জনপ্রিয় পোস্ট

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯

অনিয়মিত ঋতুস্রাবের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

Homeopathic treatment for irregular menses.

অনিয়মিত মাসিক ?

 ১৪ বৎসর বয়সে বালিকাদের প্রথম ঋতুদর্শন হয়। নাতিশীতোষ্ণ দেশে ১২/১৩ বছর বয়সে এবং শীত প্রধান দেশে ১৫/১৬ বছর বয়সে ঋতু দর্শন হয়। যে সব বালিকারা অলস, বিলাসী, আমোদ প্রিয় ও কাম সম্বন্ধীয় পরিবেশে থাকে ও শহরে বসবাস করে তাদের অল্প বয়সে প্রথম ঋতু দর্শন হয়। যৌবনের প্রথম ঋতুস্রাব আরম্ভ হইয়া ৪০/৫০ বছর বয়সে ঋতু বন্ধ হয়ে যায়। আবার তার হেরফেরও হতে পারে।

সাধারণত ২৮ দিন পর পর জরায়ু থেকে নিয়মিত রক্তস্রাব হয়। জরায়ু থেকে রক্তস্রাব কালে যোনির অম্লশ্লৈষ্মিক স্রাবের সাথে মিলে গুন ও বর্ণের পরিবর্তন হয়ে যায়। ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত এই স্রাব চলতে থাকে এবং ২০০-২৫০ মিলি পর্যন্ত হতে পারে। এই নিয়মের ব্যাঘাত হলেই বুঝতে হবে যে জরায়ুতে কোন প্রকার রোগ হয়েছে। সময়ের কোন পরিবর্তন হলে তাকে অনিয়মিত ঋতুস্রাব বলে। ঋতু সময় মত না হলে বা বন্ধ হলে তাকে রজঃরোধ বলে।

লক্ষণ-
কারণ-
অনিয়মিত মাসিকের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নির্বাচন গাইড
 
অনিয়মিত মাসিকের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় একক ঔষধ নির্বাচন

যে ঋতু নিয়মিত চলতে থাকে তা কিছুদিন বন্ধ থাকে আবার কিছুদিন চলতে থাকে। দীর্ঘদিন ঋতু বন্ধ থেকে হঠাৎ বেশি পরিমানে হয়, আবার কখনও কম হয়। কখনও সময়ের আগে আবার কখনও পরে হয়। এভাবে অনিয়মিত ঋতুস্রাব ব্যাথার সাথে হতে থাকে।

অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ ও অসংযোমের কারণে এমনটা হয়ে থাকে আবার তা অবহেলা করলে বা চিকিৎসা না করলে রজঃরোধে পরিণত হয়।

Ø এমন কার্ব-

কাল চাপ চাপ রক্ত অত্যন্ত যন্ত্রনার সাথে নির্গত হয়। রক্তস্রাব আরম্ভ হওয়ার আগে ব্যাথা। ঋতুকালে পেট ও কোমরে ব্যাথা, রক্তের পরিমাণ কম। ঋতু ঠিক সময়ের পূর্বেই হয়ে থাকে। ঋতুর সাথে ভেদ-বমি হতে থাকলে এমন কার্ব উত্তম। ঋতুকালে শীতভাব, দাঁতে কন কনানি, পেট ব্যাথা, শরীরে মোড়ামুড়ি দেওয়ার ইচ্ছা। অল্প পরিশ্রমে ক্লান্তি, বিষন্নভাব, ঋতু কালে অর্শের ও শ্বেত প্রদরের বৃদ্ধি।

Ø এমন মিউর-

ঠিক সময়ের পূর্বে ঋতুস্রাব, তলপেটে কোমরেও কুচকির ধারে মচকানী ব্যাথা, টাটানি কোষ্ঠবদ্ধতা ও শ্বেতপ্রদর। রক্তস্রাব দিনে কম রাতে বৃদ্ধি।

Ø এলুমিনা-

প্রথম ঋতু দর্শনের সময় রক্ত সল্পতা ও ক্লোরোসিসে এটি ভাল কাজ করে। রক্তহীন, ফ্যাকাশে, দুর্বল, প্রচন্ড ক্লান্ত, চলতে ফিরতে শ্রান্ত বোধ, সে জন্য বসে পড়ে। অল্প পরিমানে ফ্যাকাসে রক্ত বিলম্বে নিঃসৃত হয়। দুই ঋতুর মধ্যবর্তি সময়ে রক্তস্রাব ও শ্বেতপ্রদর। খড়ি, নরম পাথর, দেওয়ালের প্লাষ্টারের গুড়া খাওয়ার ইচ্ছা ইত্যাদি লক্ষনে উপকারি।

Ø এন্টিম ক্রুড-

ঠান্ডা পানিতে স্নান করিলে ঋতু বন্ধ হইয়া যায় ও মনে হয় যেন যোনী দ্বার দিয়া নাড়ীভুড়ি বাহির হইয়া পড়িবে এবং প্রস্রাবে বেদনা। ডিম্বাকোষে স্পর্শকাতর বেদনা।

Ø একোনাইট-

মোটা স্ত্রীলোকদের মানসিক উত্তেজনা বশতঃ বা ভয় পাইয়া ঋতু বন্ধ হইলে ইহা উপকারী।

Ø এপিস মেল-

ঋতুবন্ধ হওয়ার সাথে মস্তিষ্কতে রক্ত সঞ্চয় এবং জরায়ু প্রদেশে প্রসব বেদনার মত ব্যাথা ও বেগ এবং তাতে যদি রক্তস্রাব না দেখা যায় তাহলে এটি উপকারি। বালিকাদের রজঃরোধ ও হিষ্টেরিয়া হইলে এপিস প্রয়োগ করতে হয়। ডান ডিম্বকোষে প্রদাহ,হুল ফোটানোর মত ব্যাথা থাকলে অধিকতর উপযোগী। রোগীনির পানি পিপাসা কম হলে আরো উপযোগী।

Ø আর্সেনিকাস আইয়োড-

হলদে রং, রক্ত মিশ্রিত শ্বেত প্রদর, যেখানে লাগে জ্বালা করে ও হাজিয়া যায়। মাসের মধ্যে কয়েকবার ঋতুস্রাব। বিদাহী রক্তস্রাব, জরায়ুর মুখে ক্ষত ইত্যাদি লক্ষণে উপযোগী। প্রচুর রক্তস্রাব সহ অর্শের ক্ষত থাকলে প্রয়োগ করতে হয়।

