেবা দিয়ে হোমিওপ্যাথির হারানো সোনালী দিন ফিরয়ে আনা। ৭। হোমিওপ্যাথিতে স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেম্যানের পরবর্তী সময়ের পর ডা. লিপি, ডা. হেরিং, ডা. বোনিং হাউসেন, ডা. ফ্যারিংটন, ডা. কেন্ট, ডা. ন্যাশ সহ যারা হোমিওপ্যাথিকে আলোকিত করেছেন তৎপরবর্তী কালে বর্তমানে হোমিওপ্যাথির অগ্রযাত্রা অনেকটাই ম্রিয়মাণ ও খন্ডিত বটে। আমাদের ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য আধুনিক জ্ঞান নির্ভর গবেষণামূলক মৌলিক চর্চার মাধ্যমে ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিকে সবার সামনে স্বগৌরবে উপস্থাপিত করা। ৮। হোমিওপ্যাথিতে মানসম্মত উন্নত ক্ল্যাসিক্যাল চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির প্রতি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর আস্থা আরো বাড়ানো, ক্রমান্বয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে অন্যান্য চিকিৎসা সেবার উপর মানুষের নির্ভরতা কমানো। ৯। সমগ্রদেশে অবহেলিত সকল শ্রেণির হোমিওপ্যাথ সহ তরুণ মেধাবী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের নিয়মিত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মানসম্মত উন্নত জ্ঞানের অধিকারী আর্দশ চিকিৎসকে পরিণত করা ও উদ্বুদ্ধ করা। ১০। সর্বাগ্রে একজন ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতা হবার আগে একজন ভাল উন্নত জ্ঞানের অধিকারী, ভাল প্র্যাকটিশনার হওয়া খুবই জরুরী। কারণ জনসাধারণের মাঝে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সফলতার প্রথম দ্বায়িত্বই থাকে একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাতে। হোমিওপ্যাথির ইমেজ বা সুনাম বা সম্মান ও সুখ্যাতি সৃষ্টি হয় একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাত ধরেই।  ১১। আমরা যখন ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরি করতে পারবো, তখন ভালো চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার থেকে ধীরে ধীরে আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন অধিক ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতার সৃষ্টি হবে। একসময় তারাই হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে হাল ধরবে ও দ্যুতি ছড়াবে। ১২। ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমাদের উন্নত জ্ঞান চর্চার নিমিত্তে কতগুলো মৌলিক বিষয়কে প্রধান্য দিতে হবে। বিজ্ঞান সর্বদা ডায়নামিক বা গতিশীল। সকল প্রকার গোঁড়ামির উর্ধ্বে উঠে সংস্কার মুক্ত হয়ে জানতে হবে সবই, এর আলোকে- (১) অর্গানন অব মেডিসিন, (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা, (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম (4)রেপার্টরী, (5) প্র্যাকটিস অব মেডিসিন (6) এনাটমি, ( 7) ফিজিওলজি, (8) ফার্মাকোলজি, (9) গাইনোকোলজি ও অবসট্রেকটিস, (10) সাইকোলজি, (11) মাইক্রোবায়লজি, (12) হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতি, (13) মেডিকেল জুরিসপ্রুডেন্স, (14) হোমিওপ্যাথিক ফিলসফি, (15) প্যাথলজি, (16) আধুনিক ডায়াগনোসিস সহ ইত্যাদি সবই জানতে হবে।    2 ১৩। একজন আর্দশ জ্ঞাননির্ভর আধুনিক উন্নত চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমরা কতকগুলো মৌলিক বিষয় কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিষয় ভিত্তিক সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক Advance Knowledge of Homoeopathy Specialized Class বা উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাসের ব্যবস্থা করবো। প্রতি মাস শেষে রিভিউ ক্লাসের ব্যাবস্থা বৎসর শেষে সার্বিক বিষয়ে অগ্রগতি ও পর্যালোচনা করা। ১৪। আমরা জানি যে চিকিৎসক হিসেবে হোমিওপ্যাথির ভালো চিকিৎসক তৈরির প্রধানতম ও ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিন্মরুপ  (১) অর্গানন অব মেডিসিন (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম 

 (4) রেপার্টরী  এবং 5. প্র্যাকটিস অব মেডিসিন। ১৫। ম্যাটেরিয়া মেডিকা থেকে মায়াজমেটিক রেমিডি গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মেডিসিন আলোচনা করার সাথে রিমেডির কম্পারেটিভ রিলেশনশীপ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ১ টি মেডিসিন করে প্রতি মাসে ৪টি থেকে ৫টি মেডিসিন এবং বছরে ৪৮-৫০ টি মেডিসিন আলোচনা ও রিভিউ করা। ১৬। অর্গানন অব মেডিসিন থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজমের বিশদ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজম করে মাসে ১২-১৫ টি এফোরিজম এবং বৎসরে ১৬০-১৮০টি এফোরিজম পর্যালোচনা করা। প্রতিমাসান্তে রিভিউ করা। ১৭। রেপার্টরীর ৩৭টি অধ্যায়ের মধ্য থেকে প্রতিসপ্তাহে প্রথম অধ্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকের মর্মার্থ ও রেপার্টরীর ব্যাবহার, রোগী থেকে প্রাপ্ততথ্য রুব্রিকে পরিণত করার কৌশল বা প্রয়োগ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসে ২ টি অধ্যায় করে ১২ মাসে ২৪ টি অধ্যায়ের পর্যালোচনা ও রিভিউ করা। ১৮। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনে প্রায়োরিটি বেসিসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে রোগের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয়, রোগের গতিপ্রকৃতি ও চিকিৎসা বিধান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা। প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মাসে ৪টি বছরে ৪৮ টি রোগ নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও রিভিউ করা। ১৯। প্রত্যেক পাক্ষিকে মায়াজম তত্ত্বের অালোচনা, রোগারোগ্যে মায়াজমেটিক বেরিয়ার, মায়াজমেটিক রেমেডির আলোচনা ও রিভিউ করা।  ২০। সর্বশেষ Art of Case Taking নিয়ে আলোচনা করা। ২১। Art of Second prescription নিয়ে আলোচনা করা। ২২। Patient follow-up & Management নিয়ে আলোচনা করা। ২৩। Drug Relationship & Dozes form নিয়ে আলোচনা করা। ২৪। প্রত্যেক পাক্ষিকে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করা।  ২৫। ফোরামের লেখকদের বিষয়ভিত্তিক মৌলিক লেখার ওপর, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষনের উপর বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক বা পুরষ্কার বা এওয়ার্ড দেওয়া।  ২৬। দেশব্যাপী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সমগ্রদেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মাঝথেকে স্বীকৃতি স্বরুপ বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক পুরষ্কার দেওয়া। ২৭। হোমিপ্যাথির সম্প্রসারণে একটি ত্রৈমাসিক হোমিওপ্যাথিক জার্নাল প্রকাশ করা। সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক যেকোন গবেষণা ধর্মী মৌলিক লেখা ছাপানো হবে। ২৮। দেশব্যাপী প্রতিটি বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি গঠণ করে সংগঠনের বিস্তৃত নেটওর্য়াক গড়ে তোলা। ২৯। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপজেলা কমিটি গঠন করা।  ৩০। প্রতি বৎসরান্তে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মেম্বারদের নিয়ে একদিন পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। সেখানে সংগঠনের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা এবং রিভিউ করা করা। ৩১। সর্বাগ্রে মেধাবীদের এবং গবেষণামূলক কাজে আত্মনিবেদিত চিকিৎসকদের মূল্যায়িত করা ও সম্মানিত করা।

কেন্দ্রীয় কমিটি ও শাখা কমিটির নেতৃত্বে সমন্বয় 

☆ কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বারা শাখা কমিটি নিয়ন্ত্রিত 

☆ বিভাগীয় সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সচিব বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদের সম মর্যাদা পাবেন।

☆ বিভাগীয় অন‍্যান্ন সকল নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হিসেবে গণ‍্য হবেন।

শাখা কমিটির কাঠামো 

বিভাগীয় কার্যকরি কমিটির কাঠামো  নিম্নরূপ-

১. সভাপতি: ডা. 

২. সহ-সভাপতি-১: 

৩. সহ-সভাপতি-২: ডা. 

৪. সাধারণ সম্পাদক : 

৫. সহ-সাধারন সম্পাদক 

৬. সাংগঠনিক সম্পাদক: 

৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক

৮. অর্থ সম্পাদক: ডা. 

৯. সহ অর্থ সম্পাদক: 

১০. প্রচার সম্পাদক: ডা. 

১১. সহ-প্রচার সম্পাদক -১:  

১২. দপ্তর সম্পাদক: ডা. 

১৩. সহ দপ্তর সম্পাদক: ডা. 

১৪. গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক: 

১৫. সহ গবেষণা বিষয়ক 

১৬. প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক:

১৭.  সহ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক 

১৮.  প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: 

১৯. সহ  প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: 

২ ০. অনলাইন চিকিৎসা পরামর্শ বিষয়ক সম্পাদক : ডা

২১. সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক : 

কার্যকরী সদস্য-


১: ---৯ মোট একত্রিশ সদস‍্যবিশিষ্ট কমিটি।


ডাঃ মোঃ ইয়াকুব আলী সরকার 
সভাপতি- বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম।

01716651488

শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২০

রোগীর আদর্শ আরোগ্যের পূর্ব শর্ত

 







(২য় পর্ব)

সম্মানিত সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস্, চিকিৎসা ক্ষেত্রে যা মনে রাখলে আপনাদের চিকিৎসা জীবনে উপকার হবে।

(১) ক্যান্সার রোগের অগ্ৰসর অবস্থায় (In advance stages of Cancer ) ভুলেও কার্সিনোসিন প্রয়োগ করবেন না।

যদি করেন তবে যে রোগীর আরো কিছুদিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল,সে রোগী অতি অল্প সময়ের মধ্যে মারা যাবে।

একই কথা আর্সেনিক,ল্যাকেসিস এবং লাইকোপোডিয়াম এর বেলায়ও খাটে।

এ তিনটি ঔষধ ক্যানসারের অগ্ৰসর অবস্থায় ব্যাবহারের আগে কয়েকবার চিন্তা করবেন।

(২) গলায় মাছের কাঁটা ফুটলে, পায়ে কাঁটা ফুটলে, অনেকেই হরহামেশা সাইলিসিয়া ব্যাবহার করেন।

সাইলিসিয়া কিন্তু মিসরির ছূরি,দুই দিকে কাটে, মানে আসতেও কাটে যাইতেও কাটে।

যদি ফুসফুস বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ভিতর কোন বহির্বস্তূ (Foreign bodies) থাকে তাহলে সাইলিসিয়া সেটাকেও বের করার চেষ্টা করবে।

পরিনামে রোগী মারাত্মক অসুস্থ বা মারাও যেতে পারে।

খুবই সাবধান,টিউবারকুলার ধাতুর (Tubercular diathesis ) রোগীকে যে কোন কারণে সাইলিসিয়া দেবার পূর্বে কয়েকবার চিন্তা করবেন।

