এই ব্লগটি সন্ধান করুন

১৩.৪.১৯

স্তনক্যান্সারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

স্তন ক্যান্সারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির আশ্চর্য় সফলতা রয়েছে।কেমোথেরাপি নয় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সাথে থাকুন।সুস্হ স্বাভাবিক জীবণ যাপন করুন।পার্শপ্রতিক্রিয়ার হাত থেকে বাচুন।
স্বাধারনত: মহিলাদের মাঝেই এ ক্যান্সার দেখা যায।কখনও কখনও ধাতুগত দোষের কারনে পুরুষেরও স্তনক্যান্সার হয়।যে সকল রমনী বেশী বেশী সন্তান প্রসব করেন ,যে রমনী সন্তানকে স্তন দুধ দেন না তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝোক বেশী।কখনও কখনও বংশগত কারনেও এ রোগ হয়। দেখা গিয়াসে কোন মায়ের স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস ছিল তার মেয়ে ও নাতনীরও স্তন ক্যান্সার হয়েছে।যে কোন বয়সে স্তন ক্যান্সার হতে পারে।তবে ৪০ বছরের পরেই বেশীরভাগ রমনীর স্তন ক্যান্সার হয়।স্তনের দুধ বহা প্রনালীতে কোন বাধা না পরলে স্তনের স্বাভাবিক আকৃতি বজায় থাকলে স্তন ক্যান্সার হয়না।যাদের স্তন আনেক বড় হয়ে যায় অথবা ছোট হয়ে যায় তাদের এ রোগ হওয়ার ঝোক বেশী থাকে।স্তন ক্যান্সার নির্নয়ের জন্য দর্শন ,স্পর্শ,এক্সরে,বাইয়োপসী করিয়া নিতে হয়।
স্তন ক্যান্সরের লক্ষণসমুহঃ

প্রথমে স্তনের বোটা গোলাপী আকার ধারন করে।পরে তাহা বিস্তৃত আকার ধারন করে।প্রথমে স্তনের ভিতরে টিউমার আকারে বৃদ্ধি পায় পরে চর্ম ভেদ করে উপরে উঠে আশে এবং স্তন হতে স্রাব হয়।ক্যান্সার বাড়ার সাথে সাথে স্তন স্ফিত হয় বেদনা জ্বালা বাড়ে।কমবয়সী মেয়েদের স্তন ক্যান্সার হলে স্তনের ভিতরেই ছোট আকারে সীমাবদ্ধ থাকে।
স্তন ক্যান্সার প্রথম অবস্হায় ৫ সে.মি এর মত থাকে দ্বিতীয় অবস্হায় ৫ সে.মি এর কম হয় এবং তৃতীয় অবস্হায় পাঁচ সে.মি. এর চেয়ে বড় আকার ধারন করে।


স্তনক্যান্সারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা ঃ


আর্সেনিক এলবমঃ
আর্সেনিক এলব, রোগিনী অত্যন্ন নিস্তেজ অস্হিরতাসহ অত্যন্ত বেদনা ও জ্বালাপোড়া থাকে।রোগ যন্ত্রনা মধ্যরাতে বাড়ে।রক্তমিশ্রিত হলুদ বর্নের সাদা স্রাব থাকে এবং মাসে একাধিক বার মাসিক হয়।জরায়ুর জ্বালাপোড়া ও টিউমার সহ স্তনক্যান্সার রোগিনীর পক্ষে আর্সেনিক এলবম বেশী উপযোগী।আর্সেনিক এলবম এর লক্ষণ থাকতেও যদি রোগের উন্নতি না হয় তবে আর্সেনিক আইয়োড প্রয়োজন হয়।
থুজা অক্সিডেন্টালঃ
স্তন ক্যান্সারে রোগিনীর যদি টিকার কুফলের ইতিহাস থাকে এবং সে অনেক বার টিকা নিয়ে থাকে তবে একমাত্রা উচ্চ শক্তির থুজা প্রয়োগ করে অপেক্ষা করতে হবে।থুজা প্রয়োগে অনেক রোগিনীই আরোগ্য লাভ করেছে।
ফাইটোলক্কাঃ
বস্তুত স্তনের যে কোনরূপ প্রদাহ, ক্ষত, নালিঘা এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত ইহাতে আরোগ্য লাভ করে। স্তনের বিকৃতি, স্তনবৃন্তের বিকৃতি ও ভিতরে ঢুকে যাওয়া, স্তনদুগ্ধ অতিশয় গাঢ় হয়ে যাওয়া, বিস্বাদ হওয়া ও দুধের সাথে রক্ত নির্গমন। স্তন প্রদাহযুক্ত হয়ে ওঠে,স্তনের ছোট ছোট গ্রন্থি বেদনা যুক্ত ঢালার মতো হতে থাকে।নড়াচড়া করতে গেলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়, আলগা করে বাঁধিয়া রাখিলে উপশম হয়।স্তনবৃন্ত ফাটিয়া যায় ও ক্ষত দেখা যায়।শিশুকে স্তন্যপান করাতে গেলে যন্ত্রনা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যেক মাসে মাসিকের সময় স্তনে ব্যথা অনুভব হয়।রোগিনী বেদনা কাতর হলে ফাইটোলক্কা নিম্ন শক্তি ঘনঘন প্রয়োগে বেদনার উপসম হয়।রোগিনীর রোগযন্ত্রনা নিরাময়ের জন্য শুধু ফাইটোলকা্ই ব্যবহার করে স্বাভাবিক খাদ্য ও স্বাভাবিক জীবন ধারন করলে কেমোথেরাপির মত যঘন্য পদ্ধতির কুফল হতে রোগিনীকে আরাম দেয়া যায়।
এস্টেরিয়ান রুবেঃ
স্তনে ক্যান্সার,যন্ত্রণা মধ্যরাতে বৃদ্ধিপায়, ঠান্ডা পানীয় গ্রহণের প্রবল ইচ্ছা,মাংসে অরুচি,প্রবল সঙ্গম ইচ্ছা।মনে হয় স্তনের ভিতরের দিকে কেউ টেনে নিয়ে নিচ্ছে।স্তন ফুলে ওঠে ও ঘা থেকে রক্ত নির্গত হয়।স্তনের চামড়া শুকিয়ে যায়।স্তন শক্ত হয়ে যায় এবং ফ্যাকাশে রঙের হয়ে যায়।অত্যন্ত বেদনা যুক্ত হয়।মাসিকের পুর্বে মাথা গরম হয়।রোগিনী অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ও উত্তেজিত হয়ে ইঠে।প্রবল মৈথুনের ইচ্ছা।প্রতি মাসিকের সময় স্তনক্যান্সারের বৃদ্ধি হলে এই ঔষধটি প্রয়োজন।
ক্যাডমিয়াম সালফঃ
অনবরত বাহ্য বমি,নিতান্ত নিস্তেজ ও দুর্বলতা,রোগিনী চোখ বন্ধ করিয়া থাকে,যন্ত্রনা প্রবল হইলেও রোগীর অস্হিরতা থাকেনা।মন্ডের মত অথবা সবুজ মিশ্রিত কিংবা কাল রঙ্গের চাপ চাপ দর্গন্ধ মল। রোগীর ওয়াক উঠাসহ বমি। হিমাঙ্গ ও প্রস্রাব বন্ধ অবসন্নতা ও হিমাঙ্গতাসহ স্তনক্যান্সারের রোগিনীর জন্য এটি উপযোগী ঔষধ।রোগিনী রক্তহীনতা সর্বশরীর ঠান্ডা রোগিনী শীত শীত বোধ করে।

