![]() |
| Diary of a homeopathic doctor |
হোমিওপ্যাতিক চিকিৎসা পেশায় আমি অনেক মিরাকল দেখেছি।সুনির্বাচিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের একটি অনুবটিকা দ্বারা একটি কঠিন দুরারোগ্য ব্যাধি আরোগ্য হওয়া দেখে অভিভুত হয়েছি।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র রোগ আরোগ্যের এই সাফল্য দেখে দিন দিন এই চিকিৎসার প্রসার ঘটছে।আমি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক বই,অনলাইন মাধ্যম হতে মহাত্মা হ্যানিমান,ডাঃ কেন্ট,ডাঃ উইলিয়াম বোরিক,ডাঃ ন্যাস,ডাঃ এলেন,ডাঃ নীল মনি ঘটক,ডাঃ এন.সি ঘোষ,ডাঃ নরেন্দ্র বন্যোপাধ্যায়সহ বিখ্যাত সুনামধন্য হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের অমুল্য লেখার মধ্য হতে নিজ জ্ঞান ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করেছি।আমার প্রতিদিনের অর্জিত জ্ঞান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক জ্ঞান পিপাসুদের সাথে শেয়ার করেছি।আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়্যাস হোমিপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচার ও প্রসারে কাজে আসলে আমর শ্রম সার্থক মনে করব।পূর্বের তিন পর্বে ৫০টি করে মোট ১৫০টি টিপস দিয়েছি।আজ আরো ৫০টি টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।আজকের লেখাটি যদি আপনাদের সাড়া পাই ভবিষ্যতে লেখার প্রেরনা পাব।আর যদি সাড়া না পাই তবে আজ আমার ডাইরি আপনাদের সাথে শেয়ার করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলব।আপনাদের প্রেরণা পেলে ধারাবাহিক ভাবে আমার প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব।
151*সামান্য ব্যাথা,আবেগ,পরিশ্রমের কারণে মুখমণ্ডল, গাল গলায় রক্তিম আভার সদৃশ ঔষধ:জেলস,কোকা,এমিল নাইট্রেট ইত্যাদি।
152*কার্যের সাথে যেমন কারণের সম্পর্ক,হাইড্রোজেনয়েড ধাতুর রোগীর সাথে সাইকোসিস মায়াজমের সম্পর্ক তেমন।
153*সুস্পষ্ট লক্ষণ ছাড়া ক্রনিক রোগীর চিকিৎসা এন্টিসোরিক সদৃশ ঔষধ দ্বারা শুরু করা উচিত।এ ক্ষেত্রে লাইকোপোডিয়াম দেয়া নিষেধ।
154*মলত্যাগের পরেও রেক্টামে পূর্ণতা বোধ ও তীব্র জ্বালা করলে সদৃশ ঔষধ:এলো, ইগ্নেসিয়া, এসিড মিউর,সালফার ইত্যাদি।
155*সন্ধি বাতে সন্ধির আরষ্টতা,টানভাব,যেন ছোট হয়ে গেছে সদৃশ ঔষধ:কষ্টিকাম,এমন মিউর,গুয়েকাম,নেট্রাম মিউর,সাইক্লামেন ইত্যাদি।
156*প্রস্রাবের সময় মূত্রনালীতে জ্বালা,কেটে ফেলার মত যন্ত্রণা,কোথানী,অল্প প্রস্রাব, ধীরে নির্গত হলে সদৃশ ঔষধ ক্যান্থারিস।
157*কোষ্ঠকাঠিন্য ও ঋতুসল্পতায় গ্রাফাইটিস প্রয়োগের জন্য রোগীর চর্মরোগ বর্তমান অথবা চর্মরোগের ইতিহাস বিদ্যমান থাকা জরুরি।
158*হৃৎপিণ্ডের যাবতীয় রোগ ডানপাশে শয়নে বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ:ক্যালমিয়া,প্লাটিনাম, স্পঞ্জিয়া আর্জেন্ট নাইট্রিকাম ইত্যাদি।
159*মুত্রযন্ত্রের পীড়ায় ক্যান্থারিস ও এপিস মেল ঔষধ দুইটি নির্বাচনে পার্থক্য হলো ক্যান্থারিসের জ্বালাপোড়া এপিসের হুলফোটানো বেদনা।