Ø ব্রাইয়োনিয়া-

ঘোর লাল রক্তস্রাব, পরিমানে অধিক, সামান্য নড়িলে চড়িলে বাড়ে, সেই সঙ্গে মাথা ব্যথা। ঋতুস্রাব হইলে ব্রাইয়োনিয়া বিশেষ উপযোগী।

Ø বেলেডোনা-

যন্ত্রনা ও উত্তেজনার সহিত গর্ভাশয়, ডিম্বাশয় ও বাহ্য জননেন্দ্রিয়ে টাটানি ও বেদনা। সামান্য নড়িলেই বেদনার অনুভূতি। ঋতুদর্শনের পরও ইউটেরাস অল্প অল্প প্রসারিত হয়। সাথে সাথে ব্যথা ও মনে হয় পেটের সব কিছু যোনিপথে বের হয়ে আসবে।

Ø ক্যালকেরিয়া ফস-

নীচের পেটে ব্যাথা, ইউট্রাসের প্রোলাপসাস বাহ্যেও প্রস্রাবের সময়ে বৃদ্ধি। সরের মত ঘন শ্বেৎপ্রদর স্রাব, যোনীতে জ্বালা, ইউট্রাসে ও মুত্র থলিতে ব্যাথা,বুকে আগুনের মত জ্বালা সহজে খসিয়া যাওয়া, সম্পূর্ণ শরীরে উত্তাপ। স্ত্রীলোক যক্ষাপ্রস্ত ও অধিক রক্তস্রাব হয়। ঋতু পরিবর্তন কালে হাত, পা ও কোমরে ব্যথা ও ইউট্রাসের ব্যাথা বৃদ্ধি পায়। এই লক্ষণে এটি উপযোগী।

Ø ক্যালকেরিয়া কার্ব-

মোটা বালিকা দেহে লাল রক্ত কণিকার অভাব ও শ্বেত কণিকার বৃদ্ধি, ঋতুর সময় পার হয়ে গেলেও ঋতুস্রাব হয় না। মাঝে মাঝে হৃদকম্প শ্বাসকৃচ্ছতা, মাথা ধরা এবং ঋতুস্রাব হলে সকল যন্ত্রনার উপশম, এইসব লক্ষণের সাথে মাথা ঘামলে, হাত ঠান্ডা হলে বিশেষ উপযোগী।

Ø ককুলাস ইন্ডিকা-

যে সকল স্ত্রীলোক দুর্বল, ঋতুস্রাব কাল রং এর, বাধকের সাথে কোমরে ব্যথা, ঋতুর পরে তড়কা। অত্যাধিক ঋতুস্রাব।সময় অতিক্রম করে অল্প অল্প ঋতুস্রাব এবং পরে বেদনা, ঘন ও ঘোলা স্রাব, ঋতু কালে কোমরে ব্যথা।

Ø কোনিয়াম-

ঋতুস্রাবের সময় অতিক্রম করে অল্প পরিমানে স্রাব হয়। স্তন শিথিল ও সঙ্কুচিত অথবা বড় বড় এবং বেদনাযুক্ত হলে কোনিয়াম উপযোগী।

Ø ক্রোকাস স্যাটাইভাস-

পেটে কোন গোলাকার বস্তু নড়াচড়া করিতেছে ঋতুকালে কাল বর্ণের চটচটে জমাট রক্তস্রাব রক্ত নির্গত হওয়ার পরে জমাট বাঁধে।

Ø সাইক্লামেন-

রোগীর ঘৃতপক্ক জিনিস সহ্য হয় না, রক্তশূন্য শরীর, ঋতুকালে অত্যন্ত বেদনা ও শীত শীত ভাব। ঠান্ডা হাওয়ায় উপসর্গে বৃদ্ধি ঘটে। পিপাসা বেশি মাঝে মাঝে জল পান করে।

Ø এরিক থাইটিস-

সঠিক সময়ের পূর্বে ও অধিক পরিমাণে ঋতুস্রাব হতে থাকলে এরিক থাইটিস উপকারী।

Ø জ্যাবোরান্ডি-

যে সব স্ত্রীলোকদের ঘাম হয় না হলেও খুব কম। চামড়া খসখসে জিহ্বা ও মুখ সব সময় শুষ্ক। ঋতুস্রাব খুব সামান্য বা একেবারে হয় না।

Ø ম্যাগ্নেশিয়া কার্ব-

যথা সময়ে ঋতু প্রকাশ না হয়ে দেরিতে হয়, সামান্য পরিমাণে। আবার তার বিপরীত অর্থাৎ অধীক এবং দ্রুত ম্যাগ্নেশীয়ার প্রধান লক্ষণ। দিনের চেয়ে রাতে স্রাব বেশি হয়। স্রাবের রক্ত গাঢ় এবং কাল। প্রতিবার স্রাবের সময় গলার ভেতর ব্যাথা হয় স্রাব আরম্ভ হলে ব্যথা বন্ধ হয়।

Ø ম্যাগ্নেশিয়া মিউর-

ঋতুকালে অত্যন্ত ব্যথা পেটে spasm এর মত হয়। হিস্টিরিয়ার মত ফিট হয়। রক্তের রং কাল, চলতে গেলে কোমরে ও বসতে গেলে উরুতে ব্যথা লাগে। পেট জোরে না টিপলে প্রস্রাব হয় না। রোগী মনে করে মাথার ভিতর ফুটন্ত পানি আছে। রোগী চোর ডাকাত সপ্নে দেখে এবং নিদ্রাভঙ্গের কারণ অনুসন্ধান না করলে সন্দেহ দুর হয় না।

Ø নাক্স ভমিকা-

বাধক বেদনা ঋতু সময়ের আগে অল্প পরিমাণে স্রাব হয়, পেটে ব্যথা রক্ত প্রদরে ঋতু যথা সময়ে হয়ে কালচে রং এর রক্ত স্রাব বেশি পরিমাণে হয়। বেশি সময় থাকে কোমরে ও পিঠে ব্যথা করে।