একই কথা সালফার,হিপার সালফার,ল্যাকেসিস,কেলি কার্ব,লাইকোপোডিয়াম এর বেলায়ও খাটে।

এসকল ক্ষেত্রে এ্যনাগেলিস অধিকতর নিরাপদ।

(৩) সাবধান থ্যালাসেমিয়া মাইনর,থ্যালাসেমিয়া মেজর,লিউকোমিয়া রোগীদের রক্ত হীনতার জন্য চায়না Q, লেসিথিন Q ইত্যাদি প্রয়োগ করবেন না।

(৪) দাঁতে ব্যাথা,পোকা ধরা দাঁতের কষ্ট কমানোর জন্য কখনোই ক্রিয়োজোট Q বাহ্যিক প্রয়োগ করবেন না।

একান্ত প্রয়োজনে প্লান্টেগো Q বাহ্যিক প্রয়োগ করবেন।

প্লান্টেগো Q অনেক বেশি নিরাপদ।

(৫)ক্যালক্যারিয়া কার্ব খালি পেটে প্রয়োগের চেয়ে ভরা পেটে প্রয়োগে অধিক কার্যকরী।

(৬) সব সময় ঔষধ প্রয়োগের পূর্বে মনে রাখবেন ঔষধের বৃদ্ধি কাল এড়িয়ে চলুন।

যেমন ঘুমের পূর্বে ল্যাকেসিস প্রয়োগ করবেন না,বিকেল ৩ টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত লাইকোপোডিয়াম প্রয়োগ করবেন না।

দুপুর ১২ টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আর্সেনিক ব্যাবহার করবেন না।

এন্টি সিফিলিটিক ঔষধ সন্ধার পরে এবং এন্টি সাইকোটিক ঔষধ দিনে ব্যাবহার করবেন না।

(৭) যে ঔষধের সঙ্গে যে সকল খাদ্যের বিরোধ আছে রোগীকে তা পরিহার করার পরামর্শ দেবেন।

যেমন আর্সেনিক এবং ব্রোমিয়াম রোগীর দুধ পান নিষেধ,এপিস মেল এর রোগীর মধু এবং লবন নিষেধ,ল্যাকেসিস এর টক খাওয়া নিষেধ,থুজা,লাইকোপোডিয়াম এর কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন নিষেধ।

(৮) ঔষধ যথাসম্ভব সুক্ষ মাত্রায় প্রয়োগ করবেন, গভীর ক্রিয়াশীল এবং উচ্চ শক্তির ঔষধ প্রয়োগের পূর্বে রোগের অবস্থা এবং রোগীর জীবনী শক্তির প্রতি অবশ্যই তীক্ষ্ণ নজর রাখবেন।

(৯) হোমিওপ্যাথিতে আপনার যতোই জ্ঞান, অভিজ্ঞতা থাকুক না কেন, আপনাকে প্রতিদিন কিছু না কিছু পড়তেই হবে।

যদি মনে করেন আপনি অনেক জেনে গেছেন, আপনার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি,আর না পড়লেও চলবে, তাহলে মনে করবেন এই আপনার ধ্বংস শুরু হয়ে গেলো।

(১০) কখনো রোগীর রোগ আরোগ্য করে ফেলবেন, এতো দিন লাগবে,এ ধরনের নিশ্চয়তা কখনোই দেবেন না।

পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা অন্য কোন ঝামেলায় থাকলে ঐদিন রোগী দেখবেন না, কমপক্ষে ক্রনিক রোগী চিকিৎসা করবেন না।

(১১) ঔষধের ক্রিয়াকাল সম্পর্কে সম্যক ধারনা থাকতে হবে,ঘনঘন, অপ্রয়োজনে,ক্রিয়াকাল শেষ হবার পূর্বে নতুন করে ঔষধ প্রয়োগ করবেন না।

যে সকল সম্মানিত চিকিৎসক গন সেন্টিসিমাল ঔষধ ব্যাবহার করেন, উনাদের উদ্দেশ্য বলছি,ঔষধ প্রয়োগের পর উন্নতি বা বৃদ্ধি দেখা মাত্রই ঔষধ বন্ধ করে দিন।

ঔষধ প্রয়োগের পর উন্নতি না হলে ঘাবড়াবেন না,বা দ্রূত ঔষধ পরিবর্তন করবেন না।

ঔষধ প্রয়োগের পূর্বে বারবার চিন্তা করবেন, কিন্তু প্রয়োগ হয়ে গেলে সহজে ঔষধ পাল্টাবেন না।

(১২) শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন লজ্জা নেই, যেকোনো জটিল রোগী চিকিৎসায় প্রয়োজনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

(১৩) ভুলেও জীবনে একবারের জন্য হলেও,কোন মহিলা রোগীকে এমনকি সন্তান প্রসবের প্রয়োজনে হলেও সিকেলি কর Q প্রয়োগ করবেন না, আপনাদের স্রষ্টার দোহাই করবেন না।

প্রয়োজনে কলোফাইলাম Q ব্যাবহার করুন।

(১৪) রোগীর একান্ত প্রয়োজনে কখনো কখনো বায়োকেমিক ঔষধ ব্যাবহার করতে হয়।

কিন্তু সাবধান বাজারে প্রচলিত বায়োপ্লাজেন নামক প্যাটেন্ট বায়োকেমিক ঔষধ কোন ভাবেই ব্যাবহার করবেন না।

যদি করেন তবে আপনি জেনে বা না জেনে আপনার রোগীর চরম ক্ষতি করছেন।

কারন বায়োপ্লাজেন নামক প্যাটেন্ট ফাইলে সব অতি নিম্ম শক্তির বায়োকেমিক ঔষধ।

প্রায় সবগুলোই 3X শক্তির,যা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

(১৫) একজন চিকিৎসক, একজন শিক্ষক এর সবচেয়ে বড় অপরাধ তাদের জ্ঞানের স্বল্পতা।

তাই প্রচুর পড়াশোনা করুন, যথাসম্ভব জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করুন।

(১৬) রোগী যদি আরোগ্য সীমার বাইরে না চলে যায়, তবে রোগীকে পূর্নাঙ্গ আরোগ্যের চেষ্টা করুন, অবশ্যই আংশিক আরোগ্য বা রোগ চাপা দেবেন না।

(১৭) রোগীকে ভালো করে বুঝিয়ে বলবেন,হোমিও ঔষধ প্রয়োগের পর পুরনো রোগ প্রকাশ পাওয়া অত্যন্ত শুভ লক্ষণ, রোগী যেন তা পুনঃ চাপা না দেয়।

(১৮) প্রচুর প্যাথলজিক্যাল জ্ঞান অর্জন করুন,প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট পড়ার,বুঝার,কোন রোগে কি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করতে হয়,তা ভালো করে শিখুন।

কিন্তু অবশ্যই প্যাথলজি বা প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট ধরে চিকিৎসা করবেন না।

(১৯)দুঃখজনক কিন্তু একদম বাস্তব ও সত্যি।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সমাজের বিরাট একটি অংশ শুধুমাত্র মেটেরিয়া মেডিকা নির্ভর, বিশেষ করে গ্ৰামান্চলের অনেক চিকিৎসক বৃন্দ।

অথচ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান শুধুমাত্র মেটেরিয়া মেডিকা নির্ভর নয়।

একজন ভালো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হতে হলে মেটেরিয়া মেডিকার জ্ঞান সহ অর্গাননের জ্ঞান,প্র্যাকটিস অফ মেডিসিনের জ্ঞান, হোমিওপ্যাথি ফিলোসফির জ্ঞান, এনাটমি, ফিজিওলজির জ্ঞান সহ সব ধরনের জ্ঞানের প্রয়োজন।

অথচ আমরা এসকল বিষয়ে বেশ দুর্বল।

ডাঃ মহিব্বুর রহমান।

১-১০-২০২০।

সম্মানিত সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গনের জন্য কিছু টিপস্।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগী আরোগ্যের জন্য বা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ভালো ফল পেতে হলে অনেক গুলো শর্ত পূরণ করতে হয়।

তার মধ্যে কয়েকটি নিম্মে আলোচনা করা হলো।

(১) চিকিৎসক ভালো হতে হবে, চিকিৎসকের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল জ্ঞান যথাসম্ভব অর্জন ভালো ভাবে করতে হবে।

রোগ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

আরোগ্য সীমা,অনারোগ্য সীমার প্রার্থক্য সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে।

(২) প্যাথলজিক্যাল জ্ঞান থাকতে হবে।

(৩) রোগীর নিকট হতে গোপনীয় তথ্য আদায়ের দক্ষতা থাকতে হবে।

(৪) ঔষধের মানের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

আপনি যতো ভালো চিকিৎসকই হোন না কেনো,যতো ভালো কেসটেকিংই করেন না কেনো,যদি ঔষধের মান ঠিক না থাকে, তাহলে সব গুড়ে বালি।

হোমিওপ্যাথি ঔষধের মান নির্নয় করা খুব কঠিন, বিশেষ করে ডাইলিউশন ঔষধের।

তাই ভালো, বিশ্বস্থ,নির্ভর যোগ্য কোম্পানির ঔষধ সংগ্ৰহ করার চেষ্টা করবেন।

(৫) সেন্টিসিমাল পদ্ধতিতে পানির প্রয়োজন কম হয়, কিন্তু ফিফটি মিলিসিমাল পদ্ধতিতে ঔষধ পানির সাথে না মিশিয়ে ঔষধ প্রয়োগের কোন উপায় নেই।

তাই অবশ্যই আপনার ব্যাবহ্নত পানি ভালো হতে হবে।

সবচেয়ে বিশুদ্ধ পানি হলো বৃষ্টির পানি।

বৃষ্টি ভালো ভাবে শুরু হবার দশ মিনিট পেরিয়ে গেলে তার পরের পানি সংগ্রহ করলে আর অসুবিধে হবে না।

পরিস্কার পাত্রে ঠিকমতো সংরক্ষণ করতে পারলে এই পানি এক বৎসরেও নষ্ট হবে না।

আপনি নিশ্চিন্তে এই পানি হোমিওপ্যাথি ঔষধের সঙ্গে ব্যাবহার করতে পারেন।

আপানাদের পানের জন্য বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজনে পিউরইট পানির ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন,বা অন্য কোন ফিল্টার।

তবে অবশ্যই অবশ্যই হোমিওপ্যাথি ঔষধের সঙ্গে পিওরইট ফিল্টার এর পানি ব্যাবহার করা যাবে না।

এমনকি আমি বাজারে বিক্রিত বিভিন্ন ধরনের বোতলজাত পানি ও ব্যাবহারের পক্ষপাতী নই।

যদি আপনারা সাধারণ পানির ফিল্টার ব্যবহার করতে চান, তবে থাইল্যান্ডের তৈরি একধরনের ফিল্টার কিনতে পাওয়া যায়, সেটি ব্যাবহার করতে পারেন। 

এই ফিল্টারের ফিল্টারকৃত পানি আমি নিজেও ব্যাবহার করি,এটি হোমিওপ্যাথি ঔষধ ব্যাবহারের জন্য যথেষ্ট নিরাপদ।

( ৬) আমাদের বেশিরভাগ ঔষধই গাছগাছালি হতে তৈরি।

তাই যদি একান্তই কোন ঔষধের মাদার টিঙ্কচার ব্যাবহার করতে হয়,ঐ মাদার টিঙ্কচার এর হার্বস কোন দেশে উৎপাদিত হয়, সে খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করবেন।

