এই ব্লগটি সন্ধান করুন

১৭.৪.১৭

কোয়ারেন্টাইনের কারণে দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে করোনার মহামারী- অধ্যাপক নুট ভিটকস্কি


মহামারী কেন দীর্ঘায়ীত হচ্ছে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামারি ও রোগবিস্তার-সংক্রান্ত বিদ্যার একজন বিষেশজ্ঞ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বে যে লকডাউন চলছে তাতে করোনাভাইরাসের মহামারির সময় আরো দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব পরিসংখ্যান, মহামারিতত্ত্ব এবং গবেষণা ডিজাইন বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক নুট ভিটকস্কি এ মন্তব্য করেন।
এক সাক্ষাৎকারে এবং সরকারি এক প্রকল্পে তিনি বলেন, যদি আমরা জনগণকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে দিতাম এবং বিপদ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত সবচেয়ে অসুস্থদের সহায়তা দিয়ে যেতাম তাহলেই বরং করোনাভাইরাসকে নির্মুল করা যেত।

তিনি বলেন, 'লোকে যা করছে তা হলো বক্ররেখাটিকে সমতল করার চেষ্টা। আমি ঠিক জানিনা কেন এমনটা করা হচ্ছে। কিন্তু যখন আপনি বক্ররেখাকে সমতল করেন তখন আসলে আপনি একে প্রশস্ত করার জন্য দীর্ঘায়িতও করেন। আর একটা শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগকে বিনা কারণে জণগনের মধ্যে দীর্ঘায়িত করার কোনো মানে হয় না।'

এই বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, 'শ্বাসযন্ত্রজনিত সব রোগের ক্ষেত্রে একটা কথা সত্য যে এই রোগকে থামানোর একমাত্র উপায় হলো গণ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করা। জনগণের ৮০ শতাংশ মানুষকেই এই ভাইরাসের সংস্পর্শে আসতে দেওয়া উচিত, যাতে করে এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিকভাবেই মানুষের দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষেরই কিছু হয় না। বিশেষ করে শিশুদের এই ভাইরাসে কিছুই হয় না। সুতরাং স্কুলগুলো খুলে দেওয়া উচিত এবং বাচ্চাদের সামাজিক মেলামেশার সুযোগ করে দেওয়া উচিত, যাতে এই ভাইরাস সবার মধ্যে ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং দ্রুত এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে গণ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠতে পারে। তবে এই সময়টাতে বয়স্কদেরকে বাচ্চাদের কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে। এভাবে অন্তত চার সপ্তাহ বয়স্কদের আলাদা করে রাখতে হবে। চার সপ্তাহ পর বয়স্করা বাচ্চাদের কাছে আসতে পারবে। ততদিনে বাচ্চাদের দেহের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিকভাবে গণ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে এবং ভাইরাসটি নির্মুল হয়ে যাবে।'

নুট ভিটকৌস্কি আরো বলেন, 'শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগের মহামারির ক্ষেত্রে সময় লাগে মাত্র দুই সপ্তাহ। দুই সপ্তাহেই তা শীর্ষে ওঠে এবং এরপরই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু তাকে যদি আটকে রাখা হয় তখন তা আরো দীর্ঘায়িত হয়। যতই সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হোক না কেন, আপনি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এর ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পারবেন না। এমনকি পাড়া প্রতিবেশি, যারা মালামাল ডেলিভারি দেয়, যারা চিকিৎসক- এদের মধ্যেও ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়বেই।  তিনি বলেন, মানুষ মূলত সামাজিক জীব। সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউনের সময়ও তাদের অন্যের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। যা থেকে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। কিন্তু এভাবে ভাইরাসটি নির্মূল হতে অনেক সময় লেগে যাবে। কেননা এভাবে এর বিরুদ্ধে গণ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতেও অনেক সময় লাগবে। আমরা ভাইরাসটিকে লকডাউন দিয়ে যতদিন আটকে রাখব ততদিনই সেটি আমাদের মাঝে আটকে থাকবে। আমরা যত তাড়াতাড়ি ভাইরাসটিকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে যেতে দেব তত তাড়াতাড়িই এর বিরুদ্ধে গণ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে এবং ভাইরাসটি ধংস হবে।'

হোয়াইট  হাউসের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফাউসি কয়েক সপ্তাহ ধরেই পূর্বাভাস দিয়ে যাচ্ছেন যে যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ রোগে বিশালসংখ্যক মানুষ মারা যাবে। এবং সম্ভবত আগামী কয়েকবছর জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হবে।  এই ব্যাপারে  নুট ভিটকস্কিকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, 'সরকার আমাকে কোনো টাকা দেয় না। ফলে আমি প্রকৃত অর্থেই বিজ্ঞান করছি।'
#বাই দা ওয়ে সুইডেন শুরু থেকেই এই নিয়মে চলছে

সূত্র: দ্য কলেজফিক্স ডটকম। অনুবাদ: মাহবুবুল আলম তারেক।
সংকলিক
ডা ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

What is depression?


