এই ব্লগটি সন্ধান করুন

২১.৪.২০

শিশুর বিছানায় প্রস্রাবের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা


শিশুর বিছানায় প্রস্রাবের  হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 

 

শিশুর বিছানায় প্রস্রাব একটি সাধারণ রোগ। অনেক শিশু এই সমস্যায় ভুগে। ছোটবেলায় এই সমষ্যায় ভোগার কারনে সকলের কাছে লজ্জাপায় এবং নিজেকে অনেক ছোট ভাবে। এই মানসিক যন্ত্রনার কারণে সমাজে হেয় হয় নিজেকে সহজ ভাবে উপস্হাপন করার সাহস হারায়। অথচ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এই সমস্যার সহজ সমাধান সম্ভব।

বিছানায় প্রস্রাবের কারণ

বাচ্চাদের স্নায়ুবিক দুর্বলতা, ক্রিমি ও অভ্যাস বসত: বিছানায় প্রস্রাব করে। এটি কঠিন রোগ নয় এবং শিশু বিছানায় মোতার কারনে দুশ্চিন্তার কোন কারন নেই।হোমিও চিকিৎসায় আরোগ্য হয় সহজেই।

শিশুদের বিছানায় প্রস্রাবের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন

Ø সিনা

ক্রিমিগ্রস্হ শিশুরা যদি ঘুমের ঘোরে বিছানায় প্রস্রাব করে এবং অসারে প্রস্রাব করতে থাকে,সর্বদা ফোটা ফোটা প্রস্রাব করে তাদের জন্য সিনা দেয়া প্রয়োজন। ২০০ শক্তির ঔষধ সকাল বিকাল দুই মাত্র সেব্য।

Ø কষ্টিকাম
শিশু প্রথম ঘুমেই বিছানায় প্রস্রাব করে কষ্টিকাম তাদের পরম বন্ধু। বিছানায় মোতার চিকিৎসার কথা মনে হলেই এই ঔষধের নাম স্মলণ হয়। ৩০ বা ২০০ শক্তির ঔষধ দিনে দুই
  মাত্রা সেবন করতে হয়।

Ø ক্রিয়োজোট
বালক বালিকা, যুবক যুবতি যে কোন রোগী যদি মনে করে যে সে বাহিরে প্রস্রাব করিতেছে কিন্তু ঘুম হতে উঠে দেখে নিজের বিছানায়ই প্রস্রাব করিয়াছে তবে তাহার জন্য ক্রিয়োজোট প্রয়োজন। ৩০/২০০ শক্তির ঔষধ দিনে তিন/ দুই মাত্রা সেব্য।

Ø এসিড বেঞ্জোয়িক
রোগীর প্রস্রাবে ঘোড়ার চোনার মত দুর্ঘন্ধ থাকে এবং বিছানায় প্রস্রাব করে তার জন্য এই ঔষধটি অতি প্রয়োজন। ৩০ ও ২০০ শক্তির ঔষধ দিনে দুই মাত্রা সেব্য।

Ø সিপিয়া
যে শিশু প্রথম ঘুমেই বিছানায় প্রস্রবের এবয় প্রস্রাবে দুর্ঘন্ধ থাকে তার জন্য সিপিয়া পরম বন্ধু। ৩০ বা ২০০ শক্তির ঔষধ দিনে দুই মাত্রা সেব্য।

Ø বার্ভাসকাম বা মুলেন ওয়েল
শিশু অভ্যাস বশত: বিছানায় প্রস্রাব করে তবে সেই অভ্যাস দুর করতে মুলেন ওয়েল প্রয়োজন। ৬ বা ৩০ শক্তির ঔষধ দিনে তিন মাতা সেব্য।
ব্লুমিয়া অডোটেডা
 

Ø শিশু বিছানায় প্রস্রাবের চিকিৎসায় সকল ঔষধ ব্যার্থ হলে এই ঔষধটি পরীক্ষা করা জরুরী। মাদার অথবা তৃতীয় শক্তির ঔষধ সামান্য পানিতে দিনে তিন বার সেব্য।

Ø এপোসাইনাম
চিছানায় প্রস্রবের অভ্যাসটি দুর করতে এই ঔষধটি জরুরী প্রয়োজন।৩০ বা ২০০ শক্তির ঔষধ দিনে দুই মাত্রা সেব্য।

Ø রাস টক্স
ঘুমের ঘোরে বিছানায় প্রস্রবের একটি অব্যার্থ ঔষধ-- সুত্র জে এম মিত্র। ৩০ বা ২০০ শক্তির ঔষধ দিনে দুই মাত্র সেব্য।

বিছানায় প্রস্রবের বাইয়োকেমিক চিকিৎসা

বাইয়োকেমিক চিকিৎসা মতে ক্রিমিগ্রস্হ শিশুর জন্য নেট্রাম ফস, রক্ত শুন্য,  দুর্বল শিশুর জন্য ক্যালকেরিয়া ফস, স্নায়ুবিক দুর্বল শিশুর জন্য কেলি ফস ৩ বা ৬ এক্স শক্তির ১-৪ বড়ি দিনে তিন মাত্রা দেয়া প্রয়োজন।
উপসংহার

শিশু বিছানায় প্রস্রবের চিকিৎসার পাশা পাশি পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত ঘুম,পরিমিত জীবণ যাপন বা শিশু যাতে বেশী বেশী টি ভি বা গেম খেলে নিজেকে ক্লান্ত করে অচেতন না হয়ে পরে সে বিষয়টি বিবেচনায় শিশুকে স্বাভাবিক জীবনে অভ্যস্হ করা জরুরী।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার

ইভা হোমিও হল।

বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।

মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬

 

২০.৪.২০

ডায়াবেটিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা


হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডায়াবেটিসের আরোগ্য বিধান।

ডায়াবেটিস কি?
ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনস্যুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। এই রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেড়ে যায়।সুস্থ লোকের রক্তে প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৫.৬ মিলি মোলের কম এবং খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে। অভুক্ত অবস্থায় রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.১ মিলি মোলের বেশি হলে অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোলের বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।

ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স কি? 
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়।কিন্তু যা সঠিকভাবে কাজ করে না অর্থাৎ শরীরে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা সঠিকভাবে কমাতে পারে না।কোনো ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হলে পরবর্তীতে তার ডায়াবেটিস দেখা দেয়, সাধারণত টাইপ-২ ডায়াবেটিস।
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হলে সাধারণত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়,  তন্ত্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে। মস্তিষ্কস্থূলতা দেখা দেয়, ওজন বাড়ে।শরীরে চর্বি জমে, রক্তচাপ বাড়ে, ক্ষুধা ও তৃষ্ণা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।


ডায়াবেটিসের কারণ, লক্ষণ ও জটিলতা 
কার্বোহাইড্রেটের বিপাকক্রিয়ার গোলযোগের কারনে ডায়াবেটিস হয়। দেহে ইনসুলিনের অভাব ঘটে। ইনসুলিনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বেড়ে যায়। গ্লুকোজের ওসমোটিক ক্রিয়ার ফলে পলি ইউরিয়া জন্মায়।  এর ফলে শরীরের শক্তি ও পুষ্টির অভাব হয়। রোগীর শরীরে চুলকানী,ঘন ঘন প্রস্রাব হয় জ্বালাপোড়া করে, যৌনাঙ্গে জ্বালাপোড়া, মাংশপেশীর সংকোচন শক্তির ঘাটতি হয়, চামড়া শুস্ক, খসখসে হয়, হজমে গোলযোগ দেখা যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়, লিভারের রোগ, দৃষ্টি শক্তির অভাব হয়,রক্তচাপ বাড়ে, যৌন দুর্বলতা তথা ধ্বজভংগ রোগ হয়, মাথার চুল পড়া, কিডনীরোগ হয় মোট কথা শরীরের সার্বিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারায়।

সংক্ষেপে ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ
  • ক. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
  • খ. খুব বেশি পিপাসা লাগা
  • গ. বেশি ক্ষুধা পাওয়া
  • ঘ. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
  • ঙ. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা
  • চ. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া
  • ছ. খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেওয়া
  • জ. চোখে কম দেখা।
ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয়ের উপায়
রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার পরিমাপ করে ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে হয়। সুস্থ ব্যক্তির রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৬.১ মিলি মোলের কম এবং খাবার ২ ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলিমোলের কম থাকে। কোনো ব্যক্তির রক্তের প্লাজমায় অভুক্ত অবস্থায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.০ মিলি মোল বা তার বেশি হলে এবং খাবার খাওয়ার অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোল বা তার বেশি হলে, তাকে ডায়াবেটিস রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।


ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ ও তাদের পার্থক্যসমূহ
১.টাইপ-১, ২.টাইপ-২, ৩. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। ৪.অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণ ভিত্তিক শ্রেণী।
টাইপ-১
এই ধরনের রোগীদের শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয় না। সাধারণত ৩০ বছরের কম বয়সে এ ধরনের ডায়াবেটিস দেখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতেই হয়। অন্যথায় রক্তের শর্করা অতি দ্রুত বেড়ে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই রক্তে অম্লজাতীয় বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

টাইপ-২
এই শ্রেণীর রোগীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ত্রিশ বছরের ওপরে হয়ে থাকে।আজকাল ত্রিশ বছরের নিচেও এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দেখা দিচ্ছে ও দিনে দিনে বেড়ে চলছে। এদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। তবে,প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন না দিলে টাইপ-১ রোগীর মতো এদের বিষক্রিয়া হয় না। অর্থাৎ এরা ইনসুলিন নির্ভরশীল নয়। অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়ামের সাহায্যে এদের চিকিৎসা করা সম্ভব। এখন বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগটি মানবদেহে দ্রুত বাড়ছে। লাখো মানুষ শর্করার মাত্রার বাড়ার কারণে এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের যে কয়টি উপায় রয়েছে তা হলো: ব্যায়াম, খাদ্য নিয়ন্ত্রন, স্বাস্হবিধি পালন, সঠিকখাদ্য তালিকা, ধ্যান ইত্যাদি।
খাদ্য
নিচের খাদ্যগুলি আপনার খাদ্যতালিকায় রাখলে আপনার ডায়াবেটিস সহজেই নিয়ন্ত্রনে থাকবে।
নয়নতারা ফুল 

নয়নতারা খুব পরিচিত একটি ফুল। এ ফুলগাছের সব অংশই তেতো। প্রতিদিন সকালে দু’টি পাতা খালি পেটে চিবিয়ে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকে।
তেতো করলা 

তেতো করলা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
মেথি 

মেথি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বীজ। মেথি দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। এটি হজমে খুব সহায়ক। মেথি গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। প্রতিরাতে রাতে দুই টেবিল চামচ মেথি পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে পানি আলাদা করে খালি পেটে এই পানি পান করুন। এতে ডায়াবেটিসহ বিভিন্ন রোগের উপকার পাবেন।

নিম-তুলসি 
তুলসি অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং নিম পাতার রয়েছে ওষুধি বৈশিষ্ট্য।নিমপাতা ও তুলসি পাতা ডায়াবেটিস নিরাময়ে ভালো কাজে দেবে। পাঁচটি পুদিনা পাতা ও নিমপাতা পানিতে ধুয়ে খালি পেটে চিবিয়ে খেলে ভালো উপকার পাবেন।
কালো জাম 

কালো জাম গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সবচেয়ে ভালো ফল হিসেবে অন্যতম।
ঢেঁড়স 

ঢেঁড়স ফাইবারসমৃদ্ধ সবজি।সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস নিরাময় করতে রাতে এক গ্লাস পানির মধ্যে একটি ঢেঁড়স কেটে ভিজিয়ে রাখুন।সকালে গ্লাস থেকে ঢেঁড়স তুলে খালি পেটে এই পানি পান করুন।
মিষ্টি কুমড়া  

মিষ্টি কুমড়া অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি সবজি। ডায়াবেটিক রোগীরা এ সবজি খেলে তাদের ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে । তাছাড়া মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। ফলে চোখের সমস্যা দূর করে ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
হাটা
 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তে শর্করা প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিকার অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা। প্রথমে ধীরে ধীরে পরে জোরে হাঁটার অভ্যাস করুন। এতে ক্যালোরি ও অতিরিক্ত চর্বি বার্ন করতেও সাহায্য করবে।