Ø পালসেটিলা-

ক্রন্দনশীল, ধীর, নম্র, অভিমানী সহজেই দুঃখ পায় ও মনমড়া হয়ে থাকে। না কেদে রোগের কথা বলতে পারে না। এমন রোগীর অনিয়মিত ঋতুর জন্যে উপযোগী। ঋতু দেরিতে হয় এবং পরিমাণে অনেক কম হয়। কোমরে ব্যাথা, প্রস্রাবের বেগের মত বেগ। কপালের মাঝখানে ব্যাথা করে রক্তস্রাব এবং পরিবর্তনশীল স্রাবে উপকারী। স্রাব কখনও পানির মত, কখনও লাল, কখনও কাল।

Ø সিকেলি কর-

ইউট্রাসের রক্তের রং ঘোলাটে, অনবরত স্রাব একবারও থামে না। রক্ত ঘোলাটে ও দুর্গন্ধ যুক্ত মনে হয় অঙ্গ শিথিল হইয়া গিয়াছে। রক্ত স্রাবের জন্য রোগিনী অজ্ঞান হইয়া পড়ে সর্বাঙ্গ শীথিল হইয়া যায়। হাতে পায়ে খিল ধরা এইসব লক্ষণে ইহা উপযোগী।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে অনিয়মিত মাসিকের একক ঔষধ নির্বাচন

AMENORRHŚA -- Acon., Alet., Alnus, Apis, Apoc., Ars., Avena, Bell., Bry., Calc. c., Can. s., Caul., Caust., Cim., Con., Cycl., Dulc., Euphras., Ferr. ars., Ferr. m., Ferr. red., Gels., Glon., Graph., Hedeoma, Helleb., Helon., Jonosia, Kali c., Kali perm., Lil. t., Mang. ac., Merc. per., Nat. m., Nux v., Op., Ova t., Parth., Phos. ac., Pinus lamb., Plat., Plumb., Polyg., Puls., Sec., Senec., Sep., Spong., Sul., Tanac., Thyr., Ustil., Xanth.

Before the proper age -- Calc. c., Calc. p., Carbo v., Cinch., Cocc., Sab., Sil., Ver. a.

Delayed, first menses -- Calc. c., Calc. p., Ferr., Graph., Kali c., Kali per., Polyg., Puls., Senec., Sep., Turnera

Delayed, tardy flow -- Acon., Alet., Caust., Cim., Con., Cupr. m., Dulc., Euphras., Ferr. cit. strych., Gels., Glon., Gossyp., Graph., Helleb., Iod., Jonosia, Kali c., Kali m., Kali p., Kali s., Lac d., Mag. c., Nat. m., Nux m., Phos., Pulex, Puls., Radium, Sabad., Senec., Sep., Sul., Thasp., Val., Vib. op., Zinc.

Intermittent -- Coccus, Ferr. m., Kreos., Lac c., Mag. s., Meli., Murex, Nux v., Phos., Puls., Sabad., Sep., Sul., Xanth.

Irregular -- Ambra, Caul., Cim., Cocc., Cycl., Graph., Iod., Jonosia, Lil. t., Nux m., Nux v., Phos., Piscidia, Puls., Radium, Sec., Senec., Sep., Sul.

Protracted -- Acon., Calc. s., Caust., Con., Crot., Cupr. m., Ferr., Graph., Iod., Kreos., Lyc., Nat. m., Nux m., Nux v., Phos., Rhus t.

Scanty flow (See Dysmenorrhśa.) -- Alet., Alum., Apis, Berb. v., Bor., Canth., Caul., Caust., Cim., Cocc., Con., Cycl., Dulc., Euphras., Ferr. cit. strych., Gels., Graph., Ign., Kali c., Kali p., Kali s., Lach., Lamina, Lil. t., Mag. c., Mang. ac., Meli., Merc. per., Nat. m., Nux v., Ol. an., Phos., Plat., Puls., Sang., Senec., Sep., Sil., Sul., Val., Vib. op., Xanth.Suppressed -- Acon., Apis, Bell., Bry., Calc. c., Ceanoth., Cham., Chionanth., Cim., Con., Croc., Cupr., Cycl., Dulc., Ferr., Gels., Glon., Graph., Helon., Ign., Kali c., Kali m., Lach., Leonorus, Nat. m., Nux m., Op., Pod., Puls., Puls. nut., Senec., Sep., Sul., Tanac., Taxus, Tub., Ver. v., Zinc.

Anemic conditions [From] -- Ars. iod., Ars., Caust., Ferr. ars., Ferr. cit. strych., Ferr. red., Graph., Kali c., Kali perm., Kali p., Mag. ac., Nat. m., Ova t., Puls., Senec.Anger with indignation -- Cham., Col., Staph.

Cold water, exposure, chilling [From] -- Acon., Ant. c., Bell., Calc. c Cham., Cim., Con., Dulc., Graph., Lac c., Lac d., Phos., Puls., Rhus t., Sul., Ver. v., Xanth.

Disappointed love [From] -- Helleb.

Fright, vexation [From] -- Act. sp., Acon., Cim., Col., Lyc., Op., Ver. a.

Transient, localized, uterine congestion, followed by Chronic anćmic state [From] -- Sabal.

Emigrants [In] -- Bry., Plat.

Asthma [With] -- Spong.

Cerebral congestion [With] -- Acon., Apis, Bell., Bry., Calc. c., Cim., Gels., Glon., Lach., Psor., Sep., Sul., Ver. v.Congestion to chest [With] -- Acon., Calc. c., Sep.

Cramps to chest [With] -- Cupr. m.

Delirium, mania [With] -- Stram.

Dropsy [With] -- Apis, Apoc., Kali c.

Fainting spells, drowsiness [With] -- Kali c., Nux m., Op.

Gastralgia or spasms [With] -- Cocc.

Jaundice [With] -- Chionanth.

Neuralgic pains about head, face [With] -- Gels.Ophthalmia [With] -- Puls.

Ovaritis [With] -- Acon., Cim.

Pelvic pressure, ovarian tenderness [With] -- Ant. c., Bell.

Pelvic tenesmus [With] -- Pod.

Rheumatic pains [With] -- Bry., Cim., Rhus t.