ক্যাডমিয়াম আয়োডঃ
সোরা সিফিলিস ও সাইকোসিস দোস রোগিনী সকলকেই অবিশ্বাস করে ঘৃনা করে ।সেই রোগিনীর জন্য এই ঔষধটি অতি প্রয়োজন।
হাইড্রাসটিসঃ
শরীর দর্বর ক্ষুধাহীনতা কোষ্ঠ বদ্ধতা শরীরে ঘর্ম।রোগিনীর অম্ল,অজীর্ণ কোষ্ঠবদ্ধতা,হৃৎকম্প এবং যে কোন সময় রক্ত স্রাব হয়।শরীরে জল জমে।রোগিনীর,চামড়া,প্রস্রাব হলুদ হয়।রোগিনীর সাদা স্রাব থাকে তাদের জন্য উপযোগী।ক্যান্সারের ক্ষতে বাহ্য প্রয়োগ হয়।

কেলি ফসঃ
ক্যান্সার রোগিনীর যখন বেনার জন্য নিদ্রাহীনতা ও স্নায়ুবিক অবসাদ দেখা দেয় তখন বিশেষ প্রয়োজন হয়।


মর্ফিয়া পিউরাঃ
রোগিনীর বেদনা ও জ্বালা নিবারনের জন্য এই ঔষধটি প্রয়োজন।
নাইট্রিক এসিডঃ
গনেরিয়ার রোগিনীর জন্য নাইট্রিক এসিড উপযোগী।ক্ষতে খোচামারা বেদনা ও দুর্গন্ধ যুক্ত স্রাব হলে উপযোগী।
কার্বো এনিঃ 
স্তনগ্রন্থি প্রদাহযুক্ত হয়ে উঠুক না কেন তা কখনো পাকিয়া পুঁজযুক্ত হয়ে উঠবে না কেবল শক্ত হয়ে থাকবে। ক্ষত প্রদাহ শক্ত হয়ে ব্যাথা করতে থাকে, জ্বালা করতে থাকে, পেকে পুঁজ হয়ে যায় কিন্তু স্থানটি শক্ত ইঁটের মত হয়ে থাকে। স্তনের ক্ষত বা গ্রন্থি সহ বগলের গ্রন্থি শক্ত হয়ে থাকলে এবং তার সঙ্গে ভয়ানক ব্যথা থাকলে কার্বো এনি প্রাই বেশ উপকারে আসে। দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগে কার্ব এনি লক্ষণ পাওয়া যায় বিশেষত স্তন ক্যান্সারে ও জরায়ু ক্যান্সারে। ক্ষতস্থানটি জালা ও ফুল ফোটানো ব্যথা থাকে।রোগীর বৈশিষ্ট্য দুর্বলতা এত অধিক যে রোগী দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, ঋতুর বর্ণ কালো দুর্গন্ধযুক্ত। কার্বো এনিমেলিস এর রোগী প্রবাসে বা পরবাসে থাকতে পারে না অসুস্থ হয়ে পড়ে।অন্ধকারে থাকতে ভয় পায়, স্বপ্নে কথা বলে ও কাদিতে থাকে।
কোনিয়াম ম্যাকঃ 
কোন আঘাতজনিত কারনে স্তনে যদি আব বা শক্ত অর্বুদ দেখা দেয় এবং তার ফলে যদি ক্যান্সার হয় তাহলে এই ওষুধ উপকারে আসে। স্তন শুকিয়ে যাওয়া, স্তন প্রদাহ,এই ওষুধ বেশ ফলপ্রদ। স্তন বৃদ্ধি ও প্রত্যেক মাসের মাসিকের আগে ব্যথা অনুভব হয়।
আর্সেনিক আয়োডঃ 