হোমিওপ্যাথিক মতে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা
বোরিক( Boericke) এর মতে নিচের ঔষধসমুহ Blood Sugar – এর পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে ও প্রস্রাবের শর্করা বার হওয়া রোধ করে ।

* এসেটিক অ্যাসিড ( Acetic Acid ) ,*অ্যাসিড কার্বলিক ( Acid Carbolicum ) ,* আর্জেন্ট মেটালিকাম ( Argent Met ) ,* আর্সেনিক ( Arsenic Album ) ,* বোভিষ্টা ( Bovista ) ,* ক্যানাবিস ইন্ডিকা ( Cannabis Indica ) ,* কষ্টিকাম ( Causticum ) ,* কলোসিন্থ ( Colocynth ) ,* অ্যাসিড ফস্ফরিকাম ( Acid Phos ) ,* এমন - এসেটিকাম ( Ammon Aceticum ) ,* ইউরেনিয়ম নাইট্রিকাম(Uranium Nitricum)* সিজিজিয়াম ( Syzygium Jambolinum ) ,* আর্সেনিক - ব্রোমাইড ( Arsenic Bromide) ,* অ্যাসিড ল্যাকটিক (Acid Lacticum) ,* ক্যালি নাইট্রিকাম (Kali Nitricum) ,* হেলোনিয়াস (Helonias Dioica) ,* রাস – এরোম্যাটিক ( Rhus Aromatica ) ,* ক্রিয়োজোট ( Kreosotum ) ,* মস্কাস ( Moschus ) ,* ন্যাট্রাম- সালফ ( Natrum Sulphuricum )।
ডাঃ এলেন এর মতে ইনসুলিন ৩০ শক্তির ঔষধ দিনে তিন বার প্রয়োগে ডায়াবেটিস নিরাময়ে সহায়ক।
লক্ষণ সাদৃশ্যে চিকিৎসা হইল আমাদের প্রধান হাতিয়ার তাই লক্ষণ সাদৃশ্য হইলে মেটিরিয়া মেডিকার সকল ঔষধই প্রয়োজন হইতে পারে। তবে জটিল রোগীর, রোগের চিকিৎসায় মায়াজমের দিকে সজাগ দৃষ্টি রেখে চিকিৎসা শুরু করিলে খুব সহজেই সফল হওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস।


ডায়াবেটিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ সমুহের লক্ষণ ভিত্তিক আলোচনা 

এসেটিক এসিড

অত্যধিক শর্করাযুক্ত প্রচুর পরিমানে পানির মত প্রস্রাব।দুর্বলতা, শীর্ণতা, রক্তহীনতা, পান্ডুবর্ণ ও গুরুতরপানি পিপাসা ইত্যাদি লক্ষণে এসেটিক এসিড বহুমুত্র বা ডায়াবেটিস নিরাময় করিতে পারে। বহুমুত্র রোগীর জলউদরী, বুকে পানি জমা,পচনশীল ক্ষত ইত্যাদি উপসর্গও নিরাময়ে এসেটিক এসিড উপযোগী।
আর্জেন্ট মেট

প্রচুর পরিমানে মিষ্ট গন্ধযুক্ত ঘোলা বা ঘোলাটে প্রস্রাব কারী ডায়াবেটিস রোগীর রাতে ঘনঘন প্রস্রাবের জন্র নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটিলে,অত্যন্ত ক্লান্ত বোধ হলে,দেহের অত্যন্ত শীর্ণতা সহহলুদ বর্ণের প্রস্রাব, মুখে দুর্গন্ধ। অন্ডকোষ,পায়ে শোধ বা স্ফিতি,চুলকানী ও পচনশীল ক্ষত ইত্যাদি লক্ষণে আর্জেন্ট মেট উপযোঘী।
আর্নিকা

কোন প্রকার আঘাত পাইয়া বারবার গায়ে ফোড়া হওয়ার হলুদ বর্ণের প্রস্রাবকারী ডায়াবেটিসের জন্য আর্নিকা মন্টেনা উপযোগী।রোগীর মুখ সবসময় শুকাইয়া থাকে এবংঘনঘন পিপাসা লাগে ওেসই রোগীর এই ঔষধ জরুরী প্রয়োজন।
আর্সেনিক এলবম

রোগীর অস্হিরতা মৃত্যুভয়,ঘনঘন পানি পিপাসা,ইত্যাদি লক্ষণযুক্ত ডায়াবেটিস রোগীর দৈহিক, মঅলীরিক ও মানসিক দুর্বলতা, মৃত্যুভয় থাকে,সামান্য নড়াচড়ায় শ্বাসটান বাড়ে পাতলা পায়খানা ও হলুদ বা সবুজ বা ঘোলা প্রস্রাব হয়, রোগীর সামান্যতেই মুর্ছার ভাব হয় তার জন্য আর্সেনিক এলবম উপযোগী।
বোভিষ্টা

বারবার প্রস্রাবের বেগ, প্রস্রাবের পরেই ফোটাফোটাফোটা প্রস্রাব হয়, উজ্জল লাল বর্ণের মুত্র হয় কিছুক্ষণ পরেই ঘোলা হয়ে যায় সর্বশরীরের ক্লান্তি বিষেশত সন্ধিগুলির দুর্বলতা। সামান্য শ্রমেই হৃৎপিন্ডের দৃশ্যমান কম্পন; কীটবেদনা; অবনত বৃদ্ধি; পিত্তচাকা উত্যাদি লক্ষণে বোভিষ্টা উপযোগী।
ক্যাল্কেরিয়া কার্ব 

পুন: পুন: গন্ধহীন অথবা অল্প বা উগ্র গন্ধ-বিশিষ্ট প্রচুর প্রস্রাব; মুত্রত্যাগের পর বিন্দু ‍বিন্দু মুত্রপাত; শয্যামুত্র; প্রচন্ড ক্ষুধা এবং প্রবল পিপাসা; শীতল জলপানেচ্ছা; ডিম্ব, লবনাক্ত ও মিষ্ট দ্রব্যাদি ও সুরা পানে আসক্তি; সর্দি প্রবণতা, শীতল ও জলীয় বায়ু অসহনীয়তা ইত্যাদি লক্ষণে ক্যালকেরিয়া কার্ব উপযোগী।
ক্যাল্কেরিয়া ফস