মানসিক যন্ত্রণা কি

মানসিক যন্ত্রণার নির্দিষ্ট কোন উৎস নেই, বলা হয়ে থাকা আকাঙ্ক্ষা ও প্রাপ্তির অমিলে নাকি মানসিক যন্ত্রণার প্রধান কারন – যেমন ভাল পড়ালেখা , ভাল চাকরী , ভাল বেতন, ভাল বাবা-মা , ভাল বউ আরও অনেক কিছু। তবে আকাঙ্ক্ষা থেকেই যে মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি তা একেবারে ঠিক নয় বিভিন্ন অসংগতি সৃষ্টি হতে পারে মানসিক যন্ত্রণার কারন যেমন পারিবারিক অশান্তি, দাম্পত্য জীবনে কলহ, আবেগ তাড়িত হয়েও মানসিক যন্ত্রনায় ভুগতে পারেন।
আবেগ তাড়িত হয়ে ??? একটু অন্য রকম মনে হলেও এটি আমাদের যুব সমাজের মানসিক যন্ত্রণার প্রধান কারন।

কিভাবে বুঝবেন আপনি মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন

·        ক্ষুদা মন্দা, খাবারের প্রতি অনিহা
·        অয়াথা নিজেকে দোষারোপ করা
·        ঘুমের সমস্যা
·        নিজেকে মূল্যহীন ভাবা
·        সহজ বিষয়ের সীধান্ত নিতে না পারা
·        আত্মহত্যায় প্রবনতা
·        কি ভাল না লাগা



এক সমীক্ষায় দেখা গেছে – প্রতি ১৬ জনের মধ্যে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ মানসিক যন্ত্রনায় ভুগে এক বছরের হিসবে ৬.৬ % কিন্তু সারাজীবনের হিসেবে অনেক বেশি প্রতি ৬ জনর একজন মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে মানে ১৬ %।
নারীদের মাঝে মানসিক যন্ত্রণার হার বেশি প্রতি ৩ জনের এক জন নারি জীবনের কোন না কোন সময় মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে।

মানসিক যন্ত্রণার কারন

মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি মানুষের মন থেকেই – প্রিয় মানুষের দূরে সরে যাওয়া , জীবনের সুন্দর মুহূর্ত হারিয়ে ফেলা, চাকরী চ্যুত হওয়া, কাজের চাপ, পড়ালেখার চাপ, জীবনের অর্থ খুজে না পাওয়া।


মানসিক যন্ত্রণার ঝুকি


·        রসায়নঃ ব্রেইনে কিছু কেমিক্যালের তারতম্যে মানসিক যন্ত্রণার ঝুকি সৃষ্টি করে পারে দীর্ঘ সময়ের ব্যাবধানে
·        বংশগতিঃ মানুষের গুনাবলি বংসগতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে আমাদের সবার জানা – এক পরীক্ষায় জানা গেসে কোন জমজ বাচ্চার সাথে আরেক জনের মানসিক যন্ত্রণার মিল ৭০% ।
·        পারসোনালিটিঃ পারসোনালিটি অনেকাংশে মানসিক যন্ত্রণার কারন হয় অনেক ক্ষেত্রে অনেকে একটি সহজ বিষয়কে সহজভাবে দেখতে পারেন না আর ভগেন মানসিক যন্ত্রণায়
·        সামাজিক অস্তিরতা হতে পারে মানসিক যন্ত্রণার অন্যতম ঝুকির কারন, সমাজে হত্যা, খুন, ধর্ষণ এর মত ঘটনা বেশি ঘটলে মানসিক যন্ত্রনা হতে পারে।

মানসিক যন্ত্রণার চিকিৎসা

অতিরিক্ত মানসিক যন্ত্রনায় ডক্টরের পরামর্শ নেয়া জরুরি এছাড়া কিছু সমাধান হল
 

·        Psychotherapy
·        Medication
·        Electroconvulsive Therapy (ECT)
·        Self-help and Coping


জ্ঞানের চর্চা আপনাকে জ্ঞানী করবে আর মানসিক যন্ত্রণার নিয়ে যত ভাববেন আপনি তত যন্তনাকে উস্কে দিবেন । মানে হচ্ছে যা ঘটে গেছে, তা নিয়ে ভেবে লাভ নেই সামনের দিনগুলো নিয়ে ভাবি, আল্লাহ আমাদের সহায় হবেন।আপনি একসাথে সবাইকে সুখি রাখতে পারবেন না , আর কারও জন্য কিছু করে প্রতিদানের চিন্তা করলে আপনি হতাস হবেন যা মানসিক যন্ত্রনা সৃষ্টি করতে পারে।
Life is beautiful and it’s a wonderful life