160*নাক,অর্শ,গলক্ষত ইত্যাদি ছিদ্রপথে প্রচুর রক্তক্ষরণের প্রবনতা,ঠান্ডা পানি দিলে রক্তক্ষরণ বৃদ্ধিতে সদৃশ ঔষধ এমোনিয়াম কার্ব।
161*মনই দেহযন্ত্রের চালক,মনের সন্ধান না করিয়া দেহযন্ত্র দেখে রোগীর সদৃশ ঔষধটি নির্বাচিত হলে আরোগ্যে বিফলতা আনয়ন করে।
162*স্ত্রী ও পুরুষ জননেন্দ্রিয়ের গ্রাফাইটিসের রোগী চিত্র:পুরুষ রাত্রিকালে লিঙ্গউচ্ছ্বাস, কামচিন্তায় নিদ্রাহীন।স্ত্রীদের সঙ্গম ইচ্ছাহীন।
163*যকৃতের বিশৃঙ্খলায় কোষ্ঠকাঠিন্যে ম্যাগ মিউর উপযোগী,এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য না থাকিলে অন্যান্য সদৃশ রোগে এর প্রয়োগ চিন্তা ভুল।
164*মার্কসলের মধ্যে সিফিলিটিক দোষের পূর্ণ চিত্র বিদ্যমান।টাইফয়েড জ্বর ছাড়া সকল প্রকার জ্বরে ও মাঢ়ির ক্ষত আরোগ্যের সদৃশ ঔষধ।
165*ধাতুগত গভীর কার্যকরি ঔষধ,কেলি কার্ব,সালফার,সাইলেসিয়া,ফসফরাস,হিপার সাল্ফ যক্ষার জটিল অবস্থায় প্রয়োগে সাবধান হউন।
166*এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পর হোমিওপ্যাথিতে আর্সেনিক,আর্স আইয়োড,কেলি আইয়োড,মার্কসল উচ্চ শক্তিতে শুরু হয়।
167*এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পর হোমিওপ্যাথিতে আর্সেনিক,আর্স আইয়োড,কেলি আইয়োড,মার্কসল উচ্চ শক্তিতে শুরু হয়।
168*নেট্রাম শ্রেণীর নেট্রাম মিউর গরম কাতর,নেট্রাম কার্ব শীত কাতর আর নেট্রাম সাল্ফ বর্ষা কাতর রোগীর সদৃশ ঔষধ।
169*নেট্রাম শ্রেণীর ঔষধের প্রতিটির সাদৃশ্য হল, সঙ্গীত অপছন্দ,বিষন্ন,উদাসীন,লোক সমাগম অপছন্দ করে,স্রাব প্রবনতা বিদ্যমান।
170*নেট্রাম মিউরের রোগী ঠান্ডা পানিতে গোসল করিতে ইচ্ছা করে কিন্তু তাতে রোগ বৃদ্ধি,নেট্রাম কার্বের রোগী নাতিশীতোষ্ণ পছন্দ করে।
171*নেট্রাম মিউর,বোরাক্স,সিপিয়া,নেট্রাম কার্ব প্রভৃতি সদৃশ ঔষধ গুলো নারীদের অন্যান্য সদৃশ ঔষধ হতে পৃথক,নারীর অযোগ্যতা।
`172*একজন রাসটক্সের রোগীর রোগী চিত্র:রোগীর মণ অস্হির, বাতের বেদনা সন্ধ্যায় ও রাতে বৃদ্ধি, মেজাজ অত্যন্ত রাগী এবং অনেক জিদি, মিথ্যা কথা তার অপছন্দ।রোগীর বাত বেদনায় রাসটক্স কয়েক মাত্রা সেবনের পর রোগী আরাম পায় এবং উচ্চ শক্তি কয়েক মাত্রা সেবনে এক মাসের মধ্যে পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন।
173*শীর্ণকায় একটি শিশু রোগীর লাইকোপোডিয়াম নির্বাচক রোগী চিত্র:রোগীর বয়স পাঁচ বছর নাম ইলিয়াস, জেলা টাংগাইল।রোগীর ভীষন কোষ্ঠবদ্ধ,অতিরিক্ত ক্ষুধা কিন্তু২/৪ গ্রাস খাবার খাইলে পেট ভরে যায়।প্রতিদিন বিকাল৪টা হইতে রাত৮টা পর্যন্ত সে বেশি অসুস্থ বোধ করে।তার বর্তমান শীর্ণতা রোগটি ধীরগতিতে ও পরিপাকতন্ত্রের বিশৃঙ্খলাকে কেন্দ্র করে অগ্রসর।তার নিশ্বাসের সময় দুই নাকের পাখনা উঠানামা করে ও ঠাণ্ডা পানি পানে বিতৃষ্ণা।নাকের সর্দি স্রাব শুষ্ক হইয়া নাকের ছিদ্র মামড়িতে পূর্ণ থাকে।ফলে মুখ দিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের কাজ চালাইতে হয়।শিশুটির শরীরের শীর্ণতা ভাবটি পেটে অম্লতা ও রাক্ষুষে ক্ষুধা দিয় শুরু হয় এখন ক্ষুদাহীন হয়ে অপুষ্টিতে ভুগে দেহটি কঙ্কালসার হয়ে গেছে।শিশুটি সকালে নিদ্রা ভঙ্গের পরে বিতৃষ্ণা ভাবটি প্রবল হয়।যকৃতের বিশৃঙ্খলা, কোষ্ঠবদ্ধতা বৃদ্ধির সাথে সাথে সর্দির প্রবনতা বৃদ্ধি পাইয়াছে।রোগীর বর্তমান সময়ের শুষ্কতা প্রাপ্ত হইতে দুই বৎসর সময় লেগেছে।এখন রোগীর অবস্থা জড়পিন্ডের মতো অনুভূতিহীন।