যেমন Calotropis,Hydrocotyle,Carica papaya,Atista indica,Azadireta indica/Neem ইত্যাদি আমাদের দেশীয় ঔষধ।

বেশি মুল্যে এসকল ঔষধ বিদেশি কেনার প্রয়োজন নেই।

দেশীয় ভালো কোম্পানির ঔষধ হলেই চলবে।

(৭) রেক্টিফাইড স্পিরিট : এটা ব্যতীত হোমিওপ্যাথি অচল।

ঔষধ ডাইলিউশন,মাদার টিঙ্কচার তৈরি, প্লাসিবো হিসেবে ব্যাবহার,পচন নিবারণের জন্য পানির সাথে দেয়া সহ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এটা ছাড়া চলতেই পারেন না।

কিন্তু বাস্তব অবস্থা হলো বিশুদ্ধ রেক্টিফাইড স্পিরিট পাওয়া বেশ কঠিন।

কারন ভেজাল,এর সাথে পানি মিশিয়ে দেয়া হয়, অনেক সময় সাধারণ দুষিত পানিও  মিশিয়ে দেয়া হয়।

কখনো কখনো কমদামি মেথিলেটেড স্পিরিট ও মিশিয়ে দেয়া হয়,যা অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ, এবং মানব দেহের জন্য বেশ ক্ষতিকর।

অতিরিক্ত মেথিলেটেড স্পিরিট পানে অনেক মানুষ মারাও গিয়েছে।

তাই চেষ্টা করুন ভালো মানের/বিশুদ্ধ রেক্টিফাইড স্পিরিট সংগ্ৰহ করার জন্য।

( আমাদের এক ভাই হোমিওপ্যাথি  চিকিৎসক এ বিষয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন ফেসবুকে, আমার এই গ্ৰুপে আমি তা রিপোষ্ট করেছি, আপনারা সু্যোগ পেলে ওটাও পড়ে নেবেন।)

এছাড়াও রেক্টিফাইড স্পিরিট চেম্বারে রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

আমি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক প্রধানকে অনুরোধ করছি এ ব্যাপারে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য।

(৮) এ্যলোপ্যাথি ঔষধের মতো হোমিওপ্যাথি ঔষধের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই।

কারন হোমিওপ্যাথি ঔষধের প্রিজারভেটিভ হিসেবে এলকোহল ব্যাবহার করা হয়।

তারপরও যদি ডাইলিউশন এর স্বাভাবিক পানির মতো রং পাল্টে ঘোলা বা হলুদ হয়ে যায়,তবে তা ব্যাবহার করবেন না, ফেলে দিয়ে নতুন ঔষধ সংগ্ৰহ করুন।

জার্মান বা পাকিস্তানের তৈরি ডাইলিউশন ঔষধের ছিপি ফেটে গিয়ে ঔষধ উবে গিয়ে কমে গেলে সে ঔষধ ব্যাবহার করবেন না।

কারন এখানে ঔষধের এবং এলকোহল এর পরিমাপ এখন আর সঠিক নেই।

(৯)অনেকে প্রয়োজনে বায়োকেমিক ট্যাবলেট ব্যাবহার করেন।

বায়োকেমিক ট্যাবলেট এরও নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নেই, তবুও তা ডাইলিউশন বা মাদার টিঙ্কচার এর মতো অনেক দিন টিকে না।

তাই যদি বায়োকেমিক ট্যাবলেট কালো অথবা হলুদ রং ধারণ করে, তবে তা ফেলে দিয়ে নতুন বায়োকেমিক সংগ্ৰহ করুন।

(১০) আমাদের অনেক সিনিয়র চিকিৎসক চেম্বারে সহকারী রাখেন এই উদ্বেশ্যে যে, চিকিৎসক প্রেসক্রিপশন করে দেবেন আর সহকারী ঔষধ প্রস্তুত  করে রোগীকে দেবেন।

কিন্তু এখানে সমস্যা হলো,যদি সহকারী ভুল করে তবে সর্বনাশ।

আপনি প্রেসক্রিপশন করেছেন হাইপেরিকাম, সহকারী ঔষধ দিলো হাইড্রাসটিস, আপনি দিলেন নাক্স ভোম, সহকারী দিলো নাক্স মস্চেটা তবে সব শেষ।

তাই সহকারীকে ভালো ভাবে না শিখিয়ে ঔষধ প্রস্তুত করতে দেবেন না।

প্রয়োজনে মাঝে মধ্যে উঠে চেক করবেন, সহকারী কোন ভুল করছে কি না ?

ঔষধ দেবার পূর্বে কমপক্ষে তিনবার চেক করবেন।

প্রথমবার আলমারি হতে ঔষধ হাতে নিতে, দ্বিতীয় বার ঔষধ দেবার সময় এবং তৃতীয় বার ঔষধ আলমারিতে রাখার সময়।

(১০) শিশিতে বা কাঁচের বোতলে আমাদের হোমিওপ্যাথি ঔষধ সংরক্ষন এর জন্য আগে শুধুমাত্র কাঠের কর্ক ব্যাবহার করা হতো।

আগে ভালো মানের কাঠের কর্ক পাওয়া যেতো,যেগুলো ছিল হাতি মার্কা বা Elephant Brand, এগুলো ছিলো খুবই উন্নত মানের।

Elephant Brand আমদানি বন্ধ হবার পর আমদানি শুরু হলো Bottle Brand, কিন্তু সেটাও কিছু দিন পর আমদানি বন্ধ হয়ে নতুন করে আসলো XXXX Brand,এখন আর পূর্বোল্লিখিত একটি ব্রান্ড এর ও কাঠের কর্ক পাওয়া যায় না।

এখন বাজারে যেটি পাওয়া যায়,সেটির কোন ব্রান্ড নাম নেই,যথেষ্ট নিম্ম মানের।

যে সকল সম্মানিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গন তরল ডাইলিউশন বড়িতে ভিজিয়ে রেখে ব্যাবহার করেন উনারাই সঠিক, কিন্তু যদি কাঠের কর্ক ভালো না হয় তবে ঔষধ নষ্ট হয় যেতে পারে, পিঁপড়া ঢুকে ঔষধ খেয়ে ফেলতে পারে,তাই সাবধান থাকবেন।

(১১) ঔষধ বড়িতে ভিজিয়ে রাখলে অনেক সময় বড়ি গলে পানি হয়ে যায়,এতে কোন অসুবিধে নেই, ঔষধের মান নষ্ট হয় না।

তবে যদি রং নষ্ট হয়ে যায়, দুর্গন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আর ব্যাবহার করা যাবে না, ফেলে দিতে হবে।

বর্তমানে ভালো মানের পিল পাওয়া যায় না, আমার চিকিৎসা জীবনের একদম প্রথম দিকে অর্থাৎ প্রায় ১৯৮০ সালের দিকে আমেরিকার B&T কোম্পানির পিল পাওয়া যেতো, সেগুলোর দাম ছিল অনেক বেশি, কিন্তু বড়ির মান ছিল খুবই ভালো।

(১২) যে সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গন নিউ পোটেন্সির ঔষধে প্লাষ্টিকের কর্ক ব্যাবহার করেন, আপনারা সাবধান থাকবেন যেন প্লাষ্টিক কর্কের ভিতরে অবশ্যই ফুড গ্ৰেড ওয়াসার থাকে।

হোমিওপ্যাথি ঔষধ ব্যাবহারে অবশ্যই কাঁচের বোতল এবং কাঠের কর্ক ব্যাবহার করা উচিত।

যদি একান্তই না পাওয়া যায় তবে কোনভাবেই ফুড গ্ৰেড প্লাষ্টিক ছাড়া অন্য কোন প্লাষ্টিক ব্যাবহার করা যাবে না।

সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক, হোমিওপ্যাথির শুভাকাঙ্ক্ষী এবং যারা এই পোস্ট পড়বেন, আপনাদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা এই পোষ্ট টুকলিফাই করবেন না।

মানে নিজের নামে চালিয়ে দেবেন না।

দয়া করে নীচু মানসিকতার পরিচয় দেবেন না, দয়া করে হোমিওপ্যাথি কে ছোট করবেন না।


ডাঃ মহিব্বুর রহমান।

৮-১০- ২০২০।

শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২০

পক্ষাঘাতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথি পাঠশালা 

পক্ষাঘাত বলতে কি বুঝি ? কেন হয় ?


কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্তের কারণে প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত হয়৷ বিশেকরে স্পা্ইনাল কর্ডের ক্ষতিগ্রস্তের কারণে ৷ সাধারণত মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, মাথায় কোনো রোগ, যেমন পারকিনসন্স অথবা মস্তিষ্কে কোনো আঘাত পেলে এমনটা হতে পারে৷ বিজ্ঞানীরা বহুদিন থেকেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীরা যাতে নিজেরাই অচল অঙ্গ পরিচালনা করতে পারেন সে চেষ্টা করে যাচ্ছেন৷ কিন্তু মস্তিষ্কের সংকেত পড়তে গিয়ে তাদের বেশ হিমশিম খেতে হয়৷ কেননা মস্তিষ্কের সংকেত খুব জটিলভাবে মাংসপেশীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে৷কোনো স্নায়ুর দূরতম প্রদেশে আঘাতলেগে এর প্রত্যাঘাত মেরুমজ্জা অথবা মস্তিষ্কে উপস্থিত হয়ে পক্ষাঘাত উৎপাদন করতে পারে।একে রিপ্লেক্স কস বলে। পক্ষাঘাতের আক্রমণ হঠাৎই হয়ে থাকে কিন্তু এই পীড়া ধীরে ধীরে উৎপন্ন হতে পারে। পক্ষাঘাতকে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ব্যাধি বলে বর্ণনা করা যায় না। বস্তুত, স্নায়ুমন্ডলের ক্রিয়ার হীনতা বা ধ্বংস হতেই পক্ষাঘাত জন্মে, সুতরাং এগুলোকে সর্বাঙ্গিক এবং স্থানিক এই দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত করা যেতে পারে।