Vicarious bleeding [With] -- Bry., Crot., Dig., Erig., Eupion, Ferr., Ham., Ipec., Kali c., Lach., Millef., Nat. s., Phos., Puls., Sabad., Sang., Senec., Sil., Sul., Trill., Ustil.

Irregular (See Amenorrhśa.) -- Am. c., Bell., Bry., Calc. c., Caul., Cim., Cocc., Cycl., Guaiac., Inula, Mag. s., Murex., Nat. m., Nux v., Physost., Puls., Sec., Senec., Sep.

Every two weeks, or so -- Bor., Bov., Calc. c., Calc. p., Croc., Ferr. p., Helon., Ign., Mag. s., Mez., Murex, Nit. ac., Nux v., Phos. ac., Phos., Phyt., Sab., Sec., Thlaspi., Trill., Ust.

Membranous -- Ars., Bell., Bor., Brom., Bry., Calc. acet., Calc. c., Cham., Collins., Con., Cycl., Guaiac., Heliott., Lac c., Mag. p., Merc., Rhus t., Sul., Uvul., Vib. op.Nonobstructive

Ovarian irritation [From] -- Apis, Bell., Ham., Xanth.

Uterine irritation [From] -- Cham., Coff., Nit. ac., Xanth.

Premature (See Irregular.) -- Am. c., Calc. c., Caust., Cocc., Con., Cycl., Ign., Kali c., Lamina, Lil. t., Mag. p., Nat. m., Nux v., Ol. an., Phos., Sab., Sep., Sinap. n., Sil., Sul., Xanth.Rheumatic -- Caul., Caust., Cim., Cocc., Guaiac., Rham. c.

Spasmodic

Spasmodic, Neuralgic -- Acon., Agar., Bell., Caul., Cham., Cim., Coff., Collins., Gels., Glon., Gnaph., Mag. m., Mag. p., Nux v., Puls., Sab., Santon., Sec., Senec., Sep., Ver. v., Vib. op., Xanth.Spasmodic, With uterine congestion -- Acon., Bell., Cim., Collins., Gels., Puls., Sab., Sep., Ver. v.

উপদেশ

স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলা উচিত। ঋতু দোষ দুর হয় সে দিকে খেয়াল করা উচিত। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন, শারীরিক পরিশ্রম করা প্রয়োজন। স্বাস্হ্যকর পরিবেশে বসবাস ও মণপ্রফুল্ল রাখা উচিত।

 

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯

কব্জির টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা



কর্জির টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিতিৎসা।

 টিউমার বা গ্যাংলিয়ন  বলতে কি বুঝি ?

হাতের কব্জির উপর শক্ত ডিবির মত ফুলে উঠাকে অনেকেই টিউমার বললেও মেডিকেলের ভাষায় এটি মুলত গ্যংলিয়ন৷ এটি সাধারনত অস্থিসন্ধি অথবা টেনডনে আঘাতের ফলে কিংবা মচকে যাওয়ার ফলে হয়ে থাকে।আঘাত কিংবা ভারী কাজের ফলে অস্থিসন্ধির ভিতরের তরল বা সাইনুভিয়াল ফ্লুইড যখন জয়েন্টের বাইরে চলে আসে তখন এমনটি হয়ে থাকে৷ শরীরের যেকোন জয়েন্টে হতে পারে তবে হাতের কব্জির জয়েন্টের উপরেই বেশী হতে দেখা যায় ৷ 


গ্যাংলিয়ন কাদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে ?

যে সকল মহিলা  গৃহস্থালীর ভারী কাজ করেন ও মশলা বাটার কাজ করেন তাদের বেশি হয়৷ পুরুষদের মধ্যে মটর সাইকেল ড্রাইভিং কারিদের ডান হাতে বেশি হতে দেখা যায়৷তবে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের বেশী হয়ে থাকে৷
গ্যাংলিয়নের চিকিৎসাঃ-
আধুনিক এলোপ্যথিক চিকিৎসায় সিরিন্জ ঢুকিয়ে কিংবা অপারেশন করে অপসারন করলেও পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তাই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিরাপদ ও আদর্শ আরোগ্য।

গ্যাংলিয়ন রোগীর জন্য করনীয়ঃ 

চিকিৎসা চলাকালে আক্রান্ত হাত দিয়ে ভারী কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে৷

বোরিক রেপার্টরিতে কব্জির টিউমারের ঔষধ সমুহঃ
Ganglion -- Benz. ac., Kali m., RutaSil.

কব্জির টিউমারের সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ
হোমিওপ্যথিক চিকিৎসায় আঘাতের ইতিহাস থাকলে Ruta,Conium M খুব ভালো আরোগ্যকারী ঔষধ৷
এছাড়া লক্ষণভেদে Constitutional medicine হিসেবে Silicea ও Cal Carb,Arnica Mont,Calcarea phos ঔষধের প্রয়োজন হতে পারে৷খুব শক্ত হলে বায়োকেমিক Cal Flour প্রয়োজন হয়। টিউমারের রোগীকে উপরোক্ত কথা ঔষধগুলো লক্ষণ সাদৃশ্যে প্রয়োগে আরোগ্য লাভ করে।তবে ঔষধের শক্তি ও মাত্রা নির্নয়ে অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড হোমিও চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত৷
উপসংহারঃ
কব্জিতে টিউমার হলে কখনোই সিরিঞ্জের মাধ্যমে খুঁচিয়ে ভিতরের বস্তু বাহির করতে চেষ্টা করা কোন মতেই ঠিক নয়। অপারেশন করেও কোন উপকার হয় না। স্বাস্থ্যহীন দূর্বল মহিলাদের কব্জির হাড় উঁচু হয়ে থাকে, তাই টিউমারের মত দেখায়। তাদের জন্য উপযুক্ত খাদ্য পুষ্টির উপর গুরুত্ব আরোপ করা জরুরি। কোন শারীরিক সমস্যার কারণে শরীর ভেঙ্গে গেলে সেই সমস্ত সমস্যার সমাধান দিতে হবে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় বহুমাত্রিক প্রতিভার প্রয়োজন হয়। একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পারেন কব্জির টিউমারের চিকিৎসা করতে।তাই আমার এই লেখাটি পড়ে একাকী চিকিৎসা করতে চেষ্টা করবেন না।একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইলঃ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬

রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯

দাদের হেমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

HOMEOPATHIC TREATMENT FOR  RINGWORM


দাদ কি ?