**এই রোগীর জন্য লাইকোপোডিয়াম সদৃশ ঔষধ।লাইকোপোডিয়াম নির্বাচনের জন্য এই সাদৃশ্যপূর্ণ লক্ষণ সমষ্টি থাকা জরুরী।
174*একজন ফর্সা, বেটে,মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে রমনীর, তিন চার দিন যাবৎ ডান স্তনের ভীষণ বেদনা ও জ্বালা।ঠান্ডা গরম কোন কিছুতেই আরাম পায় না।শিশুকে স্তনের দুধপান করিতে দিতে অসমর্থ।হাত ছোঁয়া দিলেও বেদনায় কাতর।জিহ্বা লাল রঙের, পিপাসা স্বাভাবিক, বাত রোগী।
***রোগীলিপি বিশ্লেষণ করে ফাইটোলক্কা দেওয়ার তিন দিনেই সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন।175*একটি শীরঃপীড়ার রোগীলিপি:রোগীর নাম শিল্পী রানী বিশ্বাস,ঝিনাইদহ।রোগীর মাথার পিছনের দিকটা অসহ্য ভারবোধ থাকে,মাঝে মাঝে মাথা ঘুরায়, মনে করেন মাথায় একটি ভারী সীসা চাপানো আছে।মাথায় দপদপানি বেদনা।তিনি অনুভব করেন,তার পিছনে মলদ্বার হতে মেরুদন্ডের ভিতর দিয়ে একটি তীক্ষ্ম বেদনা মাথার পিছনে পৌঁছায়।সে প্রায়ই বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার মধ্যে কাটায়।ভান্ত ধারণা যখন তীব্র হয় তার সঙ্গে মাথা ঘুরানোর বৃদ্ধি পায়।মাথা বেদনা ও মাথা ঘুরানির সাথে বমি ও বমি ভাবটি দেখা দেয়।নড়াচড়া বা উঠিয়া দাঁড়াইলে বা নাড়িলে রোগযন্ত্রনা বৃদ্ধি পায়।কলহপ্রীয় রোগী,গাড়িতে চড়িলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।গায়ে চর্মরোগ রয়েছে এবং শীতকালে ঔ চর্মরোগ বৃদ্ধি পায়।কিছু দিন পূর্বে একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছেন।
**উপরোক্ত লক্ষণ বিবেচনা করে তাকে পেট্রোলিয়াম দেয়া হয়।এই ঔষধেই তিনি সকল রোগের আদর্শ আরোগ্য লাভ করেন।
176*একটি চর্মরোগের রোগীচিত্র: কমলা রানী দাস নামের এক রমনীর শরীরে চাকা চাকা উদ্ভেদ বাহির হয়।রক্তহীন দেহ।শরীরের কালচে রঙের চাকা চাকা উদ্ভেদ গুলিতে শুস্ক অথচ পচনশীল ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।রোগ যন্ত্রণা গরমে বৃদ্ধি।সর্বদা ঠাণ্ডা চান।অতিরিক্ত পিপাসা, শরীরে ঠান্ডা অনুভব হয় কিন্তু ভিতরে যেন আগুনের ঝলকানি বয়ে যায়।শরীরে পিপিলিকা হাটার অনুভূতি।ঋতুস্রাব অনেক বেশি, সকল স্রাব দুর্গন্ধযুক্ত। চর্মরোগে উদ্ভেদ গুলিতে ঘর্ষণের অভিলাষ করে।মহিলার বার বার গর্ভস্রাবের ইতিহাস এবং একটি মাত্র সন্তান।
***উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টি বিশ্লেষণ করে রোগিনীর জন্য সিকেলি কর দেয়া হয় এবং এক মাসের মধ্যে চর্মরোগের আদর্শ আরোগ্য লাভ করে।
177*ঝড়ের দিনে,বর্ষার ভিজা ঠান্ডায় পরিবর্তনশীল বাতের যন্ত্রণার বৃদ্ধি।গরম ঘরে,শরীর আচ্ছাদনে,চলাফেরা বা সঞ্চালনে আরামের সদৃশ ঔষধ রডোডেন্ড্রন।
176*ডাঃ কেন্ট ও ডাঃ বার্নেট এর মতে মস্তিষ্কের বিকৃতি এবং ফুসফুসের বিকৃতি একই মূদ্রার এপিঠ ওপিঠ।