স্তন ক্যান্সার ও তার সাথে স্তন প্রদাহ ও ঘা হয় দুর্গন্ধ নিঃসৃত হয়।স্তনের চামড়া ব্রোঞ্জের রং এর মত দেখায়।রোগী অল্প শীতে যেমন কাতর, অল্প গরমেও তেমনি কাতর,অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায়।কিন্তু মুক্ত বাতাস পছন্দ করে,প্রবল জল পিপাসা।স্নান করতে পছন্দ করেনা,স্নানে বৃদ্ধি হয়।খাদ্যদ্রব্যে অনিচ্ছা অরুচি, আহারের একঘন্টা পরে বমি হয়।
বেডিয়াগাঃ 

স্তনের ক্যান্সার তার সাথে ভয়ানক কাশি,যতবার কাশি হয় ততবার স্তনে ব্যথা বৃদ্ধি পায়।স্তনের ব্যথা বৃদ্ধি পেয়ে পিঠে ছড়িয়ে পড়ে।
কার্সিনোসিনঃ 

ক্যান্সারের ভালো ওষুধ। ক্যান্সার আক্রান্ত স্থান থেকে রক্তস্রাব ও প্রচুর যন্ত্রনা তার সঙ্গে পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু জমা ও আত্মহত্যার প্রবণতা।
লেপিস এলবাঃ

 ক্যান্সার এবং গন্ডমালা বা গলগন্ড দোষের একটি চমৎকার ওষুধ।স্তনে ক্যান্সার এর সহিত মাসিক এতটা কষ্টদায়ক হয় যে রোগিনী বারবার অজ্ঞান হয়ে পড়ে।স্তনে টাটানি ব্যথা ও স্পর্শ করলে মনে হয় প্রাণ বেরিয়ে যাবে।শক্ত পাথরের মত হয়ে ওঠে স্তন।তার সাথে জরায়ু স্রাব প্রচন্ড হাজা কর ও অসহ্য জ্বালা।
ল্যাকেসিসঃ স্তনের ক্যান্সার এ স্তনের চামড়ার রং লাল হয়ে বেগুনি বা নীল বর্ণ ধারণ করে এবং এই ব্যথা নিদ্রা যাওয়ার পর বৃদ্ধি ঘটে। সাধারনত বাম দিকের স্তনে বেশি আক্রমণ হয়। স্তনে অন্তর্বাস পরা পছন্দ করে না, ঢিলেঢালা পোশাক পরতে পছন্দ করে। রোগীর ঈর্ষা ও স্পর্শকাতরতা ও বাচালতা দেখা দেয়। ধর্ম ভাবো আছে ঠাকুর দেবতা অগাধ বিশ্বাস। স্তনের টাটানি ব্যথা সেই ব্যথা বাম দিকের স্তন থেকে ডান দিকের স্তনে যায়।

সাইলেসিয়াঃ
স্তন ক্যান্সার হতে দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা রস ঝড়লে,তেজহীন শীতল দেহ,পরিশ্রমেও শরীর গরম না হলে,মল কঠিন ও মলবেগ না থাকলে সেইরোগিনীর জন্য সাইলেসিয়া উপযোগী।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ

Breast [of] (See Female Sexual System.) -- Ars. iod., Bar. iod., Brom., Bufo, Carbo an., Carcinos., Condur., Con., Form. ac., Graph., Hydr., Phyt., Plumb. iod., Nat. cacodyl., Scirrhin.
Cancer (See Tumors.) -- Arg. n., Ars. iod., Ars.Aster., Bad., Bapt., Bar. iod., Brom., Bry., Calc. iod., Carbo an., Carcinos., Cic., Clem., Condur.Con.Galium, Graph., Hep., Hoang nan., Hydr.Kali iod., Kreos., Lach., Phos., Plumb. iod., Psor., Sang., Scirrhin., Semperv. t., Sil., Sul., Tar. c., Thuya.



Bleeding -- Hoang nan., Kreos., Lach., Phos., Sang., Thuya.
Scirrhous -- Ars., Carbo an., Condur., Con., Hydr., Kreos., Lapis alb., Phyt., Scirrhin.Sil.

TUMORS



Nodosities (See Cancer, Swelling, Inflammation.) -- Ars. iod., Aster.Bell., Berb. aq., Brom., Bry., Calend., Calc. c., Calc. fl.Calc. iod., Carbo an., Cham., Chimaph., Clem., Condur., Con., Ferr. iod., Gnaph., Graph., Hekla, Hydr.Iod., Lach., Lapis alb., Lyc., Merc. i. fl., Murex, Nit. ac., Phos.Phyt.Plumb. iod., Psor., Puls., Sab., Sang., Scirrin.Scrophul.Sil., Thuya, Thyr., Tub.
Ulceration -- Aster., Calend., Clem., Hep.Merc., Pæonia, Phos., Phyt.Sil.
SWELLING (See Mastitis.) -- Allium s., Ananth., Asaf.Aster., Aur. sul., Bell., Bellis, Bry., Castor., Dulc., Graph., Helon., Lac c., Merc. per., Merc., Onosm., Phos., Phyt., Psor., Puls., Solan. ol., Urt.