দাদ একটি সংক্রামক চর্মরোগ। ইংরেজি: Dermatophytosis তবে "Ringworm" ও "Tinea" নামেও পরিচিত। তবে এর কারণ কোন "worm" বা ক্রিমি নয়। এর কারণ ত্বকের উপরের দিকে (superficially) ছত্রাক সংক্রমণ।

ছত্রাক ঘটিত দাদ

সাধারণত ঘামে ভেজা শরীর, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন শরীর, দীর্ঘ সময় ভেজা থাকে এমন শরীর, ত্বকে ক্ষত আছে এমন শরীর এই ছত্রাক গুলোর স্পোর (বা, হাইফা) দ্বারা আক্রান্ত হয়। এই ছত্রাকগুলোর সুপ্তিকাল ৩ থেকে ৫ দিন।

তিনরকম

§ ট্রাইকোফাইটন- (Trichophyton গণ)

§ এপিডার্মফাইটন (Epidermophyton গণ)

§ মাইক্রোস্পোরাম (Microsporum গণ)

সংক্রমন স্থান

· শরীরের যেকোন অঙ্গের চামড়ায় হতে পারে।

· টিনিয়া ক্রুরিস =কুঁচকির (groin) দাদ

· টিনিয়া ক্যাপাইটিস=মাথার দাদ

· টিনিয়া কর্পোরিস= শরীরে(trunk) বা হাত পায়ে দাদ

· টিনিয়া পেডিস (অ্যাথলেট'স ফুট)= পায়ের পাতায় দাদ

· টিনিয়া আঙ্গুয়াম= নখে দাদ

· মাথায় চিরুণী দ্বারা ও পায়ে পুরোন মোজা দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে।

উপসর্গ

§ প্রথমে আক্রান্ত স্থানে ছোট লাল গোটা হয় এবং সামান্য চুলকায়।

§ পরে আক্রান্ত স্থানে বাদামী বর্ণের আইশ হয় এবং স্থানটি বৃত্তাকারে বড় হতে থাকে।

§ ক্রমে সুনির্দিষ্ট কিনারা সহ বৃত্তের আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং মাঝখানে ত্বক স্বাভাবিক হয়ে আসে।

§ চুলকানি বৃদ্ধি পায়।

§ চুলকানোর পর আক্রান্ত স্থানে জবালা হয় এবং আঠালো রস বের হয়।

§ মাথায় হলে স্থানে স্থানে চুল উঠে যায়, নখে হলে দ্রুত নখের রঙ বদলায় এবং শুকিয়ে খণ্ড খণ্ড ভেঙ্গে যেতে পারে।

বিস্তার

এটি সংক্রামক রোগ। অতি সহজেই রোগী থেকে সুস্থ দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে। রোগীর চিরুনি, তোয়ালে, বিছানা ইত্যাদি ব্যবহার করলে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা থাকে। তবে রোগাক্রান্ত পোষা বিড়ালের মাধ্যমে এটি বেশী ছড়ায়।

দাদের হেমিওপ্যাথিক চিকিৎসা লক্ষণ বিবেচনায় নিচের ঔষধ সমুহ হতে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করা সম্ভব হলে দাদেরমত কঠিন রোগও আরোগ্র হয়।

দাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত সদৃশ ঔষধ নির্বাচন

Ø ব্যারাইটা কার্ব

গন্ডমালা ধাতুগ্র স্হ শিশুর মাথায় দাদ হলে এবং মাথার চুল ঝড়ে পরলে ব্যাবাইটা কার্ব উপযোগী ।

Ø ক্যালকেরিয়া কার্ব

স্ক্রুফুলা ধাতুগ্র স্হ মোটা থলথলে যে কোন রোগীর মাথায় দাদ হলে, মোটা মামড়ী পড়লে, হলুদাভ পুজ জন্মিলে তবে এই ঔষধটি উপযোগী।

Ø নেট্রাম কার্ব

হাতে, পিঠে, নাক-মুখে, ঠোটে দাদ হলে ভীষণ চুলকানী, ঘর্ষনে ও ঠান্ডায় আরাম বোধ হলে উপযোগী ।

Ø নেট্রাম মিউর

কনুই, জানু, অন্ডকোষ ও উরুতে দাদ ভয়ানক চুলকানী, রসঝলে, লবন প্রীয় রোগীর জন্য অত্যন্ত কার্য্করী।

Ø সিপিয়া

কনুই, জানু, হাত-পা, গ্রীবা, কানের পাশে, কোমড়ে দাদ, অত্যন্ত চুলকানী জ্বালা আইশ উঠে, গর্ভাবস্হায়, ঋতুকালে, শিশু লালন কালে বৃদ্ধি হলে সিপিয়া উপযোগী।

Ø টেলুরিয়াম

সর্ব-শরীরে দাদ হলে, একটি বৃত্তকে ছেদ করে আরেকটি বৃত্ত তৈরী হলে এভাবে সমস্ত শরীর ছড়িয়ে পড়লে এটি অত্যন্ত কার্য্করী।

Ø গ্রাফাইটিস

মোটা দেহ মোটা মল মোটা রস ঝরে এরুপ রোগীর দাদে গ্রাফাইটিস উপযোগী। দাদ কানের পশ্চাতে শুরু হইয়া গলা পর্যন্ত ছড়াইয়া পরে। দাদ হতে প্রচুর চটচটে রস ঝরে। মধুর মত রস ঝরে। অত্যধিক চুলকায়, জ্বলে। দাদ কান মাথা, হাত পায়ে ছড়াইয়া পরে, চামড়া ফেটে যায়। ক্ষত স্হানে কোন বেদনা থাকে না। এইরুপ দাদে গ্রাফাইটিস উপযোগী।

Ø পেট্রোলিয়াম

মুখে, মাথায়, অন্ডকোষে হলুদাভ সবুজ মামড়ী যুক্ত দাদ ও গভীর ফাটলযুক্ত একজিমা প্রতি বছর শীতকালে আবির্ভাব হলে এবং গ্রীস্ম কালে অপনা আপনি সেরে গেলে পেট্রোলিয়াম উপযোগী।

