জনপ্রিয় পোস্ট

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২০

ক্ষত আরোগ্যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা



বিভিন্ন প্রকার ক্ষতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
Wounds বা ক্ষত কি ?
কাটা,ঘা বা অন্য কোন বস্তু দ্বারা সৃষ্ট জীবন্ত টিস্যুতে আঘাতে ত্বক কেটে বা ভেঙ্গে গেলে ক্ষত হয়।
ক্ষত প্রধানত দুই প্রকার প্রকার।
যথাঃ উন্মুক্ত ক্ষত ও অভ্যন্তরীণ ক্ষত।
রক্ত ভিতরে জমাট বেঁধে থাকে এই ধরনের ক্ষতকে অভ্যন্তরীণ ক্ষত বলে। অভ্যন্তরীণ ক্ষত ৪ চার ধরনের যথাঃ
v ছিন্নভিন্ন ক্ষত, পিষ্ট ক্ষত, বিদ্ধ ক্ষত, মিশ্র ক্ষত
v বিদ্ধ ক্ষত হয়  আঘাতে ব্লেড ছুরি,বটি,ভাঙা কাঁচ ইত্যাদির মাধ্যমে।
v মিশ্র ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে যে সকল আঘাতেঃ ক্ষুরের আঘাতে,ছুরির আঘাতে
v ব্লেডের আঘাতে,গুলির আঘাতে।
উন্মুক্তঃ ক্ষতে অবিরামভাবে রক্তপাত ঘটায়, ক্ষতে, পিষ্ট ক্ষতে, ছিন্ন ভিন্ন ক্ষতে, বিদ্বক্ষতে রক্ত ক্ষরণ হয়।
ক্ষতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত বাহ্যিক প্রয়োগের জন্য উপযুক্ত সদৃশ ঔষধ সমুহ
আর্ণিকা, বেলিস পার, ক্যালেন্ডুলা, হাইপেরিকাম, কার্বলিক এসিড ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
আঘাত জনিত ক্ষত চিকিৎসায় ব্যবহৃত সদৃশ ঔষধ নির্বাচন গাইডঃ
Ø আঘাত লাগিয়া হিমাঙ্গ- ক্যাম্ফর।
Ø আঘাতের পর অজ্ঞান হয়ে যাওয়া-আর্নিকা মন্টেণা।
Ø আঘাতের পর আক্ষেপ-হাইপেরিকাম, আর্ণিকা,সিকুটা,হেলেবোরাস।
Ø আঘাতের পর মূত্রাবরোধ-আর্নিকা।
Ø আঘাতের পর মস্তিষ্ক বিকৃতি-নেট্রাম সাল্ফ।
Ø মস্তকে বা মেরুদন্ডে আঘাতঃ-আর্নিকা, সিকুটা, হাইপেরিকাম।
Ø মেরুদন্ডে বা মেরুপুচ্ছ আঘাত-হাইপেরিকাম।
Ø ধূলাবালি পরিয়া চক্ষু প্রদাহ-আর্নিকা।
Ø অস্ত্রোপচারজনীত চক্ষের মধ্যে রক্তস্রাব- লিডাম।
Ø অন্ডকোষে আঘাত-কনিয়াম।
Ø স্তনে আঘাত-কনিয়াম।
Ø মস্তকে আঘাত লাগিয়া শরীরের অভ্যন্তর  হইতে রক্তস্রাব-আর্নিকা, মিলিফোলিয়াম।
Ø কোন কিছু টানিয়া তুলিতে শিরা বা পেশীতে আঘাত-আর্নিকি, রাস টক্স ইত্যাদি
Ø হাতের কব্জি বা পায়ের গোছ মচকাইয়া যাওয়া-আর্নিকা, রুটা, রাস টক্স, বেলিস পেরেনিস।
Ø জরায়ু বা স্তনের উপর আঘাত-আর্নিকা, বেলিস পেরেনিস, কোনিয়াম।
Ø ডিম্বকোষে আঘাত-সোরিনাম, বেলিস পেরেনিস।
Ø ডিম্বাকোষে আঘাত লাগিয়া কালবর্ণের রক্তস্রাব-আর্নিকা, মেলিলোটাস।
Ø দাঁত তুলিবার পর রক্তস্রাব-আর্নিকা, হ্যায়োসিয়ামাস।
Ø গর্ভবতী স্ত্রীলোকের পেটে আঘাত লাগিবার পর রক্তস্রাব-আর্নিকা।
Ø প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তস্রাব-আর্নিকা,ইপিকাক,হ্যামামেলিস।
Ø প্রসবের পর ফুল না পড়িলে-ক্যান্থারিস।
Ø প্রসবের পর ফুল না পরিয়া রক্তস্রাব-বেলেডোনা, ক্যান্থারিস, স্যাবাইনা।

কেন্ট রেপার্টরির সাহায্যে ক্ষতের সদৃশ ঔষধ নির্বাচন
WOUNDS, painful
++ penetrating : Apis.carb-v.cic., hep., hyper.Led.Nit-ac., plb., sil., sulph.
++ of palms and soles : Hyper.Led.
++ splinters, from : Acon., apis.arn.carb-v.Cic., colch., hep.Hyper., lach., led.nit-ac.petr., plat., ran-b., sil.staph.sulph.
++ stab wounds : Apis.arn., carb-v., cic., lach., nit-ac., sil., staph.
--- stings of insects (See Stings Under Skin)
++ stinging, in : Acon., apis.arn., bar-c., bry., caust., led.merc., nat-c., nit-ac.staph.sulph.
--- suppurating (See Skin, Unhealthy)
--- ulcerating (See Ulcers)
STICKING : Acon.agar.agn., alum., am-c., am-m., anac., ant-c., Apis.arn.ars-i., ars., asaf.Bar-c., bell., Bry., bufo-r., calc.cann-s.canth.caps., carb-s.carb-v., caust.chel., chin-a., chin.clem., coc-c., cocc.coff., colch.con., crot-h.crot-t.cycl.dig., dios., dros., dulc., euphr., Graph., guai., hell., hep., hyos., ign., iod., kali-ar., kali-c., kali-n., kali-p., kali-s., kreos., lach., Lyc., mag-c., meny., merc.mez., mur-ac., nat-c., nat-m., nat-p., nit-ac.nux-v., olnd., par., ph-ac., phos.plan., plat., plb., Puls., ran-b., ran-s., rhod., Rhus-t., ruta., sabad.sabin., sars., Scil., sel., sep.sil.spig., Spong.stann.staph.stront., sul-ac., sulph.tarax.tell., teucr., thu.verat., Viol-t., zinc.
++ evening, in bed : Alum., cycl., thu., zinc.
++ night : Anac., cann-s., merc., thu.
++ electric : Agar.
++ scratching, after : Alum., am-m., arn., ars., asaf., Bar-c., bell., bry.calc., cann-s., canth., carb-s., caust.chel., chin., cocc., con., cycl.dros., dulc., graph.hell., kali-ar., kali-c., kali-s., lach.lyc., merc.mez., nit-ac., nux-v., par., ph-ac., puls.ran-b., Rhus-t., ruta., sabad.sars., Scil.sel., sep., sil., spong.staph., stront., Sulph., tarax., teucr., thu., viol-t.zinc.
--- splinter as from (See Splinter)
++ unhealthy : Alum., am-c., bar-c., bor., calc.carb-v., caust., cham.Chel., clem., con.croc., graph.hell., Hep.hippoz.kali-c., lach.lyc., mag-c., mang., merc.mur-ac., nat-c., nat-p., Nit-ac., nux-v., petr.ph-ac., phos., plb., rhus-t.Scil., sep.Sil.staph.sulph.viol-t.
--- undermined
++ ULCERS, glands (See Skin) : Ambr.ant-c., arn., Ars., asaf., aur., bell.calc., canth.carb-an., carb-v., caust., clem., coloc., con.cupr., dulc., hep.hyos., ign., kali-c., kali-p., kreos., lach.lyc., merc., nit-ac., ph-ac., Phos.phyt.rhus-t., sars., Scil., sep., Sil., spong., sul-ac., sulph.thu., zinc.