Inflammation (mastitis) (See Pain, Swelling.) -- Acon., Ant. t., Apis, Arn., Ars., Bell.Bry., Calc. c., Cham., Cistus, Con.Crot. t., Ferr. p., Galega, Graph., Hep.Lac. c., Lach., Merc.Phell.Phos.Phyt., Plant., Puls., Sabad., Sil., Sul.


PAIN (mastodynia) -- Acon., Allium s., Apis, Arg. n., Aster., Aur. sul., Bell., Brom., Bry.Calc. c., Carbo an., Cham., Chimaph.Cim.Con., Cotyled., Croc., Crot. t.Hep., Hydr., Hyper., Lac c., Lach., Lact. ac.Lapis alb., Lepid., Med., Merc. per., Merc.Murex, Nat. m., Onosm., Pall., Phell.Phos.Phyt.Plumb. iod., Plumb. m., Polyg., Prun. sp., Psor., Puls., Sang., Sil., Sumb., Zinc.



Inframammary -- Cim., Puls., Ran. b., Raph., Sumb., Ustil., Zinc. m.
Relieved by supporting heavy mammæ -- Bry.Lac c., Phyt.
Worse from jar, toward evening -- Lac. c.


কেন্ট রেপার্টরির সাহায্যে ক্যান্সারের একক ঔষধ নির্বাচনঃ
++ CANCEROUS affections : Acet-ac., alum., alumn., ambr.apis.ars-i.Ars.aster.aur-m.aur.bism-ox., Brom.bufo-r.,cadm.calc-s.calc.carb-ac.Carb-an.carb-s.carb-v.caust., cist.clem., Con., cupr., dulc., graph.hep., hydr.kali-ar.kali-bi.kali-s.kreos.lach.lap-a.Lyc.merc-i-f.merc.nat-m., Nit-ac., ph-ac., Phos.Phyt., sep., Sil., sul-ac., sulph.thu.zinc.




++ encephaloma : Acet-ac., ars-i.ars.calc.carb-ac., carb-an.caust., kali-i., kreos.lach.nit-ac., Phos.sil.sulph., thu.
++ epithelioma : Acet-ac., arg-m., arg-n., Ars-i.ars.aur., bell.brom., calc-p., calc., clem., Con.hydr.kali-s.kreos.Lyc., merc., phos., phyt.ran-b.sep., sil.sulph., thu.
++ fungus hæmatodes : Ant-t., Ars., bell., calc.Carb-an.carb-v.clem., kreos.Lach.lyc.merc.nat-m.nit-ac.Phos.,puls.sep., Sil., staph., sulph.Thu.
++ glands : Aur-m.Carb-an.Con.
++ lupus : Agar., alum., alumn., ant-c., arg-n., ars-i.Ars., aur-m., bar-c.calc., carb-ac.carb-s.carb-v.caust., cist.graph., hep., hydrc.kali-ar., kali-bi.kali-c., kali-chl.kali-s., kreos.lach., Lyc.nit-ac.phyt.psor.sep., sil.spong., staph., sulph., Thu.
++ in rings : Sep.
++ melanotic : Arg-n.card-m., lach.ph-ac.
++ noma : Alum., alumn., ars.calc., carb-v., con.elat., kali-p.merc., sil., sulph.
++ scirrhus : Alumn., arg-m., ars.aster.calc-s.Carb-an.carb-s.carb-v.Con.graph.hydr.lap-a.phos.phyt.sep., Sil., staph., sulph.

স্তন ক্যান্সার অন্যান্ন ক্যান্সার চিকিৎসার মতই জটিল।নিরাময়ের আশা কম থাকে।আধিকাংশ রোগিনীই এলোপ্যাথিক অপচিকিৎসায় ক্ষতিগ্রস্হ হয়ে হোমিও ডাক্তারের কাছে আশে।সে ভাবে মারা পরবই যখন তখন হোমিও চিকিৎসা করে দেখা যাক।যদি সঠিক সময়ে রোগিনী হোমিও কোন দক্ষ ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করে তবে শতকরা আশি ভাগ স্তন ক্যান্সার ভাল হয়।রোগিনী অস্হির হলে তাকে সান্তনা দেয়া,অভয় দেয়া জরুরী।রোগিনীর ঔষধ প্রয়োগের পর ধৈর্য ধারন করতে হবে।রোগিনীর আক্রান্ত স্হানে যাতে চাপ,আঘাত না লাগে সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরী।
আমার ফ্রী মোবাইল এপসটি ডাইনলোড করুন।নিয়মিত আপডেট নিন।লিঙ্কঃ-
Download my free mobile application. Read together all of the text, update it.