Ø সিপিয়া

যে কোন স্থানে লাল জমির উপর ফুস্কুরী জন্মে। অত্যধিক চুলকায় এবং চুলকাইলে জ্বলে। প্রথমে শুষ্ক থাকে পরে দ্রুত ছড়াইয়া পড়ে এবং দুর্গন্ধ যুক্ত রস ঝড়ে। তাহা শুকাইয়া মামড়ী পড়ে পরে ফাটে ও ঝড়ে পড়ে। এই লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য সিপিয়া উপযোগী।

Ø মেজেরিয়াম

মাথা হতে সকল স্হানেই দাদ প্রকাশ পাইতে পারে এবং ক্ষতের উপর শুষ্ক চামড়ার ন্যায় মোটা মামড়ী পড়ে। এর নিচে পুজ জন্মে। মাথায় ভয়ানক চুলকানী চুল জড়িয়া যায়। চুলকাইলে চুলকানি আরো বাড়ে। শিশু চুলকাইয়া মাথার চামড়া রক্তাক্ত করে। তাপে চুলকানী বাড়ে। এই রোগীর জন্য মেজেরিয়াম প্রয়োজন।

Ø আর্সেনিক এলবম

মস্তক মুখমন্ডল, পায়ে, শুস্ক আইশযুক্ত উদ্ভেদ, হাজাকারক ও দুর্গন্ধ যুক্ত রসসহ অসহ্য চুলকানি ও জ্বালা। রাতে ঠান্ডায় বৃদ্ধি গরম তাপে আরাম। যে রোগীর ধাতুগত আর্সেনিকের মিল পাবেন তার দাদে অত্যন্ত কার্যকর।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে দাদের একক ঔষধ নির্বাচন

TINEA

FAVOSA (favus) (See Scalp - Head.) -- Agar., Ars. iod., Brom., Calc. c., Dulc., Graph., Hep., Jugl. r., Kali c., Lappa, Lyc., Med., Mez., Oleand., Phos., Sep., Sulphur. ac., Sul., Ustil., Vinca, Viola tr.

VERSICOLOR (chromophytosis) -- Bac., Chrysar., Mez., Nat. ars., Sep., Sul., Tellur.

TRICHOPHYTOSIS - ringworm (See Scalp - Head.) -- Ant. c., Ant. t., Ars., Bac., Calc. c., Calc. iod., Chrysar., Graph., Hep., Jugl. c., Jugl. r., Kali s., Lyc., Mez., Psor., Rhus t., Semperv. t., Sep., Sul., Tellur., Tub., Viola tr.

Intersecting rings [in] over great portion of body; fever; great Constitutional disturbances -- Tellur.

Isolated spots [in] on upper part of body -- Sep.

Ringworm (tinea capitis) (See Skin.) -- Ars., Bac., Bar. m., Calc. c., Chrys., Dulc., Graph., Kali s., Mez., Petrol., Psor., Sep., Sil., Sul., Tellur., Tub., Viola tr.

দাদ এর জন্য প্রয়োজনিয় বাইয়োকেমিক ঔষধের লক্ষণ ভিত্তিক আলোচনা

Ø ক্যালকেরিয়া সালফ

ত্বকের উপর আইস উঠে, চামড়া শুষ্ক থাকে, কোন চর্ম পীড়া বসে গিয়ে দাদের উৎপত্তি হলে চর্ম উত্তপ্ত খসখসে, জ্বালাপোড়া ভাব হলে, মাথার উপর দাদ হলে বেশী উপযোগী।মাত্রা ২০০ শক্তির চার বড়ি দিনে একবার শিশুদের অর্ধেক মাত্রা।

Ø নেট্রাম সালফ

যে সকল দাদ একবার শুষ্ক আবার রসাল হয়ে উঠে অর্থাৎ যখন রসাল থাকে তখন মৃতবঃ যখন রসাল হয় তখন সজীব।সজীব অবস্হায় চুলকানী থাকে।মাত্রা ২০০শক্তির ৪ বড়ি দিনে একবার শিুদের অর্ধেক।

Ø ক্যালকেরিয়া সালফ

যে দাদ কখনো সাড়ে না। মনে হয় একেবার সেড়ে গিয়াছে ক্তিু পুনরায় দেখা দেয় সেই সকল দাদের চিকিৎসায় ক্যালকেরিয়া সালফ উপযোগী। মাত্রা:২০০শক্তির চার বড়ি দিনে একবার শিশুদের অর্ধেক মাত্রা।

উসংহার

হোমিওপ্যাথিক একটি লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা। রোগের ধরন স্থান, রোগীর মানসিক অবস্থা বিবেচনায় সঠিক ঔষধ নির্বাচন করলে দ্রুত আরোগ্য হয়। কেহ একা একা ঔষধ কিনে খাবেন না এবং বাজার হতে কোন প্রকার মলম কিনে ব্যবহার করবেন না। এতে হিতে বিপরিত হতে পারে।

ইভা হোমিও হল

ডা. ইয়াকুব আলী সরকার

গভঃ রেজিঃ নং:২৩৮৭৬

বাইপাইল, সাভার, ঢাকা ।

মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৬৬

 

