এই ব্লগটি সন্ধান করুন

২৩.৯.১৭

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করা সময়ের দাবি।

Homeopathic treatment,research and higher education.

" হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা।

যে কোন সিস্টেম বিশেষ করে সেটা যদি হয় মানুষের স্বাস্থ্য বিষয়ক তবে তাতে অবশ্যই সর্বোচ্চ লেভেলের উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। কারণ হেলথ সিস্টেমের উপর রয়েছে আমাদের জীবন মরণের সম্পর্ক।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থানেই প্রধান চিকিৎসা ব্যবস্থা হলো এলোপ্যাথি। কিন্তু এলোপ্যাথি সর্বক্ষেত্রেই সবচেয়ে ভাল সেবাটা দিতে পারছে কি? বহুক্ষেত্রেই পারছে না। এর অনেকগুলো কারণ রয়েছে।

★★ একটা কারণ হলো এই চিকিৎসা সেবা ব্যয়বহুল।

=> যেখানে পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ দারিদ্রের নিম্ন রেখায় বসবাস করে, যেখানে খাদ্য ও বাসস্থানের প্রয়োজনীয়তা মিটাতে তাদের হিমশিম খেতে হয়, সেখানে প্রচলিত এলোপ্যাথিক চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে যায়।

★★ অপরদিকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বহু রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে তেমন সফলতা দেখাতে পারে না। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ভাইরাল ডিজিজ মোকাবেলায় এখনও এলোপ্যাথির সফলতা কম। তাই আমরা দেখি ডেঙ্গি, হাম, চিকেন পক্স, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগে এলোপ্যাথির তেমন কার্যকরি ওষুধ নাই।

★★ নতুন করে আরেকটি সমস্যা দেখা দিয়েছে যেটা খুবই ভীতিপ্রদক। সেটা হলো #এন্টিবায়োটিক_রেজিস্ট্যান্স।

=> ব্যাকটেরিয়াগুলো এখন এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। ফলে এমন ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া যদি কোন রোগীতে আক্রমণ করে তবে চিকিৎসকদের তেমন কিছু করার থাকে না, কারণ এন্টিবায়োটিক সেখানে কাজ করে না।
২০১৮ সালে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউ-তে মোট ৯০০ রোগী ভর্তি হয়েছিল, যাদের মধ্যে ৪০০ জন মারা যায়।
এদের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে তাদের শরীরে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া ছিল। (সূত্র বিবিসি নিউজ, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯, অনলাইন)

★★ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রচলিত চিকিৎসার ওষুধের ক্ষতিকর #পার্শপ্রতিক্রিয়া।
=> CDC: Centers for disease control and Prevention এর তথ্যমতে ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ হাজারের চেয়ে বেশি মানুষ ড্রাগের ওভারডোজের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু করেছে। (https://www.cdc.gov/drugoverdose/)
এই যদি আমেরিকার মতো দেশের অবস্থা হয় সেখানে আমাদের মত দেশে যেখানে ওষুধের যথেচ্ছার ব্যবহার হয় তার পরিসংখ্যান কত খারাপ হবে।

এখানে আমি কয়েকটি অসুবিধার কথা বললাম। এসব কারণেই উন্নত দেশের পাশাপাশি উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে বিকল্প চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকা অত্যাবশকীয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৮ সাল থেকে সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার আন্দোলনে বিকল্প চিকিৎসাব্যবস্থাকে স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োগের জন্য সকল দেশের প্রতি স্ব স্ব দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রয়োগ করার জন্য উৎসাহিত করে আসছে।
বাংলাদেশে সরকারের স্বাস্থ্য অবকাঠামোতে ইউনানী, আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে স্বীকৃত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এবং বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগের বেশি মানুষের ইউনানী, আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথির উপর আস্থা ওয়েছে এবং গ্রামীন জনগোষ্ঠির ৮০ ভাগ তাদের স্বাস্থ্য সেবায় এসব পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে। [বাংলাপিডিয়া: bn.banglapedia.org/index.php?title=বিকল্প_চিকিৎসা]