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।


১০.৪.১৯

সর্দির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

তরুণ ও পুরাতন সর্দির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:

সর্দি 
ঠান্ডা লাগিয়া সাধারনত সর্দি হয়। আবার অতিরিক্ত গরম ও ঠান্ডায়ও সর্দি লাগে। ধুলাবালি , অতিরিক্ত ঘর্মও সর্দির কারন হতে পারে। সর্দি নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা অত্যন্ত কার্য়কর। এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় সাময়িক আরাম দিলেও এ রোগের দ্রুত শান্ত ভাবে আরোগ্য লাভের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাই সবচেয়ে কার্যকর।

সর্দির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নিরাবাচন গাইড

  • একোনাইট নেপিলাস
  • হঠাৎ ঠান্ডা লাগিয়া সর্দি মাথা বেদনা, অস্হিরতা,নাক দিয়ে জল পড়া, নাকের গোরায় বেদনা করা, মাঝে মাঝে হাছি হয় এই লক্ষণসহ একোনাইট নেপিলাসের লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য তরিৎ প্রয়োগ জরুরী।
  • মার্ক সল
  • সর্দির প্রথম অবস্হায় নাক ছনছন করে নাক টাটায়,মাঝে মাঝে হাছি দেয় এই রোগীর জন্য মার্ক কর দ্রুত প্রয়োগ জরুরী।এতে রোগ সহজেই আরোগ্য হয়।
  • ক্যাম্ফর
  • ঠান্ডা লাগিয়া সর্দি,ঘন ঘন হাছি, নাক দিয়ে জল পড়া, জ্বর জ্বর ভাব, খুকখুকে কাশি ইত্যাদি লক্ষনে ক্যাম্ফর উপযোগী।
  • আর্সেনিক এলবম
  • ঘনঘন হাছি, অবিরাম হাছির জন্য দম নিতে পারে না। হাছির সাথে শ্বাসটান নম নিতে কষ্ট। এই লক্ষণগুলি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে এবং আর্সেনিক এলবমের মানসিক ও সার্বদৈহিক লক্ষণ বিদ্যমান থাকবে তার জন্য এই ঔষধ মন্ত্রের মত কাজ করবে। 
  • পালসেটিলা
  • পাকা সর্দি, নাক দিয়ে হলুদ সর্দি ঝরলে এবং রোগী নাকে কোন ঘ্রান না পাইলে পালসেটিলার প্রয়োজন হয়। খোলা বাতাস পছন্দ, অভিমানী, ছিচ কাদুনে রোগীর জন্য আরো উপযোগী।
  • ব্রাইয়োনিয়া এলবম
  • হলুদ বর্ণের সর্দির সাথে নাক দিয়ে রক্ত ঝরলে, মাথা ধরা, কোষ্ট বদধতাসহ ব্রাইয়োনিয়া এলবমের লক্ষণ সমষ্টি পাওয়া গেলে সেই রোগীর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ঔষধ।
  • জেরিয়াম
  • পুরাতন সর্দির সবচেয়ে উপযোগী ঔষধ। নাক দিয়ে সাদা বা হলুদ সর্দি ঝরলে , নাকে কোন ঘ্রান না পাইলে,নাকে ঘন শ্লেষ্মা থাকলে মেজেরিয়াম উপযোগী।
  • ব্রোমিয়াম 
  • ব্রোমিয়াম অত্যন্ত বিরক্তিকর কাচাঁ সর্দিতে ব্রোমিয়াম একটি মনে রাখার মতো ঔষধ। বিশেষত যাদের সর্দি, গলা ব্যথা, টনসিলের সমস্যা ইত্যাদি সারা বছর লেগেই থাকে।
  • এলিয়াম সেপা 
  • এলিয়াম সেপা পেয়াজের রস থেকে তৈরী করা এলিয়াম সেপা নামক ঔষধটি (ক্লার্কের মতে)  হোমিওপ্যাথিতে সর্দির সবচেয়ে ভালো ঔষধ। সর্দির সাথে যদি জ্বরও এসে যায়, তথাপি অন্য কোন ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এলিয়াম সেপা, সর্দির সবচেয়ে ভালো ঔষধ।
  • স্টিক্টা
  •  স্টিক্টা প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো শুকনা কাশি,  বিকালে এবং রাতে বৃদ্ধি পায়, ঘুমাতেও পারে না এবং শুইতেও পারে না, বসে থাকতে হয়, বুকের ওপর মনে হয় ভারী একটি পাথর চেপে আছে, নাকের গোড়া মনে হয় কেউ চেপে ধরেছে, বিরতিহীন হাচিঁ, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা ইত্যাদি।
  • নেট্রাম মিউর 
  • তরুন সর্দি কাশি,না্ক দিয়ে পানি ঝরে, মাঝে মধ্যে হাছি , একটু ঠান্ডা লাগিলেই সর্দি লাগে,জলের মত কাচাঁ সর্দিতে নেট্রাম মিউর উপযোগী। রোগীর লবন থাওঅর ইচ্ছা।  লবনের প্রতি বেশী আকর্শন থাকলে অন্য যে কোন ঔষধের চেয়ে নেট্রাম মিউর বেশী উপযোগী। সর্দি রোগে আক্রানত রোগীর ঘ্রান শক্তি লোপ পাইলে নেট্রাম মিউর উপযোগী। তরুন রোগে ৩০ শক্তি ঘনঘন কয়েক মাত্রা প্রয়োগেই রোগী আরাম পাবে। পুরাতন রোগে ২০০ হতে উচ্চ শক্তি প্রয়োগ করতে হবে। সাথে অবশ্যই লবন খাওয়া ত্যাগ করা জরুরী।