লক্ষণসমুহ

এই পীড়া প্রথমে হাতে আরম্ভ হয় এবং সর্বপ্রথমে বৃদ্ধাঙ্গুলির পেশি আক্রান্ত হয়।গ্রীবা, বাহু অথবা হতের পেশিও প্রথমে আক্রান্ত হতে পারে। এই আক্রমণ ক্রমে সব পেশিমন্ডলীতে বিস্তৃত হয়ে পড়ে। আক্ষেপ, স্পন্দন, কম্পন এবং বেদনা এর প্রধান লক্ষণ, শরীরে দুর্বলতা এবং আলস্য লক্ষিত হয়, ব্যাধি যতক্ষণ হাতে আবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত একে সাধ্য বলা যায় কিন্তু সব পেশি আক্রান্ত হলে বিশেষ আশঙ্কার সম্ভাবনা। খাদ্য গ্রহন পেশির এবং ভোকাল কর্ড আক্রান্ত হলেই বিশেষ ভয়ের কথা। কিন্তু এই ব্যাধির শেষ পর্যন্ত বুদ্ধির তীহ্মতা এবং শারীরিক সুস্থতা প্রায়ই অক্ষুণ থাকতে দেখা যায়। আক্রান্ত পেশিতে ইলেকট্রিসিটির মতো স্পন্দন অনুভূত হয়। আক্রান্ত স্থান প্রথমে শীতল ও ভারবোধ, তথাকার স্পর্শশক্তি হ্রাসও পিপীলিকা চলার মতো মনে হয়। সামান্য স্পন্দিত বা কম্পন হতে পরে আক্রান্ত স্থানে রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়া হ্রাস হয়ে পেশিগুলো শুষ্ক এবং স্পর্শ ও সঞ্চালন শক্তির হ্রাস হয়ে থাকে। কখনও কখনও আক্রান্ত অঙ্গাদি একেবারে অবশ হয়। সচরাচর স্থানিক ও সর্ব্বাঙ্গিক এ দু’রূপে পক্ষাঘাত দেখা যায়। স্ত্রী অপেক্ষা পুরুষের মধ্যেই এই ব্যাধির প্রাচুর্য লক্ষিত হয়ে থাকে, অনেকে একে পুরুষানুক্রমিক বলে ব্যাখ্যা করে থাকেন, একই পরিবারের লোকই এই ব্যাধি কর্তৃক আক্রান্ত হতে পারে অর্ধাঙ্গ পক্ষাঘাত : সচরাচর একদিকের হাত-পা, চর্বণ পেশি ও জিহ্বার পেশি আক্রান্ত হয়। ডান অপেক্ষা বাম অঙ্গেই সচরাচর বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।গাল শিথিল হয়, মুখের কোনের ওপর দিকে উঠে যায়। জিহ্বা বের করলে তা আক্রান্ত দিকে বেঁকে যায়।কথায় জড়তা ও বোধশক্তি ব্যাহত হয়। সহজেই অবসাদ ও সামান্য কারণেই দুঃখ বা কষ্ট ও চোখ দিয়ে পানি পড়ে। হাত-পা ক্রমশ শুষ্ক হতে থাকে। চিত্তবিভ্রম ও হাত-পায়ের ও শারীরিক দুর্বলতা হতে থাকে। সেজন্য লিখতে অক্ষর ভুল করে।জিহ্বা ও ঠোঁট কাঁপে, জিহ্বা বের হয়, কথা বলতে বলতে মধ্যে মধ্যে ছেড়ে দেয়। কথা অস্পষ্ট, তোৎলামো, সর্বদা কাঁপে, শরীরের স্থানে স্থানে কম্পন, ক্রমে চলতেও কাঁপতে থাকে এবং পা স্থিত রাখতে পারে না। লেখার সময় হাত কাঁপে। নাড়ি দুর্বল, দ্রুত, চোখের তারা কখন সঙ্কুচিত, কোনো স্থানে বিস্তৃত থাকে ও অসম, একটা বড় একটা ছোট। অসাড়ে মলমূত্র ত্যাগ, কখন হাত-পায়ের আক্ষেপ, কখন নিম্নাঙ্গ অবশের কারণে কোষ্ঠবদ্ধতা, রোগী কথা বলতে অশক্ত, দাঁতে দাঁতে ঘর্ষণ করে। দাঁড়াতে বা চলতে অক্ষম হয়।

১. প্রথম অবস্থা
রোগ যখন শুরু হয়, তখন দেখা যায়, রোগী যেন কোনো বিষয়ে মনস্থির করতে পারে না,মানসিক বৃত্তির গোলযোগ ঘটে। তার মনুষ্যজনোচিত ক্রিয়াকলাপও হ্রাস পেতে থাকে। তার ফলে স্মৃতিশক্তি, বিচারক্ষমতা, বুদ্ধিবৃত্তি এমনকি নীতিজ্ঞান পর্যন্ত লোপ পায়, ভ্রান্ত বিশ্বাস জন্মে, মনে করে সে বিপুল সম্পত্তির অধিকারী হবে।

২. দ্বিতীয় অবস্থা
এই অবস্থায় পক্ষাঘাতের লক্ষণ সব প্রকাশ পেতে থাকে।হস্তপদের কম্পন, মুখমন্ডলের কম্পন, জিহ্বার আড়ষ্টতা, বাক্যের জড়তা প্রভৃতি দেখা দেয়। লিখতে হাত কাঁপে, কোনো কোনো শব্দ বা অক্ষর পড়ে যায়, কথা বললেও ওইরূপ হয়, কতক কথা বলে, কিছু বা বাদ পড়ে যায়। মনের দুর্বলতা, সময়ে সময়ে মৃগী রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়, কোনো কোনো শব্দ উচ্চারণে যেমন- প, ফ, ব, ভ ওষ্ঠবর্ণে অসমর্থ হয়, অনুপ্রাস বা একরূপ ব্যঞ্জনবর্ণের পুনঃপুন বিন্যাসস্বরূপ শব্দালঙ্কার, আবৃত্তি করতে অসমর্থ হয়, এই অবস্থাতে কোনো কোনো রোগীর কথা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়।

৩. তৃতীয় অবস্থা
একে পরিণত অবস্থাও বলা যায়, রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। অনুভব শক্তি থাকে না, রোগী চলতে পারে না, কথাও অস্পষ্ট হয়, মানসিক শক্তি লোপ পায়, মৃগী বা সন্ন্যাস দেখা দিতে পারে, প্রথম অবস্থায় ভ্রান্ত বিশ্বাস আরও প্রবল হয়, উন্মাদ অবস্থায় পূর্বে যাদের বুদ্ধির বিলক্ষণ দেখা যায়নি, এই অবস্থায় তাদের সম্পূর্ণ ডিমেনসিয়া (প্রোফাউন্ড মেন্টাল ইনক্যাপাসিটি) বা বুদ্ধিহ্রাস উপস্থিত হয়। রোগী শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। চিকিৎসা না হলে রোগী অবশেষে মৃত্যু মুখে পতিত হয়।


পক্ষাঘাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের বিশিষ্ট লক্ষণসহ

 ১) একোনাইট নেপিলাস
শুষ্ক শীতল বায়ু প্রবাহে কিংবা মরুঝড়ে রক্তাধিক্যতার কারনে পক্ষাঘাত এবং আক্রান্ত স্হান ঠান্ডা অনুভুত হলে এবং আক্রান্ত স্হানে অসারতা ও ঝিন ঝিণ অনুভুত হলে সেই রোগীর জন্য দ্রুত একোনাইট নেপিলাস প্রয়োগ জরুরী। একোনাই বিফল হলে কষ্টিকাম প্রযোজ্য হবে।

২) এ্যাসকুলাস গ্লেবরা
পায়ের পক্ষাঘাত এবং সংকোচন ভাব বিদ্যমান থাকরে সেই রোগীর এ্যাসকুলাস গ্লেবরা প্রয়োগ দরকার।

৩) এ্যাসকুলাস হিপ
হাতের পক্ষাঘাত হাত উঠাইতে পারে না, কোমরে দুর্বলতা ও অবশতার কারণে চলিতে না পারিলে এ্যাসকুলাস হিপ এই রোগীর জন্য খুবই উপকারী ঔষধ।

৪) এগারিকাস
নিম্ন-অঙ্গের পক্ষাঘাতসহ বাহুদ্বয়ের কম্প, মেরুমজ্জার কোমলতার জন্য হাত পায়ে পক্ষাঘাত। লাম্বার প্রদেশে মেরুমজ্জার রক্তাধিক্যের কারনে প্যারালাইসিস এবং তৎসহ প্যারালাইসিস অংগে তীব্র ব্যথা লাম্বার সেক্রাম প্রদেশে বেদনা। বসিয়া থাকিলে বেদনা বৃদ্ধি। হাত ও পায়ে ঝিনঝিন বেদনা। একপাশের হাত অপর পাশের পা পক্ষাঘাত হইলে এগারিকাস উপযোগী

৫) এলুমিনা
মেরু মজ্জার বিকার বশতঃ পক্ষাঘাত।পায়ের তলায় অবসতা, রাতে যে রোগী অন্ধকারে হাটতে পারে না;চোখ বন্ধ করিয়া হাটিতে পারে না সেই রোগীর জন্য এলুমিনা উপযোগী।

৬) এপিস মেল
ডিপথেরিয়া, টাইফয়েড, মেনিঞ্জাইটিস প্রভৃতি রোগ ভোগের পর পক্ষাঘাত, দেহের একপাশে পক্ষাঘাত, অপর পাশে কম্প, দেহের নিচের অংশ নীল ও শীতল। এই লক্ষণ সমষ্টিসহ এপিস মেলের ধাতুগত মিল যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে সেই রোগীর জন্য এটি গুরুত্বপুর্ণ ঔষধ।

৭) আর্জেন্ট নাইট্রিকা
আঘাত বশতঃ রক্ত বা রসস্রাব জনিত পক্ষাঘাত। ডান পাশের পক্ষঘাত, শীতল ও সিক্ত আবহাওয়ায় বৃদ্ধি।

৮) আর্ণিকা মন্টেনা
আঘাত জনিত কারণে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হলে আর্ণিকা মন্টেনা ব্যবহারে রক্তের ক্লট শোষিত হয়ে রোগ আরোগ্য হয়।

৯) আর্সেনিক এলবাম
আর্সেনিক এলবামের রোগীর পেশীসমুহ ক্রমাগত শীর্নতা অঙ্গাদির ক্রমাগত কম্প। রোগী যদি মদ্যপায়ী হয় তার জন্য আরো উপযোগী। হাত পায়ের বেদনা, আক্রান্ত পাশে শুইতে পারে না। আক্রান্ত অঙ্গ চালনায় আরাম। অত্যধিক দুর্বলতা ও অবসতা। ইহা সিসক বিষের প্রতিষেধক। এই রোগ লক্ষণের সাথে আর্সেনিকের ধাতুগত মিল থাকলে আর্সেনিক এলবম অত্যন্ত কার্যকরী ঔষধ

১০) ব্যারাইটা কা্র্ব
বৃদ্ধ দিগের পক্ষাঘাত, বোকা বুদ্ধিহীন , কিছু মনে রাখতে পারে না। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বর্ধন হয় না, মাথার খুলি আংশিক ভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং লালা নির্গত হয়। মস্তিষ্ক ও মেরু মজ্জা দুর্বল। হাত পায়ের কম্প। মুখে পক্ষাঘাত রোগীর জন্য ব্যারাইটা কার্ব উপযোগী।

১১) বেলেডোনা
এপোপ্লেক্সি, মস্তিষ্কের রক্তাধিক্য। দেহের এক পাশে কম্প। মুখের পক্ষাঘাত। লোকোমোটর এটাক্সিয়া রোগীর জন্য বেলেডোনা উপযোগী।

১২) ক্যালকেরিয়া কার্ব
বার বার পানিতে ভেজা, অতিরিক্ত স্ত্রীসহবাস ইত্যাদি কারনে পক্ষাঘাতের ন্যায় দুর্বল। শিশুদের পক্ষাঘাতসহ ক্যালকেরিয়ার ধাতুর রোগীর পক্ষাঘাতে জন্য উপযোগী।

১৩) ক্যানাবিস উন্ডিকা
পক্ষাঘাতে আক্রান্ত অঙ্গ ঝিন ঝিন ভাব, দুই পা ও ডান হাতের কম্প। মানসিক বিভ্রম, খাওয়ার পরেই বলে সে অনেক সময় হলো আহার করে নাই। স্হান ও সময় নিয়ে ভুল ধারনা। পিঠে বেদনা, বসিয়া থাকিলে বাড়ে এই লক্ষণ সমষ্টিতে ক্যানাবিস উন্ডিকা উযোগী।