=> বিকল্প চিকিৎসার মধ্যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
হোমিওপ্যাথিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ইউ.কে এর তথ্য মতে পৃথিবীর গড়ে ২০০ মিলিয়ন মানুষ নিয়মিতভাবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে থাকে। ইউরোপের ৪২ টা দেশের মধ্যে ৪০ টা দেশেই কমবেশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রচলিত আছে। নেদারলেন্ডের চিকিৎসকগনের প্রায় অর্ধেক সংখ্যক হোমিওপ্যাথিক ওষুধও প্রেস্ক্রাইব করেন।
বেশ কিছু দেশ তাদের জাতীয় চিকিৎসা সেবায় হোমিওপ্যাথিকে অন্তর্ভূক্ত করেছেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান, ব্রাজিল, চিলি, মেক্সিকো, সুইজারল্যান্ড, কিউবা, ইংল্যান্ড।
২৩০ বছর ধরে হোমিওপ্যাথি সাধারণ লোকদের নিকট তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। যারা হোমিওপ্যাথি কাজ করে না বলে অভিযোগ করে থাকেন তাদের জন্য এই তথ্যটাই উপযুক্ত জবাব।

মানুষ যাতে হোমিওপ্যাথির সর্বোচ্চ পর্যায়ের সেবা পেতে পারে সে ব্যবস্থা আমাদের আমাদের দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তৈরি করতে হবে।  আমাদের দেশে বর্তমানে হোমিওপ্যাথিক ডিপ্লোমা এবং গ্র্যাজুয়েশন কোর্স চালু আছে।
কিন্তু পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোন প্রতিষ্ঠান নাই।
পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নে রিসার্চ এর বিকল্প নাই।
পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে আমরা অনেক রোগের ব্যাপক আক্রমন দেখতে পাচ্ছি যেগুলো আমাদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত চিকিৎসা কিছু করতে পারছে না, সেখানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ভাল ভুমিকা করে আসছে।

একটা উদাহরণ দেই -
Cuba দেশে ১৯৯০ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত লেপটোসপাইরসিস রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছিল। ২০০৭ সালে হারিকেন ঝড়ের পর এটা মহামারী আকার ধারণ করে।
লেপ্টোস্পাইরোসিস এর প্রচলিত ভ্যাক্সিন তৈরি করা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। তাই সেখানে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রতিরোধক হিসেবে খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। Leptospira ব্যাকটেরিয়া থেকে হোমিওপ্যাথিক পটেন্টাইন্সড মেডিসিন NosLepto তৈরি করা হয়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত এলাকার ২৩ লক্ষ লোকজনকে এই ওষুধ খাওয়ানো হয়। NosLepto 200c খাওয়ানোর ২ সপ্তাহের পর থেকে নতুন আক্রমনের হার কমে যায়। এবং ২০০৮ সাল নাগাদ এর সংখ্যা কমতেই ছিল।
হোমিওপ্রোফাইল্যাটিক (NosLepto 200c) দেয়ায় এই আক্রমের হার ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ৮৪% কমে গিয়েছিল। অপরদিকে অন্য স্থানে যেখানে হোমিওপ্রোফাইলেকটিক খাওয়া হয় নি সেখানে আক্রান্তের হার ২১.৭% বেড়ে গিয়েছিল।
পরিবর্তীতে কিউবান সরকার পুরো দেশেই  হোমিওপ্রোফাইলেকটিক খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
একটা মজার তথ্য হলো এই পুরো কাজটি হোমিওপ্যাথরা করে নাই। করেছিল ভ্যাক্সিন এক্সপার্ট এলোপ্যাথিকগণই।
[Homeopathy. 2010 Jul;99(3):156-66. doi: 10.1016/j.homp.2010.05.009.
Large-scale application of highly-diluted bacteria for Leptospirosis epidemic control.
Bracho G1, Varela E, Fernández R, Ordaz B, Marzoa N, Menéndez J, García L, Gilling E, Leyva R, Rufín R, de la Torre R, Solis RL, Batista N, Borrero R, Campa C.]