179*সাইকোসিস দোষের রোগীর কোন ব্যাক্তির জ্বর দেখা দেয়া মাত্র মস্তিষ্কের বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় ও প্রলাপ বকতে থাকে।
180*টিউবারকুলোসিস সন্দেহে সাধারনতঃ সালফার,সাইলেসিয়া,ফসফরাস ব্যবহারে রোগ যন্ত্রনা বেড়ে যায়।
181*ল্যাকেসিসের পর মধ্যবর্তী ঔষধরুপে সালফার প্রয়োগে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।***সাংকরণ।
182*রোরিনামের রোগী কফি পান না ছাড়া পর্য্ন্ত রোগের আরোগ্য লাভ করে না।**প্রমদাপ্রসাদ বিশ্বাস।
183*আঙ্গুল থেতলে গেলে হাইপেরিকামের সমপক্ষ ঔষধ আর নেই।** ই এ ফেরিংটন।
164*কেঁটে যাওয়ার পর সাথে সাথে রক্ত জমাট বাধে এমন রোগীর ক্ষেত্রে এনাকার্ডিয়াম দেয়া উচিত নয়।**ফেরিংটন।
185*বেলেডোনা বারবার প্রয়োগ করা অনুচিত,উচ্চ শক্তির বেলেডোনা বারবার প্রয়োগে মৃত্যু হতে পারে।ডাঃ কেস।
186*”চিকিৎসকের নিজের স্মৃতিশক্তিই সবচেয়ে উপযোগী রেপার্টরী”।জে এইচ ক্রার্ক।
187*গেটে বাতের চিকিৎসায় কলচিকাম দিয়ে বিফল হলে বেঞ্জয়িক এসিড দাও **ডাব্লিউ বোরিক। 188*এম্র্রাগ্রেসিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ অনুচিত,তাতে রোগ বৃদ্ধি পায়।**এইচ .সি মারো।
189*পেটের বেদনায় কলোসিন্হ প্রয়োগে আরোগ্র হওয়ার পরে আবার বেদনা হলে কেলি কার্ব প্রয়োগে সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়।**ডি .এম বোরল্যান্ড। 190*স্যান্টোনাইন নিম্নশক্তি ককনও জ্বর অবস্হায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য অবস্হায় কখনও দিবেন না।**ডাঃ বোরিক।
191রোগিনী সর্বদা বিমর্ষ,দু:থিত,ক্লোরোটিক ধাতুর স্ত্রীরোগীনী,পিত্তধাতুর রোগী।রোগীর উপরের অংশে ও বাম পার্শ্বের রোগী ।রোগিনী নিদ্রার উপক্রম ও নিদ্রার পরে রোগের বৃদ্ধি।সকল লোককেই সন্দেহ করেন।মনে করেন কেহ বিষ প্রয়োগে তাতে হত্যা করবে।আক্রান্ত স্হানে ছুইতে দেয় না।গলায় কাপর দিলে দম বন্ধ হবে মনে করে এবং মনে করে এর ফলে সে মারা যাবে।রোগিনী বাতাস করতে বললেও অনেক দুর থেকে বাতাস করতে বলে।প্রায়ই কোষ্ঠ বদ্ধ থাকে।
****উপরোক্ত লক্ষন সমষ্টিতে ল্যাকেসিস উপযোগী।
192*অনবরত বাহ্য বমি,নিতান্ত নিস্তেজ ও দুর্বলতা,রোগিনী চোখ বন্ধ করিয়া থাকে,যন্ত্রনা প্রবল হইলেও রোগীর অস্হিরতা থাকেনা।মন্ডের মত অথবা সবুজ মিশ্রিত কিংবা কাল রঙ্গের চাপ চাপ দুর্গন্ধ মল। রোগীর ওয়াক উঠাসহ বমি। হিমাঙ্গ ও প্রস্রাব বন্ধ অবসন্নতা ও হিমাঙ্গতাসহ স্তনক্যান্সারের রোগিনী,রোগিনী রক্তহীনতা সর্বশরীর ঠান্ডা রোগিনী শীত শীত বোধ করে।
***উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টিতে*ক্যাডমিয়াম সালফ* ইপযোগী।
173*আমবাতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহঃএপিস,আর্সেনিক,
ক্যালকেরিয়া কার্ব,কষ্টিকাম,হিপার সাল্ফ,লিডাম পাল,নেট্রাম সাল্ফ,রাসটক্স,সালফার,
195*সুনির্বাচিত ঔষধের ক্রিয়াহীনতা।বংশগত সাইকোসিস প্রবণতা যুক্ত রোগী ।বাতের বেদনা সমস্ত শরীর আক্রমণ করে।পায়ের গোড়ালি এত ব্যাথা হয় যে রোগী হাটতে পারে না।সমস্ত কষ্ট দিনের বেলায় বৃদ্ধি পায়।গরম প্রয়োগে ব্যাথা বেদনা হ্রাস পায়।শরীরের গীটগুলো ফুলে যায়।রোগের কথা বর্ননা করতে চোখে অশ্রু আসে।