ক্ষতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত সদৃশ ঔষধ নির্বাচন কৌশল
v ক্যালেনডুলা
কৈশিক রক্তপাতের সাথে খোলা জখম (যেমন হাত, পা ইত্যাদি) রক্তের প্রবাহ বন্ধ করতে সংকোচনের ব্যবহার করুন; কাঁচা, খোলা এবং জ্বলন্ত ক্ষত যখনই জ্বর উপস্থিত থাকে; বদ্ধ ক্ষত থেকে শুকনো পুঁজ ফোটাতে সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যালেন্ডুলা প্রয়োজন।
v একোনাইট নেপিলাস
এই প্রতিকারটি সহায়ক হতে পারে যখন কোনও ব্যক্তি আহত হওয়ার পরে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর বা উত্তেজিত বোধ করে। এটি উদ্বেগ এবং আতঙ্ক প্রশমিত করতে এবং শক হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে। 
v স্ট্যাফিসেগ্রিয়া (Staphysagria)
সূচ,, ছুরিকাঘাতে ক্ষত, পরিষ্কার কাটা; জীবাণু এবং চিকিত্সা যে নিরাময়ে ধীর হয়; ক্ষত এবং চোখের গ্লোব laceration চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
v বেলিস পেরেনিস
এই প্রতিকারটি ট্রাঙ্ক এবং গভীর টিস্যুগুলির আঘাতের জন্য কার্যকর - যেমন ফলস, গাড়ী দুর্ঘটনা, শল্যচিকিত্সা ইত্যাদি — বিশেষত যদি আহত জায়গায় দৃঢ়তা বা শীতলতা বোধ বজায় থাকে। যদি অর্ণিকাকে কোনও আঘাতের জন্য দেওয়া হয় — বিশেষত স্ট্রেইন বা আঘাতের কারণে — তবে খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি, তবে বেলিস পেরেন্নিস সহায়ক হতে পারে। 
v হাইপারিকাম পার্পোরেটাম
এই প্রতিকারটি তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় যা মনে হয় স্নায়ুর পথে চলে। অরণিকা (অর্ণিকা মন্টানা) এই প্রতিকারটি ট্রমা, সার্জারি বা অত্যধিক ওষুধের সাথে যুক্ত ব্যথা, ক্ষত এবং ফোলাভাব থেকে মুক্তি দেয়।
v ক্যালকেরিয়া ফস
এই প্রতিকার হাড়ের ক্ষত, পুরাতন বা ধীর-নিরাময় ফ্র্যাকচার বা হাড়ের ঘাড়ে বাড়ে এমন কোনও আঘাতের জন্য দরকারী, বিশেষত যদি অঞ্চলটি শীতল বা অসাড় বোধ করে এবং উষ্ণতার সাথে উন্নতি করে। আঘাতের কাছাকাছি পেশীগুলি ব্যথা বা কড়া হতে পারে। 
v ইপিকাক
বমি বমি ভাব এবং দুর্বলতার অনুভূতি সহ আঘাতের পরে ভারী রক্তপাত হলে এই প্রতিকার প্রাথমিক চিকিত্সা হিসাবে সহায়ক হতে পারে, গুরুতর রক্তপাত দেখা দিলে জরুরি যত্ন প্রয়োজন; গুরুতর রক্তক্ষরণের ক্ষতস্থানে চাপ প্রয়োগ করা উচিত এবং অবিলম্বে চিকিত্সা সহায়তা পাওয়া উচিত। লিডাম পাল এটি অস্পষ্ট বস্তুগুলি থেকে ক্ষত থেকে মুক্তি দেয়, বিশেষত যেখানে ত্বক পাতলা চোখ, আঙ্গুল এবং আঙ্গুলের চারপাশে পাশাপাশি তীব্র ব্যথা এবং পয়েন্টযুক্ত জিনিসগুলি থেকে ক্ষত।
v ফসফরাস
যখন ছোট ক্ষতগুলি সহজে রক্তক্ষরণ হয় বা কোনও ব্যক্তির ছোটখাটো আঘাত থেকে আঘাতের প্রবণতা থাকে, তখন এই প্রতিকারটি সহায়ক হতে পারে। এটি নাকফুলের জন্যও উপকারী।
v রুটা (রুটা কবরোলেন্স)
এই প্রতিকার স্ট্রেইড লিগামেন্ট এবং টেন্ডসগুলি আঘাত প্রাপ্ত বেদনা ও ক্ষত আরোগ্যে উপযোগী।
v সিম্ফাইটম (Symphytum)
হাড়ের ক্ষতগুলির জন্যও ভাল। চোখের বলকে যদি কোনও ভুট্টা আঘাত লাগে একটি শিলা, একটি লাঠি, একটি উড়ন্ত বস্তু, ইত্যাদি থেকে এটি মূল্যবান তবে চোখের বা চোখের বলের কোনও আঘাত ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষা করা উচিত।
v আর্সেনিক এলবম
ক্ষতমধ্যে অগ্নিদাহবৎ জ্বালা- উত্তাপ প্রয়োগে উপশম। ক্ষতের প্রান্ত উচ্চ ও চতুরপার্শ্বে চকচকে লালিমা, তলদেশ কৃষ্ণবর্ণ; ক্ষত হইতে প্রচুর পরিমাণে পচা দুর্গন্ধযুক্ত, হ্যাজাকর, রক্তময়, জলবৎ তরল পুঁজ নির্গমন।
v এসাফোটিডা
ক্ষতের প্রান্ত উচ্চ ও কঠিন, স্পর্শ সহ্য হয় না, সহজেই রক্তস্রাব হয় এবং মধ্যে মধ্যে তীক্ষ্ণ বেদনা বোধ হয়; ক্ষত হইতে প্রচুর পরিমাণে সবুজাভ, তরল, দুর্গন্ধযুক্ত, রক্তময় পুঁজ নির্গত হয়; ক্ষত অস্থি আক্রমণ করিলে এবং তাহার চতুষ্পার্শ্বে সামান্য স্পর্শও সহ্য না হইলে ইহা বিশেষ উপযোগী।

v কার্বো ভেজ
ক্ষত হইতে রক্তস্রাব হয়; পচা দুর্গন্ধযুক্ত, হ্যাজাকর, তরল,স্বল্প আস্রাব; ক্ষতমধ্যে অত্যন্ত জ্বালা ও তাহার চতুষ্পার্শ্বে নিলাভ।
v এসিড ফ্লোর
ভেরিকোজ আলসার; ক্ষতের পার্শ্বে স্বল্পস্থানে জ্বালা ও ক্ষতমধ্যে আত্যন্ত বেদনা- উত্তাপে বৃদ্ধি। ঠাণ্ডায় উপশম।
v গ্রাফাইটিস
দুর্গন্ধযুক্ত, গাড় পুজস্রাব,ক্ষতমধ্যে চুলকানি অথবা হুলবিঁধনবৎ বেদনা এবং মাংসবৃদ্ধি প্রাউড ফ্লেস ক্ষতের পার্শ্বে চর্ম বিদীর্ণ হয়।
v হিপার সাল্ফ
v ক্ষতের ধারগুলি খাঁজকাটা দেখায় এবং তাহার চতুষ্পার্শ্বে ফুস্কুরি জন্মে; দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ নিঃসৃত হয় এবং মৃদ স্পর্শও সহ্য হয় না।
ক্যালি বাইক্রোম
ক্ষত ক্রমশ গভীর হইয়া পড়ে এবং তাহার তলদেশ আঠাল দড়িদড়াবৎ পুঁজ সংলগ্ন থাকে।
v ল্যাকেসিস
;ক্ষতের তলদেশ কৃষ্ণবর্ণ, সামান্য পুঁজ নিঃসৃত হয়, কিন্তু সহজেই রক্তপাত হয় এবং ক্ষত স্পর্শ করিলে জ্বালা বোধ হয়; ক্ষতে স্পর্শ সহ্য হয় না, তাহা হইতে দুর্গন্ধযুক্ত হ্যাজাকর আস্রাব নিঃসৃত হয় এবং চতুষ্পার্শ্বে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুস্কুরি জন্মে;পচা ক্ষত, গ্যাংগ্রিন।
v লাইকোপোডিয়াম
নিন্মপদের ক্ষত; রাত্রিকালে ক্ষতমধ্যে ছিঁড়িয়া ফেলিবার ন্যায় যন্ত্রণা হয়, অত্যন্ত চুলকায়; ক্ষতের ধার লাল ও কঠিন হয় এবং উলটাইয়া যায়। স্পর্শ করিলে জ্বালা করে; উত্তাপে যন্ত্রণার বৃদ্ধি, ঠাণ্ডায় উপশম।
v মার্কসল
ক্ষত অগভীরভাবে বিস্তৃত হয় এবং তাহার তলদেশে চর্বির ন্যায় পদার্থ জমিয়া থাকে ও উচুনিচু এবং অসমান দেখায়; ক্ষত হইতে সহজেই রক্তপাত হয়; অত্যধিক বেদনা মৃদু স্পর্শও সহ্য হয় না; নীলাভ বা ঈষৎ কৃষ্ণবর্ণ ক্ষত; রাত্রিকালে, শয্যার উত্তাপে এবং উত্তাপ ও ঠাণ্ডা প্রয়োগে যন্ত্রণার বৃদ্ধি।
v মেজেরিয়াম
চতুর্দিক আড়ষ্ট, সহজেই রক্তস্রাব হয়, পুঁজ জমিয়া মামড়ী পড়ে ও তাহার নীচে প্রচুর পুঁজ জমিয়া থাকে এবং চতুষ্পার্শ্বে জ্বালাময় ফুস্কুরি জন্মে; ল্কতমধ্যে খচখচানি বেদনা, রাত্রিকালে বৃদ্ধি।
v নাইট্রিক এসিড
ক্ষত ক্রমশ গভীর হইয়া পড়ে এবং তন্মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মাংসবৃদ্ধি হয়; মৃদুতম স্পর্শে কাটাফোটানোর মত বেদনা ও জ্বালাবোধ, ক্ষত হইতে রক্তস্রাব হয়; রক্তমিশ্রিত দুর্গন্ধযুক্ত তরল পুঁজ; রাত্রিকালে ও ঠাণ্ডায় যন্ত্রণার বৃদ্ধি।
v সাইলিসিয়া
ক্ষতমধ্যে গ্রানুলেসানের আধিক্য, ক্ষত আরোগ্য হইতে চায় না এবং ক্রমাগত পুঁজ নিঃসরণ হইতে থাকে। ক্ষতে গ্রানুলেসান আরম্ভ হইবার পর ইহা আরোগ্য ত্বরাম্বিত করে।
v সালফার
ক্ষতের প্রান্ত উচ্চ ও স্ফীত এবং ফুস্কুরি পরিবেষ্টিত; ক্ষতমধ্যে হুলবিধনবৎ যন্ত্রণা হয়, সহজেই রক্ত পড়ে এবং ঘন অথবা তরল দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ নিঃসৃত হয়। কেহ কেহ পুরাতন ক্ষতের চিকিৎসা কালে সর্বাগ্রে সালফার প্রয়োগ করিয়া তৎপর অন্য নির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়া থাকেন।
v ক্রোটেলাস
কোন ক্ষতের চারিধার শক্ত এবং কালচে রঙ বা নীলবর্ণ ধারণ করে, গ্যাংগ্রিনে পরিণত হয়, রোগী ক্রমশঃ নিস্তেজ ও দুর্বল হইয়া পড়ে, তখন ক্রোটেলাস উপকারী।
v ইচিনেসিয়া
ইহা একটি রক্ত দোষমুক্তকারী ঔষধ। ব্যক্তির নিজের শরীরের সংক্রামক বিষ থেকে সংক্রমণ জনিত কারনে তরুণ রোগ সমূহ। রক্তবিষাক্ততার লক্ষণসমূহ সাধারণত রক্তের পচনশীল বা সেপটিক অবস্থা। সান্নিপাতিক জ্বর বা টাইফয়েড রোগে উদরাময়। ইরিসিপেলাস দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষত সমূহ।গ্, শয্যাক্ষত,কারবাঙ্কল,বিষাক্ত জন্তুর কিম্বা পতঙ্গ দংশন প্রভৃতিতে ইহা বিশেষ উপকারী। ইহার সমস্ত আস্রাব যেমন- মল, মুত্র,প্রসবান্তিক স্রাব, নিঃশ্বাস প্রভৃতি সমস্তই দুর্গন্ধযুক্ত।
v ট্যারেনটুলা কিউবেন্সিস
রক্ত বিষাক্ত হইয়া কতকগুলি পীড়ায় ইহা ব্যবহার হয় যেমন ডিপথেরিয়া, নানাপ্রকার ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক প্রদাহ, সাংঘাতিক প্রকারের স্ফোটক, বিসর্প প্রভৃতি অত্যন্ত লালবর্ণ হয়, জ্বালাকরে হুল ফোটানর মত বেদনা হয় ও পাকে এবং বাগী, কারবঙ্কল, গ্যাংগ্রিন, বুকের ক্যান্সার বৃদ্ধ দিগের ক্ষত ইত্যাদির ইহা মহৌষধ।
v প্লম্বম মেট
অণ্ডকোষের ক্ষত আরোগ্য করিতে; প্লম্বমের ক্ষমতাই অধিক। পরে নাকফোঁড়া এবং শরীরের অন্যান্য অংশে রক্তপাতের হলে ব্যবহৃত হয়।
v মিলেফোলিয়াম (Millefoli
সংশ্লেষ বা স্প্রিন যা ছোট ভাঙ্গা রক্তনালীগুলিকে জড়িত করে এবং ত্বকের নীচে ব্রুইসেলাইক রক্তপাতের দিকে পরিচালিত করে এই প্রতিকারের ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। এটি প্রায়শই আঘাতের পরে)। 
v সিকেলিকর
সিকেলি কর ক্ষতমধ্যে অগ্নিদাহবৎ জ্বালা উত্তাপে বৃদ্ধি, ঠাণ্ডায় উপশম হলে সিকেলি কর প্রয়োজন হয়।

ডা. ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল , সাভার, ঢাকা
মোবাইর নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।


সোমবার, এপ্রিল ০৬, ২০২০

জন্ডিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

Homeopathic treatment of jaundice.

জন্ডিস কি ?

জন্ডিস (Jaundice) ইংরেজি শব্দ। এটি কোন রোগের নাম নয়। এটি রোগের লক্ষন মাত্র।জন্ডিস হলে রক্তে বিলিরুনের পরিমান বৃদ্ধি পায়,ফলে চোখের সাদা অংশ, শৈষ্মিক ঝিল্লি হলৃদ হয়। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। আমাদের রক্তের লোহিত কণিকাগুলো একটা সময়ে স্বাভাবিক নিয়মেই ভেঙ্গে গিয়ে বিলিরুবিন তৈরি করে যা পরবর্তীতে লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের সাথে পিত্তনালীর মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে।অন্ত্র থেকে বিলিরুবিন পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।বিলিরুবিনের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় যে কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলে রক্তে বিলিরুবিন বেড়ে যায় আর দেখা দেয় জন্ডিস।

উপসর্গ

জন্ডিস হলে চোখ হলুদ হয়। তবে হেপাটাইটিস রোগে জন্ডিসের পাশাপাশি ক্ষুদামন্দা, অরুচি, বমি ভাব, জ্বর জ্বর অনুভূতি কিংবা কাঁপানি দিয়ে জ্বর আসা, মৃদু বা তীব্র পেট ব্যথা ইত্যাদি হতে পারে।

ন্ডিসের কারণ

১. লিভার প্রদাহ:
লিভার প্রদাহে বিলিরুবিনের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলশ্রুতিতে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে জন্ডিস সৃষ্টি হয়।
 ২. পিত্তনালীর প্রদাহ
পিত্তনালীর প্রদাহে বিলিরুবিন শোষণ ব্যাহত হয়।ফলে বিলিরুবিন বৃদ্ধি পেতে থাকে।
 ৩.পিত্তনালীর ব্লক
পিত্তনালীতে ব্লক হলে লিভার বিলিরুবিন সরাতে ব্যর্থ হয়। বেয়ে যায় জন্ডিসের সম্ভাবনা।
৪.গিলবার্ট’স সিন্ড্রোম
এই অবস্থায় এনজাইমের কার্যক্ষমতা কমে যায়।এর ফলে পিত্তের রেচনতন্ত্রে সমস্যা হয় এবং বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়।
 ৫.ডুবিন-জনসন সিন্ড্রোম
এই বংশগত রোগে লিভার থেকে বিলিরুবিন শোষণ হতে বাঁধা দেয়। ফলশ্রুতিতে জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

জন্ডিস থেকে বেঁচে থাকতে আমাদের করণীয় 

১. হেপাটাইটিস-এ ও ই খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। আর বি,‌ সি এবং ডি দূষিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়।তাই সব সময় বিশুদ্ধ খাদ্য ও পানি খেতে হবে।শরীরে রক্ত নেয়ার দরকার হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিতে হবে।ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করাটাও খুবই জরুরী।
২. মদ্য পান থেকে বিরত থাকুন।
৩. কল কারখানার রাসায়নিক পদার্থ থেকে দূরে থাকুন।
৪. নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।
৫.ব্যবহারকৃত ইনেকশন কিংবা নাক-কান ফোঁড়ানোর সুই ব্যবহার করবেন না।যারা সেলুনে সেভ করেন, তাঁদের খেয়াল রাখতে হবে যেন আগে ব্যবহার করা ব্লেড বা ক্ষুর আবারো ব্যবহার করা না হয়।
৬. নিরাপদ যৌনমিলন করুন।

জন্ডিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা

হাইড্রাসটিস(Hydrastis)
চক্ষু, প্রস্রাব, চর্ম হলুদ বর্ণ ধারন করে। মুখে অরুচি।জিহ্বা শ্বেতবর্ণ, বমি ভাব বিদ্যমান সহ নতুন ও পুরাতন জন্ডিস রোগীর জন্য অব্যর্থ

চেলিডোনিয়াম(Chelidonium)
মুখের স্বাদ তিক্ত, জিহ্বা হলুদ বর্ণের ময়লা যুক্ত, চোখ মুখ গায়ের চামড়া হলুদ বর্ণ ধারণ করে।পায়খানা ছাইয়ের মত,মাছে মাঝে গন্ধকের মত হলুদ বর্ণের পায়খানা, ক্ষুধামন্দা, গা বমি বমি, মাঝে মাঝে পিত্ত বমি ইত্যাদি লক্ষণ বিদ্যমান থাকলে চেলিডোনিয়াম উপযোগী।

কার্ডুয়াস মেরি (Cardous Mare)
হলুদ বর্ণের গাঢ়, অল্প প্রস্রাব,চক্ষু হলুদ, মুখে তিক্ত স্বাদ,মাঝে মাঝে বমি, বমি ভাব। কোষ্ঠবদ্ধতা,মল গাটগাট হয়ে নির্গত হয়। লিভারের স্হানে বেদনা।ডানপাশে শুইতে অক্ষমতা ইত্যাদি লক্ষণে কার্ডুয়াস মেরি উপযোগী।

মাইরিকা (Myrica)
চোখ হলুদ বর্ণের, জিহ্বায় হলুদ বর্ণের প্রলেপ, প্রস্রাব হলুদ বা ঘোলা, ঘুম ঘুম ভাব, অক্ষুধা, ঘুমঘুম ভাব, বমি বমি ভাব, মখমন্ডল হলুদ বর্ণের। বিশেষ করে শিশুদের জন্ডিসে মাইরিকা ফলপ্রদ।

ইলাটিরিয়াম (Elaterium)
সদ্যপ্রসূত নবজাত শিশুর পিত্তভেদ, চক্ষু প্রস্রাব হলুদ বর্ণ ইত্যাদি লক্ষণে ইলাটিরিয়াম উপযোগী। বিশেষ করে নবজ্ত শিশুর জন্ডিসে উপযোগী।

নাক্স ভুমিকা(Nux Vom.)
অতিরিক্ত কুইনাইন সেবন জনিত কারণে জন্ডিস হলে নাক্স ভুমিকা উপযোগী।

মার্ক সল
প্রচুর ঘর্ম,লালা স্রাব, রাত্রিকালে বৃদ্ধি, শয্যা তাতে বৃদ্ধি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেবাম পার্শ ছাড়া শয়নে অক্ষমতা। জিহ্বা ক্লেদাবৃত, মুখে দুর্গন্ধ।রোগীর মল পস্কিার হয় না। নিশ্ফল মলবেগ, সর্বশরীর হরিদ্রাভ। যকৃতে বেদনা বোধ।সর্ব শরীর বিশেষ করে চক্ষু, হাত পায়ের তালু হরিদ্রা বর্ণের হয়। জিহ্বা সরস, মোটা থলথলে দাতের ছাপযুক্ত, মলমূত্র সবই হলুদ এ রোগীর জন্য মার্কসল উপযোগী।

লাইকোপোডিয়াম
কঠিন এবং সাদা মল। মুখে তিক্ত স্বাদ, মলত্যাগে কষ্ট, আহার করার পরেই পেট ফুলিয়া ঢাকের মত হয়। লিভার বেদনা ও বৃদ্ধি। মুত্র কম ও লাল বর্ণের হয়, মলদ্বারে জ্বালা ইত্যাদি লক্ষণে লাইকোপোডিয়াম উপযোগী।

নেট্রাম সাল্ফ
সাইকোসিস দোষযুক্ত পিতামাপতা সন্তানের জন্ডিস হলে নেট্রাম সাল্ফ উপযোগী ঔষধ। রোগী বাম পাশে শয়নে অক্ষমতা, সকালে উদরাময়, মলত্যাগ কালে সশব্দে সামান্য মল ও বায়ু নিঃসরণ আহারের পরে মলত্যাগ বৃদ্ধি,শরীরে পানি জমা, লিভারে বেদনা, হলুদ প্রস্রাব ইত্যাদি লক্ষণে উপযোগী।

জন্ডিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আরো গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ সমুহ

চায়না, পডোফাইলাম, সালফার, ক্রোটেলাস, ডিজিটেলিস, ফসফরাস, বেলেডোনা, কেলিকার্ব, থুজা, এসিড নাই, এলোজ, প্লাম্বাব, আর্সেনিক এল্বাম ইত্যাদি লক্ষন ভেদে প্রয়োজন হয়।

রেপার্টরির সাহায্যে জন্ডিসের একক ঔষধ নির্বাচন

REPERTORYby Oscar E. BOERICKE, M.D.

ABDOMEN

JAUNDICE (icterus)
 -- Acon., Aloe, Am. m., Arg. n., Astacus, Ars., Aur. m. n., Aur., Berb. v.Bry.Card. m., Cascara sag., Ceanoth.Cham.Chel., Chelone, Chionanth., Cholest., Cinch., Corn. c., Crot., Dig., Dolichos, Eup. perf., Hep., Hydr., Iod., Jugl. c., Kali bich., Kali c., Kali Picr., Lach., Lept.Lyc., Merc. c., Merc. d.Merc. s.Myr., Nat. m., Nat. p., Nat. s., Nit. ac., Nux v., Ostrya, Phos., Picr. ac., Plumb., Pod., Ptel., Rumex, Ruta, Sep., Still., Sul., Tarax.Yucca, Veron., Vipera.

জন্ডিস রোগীর জন্য খাদ্য ও পথ্য


জন্ডিসের চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সঠিক খাদ্য তালিকা অনুসরণ করা। জন্ডিস রোগীদের ফ্যাটযুক্ত খাবার বর্জনই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি দরকার সঠিক খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করা।

জন্ডিস রোগীদের খাদ্য তালিকা


v ১. টমেটো ভিটামিন `সি`র অন্যতম উৎস। টমেটোতে রয়েছে লাইকোপিন, যা এন্টি অক্সিডেন্ট। তাই টমেটোর জুস লিভারের কোষকে তেজোদীপ্ত করে।
v ২.আমলকী ভিটামিন সির গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস। আমলকী কাঁচা, শুকিয়ে অথবা জুস করে খেলে তা লিভারের কোষের জন্য খুবই উপকারী। এটি লিভারকে পরিশোধন করতে সহায়ক।
v ৩.পুদিনা পাতা লিভার ফাংশনের জন্য খুবই উপকারী।প্রতিদিন সকালে চার-পাঁচটি পুদিনা পাতা খেলে জন্ডিসের জন্য ভালো উপকার পাওয়া যাবে।
v ৪. লেবুর রস পাকস্থলীর জন্য সহায়ক। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পানি মিশিয়ে লেবুর রস খেলে আপনার পরিপাকতন্ত্র ভালো কাজ করবে।
v ৫. লিভার পরিশোধনে আনারস খুবই উপকারী। জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভের জন্য আনারস খুবই কার্যকর একটি ফল।
v ৬. আখের শরবতও জন্ডিসের জন্য উপকারী।
v ৭. পেঁপে, কলা, আপেল, মাল্টা, জন্ডিসের পথ্য হিসেবে কাজ করে।


ডা. ইয়াকুব আলী সরকার

ইভা হোমিও হল
এ আর টাওয়ার রুম নাম্বার ৯
বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের দক্ষিণ পাশে, বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
মোবাইল নং 01716651488, 01686981445

শুক্রবার, মার্চ ২৭, ২০২০

একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের ডাইরি(দ্বিতীয় পর্ব)

Diary of a homeopathic doctor

একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার আজীবন ছাত্র। লেখাপড়া ছাড়া একদিনও চলে না। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি মহাসমুদ্র। এই সমুদ্র পাড়ি দিতে অনেক কষ্ট আর সাধনার প্রয়োজন।প্রতিদিন নতুন নতুন জিনিস জানতে জানতে আগের পড়া স্মৃতির আড়ালে চলে যায়। এই হাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ লেখাপড়া প্রয়োজনের সময় পেতে বেগ পেতে হয়। আর এ কারণেই একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের হাতের কাছে নোট খাতা বা ডাইরী রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি লেখাপড়া করার সময় যখনই সময় পাই তখনই লেখার সারমর্ম ফেসবুকে সেয়ার করে থাকি। আমার ডাইরিতে লিখে রাখার চেষ্টা করি। আমাদের কাছে যে হোমিওপ্যাথিক বিষয়ক বইগুলো পাই তা থেকে নিজে যা জানতে পাই তা সবাইকে জানাতে চেষ্টা করি। মানব কল্যানে আমার সামান্য শ্রম কাজে লাগবে এই প্রত্যাশায় আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়্যাস।
প্রথম পর্বে ১(এক) হতে ৫০(পঞ্চাশ)পর্যন্ত প্রকাশ করেছি। আজ ৫১ হতে ১০০ পর্যন্ত দেয়া হলো
 

ü 51*লাল বর্ণের প্রস্রাবের রোগীর সদৃশ ঔষধ- বোভিষ্টা, বেলেডোনা, লাইকোপোডিয়াম, সার্সাপ‍্যারিলা ইত‍্যাদি।

ü  52*বংশে ক‍্যানসারের ইতিহাস, সংক্রামক রোগে বারবার আক্রান্ত,দেহে অসংখ্য জড়ুল বা তিলক এই লক্ষণ সমষ্টির সদৃশ ঔষধ কার্সিনোসিন।

ü  53*নেট্রাম কার্ব শীতকাতর, নেট্রাম মিউর গরমকাতর, শৈত‍্যভিলাষী আর নেট্রাম সাল্ফ বর্ষাকাতর। গ্রীষ্মে তিনটি শ্রেণীরই কষ্টকর।

ü  54*পিত্তপাথুরীর জ্বালা,বেদনা,বমন ও লিভার অসুস্থতায় নাক্স, চায়না, কার্ডুয়াস, পডো ইত্যাদি বিফলেও কোলিস্টেরিনাম বিফল হয় না।

ü  55*নানা প্রকার ঔষধের বিষক্রিয়ায় রুক্ষ মেজাজ, কোষ্ঠকাঠিন্য, অনিদ্রা দূর করতে নাক্সভুমিকার প্রয়োজন অনস্বীকার্য।

ü  56*গর্ভস্রাব প্রবনতা আরোগ্যে সদৃশ ঔষধ- সিপিয়া, এপিস, ক্যালকেরিয়া কার্ব, স্যাবাইনা, এসিড নাই, থুজা, ইগ্নেসিয়া ইত্যাদি।

ü  57*জরায়ুর বহিনির্গমনের সদৃশ ঔষধ: সিপিয়া, লিলিয়াম, মিউরেক্স, হেলোনিয়াস, নেট্রামকার্ব ও মিউর, পালস ইত্যাদি।

ü  58*উচ্চ শ্রেণীর শীতকাতর রোগীর সদৃশ ঔষধ: হিপারসাল্ফ, সোরিনাম, লিডাম, কেলি কার্ব, ফেরাম ফস, ক্রিয়োজোট ইত্যাদি।

ü  59*তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, ভীরুতা, উদ্বিগ্নতা, হতবুদ্ধি কোন কাজ শুরু করিতে ভয় কিন্তু শুরু করলে অনায়াসে করে, সদৃশ ঔষধটি সাইলেসিয়া।

ü  60*ভিরেট্রাম এলবামের রোগী চিত্র: পিপাসা, কপালে ঘাম, বমি ও মলে দুর্গন্ধ, অম্ল খাদ্যের ইচ্ছা, অস্হিরতা সর্বক্ষেত্রেই রোগ প্রাবল্য ইত্যাদি।

ü  61*রোগীর রোগ সম্পর্কে ভাবলে রোগ বৃদ্ধি, কাজে ব্যাস্ত থাকলে উপশম, সদৃশ ঔষধ ক্যালকেরিয়া ফস, এসিড আক্সা, হেলোনিয়াস ইত্যাদি।

ü  62*হেলোনিয়াস ডায়োইকার রোগী চিত্র: অলস,দুর্বল, অস্হিরতা, অন্যের দোষ ধরে, জরায়ুর দুর্বলতা, গর্ভবতীদের ডায়াবেটিস ইত্যাদি।

ü  63*ভ্রান্ত রোগী-পেটে বায়ু জমায় ভাবে গর্ভবতী, গলায় রোগ-ক্ষতিকর ধারন করবে। ক্রিমির কারণে-কম্প, মাথা ব্যথা: স্যাবাডিলার সদৃশ লক্ষণ।

ü  64*প্রসবকালে মূর্ছার(Eclampsia)সদৃশ ঔষধ: সিকেলিকর, কুপ্রমমেট, সাইকুটা, নাক্স, জিঙ্ক, ওপিয়াম ইত্যাদি।

ü  65*"রক্ত শুন্যতা নিবারণের সদৃশ ঔষধ চায়না, কেলি কার্ব ও ফেরম মেট।চায়না তরুণ ফেরম পুরাতন রোগের,চায়না বিফলে কেলি কার্ব উপযোগী।

ü  66*গর্ভাবস্থায় অতিমাত্রায় উদাসীনতা, বিষন্নতা, বমি বমি ভাব, ৫ম হতে ৭ম মাসে গর্ভস্রাব প্রবণতার সদৃশ ঔষধ সিপিয়া।

ü  67*মাংস খেতে ইচ্ছুক রোগীর সদৃশ। ঔষধঃ ম্যাগকার্ব, মার্কসল, নেট্রাম মিউর, টিউবারকুলিনাম, ভিরেট্রাম এলবম,স্যানিকুলা ইত্যাদি।

ü  68*সুস্পষ্ট লক্ষণ ছাড়া ক্রনিক রোগীর চিকিৎসা এন্টিসোরিক সদৃশ ঔষধ দ্বারা শুরু করা উচিত। এ ক্ষেত্রে লাইকোপোডিয়াম দেয়া নিষেধ।

ü  69*কার্যের সাথে যেমন কারণের সম্পর্ক, হাইড্রোজেনয়েড ধাতুর রোগীর সাথে সাইকোসিস মায়াজমের সম্পর্ক তেমন।

ü  70**বোরাক্সের বিশিষ্ট লক্ষণ: স্নায়বিক দুর্বলতা, গরমকাতর, মুখের ঘা, অস্হিরতা, উৎকণ্ঠা, রমনীর প্রচুর সাদা স্রাব, দুগ্ধ বিস্বাদ ইত্যাদি।

ü  72*মলদ্বারে ফাটা রোগীর সোরা, সাইকোসিস, ত্রিদোষে, সিফিলিটিক দোষে যথাক্রমে সালফার, থুজা, এসিডনাই, সিফিলিনাম উপযুক্ত ঔষধ।

ü  73*এসিড মিউরের রোগী চিত্র:রাগী,ভীষণ দুর্বল, মলদ্বারে স্পর্শ কাতর, ঋতুকালীন মলদ্বারে ব্যথা , প্রস্রাবের সময় মলত্যাগ বাধ্য ইত্যাদি।

ü  74*ঋতুস্রাবের ১০ দিন পর শ্বেতপ্রদর শুরু হলে সদৃশ ঔষধ: কোনিয়াম, বোরাক্স, বোভিষ্টা ইত্যাদি।

ü  75*নোংরা রোগীর সদৃশ ঔষধ: সালফার, সোরিনাম, গ্রাফাইটিস এদের পার্থক্য যথাক্রমে নোংরা থাকতে পছন্দ, অসমর্থ, বোধশক্তির অভাব।

ü  76*রোগীর সামান্য নড়াচড়া, গোলমালে, গানবাজনাও অসহ্য, রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ: এসিড ফস।

ü  77*হঠাৎ প্রস্রাবের বেগ আসে, সদৃশ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ: পেট্রোসেলিনিয়াম, ক্যান্থারিস, ক্যানাবিস স্যাটাইভা, মার্কসল ইত্যাদি।

ü  78*যে রোগীর হাতের কাছে ধারালো অস্ত্র পাইলেই কাউকে হত্যা করার প্রবৃত্তি চলিয়া আসে তার জন্য সদৃশ ঔষধ: এলুমিনা।

ü  79*Scrofula/ গন্ডমালা বলিতে রোগীর সেই দোষকে বুঝায়, যা শরীরের গ্রন্থি ফোলা, ফোড়া, মাথায় ঘর্ম, মেরাসমাস ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।

ü  80*নাভীর চারপাশে তীব্র বেদনাসহ লাল রক্ত মিশ্রিত শরৎকালের আমাশয়ে Atista Radix উপযুক্ত সদৃশ ঔষধ।

ü  81*জিঙ্কাম, কার্বোভেজ, এসিডমিউর, ফসফরাস, হেলিবোরাসের প্রতিক্রিয়া দেখে ডাক্তার ঘাবড়ে গিয়ে ঔষধ পাল্টায়, কিন্তু এটি ঠিক নয়।তীরে নৌকা ডুবে।

ü  82*ফেরাম মেটের রোগী চিত্র: মুখমণ্ডল,নাক,চোখ রক্ত শুন্য ফ্যাকাশে কিন্তু পরিশ্রমে বা বিরক্তিতে রক্তিম হয়ে উঠে,অসহিষ্ণু মন ইত্যাদি।

ü  83*জরায়ুর ফাইব্রয়েডের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঐষধসমুহঃ ক্যালকেরিয়া আইয়োড, সিকেলিকর, এসিডনাই, গ্রাফাইটিস, থুজা, আর্সেনিক, অরামমেট, বেলেডোনা, ক্যাডমিয়াম সাল্ফ, ক্যাডমিয়াম আয়োড, ক্যালকেরিয়া কার্ব, কার্বো এনিমেলিস, চায়না, ক্লিমেটিস, কোনিয়াম, ক্রিয়োজোট, আয়োডিয়াম, ল্যাকেসিস, লেপিস এল্বম, লাইকোপোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মার্কসল, মিউরেক্স, ফসফরাস, রেডিয়াম ব্রোমাইড, সিপিয়া, সাইলেসিয়া, সালফার, হ্যামামেলিস, হাইড্রাসটিস, কার্সিনোসিন ইত্যাদি।

ü  84*ডিজিটেলিস হৃৎপিণ্ডের রোগীর জন্য অত্যন্ত উপকারী কিন্তু ভুল নির্বাচন ও নিম্ন শক্তিতে রোগীর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

ü  85*শীতকালে বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ:- হিপার, মার্কসল, সোরিনাম, পেট্রোলিয়াম, কোষ্টিকাম, ক্রিয়োজোট, আর্সেনিক, কেলিবাই ইত্যাদি।

ü  86*কোনিয়ামের বিশিষ্ট লক্ষণ:অলস, নির্বোধ, উদাসীন, ক্ষীণ বুদ্ধি, সঙ্গম বাসনা দমন/ অতিরিক্ত সঙ্গমের কুফলে পক্ষাঘাত ইত্যাদি।

ü  87*চুল গুচ্ছ বদ্ধ কোঁকড়ানো রোগীর সদৃশ ঔষধ: বোরাক্স, লাইকোপোডিয়াম, এসিড ফ্লোর, সোরিনাম, টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।

ü  88*নানা প্রকার টিকার কুফল যুক্ত রোগীর চিকিৎসা করার প্রারম্ভে এক মাত্রা উচ্চ শক্তির থুজা প্রয়োগে রোগীর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় পরে সুনির্দিষ্ট ঔষধ সেবনে রোগ সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে। থুজা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে ব্যর্থ হলে সালফার অথবা সোরিনামের প্রয়োজন হয়। এই সকল ঔষধ বিফলে পাইরোজিনাম ২/১মাত্রা প্রয়োগের ফলে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়, রোগীর সদৃশ ঔষধটি দ্রুত কার্যকর হবে, রোগীর আদর্শ আরোগ্য লাভ করবে।

ü  89*ভীষণ স্বার্থপর রোগীর সদৃশ ঔষধ: সালফার, আর্সেনিক, লাইসিন, ল্যাকেসিস, পালসেটিলা, সিপিয়া, টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।

ü  90*ক্রুদ্ধ স্বভাবের রোগীর সদৃশ ঔষধ:নাক্স ভুমিকা,হিপার সাল্ফ, আর্সেনিক, সোরিনাম, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া, এসিড নাইট্রিক ইত্যাদি।

ü  91*বংশগত মানসিক রোগীর সদৃশ ঔষধ: ল্যাকেসিস, ফসফরাস, সিফিলিনাম, ভিরেট্রাম এলবাম, আর্জেন্ট নাই/ মেট, অরাম এনাকার্ডিয়াম ইত্যাদি।

ü  92*যে রোগীর মাঝে যেকোন বস্তূতে অগ্নিসংযোগ করিবার খেয়াল চলিয়া আসে সেই রোগীর সদৃশ ঔষধ:হিপার সাল্ফ।

ü  93*কেলি কার্বের রোগী চিত্র: মোটাদেহ, ক্রোধী,ঝগড়াটে, ভীত, শীতকাতর, খাদ্য গ্রহণের পর ও রাত ৩টা-৫টায় রোগ বৃদ্ধি।

ü  94*ধাতুগত গভীর কার্যকররী: সাইলেসিয়া, ফসফরাস, হিপারসাল্ফ, সালফার, কেলি কার্বের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুর আশংকা থাকে।

ü  95*স্পাইজেলিয়ার রোগী: সামান্য কারণে ক্রোধ অসন্তুষ্টি, শব্দ নড়াচড়া অসহ্য, সূচালো বস্তুতে ভয়, ক্রিমি গ্রস্থ, স্পর্শে শিউরে উঠে ইত্যাদি।

ü  96*অস্ত্রপাচার স্হানে সুচফোটানো বেদনা আরোগ্যে ষ্ট্যাফিসাগ্রিয়া একমাত্র ঔষধ।মরফিয়ার চেয়েও বেশি কার্যকর।

ü  97*সিকেলি করের স্হূলমাত্রা প্রয়োগে গর্ভধারণে বাধা দেয়,গর্ভস্রাব করায়, গর্ভফুল নিস্ক্রান্ত করতে এ্যালোপ‍্যাথিতে ব‍্যবহৃত হয়।

ü  98*সিকেলির করের রোগিনী ক্রোধী, দুর্বল,ক্ষীনদেহ,রক্তস্রাব প্রবণতা, স্রাবের ক্ষতকারিত্ব ও দূর্গন্ধ, সর্বাঙ্গে সুড়সুড়ি বোধ ইত্যাদি।

ü  99*জিঙ্কাম মেট রোগীর বৈশিষ্ট্য: হাতপায়ের কম্প, উত্তেজনা পরে অবসাদ, উদ্ভেদ, স্রাব, দাত উঠতে বাধাগ্রস্ত হয়ে তড়কা, মেনিঞ্জাইটিস ইত্যাদি।

ü  100*শিশুকে বকাবকি, সামান্য মারধরের পারে বিছানায় শুইয়ে দিলে অসুস্থ হয়,ঘুমের মধ্যে হাতপায়ে খিচুনি হলে ইগ্নেসিয়া প্রযোজ্য।(চলবে)

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডা: ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

 

সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২০

অঞ্জনির সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

অঞ্জনি এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 



অঞ্জনি কি?


চোখের পাতায় কোষমুলের নিকটে ছোট ফোড়া বা কার্বাংকলকে অঞ্জনি বলে। ইহা রক্তাভ, কঠিন স্ফিতি, টাটানি বেদনা হয় এবং দ্রুত পুজপুর্ন হয়।

প্রথম অবস্হায় ঠান্ডা পানির পুলটিস দিলেই আরোগ্য হয়। এতে আরাম না হলে গরম সেক দিলে যন্ত্রনা অরাম হয় এবং ফাটিয়া দ্রুত আরোগ্য হয়। আরোগ্য সহজসরল করার জন্য লক্ষণ বিবেচনায় নিচের ঔষধ প্রয়োজন হয়।

চোখের অঞ্জনির সদৃশ ঔষধের লক্ষণসহ পার্থক্য আলোচনা

 *পালসেটিলা
পালসেটিলার চরিত্রগত রক্ষণধারী রোগীর রোগের প্রথম অবস্হায় প্রয়োগ করিলে সমুলে আরোগ্য হয়।
 *হিপার সাল্ফ
পালসেটিলা ব্যার্থ হলে স্পর্শ কাতর বেদনা থাকলে উপযোগী। এটি প্রয়োকে বেদনায় আরাম হয় ফেটে সহজেই নিরাময় হয়।
*মার্কসল
চোখের উপর পাতায় আক্রান্ত হলে হিপার সাল্ফ এর পরও আরোগ্য না হলে বেদনাহীণ গুটিকা থাকলে মার্ক সল জরুরী প্রয়োজন হয়।
 *স্ট্যাফিসেগ্রিয়া
চোখের উপর পাতায় অঞ্জণী হলে, বারবার আক্রান্ত হলে, না পাকিয়া গুটিকাময় হয়ে থেকে গেলে স্ট্যাফিসেগ্রিয়া প্রয়োজন।
 *থুজা অক্সিডেন্টাল
থুজার মানসিক লক্ষণের রোগীর স্ট্যাফিসেগ্রিয়া ব্যার্খ হলে থুজা রোগটিকে সম্পুর্ন আরোগ্য করিতে পারে।

অঞ্জনির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ সমুহের রেপার্টরি করণ

অঞ্জনির হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমুহ  (কেন্ট রেপার্টরির ভিত্তিতে)
এলু, এমনকার্ব, এপিস*, অরম*, ব্রায়ো*, ক্যাহিঙ্কা, কার্বসাল, কষ্টিকাম, চেলিডোনিয়াম, কলচি, কোনিয়াম, কুপ্রা*, ইল্যাপ্স, ফেরাম, ফেরাম ফস, গ্রাফাইট, হিপারসাল্ফ, জুগরেজি *কেলিফস, লাইকোপডিয়াম, ম্যাগঅষ্টি,মিনিয়ে, *মার্ক ,নেট্রামিউর, *ফসএসি, ফস, *সোরিন, পালস, *রাস, সেনেগা, *সিপি, *সাইলি, ষ্ট্যানা, ষ্ট্যাফি, সালফ, *থুজা, ভেলের ইত্যাদি।
·      ডান চোখে অঞ্জনী- 
এমন কার্ব, কুপ্রাম মেট, ফেরাম ফস, *নেট্রামিউর।
·      বাম চোখের অঞ্জনি- 
ব্যারাইটা কার্ব, কলচি, ইল্যাপ্স, হাইড্রা, *হাই-পেরি, ষ্ট্যাফি।
·      কঠিনতা যুক্ত অঞ্জনি- 
ক্যাম্পের, কোনিয়াম, সিপি, *সাইলি, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া, *থুজা ইত্যাদি।
·      বারবার দেখা দিলে- 
এলুমিনা, কার্ব-সাল, কোনিয়াম, গ্রাফাইট, সোরিনাম, সাইলিসিয়া, সালফার ইত্যাদি।
·      চক্ষুকোনে ভিতর দিকের অঞ্জনি- 
ব্যারাইটা কার্ব, নেট্রামিউর, ষ্ট্যানাম ইত্যাদি
·      ভিতর কোনে নিকট অঞ্জনি- 
কেলিকার্ব, ল্যাকেসিস, লাইকোপডিয়াম, নেট্রামিউর, পেট্রলিয়াম, পালস্‌, সাইলিসিয়া ইত্যাদি।
·      বাহির কোণে- 
অরাম মেট, সালফার।
·      উপর পাতায়
এমন কার্ব, বেলেডোনা, ফেরাম ফস, মার্কসল, পালসেটিলা, স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া ইত্যাদি।
·      নীচের পাতায়- 
কলচিকাম, কুপ্রাম, ইল্যাপ্স, ফেরাম ফস, গ্যাফাইটিস, হাইপেরিকাম, কেলিফস, ফসফরাস, পালস, রাসটক্স, সনেগাল ইত্যাদি।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে অঞ্জনির সদৃশ ঔষধ নির্বাচন
Styes (hordeolum) -- Agar., Apis, Aur. m. n., Calc. picr., Con., Graph.Hep., Lyc., Merc., Puls.Sep.Sil.Staph.Sul., Thuya, Uran

কেন্ট রেপার্টরির সাহায্যে অঞ্জনির সদৃশ ঔষধ নির্বাচন

STYES : Alum., am-c., apis.aur.bry., cahin., Carb-s., caust., chel.colch., Con., cupr., elaps., ferr-p., ferr., Graph., hep., jug-r.kali-p., Lyc., mag-aust., meny., merc.nat-m., ph-ac.phos., psor.Puls.rhus-t.seneg., Sep.sil.stann., Staph.Sulph.thu.valer.
++ right eye : Am-c., cupr., ferr-p., nat-m.
++ left eye : Bar-c.colch., elaps., hydr., hyper.staph.
++ induration from : Calc.con.Sep.sil.Staph.thu.
++ recurrent : Alum., carb-s., con.graph.psor.sil.Sulph.
++ canthi, inner : Bar-c., nat-m.stann.
++ toward inner : Kali-c., lach.lyc.nat-m.petr., puls., sil.
++ outer : Aur-s.
++ upper lid : Am-c., bell., ferr., merc., ph-ac.Puls., staph.

++ lower lid : Colch.cupr., elaps., ferr-p., graph.hyper.kali-p., phos.puls., rhus-t.seneg.

ডা. ইয়াকুব আলী সরকার
সভাপতি 
বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম।
ইভা হোমিও হল , এ আর টাওয়ার রুম নাম্বার ৯
বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের দক্ষিণ পাশে, আশুলিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড, বাইপাইল, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

Comments System

[blogger][disqus][facebook]

Disqus Shortname

theme-daddy