সর্দির বাইয়োকেমিক চিকিৎসা
Ø  ফেরম ফস
সর্দির প্রথম অবস্হায় নাক দিয়ে জল পড়লে,ঘনঘন হাচি,চোখে জল,মুখ লাল ইত্যাদি লক্ষণ কোন রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য ফেরম ফস জরুরী প্রয়োজন।
Ø  ক্যালি মিউর
সর্দির ২য় অবস্হায় প্রয়োজন। রোগী কোষ্ঠবদ্ধ, জ্বিবাহ সাদা,সাদা বর্ণের সর্দি ইত্যাদি লক্ষণ বিবেচনায় ক্যালি মিউর প্রয়োজন।
Ø  কেলি সাল্ফ
সর্দির তৃতীয় অবস্হায় ক্যালি সাল্ফ প্রয়োজন।সর্দির তৃতীয় অবস্হায় যখন নাক দিয়ে ঘন হলুদ বর্নের গাঢ় সর্দি ঝড়লে কেলি সাল্ফ প্রয়োজন।
Ø  ক্যালকেরিয়া ফস
ঠান্ডা প্রবনতা দুর করতে এই ঔষধটি প্রয়োজন।যাদের বার বার সর্দি লাগে তাদের জন্য জরুরী প্রয়োজন।

উপসংহার
সর্দি চিকিৎসার পাশাপাশি এলার্জিক খাবা ত্যাগ ও ঠান্ডা ও অতিরিক্ত গরম পরিহার করা জরুরী।যারা অনিয়মিত ঠান্ডা ও গরমে কাজ করেন সর্দি হওয়াটা তাদের জন্য সাধারন।
আমার লেখা মোবাইল এপসটি ডাউনলোড করুন। নিয়মিত আপডেট নিন।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

৯.৪.১৯

এন্টিবায়োটিকের বিকল্প হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমুহ:


Alternative medicine list of homeopathy

কিছু হোমিও ঔষধ আছে যাদেরকে লক্ষণ মিলিয়ে প্রয়োগ করতে পারলে দেখা যাবে,এরা বাজারের যে-কোন হাই-পাওয়ারের এন্টিবায়োটিকের চাইতেও ভালো এবং দ্রুত কাজ করছে।যেমন-একোনাইট নেপিলাস, আর্সেনিকএলবম, বেলেডোনা, ব্যাপটেসিয়া, ফসফরাস,ল্যাকেসিস, ফেরমফস, পালসেটিলা,হিপার সালফার,মার্কসল,আর্নিকা,ভেরেট্রাম এলবম, কেলি বাইক্রম, পাইরোজিনাম,ইচিনিসিয়া ঔষধগুলিকে বিপদজ্জনক পরিস্থিতিতে হোমিও এন্টিবায়োটিক রূপে ব্যবহার করতে পারেন।এদের বাইরেও আরো অনেক হোমিও ঔষধ আছে, যাদেরকে লক্ষণ মিলিয়ে প্রয়োগ করলে এন্টিবায়োটিকের মতো ফল পাবেন।সাধারণত মারাত্মক কোন জীবাণুর আক্রমণ নিয়ন্ত্র্রণ এবং নিমূর্ল করতে যে-কোন হাই-পাওয়ারের এন্টিবায়োটিকেরও দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যায় ; কিন্তু যদি ঠিক-ঠাক মতো লক্ষণ মিলিয়ে হোমিও ঔষধগুলো উচ্চ শক্তিতে প্রয়োগ করতে পারেন, তবে দেখবেন দু’য়েক ঘণ্টার মধ্যেই যে-কোন মারাত্মক ইনফেকশানও কন্ট্রোলে এসে যায়।
আরেকটি কথা হলো এন্টিবায়োটিকগুলো সাধারণত ব্যাকটেরিয়া নিধন করতে পারে কিন্তু ভাইরাস দমন করতে পারে না;কিন্তু হোমিও ঔষধগুলো যথাযথ ভাবে ব্যবহার করতে পারলে সেগুলো ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস,ফাংগাস সবই মুহূর্তের মধ্যে বিনাশ করে দিবে।এলোপ্যাথিতে যদিও অল্পকিছু এন্টিভাইরাল ঔষধও আছে, কিন্তু দাম এতো বেশী যে তাতে রোগীদের ভিটেমাটি বিক্রি করা লাগতে পারে।অনেক ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে রক্তের কালচার টেস্ট করে জানতে হয়, কোন জাতের-বেজাতের জীবাণু আক্রমণ করেছে এবং কোন এন্টিবায়োটিকে তাকে মারা সম্ভব ! কিন্তু হোমিও ঔষধগুলো ঠিকমতো লক্ষণ মিলিয়ে দিতে পারলে জীবাণু নিশ্চিতই বিনাশ হবে, তাদের জাত-কুল জানা যাক আর না যাক।তাছাড়া হাই-পাওয়ারের এন্টিবায়োটিক গুলোর সাইড ইফেক্ট এতই মারাত্মক যে,তাতে যে-কারো অকাল মৃত্যুও হয়ে যেতে পারে।এগুলো মস্তিষ্ক বা স্নায়ুতন্ত্রের এবং হাড়ের মেরুমজ্জার এতই ক্ষতি করে যে,তাতে যে-কেউ প্যারালাইসিস,ব্রেন ড্যামেজ, ব্লাড ক্যানসার,সারাজীবনের জন্য কংকালসার হয়ে যেতে পারেন।কিন্তু হোমিও ঔষধগুলোর মধ্যে এমন জঘন্য ধরনের কোন সাইড-ইফেক্ট নাই;এমনকি ছোট্ট শিশুরাও যদি ভুল ঔষধ খেয়ে ফেলে তাতেও না।আরেকটি কথা হলো, এন্টিবায়োটিকগুলো ক্ষতিকর জীবাণুর সাথে সাথে আমাদের শরীরের অনেক উপকারী জীবাণুকেও বিনাশ করে দেয় ; কিন্তু হোমিও ঔষধগুলো উপকারী জীবাণু হত্যা করে না।এজন্য অনেক বিজ্ঞানী এন্টিবায়োটিককে মনে করেন আন্দাজে বোমা মারার সমান, যাতে দুশমনও মরে আবার নিরীহ মানুষও মরে আবার কখনও কখনও বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয়-স্বজনও মরে সাফ হয়ে যায়।