ডায়াবেটিস চিকিৎসায় বাইয়োকেমিক ঔষধের মেজিক



ডায়াবেটিস কি?
ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনস্যুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। এই রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেড়ে যায়। সুস্থ লোকের রক্তে প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৫.৬ মিলি মোলের কম এবং খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে। অভুক্ত অবস্থায় রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.১ মিলি মোলের বেশি হলে অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোলের বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স কি ?
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। কিন্তু যা সঠিকভাবে কাজ করে না অর্থাৎ শরীরে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা সঠিকভাবে কমাতে পারে না। কোনো ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হলে পরবর্তীতে তার ডায়াবেটিস দেখা দেয়, সাধারণত টাইপ-২ ডায়াবেটিস।
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হলে সাধারণত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, তন্ত্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে। মস্তিষ্কস্থূলতা দেখা দেয়, ওজন বাড়ে। শরীরে চর্বি জমে, রক্তচাপ বাড়ে, ক্ষুধা ও তৃষ্ণা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।
ডায়াবেটিসের কারণ, লক্ষণ ও জটিলতা :
কার্বোহাইড্রেটের বিপাকক্রিয়ার গোলযোগের কারনে ডায়াবেটিস হয় ।দেহে ইনসুলিনের অভাব ঘটে ।ইনসুলিনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বেড়ে যায় ।গ্লুকোজের ওসমোটিক ক্রিয়ার ফলে পলি ইউরিয়া জন্মায় ।এর ফলে শরীরের শক্তি ও পুষ্টির অভাব হয় ।রোগীর শরীরে চুলকানী,ঘন ঘন প্রস্রাব হয় জ্বালাপোড়া করে,যৌনাঙ্গে জ্বালাপোড়া ,মাংশপেশীর সংকোচন শক্তির ঘাটতি হয়,চামড়া শুস্ক,খসখসে হয়,হজমে গোলযোগ দেখা যায়,মেজাজ খিটখিটে হয়,লিভারের রোগ,দৃষ্টি শক্তির অভাব হয়,রক্তচাপ বাড়ে,যৌন দুর্বলতা তথা ধ্বজভংগ রোগ হয়,মাথার চুল পড়া,কিডনীরোগ হয় মোট কথা শরীরের সার্বিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারায়।
সংক্ষেপে ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ
ক. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
খ. খুব বেশি পিপাসা লাগা
গ. বেশি ক্ষুধা পাওয়া
ঘ. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
ঙ. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা
চ. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া
ছ. খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেওয়া
জ. চোখে কম দেখা।
ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয় উপায়
রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার ঐনঅ১প% পরিমাপ করে ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে হয়। সুস্থ ব্যক্তির রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৬.১ মিলি মোলের কম এবং খাবার ২ ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলিমোলের কম থাকে। কোনো ব্যক্তির রক্তের প্লাজমায় অভুক্ত অবস্থায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.০ মিলি মোল বা তার বেশি হলে এবং খাবার খাওয়ার অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোল বা তার বেশি হলে অথবা রক্তের ঐনঅ১প ৬.৫%-এর বেশি হলে তাকে ডায়াবেটিস রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ ও তাদের পার্থক্যসমূহ
টাইপ-১, ২. টাইপ-২, ৩. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। ৪. অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী।
টাইপ-১
এই ধরনের রোগীদের শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয় না। সাধারণত ৩০ বছরের কম বয়সে এ ধরনের ডায়াবেটিস দেখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতেই হয়। অন্যথায় রক্তের শর্করা অতি দ্রুত বেড়ে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই রক্তে অম্লজাতীয় বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
টাইপ-২
এই শ্রেণীর রোগীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ত্রিশ বছরের ওপরে হয়ে থাকে। আজকাল ত্রিশ বছরের নিচেও এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দেখা দিচ্ছে ও দিনে দিনে বেড়ে চলছে। এদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। তবে, প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন না দিলে টাইপ-১ রোগীর মতো এদের বিষক্রিয়া হয় না। অর্থাৎ এরা ইনসুলিন নির্ভরশীল নয়। অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়ামের সাহায্যে এদের চিকিৎসা করা সম্ভব।
এখন বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগটি মানবদেহে দ্রুত বাড়ছে। লাখো মানুষ শর্করার মাত্রার বাড়ার কারণে এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের যে কয়টি উপায় রয়েছে তা হলো:ব্যায়াম,খাদ্যনিয়ন্ত্রন,স্বাস্হবিধি পালন,সঠিকখাদ্য তালিকা,ধ্যান ইত্যাদি।
খাদ্য:নিচের খাদ্যগুলি আপনার খাদ্যতালিকায় রাখলে আপনার ডায়াবেটিস সহজেই নিয়ন্ত্রনে থাকবে।
নয়নতারা খুব পরিচিত একটি ফুল। এ ফুলগাছের সব অংশই তেতো। প্রতিদিন সকালে দু’টি পাতা খালি পেটে চিবিয়ে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকে।তেতো করলা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
মেথি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বীজ। মেথি দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ।এটি হজমে খুব সহায়ক। মেথি গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। প্রতিরাতে রাতে দুই টেবিল চামচ মেথি পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে পানি আলাদা করে খালি পেটে এই পানি পান করুন। এতে ডায়াবেটিসহ বিভিন্ন রোগের উপকার পাবেন।তুলসি অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং নিম পাতার রয়েছে ওষুধি বৈশিষ্ট্য। নিমপাতা ও তুলসি পাতা ডায়াবেটিস নিরাময়ে ভালো কাজে দেবে। পাঁচটি পুদিনা পাতা ও নিমপাতা পানিতে ধুয়ে খালি পেটে চিবিয়ে খেলে ভালো উপকার পাবেন।কালো জাম গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সবচেয়ে ভালো ফল হিসেবে অন্যতম।ঢেঁড়স ফাইবারসমৃদ্ধ সবজি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস নিরাময় করতে রাতে এক গ্লাস পানির মধ্যে একটি ঢেঁড়স কেটে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে গ্লাস থেকে ঢেঁড়স তুলে খালি পেটে এই পানি পান করুন।মিষ্টি কুমড়া অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি সবজি। ডায়াবেটিক রোগীরা এ সবজি খেলে তাদের ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাছাড়া মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। ফলে চোখের সমস্যা দূর করে ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
হাটা: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তে শর্করা প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিকার অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা। প্রথমে ধীরে ধীরে পরে জোরে হাঁটার অভ্যাস করুন। এতে ক্যালোরি ও অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করবে।করবে।
ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাইয়োকেমিক ঔষধ নির্বাচনের গাইড লাইন :
*ক্যালকেরিয়া ফস:রোগী ঘনঘন প্রস্রাব,পরিমানে বেশী প্রস্রাব,হাড় ও পেশীতে বেদনা,সমস্ত শরীর ঠান্ডা ভাব থাকে ।উক্ত লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য প্রয়োগ করলে স্বাভাবিক জীবন সম্ভব।মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
* ফেরম ফস:-রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমান কম,শেরীরের যে কোন অংশের রক্তক্ষরণ,বার বার প্রস্রাবের বেগ,মুত্রথলিতে বেদনা,শরীর দুর্বলতা লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে ।।মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
*কেলি ফস:-রোগী অত্যন্ত স্নায়ুবিক দুর্বল,কাজে কর্মে উৎসাহহীনতা,মনমরা ভাব,ক্লান্তি বোধ,অসারে মুত্রত্যাগ, পিঠে বেদনা,হাত পা অবস,পক্ষাঘাতগ্রস্হ যৌন দুর্বলতা লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতা বোধ করবে।।মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে ।
*নেট্রাম ফস:-যে রোগীর প্রস্রাবে ল্যাকটিক এসিডের পরিমান বৃদ্ধি পায়,শর্করার পরিমান বৃদ্ধি পায়,টক উদগার উঠে,হাটু হাত পার গাউট বেদনা হয়,সেইসকল রোগীর সুগারের পরিমান কমাইতে জরুরী প্রয়োজন ও উপরে উল্লেখিত লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতাবোধ করবে।।মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
*নেট্রামসালফ:-লিভারদোষযুক্ত,ঘনঘনমুত্রত্যাগ,কিডনীরোগী,প্যানক্রিয়াসের সমস্যাসহ,মুত্রে প্রচুর সুগার নি:স্বরণ , উল্লেখিত লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতাবোধ করবে।।মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
*কেলি মিউর :-জিহ্বাহ সাদা কোষ্ঠবদ্ধ,উল্লেখিত লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতাবোধ করবে।।মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
বাইয়োকেমিক কম্বিনেশন সাত(৭) নংঃ সাধারনত: সকল ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রেই দেওয়া যায়।
অর্গানন অব মেডিসিন অনুসারে রোগীর সকল লক্ষণ সমষ্টি বিবেচনায় কি ঔষধ দেয়া প্রয়োজন সেই বিষয়টি দক্ষ ডাক্তারই জানেন।আমার লেখা নতুন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগনের উপযোগী করে।কেউ যদি লেখা পড়ে ডাক্তারী শুরু করেন তবে ভুল করবেন।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি জটিল ঔষধ নির্বাচন পদ্ধতি। আপনারা কখনও একা একা ঔষধ কিনে ডাক্তারী করবেন না।ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

