Viral/Bacterial Nosode-গুলো সংশ্লিষ্ট ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। যেমন -
Variolinum বসন্ত রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
Morbilinum হাম রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
Influenzinum সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে কাজ করে।
Denguinum বা Dengue Nosode ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ করে।
Meningococcinum নোসোড টি মেনিঙ্গুকক্কাল ইনফেকশন প্রতিরোধে কাজ করে। [ব্রাজিল-এ এটি নিয়ে স্টাডি হয়েছে]
Leptospira নোসোড Leptospirosis রোগের প্রতিরোধ করে। [কিউবাতে এটি সরকারীভাবে সাফল্যের সাথে ব্যবহার করা হয়েছে]
সেজন্য বর্তমানের নতুন করোনা ভাইরাসজনিত রোগ - কভিড-১৯ প্রতিরোধে SARS-CoV-2 ভাইরাসটির নোসোড ওষুধ তৈরি করা সময়ের দাবি। এটি এ রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে বলে আশা করি।
*** কোন মহামারী রোগের প্রতিষেধক হিসেবে সদৃশ্য লক্ষণ সৃষ্টিকারী যে কোন ওষুধই ব্যবহৃত হতে পারে।
বর্তমান কভিড-১৯ রোগটির যেসব কমন লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে তার সাথে কয়েকটি ওষুধের মিল পাওয়া যায়।
এগুলো হলো -
1. Gelsemium
2. Bryonia alba
3. Camphora
4. Nux vomica
5. Ars album
এ ওষুধগুলো বিভিন্ন হোমিও চিকিৎসকগন সাজেস্ট করেছেন। দেখা যাচ্ছে সবাই একটি ওষুধের মধ্যে আসতে পারছেন না। এর কারণ হতে পারে -
১. নতুন করোনা ভাইরাস ব্যপকভাবে হোমিওপ্যাথরা চিকিৎসা করার সুযোগ পাচ্ছেন না।
২. এই ভাইরাসটি বিভিন্ন দেশে কিছু ভিন্ন লক্ষনও প্রকাশ করছে।
৩. বিভিন্ন দেশের আবওহাওয়া, গন ইমিউনিটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, সেকারনে এটি ভিন্ন ভিন্ন দেশে ফাটালিটি ভিন্ন ভিন্ন হচ্ছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কারন হলো ১ নং কারণ। আমরা যদি প্রচুর পরিমানে রোগী হাতে পেতাম তাহলে কোন দেশ বা অঞ্চলে প্রায় একক প্রতিষেধক ওষুধ নির্বাচন করতে পারতাম। সেক্ষেত্রে ভিথোলকাস যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সেটি অনুসরন করতে পারলে একটি একক ওষুধে পৌঁছানো যেত।
হংকং এর প্রফেসর আরং জেলসিমিয়াম ও ব্রায়োনিয়া ওষুধ প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করে ভাল ফলাফল পেয়েছেন।
বর্তমানে এ ওষুধ দুটির লক্ষণের সাথেই Covid 19 এর লক্ষণাবলী বেশি মিলে। কারণ কভিড-১৯ এর শুরু হয় ধীরে ধীরে।
Camphor ওষুধটি ইরান এর রোগীদের জন্য বেশি কাজ করেছে। কারণ ইরানের হাসপাতালে ভর্তি বেশ কয়েকটি রোগীর কমন লক্ষণ মিলিয়ে এটি নির্বাচন করা হয়েছে, এবং ৩০ এর অধিক রোগীতে এটি প্রয়োগ করে ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে। ইরানের এই রোগীগুলো বেশ জটিল অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আমরা জানি Camphor রোগের কঠিণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
Arsenic album এর লক্ষণ খুব দ্রুত গতিতে দেখা দেয়, এবং এ ওষুধে প্রচুর হাঁচি থাকে। কিন্তু কভিড-১৯ এর প্যাথলোজি Arsenic এর সাথে খুব একটা মিলে না, কারণ কভিড-১৯ ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় এবং হাঁচি থাকে না বললেই চলে।
তবে আর্সেনিক সাধারণ ফ্লুতে প্রায়ই ব্যবহার হয়।
কোন মহামারী রোগে সব ওষুধ সমানভাবে সিমিলিমাম হয় না। যে ওষুধ যত বেশি সিমিলিমাম হবে সেটি ততবেশি প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে। উপরোক্ত ওষুধের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য।
Mohammad Mohshinuzzaman
-----------
Holistic Health
House 1, Road 3, Block A
