Ø পাঁচটি এ্যান্টিসোরিক ওষুধের নাম- সালফার, সোরিনাম, কস্টিকাম, ব্যারাইটা কার্ব , নেট্রাম মিউর।

Ø পাঁচটি অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধের নাম- থুজা, মেডোরিনাম নেট্রাম সালফ, আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম, স্টাফিসাগ্রিয়া, ইত্যাদি।

Ø পাঁচটি এ্যান্টিসিফিলিটিক ঔষধের নাম- মার্কুরিয়াস সলুবিলিস, নাইট্রিক অ্যাসিড, অরাম মেট, সিফিলিনাম, মেজেরিয়াম, ইত্যাদি ।

Ø একাধিক মায়াজম আছে এরকম দু'চারটি ওষুধের নাম- ক্যালকেরিয়া কার্ব , লাইকোপোডিয়াম , কস্টিকাম, হিপার সালফার, ইত্যাদি । 
পাঁচটি শীতকাতর ঔষধের নাম- হিপার সালফার, সোরিনাম , সাইলিসিয়া, আর্সেনিক, ক্যালকেরিয়া কার্ব, কেলি কার্ব, ইত্যাদি।

Ø পাঁচটা গরমকাতর ঔষধের নাম- অ্যাসিড ফ্লোর, সালফার, ল্যাকেসিস , নেট্রাম মিউর, এপিস মেল, মেডোরিনাম, ইত্যাদি । 

Ø পাঁচটা বামদিকের ওষুধের নাম- ল্যাকেসিস, থুজা, বারবেরিস ভালগারিস, কলোসিন্থ, স্পাইজেলিয়া, ইত্যাদি।

Ø পাঁচটা ডানদিকের ঔষধের নাম- লাইকোপোডিয়াম, এপিস মেল, ক্যালকেরিয়া কার্ব, ব্রায়োনিয়া, ক্যালি কার্ব, কষ্টিকাম, ইত্যাদি।

Ø এপেন্ডিসাইটিস, প্রচন্ড জ্বালা যন্ত্রণা ঠিক ঘুম থেকে উঠার পরেই হয়, গরম একেবারে সহ্য হয় না, ঠান্ডায় ভালো থাকে, আর তার একটা আশ্চর্য লক্ষন হচ্ছে মাসিক ঋতুস্রাব আরম্ভ হওয়া মাত্র তার সমস্ত জ্বালা-যন্ত্রণা কমতে থাকে, সদৃশ ঔষধ- ল্যাকেসিস।

Ø গলার বাঁ দিকে খুব যন্ত্রণা হচ্ছে, বিকাল ৪ টা থেকে যন্ত্রনা আরম্ভ হয় এবং রাত্রি ৯ টার পর থেকে কমতে শুরু করে, ঠান্ডা কিছু খেলে যন্ত্রণা বেড়ে যায়, গরম জিনিস খেতে ভালো লাগে, মিষ্টি খেতে ভাল লাগে, সদৃশ ঔষধ- লাইকোপোডিয়াম, ডান দিক থেকে রোগ বাম দিকে যায় সদৃশ ঔষধ লাইকোপোডিয়াম।

Ø কপালে খুব ঠান্ডা ঘাম হরে সদৃশ ঔষধ- ভিরেট্রাম এলবাম।

Ø জিভ খুব পরিষ্কার’ সদৃশ ঔষুধ- সিনা।

Ø জিভ পরিষ্কার কিন্তু তার সাথে কোনো পিপাসা নেই সদৃশ ঔষধ- ইপিকাক।

Ø পিপাসা নেই, কিন্তু জিভ বের করলে কাঁপে সদৃশ ঔষধ- জেলসিমিয়াম।

Ø জিভ কালো রঙের হয়, ঠিকমতন বের করতে পারে না, বের করার সময় কাঁপতে থাকে, সদৃশ ঔষধ- ল্যাকেসিস।