দুঃখদুর্দশা, প্রেমনৈরাশ্যজনিত শোকবশত বহুমুত্রসহ অত্যধিক দুর্বলতা; অপরাহ্নে মুখশুষ্কতাসহ পিপাসাধিক্য। সশর্করা বহুমুত্র রোগে ফুসফুস আক্রান্ত হইলে ইহা প্রভূত উপকার সাধনে সক্ষম। পদের শীতলতা ও প্রভূত ঘর্মসহ যক্ষারোগীদের বহুকাল স্থায়ী কাশি সহ বহুমূত্র; বহুল পরিমাণে মুত্রস্রাবের পর খালি মুত্রাধারে যন্ত্রনা ও অত্যধিক দুর্বলতাবোধ; লবনাক্ত দ্রব্যাদির আকাঙ্ক্ষা; লোল চর্ম ও শীর্ণতা। এই লক্ষন সমষ্টি ক্যালকেরিয়া ফস উপযোগী।
ক্যানাবিস ইন্ডিকা 

অনেক পরিমানে প্রস্রাব,প্রস্রাব করার আগে অনেক সময় বসিয়া থাকতে হয়।মুত্রের শেষ বিন্দু হাত দ্বারা ঝাকি দিয়ে ফেলতে হয়। মুত্রের ধারা থামিয়া থামিয়া হয়। মুখের চামড়া টান টান অনুভব হয়। মুখে ও গলার মাঝে শুষ্কতা অনুভব হয়। কিন্তু জলপানে অনিচ্ছুক। শোবার পরেই বোবায় ধরে। মুখে ফেনা যুক্ত ঘন চটচটে লালা বের হয়।
ফসফরাস

টিউবারকুলিনিক রোগী, লম্বা, নার্ভাস বা দুর্বল চিত্তের, প্রচন্ড বিষণ্ন এবং স্ট্রেসড। ডায়াবেটিক রোগীর কিডনী আর লিভারের জন্য এই ঔষধ কার্যকর।
সিজিজিয়াম 
জাম্বো
শর্করাযুক্ত মূত্র অধিক পরিমাণে ও বার বার হয়। প্রবল তৃষ্ণা, দুর্বলতা বোধ।শরীর ক্রমশ কৃশ হয়। ডায়াবেটিসের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইউরেনিয়াম নাইট্রিকাম
ক্ষুধা তৃষ্ণার মাত্রা বেড়ে যায়। প্রচুর পরিমাণে খাওয়া সত্ত্বেও শরীর ক্রমশ কৃশ ও দুর্বল হতে থাকে। পেট ফাঁপে।মতা, কখনো অসাড়ে প্রস্রাব হয়। প্রস্রাবের পরেই পিপাসা। মুখ শুকিয়ে আসে। ক্রমশ দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, অনিদ্রা, কোষ্ঠবদ্ধতা,খিটখটে মেজাজ-এসবের প্রকোপও দেখা যায়।
অ্যাব্রোমা আগস্টা
এই ঔষধের মূল লক্ষণ হলো শর্করাযুক্ত বহুমূত্র, অধিক পরিমাণে ও বার বার প্রস্রাব। প্রস্রাব কখনো ঘোলা আবার কখনো স্বচ্ছ, আঁশটে গন্ধ, মূত্র ধারণে অক্ষমতায় উপযুক্ত ঔষধ।
ল্যাকট্রিক অ্যাসিড
শর্করাযুক্ত প্রস্রাব, অধিক পরিমাণে ও ঘন ঘন হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য। পায়ে দুর্গন্ধবিহীন ঘাম হয়।
ক্রিয়োজোট

শর্করাযুক্ত প্রস্রাব খুব ঘন ঘন অধিক পরিমাণে হয়। রাতে বৃদ্ধি,প্রস্রাবের বেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
এসিড ফস