[https://www.bmj.com/content/345/bmj.e6184/rr/616928]

সম্প্রতি বাংলাদেশে যে ডেঙ্গু জরের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে সেখানেও আমরা হোমিওপ্রফাইল্যাক্লি ব্যবহার করতে পারে। ভারতের সেন্ট্রাল কাউন্সিল ফর রিসার্চ ইন হোমিওপ্যাথি
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সময় প্রায় ৪ হাজার লোককে Dengue nosode খাইয়েছিল পরবর্তীতে ২১ হাজারের মানুষের ফলোআপ করতে পেড়েছিল। তাতে দেখা যায় মাত্র ৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল।

সেযাক আমাদের দক্ষ হোমিওপ্যাথ গড়ে তোলার লক্ষে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বিভিন্ন কোর্স চালু করার ভীষণ দরকার। সে লক্ষে বর্তমানে হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অনস্বীকার্য। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারতে হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। সেখানে হোমিওপ্যাথির বিভিন্ন সাবজেক্টের উপর এমডি, পিএইচডি করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার, হোমিওপ্যাথির দিকপাল ডা: সাখাওয়াত ইসলাম ‍ভুইয়া স্যার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা রাখি কর্তৃপক্ষ এটির প্রতিষ্ঠায় সদয় দৃষ্টি দিবেন।

 Dr. Mohammad Mohshinuzzaman BHMS, PGD

১৯.৯.১৭

আপনি নিজেই করতে পারেন মাইগ্রেনের প্রতিকার





আপনি যদি মাইগ্রিনস এবং মাথাব্যাথা ভোগ করেন তবে আপনি জানেন যে এটি কীভাবে আপনাকে ভোগাতে পারে । আমার এর কিছু প্রতিকার খুঁজে বের করেছি আশা করি আপনার উপকার হবে

যদি আপনি বা পরিবারের কেউ মাইগ্রেনের যন্ত্রণা ভোগ করে তবে জেনে নিন ঃ

মাইগ্রেন  কি ? 
মাইগ্রেন এক ধরনের মাথা ব্যাথা যার শুরুটা সীমিত পর্যায়ে থাকে কিন্তু তীব্রতা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে । সাধারণত এই ব্যাথা মাথা এক পাশে বা উভয় পাশে হতে পারে 

মাইগ্রেনের কারণ 
সাধারণত ব্যথা 4 ঘন্টা থেকে 3 দিন স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে এই ব্যথা এত গুরুতর হয়ে যায় যে এটি আপনাকে বিছানায় ফেলে দেয়। মাইগ্রেন ব্যথা সঠিক কারণ এখনও অজানা। গবেষকরা বলেছিলেন যে এটি একটি স্নায়ুসংক্রান্ত সমস্যা বলে মনে করা হয়, তবে বেশ কিছু জিনিস রয়েছে যা ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে, এদের মধ্যে কয়েকটি রয়েছে:
  • পচা বাসি খাবার এবং খাধ্যে অনিয়ম
  • মানসিক চাপ
  • হরমোন বা পরিবেশগত পরিবর্তন
  • সূর্যের দীর্ঘ সময় এক্সপোজার
  • ঘুমের অভাব
  • অ্যালকোহল এবং কিছু খাবার খাওয়া

চলুন ম্যাগ্রাইনগুলির সাধারণ লক্ষণগুলির দিকে দেয়া যাক:
  • সংকীর্ণ ব্যাথা থেকে তীব্র ব্যাথা (মাথা মাথার একপাশে )
  • বমি ভাব বা বমি করা
  • ঝাপসা দৃষ্টি
  • হালকা বা শব্দ সংবেদনশীলতা
  • ক্ষুধামান্দ্য
  • মাথা ঘোরা
  • অবসাদ
  • মাইগ্রেইন মাথাব্যাথা চলাকালীন সময়ে আপনার মস্তিষ্কের চারপাশে রক্তচাপ বেড়ে যাবে।
  • টিস্যু এবং তাদের চারপাশের স্নায়ু জ্বালা করবে ।
আপনি কেন এই রোগে আক্রান্ত ? আপনি কোন প্রবেশে আছে মানে সেইখানের - আবহাওয়া, তাপ, উজ্জ্বল আলো, দূষণ, ধূমপান, পারফিউম এবং উচ্চ শব্দ কোন একটির তারতম্যে আপনি এই রগের যন্ত্রণা ভোগ করতে পারেন । আপনি অনিমিত ঘুম অভ্যাস তৈরি করেছেন কি ? এটা কিন্তু মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ শারীরিকভাবে অতিরিক্ত কাজ করছেন না তো ?