একোনাইট নেপিলাস:যে-কোন রোগই হউক না কেন, যদি সেটি হঠাৎ শুরু হয় এবং শুরু থেকেই মারাত্মকরূপে দেখা দেয় অথবা দুয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করে, তবে একোনাইট হলো শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক। রোগের উৎপাত এত বেশী হয় যে, তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে।এক ফোটা বা ৫টি বড়ি করে রোজ তিনবেলা বা আরো ঘন ঘন খেতে পারেন যতদিন প্রয়োজন মনে করেন।সাধারণত ৩০ বা ২০০ শক্তি হইল স্ট্যান্ডার্ড পাওয়ার।

ব্রাইয়োনিয়া এলবম:যদি রোগীর গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকে,নড়াচড়া করলে রোগীর কষ্ট বৃদ্ধি পায়, পায়খানা শক্ত হয়ে যায়ইত্যাদি লক্ষণ থাকে, তবে হোক না তা টাইফয়েড-নিউমোনিয়া-এপেন্ডিসাইটিস বা আরো মারাত্মক কোন ইনফেকশান, ব্রায়োনিয়া হবে তার শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক।উচ্চ শক্তিতে (১০০০, ১০০০০, ৫০০০০) এক ডোজ ব্রায়োনিয়া খাইয়ে দিন ; সম্ভবত দ্বিতীয় ডোজ খাওয়ানোর আর প্রয়োজন হবে না।

রাসটক্স: রাস টক্সের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো প্রচণ্ড অস্থিরতা, রোগী এতই অস্থিরতায় ভোগে যে এক পজিশনে বেশীক্ষণ স্থির থাকতে পারে না,রোগীর শীতভাব এমন বেশী যে তার মনে হয় কেউ যেন বালতি দিয়ে তার গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালতেছে, নড়াচড়া করলে (অথবা শরীর টিপে দিলে) তার ভালো লাগে অর্থাৎ রোগের কষ্ট কমে যায়, স্বপ্ন দেখে যেন খুব পরিশ্রমের কাজ করতেছে। বর্ষাকাল, ভ্যাপসা আবহাওয়া বা ভিজা বাতাসের সময়কার যে-কোন জ্বরে (বা অন্যান্য রোগে) রাস টক্স এক নাম্বার ঔষধ। রাস টক্স খাওয়ার সময় ঠান্ডা পানিতে গোসল বা ঠান্ডা পানিতে গামছা ভিজিয়ে শরীর মোছা যাবে না। বরং এজন্য কুসুম কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হবে। কেননা ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে রাস টক্সের একশান নষ্ট হয়ে যায়। (* ব্রায়োনিয়া এবং রাস টক্সের প্রধান দুটি লক্ষণ মনে রাখলেই চলবে ; আর তা হলো - নড়াচড়া করলে ব্রায়োনিয়ার রোগ বেড়ে যায় এবং রাস টক্সের রোগ হ্রাস পায় / কমে যায়।)

বেলেডোনা:যে-কোন রোগেযদি সারা শরীরে বা আক্রান্ত স্থানে উত্তাপ বেশী থাকে, যদি আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে যায়, শরীর জ্বালা-পোড়া করতে থাকে, তবে বেলেডোনা হলো তার শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক। যে-কোন রোগের সাথে যদি রোগী প্রলাপ বকতে থাকে (অর্থাৎ এলোমেলো কথা বলতে থাকে),তবে বুঝতে হবে যে রোগীর ব্রেনে ইনফেকশান হয়েছে এবং এসব ক্ষেত্রে বেলেডোনা হলো তার সেরা এন্টিবায়োটিক।

আর্সেনিক এলবম:যে-কোন রোগে বা ইনফেকশনের সাথে যদি রোগীর মধ্যে প্রচণ্ড অস্থিরতা (অর্থাৎ রোগী নড়াচড়া ছাড়া থাকতে পারে না), শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভীষণ জ্বালা-পোড়া ভাব, অল্পতেই রোগী দুর্বল-কাহিল-নিস্তেজ হয়ে পড়ে,অতিমাত্রায় মৃত্যুভয়, রোগী মনে করে ঔষধ খেয়ে কোন লাভ নেই- তার মৃত্যু নিশ্চিতইত্যাদি লক্ষণ থাকে, তবে আর্সেনিক হলো তার শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক।