স্নায়বিক দুর্বলতা, প্রবল পিপাসা, শরীর ক্রমশ কৃশ ও দুর্বল হয়। ঘন ও সাদা প্রস্রাবের ক্ষেত্রে এসিড ফস খুবই উপকারী।
হিলোনিয়াস 
ডায়ো
শর্করাহীন স্বচ্ছ পানির মত প্রচুর প্রস্রাব, ঘুম ঘুম ভাব, বৃক্ক প্রদেশে ব্যথা।
অ্যানাথিরাম
পিপাসা ও দুর্বলতাসহ অধিক পরিমাণে প্রস্রাব, সবসময় মনে হয় প্রস্রাব হবে।
বোরিকের রেপার্টরির সাহায্যে ডায়াবেটিসের একক সদৃশ ঔষধ নির্বাচন দেখানো হল
DIABETES, Sugar -- Acet. ac.Adren., Am. acet., Arg. m., Arg. n., Aristol., Arn., Ars. br., Ars. iod., Ars., Asclep. vinc., Aur., Aur. mur., Bell., Bor. ac., Bov., Bry., Caps., Carb. ac., Ceanoth., Cham., Chel., Chimaph.Chionanth.Coca.Cod., Colch., Crot., Cupr. ars., Cur., Eup. purp., Fel tauri, Ferr. iod., Ferr. mur., Fluor. ac., Glon., Glycerin, Grind., Helleb.Helon., Iod., Iris, Kali acet., Kali br., Kreos., Lach., Lact. ac., Lecith., Lycop., Lyc., Lyssin, Morph., Mosch., Murex, Nat. m., Nat. s., Nit. ac., Nux v., Op.Pancreat., Phaseol., Phos. ac.Phos., Phlorid., Picr. ac., Plumb. iod., Plumb., Pod., Rhus ar., Scilla, Sec., Sil.Sizyg., Strych. ars., Sul., Tar. h., Tarax., Tereb., Uran. n., Urea, Vanad.
Assimilative disorders -- Uran n.
Gastrohepatic origin -- Ars. iod., Ars., Bry., Calc. c., Cham., Chel., Kreos., Lact. ac., Lept., Lyc., Nux v.Uran n.Nervous origin -- Ars., Aur. mur., Calc. c., Ign.Phos. ac., Strych. ars.
Pancreatic origin -- Iris., Pancreat., Phos.
Concomitant
Debility [with] -- Acet. ac., Op.
Gangrene,boils,carbuncles,diarrhœa [with] -- Ars.
Gouty symptoms [with] -- Lact. ac.Nat. s.Impotency [with] -- Coca, Mosch.
Melancholia,emaciation,thirst,restlessness [with] -- Helon.
Motor paralysis [with] -- Cur.
Rapid course [with] -- Cur., Morph.
Ulceration [with] -- Sizyg.
DIABETES INSIPIDUS Copious, profuse; polyuria;
diuresis (See Diabetes.) -- Acet. ac., Acon., Alfal, Am. acet., Apoc., Arg. m., Arg. mur., Aur. mur., Ars., Bell., Bry., Cahinca, Can. ind., Caust., Cepa, Chin. s., Chionanth., Cina, Cod., Conv., Dulc., Equis.Eup. purp.Ferr. mur., Ferr. n., Gels., Glycerin, Glon., Gnaph., Guaco, Helleb.Helon.,Ign., Indol, Kali c., Kali iod., Kali n.Kreos., Lact. ac., Led., Lil. t.Lith. c.Lyc., Mag. p., Merc. c., Mosch., MurexNat. m., Niccol. s., Nit. ac., Nux. v., Ol. an.Oxytr.Phos. ac., Phos., Physal., Picr. ac., Plat. m. n., Puls., Quass., Rhus ar.Samb., Sang., Santon., Sars., ScillaSinap. n., Spart., Staph., Stroph.Sul., Tarax., Tereb., Thymol, Thyr., Uran., Verbasc., Verv. v.
Copious at night -- Ambra, Kali iod., Lyc.Murex, Petrol., Phos. ac., Quass., Scilla.
হোমিওপ্যাথিক একটি লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা।রোগের নামে কোন চিকিৎসা করা হয় না রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। রোগ আরোগ্যের ক্ষেত্রে মেটেরিয়া মেটিকায় লেখা যে কোন ঔষধ এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহার হতে পারে।

ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাইয়োকেমি ঔষধসমুহ:

ক্যালকেরিয়া ফস
রোগী ঘনঘন প্রস্রাব,পরিমানে বেশী প্রস্রাব,হাড় ও পেশীতে বেদনা, সমস্ত শরীর ঠান্ডা ভাব থাকে । উক্ত লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য প্রয়োগ করলে স্বাভাবিক জীবন সম্ভব । মাত্রা:6x,12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি, ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
ফেরমফস
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমান কম,শেরীরের যে কোন অংশের রক্তক্ষরণ, বার বার প্রস্রাবের বেগ, মুত্রথলিতে বেদনা, শরীর দুর্বলতা লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে। মাত্রা: 6x, 12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
কেলিফস
রোগী অত্যন্ত স্নায়ুবিক দুর্বল, কাজে কর্মে উৎসাহহীনতা, মনমরা ভাব, ক্লান্তিবোধ, অসারে মুত্রত্যাগ, পিঠে বেদনা, হাত পা অবস, পক্ষাঘাত গ্রস্হ যৌন দুর্বলতা লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে । রোগী সুস্হ্যতা বোধ করবে। মাত্রা: 6x, 12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি,ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে ।
নেট্রাম ফস
যে রোগীর প্রস্রাবে ল্যাকটিক এসিডের পরিমান বৃদ্ধি পায়, শর্করার পরিমান বৃদ্ধি পায়, টক উদগার উঠে, হাটু হাত পার গাউট বেদনা হয়, সেইসকল রোগীর সুগারের পরিমান কমাইতে জরুরী প্রয়োজন। উপরে উল্লেখিত লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ  লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতাবোধ করবে। মাত্রঃ 6x, 12x, শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি, ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতেহবে।
নেট্রাম সালফ
লিভারদোষযুক্ত, ঘনঘন মুত্রত্যাগ, কিডনীর রোগী,প্যানক্রিয়াসের সমস্যাসহ, মুত্রে প্রচুর সুগার নিঃস্বরণ , উল্লেখিত লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতাবোধ করবে।মাত্রাঃ 6x, 12x,শক্তির ঔষধ বড়দের চার বড়ি, ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
কেলি মিউর 
জিহ্বাহ সাদা কোষ্ঠবদ্ধ, উল্লেখিত লক্ষনগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তাকে এই ঔষধটি দিবেন রোগ লক্ষণ দুর হবে রোগী সুস্হ্যতা বোধ করবে।মাত্রাঃ 6x, 12x, শক্তির ঔষধ বড়দের চারবড়ি, ছোটদের দুই বড়ি দিনে খাওয়ার পরে চার বার গরম পানিতে খাইতে হবে।
কম্বিনেশন সাত
বাইয়োকেমিক কম্বিনেশন সাত(৭) নং সাধারনত: সকল ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রেই দেওয়া যায়।

উপসংহার
অর্গানন অব মেডিসিন অনুসারে রোগীর সকর লক্ষণ সমষ্টি বিবেচনায় কি ঔষধ দেয়া প্রয়োজন সেই বিষয়টি দক্ষ ডাক্তার জানেন। আমার লেখা নতুন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগনের উপযোগী করে লেখা। কেউ যদি লেখা পড়ে পড়ে ডাক্তারী শুরু করেন তবে ভুল করবেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি জটিল ঔষধ নির্বাচন পদ্ধতি। আপনারা কখনও একা একা ঔষধ কিনে ডাক্তারী করবেন না। ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

ডা: ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজি নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

১৯.৪.২০

টনসিলাইটিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

টনসিলাইটিস কি ?

বড় জিহ্বার গোড়ার দিকে আলজিবের দুইপাশে দুইটি গ্রন্থি আছে। উক্ত গ্রন্থি একদিকে বা উভয় দিকে আক্রান্ত হয়ে ফুলিয়া উঠিলে প্রদাহিত হইলে ইহাকে টনসিল প্রদাহ বা টনসিলাইটিস বলে।


টনসিল প্রদাহ দুই প্রকার যথা

Ø  কোষময় বা Funicular Tonsillitis .