***এই লক্ষণ সমষ্টিতে মেডোরিনামকে নির্দেশ করে।
196*যে সকল রোগী বয়স অপেক্ষা অধিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।একহারা চেহারা,বিদ্যৎ চমকাইতে থাকিলে বা বজ্রপাতের শব্দে অসুস্হ হইয়া পড়ে।সামান্য ক্ষত হইতে প্রচুর রক্তস্রাব।শীতল জলপানে উপশম বোধ,কিন্তু পেটের মধ্যে তাহা গরম হইয়া উঠিলেই বমি।বাম পার্শ চাপিয়া শুইতে পারে না।প্রবল ক্ষুধা ও জ্বালাবোধ।অন্ধকার ভীতি দেখা যায়।
****উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টি পেলে ফসফরাস নির্বাচন করতে পারেন।
197*প্রচুর ঘর্ম,লালা স্রাব,রাত্রিকালে বৃদ্ধিশয্যা তাতে বৃদ্ধি,অধিকাংশ ক্ষেত্রেবাম পার্শ ছাড়া শয়নে অক্ষমতা।জিহ্বা ক্লেদাবৃত,মুখে দুর্গন্ধ।রোগীর মল পস্কিার হয় না।নিশ্ফল মলবেগ,সর্বশরীর হরিদ্রাভ।যকৃতে বেদনা বোধ।সর্ব শরীর বিশেষ করে চক্ষু,হাত পায়ের তালু হরিদ্রা বর্ণের হয়।জিহ্বা সরস,মোটা থলথলে দাতের ছাপযুক্ত,মলমূত্র সবই হলুদ।
*****এই রোগীচিত্র আমাদের মার্ক সল নির্বাচণ নির্দেশক।
198*সামান্য কথায় বা আচরণে রোগী অপমানিত বোধ করিলে রোগীর সদৃশ ঔষধঃ স্ট্যাফিসেগ্রিয়া,ইগ্নেসিয়া,ক্যালকেরিয়া সাল্ফ ইত্যাদি।
199*রোগীর রোগ প্রতি বছর ঘুরে ঘুরে ফিরে আসে সদৃশ ঔষধ:আর্সেনিক,কার্বোভেজ, ল্যাকেসিস,থুজা,সালফার ইত্যাদি।
200*স্ক্রুফিউলাস দোষের রোগীর শব্দ অসহ্য, চোখ বুজিলে বিবমিষা ও মাথাঘুড়ানী বৃদ্ধি।মেরুদন্ডের স্পর্শকাতরতা।কমলালেবু বা অম্লখাদ্য খাইতে খুবই আকাঙ্ক্ষা।ঘুমের মধ্যে জিহ্বার ডগায় কামড়াইয়া থাকে।রোগীর দীর্ঘ সময়কেও অল্প সময় মনে করে।ভ্রমণের সময়ে বিবমিষার বৃদ্ধি সে অজ্ঞান হয়ে যায়। ***উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টিতে থেরিডিয়ন (Theridion) উপযোগী সদৃশ ঔষধ।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে জানার শেষ নেই।জানতে জানতে জীবন শেষ হবে কিন্তু জানার শেষ হবে না।আমি যেদিন যা শিক্ষা করেছি তা অন্যদের সাথে শেয়ার করেছি।আপনিও শুরু করুন উপকৃত হব আমি আপনি আমরা সবাই।
সমৃদ্ধ হবে হোমিওপ্যাথি, উপকৃত হবে মানবজাতি।
ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
গভঃ রেজিস্ট্রেশন নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
173*শীর্ণকায় একটি শিশু রোগীর লাইকোপোডিয়াম নির্বাচক রোগী চিত্র:রোগীর বয়স পাঁচ বছর নাম ইলিয়াস, জেলা টাংগাইল।রোগীর ভীষন কোষ্ঠবদ্ধ,অতিরিক্ত ক্ষুধা কিন্তু২/৪ গ্রাস খাবার খাইলে পেট ভরে যায়।প্রতিদিন বিকাল৪টা হইতে রাত৮টা পর্যন্ত সে বেশি অসুস্থ বোধ করে।তার বর্তমান শীর্ণতা রোগটি ধীরগতিতে ও পরিপাকতন্ত্রের বিশৃঙ্খলাকে কেন্দ্র করে অগ্রসর।তার নিশ্বাসের সময় দুই নাকের পাখনা উঠানামা করে ও ঠাণ্ডা পানি পানে বিতৃষ্ণা।নাকের সর্দি স্রাব শুষ্ক হইয়া নাকের ছিদ্র মামড়িতে পূর্ণ থাকে।ফলে মুখ দিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের কাজ চালাইতে হয়।শিশুটির শরীরের শীর্ণতা ভাবটি পেটে অম্লতা ও রাক্ষুষে ক্ষুধা দিয় শুরু হয় এখন ক্ষুদাহীন হয়ে অপুষ্টিতে ভুগে দেহটি কঙ্কালসার হয়ে গেছে।শিশুটি সকালে নিদ্রা ভঙ্গের পরে বিতৃষ্ণা ভাবটি প্রবল হয়।যকৃতের বিশৃঙ্খলা, কোষ্ঠবদ্ধতা বৃদ্ধির সাথে সাথে সর্দির প্রবনতা বৃদ্ধি পাইয়াছে।রোগীর বর্তমান সময়ের শুষ্কতা প্রাপ্ত হইতে দুই বৎসর সময় লেগেছে।এখন রোগীর অবস্থা জড়পিন্ডের মতো অনুভূতিহীন।