ডা: ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইর,সাভার,ঢাকা।
গঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

নাকের পলিপাসের বাইয়োকেমিক চিকিৎসা



নাকের পলিপাসের বাইয়োকেমিক চিকিৎসা।

নাকের ভিতর স্লেষ্মাময় স্ফিতিকে পলিপাস বলে।

পলিপাস দুই প্রকার যথা 

১) বৃন্তহীন পলিপাস 

২)বৃন্ত যুক্ত পলিপাস।
কারণ: ঠাণ্ডায় বা সর্দি লাগিলে ইহারা প্রায়ই আকারে বৃদ্ধি পাইয়া শ্বাসগ্রহণে ব্যাঘাত জন্মায় এবং সর্দি আরোগ্য হইলে বৃন্তের সৃষ্টি হয়।কখনও ক্ষুদ্রায়তন হইয়া থাকে এবং কখনও বা বর্ধিত অবস্থায় থাকিয়া ক্রমাগত অসস্হির কারণ হইয়া থাকে।ধমনী ও কৌষিক তন্তু যুক্ত সবৃন্ত পলিপাস হইতে কখনও কখনও রক্ত স্রাব হইয়া থাক।


নাকের পলিপাসে ব্যবহৃত বাইয়োকেমিক ঔষথের পার্থক্য বিচার:

*ক্যালকেরিয়া ফস 
ক্যালকেরিয়া ফসের অভাবহেতু এইরোগ হলে এটিই একমাত্র ঔষধ ।পুরান সর্দিপ্রবন রোগী ঘ্রানহীণ ,বৃন্তযুক্ত পলিপাসের প্রধান ঔষধ ।ইহা বাহ্য ব্যবহারও হয় ।মাত্রা :৩,৬,১২x শক্তির বয়স্কদের চারটি ছোটদের দুই বড়ি দিনে তিন বার আহারের পরে গরম পানিতে খাবে ।

*নেট্রাম মিউর 
লবন প্রীয় রোগীর সর্দি,হাছিসহ বৃন্তহীণ পলিপাস থাকলে এবং রোগী ঘ্রাণশক্তিহীন হলে এইঔষধ অত্যন্ত উপকারী।ইহা বাহ্য ব্যবহৃত হয়।মাত্রা:৩,৬,১২x শক্তির বয়স্কদের চারটি ছোটদের দুই বড়ি দিনে তিন বার আহারের পরে গরম পানিতে খাবে।

*সাইলেসিয়া 
শ্লেষ্মা ময় পলিপাসের রোগীর, সাইলেসিয়ার ধাতুগত মিল থাকিলে বৃন্তহীন পলিপাসে ব্যবহার করলে আরোগ্য হয়।মাত্রা :৩,৬,১২x শক্তির বয়স্কদের চারটি ছোটদের দুই বড়ি দিনে তিন বার আহারের পরে গরম পানিতে খাবে।

*কেলি সালফ 
বৃন্ত যুক্ত ও বৃন্তহীণ উভয় প্রকার পলিপাসের রোগীর শরীরের চামড়া শুষ্ক,কর্কশ ও অপরিস্কার থাকলে এবংরেগীর যে কোন স্রাব আঠাল,পিচ্ছিল,চটচটে হলুদ বর্নের হলে অত্যন্ত কার্যকরী ।মাত্রা:৩,৬,১২x শক্তির বয়স্কদের চারটি ছোটদের দুই বড়ি দিনে তিন বার আহারের পরে গরম পানিতে খাবে।

উপদেশঃ পলিপাসের রোগীর নাকের ভিতরে পানি দ্বারা পরিস্কার রাখা জরুরী।অনুই আংগুল দ্বারা নাকর ভিতবে পলিপাস ম্যাসেস করলে উপকার হয়।
বাইয়োকেমিক চিকিৎসা মতে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করে সঠিক নিয়মে প্রয়োগ করিলে উক্ত রোগ আরোগ্য হয়।
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গোঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

Comments System

[blogger][disqus][facebook]

Disqus Shortname

theme-daddy