Ø  দীর্ঘস্হায়ী বা Chronic Tonsillitis.

টনসিলাইটিসের লক্ষণ সমষ্টি
জ্বর ও গলার মধ্যে বেদনা সহ টনসিল ফুলে যায়। টনসিলের রং হলুধাব, লাল বা বেগুনী বা পনিরেরমত শ্লেষ্মা জমে। প্রদাহ ক্রমে ক্রমে কন্ঠনালী আলজিহ্বা ও কোমল তালুতে ছড়াইয়া পড়ে। কখনও কখনও স্ফিত ও বেদনা হয়। প্রায়ই শ্বাস বন্ধ হয়। রোগীর জীবনী শক্তি কমে যায়। মানসিক শক্তির পরির্বতন হয়, ঘুমের ব্যাঘাত হয়, নাক ডাকে। কানে তালা লাগে, শ্রবন শক্তির হ্রাস পায়।
টনসিলাইটিস চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির সাফল্য অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ফলপ্রসূ। সঠিক সময়ে উপযুক্ত সুনির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগে টনসিলাইটিস সহজেই আরোগ্য হয়। অস্ত্র চিকিৎসার কোন প্রয়োজন হয় না। যন্ত্রনা হীন সহজ সরল পদ্ধতিতে অল্প খরচে চিরতরে টনসিলাইটিস ভাল করা যায়। আমরা এখন যে ভাবে অস্ত্র চালিয়ে টনসিল ফেলে দিয়ে এর চিকিৎসা করতে চেষ্টা করছি। তাতে আমার ভয় হয় এরুপ কাজ করতে করতে একদিন মাথা বেদনা হলে মাথাটাই কেটে ফেলার পরামর্শ গ্রহন করি। এখন অনেক এলোপ্যাথিক ডাক্তারকে বলতে শুনি টনসিল না থাবলে কোন সমস্যাই নেই। কেটে ফেলে দিলে বরং বারবার টনসিলাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকবে না। আমার এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য হলো আল্লাহ আমাদের শরীরে সকল অংশই প্রয়োজনে তৈরী করেছেন। যে কোন রোগ শরীরে প্রবেশ করলেই আমাদের গ্ল্যান্ড গুলি প্রথমেই আমাদের সতর্ক করে দেয়। আমরা রোগাক্রান্ত হচ্ছি। যে কোন দুর্ঘটনার পুর্বে কেউ পুর্বাভাস পেয়ে যাই তা হলে আমরা সেই দুর্ঘটনা থেকে বেচে যাই। বিষয়টি ঠিক এরুপই । টনসিল আছে বলেই আমরা বড় বড় রোগ আক্রমন হতে বেচে যেতে পারি। সঠিক ঔষধ দ্বারা সঠিক নিয়মে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আরোগ্য হলে আমরা কেন অপারেশনের মত কঠিন কাজে হাত দিব।

টনসিলের হোমিওপ্যাথিক ঔষধের লক্ষনভিত্তিক আলোচনা
 

Ø  একোনাইট নেপিলাস

টনসিলাইটিস রোগের প্রথম অবস্থায়, জ্বর অস্থিরতা, ছটফটানি থাকলে বা একোনাইট নেপিলাসের সকল লক্ষণ সমষ্টি বিদ্যমান থাকলে খুবই প্রয়োজনীয় ঔষধ।

Ø  ফাইটোলক্কা

নতুন পুরাতন উভয় প্রকার টনসিল প্রদাহে অপরিহার্য ঔষধ। টনসিল বড়, শক্ত, ঢোক গিলিতে কষ্ট। বারবার টনসিল প্রদাহে আক্রান্ত হয় সেই ক্ষেত্রে উপযোগী। গিলিবার সময় জিহ্বা মুলে ও কানের মধ্যে বেদনা। গলার মধ্যে শুষ্কতা ও জ্বালা সহ ফোলিকুলার টনসিলাইটিসে গুরুত্বপুর্ন ঔষধ।

Ø  হিপার সালফ

ভীষণ বদরাগী, ঠান্ডায় যন্ত্রনার বৃদ্ধিশীত কাতর এই প্রকৃতির রোগীর টনসিল খুব বড়, ভীষণ বেদনা ঢোক গিলিতে মাছের কাটা ফুটিয়া আছে এরকম বেদনা অনুভব করলে হিপার সালফ অমোঘ ঔষধ।

Ø  বেলেডোনা

টনসিল প্রদাহ , জবা ফুলের মত লাল আকার ধারন করলে, অত্যন্ত বেদনা জ্বালা যন্ত্রনা জ্বর থাকলে, ডান দিকের টনসিল অধিক ফোলা, ঠান্ডা বাতাস অসহ্য প্রভৃতি লক্ষণ যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য বেলেডোনা উপযোগী।

Ø  ক্যালকেরিয়া আয়োড

মোটা রোগী আবহাওয়া পরিবর্তনে প্রায়ই ঠান্ডা লাগে। নানা অবস্থান গ্রন্থি ফোলা এই ধাতুর রোগীর টনসিল প্রদাহ হলে টনসিলের মাঝে সাদা ক্ষত চিহ্ন দেখা গেলে ক্যালকেরিয়া আইয়োড উপযোগী।

Ø  লাইকেপোডিয়াম

এটি একটি এন্টিসোরিক ঔষধ। শ্লেষ্মা প্রধান ধাতুর রোগী নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবে, মেজাজ খিটখিটে ও উদ্ধত। বিকাল ৪টা হইতে রাত আটটার মধ্যে রোগ বৃদ্ধি। আহারের পরে তন্দ্রা ও আলোস্য। সদা মন মরা , ধর্ম সম্পর্কে বকে কিংবা চুপ থাকে। আহারের পরে বুক ধড়ফড় করে। গরম কাতর, গরম খাবার পছন্দকারী রোগীর ডান পার্শ্বে টনসিল খুব বড়। উক্ত টনসিলের মাঝে সাদা ক্ষত। এই রোগীর জন্য লাইকোপোডিয়াম উপযোগী।