Ø বসে বসে প্রস্রাব ত্যাগ করতে পারে না, কিন্তু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সে বেশ ভালভাবে প্রসাব ত্যাগ করতে পারে,সদৃশ ঔষধ- সারসাপেরিলা।

Ø কেউ ধারে কাছে থাকলে প্রস্রাব করতে পারে না, সদৃশ ঔষধ- নেট্রাম মিউর।

Ø বাচ্চা ছেলে খেতে বসেছে, কিছুটা খাওয়া হয়েছে তারপর খাওযার মাঝখানে তার হঠাৎ পায়খানার বেগ আসে । ছেলেটি পায়খানা করে আসে, তারপরে আবার খেতে বসে, সদৃশ ওষুধ- ফেরাম মেট।

Ø গরম থেকে আসার পরে ঠান্ডা জল খাওয়ার জন্য তার ডায়রিয়া হলে সদৃশ ঔষধ- ব্রায়োনিয়ার।

Ø ডায়রিয়া রাতে বাড়ে, কিন্তু জ্বর কখনো রাত্রে বাড়ে না, সদৃশ ঔষধ- চায়না।

Ø বাড়ি ছেড়ে যদি অন্য কোথাও যায় তাহলে তার কনস্টিপেশন হয়, মিষ্টি ভালবাসে, তুমি তার জন্য সদৃশ ঔষধ- লাইকোপোডিয়াম।

Ø সকালের ব্রেকফাস্ট মানে প্রাতরাশ খাওয়ার পরেই ডায়রিয়া হবেই হোবে বা পায়খানা পেয়ে যাবেই যাবে, এই অদ্ভুত লক্ষণটির সদৃশ ঔষধ- থুজা।

Ø প্রত্যেকদিন সকাল ১১ টার সময় পেটটা খালি খালি লাগে, সদৃশ ঔষধ- সালফার।

Ø যারা বেশী চা খায়, তাদের পেটটা সবসময় খালি খালি লাগে, সদৃশ ঔষধ- পালসেটিলা।

Ø নাকের সর্দি বা সাদাস্রাব সব  মোটা বা ঘন, ( thick), সদৃশ ঔষধ- পালসেটিলা।

Ø মেয়েদের মাসিকের সময়,  তা সে  সে অবিবাহিত মেয়ে হোক বা বিবাহিতা কিন্তু  বাচ্চা হয়নি ---- তাদের ব্রেস্ট থেকে একটু দুধ সিক্রেশন হতে পারে, সদৃশ ঔষধ- মার্ক সল।

Ø গলার ইভিউলা ভীষণ ফুলে ঢোল হয়ে  যায়,  কিন্তু ব্যথা থাকে না, দেখতে লাল হয় না, সদৃশ ঔষধ- ক্যালি বাইক্রমিকাম।

Ø ঠিক উল্টো যদি হয়, খুব ব্যথা থাকে আর লাল হয়, সদৃশ ঔষধ- বেলেডোনা।

Ø যদি লাল হয়, ফুলে থাকে, কিন্তু হুল ফোটানো ব্যথা থাকে, ঠান্ডা কিছু খেলে আরাম লাগে, সদৃশ ঔষধ-এপিস মেল।

Ø জ্বরের সময়  হোক, বা এমনি সময়ও হতে পারে --কুকুরের মতন কুন্ডলী পাকিয়ে  অর্থাৎ গুটিয়ে শুয়ে থাকতে চায়, সদতৃশ ঔষধ- ফসফরিক অ্যাসিড।

Ø হঠাৎ করে বমি করে, কিন্তু আগে থেকে কোন রকম বমি বমি ভাব থাকে না, অর্থাৎ বমি বমি ভাব ছাড়াই হঠাৎ করে বমি করে, সদৃশ ঔষধ-ফেরাম মেট।