মাইগ্রেন রিলিভার পানীয়

  • অর্ধেক  আনারস
  • ৩-৪ টি কেলি পাতা
  • একটি  সেলারি পাতা 
  • একটি শসা  
  • একটি লেবু 
  • ১/২  ইঞ্চি আদা রুট 
একত্রে মিশিয়ে পান করুন ।আপনার মাইগ্রেন নিরাময় হবে।

ইভা হোমিও হল।

বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

গোঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

সিয়াম সাধনা আল্লাহর হুকুম পালন আর সুস্থ জীবনযাপনের উপায়।

রোজা আমাদের মহা উপকারী।


রোজার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানলে আমরা নিজেদের সুস্থ রাখার স্বার্থে অবশ্যই রোযা রাখতাম। তাই আসুন জেনে নেই আমরা কেন রোযা রাখবো। প্রসংগক্রমে উল্লেখ্য যে ইসলামের সকল বিধি বিধান সম্পূর্ন বিজ্ঞান ভিত্তিক আর তার উৎস হলো বিজ্ঞানময় কোরান।

শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোজার উপকারিতা অপরিসীম। আসুন আমরা দেখি রোজা শরীরের জন্য কতটা উপকারী-

১) রোযা থাকা অবস্থায় কমপক্ষে ১৫ ঘন্টা যাবতীয় খানাপিনা বন্ধ থাকে। এ সময় পাকস্থলী, অন্ত্রনালী, যকৃত, হৃদপিন্ডসহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশ্রাম পায়। তখন এসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিজেদের পুনর্গঠনে নিয়োজিত হতে পারে। অন্যদিকে দেহে যেসব চর্বি জমে শরীরের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় সেগুলো রোযার সময় দেহের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর জন্য ছুটে যায়। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী তার "সুপিরিয়র নিউট্রিশন" গ্রন্থে ডা. শেলটন বলেছেন, উপবাসকালে শরীরের মধ্যকার প্রোটিন, চর্বি, শর্করা জাতীয় পদার্থগুলো স্বয়ং পাচিত হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলোর পুষ্টি বিধান হয়।

২) নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঔষুধ ও শল্য চিকিৎসার প্রখ্যাত ডাঃ অ্যালেকসিস বলেছেন, উপবাসের মাধ্যমে লিভার রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয় ফলে ত্বকের নিচে সঞ্চিত চর্বি, পেশীর প্রোটিন, গ্রন্থিসমূহ এবং লিভারে কোষসমূহ আন্দোলিত হয়। আভ্যন্তরীণ দেহ যন্ত্রগুলোর সংরক্ষণ এবং হ্নদপিণ্ডের নিরাপত্তার জন্য অন্য দেহাংশগুলোর বিক্রিয়া বন্ধ রাখে। খাদ্যাভাব কিংবা আরাম-আয়েশের জন্য মানুষের শরীরের যে ক্ষতি হয়, রোজা তা পূরণ করে দেয়।"

৩) ডাঃ আইজাক জেনিংস বলেছেন, " যারা আলস্য ও গোড়ামীর কারণে এবং অতিভোজনের কারণে নিজেদের সংরক্ষিত জীবনী শক্তিকে ভারাক্রান্ত করে ধীরে ধীরে আত্মহত্যার দিকে এগিয়ে যায়, রোযা তাদেরকে এ বিপদ থেকে রক্ষা করে।"

৪) বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী নাষ্টবারনার বলেন, "ফুসফুসের কাশি, কঠিন কাশি, সর্দি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা কয়েকদিনের রোযার কারণেই নিরাময় হয়।"

৫) ডাক্তার দেওয়ান এ,কে,এম, আব্দুর রহীম বলেছেন, "রোযাব্রত পালনের কারণে মস্তিস্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র সর্বাধিক উজ্জীবিত হয়।

৬) স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী ডা. আব্রাহাম জে হেনরি রোযা সম্পর্কে বলেছেন, "রোযা হলো পরমহিতৈষী ওষুধ বিশেষ। কারণ রোযা পালনের ফলে বাতরোগ, বহুমূত্র, অজীর্ণ, হৃদরোগ ও রক্তচাপজনিত ব্যাধিতে মানুষ কম আক্রান্ত হয়।"