 ১৪) কষ্টিকাম
শুষ্ক ও শীতল বায়ুতে একক স্নায়ুর পক্ষাঘাত। চোখের পাতা, জিহ্বা, ঠোটের পক্ষাঘাত, খাইতে ও কথা বলিতে অক্ষম। আক্রান্ত অঙ্গে বেদনা। স্পর্শ অনুভুতি ক্ষমতা ঠিক থাকে। রোগীর পক্ষাঘাত আস্তে আস্তে বাড়ে, স্মৃতি শক্তি কমিয়া যায়। একোনাইট নেপিলাস প্রয়োগের পরে কষ্টিকামের প্রয়োজন হয়।

১৫) চায়না
যে রোগীর অত্যধিক রক্ত ও শুক্রক্ষয়ের কারণে পক্ষাঘাত হয় তার জন্য চায়না উপযোগী।

১৬) কোকুলাস ইন্ডিকা
মুখ কন্ঠ জিহ্বায় পক্ষাঘাত, প্যারাপ্লেক্সিজিয়া, উরুদন্ডে অবসাদ ও বেদনা বোধ এ জন্য চলিতে পারে না। দুই পায়ের অবসতা, দুই হাতের অবসতা, মাথার পিছনে পেশীসমুহের পক্ষাঘাতের মত দুর্বল ও বেদনা। অতিরিক্ত স্রী সহবাসের কারণে পক্ষাঘাত। মাথাঘোরা, দুর্বলতা, মুর্ছার ভাব থাকিলে কোকুলাস ইন্ডিকা উপযোগী।

 ১৭) কোনিয়াম মেকুলেটাম
পক্ষাঘা্ত নিচ থেকে শুরু হয়ে উপরের দিকে পরিচালিত হলে সুষুমা শীর্ষ বা মেডেলা আক্রান্ত হলে কোনিয়াম উপযোগী। বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাগনের পক্ষাঘাতে উপযোগী। মেরুদন্ডে পক্ষাঘাত অথবা ডিপথেরিয়ার পরে পক্ষাঘাত হলে মাথায় অসারতা অনুভব ও মাথা ঘুরানোর ইতিহাস যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে সেই রোগীর জন্য কেনিয়াম মেকুলেটাম উপযোগী।

১৮) কুপ্রম মেট
নিম্ন অঙ্গে পক্ষাঘাত শুরু হয়ে উপরের দিকে ধাবিত হয়। খিচুনির পরে পক্ষাঘাত বুকে রক্তাধিক্যতা, প্রবল হৃৎস্পন্দন, নাড়ী ধীর, ক্ষুদ্র ও ক্ষীণ, চক্ষু মুদ্রিত থাকে। তাকাইলে চক্ষুগোলক ঘুরিতে থাকে। রোগীর অনুভুতি ঠিক থাকে। সেই রোগীর জন্য কুপ্রম মেট উপযোগী।

১৯) ডল্কামারা
ঠান্ডা ও স্যাতস্যাতে আবহাওয়ায়, আবহাওয়া পরিবর্তনের পরিবেশে বসবাসের কারণে মেরুমজ্জা বা স্পাইনাল কর্ড এ রক্তাধিক্যের কারণে জিহ্বার আরষ্টতা বোধ ও পক্ষাঘাত কথা বলিতে পারে না। মুত্রস্হলীর পক্ষাঘাত, দুর্গ্ধ ও অত্যাধিক স্লেষ্মাময় মুত্র। হাতে ও পক্ষাঘাত অঙ্গে শীতল অনুভব হলে সেই রোগীর জন্য ডল্কামারা উপযোগী। ডল্কামারার পরে রাসটক্স প্রয়োজনীয় ঔষধ।

২০) জেলসিমিয়াম
যে পক্ষাঘাত রোগীর অনুভতি থাকে ও অনুভুতির প্রবলতা বৃদ্ধি পায় সেউ রোগীর জন্য জেলসিমিয়াম উপযোগী। শিশুদিগের পক্ষাঘাত, সমগ্র পেশী গুলির পক্ষাঘাত, হাত ও পায়ের অবশতা ও ভারী বোধ। ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করা যায় না। চোখের পাতা উঠানো যায় না। কথা বলায় জড়তা আসে। কোন খাদ্য গিলিতে কষ্ট হয়। পায়ের পক্ষাঘাতের কারনে হাটতে টালমাতাল অবস্হা হয়। হাত নড়াচড়া করতে নড়তে থাকে। লোকোমোটর এটাক্সির তীব্রতার সাথে বেদনা থাকে। ডিপথেরিয়ার পরে পক্ষাঘাত হলে জেলসিমিয়াম উপযোগী ঔষধ।

২১) হিপার সাল্ফ
পারদ বিষ জনিত কারনে পক্ষাঘাত হলে সেই রোগীর জন্য হিপার সাল্ফ উপযোগী ঔষধ।

 ২২) হায়োসিয়ামাস
প্লাজম হবার পর প্যারালাইসিস এজিট্যান্স।বাহু ও হাতের কম্প।হাত ও পা শীতল।হাতের আঙ্গল গুলি ছোট মনে হয়।অসারে মলমুত্র ত্যাগ করে।এই লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীতে বিদ্যমান তার জন্য হায়োসিয়ামাস উপয়োগী।

২৩) ইগ্নেসিয়া
মানসিক উত্তেজনা বশতঃ পক্ষাঘাত, অতিরিক্ত রাত্রী জাগরনের কারনে নিম্নাঙ্গের পক্ষাঘাত, হিষ্টিরিয়া জনিত পক্ষাঘাত হলে ইগনেসিয়া উপযোগী ঔষধ।

২৪) ল্যাথাইরাস
নিম্নাঙ্গের গতি শক্তির পক্ষাঘাত, স্পর্শ অনুভুতি ঠিক থাকে অথবা বৃদ্ধি পায়। হাটা চলায় টলটলায়মান গতি। এই পক্ষাঘাত রোগীর জন্য ল্যাথাইরাস উপযোগী।

২৫) লিডাম পাল
পা হইতে উপরের দিকে ধাবমান পক্ষাঘাতে লিডাম পাল উপযোগী।

২৬) ম্যাগনেসিয়া ফস
প্যারালাইসিস এজিট্যান্স, হাত পা এমনকি মাথাও কম্প হতে থাকলে ম্যাগনেসিয়া ফস উপযোগী।

২৭) ম্যাঙ্গানাম
নিম্ন অঙ্গ হতে পক্ষাঘাত শুরু হয়, দেহ টলমল করে হাটিতে চেষ্টা করিলে দৌড়াইয়া অগ্রসর হয়। হাড়ে বেদনা বোধ করে এই লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য ম্যাঙ্গানাম উপযোগী।

২৮) মার্ক সল
যে রোগীর পক্ষাঘাত হাত হতে শুরু হয়ে নিচের দিকে প্রবাহিত হয় সেই রোগীর জন্য মার্ক সল প্রয়োজন। রোগীর পাদ্বয় আরষ্টতা দেখা দেয় রোগী নিজে পা নড়াতে না পারলেও অন্যে নড়াইতে পারে। স্পাইনাল মেনিন জাইটিসের পরে পক্ষাঘাত হলে মার্ক সল উপযোগী ঔষধ। যে রোগীর উপরোক্ত লক্ষণ সহ মানসিক ও শারিরীক অবসন্নতা বিদ্যমান তার জন্য মার্কসল উপযোগী ঔষধ।

 ২৯) নেট্রাম মিউর
ম্যালেরিয়া জ্বর, ডিপথেরিয়া, অতিরিক্ত স্ত্রী সম্ভোগের কারনে পক্ষাঘাত, অত্যধিক মানসিক অবসাদ, আবেগ, উত্তেজনা বশতঃ পক্ষাঘাত, নিম্নাঙ্গের পক্ষাঘাত। রোগীর মেরুদন্ডে স্পর্শ সহ্যহীন বেদনা। রোগীঢ যদি শক্ত বিছানায় আরাম বোধ করে তবে ন্যাট্রাম মিউর উপযোগী ঔষধ।

৩০) নাক্স ভুমিকা্‌
এপোপ্লেক্সিজিয়া, ডিপথেরিয়া, অতিরিক্ত মদ্যপান, স্ত্রীসঙ্গম অথবা আর্সেনিক বিষজনিত নিম্নাঙ্গের পক্ষাঘাত। যে রোগী অলস তার জন্য নাক্স ভুমিকা উপযোগী। পক্ষাঘাত গ্রস্হ অঙ্গ শীতল অসাড় ও শীর্ণ। অসম্পুর্ন পক্ষাঘাত গতি শক্তি সমপুর্ণ শেষ হয় না। কিন্তু আক্রান্ত অঙ্গ নড়াইতে গেলে কম্প শুরু হয়। হাটার সময় পা টানিয়া নিতে হয়। পা উঠাইতে পারে না। মদ্যপায়ীদের হাতের কম্পসহ পক্ষাঘাত রোগীর জন্য নাক্স ভুমিকা উপযোগী ঔষধ।

৩১) ওপিয়াম
এপোপ্লেক্সির পর পক্ষাঘাতসহ স্পর্শ অনুভুতি লোপ। বৃদ্ধ ও মদ্যপায়ী দের পক্ষাঘাত, যে রোগী নাক ডাকে ও চক্ষু অর্ধেক খোলা রাখে সেই রোগীর জন্য ওপিয়াম উপযোগী।

৩২) এসিড অক্সালিক 
মেরুমজ্জার ও মেরুদন্ডের নিচের দিকে তীব্র বেদনা, নিচের দিকে ধাবিত হয়। রোগীর শ্বাসকষ্টসহ আরষ্টতা বিদ্যমান থাকলে উপযোগী।

৩৩) ফসফরাস
মস্তিষ্ক ক্ষয়, স্পাইনাল হাইপারট্রফিক প্যারালাইসিস। অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, টাইফয়েড জ্বরবশতঃ সন্তান প্রসবের পরে পক্ষাঘাত। প্রায়ই মেরুদন্ডে অসহ্য বেদনা। আক্রান্ত পেশীসমুহের সংকোচন। আক্রান্ত অঙ্গের অত্যধিক উত্তাপ বোধ কিন্তু স্পর্শ অনুভুতি লোপ পায়।

৩৪) ফাইজোষ্টিগমা
প্যারালাইসিস এজিট্যান্স। বুদ্ধিবৃত্তি অটুট থাকে। খাল ধরার ন্যায় বেদনা থাকে। ঘুমের মাঝে হাত পা কাপিয়া উঠে। যে পক্ষাঘাত রোগীর মাথার পিছন দিক হতে মেরুদন্ড বাহিয়া পা পর্যন্ত ছড়াইয়া যায়, রোগী অবসতা ও দুর্বলা বোধ করলে ফাইজোষ্টিগমা উপযোগী ঔষধ।