Ø কাশির সময় চোখ দিয়ে খুব জল পড়ে, সদৃশ ঔষধ- ইউফ্রেসিয়া।

Ø খুব অল্প জায়গায় ব্যথা হয়, আঙুলের মাথা দিয়ে চেপে ধরে ব্যথার জায়গাটা দেখায়, সদৃশ ঔষধ-ইগ্নেশিয়া, ক্যালি বাইক্রম।

Ø বাইরের ঠাণ্ডা থেকে ঘুরে এসে ঘরের মধ্যে  ঢুকলে কাশি আরম্ভ হয়, সদৃশ ঔষধ-ব্রায়োনিয়া।

Ø গরম ঘর থেকে বাইরে বেরুনোমাত্র  কাশি আরম্ভ হয়, সদৃশ ঔষধ-ফসফরাস।

Ø বিয়ার খেলে মাথার যন্ত্রনা আরম্ভ হয়, সদৃশ ঔষধ- রাসটক্স।

Ø অন্ধকার ঘরে থাকতে চায় না, সবসময় আলো এবং সঙ্গী চায় সদৃশ ঔষধ- স্ট্রামোনিয়াম।

Ø ঘামের গন্ধ সালফার বা গন্ধকের মতন, সদৃশ ঔষধ-ফসফরাস।

Ø রোগী চারদিন পাঁচদিন পায়খানা না হলেও রোগী ভালো থাকে, তার কোন  কষ্টবোধ বা অক্ষুধা হয়না, পেটে গ্যাস হয় না,  আরামে থাকে, সদৃশ ঔষধ- ক্যালকেরিয়া কার্ব।

Ø প্রস্রাব করতে গেলেই ফচ করে অল্প পায়খানা বেরিয়ে  যায়, সদৃশ ঔষধ- অ্যালুমিনা।

Ø সব সময় খুব জোরে জোরে হেউ হেউ করে ঢেকুর তোলে সদৃশ ঔষধ- আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম।

Ø চুল সব সময় জড়িয়ে যায়, চুলে চুলে আটকে যায় ( tangles easily), সদৃশ ঔষধ- বোরাক্স।

Ø বামদিকে ঘাড় ঘুরালে মাথা ঘোরে সদৃশ ঔষধ- কলোসিন্থ।

Ø শোওয়া থেকে উঠে বসলেই মাথা ঘুরে যায় সদৃশ ঔষধ- কোনিয়াম।

Ø মেয়েদের মাসিক খুব অল্প হয়, মাত্র 1 বা 2 ঘন্টা  থাকে সদৃশ ঔষধ- ইউফ্রেশিয়া।

Ø নাকের সর্দি হোক, বা ঘায়ের পুঁজ হোক, বা কানের ডিসচার্জ হোক, বা মেয়েদের সাদাস্রাব হোক, সবই খুব আঠালো, দড়ির মতন ঝুলে যায়, সদৃশ ঔষধ- ক্যালি বাই, হাইড্রাসটিস।

Ø বৃদ্ধ বয়সে যুবতীদের সবসময় জড়িয়ে ধরতে চায়, আজেবাজে কথা বলতে চায়, এই রোগীর জন্য সদৃশ ঔষধ- হায়োসিয়ামাস।

Ø প্রত্যেকবার মাসিকের আগে গলায় ব্যথা হলে সদৃশ ঔষধ- ল্যাক ক্যান, ম্যাগ কার্ব।

Ø মাসিক শেষ হওয়ার  ঠিক দশ দিন পর থেকে  সাদাস্রাব আরম্ভ হলে সদৃশ ঔষধ- কোনিয়াম।

Ø মুখের ভিতর ভীষন শুকিয়ে যায়, কোন লালা নেই , শুকনো মুখের জন্য কথা বলতে পারছে না, কিন্তু পানি পান করে না মোটেই, সদৃশ ঔষধ- নাক্স মস্কেটা।