৭) গবেষণায় দেখা গেছে, রোযাদার পেপটিক আলসারের রোগীরা রোযা রাখলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি রোগীদের জন্যও রোযা উপকারী।

8) ডাক্তারদের মতে, রোযার ফলে মস্তিষ্কের সেরিবেলাম ও লিমরিক সিস্টেমের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ার কারণে মনের অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর হয়-যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য মঙ্গলজনক। বহুমূত্র রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রোযা খুব উপকারী। ডাক্তারী পরীক্ষায় দেখা গেছে, একাধারে ১৫ দিন রোযা রাখলে বহুমূত্র রোগের অত্যন্ত উপকার হয়।

৯) কিডনী সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা রোযা রাখলে এ সমস্যা আরো বেড়ে যাবে ভেবে রোযা রাখতে চান না। অথচ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোযা রাখলে কিডনীতে সঞ্চিত পাথর কণা ও চুন দূরীভূত হয়।

১০) স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে, সারা বছর অতিভোজ, অখাদ্য, কুখাদ্য, ভেজাল খাদ্য খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যে জৈব বিষ জমা হয় তা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এক মাস রোজা পালনের ফলে তা সহজেই দূরীভূত হয়ে যায়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের রোজা পরিপূর্ণভাবে পালন করার তৌফিক দিন। আমীন।

সূত্র -ইন্টানেট
ডা. মো. আবদুল খালেক খান
পাবনা হোমিও চেম্বার।
পল্লী বিদ্যুৎ,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
সেল ০১৭১১০৪৮৪৯৯

ভালোবাসার রকমারি ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

ভালবাসার রকমারি ও হোমিওপ্যাথিক ব্যাখ্যা।
ভালোবাসা !
হৃদয়ে ভালোবাসা, প্রকাশ্যে ভালোবাসার অভিব্যক্তি সব যেন হয় মার্জিত ও রুচিশীল। অশালীন আর অসুন্দর ভালোবাসার কারণে মানসিক বিপর্যয়, রোগবালাই বাসা বাঁধে। সেই অসুস্থ রোগীদের জন্য উপকারী রুব্রিকের সহজ ব্যাখ্যা ও সদৃশ ঔষধ নির্বাচন কৌশল।
Love বাংলা ভাষায় ভালবাসা।Love is a variety of different feelings ,states and attitudes that ranges from interpersonal affection."-অর্থাৎ ভালবাসা হচ্ছে বিভিন্ন অনুভূতি, অবস্থা এবং দৃষ্টিভঙ্গির সমাবেশ যা ব্যক্তির মধ্যে বিরাজমান স্নেহ-প্রীতি থেকে সৃষ্টি হয়।

এ ভালবাসা বিরাজ করতে পারে পিতা-মাতা,পু কন্যা,ভাই-বোন, আত্মীয়- স্বজন,গাছপালা,প সর্বত্র।

ভালবাসার সাথে যৌনতার ও লিঙ্গগত কিছু সাদৃশ্য থাকলেও দু'টি বিষয়ের ভিন্নতা চিন্তা না করার কারণে অনেকেই বিষয়গুলোকে গুলিয়ে ফেলে।ভালবাসা দিবসের নামে তরুণ-তরুণীদের মাঝে অবাধে মেলামেশা, ভালবাসার অধিকারে দেহ দান করা ,

ক্লাবে , পার্কে বা হোটেলে রাত কাটানো- এসব কান্ডকীর্তি ভালবাসা বহিঃপ্রকাশের নামে চরম অশ্লীলতা।এসকল বেহায়া যুব সমজের কুমননের চিকিত্সায় নিম্নোক্ত রুব্রিকসমূহ আমরা নিতে পারি-
Amorous (কামার্ত/কামজনিত/প্রেমবিষয়ক)
Lascivious (লম্পট/ধৃষ্ট/কামোদ্দীপক/কামুক)
Obscene (অশ্লীল/অস্রাব্য/নোংরা/জঘন্য/বিশ্রি রকম/অশোভন)
Homosexuality (সমকামিতা/সমরতি)