Ø  এপিস মেল

পিপাসাহীন, ডান পার্শ্বে আক্রান্ত টনসিলাইটিস, বাহ্য তন্তু ও সমগ্র কন্ঠ ঝিল্লি ফোলা সহ উজ্জল লাল বা গোলাপী বর্ন। টনসিলে জ্বালা হুল ফোটানো বেদনা। গলার ভিতর ও বাহিরে ফোলা পানি পানে যন্ত্রনার বৃদ্ধি। এই লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য এপিস মেল উপযোগী।

Ø  ব্যারাইটা কার্ব

স্ক্রুফুলা ধাতুর রোগীর টনসিল প্রদাহের একটি গুরুত্বপুর্ণ ঔষধ। স্মরন শক্তি কম, বোকা বুদ্ধিহীন, বেটে খর্বকায়, ঠান্ডা প্রবন, পায়ের পাতা ঘামে, পা ঠান্ডা থাকে কোষ্ঠবদ্ধ , জ্বালাযুক্ত অর্শ রোগীর ডান দিকে আক্রান্ত টনসিল। রোগীর থুতু ও ঢোক গিলিতে কষ্ট , ক্ষত ওপুজপর্ণ হয়। তরল খাবার ছাড়া কিছুই খাইতে পারে না। সমস্ত কন্ঠই উজ্জল লাল বর্ণের হয় সেই রেগীর জন্য ব্যারাইটা কার্ব উপযোগী ।

Ø  ল্যাকেসিস

বাম টনসিল আক্রান্ত হইয়া ডান পার্শ্বে আকান্ত হলে কোন কিছু গিলিতে কানের মধ্যে চিরিক মারা বেদনা করে। গরম পানিতে যন্ত্রনার বৃদ্ধি। টনসিলের মাঝে ফোড়া। টনসিল প্রদাহের পরে গুরুতব বাত হলে ল্যাকেসিস উপযোগী। এই লক্ষণ সমষ্টির সাথে ল্যাকেসিসের ধাতুগত মিল থাকলে আরো উপযোগী ঔষধ।

Ø  ব্যারাইটা মিউর

গলা ফোলা ও কঠিনতা সহ অতি বৃহৎ টনসিল। ঢোগ গিলিতে কষ্ট। মাঝে মাঝে টনসিল পাঁকিয়া পুজ হয়। নতুন ও পুরাতন টনসিলাইটিস পীড়ায় উপযোগী।

Ø  কোনিয়াম মেকুলেটাম

টনসিল ক্ষুব বড় ও শক্ত। ভিতরে পুজ হয়, মাঝে মাঝে ছিদ্র হয়। সহজে আরোগ্য হয় না। মাঝে মাঝেই ক্ষত হয়। পুরাতন ও দীর্ঘস্থায়ী টনসিল প্রদাহে উপযোগী।

Ø  গুয়েকাম

গনেরিয়া আক্রান্ত রোগীর তরুন টনসিলাইটিস রোগে গুয়েকাম উপযোগী। টনসিলাইটিস সহ গলায় ক্ষত গলার মাঝে ছিদ্র দেখা দেয়। এটি একটি এন্টিসোরিক ঔষধ। বাত রোগীদের জন্য উপযোগী।

Ø  মার্ক সল

ঠান্ডা লেগে গলায় ব্যাথা, মুখ থেকে লালা পড়ে, ঢোক গিলিতে কষ্ট, রাতে বিছানার গরমে কষ্টের বৃদ্ধি। এই লক্ষণ যে টনসিলের রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য মার্ক সল জরুরী প্রয়োজন।

Ø  সাইলেসিয়া

টনসিল প্রদাহ ফাটিয়া গিয়াও সহজে আরোগ্য না হলে। রোগীর ক্রমাগত পুজ জমাট ও এর রং কৃষ্ণাভ দুর্গন্ধযুক্ত হলে সাইলেসিয়া উপযোগী। সাইলেসিয়ায় বিফল হলে সালফার প্রয়োজন, সালফার ব্যার্থ হলে এসিড ফ্লোর প্রয়োজন হতে পারে।

Ø  ক্যালকেরিয়া কার্ব

ক্যালকেরিয়ার ধাতুগ্রস্হ মোটা থলথলে শিশুগনের দৃঢ় কঠিন টনসিল, বড় হয়ে গেলে বিশেষ উপযোগী। টনসিল থরথলে ও মলিন, শ্রবন শক্তি কমে গেলে, এডিনয়েড যুক্ত টনসিলাইটিস রোগীর জন্য খুবই প্রয়োজনীয় ঔষধ।

Ø  ব্রোমিন

রক্তবহ শীরা আবৃত লাল বর্ণ বৃহদায়তন টনসিলের চিকিৎসায় প্রয়োজন।

বোরিক রেপার্টরির মাধ্যমে টনসিলাইটিসের চিকিৎসায় একক ঔষধ নির্বাচনঃ
Inflammation (tonsillitis)

Acute Catarrhal and Follicular -- Acon., Ail., Am. m., Amyg. pers., Apis, Bapt., Bar. ac., Bar. c., Bar. m., Bell., Brom., Caps., Dulc., Eucal., Ferr. p., Gels., Gins., Guaiac., Gymnocl., Hep., Ign., Iod., Kali bich., Kali m., Lac c., Lach., Lyc., Merc. i. fl., Merc. i. r., Merc. s., Naja, Nat. s., Phyt., Rhus t., Sabad., Sang., Sil., Sul.
Acute phlegmonous (quinsy) -- Acon., Apis, Bar. c., Bar. iod., Bell., Caps., Cinnab., Guaiac., Hep., Lac c., Lach., Lyc., Merc. i. fl., Merc. i. r., Merc. s., Merc. v., Phyt., Psor., Sang., Sang. n., Sil., Tar. c., Vespa.
Chronic tendency -- Bar. c., Calc. p., Fucus, Hep., Lach., Lyc., Psor., Sil.

 

কেন্ট রেপার্টরির মাধ্যমে টনসিলাইটিসের সদৃশ ঔষধ নির্বাচন

 

INDURATION of tonsils : Agar., Bar-c., Bar-m., con., ign., nit-ac., petr., plb., sabad., staph.