Ø মাথা ব্যথা, মাথার পিছন থেকে  আরম্ভ হয়ে কপালের দিকে চলে আসে, তারপর  বাম চোখের উপরে গেড়ে বসে,সদৃশ ঔষধ- স্পাইজেলিয়া।

Ø মাথাব্যথা পিছন থেকে আরম্ভ হয়ে যদি সামনের ডান দিকে চলে আসে,  আর ডান দিকের চোখের উপরে গেড়ে বসে তাহলে সদৃশ ঔষধ- স্যাঙ্গুনেরিয়া ক্যানাডেন্সিস।

Ø কাশির সময় মনে হয় করাত দিয়ে কাঠ কাটছে, এইরকম শব্দ হয়, সদৃশ ঔষধ- স্পঞ্জিয়ার।

Ø যে কোন রোগে পেটের বাইরেটা সব সময় খালি রাখতে চায়, পেটের উপরে কোনরকম জামা বা কাপড় বা কাভার  রাখতে চায় না, সদৃশ ঔষধ- ট্যাবেকাম।

Ø মেয়েদের সাদাস্রাব এত বেশি আর এত পাতলা যে গড়িয়ে পা পর্যন্ত চলে যায়, সদৃশ ঔষধ- অ্যালুমিনা, সিফিলিনাম।

Ø খেতে বসলেই দাঁতে ব্যথা আরম্ভ হলে সদৃশ ঔষধ- কেলি কার্বনিকাম।

Ø যে কোন ব্যথা  শরীরের উপর থেকে নিচের দিকে নামে সদৃশ ঔষধ- ক্যাকটাস, ক্যালমিয়া।

Ø ব্যথা নীচ থেকে উপরে উঠে সদৃশ ঔষধ- লিডাম প্যাল।

Ø প্যারালাইসিস নীচ থেকে উপরে উঠে সদৃশ ঔষধ- কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম।

Ø ডিম্বকোষে আঘাত লাগলে তার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে সোরিনাম। 
কোন রকম
  প্যাথলজিক্যাল কারন ছাড়াই  সঙ্গমের পরে মহিলাদের ভ্যাজাইনা থেকে  ব্লিডিং হলে সদৃশ ঔষধ- আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম, ক্রিয়োজোট, নাইট্রিক অ্যাসিড।

Ø গান শুনলেই মন খারাপ হয় বা কান্না পায় সদৃশ ঔষধ- গ্রাফাইটিস, ক্রিয়োজোট, নেট্রাম সালফ, স্যাবাইনা।

Ø খুবই রোমান্টিক, সব সময় হাসি খুশী ভাব, সবাইকে জড়িয়ে ধরতে চায়, আদর করতে চায়, কিস খেতে চায়, সদৃশ ঔষধ- ক্রোকাস স্যাটাইভাস।

Ø ঘামের রং লাল, মনে হয় যেন  ঘাম নয়, রক্ত বের হচ্ছে সদৃশ ঔষধ- ক্রোটেলাস হরিদাস, ল্যাকেসিস।

Ø পাহাড়ে বেড়াতে যেতে চায়, বা ট্রেকিং করতে যেতে চায়,  তাদের  ঐ সময় যেন শ্বাসকষ্ট  না হয় , তার জন্য সদৃশ ঔষধ- কোকা।

Ø মাসিকের নির্ধারিত দিনগুলিতে  মাসিক হয় না, কিন্তু পরিবর্তে সাদাস্রাব হলে সদৃশ ঔষধ- ককুলাস।

Ø মাসিকের নির্ধারিত দিনগুলিতে মাসিক হয়না,  কিন্তু পরিবর্তে মাথার যন্ত্রণা হলে সদৃশ ঔষধ- গ্লনোয়িন।

Ø সারা মুখে ঠান্ডা ঘাম দেখা দেয় সদৃশ ঔষধ- এন্টিম টার্ট, ট্যাবেকাম, কেবলমাত্র কপালে ---ভিরেট্রাম অ্যালবাম ।