রেপার্টরীতে ভালবাসাকে-'Love'-রুব্রিক দিয়ে হাইলাইট করা হয়েছে।এ রুব্রিকের অধীনে অনেকগুলো সাবরুব্রিক থেকে কিছু সাবরুব্রিক উল্লেখ করছি।

রুব্রিক- Love ,anal coition with woman (স্ত্রীলোকদের সাথে মলদ্বারে সঙ্গমের মাধ্যমে ভালবাসা)।ঔষধ-কস্টিকাম,নাক্স,প্লাটিনা।

রুব্রিক-Love ,animals অথবা Animals ,love for animals (প্রাণীদের প্রতি ভালবাসা)।ঔষধ-ব্যারাইটা কার্ব,কস্টিকাম, ইগ্নেসিয়া, মার্কসল,নেট্রাম মিউর,ফসফরাস,প্লাটিনা,পালসেটিলা,সিপিয়া, সালফার, ট্যারেন্টুলা,থুজা,টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।

রুব্রিক- Love ,children for (বাচ্চাদের প্রতি ভালবাসা)।ঔষধ-আর্সেনিক ,হিপার ,ফসফরাস ,প্লাটিনা ,সিপিয়া ইত্যাদি।

রুব্রিক-Love ,family for (পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা)।ঔষধ-আর্সেনিক ,কার্সিনোসিন ,কস্টিকাম ,কফিয়া ,হিপার ,ইগ্নেসিয়া ,ফসফরাস ,পালস ,রাসটক্স ,স্পাইজে ,সাইলেসিয়া ,জিঙ্কাম।

রুব্রিক- Love ,friends for (বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা)।ঔষধ- ক্যালি-ফস ,ল্যাক-ক্যান ,ফসফরাস।

রুব্রিক- Love ,married man ,with(বিবাহিত পুরুষের সাথে প্রণয়ের/ভালবাসার সম্পর্ক স্থাপন করে)।একমাত্র ঔষধ- নেট্রাম মিউর।

রুব্রিক-Love ,nature ,for(প্রকৃতি প্রেমিক ,যেমন-কবি-সাহিত্যিকরা প্রকৃতিকে ভালবাসেন)।

Love ,parents for (পিতামাতার প্রতি ভালবাসা)।একমাত্র ঔষধ- নেট্রাম মিউর।

রুব্রিক-Love ,sick (প্রেমাতুর)।এ রুব্রিকের অধীনে এন্টিম ক্রুড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

ভালবাসায় হতাশ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে রুব্রিক-Ailments from ,love ,disappointed-এপিস ,এন্টিম ক্রুড ,আর্সেনিক ,বেল ,ব্রায়ো ,
ইগ্নেসিয়া ,কলোসিন্থ,নেট্রাম মিউর ,এসিড ফস ,স্টাফি ,পালস- এ রুব্রিকের অধীনে অবস্থানকারী গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

অত্যন্ত রোমান্টিক প্রেমিক যুগলদের জন্য রুব্রিক নেওয়া যাবে- Romantic love desire forভালবাসা সম্পর্কিত ভ্রান্তবিশ্বাসের রুব্রিকসমূহ হল-Delusion ,love ,is impossible,Delusion ,loved by parents ; she is not.

স্বপ্নে ভালবাসা ও তার রুব্রিক-Dream ,love ,fallen in
রেপার্টরীতে খুঁজলে ভালবাসা সংক্রান্ত এ ধরণের আরো অনেকগুলো রুব্রিকের খোঁজ আমরা দেখতে পাই।

যাই হোক ভালবাসা দিবসে শ্রদ্ধেয় ডা.স্যামুয়েল হ্যানিম্যানসহ পৃথিবীর সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের এবং হোমিওপ্যাথির সমস্ত অনুরাগীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।

মায়াজমেটিক চিকিত্সার মাধ্যমে সকল হিংস্রতা দূরীভূত হয়ে প্রাণের অস্তিত্বধারণকারী মাতৃময়ী এ পৃথিবী ভালবাসার পৃথিবীতে পরিণত হোক এই প্রত্যাশা করি।

ডাঃ ফায়েক এনামের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত ও সংকলিত।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল আশুলিয়া সাভার ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।

১৮.৯.১৭

অর্গাননের ভিত্তিতে চিকিৎসা, পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতি।



আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?