Mirpur 11, Dhaka 1216
Variolinum বসন্ত রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
Morbilinum হাম রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
Influenzinum সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে কাজ করে।
Denguinum বা Dengue Nosode ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ করে।
Meningococcinum নোসোড টি মেনিঙ্গুকক্কাল ইনফেকশন প্রতিরোধে কাজ করে। [ব্রাজিল-এ এটি নিয়ে স্টাডি হয়েছে]
Leptospira নোসোড Leptospirosis রোগের প্রতিরোধ করে। [কিউবাতে এটি সরকারীভাবে সাফল্যের সাথে ব্যবহার করা হয়েছে]
সেজন্য বর্তমানের নতুন করোনা ভাইরাসজনিত রোগ - কভিড-১৯ প্রতিরোধে SARS-CoV-2 ভাইরাসটির নোসোড ওষুধ তৈরি করা সময়ের দাবি। এটি এ রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে বলে আশা করি।
*** কোন মহামারী রোগের প্রতিষেধক হিসেবে সদৃশ্য লক্ষণ সৃষ্টিকারী যে কোন ওষুধই ব্যবহৃত হতে পারে।
বর্তমান কভিড-১৯ রোগটির যেসব কমন লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে তার সাথে কয়েকটি ওষুধের মিল পাওয়া যায়।
এগুলো হলো -
1. Gelsemium
2. Bryonia alba
3. Camphora
4. Nux vomica
5. Ars album
এ ওষুধগুলো বিভিন্ন হোমিও চিকিৎসকগন সাজেস্ট করেছেন। দেখা যাচ্ছে সবাই একটি ওষুধের মধ্যে আসতে পারছেন না। এর কারণ হতে পারে -
১. নতুন করোনা ভাইরাস ব্যপকভাবে হোমিওপ্যাথরা চিকিৎসা করার সুযোগ পাচ্ছেন না।
২. এই ভাইরাসটি বিভিন্ন দেশে কিছু ভিন্ন লক্ষনও প্রকাশ করছে।
৩. বিভিন্ন দেশের আবওহাওয়া, গন ইমিউনিটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, সেকারনে এটি ভিন্ন ভিন্ন দেশে ফাটালিটি ভিন্ন ভিন্ন হচ্ছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কারন হলো ১ নং কারণ। আমরা যদি প্রচুর পরিমানে রোগী হাতে পেতাম তাহলে কোন দেশ বা অঞ্চলে প্রায় একক প্রতিষেধক ওষুধ নির্বাচন করতে পারতাম। সেক্ষেত্রে ভিথোলকাস যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সেটি অনুসরন করতে পারলে একটি একক ওষুধে পৌঁছানো যেত।
হংকং এর প্রফেসর আরং জেলসিমিয়াম ও ব্রায়োনিয়া ওষুধ প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করে ভাল ফলাফল পেয়েছেন।
বর্তমানে এ ওষুধ দুটির লক্ষণের সাথেই Covid 19 এর লক্ষণাবলী বেশি মিলে। কারণ কভিড-১৯ এর শুরু হয় ধীরে ধীরে।
Camphor ওষুধটি ইরান এর রোগীদের জন্য বেশি কাজ করেছে। কারণ ইরানের হাসপাতালে ভর্তি বেশ কয়েকটি রোগীর কমন লক্ষণ মিলিয়ে এটি নির্বাচন করা হয়েছে, এবং ৩০ এর অধিক রোগীতে এটি প্রয়োগ করে ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে। ইরানের এই রোগীগুলো বেশ জটিল অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আমরা জানি Camphor রোগের কঠিণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
Arsenic album এর লক্ষণ খুব দ্রুত গতিতে দেখা দেয়, এবং এ ওষুধে প্রচুর হাঁচি থাকে। কিন্তু কভিড-১৯ এর প্যাথলোজি Arsenic এর সাথে খুব একটা মিলে না, কারণ কভিড-১৯ ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় এবং হাঁচি থাকে না বললেই চলে।
তবে আর্সেনিক সাধারণ ফ্লুতে প্রায়ই ব্যবহার হয়।
কোন মহামারী রোগে সব ওষুধ সমানভাবে সিমিলিমাম হয় না। যে ওষুধ যত বেশি সিমিলিমাম হবে সেটি ততবেশি প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে। উপরোক্ত ওষুধের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য।
Mohammad Mohshinuzzaman
-----------
Holistic Health
House 1, Road 3, Block A
Mirpur 11, Dhaka 1216
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন