বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরামের গঠনতন্ত্র
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আল্লাহর নামে শুরু করছি বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম বাংলাদেশের রেজিস্টার ডাক্তারদের একটি সংগঠন। এটি একটি রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ও বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথিক চর্চা কেন্দ্র। এখানে সকল ডাক্তারগন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নিজেরা শিখেন এবং অপরকে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের দক্ষ করার লক্ষ্য নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের শ্লোগান হচ্ছে নিজে শিখবো এবং অপর হোমিওপ্যাথিক বন্ধুদেরকে শেখানোর জন্য চেষ্টা করব। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সকল হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার দের দক্ষ করে তোলার প্রত্যয়ে স্বেচ্ছাশ্রম দিবে এই সংগঠন।
বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরামের দুটি পরিষদ থাকবে। একটি উপদেষ্টা পরিষদ অপরটি কার্যকরী পরিষদ। উপদেষ্টা পরিষদে বাংলাদেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকদের নিয়ে পরামর্শক ও নীতিনির্ধারক হিসেবে একটি ফোরাম থাকবে, যার নাম হবে BOHF উপদেষ্টা পরিষদ। এডভাইজরি গ্রুপের তৎপরতা BOHF সংহতি ও ভরসাস্থল। উপদেষ্টা পরিষদের গৃহিত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা কার্যকরি পরিষদ বাস্তবায়ন করবে। BOHF কার্যকরী পরিষদের অন্তর্ভুক্ত হবেন দেশের রেজিস্ট্রার চিকিৎসকগণ। কার্যকরী পরিষদের আকার হবে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট।
দেশের আট টি বিভাগের আট টি শাখা কমিটি গঠিত হবে। আটটি বিভাগের রেজিস্ট্রার বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বন্ধুদের সংযুক্ত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হবে। সেই সঙ্গে আপনাদের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যকরি পরিষদে নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ বিভাগের গ্রুপে সংযুক্ত থেকে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য গৃহিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভাগীয় কমিটিকে সহায়তা দিয়ে যাবেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সন্মানিত স্যারদেরকেও নিজ নিজ বিভাগীয় গ্রুপে এডমিন করা হয়েছে। বিভাগীয় গ্রুপে কমিটির বাইরে হোমিওপ্যাথি অনুরাগীদের সংযুক্ত করে আমাদের BOHF এর কলেবর বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে ভালো ভালো আলোচক খুজে পেতে সহজ হবে আমাদের শ্রমের সুফল পাবেন। বিভাগীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে নিজ বিভাগের নেতৃত্বে সমন্বয় সাধন করবেন। বিভাগীয় সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কমিটির অন্যান্ন নেতৃবৃন্দকে জাতীয় নির্বাহী সদস্য হিসেবে কেন্দ্রে সংযুক্ত হবেন। এভাবেই বিভাগীয় কমিটি ও কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে সমন্বয় রক্ষা হবে। মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকারের শাসনব্যবস্থার মধ্যে যে গঠনতান্ত্রিক কাঠামো ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে সেই আদলে প্রধান মন্ত্রী ও রাস্ট্রপতির মধ্যে যে সম্পর্ক মর্যাদা ও নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য থাকে আমাদের সংগঠনকেও সেই আদলে পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব পেশ করছি। প্রধান মন্ত্রীর ক্ষমতা / সভাপতি এবং রাষ্ট্রপতি / প্রধান উপদেষ্টা। মন্ত্রী / দফতর সম্পাদক নির্বাহী সদস্য পার্লামেন্ট মেম্বার। বৃটিশ রাজ পরিবারের মর্যাদা সে দেশের জনগণের আস্থা ও ভরসাস্থল তেমনি উপদেষ্টা পরিষদ আমাদের শেষ আশ্রয়। যেমনটি ঐ দেশের শাসনব্যবস্থার অলিখিত প্রথা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত জাতি তৈরি করেছে। ঠিক তেমনি আমাদের উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে আমাদের BOHF এর উন্নত সেবার মাধ্যমে দেশের হোমিওপ্যাথির সুনাম ও স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত হবে ইনশাআল্লাহ।
সম্মানিত উপদেষ্টা পরিষদ
১◆ডা. মুহিবুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টা নেতৃত্বে অনন্য সাহসীক হোমিওপ্যাথ।
২◆ডা. ডাক্তার এ কে এম রুহুল আমিন ( রেপার্টরি এক্সপার্ট।
৩◆ ডাক্তার মুহশীনুজ্জামান গবেষক ও আবিষ্কারক।
৪◆ ডাক্তার এ আর এম জামিল তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে হোমিওপ্যাথির গবেষণা।
৫◆ ডাক্তার জহিরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথির প্রতিনিধিত্বকারী
৬◆ ডাক্তার অনন্য মান্নান অনলাইনে হোমিওপ্যাথিক আদর্শিক নীতিবাদি।
৭◆ ডাক্তার বশির মাহমুদ ইলিয়াস হোমিওপ্যাথিক। লেখক ও ব্লগা।
৮◆ডা. নজরুল ইসলাম ভূইয়া। শিক্ষক ও সংগঠক।
৯◆ডা. অমিত রায় হোমিওপ্যাথিক বোর্ড প্রতিনিধি।
১০◆ ডা. নাজির হোসেন শিক্ষক ও লেখক।
১১◆ ডা. আব্দুল খালেক খান শিক্ষক ও সংগঠক।
কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকা:
কার্যনির্বাহী কমিটি-
১. সভাপতি: ডা. মো. ইয়াকুব আলী সরকার
২. সহ-সভাপতি- ১: ডা. বিপুল চৌধুরী
৩. সহ-সভাপতি-২: ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
৪. মহাসচিব: ডা. রাতুল মাহমুদ সজল
৫. যুগ্ম-মহাসচিব-১: ডা. পুলক কুমার রায়
৬. যুগ্ম-মহাসচিব-২: ডা. রাসেল নিপুণ
৭. সাংগঠনিক সম্পাদক: ডা. সাহানা রেবা
৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- (১) ডা. রাসেল আমিন।
৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (২) ডা. দেওয়ান আনিসুর রহমান
১০. অর্থ সম্পাদক:
১১. সহ অর্থ সম্পাদক:
১২. প্রচার সম্পাদক: ডা. মীর মনির হোসেন
১৩. সহ-প্রচার সম্পাদক - ১: ডাক্তার সাহজাদা সাজু
১৪. সহ-প্রচার সম্পাদক -২: ডা. নাজমুল ইসলাম
১৫. দপ্তর সম্পাদক: ডা. সালমা ইসলাম
১৬. সহ দপ্তর সম্পাদক: ডা. খাদিজা মনি
১৭. গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক: ডা. আসলাম উদ্দিন
১৮. সহ গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক: শিরিন আক্তার
১৯. প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: আশরাফুল আলম।
২০. সহ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ফরিদ উদ্দীন
২১. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: ডাক্তার লাবনী আমীন
২২. সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক : ডা. কামরুন্নাহার মুন
২৩. অনলাইন চিকিৎসা স্বাস্থ্য পরামর্শ বিষয়ক সম্পাদক : ডা : সানজীদা ইয়াসমিন
২৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মো: গোলাম মোস্তফা (সারোয়ার)। চট্টগ্রাম।
২৫. সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক :
কার্যকরী সদস্য-
২৬: ডা. মাসুমা খানম। খুলনা।
২৭: ডা. জি এম মাসুম নরসিংদী।
২৮: ডা. আমির হামজা রাব্বি নিলফামারি।
২৯: ডা. ফরিদ উদ্দিন (মাদারিপুর)
৩০: মোহাম্মদ ইব্রাহিম ভুইয়া
৩১: ডা. মোহাম্মদ আবু তাহের, চট্টগ্রাম।
বিভাগীয় সভাপতিদের তালিকা
১◆রংপুর : ডা. আবু সাইদ।
২◆খুলনা : ডা. গাজী আজীজ।
৩◆ঢাকা : ডা. এ আলম হোসাইনী।
৪◆ ডা: লোকমান হোসেন।
◆মহাসচিব
◆অর্থ সম্পাদক
◆সহ অর্থ সম্পাদক
◆ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক
বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আজকের মধ্যে নেতা নির্বাচন করে কেন্দ্রীয় কমিটিকে শক্তিশালী করতে উপস্থিত সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
শপথ নামা-১
আমি ডা. ইয়াকুব আলী শাসনব্যবস্থার সরকার ভরসাস্থল ভাপতি- বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম। মহান সৃষ্টিকর্তার নামে শপথ করিতেছি যে, আমি Bangladesh Online Homoeopathathic Forum এর সভাপতি হিসেবে BOHF এর গঠনতন্ত্র মানিয়া চলিব এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাসম্ভব আন্তরিকতার সাথে পালন করিব। মহাত্মা হ্যানিমানের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল হয়ে তার প্রবর্তিত অর্গানন অব মেডিসিন এর নিয়মনীতি মেনে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সদা সচেষ্ট থাকিব। অর্গানন অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচার, প্রসার ও চর্চায় সবাইকে উৎসাহিত করিব। বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক সকল চিকিৎসকদের একটি প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে BOHF এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকিব। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে উপদেষ্টা পরিষদের কাছে দায়বদ্ধ থাকিব।
************************************
BOHF শপথ নামা -২
আমি নাম-------পদবী- বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম। মহান সৃষ্টিকর্তার নামে শপথ করিতেছি যে, আমি Bangladesh Online Homoeopathathic Forum এর ( পদের নাম--- ) হিসেবে BOHF এর গঠনতন্ত্র মানিয়া চলিব এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাসম্ভব আন্তরিকতার সাথে পালন করিব। মহাত্মা হ্যানিমানের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল হয়ে তার প্রবর্তিত অর্গানন অব মেডিসিন এর নিয়মনীতি মেনে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আমার উপর যে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে তাহা পালনে সদা প্রস্তুত থাকিব। সংগঠনের দায়িত্ব পালনে সভাপতির নিকট জবাবদিহি করিতে প্রস্তুত থাকিব।
করবে। র প্রভাবেই জীবন সুস্থভাবে চলে এবং বিশৃঙ্খল হলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। কাজেই আমাদের লক্ষ্য হবে সদৃশ ও সুনির্বাচিত ওষুধ দিয়ে জীবনীশক্তিকে সন্তুষ্ট বা উজ্জীবিত করা।
Targets, plans & philosophical objectives of BOHF as Preamble(প্রস্তাবনা) are attached here. Learned advisors are requested to consider & to put up corrections for approval of Advisory board.
Onanno Mannan, Advisor
-------------
প্রস্তাবনা
বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম( BOHF) এর উদ্দেশ্য ও কর্মসূচিঃ
Prepared by Dr. Bipul Chowdhury
শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান পরমদয়ালু পরমকরুণাময় যিনি সমস্ত প্রাণ ও নিষ্প্রাণে সর্বজ্ঞাত ও বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রতিপালক ও মালিক। সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার, যার অনুগ্রহেই আমরা সর্বদা বেঁচে আছি; তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি হোমিওপ্যাথির জনক শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী মহাত্মা স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেমানের প্রতি যার আবিষ্কৃত চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বব্যাপি লক্ষ লক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি নিরলসভাবে।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান হচ্ছে এপর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত সবচেয়ে আধুনিক চিকিসা বিজ্ঞান। সাধারণ বিজ্ঞানকে জানতে মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের প্রয়োজন আর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান জানতে প্রয়োজন সুপার মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের। যেকোন চিকিৎসা শাস্ত্রের তুলনায় হোমিওপ্যাথিতে বেশিরভাগ ক্রনিক ডিজিজগুলো বিনাকষ্টে, সহজে ও স্থায়ীভাবে আরোগ্য হয়।
অতীতে পৃথিবীতে যত মহামারী রোগ এসেছে যেখানে হোমিওপ্যাথির তুলনায় কনভেনশনাল চিকিৎসায় মৃত্যুহার প্রায় ৪৩.৬২ শতাংশ, সেখানে হোমিওপ্যাথিতে মৃত্যুহার ছিল মাত্র ৭.৭০ শতাংশ।
বর্তমানে কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের চিকিৎসায়ে আবারো প্রমাণিত হলো হোমিওপ্যাথির শ্রেষ্ঠত্ব এবং এর গুরুত্ব সেই প্রত্যাশায় বলতে চাই....
"এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার শ্রেষ্ঠ সময় তার"
"বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরে, বহু ব্যায় করে বহু দেশ ঘুরে, দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু। দেখা হয় নাই, চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু দুই'পা ফেলিয়া একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু "
সত্যিই তাই....! আমরা কখনো কেউ হোমিওপ্যাথির বিশালত্ব ও গভীরতা দেখিনা !
সেই ইচ্ছায় ব্রতী হয়ে আজ আমরা একত্রিত হলাম আপনাদের পাশে।
প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সমূহঃ
১। আমাদের সংগঠনের নাম হবে "বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম।
২। আমাদের সংগঠনটি হবে একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ সংগঠন।
৩। এর মূল উদ্দেশ্য ও আদর্শ হবে অর্গাননের আলোকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল চিকিৎসককে ধাপে ধাপে হ্যানেম্যানিয়ান চিকিৎসকে পরিণত করা।
৪। আমরা জানি এ কাজটি অত্যন্ত দুরুহ এবং কঠিনতম কাজ। কিন্তু কাজ যতই কঠিন হোক না কেন, যদি তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও আর্দশ সঠিক হয়, তবে যেকোন কাজেরই লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব নয়। আমরা জানি হাজার মাইলের পরিক্রমাও শুরু হয় প্রথম একটি দুটি পদক্ষেপের মাধ্যমে।
৫। হৃদয়ে যদি সবার প্রতি সমান ভালোবাসা, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, উদারতা, সততা, মানবতার কল্যাণে কাজ করার যদি প্রত্যয় থাকে, ত্যাগের উদ্দেশ্য ও আর্দশ লালন করি, তবে শেষ পর্যন্ত মহান স্রষ্টা আমাদের বিজয়ী করবেনই।
৬। অামাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সংস্কারমুক্ত হয়ে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তায় উন্নতজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে উন্নতজ্ঞানের অধিকারী পরিপূর্ণ আর্দশ চিকিৎসক তৈরি করে ক্রনিক ডিজিজে ভোগা দেশের আপামর জনসাধারণকে উন্নত ও স্থায়ী চিকিৎসা সেবা দিয়ে হোমিওপ্যাথির হারানো সোনালী দিন ফিরয়ে আনা।
৭। হোমিওপ্যাথিতে স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেম্যানের পরবর্তী সময়ের পর ডা. লিপি, ডা. হেরিং, ডা. বোনিং হাউসেন, ডা. ফ্যারিংটন, ডা. কেন্ট, ডা. ন্যাশ সহ যারা হোমিওপ্যাথিকে আলোকিত করেছেন তৎপরবর্তী কালে বর্তমানে হোমিওপ্যাথির অগ্রযাত্রা অনেকটাই ম্রিয়মাণ ও খন্ডিত বটে। আমাদের ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য আধুনিক জ্ঞান নির্ভর গবেষণামূলক মৌলিক চর্চার মাধ্যমে ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিকে সবার সামনে স্বগৌরবে উপস্থাপিত করা।
৮। হোমিওপ্যাথিতে মানসম্মত উন্নত ক্ল্যাসিক্যাল চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির প্রতি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর আস্থা আরো বাড়ানো, ক্রমান্বয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে অন্যান্য চিকিৎসা সেবার উপর মানুষের নির্ভরতা কমানো।
৯। সমগ্রদেশে অবহেলিত সকল শ্রেণির হোমিওপ্যাথ সহ তরুণ মেধাবী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের নিয়মিত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মানসম্মত উন্নত জ্ঞানের অধিকারী আর্দশ চিকিৎসকে পরিণত করা ও উদ্বুদ্ধ করা।
১০। সর্বাগ্রে একজন ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতা হবার আগে একজন ভাল উন্নত জ্ঞানের অধিকারী, ভাল প্র্যাকটিশনার হওয়া খুবই জরুরী। কারণ জনসাধারণের মাঝে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সফলতার প্রথম দ্বায়িত্বই থাকে একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাতে। হোমিওপ্যাথির ইমেজ বা সুনাম বা সম্মান ও সুখ্যাতি সৃষ্টি হয় একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাত ধরেই।
১১। আমরা যখন ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরি করতে পারবো, তখন ভালো চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার থেকে ধীরে ধীরে আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন অধিক ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতার সৃষ্টি হবে। একসময় তারাই হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে হাল ধরবে ও দ্যুতি ছড়াবে।
১২। ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমাদের উন্নত জ্ঞান চর্চার নিমিত্তে কতগুলো মৌলিক বিষয়কে প্রধান্য দিতে হবে। বিজ্ঞান সর্বদা ডায়নামিক বা গতিশীল। সকল প্রকার গোঁড়ামির উর্ধ্বে উঠে সংস্কার মুক্ত হয়ে জানতে হবে সবই, এর আলোকে-
(১) অর্গানন অব মেডিসিন, (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা, (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম (৪)রেপার্টরী, (৫) প্র্যাকটিস অব মেডিসিন (৬) এনাটমি, ( ৭) ফিজিওলজি, (৮) ফার্মাকোলজি, (৯) গাইনোকোলজি ও অবসট্রেকটিস, (১০) সাইকোলজি, (১১) মাইক্রোবায়লজি, (১২) হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতি, (১৩) মেডিকেল জুরিসপ্রুডেন্স, (১৪) হোমিওপ্যাথিক ফিলসফি, (১৫) প্যাথলজি, (১৬) আধুনিক ডায়াগনোসিস সহ ইত্যাদি সবই জানতে হবে।
১৩। একজন আর্দশ জ্ঞাননির্ভর আধুনিক উন্নত চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমরা কতকগুলো মৌলিক বিষয় কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিষয় ভিত্তিক সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক Advance Knowledge of Homoeopathy Specialized Class বা উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাসের ব্যবস্থা করবো। প্রতি মাস শেষে রিভিউ ক্লাসের ব্যাবস্থা বৎসর শেষে সার্বিক বিষয়ে অগ্রগতি ও পর্যালোচনা করা।
১৪। আমরা জানি যে চিকিৎসক হিসেবে হোমিওপ্যাথির ভালো চিকিৎসক তৈরির প্রধানতম ও ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপঃ
(১) অর্গানন অব মেডিসিন (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম (৪) রেপার্টরী এবং (৫) প্র্যাকটিস অব মেডিসিন।
১৫। ম্যাটেরিয়া মেডিকা থেকে মায়াজমেটিক রেমিডি গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১টি করে মেডিসিন আলোচনা করার সাথে রিমেডির কম্পারেটিভ রিলেশনশিপ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ১ টি মেডিসিন করে প্রতি মাসে ৪টি থেকে ৫টি মেডিসিন এবং বছরে ৪৮-৫০ টি মেডিসিন আলোচনা ও রিভিউ করা।
১৬। অর্গানন অব মেডিসিন থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজমের বিশদ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজম করে মাসে ১২-১৫ টি এফোরিজম এবং বৎসরে ১৬০-১৮০টি এফোরিজম পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসান্তে রিভিউ করা।
১৭। রেপার্টরির ৩৭টি অধ্যায়ের মধ্য থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রথম অধ্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকের মর্মার্থ ও রেপার্টরির ব্যবহার, রোগী থেকে প্রাপ্ত তথ্য রুব্রিকে পরিণত করার কৌশল বা প্রয়োগ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসে ২ টি অধ্যায় করে ১২ মাসে ২৪ টি অধ্যায়ের পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।
১৮। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনে প্রায়োরিটি বেসিসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে রোগের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয়, রোগের গতিপ্রকৃতি ও চিকিৎসা বিধান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা। প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মাসে ৪টি বছরে ৪৮ টি রোগ নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।
১৯। প্রত্যেক পাক্ষিকে মায়াজম তত্ত্বের আলোচনা, রোগারোগ্যে মায়াজমেটিক বেরিয়ার, মায়াজমেটিক রেমেডির আলোচনা ও রিভিউ করা।
২০। সর্বশেষ Art of Case Taking নিয়ে আলোচনা করা।
২১। Art of Second prescription নিয়ে আলোচনা করা।
২২। Patient follow-up & Management নিয়ে আলোচনা করা।
২৩। Drug Relationship & Doses form নিয়ে আলোচনা করা।
২৪। প্রত্যেক পাক্ষিকে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করা।
২৫। ফোরামের লেখকদের বিষয়ভিত্তিক মৌলিক লেখার ওপর, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উপর বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক বা পুরষ্কার দেওয়া।
২৬। দেশব্যাপী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সমগ্র দেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মাঝথেকে স্বীকৃতি স্বরূপ বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক পুরষ্কার দেওয়া।
২৭। হোমিপ্যাথির সম্প্রসারণে একটি ত্রৈমাসিক হোমিওপ্যাথিক জার্নাল প্রকাশ করা। সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক যেকোন গবেষণাধর্মী মৌলিক লেখা ছাপানো হবে।
২৮। দেশব্যাপী প্রতিটি বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি গঠন করে সংগঠনের বিস্তৃত নেটওর্য়াক গড়ে তোলা।
২৯। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপজেলা কমিটি গঠন করা।
৩০। প্রতি বৎসরান্তে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মেম্বারদের নিয়ে একদিন পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। সেখানে সংগঠনের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা এবং রিভিউ করা করা।
৩১। সর্বাগ্রে মেধাবীদের এবং গবেষণামূলক কাজে আত্মনিবেদিত চিকিৎসকদের মূল্যায়িত করা ও সম্মানিত করা।
★প্রস্তাবনার দ্বিতীয় অংশঃ
বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম( BOHF) এর আদর্শিক লক্ষ্যঃ
প্রস্তুতকারী- ডাক্তার অনন্য মান্নান, উপদেষ্টা।
১। হ্যানিম্যানিয়ান হোমিওপ্যাথির উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস।
২। মহাত্মা হ্যানেমানের অর্গানন ও ক্রনিক ডিজিজ গ্রন্থের দর্শন ও নির্দেশনাই আমাদের চলার শক্তি এবং তার আবিষ্কৃত ও পূর্ণতায় প্রতিষ্ঠিত মহান চিকিৎসা ব্যবস্থা হোমিওপ্যাথিকে আরো যে সকল মহান বিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ যুগে যুগে লালন, প্রতিপালন, বিকশিতকরণ ও ছড়িয়ে দিতে অবদান রেখেছেন তাদের প্রতি আস্থা ও তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ।
৩। মহাত্মা হ্যানেমানের দেখানো পথে বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে পীড়িত মানবতার সেবাই আমাদের ব্রত।
৪। বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথি অর্থাৎ ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির চর্চা, বিকাশ, শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে বৃহত্তর ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক সমাজ গড়ে তোলা। ক্লাসিক্যাল বলতে শিক্ষিত, পরিমার্জিত ও নিয়ননীতি নির্ভর বুঝতে হবে।
৫। সদৃশনীতিতে চিকিৎসা, মায়াজম পরিচয়ে দক্ষতা অর্জন ও ক্রনিক রোগ চিকিৎসায় সফলতা বৃদ্ধি আমাদের লক্ষ্য।
৬। রোগের নহে রুগীর চিকিৎসা করতে হবে। অর্থাৎ ওষুধ নির্বাচনে রোগ নহে রুগীর লক্ষণই গুরুত্বপূর্ণ।
৭। জীবনীশক্তিই প্রধান নিয়ামক অতীন্দ্রীয় শক্তি। এর প্রভাবেই জীবন সুস্থভাবে চলে এবং বিশৃঙ্খল হলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। কাজেই আমাদের লক্ষ্য হবে সদৃশ ও সুনির্বাচিত ওষুধ দিয়ে জীবনীশক্তিকে সন্তুষ্ট বা উজ্জীবিত করা।
৮। হোমিওপ্যাথিক বিশেষ নিয়মে শক্তিকরণের মাধ্যমে ওষুধের পরিপূর্ণ আরোগ্যশক্তি বিকশিত হয়্। কাজেই নিতান্ত প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র ছাড়া মাদার টিঙ্কচার বা নিম্নশক্তির ব্যবহার নয়।
৯। সর্বদা সদৃশনীতিতে চিকিৎসা করব।
১০। সর্বদা পরীক্ষিত ওষুধ ব্যবহার করব।
১১। শক্তিকৃত ওষুধ কেবল সুক্ষ্ম মাত্রায় ব্যবহার করব।
১২। রুগীতে একই সময়ে কেবলমাত্র একটি ওষুধই ব্যবহার করব।
১৩। ক্রনিক রোগে ওষুধ প্রয়োগের পর ক্রিয়া প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করব। সেবিত ওষুধের ক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওষুধের পুনঃপ্রয়োগ করব না বা দ্বিতীয় কোন ওষুধ দিব না।
১৪। ৫০ সহস্রতমি ওষুধের প্রয়োগরীতি ভিন্ন হেতু অর্গানন ৬ষ্ঠ সংস্করণে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে শক্তির কিঞ্চিত পরিবর্তন রীতিতে ঘনঘন বা নিয়মিত সেবন করিয়ে যাবো। ওষুধ বা মাত্রাজনিত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিজ্ঞতা ও সতর্কতার সাথে ওষুধের মাত্রা লঘু করব অথবা ওষুধ সেবনের ব্যবধান বাড়িয়ে দেব।
১৫। চিকিৎসাকালে জটিল ও অনমনীয় রোগের ক্ষেত্রে সিনিয়র বিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেব এবং প্রয়োজনে রেফার করব।
১৬। হোমিওপ্যাথিতে অসাধ্য ও সার্জিক্যাল কেস মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চিকিৎসা করব না।
১৭। দুর্ঘটনা, দৈব-দুর্বিপাক, অস্ত্রোপচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাল ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দিব।
১৮। পেটেন্ট, টনিক, মিশ্র এবং অপরিক্ষীত ওষুধ ব্যবহার করব না।
১৯। চিকিৎসা পেশায় সর্বোচ্য সততা্, নৈতিকতা, অর্গানন, নিয়মনীতি, হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নির্দেশনা ও সরকারী আইন-কানুন মেনে চলব।
১৬। হোমিওপ্যাথিতে অসাধ্য ও সার্জিক্যাল কেস মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চিকিৎসা করব না।
১৭। দুর্ঘটনা, দৈব-দুর্বিপাক, অস্ত্রোপচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাল ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দিব।
১৮। পেটেন্ট, টনিক, মিশ্র এবং অপরিক্ষীত ওষুধ ব্যবহার করব না।
১৯। চিকিৎসা পেশায় সর্বোচ্য সততা্, নৈতিকতা, অর্গানন, নিয়মনীতি, হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নির্দেশনা ও সরকারী আইন-কানুন মেনে চলব।
১৭। রেপার্টরীর ৩৭টি অধ্যায়ের মধ্য থেকে প্রতিসপ্তাহে প্রথম অধ্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকের মর্মার্থ ও রেপার্টরীর ব্যাবহার, রোগী থেকে প্রাপ্ততথ্য রুব্রিকে পরিণত করার কৌশল বা প্রয়োগ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসে ২ টি অধ্যায় করে ১২ মাসে ২৪ টি অধ্যায়ের পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।
১৮। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনে প্রায়োরিটি বেসিসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে রোগের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয়, রোগের গতিপ্রকৃতি ও চিকিৎসা বিধান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা। প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মাসে ৪টি বছরে ৪৮ টি রোগ নিয়ে অালোচনা পর্যালোচনা ও রিভিউ করা।
১৯। প্রত্যেক পাক্ষিকে মায়াজম তত্ত্বের অালোচনা, রোগারোগ্যে মায়াজমেটিক বেরিয়ার, মায়াজমেটিক রেমেডির অালোচনা ও রিভিউ করা।
২০। প্রত্যেক পাক্ষিকে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর উপর অালোচনা করা।
২১। ফোরামের লেখকদের বিষয়ভিত্তিক মৌলিক লেখার ওপর, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষনের উপর বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক বা পুরষ্কার বা এওয়ার্ড দেওয়া।
২২। দেশব্যাপী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সমগ্রদেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মাঝথেকে স্বীকৃতি স্বরুপ বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক পুরষ্কার দেওয়া।
২৩। হোমিপ্যাথির সম্প্রসারণে একটি ত্রৈমাসিক হোমিওপ্যাথিক জার্নাল প্রকাশ করা। সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক যেকোন গবেষণা ধর্মী মৌলিক লেখা ছাপানো হবে।
২৪। দেশব্যাপী প্রতিটি বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি গঠণ করে সংগঠনের বিস্তৃত নেটওর্য়াক গড়ে তোলা।
২৫। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপজেলা কমিটি গঠন করা।
২৬। প্রতি বৎসরান্তে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মেম্বারদের নিয়ে একদিন পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানের অায়োজন করা। সেখানে সংগঠনের অগ্রগতি নিয়ে অালোচনা এবং রিভিউ করা করা।
২৭। সর্বাগ্রে মেধাবীদের এবং গবেষণামূলক কাজে অাত্মনিবেদিত চিকিৎসকদের মূল্যায়িত করা ও সম্মানিত করা।
২৮। সংগঠনের মূল আদর্শই হলো সঠিক হোমিওপ্যাথিক জ্ঞানের চর্চা করা।
এই খসড়া
ডা. বিপুল চৌধুরী স্যার সাথেই অনন্য মান্নান স্যারের পর প্রস্তাব পেষ করেছেন দুটো যাচাই-বাছাই করে চুড়ান্ত করতে অনুরোধ করছি।
বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম( BOHF) এর উদ্দেশ্য ও কর্মসূচিঃ Prepared by Dr. Bipul Chowdhury
শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান পরমদয়ালু পরমকরুণাময় যিনি সমস্ত প্রাণ ও নিষ্প্রাণে সর্বজ্ঞাত ও বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রতিপালক ও মালিক। সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার, যার অনুগ্রহেই আমরা সর্বদা বেঁচে আছি; তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি হোমিওপ্যাথির জনক শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী মহাত্মা স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেমানের প্রতি যার আবিষ্কৃত চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বব্যাপি লক্ষ লক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি নিরলসভাবে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান হচ্ছে এপর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত সবচেয়ে আধুনিক চিকিসা বিজ্ঞান। সাধারণ বিজ্ঞানকে জানতে মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের প্রয়োজন আর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান জানতে প্রয়োজন সুপার মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্টদের। যেকোন চিকিৎসা শাস্ত্রের তুলনায় হোমিওপ্যাথিতে বেশিরভাগ ক্রনিক ডিজিজগুলো বিনাকষ্টে, সহজে ও স্থায়ীভাবে আরোগ্য হয়। অতীতে পৃথিবীতে যত মহামারী রোগ এসেছে যেখানে হোমিওপ্যাথির তুলনায় কনভেনশনাল চিকিৎসায় মৃত্যুহার প্রায় ৪৩.৬২ শতাংশ, সেখানে হোমিওপ্যাথিতে মৃত্যুহার ছিল মাত্র ৭.৭০ শতাংশ। বর্তমানে কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের চিকিৎসায়ে আবারো প্রমাণিত হলো হোমিওপ্যাথির শ্রেষ্ঠত্ব এবং এর গুরুত্ব সেই প্রত্যাশায় বলতে চাই.... "এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার শ্রেষ্ঠ সময় তার" "বহুদিন ধরে বহুক্রোশ দূরে, বহু ব্যায় করে বহু দেশ ঘুরে, দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু। দেখা হয় নাই, চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু দুই'পা ফেলিয়া একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু " সত্যিই তাই....! আমরা কখনো কেউ হোমিওপ্যাথির বিশালত্ব ও গভীরতা দেখিনা ! সেই ইচ্ছায় ব্রতী হয়ে আজ আমরা একত্রিত হলাম আপনাদের পাশে। প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সমূহঃ ১। আমাদের সংগঠনের নাম হবে "বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম। ২। আমাদের সংগঠনটি হবে একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ সংগঠন। ৩। এর মূল উদ্দেশ্য ও আদর্শ হবে অর্গাননের আলোকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল চিকিৎসককে ধাপে ধাপে হ্যানেম্যানিয়ান চিকিৎসকে পরিণত করা। ৪। আমরা জানি এ কাজটি অত্যন্ত দুরুহ এবং কঠিনতম কাজ। কিন্তু কাজ যতই কঠিন হোক না কেন, যদি তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও আর্দশ সঠিক হয়, তবে যেকোন কাজেরই লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব নয়। আমরা জানি হাজার মাইলের পরিক্রমাও শুরু হয় প্রথম একটি দুটি পদক্ষেপের মাধ্যমে। ৫। হৃদয়ে যদি সবার প্রতি সমান ভালোবাসা, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, উদারতা, সততা, মানবতার কল্যাণে কাজ করার যদি প্রত্যয় থাকে, ত্যাগের উদ্দেশ্য ও আর্দশ লালন করি, তবে শেষ পর্যন্ত মহান স্রষ্টা আমাদের বিজয়ী করবেনই। ৬। অামাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সংস্কারমুক্ত হয়ে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তায় উন্নতজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে উন্নতজ্ঞানের অধিকারী পরিপূর্ণ আর্দশ চিকিৎসক তৈরি করে ক্রনিক ডিজিজে ভোগা দেশের আপামর জনসাধারণকে উন্নত ও স্থায়ী চিকিৎসা সেবা দিয়ে হোমিওপ্যাথির হারানো সোনালী দিন ফিরয়ে আনা। ৭। হোমিওপ্যাথিতে স্যার ডা. খ্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানেম্যানের পরবর্তী সময়ের পর ডা. লিপি, ডা. হেরিং, ডা. বোনিং হাউসেন, ডা. ফ্যারিংটন, ডা. কেন্ট, ডা. ন্যাশ সহ যারা হোমিওপ্যাথিকে আলোকিত করেছেন তৎপরবর্তী কালে বর্তমানে হোমিওপ্যাথির অগ্রযাত্রা অনেকটাই ম্রিয়মাণ ও খন্ডিত বটে। আমাদের ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য আধুনিক জ্ঞান নির্ভর গবেষণামূলক মৌলিক চর্চার মাধ্যমে ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিকে সবার সামনে স্বগৌরবে উপস্থাপিত করা। ৮। হোমিওপ্যাথিতে মানসম্মত উন্নত ক্ল্যাসিক্যাল চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির প্রতি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর আস্থা আরো বাড়ানো, ক্রমান্বয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে অন্যান্য চিকিৎসা সেবার উপর মানুষের নির্ভরতা কমানো। ৯। সমগ্রদেশে অবহেলিত সকল শ্রেণির হোমিওপ্যাথ সহ তরুণ মেধাবী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের নিয়মিত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মানসম্মত উন্নত জ্ঞানের অধিকারী আর্দশ চিকিৎসকে পরিণত করা ও উদ্বুদ্ধ করা। ১০। সর্বাগ্রে একজন ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতা হবার আগে একজন ভাল উন্নত জ্ঞানের অধিকারী, ভাল প্র্যাকটিশনার হওয়া খুবই জরুরী। কারণ জনসাধারণের মাঝে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সফলতার প্রথম দ্বায়িত্বই থাকে একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাতে। হোমিওপ্যাথির ইমেজ বা সুনাম বা সম্মান ও সুখ্যাতি সৃষ্টি হয় একজন ভালো প্র্যাকটিশনারের হাত ধরেই। ১১। আমরা যখন ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরি করতে পারবো, তখন ভালো চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার থেকে ধীরে ধীরে আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন অধিক ভালো লেখক, ভালো বক্তা বা ভালো নেতার সৃষ্টি হবে। একসময় তারাই হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে হাল ধরবে ও দ্যুতি ছড়াবে। ১২। ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমাদের উন্নত জ্ঞান চর্চার নিমিত্তে কতগুলো মৌলিক বিষয়কে প্রধান্য দিতে হবে। বিজ্ঞান সর্বদা ডায়নামিক বা গতিশীল। সকল প্রকার গোঁড়ামির উর্ধ্বে উঠে সংস্কার মুক্ত হয়ে জানতে হবে সবই, এর আলোকে- (১) অর্গানন অব মেডিসিন, (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা, (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম (4)রেপার্টরী, (5) প্র্যাকটিস অব মেডিসিন (6) এনাটমি, ( 7) ফিজিওলজি, (8) ফার্মাকোলজি, (9) গাইনোকোলজি ও অবসট্রেকটিস, (10) সাইকোলজি, (11) মাইক্রোবায়লজি, (12) হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতি, (13) মেডিকেল জুরিসপ্রুডেন্স, (14) হোমিওপ্যাথিক ফিলসফি, (15) প্যাথলজি, (16) আধুনিক ডায়াগনোসিস সহ ইত্যাদি সবই জানতে হবে। 2 ১৩। একজন আর্দশ জ্ঞাননির্ভর আধুনিক উন্নত চিকিৎসক বা ভালো প্র্যাকটিশনার তৈরিতে আমরা কতকগুলো মৌলিক বিষয় কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিষয় ভিত্তিক সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক Advance Knowledge of Homoeopathy Specialized Class বা উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাসের ব্যবস্থা করবো। প্রতি মাস শেষে রিভিউ ক্লাসের ব্যাবস্থা বৎসর শেষে সার্বিক বিষয়ে অগ্রগতি ও পর্যালোচনা করা। ১৪। আমরা জানি যে চিকিৎসক হিসেবে হোমিওপ্যাথির ভালো চিকিৎসক তৈরির প্রধানতম ও ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিন্মরুপ (১) অর্গানন অব মেডিসিন (২) ম্যাটেরিয়া মেডিকা (৩) ক্রনিক ডিজিজ ও মায়াজম
(4) রেপার্টরী এবং 5. প্র্যাকটিস অব মেডিসিন। ১৫। ম্যাটেরিয়া মেডিকা থেকে মায়াজমেটিক রেমিডি গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মেডিসিন আলোচনা করার সাথে রিমেডির কম্পারেটিভ রিলেশনশীপ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ১ টি মেডিসিন করে প্রতি মাসে ৪টি থেকে ৫টি মেডিসিন এবং বছরে ৪৮-৫০ টি মেডিসিন আলোচনা ও রিভিউ করা। ১৬। অর্গানন অব মেডিসিন থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজমের বিশদ পর্যালোচনা করা। সপ্তাহে ৩ টি এফোরিজম করে মাসে ১২-১৫ টি এফোরিজম এবং বৎসরে ১৬০-১৮০টি এফোরিজম পর্যালোচনা করা। প্রতিমাসান্তে রিভিউ করা। ১৭। রেপার্টরীর ৩৭টি অধ্যায়ের মধ্য থেকে প্রতিসপ্তাহে প্রথম অধ্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকের মর্মার্থ ও রেপার্টরীর ব্যাবহার, রোগী থেকে প্রাপ্ততথ্য রুব্রিকে পরিণত করার কৌশল বা প্রয়োগ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা। প্রতি মাসে ২ টি অধ্যায় করে ১২ মাসে ২৪ টি অধ্যায়ের পর্যালোচনা ও রিভিউ করা। ১৮। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনে প্রায়োরিটি বেসিসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে রোগের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয়, রোগের গতিপ্রকৃতি ও চিকিৎসা বিধান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা। প্রতিসপ্তাহে ১টি করে মাসে ৪টি বছরে ৪৮ টি রোগ নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও রিভিউ করা। ১৯। প্রত্যেক পাক্ষিকে মায়াজম তত্ত্বের অালোচনা, রোগারোগ্যে মায়াজমেটিক বেরিয়ার, মায়াজমেটিক রেমেডির আলোচনা ও রিভিউ করা। ২০। সর্বশেষ Art of Case Taking নিয়ে আলোচনা করা। ২১। Art of Second prescription নিয়ে আলোচনা করা। ২২। Patient follow-up & Management নিয়ে আলোচনা করা। ২৩। Drug Relationship & Dozes form নিয়ে আলোচনা করা। ২৪। প্রত্যেক পাক্ষিকে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করা। ২৫। ফোরামের লেখকদের বিষয়ভিত্তিক মৌলিক লেখার ওপর, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষনের উপর বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক বা পুরষ্কার বা এওয়ার্ড দেওয়া। ২৬। দেশব্যাপী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সমগ্রদেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মাঝথেকে স্বীকৃতি স্বরুপ বাৎসরিক বিশেষ সম্মাননা স্মারক পুরষ্কার দেওয়া। ২৭। হোমিপ্যাথির সম্প্রসারণে একটি ত্রৈমাসিক হোমিওপ্যাথিক জার্নাল প্রকাশ করা। সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিষয়ক যেকোন গবেষণা ধর্মী মৌলিক লেখা ছাপানো হবে। ২৮। দেশব্যাপী প্রতিটি বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি গঠণ করে সংগঠনের বিস্তৃত নেটওর্য়াক গড়ে তোলা। ২৯। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপজেলা কমিটি গঠন করা। ৩০। প্রতি বৎসরান্তে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মেম্বারদের নিয়ে একদিন পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। সেখানে সংগঠনের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা এবং রিভিউ করা করা। ৩১। সর্বাগ্রে মেধাবীদের এবং গবেষণামূলক কাজে আত্মনিবেদিত চিকিৎসকদের মূল্যায়িত করা ও সম্মানিত করা।
কেন্দ্রীয় কমিটি ও শাখা কমিটির নেতৃত্বে সমন্বয়
☆ কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বারা শাখা কমিটি নিয়ন্ত্রিত
☆ বিভাগীয় সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সচিব বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদের সম মর্যাদা পাবেন।
☆ বিভাগীয় অন্যান্ন সকল নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।
শাখা কমিটির কাঠামো
বিভাগীয় কার্যকরি কমিটির কাঠামো নিম্নরূপ-
১. সভাপতি: ডা.
২. সহ-সভাপতি-১:
৩. সহ-সভাপতি-২: ডা.
৪. সাধারণ সম্পাদক :
৫. সহ-সাধারন সম্পাদক
৬. সাংগঠনিক সম্পাদক:
৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
৮. অর্থ সম্পাদক: ডা.
৯. সহ অর্থ সম্পাদক:
১০. প্রচার সম্পাদক: ডা.
১১. সহ-প্রচার সম্পাদক -১:
১২. দপ্তর সম্পাদক: ডা.
১৩. সহ দপ্তর সম্পাদক: ডা.
১৪. গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক:
১৫. সহ গবেষণা বিষয়ক
১৬. প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক:
১৭. সহ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
১৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক:
১৯. সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক:
২ ০. অনলাইন চিকিৎসা পরামর্শ বিষয়ক সম্পাদক : ডা
২১. সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক :
কার্যকরী সদস্য-
১: ---৯ মোট একত্রিশ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি।
ডাঃ মোঃ ইয়াকুব আলী সরকার
সভাপতি- বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম।
01716651488