৩৫) প্লামবাম মেট
প্রগ্রেসিভ মাসকিউলার এট্রফি। আক্রান্ত স্হানে বেদনা এবং তৎসহ পাকাশয়ের বেদনা পর্যায়ক্রমে আসে। আক্রান্ত হওয়ার আগে অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কম্প শুরু হয়। ডান অঙ্গের হেমিপ্রেক্সিজিয়া। জিহ্বা, স্বরযন্ত্র, ও হাতের কব্জির পক্ষাঘাত। আক্রান্ত অঙ্গ শীর্ণ হয়। হাত ও পা শীতল বোধ হয়। ঘর্ম কখনও হয়না ও দুর্দমনীয় কোষ্টবদ্ধতা যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য প্লাম্বাম মেট উপযোগী।

৩৬) রাসটক্স
অতিরিক্ত পরিশ্রম, জ্বলে ভেজা, স্যাতসেতে স্হানে শয়ন অথবা টাইফয়েড জ্বর জনিত কারনে পক্ষাঘাত হলে রাসটক্স উপযোগী। শিশুদিগের স্পাইনাল প্যারালাইসিস, হাত পা ও কোমরে অত্যন্ত বেদনা। কঠিন বিছানায় শয়নে উপশম। আদ্র ওশীতলতার জন্য মুখমন্ডলে পক্ষাঘাত। কোন কিছু খাইতে অক্ষমতা। এই ঔষধের পরে ক্যালকেরিয়া কার্ব, কষ্টিকাম, সালফার উপযোগী।

৩৭) রুটা
ঠান্ডা লাগিয়া মুখে পক্ষাঘাত বা বেলস প্যারালাইসিস। হাতের আঙ্গুল তথা বৃদ্ধআঙ্গুলের পক্ষাঘাত। রোগী চলিতে গেলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বেদনা হলে সেই রোগীর জন্য রুটা উপযোগী।

৩৮) সিকেলি কর
কোন রোগীর কম্প ও এপোপ্লেক্সি পরে পক্ষাঘাত হলে এবং আক্রান্ত স্হান দ্রুত শীর্ণ হলে সিকেলি কর প্রয়োজন। মেরুদন্ডে বিশেষ করে সেক্রাম প্রদেশে তীব্র বেদনা। সম্পুর্ণ পক্ষাঘাতসহ অসারে মলমুত্রত্যাগ করলে সিকেলি কর উপযুক্ত ঔষধ।

৩৯) সাইলেসিয়া
কম্পের পর পক্ষাঘাত, খাদ্য গিলিতে অক্ষমতা। বাম হাতের পক্ষাঘাতসহ শীর্ণতা। আক্রান্ত হাতের আঙ্গল গুলোর অসারতা। দুই পায়ের পক্ষাঘাতসহ মাথার ভার বোধ। ঘার্ম বন্ধের পরে পক্ষাঘাত, স্নায়ুসমুহের পুষ্টির অভাবে পক্ষাঘাত। শিশু হাটিতে বিলম্ব হয়, মেরুদন্ডে টিউমার, ঠান্ডা সহ্য হয় না, অত্যধিক কোষ্ঠবদ্ধতা সেই শিশুর পক্ষাঘাত চিকিৎসায় সাইলেসিয়া উপযোগী ঔষধ।

৪০) ষ্ট্যানাম মেট
হস্তমৈথুন বা মানসিক আবেগ বশতঃপক্ষাঘাত, বাম পাশে পক্ষাঘাত, ক্রিমি বা আক্ষেপ জনিত পক্ষাঘাত, পক্ষাঘাতগ্রন্হ বাহু ও সেই পাশের বুকে ভার বোধ। আক্রান্ত অঙ্গ সর্বদা ঘর্মাক্ত ও নিশা ঘর্ম হলে সেই রোগীর জন্য স্ট্যানাম মেট উপযোগী।

৪১) ষ্ট্যামোনিয়াম
সার্ভাইক্যাল ও ডর্সাল ভার্টিব্রার মধ্যে সর্বদা বেদনা ও ভার বোধ। হাত দ্বারা কোন কিছু উঠাইতে কষ্ট। কথনও কম্প কখনও পক্ষাঘাত। এক অঙ্গের কম্প অপর অঙ্গে পক্ষাঘাত। কম্পের পরে অথবা মানসিক আবেগের পরে, অত্যধিক স্ত্রীসঙ্গম বা সিসক বিষজনিত পক্ষাঘাত হলে ষ্ট্যানাম মেট উপযোগী ঔষধ।

৪২) সালফার
কোন চর্ম রোগ বসিয়া, ডিপথেরিয়া, টাইফয়েড জ্বর, ঠান্ডা লাগার কারণে পক্ষাঘাত হলে সালফার উপযোগী। হাত পায়ের পক্ষাঘাত সহ মুত্র অবোরোধ ও নাভি পর্যন্ত অসার। মেরুদন্ডে চাপ দিলে বেদনা বোধ। মেরুদন্ডের দুর্বলতার জন্য রোগী কুজো হয়ে চলে। বেলা এগারোটার দিকে পাকস্হলীর শুন্যতা বোধ যে রোগীর মাঝে বিদ্যমান তার জন্য সালফার উপযোগী ঔষধ।

৪৩) ভেরেট্রম এল্বম
কলেরার পরে পক্ষাঘাতহাত ও পায়ের বেদনাসহ পক্ষাঘাত। হাত কাঁপার কারণে কোন কিছুই ধরিতে পারে না। হাত ও পা বরফের মত শীতল ও নিলাভ।এই লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য ভেরেট্রাম এল্বম উপযোগী।

 ৪৪) জিঙ্কাম মেট
মস্তিষ্কের কোমলতার কারণে অথবা পায়ের ঘাম বন্ধ হয়ে পক্ষাঘাত। রোগীর মাথা ঘোরা ও আক্রান্ত অঙ্গের কম্প, অসারতা, ঝিনঝিনানি। গায়ে ঘর্ষণ করিলে উপশম, মদ্যপানে বৃদ্ধি, রতিশক্তির হ্রাস, মেরু মন্ডলে জ্বালা সহ রোগীর গায়ে পিপিলিকা হাটার অনুভুতি হলে সেই রোগীর জন্য জিঙ্কাম মেট উপযোগী।

কেন্ট রেপার্টরির সাহায্যে প্যারালাইসিসের সদৃশ ঔষধ নির্বাচন

+PAINLESSNESSof,complaints,usuallypainful : Hell., Op., Stram.
++PARALYSISagitans:Bar-c.,bufo-r., gels., helod., hyos., kali-br., mag-p., Merc., phos., plb., Rhus-t., tab., tarent., Zinc.
++ extends from above downwards : Bar-c., merc.
++ upwards : Ars., con., hydr-ac., mang.
++ gradually appearing : Caust.
++ intermittent fever, after : Nat-m.
++ internally : Acon., ant-c., ars., bar-c., Bell., calc., cann-s., canth., caps., caust., chin., cic., cocc., coloc., con., cycl., dig., Dulc., euphr., gels., graph., Hyos., ip., kali-c., lach., laur., lyc., meny., merc., mur-ac., nat-m., nux-m., nux-v., op., petr., phos., plb., puls., rheum., rhus-t., sec., seneg., sep., sil., spig., Stram., tarent.
++ one-sided : Acon., agar., alum., am-m., anac., apis., arg-m., arg-n., arn., asar., bapt., bar-c., bar-m., bell., bov., cadm., calc., carb-s., carb-v., Caust., chel., chin., coc-c., cocc., colch., cop., cycl., dig., dulc., elaps., graph., guai., hell., hep., hyos., ign., kali-c., kali-i., kali-p., lach., laur., led., Lues., lyc., merc., mez., mur-ac., nat-c., nat-m., nit-ac., nux-v., olnd., op., ox-ac., petr., ph-ac., phos., plb., podo., rhod., rhus-t., sabin., sars., sep., spig., stann., staph., stram., stront., sul-ac., tarax., thu., zinc.
++ right : Apis., arn., bell., calc., canth., Caust., colch., crot-h., elaps., graph., kali-i., nat-c., op., rhus-t., sil., stront.
++ left : Anac., apis., arg-n., arn., ars., bapt., bar-m., bell., brom., cocc., elaps., gels., hydr-ac., Lach., nit-ac., Nux-v., ox-ac., petr., podo., Rhus-t., stann., stram., sulph.
++ apoplexy, after : Anac., arn., bar-c., bell., con., lach., laur., nux-v., Phos., stann., stram., zinc.
++ coldness of the paralyzed part, with : Ars., caust., cocc., dulc., graph., nux-v., plb., rhus-t., zinc.
++ convulsions, after : Hyos.
++ heat in the paralyzed part : Alum., phos.
++ hyperæsthesia of the well side : Plb.
++ suppression of eruption : Caust., hep.
++ organs, of : Absin., acon., agar., agn., alum., am-c., am-m., ambr., anac.,ant-c., ant-t., arn., ars., asaf., asar., aur., bar-c., Bell., bism-ox., bor., bov., bry., calc., camph., cann-s., canth., caps., carb-ac., carb-an., carb-s., carb-v., caust., cham., chel., chin., cic., cocc., colch., coloc., con., croc., cupr., cycl., dig., dros., Dulc., euphr., gels., graph., hell., hep., hydr-ac., Hyos., ign., iod., ip., kali-br., kali-c., kreos., lach., laur., led., lyc., mag-c., mag-m., mang., meny., merc., mez., mur-ac., nat-c., nat-m., nit-ac., nux-m., nux-v., olnd., op., par., petr., ph-ac., phos., plb., Puls., rheum., rhod., rhus-t., ruta., sabad., sabin., sars., Scil., Sec., seneg., sep., Sil., spig., spong., stann., staph., stram., stront., sul-ac., sulph., thu., verat., verb., zinc.
++ painless : Absin., acon., æth., alum., ambr., anac., arg-n., arn., ars., aur., bapt., bar-c., bell., bov., bry., bufo-r., cadm., calc., camph., Cann-i., carb-s.,carb-v., caust., cham., chel., chin-s., chin., chlor., cic., Cocc., colch., coloc., Con., crot-h., cupr., cur., ferr., Gels., graph., hell., hydr-ac., hyos., ign., ip., kali-c., kalm., laur., led., Lyc., merc., nat-m., nux-m., nux-v., Olnd., op., ph-ac., phos., Plb., puls., rhod., Rhus-t., sec., sil., staph., stram., stront., sulph., verat., zinc.
++ post-diphtheritic : Ars., caust., Cocc., con., crot-h., gels., hyos., lac-c., lach., nat-m., nux-v., phos., phyt., plb., sec., sil.
++ single parts : Caust., dulc.
বোরিকস রেপার্টরির সাহায্যে পক্ষাঘাতের সদৃশ ঔষধ নির্বাচন
PARALYSIS -- Absinth., Acon., Agar., Alum., Angust., Aragal., Arg iod., Arg. n., Ars. iod., Asaf., Astrag., Aur., Bar. ac., Bar. c., Bar. m., Bell., Calc. caust., Calend., Can. ind., Carbon. oxy., Carbon s., Caust., Chin. s., Cic., Cocc., Colch., Con., Cupr. m., Dulc., Gels., Graph., Grind., Guaco, Helod., Hydroc. ac., Hyos., Hyper., Ign., Iris fl., Kali br., Kali c., Kali iod., Kali p., Lach., Latrod. has., Lol. tem., Merc. c., Nat. m., Nux v., Oleand., Op., Ox. ac., Oxytr., Phos., Physal., Physost., Picr. ac., Plat., Plectranth., Plumb. ac., Plumb. iod., Plumb. m., Rhus t., Stann., Staph., Sec., Strych. ferr. cit., Sul., Tab., Thall., Ver. a., Xanth., Zinc. m., Zinc. p.
TYPE
Agitans -- Agar., Ars., Aur. sul., Avena, Bufo, Camph. monobr., Can. ind., Cocaine, Cocc., Con., Dub., Gels., Helod., Hyos., Hyosc. hydrobr., Kali br., Lathyr., Lolium, Mag. p., Mang. ac., Merc. s., Merc., Nicotine, Phos., Physos., Plumb., Scutel., Tab., Tar. h., Zinc. cy., Zinc. picr.Ascending spinal (See Spine.) -- Alum., Bar. ac., Con., Gels., Lathyr., Led., Ox. ac., Phos., Picr. ac., Sec.
Bulbar -- Guaco, Mang. ox., Plumb. m.
General of insane -- Ant. c., Ars., Aur., Bell., Can. ind., Caust., Hyos., Kali br., Kali iod., Merc. c., Nat. iod., Nux v., Op., Phos., Physost., Plumb., Stram., Sul., Ver. a.
Gradually appearing -- Caust.
HEMIPLEGIA -- Ambra, Arn., Ars., Aur. m., Bapt., Bar. c., Bothrops, Carbon s., Caust., Chenop., Cocc., Cur., Elaps, Hydroc. ac., Irid., Lach., Nux v., Oleand., Phos., Physost., Picr. ac., Rhus t., Sec., Stann., Strych., Ver. v., Vipera, Xanth.
Left -- Ambra, Arn., Bapt., Bell., Cocc., Cupr. ars., Lach., Lyc., Physost., Ver. v., Xanth
Right -- Bell., Caust., Chenop., Cur., Elaps, Irid.
Hysterical -- Acon., Arg. n., Asaf., Cocc., Ign., Phos., Tar. h.Infantile (poliomyelitis anterior) (See Spine.) -- Acon., Ćth., Bell., Calc. c., Caust., Chrom. s., Gels., Lathyrus, Nux v., Phos., Plumb. m., Rhus t., Sec., Sul.
Labio-glossopharyngeal -- Anac., Bar. c., Bell., Caust., Cocc., Con., Gels., Mang. binox., Nux v., Oleand., Plumb.Landry's paralysis -- Aconitin., Con., Lyssin.
Lead -- Alumen, Caust., Cupr., Kali iod., Nux v., Op., Plumb., Sul. ac.
LOCALIZED
Ankles [in], in afternoon -- Cham.
Arms [in], hands -- Cupr. m., Thyr.
Bladder [in] -- Caust., Nux v.
Chest [in] -- Gels.
Eye muscles [in] -- Caust., Con., Gels., Phos., Physost., Rhus t.
Face (Bell's palsy) [in] -- Acon., Am. phos., Bar. c., Bell., Caust., Cur., Gels., Graph., Kali chlor., Nat. m., Rhus t., Solan. ves., Zinc. picr.Feet at night [in] -- Cham.
Forearm (wrist drop) [in] -- Cur., Ferr. ac., Plumb. ac., Plumb. m., Ruta, Sil.
Motor nerves [in] -- Cur., Cystisin, Gels., Ox. ac., Phos., Physost., Xanth.
Neck [in] -- Cocc.
Sensory nerves [in] -- Cocaine, Laburn., Plat.
Sphincters [in] -- Ars., Caust., Gels., Naja, Nux v., Phos., Physost.
Throat, vocal cords [in] -- Bell., Bothrops., Canth., Caust., Cocaine, Cocc., Gels., Kali p., Ox. ac., Plumb.
PARAPLEGIA -- Acon., Alum., Anhal., Arg. n., Arn., Ars., Bell., Gaul., Caust., Cocc., Con., Cupr. m., Cur., Dulc., Formica, Gels., Hyper., Kali iod., Kali tart., Kal., Lach., Lathyr., Latrod. has., Mang. ac., Merc. c., Nux v., Ox. ac., Phos., Physost., Picr. ac., Plumb. ac., Rhus t., Sec., Strych., Thall., Thyr.
Hysterical -- Cocc., Con., Cupr., Ign., Nux v., Plumb., Tar. h.Spastic (See Sclerosis - Spine.) -- Gels., Hyper., Lathyr., Nux v., Plectranth., Sec.
POST-DIPHTHERITIC -- Arg. n., Aur. mur., Avena, Botul., Caust., Cocc., Con., Diph., Gels., Kali iod., Lach., Nat. m., Nux v., Phos., Phyt., Plumb. ac., Plumb. m., Rhod., Rhus t., Sec.
Pseudohypertrophic -- Cur., Phos., Thyr.
Rheumatic -- Caust., Dulc., Lathyr., Phos., Rhus t., Sul.
Spinal origin -- Alum., Bell., Can. ind., Con., Irid., Lathyr., Phos., Physost., Picr. ac., Plumb., Xanth.
EPILEPSY-PETIT MAL -- Art. v., Bell., Caust., Phos., Zinc. cy.