**এই রোগীর জন্য লাইকোপোডিয়াম সদৃশ ঔষধ।লাইকোপোডিয়াম নির্বাচনের জন্য এই সাদৃশ্যপূর্ণ লক্ষণ সমষ্টি থাকা জরুরী।
174*একজন ফর্সা, বেটে,মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে রমনীর, তিন চার দিন যাবৎ ডান স্তনের ভীষণ বেদনা ও জ্বালা।ঠান্ডা গরম কোন কিছুতেই আরাম পায় না।শিশুকে স্তনের দুধপান করিতে দিতে অসমর্থ।হাত ছোঁয়া দিলেও বেদনায় কাতর।জিহ্বা লাল রঙের, পিপাসা স্বাভাবিক, বাত রোগী।
***রোগীলিপি বিশ্লেষণ করে ফাইটোলক্কা দেওয়ার তিন দিনেই সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন।175*একটি শীরঃপীড়ার রোগীলিপি:রোগীর নাম শিল্পী রানী বিশ্বাস,ঝিনাইদহ।রোগীর মাথার পিছনের দিকটা অসহ্য ভারবোধ থাকে,মাঝে মাঝে মাথা ঘুরায়, মনে করেন মাথায় একটি ভারী সীসা চাপানো আছে।মাথায় দপদপানি বেদনা।তিনি অনুভব করেন,তার পিছনে মলদ্বার হতে মেরুদন্ডের ভিতর দিয়ে একটি তীক্ষ্ম বেদনা মাথার পিছনে পৌঁছায়।সে প্রায়ই বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার মধ্যে কাটায়।ভান্ত ধারণা যখন তীব্র হয় তার সঙ্গে মাথা ঘুরানোর বৃদ্ধি পায়।মাথা বেদনা ও মাথা ঘুরানির সাথে বমি ও বমি ভাবটি দেখা দেয়।নড়াচড়া বা উঠিয়া দাঁড়াইলে বা নাড়িলে রোগযন্ত্রনা বৃদ্ধি পায়।কলহপ্রীয় রোগী,গাড়িতে চড়িলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।গায়ে চর্মরোগ রয়েছে এবং শীতকালে ঔ চর্মরোগ বৃদ্ধি পায়।কিছু দিন পূর্বে একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছেন।
**উপরোক্ত লক্ষণ বিবেচনা করে তাকে পেট্রোলিয়াম দেয়া হয়।এই ঔষধেই তিনি সকল রোগের আদর্শ আরোগ্য লাভ করেন।
176*একটি চর্মরোগের রোগীচিত্র: কমলা রানী দাস নামের এক রমনীর শরীরে চাকা চাকা উদ্ভেদ বাহির হয়।রক্তহীন দেহ।শরীরের কালচে রঙের চাকা চাকা উদ্ভেদ গুলিতে শুস্ক অথচ পচনশীল ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।রোগ যন্ত্রণা গরমে বৃদ্ধি।সর্বদা ঠাণ্ডা চান।অতিরিক্ত পিপাসা, শরীরে ঠান্ডা অনুভব হয় কিন্তু ভিতরে যেন আগুনের ঝলকানি বয়ে যায়।শরীরে পিপিলিকা হাটার অনুভূতি।ঋতুস্রাব অনেক বেশি, সকল স্রাব দুর্গন্ধযুক্ত। চর্মরোগে উদ্ভেদ গুলিতে ঘর্ষণের অভিলাষ করে।মহিলার বার বার গর্ভস্রাবের ইতিহাস এবং একটি মাত্র সন্তান।
***উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টি বিশ্লেষণ করে রোগিনীর জন্য সিকেলি কর দেয়া হয় এবং এক মাসের মধ্যে চর্মরোগের আদর্শ আরোগ্য লাভ করে।
177*ঝড়ের দিনে,বর্ষার ভিজা ঠান্ডায় পরিবর্তনশীল বাতের যন্ত্রণার বৃদ্ধি।গরম ঘরে,শরীর আচ্ছাদনে,চলাফেরা বা সঞ্চালনে আরামের সদৃশ ঔষধ রডোডেন্ড্রন।
176*ডাঃ কেন্ট ও ডাঃ বার্নেট এর মতে মস্তিষ্কের বিকৃতি এবং ফুসফুসের বিকৃতি একই মূদ্রার এপিঠ ওপিঠ।