ব্যাপটেসিয়া টেনাক্স :যদিও ব্যাপটিশিয়া ঔষধটি হোমিওপ্যাথিতে টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসায় বেশী ব্যবহৃত হয় কিন্তু এই ঔষধটির লক্ষণসমূহ পাওয়া গেলে যে-কোন মারাত্মক ধরনের ইনফেকশনে এটি চমৎকার এন্টিবায়োটিকের কাজ দেবে। ব্যাপটিশিয়ার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো অবশ অবশ ভাব, এখনই প্যারালাইসিস হয়ে যাবে এমন ভয় হওয়া, চেতনা আধা লোপ পাওয়া (অনেকটা মাতালদের মতো), সারা শরীরে যেন ঘা হয়ে গেছে এমন ব্যথা, মুখ থেকে এবং নিঃশ্বাসে মরা লাশের গন্ধ, ঘুমঘুম ভাব, কথা শেষ করার আগেই ঘুমিয়ে পড়ে, মনে হয় তার শরীর টুকরা টুকরা হয়ে সারা ঘরে ছড়িয়ে আছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

ফেরম ফস:ফেরাম ফস ঔষধটি যে-কোন নতুন ইনফেকশানে ব্যবহার করে দারুণ ফল পাবেন। ইনফেকশনের মূল ঝামেলা হলো স্থানীয় রক্ত সঞ্চয় এবং ফেরাম ফস কনজেশান দূর করতে সেরা ঔষধ। সাধারণত অন্যকোন ঔষধের লক্ষণ পাওয়া না গেলে যে-কোন ইনফেকশনে ফেরাম ফস একটি উৎকৃষ্ঠ এন্টিবায়োটিকের কাজ দেবে।

হিপার সালফ: হিপার সালফ চর্ম এবং কোমল কলাতন্তু একটি শ্রেষ্ঠ এন্টিবায়োটিক। সাধারণত ফোড়া , দাঁতের গর্তের ইনফেকশান, ইরিসিপেলাস , কান পাকা ইত্যাদি রোগে ইহার প্রয়োগ বেশী হয়ে থাকে। পাশাপাশি ফুসফুসের রোগেও এটি একটি সেরা এন্টিবায়োটিক।কাশি, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগেও হিপারের কথা এক নাম্বারে মনে রাখা দরকার। হিপার সালফের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো আক্রান্ত স্থানে এতো ব্যথা থাকে যে স্পর্শই করা যায় না এবং ঠান্ডা বাতাসে রোগের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

আর্নিকা মন্টেনা: আমরা সবাই জানি যে, আঘাতের ব্যথার জন্য আনির্কা একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ।কিন্তু আনির্কা যে একটি শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক বা জীবাণু বিনাশী ঔষধ তা আমরা অনেকেই জানি না। টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদির মতো মারাত্মক ইনফেকশনেও লক্ষণ থাকলে চোখ বুজে আনির্কা দিতে পারেন। সাধারণত যে-কোন ধরনের আঘাত, থেতলানো, মচকানো, মোচড়ানো, ঘুষি, লাঠির আঘাত বা উপর থেকে পড়ার কারণে কোন ইনফেকশান বা ক্ষত হলে;এমনকি গ্যাংগ্রিন হলেও আনির্কাহবে তার শ্রেষ্ঠ এন্টিবায়োটিক।আনির্কার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো আক্রান্ত স্থানে এমন তীব্র ব্যথা থাকে যে, কাউকে তার দিকে আসতে দেখলেই সে ভয় পেয়ে যায় (কারণ ধাক্কা লাগলে ব্যথার চোটে তার প্রাণ বেরিয়ে যাবে),রোগী ভীষণ অসুস্থহয়েও মনে করে তার কোন অসুখ নেই,সে ভালো আছ।

মার্ক সল: মার্ক সল একটি বহুমুখী কার্যসম্পন্ন হোমিওপ্যাথিক এন্টিবায়োটিক। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো প্রচুর ঘাম হয় কিন্তুরোগী আরাম পায় না, ঘামে এবং মুখে দুর্গন্ধ থাকে, পায়খানা করার সময় কোথানি লাগে, অধিকাংশ রোগ রাতের বেলা বেড়ে যায় ইত্যাদি। মারকারী গ্রুপের অন্যান্য ঔষধগুলিও একই রকম এন্টিবায়োটিক ক্ষমতাসম্পন্ন ঔষধ।যেমন-মার্ক কর,মার্ক ডলসিস,মার্ক আইয়োড,আইয়েডেট,মার্ক পডো আইয়োড,ইত্যাদি প্রয়োজনের সময় যে-টাই হাতের কাছে পান,ব্যবহার করতে পারেন।

রোগীর ধাতুগত লক্ষণ,মানসিক লক্ষণ,রোগীর লক্ষণসমষ্টির সাদৃশ্যে সর্বাপেক্ষা অধীক সদৃশ ঔষধ নির্বাচন করতে সক্ষম হলেই দ্রুত রোগ নিরাময় সম্ভব।এ কাজটি অত্যন্ত কঠিন তাই নিজের ঔষধ নিজে নির্বাচন না করে একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সাহায্য নিন।

আমার মোবাইর এপসটি ডাউনলোড করুণ।আমার সকল লেখা একসাথে পড়ুন।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।