উপসংহার
পক্ষাঘাত একটি জটিলরোগ এই রোগ চিকিৎসায় অনেক দক্ষতার প্রয়োজন। হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা। কোন কোন লক্ষণ বিবেচনায় ঔষধ নির্বাচন করতে হবে এই দক্ষতা অর্জনের জন্য কঠিন শ্রম ও মেধার প্রয়োজন।আমার এই লেখা পড়ে মনে হতে পারে যে পক্ষাঘাত চিকিৎসা অতি সহজ কিন্তু আসলে তা নয়।এখানে ৪৪টি ঔষধের নির্বাচন করার সহজ গাইডলাইন উপস্হাপন করেছি। এছাড়াও অনেক ঔষধ পক্ষাঘাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে পারে। এত বড় ঔষধের তালিকা দেখেই অনুমান করা যায় যে এই রোগ চিকিৎসা সহজ নয়।


লেখক -
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
আশুলিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড 
বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের দক্ষিণ পাশে 
এ আর টাওয়ার রুম নাম্বার ৯
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং 01716651488



শুক্রবার, জুলাই ০৩, ২০২০

মুখ দিয়ে লালা স্রাবের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

Homeopathic treatment for Salivation.

Salivation বা মুখ দিয়ে লালা স্রাব

বাচ্চাদের মুখ থেকে লালা বের হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার। শিশুর ৪ বছর পর্যন্ত মুখ দিয়ে লালা বের হতে পারে। এ সময়ে শিশুর মুখের স্নায়ু ও পেশি বাড়তে থাকার কারণে লালা বেশি উৎপন্ন হয়। কিন্তু বয়স্কদের মধ্যেও ঘুমন্ত অবস্থায় কারও কারও মুখ থেকে লালা ঝরতে দেখা যায়। এই লালা থেকে মাথার বালিশ ও কাপড়চোপড়ও ভিজে যায়। এটি এক ধরনের অসুস্থতা। তাই লজ্জা না পেয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

কি কি কারণে মুখ থেকে লালা স্রাব হয়

ü ১) দাঁতের ফাঁকে ছোট খাবারকণা জমে থাকার কারণে দাঁতের সুস্থতা নষ্ট হয়। দাঁত অসুস্থ হলে লালা পড়ার সমস্যা অনেকে দাঁত দিয়ে নখ কেটে থাকেন, আবার মুখে যখন তখন আঙ্গুল দেওয়া এবং কোনো জিনিসের ওপর সরাসরি কামড় দেওয়ার অভ্যাসও আছে অনেকের। এ থেকে মুখের তাপমাত্রা ও আদ্রতা কমে গিয়ে মুখের ভেতর সহজেই ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হয়। এই কারণে মুখ থেকে লালা পড়তে পারে।

ü ২) মাউথ আলসারের কারণে মুখে থুতু বেড়ে যায়। ঘুমালে এই থুতু লালা আকারে বের হয়।

ü ৩) শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, মস্তিষ্কের বেশি ব্যবহার অথবা কিছু ওষুধ খাওয়া থেকে স্নায়ুতন্ত্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। এই কারণে ঘুমের সময় মস্তিষ্ক কিছু ভুল সংকেত পাঠায়। এতে মুখে থুতু বেড়ে গিয়ে লালা পড়তে পারে।

ü ৪) বয়স্কদের মুখ থেকে লালা পড়ার সমস্যার সঙ্গে পিলে ও পাকস্থলির ভারসাম্যহীনতা জড়িত। পিলে ও পাকস্থলি দুর্বল হলে এ অবস্থা দেখা দেয়। এ ধরনের সমস্যা থাকলে ঘুম ভালো হয় না, ফলে এর কারণে শরীরে অন্যান্য রোগের সঙ্গে লালা পড়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

ü ৫) ঠাণ্ডা লাগার পর ঘুমের সময় লালা পড়তে পারে। এ সময় যদি মুখের কোণা একটু বাঁকা বা ঢালু হয়, তাহলে এটি মুখের স্নায়ুতন্ত্র সমস্যার এক্ষেত্রে লালা স্রাব হয়

মুখদিয়ে লালাস্রাবের বিভিন্ন কারণ রয়েছে, কারণ অনুসারে সদৃশ মতে চিকিৎসায় কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই সহজে আরোগ্য হয়।
লালাস্রাবের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নির্বাচন গাইড
 

Ø ১)মুখে প্রদাহ জনিত লালাস্রাবের সদৃশ ঔষধসমুহ- মার্ক সল, অরাম মেট, হিপার সাল্ফ, ব্রাইয়োনিয়া এলবম, বোরাক্স, এসিড নাইট্রেড ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।

Ø ২)পুরাতন পাকস্হলির প্রদাহেরকারণে লালা স্রাবের সদৃশ ঔষধ- আইরিস ভার্স, কেলি বাইক্রম, বিস্মাথ, আর্সেনিক এলবম, ল্যাকেসিস, নাক্স ভুমিকা, কার্বো ভেজ, চায়না, লাইকোপোডিয়াম, হিপার সাল্ফ ইত্যাদি।

Ø ৩)গর্ভাবস্হায় লালাস্রাবের সদৃশ ঔষধ- পালসেটিলা, সাইক্লামেন, আইরিস ভার্স, কেলি বাইক্রম, ইপিকাক, সালফার, মার্ক সল, নেট্রাম মিউর ইত্যাদি।

Ø ৪)ক্ষিপ্ততার কারণে লালা স্রাবের সদৃশ ঔষধ - বেলেডোনা, হায়োসিয়ামাস, ল্যাকেসিস, ষ্ট্রমোনিয়াম, লাইসন, মার্কসল ইত্যাদি।

Ø ৫)জলাতঙ্ক রোগের কারণে লালা স্রাবের সদৃশ ঔষধ - বেলেডোনা, ষ্ট্রামোনিয়াম, লাইসিন, ল্যাকেসিস প্রভৃতি ঔষধ প্রয়োজন হতে পারে।

Ø ৬ )পারদবিষের কারণে লালাস্রাবের সদৃশ ঔষধ-  হিপার সাল্ফ, চায়না, এসিড ফ্লোর, এসিড নাই, অরাম মেট, পডোফাইলাম, কেলি আইয়োড, ডলকামারা প্রভৃতি প্রয়োজন।