++ INFLAMMATION : Acon., Act-r., æsc., ail., all-s., aloe., alum., am-c., am-m., anan., ant-c., apis., arg-m., Arg-n., ars., arum-t., aur-m., aur., bad., bapt., Bar-c., bar-m., Bell., berb., bism-ox., brom., bry., bufo-r., cahin., calc-p., calc-s., calc., canth., Caps., carb-s., carb-v., caust., cham., chin-a., cinnb., cist., coc-c., coff., colch., com., con., cop., crot-c., crot-h., crot-t., cupr., dulc., elaps., fago., Ferr-p., fl-ac., gels., graph., ham., Hep., hippoz., ign., iod., ip., kali-ar., kali-bi., kali-c., kali-i., kali-ma., kali-n., kali-p., kali-s., lac-c., Lach., lob-c., Lyc., lyss., mag-c., mang., merc-c., merc-cy., merc-i-f., merc-i-r., Merc., mez., mur-ac., naja., nat-a., nat-c., nat-m., nat-p., nat-s., nicc., Nit-ac., nux-m., nux-v., œna., ol-an., pall., Petr., ph-ac., phos., phyt., plb., psor., ptel., puls., ran-b., rhus-t., sabad., sang., seneg., sol-t-æ., still., stront., sul-ac., sulph., tarent., tell., thu., vip., zinc.
++
 right : Ars-m., Bell., ham., lac-c., Lyc., lyss., merc-i-f., merc., phyt., sars., stront., tarent., xan.
++
 left : Crot-h., elaps., form., Lach., lact-ac., merc-i-r., naja., nicc., sec., sep., thu.

 

টনসিল প্রদাহ চিকিৎসায় বাইয়োকেমিক ঔষধসমুহ

Ø  ফেরম ফস

তরুন টনসিল প্রদাহে যখন জ্বর, মুখ, লাল বর্ণ, গলায় বেদনা, গিলতে কষ্ট এমনকি গল নালিতে যে কোন প্রদাহ হলে ফেরম ফস উপযোগী।

Ø  কেলি মিউর

টনসিল যখন ফোলে তখন কেলি মিউর উপযোগী। জিহ্বা সাদা ময়লাবৃত টনসিল রোগির পুজ সৃষ্টি হতে রক্ষা করে। টনসিল প্রদাহের প্রথম অবস্থা হতেই ফেরম ফসের সাথে পর্যায়ক্রমে দিলে রোগ জটিল হয় না। যদি প্রদাহ, স্ফিত, রোগের জটিল অবস্থায় ব্যবহার করলেও উপকারী।

Ø  ক্যালকেরিয়া সাল্ফ

যখন পুজ উৎপত্তি ও পুজ নিঃসরণ হয় তখন ক্যালকেরিয়া সাল্ফ প্রয়োজনীয় ঔষধ। এতে পুজ উৎপাদন রোধ হয়।

Ø  ক্যালকেরিয়া ফস

পুরাতন টনসিল প্রদাহ ফোলা,রোগী হা করতে পারে না। কিছু গিলতে পারে না পান করিতেও পারে না। রক্ত হীন দুর্বল রোগীর জন্য এ ঔষধ প্রয়োজন। গলার ভিতর খসখসে ভাব চারি দিকে ফোলা জ্বালা পোড়া মিউকাস মেমব্রেন ফোলা হলে এ ঔষধ জরুরী প্রয়োজন।

Ø  কেলি ফস

টনসিল প্রদাহ যখন পচন ধরে, টাইফয়েড জ্বর প্রকাশ পায়, রোগী দর্বল, অবসন্য, অস্হির ও সেপটিক পর্যায়ে তখন খুবই উপযোগী।

Ø  নেট্রাম ফস

টনসিলের সর্দিসহ জিহ্বা ও টনসিল হরিদ্রাভ ময়লা দ্বারা আবৃত। আলজিহ্বা ও টনসিল আদ্রভাব, হলুদ শ্লেষ্মা হয় তখন নেট্রাম ফস উপযোগী।

Ø  ম্যাগফস

পুরাতন টনসিল রোগ, টনসিল প্রদাহ, আক্ষেপিক কাশি, কাশির সাথে তীব্র স্বর বের হয়। খুক খুকে কাশিসহ, তরুন ও পুরাতন টনসিল প্রদাহ চিকিৎসায় ম্যাগফস ব্যবহারে যন্ত্রণা ও ফোলা উভয়েরই উপকার হয়।

Ø  সাইলেসিয়া

টনসিলের পুজ নিবারনে খুবই প্রয়োজনীয় ঔষধ। টনসিলের প্রদাহ, পুজ, দুষিত পদার্থ নিবারন করে। সাইলেসিয়া প্রয়োগে পুজ শোষন হয়ে টনসিলাইটিস আরোগ্যের দিকে অগ্রসর হয়।

উপসংহার

টনসিলাইটিস বিষয়ে আমার এ লেখা নবীন ডাক্তারদের ও হোমিওপ্যাথিক ছাত্রদের উপযোগী। এই লেখা পড়ে নিজে নিজে চিকিৎসা করবেন না, কারণ হোমিওপ্যাথি একটি জটিল ব্যবস্হা অনেক সাধনার বিষয়। নিজে ঔষধ খাবেন আর বলবেন হোমিও ভাল না এটি ঠিক নয়। একজন দক্ষ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিবেন। টনসিল প্রদাহ কালে গরম সেকতাপ ও ঠান্ডা বর্জন করা জরুরী। গরম পানিতে ফাইটোলক্কা মাদার টিংচার দিয়ে গরগরা করলে আরাম হয়। লক্ষণ বিবেচনায় নিচের ঔষধের মধ্য হতে সঠিকটি নির্বাচন করতে পারলে রোগটি বিনা কষ্টে আরোগ্য হয়।


আমার মোবাইল এপসটি ডাউনলোড করুন। নিয়মিত আপডেট নিন।লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করুন। আপনাদের ভালবাসা সহয়োগীতা আমাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও মানব সেবায় ভাল কিছু উপহার দিতে অনুপ্রাণিত হব।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg


ডা. ইয়াকুব আলী সরকার

ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
মোবাইল নঃ ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।