179*সাইকোসিস দোষের রোগীর কোন ব্যাক্তির জ্বর দেখা দেয়া মাত্র মস্তিষ্কের বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় ও প্রলাপ বকতে থাকে।
180*টিউবারকুলোসিস সন্দেহে সাধারনতঃ সালফার,সাইলেসিয়া,ফসফরাস ব্যবহারে রোগ যন্ত্রনা বেড়ে যায়।
181*ল্যাকেসিসের পর মধ্যবর্তী ঔষধরুপে সালফার প্রয়োগে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।***সাংকরণ।
182*রোরিনামের রোগী কফি পান না ছাড়া পর্য্ন্ত রোগের আরোগ্য লাভ করে না।**প্রমদাপ্রসাদ বিশ্বাস।
183*আঙ্গুল থেতলে গেলে হাইপেরিকামের সমপক্ষ ঔষধ আর নেই।** ই এ ফেরিংটন।
164*কেঁটে যাওয়ার পর সাথে সাথে রক্ত জমাট বাধে এমন রোগীর ক্ষেত্রে এনাকার্ডিয়াম দেয়া উচিত নয়।**ফেরিংটন।
185*বেলেডোনা বারবার প্রয়োগ করা অনুচিত,উচ্চ শক্তির বেলেডোনা বারবার প্রয়োগে মৃত্যু হতে পারে।ডাঃ কেস।
186*”চিকিৎসকের নিজের স্মৃতিশক্তিই সবচেয়ে উপযোগী রেপার্টরী”।জে এইচ ক্রার্ক।
187*গেটে বাতের চিকিৎসায় কলচিকাম দিয়ে বিফল হলে বেঞ্জয়িক এসিড দাও **ডাব্লিউ বোরিক। 188*এম্র্রাগ্রেসিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ অনুচিত,তাতে রোগ বৃদ্ধি পায়।**এইচ .সি মারো।
189*পেটের বেদনায় কলোসিন্হ প্রয়োগে আরোগ্র হওয়ার পরে আবার বেদনা হলে কেলি কার্ব প্রয়োগে সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়।**ডি .এম বোরল্যান্ড। 190*স্যান্টোনাইন নিম্নশক্তি ককনও জ্বর অবস্হায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য অবস্হায় কখনও দিবেন না।**ডাঃ বোরিক।
191রোগিনী সর্বদা বিমর্ষ,দু:থিত,ক্লোরোটিক ধাতুর স্ত্রীরোগীনী,পিত্তধাতুর রোগী।রোগীর উপরের অংশে ও বাম পার্শ্বের রোগী ।রোগিনী নিদ্রার উপক্রম ও নিদ্রার পরে রোগের বৃদ্ধি।সকল লোককেই সন্দেহ করেন।মনে করেন কেহ বিষ প্রয়োগে তাতে হত্যা করবে।আক্রান্ত স্হানে ছুইতে দেয় না।গলায় কাপর দিলে দম বন্ধ হবে মনে করে এবং মনে করে এর ফলে সে মারা যাবে।রোগিনী বাতাস করতে বললেও অনেক দুর থেকে বাতাস করতে বলে।প্রায়ই কোষ্ঠ বদ্ধ থাকে।
****উপরোক্ত লক্ষন সমষ্টিতে ল্যাকেসিস উপযোগী।
192*অনবরত বাহ্য বমি,নিতান্ত নিস্তেজ ও দুর্বলতা,রোগিনী চোখ বন্ধ করিয়া থাকে,যন্ত্রনা প্রবল হইলেও রোগীর অস্হিরতা থাকেনা।মন্ডের মত অথবা সবুজ মিশ্রিত কিংবা কাল রঙ্গের চাপ চাপ দুর্গন্ধ মল। রোগীর ওয়াক উঠাসহ বমি। হিমাঙ্গ ও প্রস্রাব বন্ধ অবসন্নতা ও হিমাঙ্গতাসহ স্তনক্যান্সারের রোগিনী,রোগিনী রক্তহীনতা সর্বশরীর ঠান্ডা রোগিনী শীত শীত বোধ করে।
***উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টিতে*ক্যাডমিয়াম সালফ* ইপযোগী।
173*আমবাতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহঃএপিস,আর্সেনিক,
ক্যালকেরিয়া কার্ব,কষ্টিকাম,হিপার সাল্ফ,লিডাম পাল,নেট্রাম সাল্ফ,রাসটক্স,সালফার,
আর্টিকা উইরেন্স,থুজা ইত্যাদি।