মুখ দিয়ে লালাস্রাবের সদৃশ ঔষধ নির্বাচনের কৌশল কেন্ট রেপার্টরি
SALIVATION
 : Acet-ac., acon., Act-r., act-sp., æsc., æth., agar., alet., all-s., aloe., alum., alumn., Am-c., ambr., anac., anag., anan., ang., ant-c., ant-t., anthr., aphis., apis., apoc., arg-m., arg-n., arn., ars-h., ars-i., ars-m., ars., arum-m., Arum-t., arund., asaf., asar., aspar., aster., aur-m., bapt., Bar-c., bar-m., bell., bism-ox., Bor., bov., brom., bry., bufo-r., cadm., cahin., calad., calc-p., calc-s., calc., camph., canth., caps., carb-ac., carb-an., carb-s., carb-v., card-m., caust., cham., chel., chin-a., chin., chlor., cic., cina., cinnam., cinnb., clem., cob., coc-c., colch., con., cop., croc., crot-c., crot-t., cupr-ar., cupr., cycl., daph., dig., dros., dulc., eug., eup-pur., eupho., ferr-ar., ferr-i., ferr-ma., ferr-p., ferr., Fl-ac., gamb., glon., gran., graph., grat., hell., helon., hep., hippoz., hydr-ac., hyos., ign., Iod., Ip., iris., jab., jatr., kali-ar., kali-bi., kali-br., Kali-c., kali-chl., kali-i., kali-p., kali-s., kalm., kreos., lac-c., lach., lachn., lact-ac., lact., laur., led., lil-t., lob., lyc., Lyss., mag-m., manc., mang., med., Merc-c., merc-cy., merc-d., Merc-i-r., Merc., mez., mur-ac., naja., nat-a., nat-c., Nat-m., nat-p., nat-s., nicc., Nit-ac., nux-m., Nux-v., œna., ol-an., op., ox-ac., par., petr., phel., phos., phyt., plan., plb., podo., polyg-h., ptel., puls., ran-b., ran-s., rat., rhod., rhus-t., ruta., sabad., sang., sec., seneg., sep., sil., sin-n., spig., spong., stann., staph., stram., sul-ac., sulph., tab., tarax., tell., teucr., thea., thu., uran., Verat., verb., viol-t., zinc.
SALIVATION, morning
++ morning : Alum., aur., Graph., iod., lact-ac., lyc., mag-c., mag-m., merc-i-f., rhus-t., sars., stann., sulph., verat.
++
 bed, in : Rhus-t.

++ sleep, during : Bar-c.

++ waking, on : Stann.

++ afternoon : Alum., grat., mag-c., mag-m., phos.

++ evening : Bry., lyc., ox-ac., sulph.

++ in bed : Alum., nat-m.

++ night : Arg-n., bar-c., canth., cench., crot-h., dig., Merc., nat-m., nux-v., ptel., puls., rhus-t., ruta., sulph.

++ lying down agg. : Bell.

++ 1 a.m. : Merc.

++ alternating with dry mouth : Calc., carb-v., con., ign., verat.

++ chill, before : Ip., rhus-t.

++ during : Asaf., caps.

++ convulsions, with : Bar-m., œna.

++ cough : Am-m., ambr., ars., carb-v., cycl., lach., merc., mez., spig., staph.

++ dryness, with sense of : Alum., colch., kali-c., mag-m., plb., rhod.

++ eating, after : All-s., cast-eq., caust., mag-c., nat-s., nux-v., sulph.

++ expectoration, frequent : Am-c., cadm., graph., lyss., puls., rhus-t., sabad., spig.

++ headache, before : Fl-ac.

++ during : Am-c., hipp., ign., Merc., nat-s., verat.

++ heat, during : Arund., dros., hell., hep., nit-ac., stram., sulph.

++ lying, while : Ip., ptel., rhus-t.

++ menses, before : Puls.

++ during : Agar., eupi., mag-c., merc., nux-m., puls.

++ after : Cedr.

++ mental work, during : Merc-c., merc., nit-ac.

++ mercury, from : Alumn., anan., asaf., bell., Chin., cupr., dig., dulc., hep., Iod., lach., nat-m., nit-ac., phyt., sulph.

++ pregnancy, during : Acet-ac., ant-t., coff., helon., kali-i., Kreos., lact-ac.

++ rage, during : Canth.

++ shuddering, with : Arg-m., arg-n., eupho.

++ sleep, during : Bar-c., carb-an., kali-c., lac-c., Merc., puls., rhus-t.

++ smoking, while : Bry., kali-bi., merc., rhus-t., sep.

++ stool, before : Fl-ac.

++ during : Colch., rheum.

++ after : Mag-m.

++ stooping : Graph., nux-v.

++ sudden attacks : Ign.

++ talking, while : Graph., iris., lach., nat-c., sabin.

++ walking, while : Caust., petr.

++ SCABS, gangrenous, Gums : Chin., sulph.

SALIVA, acid (See Sour)

++ acrid : Agar., am-c., arum-t., asaf., ign., kalm., lac-c., lact., merc-i-f., merc., nit-ac., verat.

++ albuminous : Am-caust., calad., stram.

++ alkaline : Jab., plb., sin-n.

++ aromatic : Coca.

++ astringent : Par.

++ bitter : Ars., bapt., Chel., coca., kali-bi., kalm., lyc., mang., phos., sulph., thu., ust.

++ bloody : Acon., am-c., arg-m., arn., ars., aspar., bad., bell., bry., Bufo-r., calad., camph., canth., carb-s., carb-v., cic., clem., Crot-c., crot-h., dros., eug., gels., hyos., indg., jatr., kali-i., Mag-c., merc-c., merc., nat-m., Nit-ac., nux-v., op., Phos., rhus-t., sec., staph., stram., sulph., thu., vip., zinc.

++ menses, before : Nat-m.

++ bluish : Plb.

++ white : Carb-ac.

++ brassy : Kali-chl.

++ brownish : Bell., bism-ox., crot-c., plan.

++ burning : Manc.

++ clammy : Arg-m., bell., berb., camph., cann-s., eug., lob.

++ cool : Asar., bor., chen-v., cist., merc-c., phyt.

++ coppery : Merc., ran-b.

++ cotton, like : Berb., nux-m., Puls.

--- diminished (See Scanty)

++ dries on palate and lips, becomes tough : Lyc.

++ fetid : Ars., dig., iod., manc., merc-i-f., Merc., Nit-ac., petr.

++ frothy : Acon., apis., berb., brom., bry., bufo-r., cann-i., canth., carb-an., cham., cina., cinnb., cocc., crot-h., cupr., dig., eug., hyos., ign., kali-bi., kreos., lac-c., lyss., morph., ph-ac., phel., phys., pic-ac., plb., puls., ran-s., sabin., spig., stram., sulph.

++ while talking : Nat-c., sabin.

++ gluey : Act-r., bad., bell., cinnb., nux-m.

++ green : Gins., graph., sec.

++ hot : Asar., daph., manc., mosch., sabad., tax.

++ during nausea : Sabad., tax.

++ jelly-like : Sabad.

++ metallic tasting : Act-r., bism-ox., cedr., cham., cimx., coc-c., jatr., kali-bi., kali-chl., lyc., merc., phyt., ran-b., thu., zinc.

++ musty : Kali-bi., led.

++ offensive : Alumn., ars., atro., bry., caps., dig., dulc., iod., lach., manc., merc-c., merc-i-r., Merc., Nit-ac., petr., plb., valer.

++ morning : Glon., petr.

++ night : Merc.

++ oily : Æsc., cub.

++ onions, odor of : Kali-i.

SALIVA, pasty (See Gluey)
--- pasty (See
 Gluey)

++ reddish : Sabin., sul-ac.

++ ropy (See Viscid) : Ferr., iris., Kali-bi., lach., lyss., phyt., sanic.

++ saltish (See Taste) : Am-c., ang., ant-c., carb-an., colch., Cycl., dig., elaps., eupho., hyos., kali-bi., kali-i., kali-p., lact-ac., lyc., mag-m., merc-c., merc., mez., nat-c., nat-m., phos., rhus-t., sep., sin-a., stram., sulph., tax., verat., verb.

++ morning : Rhus-t., sul-ac., sulph.

++ scanty : Arn., ars., asaf., aspar., berb., calad., coca., cycl., hyos., jab., merc-c., nux-m., op., petr., plb., spong., tax., thea., verat.

++ slimy (See Taste) : Bell., camph., glon., lach., merc., petr., plb., rhus-t., sars.

++ soapy (See Frothy, also Taste) : Berb., bry., dulc., merc., phos.

++ morning : Apis.

++ sour (See Taste) : Agar., alum., ang., atro., calc-p., calc., carb-s., crot-t., Ign., kali-bi., kali-chl., lact., laur., lyc., manc., merc., nat-m., nat-s., par., petr., ph-ac., phos., podo., sec., stann., sulph., tarax., tax., upa., uran.

++ suppressed : Bell., cahin., cann-s., merc-c., op., phyt., stram.

++ in teething children : Kali-br.

++ sweet (See Taste) : All-s., alum., alumn., aspar., aur., canth., carb-an., Cham., chin., cop., cupr., dig., hyos., kali-i., lob., Lues., nicc., nit-ac., phos., pic-ac., plb., Puls., sabad., sep., sul-ac., thu.

++ night : Sulph.

--- tenacious (See Viscid)

++ thick (See Viscid) : Act-r., anan., ars., bell., bism-ox., cahin., calad., cann-i., carb-ac., cedr., cocc., crot-c., kali-p., nux-m., op., phyt., rhus-t., rhus-v., tax.

++ morning : Glon.

++ thin (See Watery) : Jatr., lyss., manc.

++ viscid : Acet-ac., acon., Act-r., agn., am-br., anag., anan., apis., arg-m., ars., bapt., bell., berb., calc., camph., cann-s., caps., carb-s., carb-v., Chel., cinnb., con., crot-c., cupr., cycl., dulc., elaps., eug., fl-ac., ign., iris., jatr., Kali-bi., kali-i., lac-c., Lach., lachn., lob., Lyss., med., Merc-c., Merc., merl., nat-a., nat-c., nit-ac., nux-m., ph-ac., phos., phyt., pic-ac., puls.,seneg., spig., stram., sul-ac., tarax., verat.

++ night : Merc.

++ drawing out in strings : Agn.

++ watery : Asar., aur-m., calc-ars., calc., camph., carb-an., cob., cycl., dros., jatr., kreos., led., lob., lyss., mag-m., manc., nat-m., ox-ac., phos., puls., sul-ac., thea.

++ white : Ars., bell., calad., cann-i., ol-an., ran-b., sabin., spig.

++ bluish : Carb-ac.

++ yellow : Cycl., gels., lyc., lyss., manc., merc-c., phyt., rhus-t., sec.

++ as from blood : Gels.

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসামতে সঠিক সদৃশ ঔষধ নির্ণয় একটি কঠিন কাজ সুতরাং আমার এ লেখা পড়ে একাকি চিকিৎসা না করে একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সাহায্য নিন। আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন। লিঙ্ক 
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg


ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার

ইভা হোমিও হল

বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।

গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬

মেবাইল:০১৭১৬৬৫১৪৮৮।