194*মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম,হস্তমৈথুন,স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতা এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে,পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন,মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্যকারী সদৃশ ঔষধ স্যালিক্স নাইগ্রা। 195*সুনির্বাচিত ঔষধের ক্রিয়াহীনতা।বংশগত সাইকোসিস প্রবণতা যুক্ত রোগী ।বাতের বেদনা সমস্ত শরীর আক্রমণ করে।পায়ের গোড়ালি এত ব্যাথা হয় যে রোগী হাটতে পারে না।সমস্ত কষ্ট দিনের বেলায় বৃদ্ধি পায়।গরম প্রয়োগে ব্যাথা বেদনা হ্রাস পায়।শরীরের গীটগুলো ফুলে যায়।রোগের কথা বর্ননা করতে চোখে অশ্রু আসে।
***এই লক্ষণ সমষ্টিতে মেডোরিনামকে নির্দেশ করে।
196*যে সকল রোগী বয়স অপেক্ষা অধিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।একহারা চেহারা,বিদ্যৎ চমকাইতে থাকিলে বা বজ্রপাতের শব্দে অসুস্হ হইয়া পড়ে।সামান্য ক্ষত হইতে প্রচুর রক্তস্রাব।শীতল জলপানে উপশম বোধ,কিন্তু পেটের মধ্যে তাহা গরম হইয়া উঠিলেই বমি।বাম পার্শ চাপিয়া শুইতে পারে না।প্রবল ক্ষুধা ও জ্বালাবোধ।অন্ধকার ভীতি দেখা যায়।
****উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টি পেলে ফসফরাস নির্বাচন করতে পারেন।
197*প্রচুর ঘর্ম,লালা স্রাব,রাত্রিকালে বৃদ্ধিশয্যা তাতে বৃদ্ধি,অধিকাংশ ক্ষেত্রেবাম পার্শ ছাড়া শয়নে অক্ষমতা।জিহ্বা ক্লেদাবৃত,মুখে দুর্গন্ধ।রোগীর মল পস্কিার হয় না।নিশ্ফল মলবেগ,সর্বশরীর হরিদ্রাভ।যকৃতে বেদনা বোধ।সর্ব শরীর বিশেষ করে চক্ষু,হাত পায়ের তালু হরিদ্রা বর্ণের হয়।জিহ্বা সরস,মোটা থলথলে দাতের ছাপযুক্ত,মলমূত্র সবই হলুদ।
*****এই রোগীচিত্র আমাদের মার্ক সল নির্বাচণ নির্দেশক।
198*সামান্য কথায় বা আচরণে রোগী অপমানিত বোধ করিলে রোগীর সদৃশ ঔষধঃ স্ট্যাফিসেগ্রিয়া,ইগ্নেসিয়া,ক্যালকেরিয়া সাল্ফ ইত্যাদি।
199*রোগীর রোগ প্রতি বছর ঘুরে ঘুরে ফিরে আসে সদৃশ ঔষধ:আর্সেনিক,কার্বোভেজ, ল্যাকেসিস,থুজা,সালফার ইত্যাদি।
200*স্ক্রুফিউলাস দোষের রোগীর শব্দ অসহ্য, চোখ বুজিলে বিবমিষা ও মাথাঘুড়ানী বৃদ্ধি।মেরুদন্ডের স্পর্শকাতরতা।কমলালেবু বা অম্লখাদ্য খাইতে খুবই আকাঙ্ক্ষা।ঘুমের মধ্যে জিহ্বার ডগায় কামড়াইয়া থাকে।রোগীর দীর্ঘ সময়কেও অল্প সময় মনে করে।ভ্রমণের সময়ে বিবমিষার বৃদ্ধি সে অজ্ঞান হয়ে যায়। ***উপরোক্ত লক্ষণ সমষ্টিতে থেরিডিয়ন (Theridion) উপযোগী সদৃশ ঔষধ।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে জানার শেষ নেই।জানতে জানতে জীবন শেষ হবে কিন্তু জানার শেষ হবে না।আমি যেদিন যা শিক্ষা করেছি তা অন্যদের সাথে শেয়ার করেছি।আপনিও শুরু করুন উপকৃত হব আমি আপনি আমরা সবাই।
সমৃদ্ধ হবে হোমিওপ্যাথি, উপকৃত হবে মানবজাতি।
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।
এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।
এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ
এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ
ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
গভঃ রেজিস্ট্রেশন নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Welcome to you our website