এই ব্লগটি সন্ধান করুন

২৯.৪.১৭

ভিরেট্রাম এল্বাম এর সদৃশ লক্ষণ

ভিরেট্রামকে যেভাবে উপলব্ধি করেছি
ভিরেট্রাম এল্বাম। যে কিনা নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবে যেন সে  সমাজের মহান একজন ব্যাক্তি বা তার হুকুম মেনে সবাই চলবে। তার নিজের সম্পর্কে বড়াই করতে গিয়ে বেশ অহংকার প্রদর্শন করে। যেমন আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কেউ কথা বলবে এমন বুকের পাটা কার আছে! সে যেন খুব পাওয়ারফুল পারসন। সেই যেন সর্ব ক্ষমতার অধিকারী। সে ধমকের সুরে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে হুকুম দিতে বেশ সিদ্ধহস্ত। আর তার হুকুম তামিল না করলেই সে খুব খারাপ আচরন করবে। তার এমন আচরনে আপনার মন বলে উঠবে "বেটা যেন নিজেকে লাটের বাচ্চা মনে করে!" সে যেমন নিজেকে পাওয়ারফুল মনে করে তেমনি তার এই পাওয়ারকে ধরে রাখতে সমাজের পাওয়ারফুল ব্যাক্তিবর্গ যেমন এমপি মন্ত্রী পীর দরবেশ ওনাদের সাথে নিজের সম্পর্ক স্হাপন করে। সে কখনো কখনো তার এই প্রবল পাওয়ার প্রীতির কারনে ডেলিরিয়াম অবস্থায় গিয়ে অসামজস্য সব কথা বার্তা বলতে থাকে। যেমন আমার বাড়ির পাশে প্রেসিডেন্টের বাড়ি। আর তার বড় বড় কথা। নিজের সম্পর্কে বেশ বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলতে বলতে একসময় বেশ দেমাগি হয়ে পড়ে। তখন আপনি বুঝতে পারবেন এই ব্যাটা আসলে চাপাবাজিতে বেশ ওস্তাদ। কিংবা আপনার অবচেতন মন তার আচরনে মনে হবে চাল নেই চুলো নেই;নিধিরাম সর্দার! এদের মধ্যে প্রবল ধর্মীয় অনুভূতি কাজ করে।কারো কারো ক্ষেত্রে তার ধর্মীয় অনুভূতি এতটাই প্রবল আকার ধারন করে যে সে মনে করে সৃস্টিকর্তার সাথে তার গভীর আত্মিক সম্পর্ক আছে। তবে এটি তার চরম অবস্হা। সাধারনত সে বিভিন্ন পাওয়ারের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চায়। আর ঐ পাওয়ারটাই হল গড। যেমন তার সম্পর্ক সমাজে এমপি মন্ত্রী পীর দরবেশের সাথে। তার এই সম্পর্ক নিয়ে সে বেশ পূর্নতা অনুভব করে যেমন একজন নারীর গর্ভ যেমন তাকে পূর্নতা দান করে এবং সে ঐ অবস্থায় যদি বেশ দেমাগী হয়ে পড়ে। সে তেমনি। তার মধ্যকার দুর্বলতা সে কখনো প্রকাশ করতে চায়না। তাই সে রুগ্ন অবস্থায় হয় নানারকম ভান করে না হয় সে প্রচন্ড যন্ত্রনার মুহুর্তে ঐ অবস্থা থেকে দ্রুত বেড়িয়ে আসতে ননারকম অসামজস্য আচরন করে। সে তার ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য যে কোন উপায় অবলম্বন করে। যেখানে ছোট হবার সেখানে ছোট হবে কিংবা যেখানে হাম্বিতাম্বি করার সেখানে হাম্বিতাম্বি করবে। প্রয়োজনে সে অন্যের পায়ে পড়বে। তার ভেসভুসায় সমাজে নিজেকে বেশ পরিচ্ছন্ন দেখানোর চেস্টা করবে। যেমন সাদা পোষাক সাদা জুতা কিংবা সমাজে যে লেবাসগুলোকে মানুষ শ্রদ্ধা করে সম্মান করে ওমন লেবাস পড়ে সবসময় ফিটফাট হয়ে থাকবে। কিন্তু তার ভেতরটা কিন্তু ঠিক তার বিপরীত। তার আচারনগত ইতিহাস নিয়ে দেখবেন সে বেশ বেজাত টাইপের। মারামারা কাটাকাটি। অন্যের উপর কেমনে প্রাধান্য বিস্তার করা যায় ইত্যাদি।কিংবা বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কারো ধ্বস নামিয়ে নিজের অবস্থানটা ধরে রাখা যায় সেই কাজেই সে নিযুক্ত। তবে আপনি লক্ষ করো দেখবেন সে আপনাকে সরাসরি খাটো করবে না কিন্তু অন্যান্য চিকিৎসকে সমালোচনা করে তার সম্মানের হানি ঘটাবে। এবং কৌশলে আপনার বেশ তোষামোদি করবে। যাতে আপনি তার উপর সতুস্ট  থাকেন। আসলে তার মুখে এক অন্তরে আরএক। সে যেহেতু অন্য একজন নামকরা চিকিৎসককে সমালোচনা করে আপনার সামনে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে আর আপনার সামনে আপনাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে খুশি করতে চাইছে তখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কেন। সে কিছু সুবিধা চায় আপনার কাছ থেকে যা হয়তোবা পূৃৃর্বতন চিকিৎসকের কাছে পায়নি। যেমন, "আরে ডাক্তার সাব আমি কোন ডাক্তারকে গনার মধ্য ধরিনা কিন্তু আপনার অনেক নামডাক আছে, আপনিই পারবেন আমাকে সারাতে।"

সংশ্লিষ্ট রুব্রিকগুলোঃ

ভিরেট্রাম এল্বাম। যে কিনা নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবে যেন সে  সমাজের মহান একজন ব্যাক্তি বা তার হুকুম মেনে সবাই চলবে।
Delusion great person he is
Delusion prince he is
Dictatorial
তার নিজের সম্পর্কে বড়াই করতে গিয়ে বেশ অহংকার প্রদর্শন করে। যেমন আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কেউ কথা বলবে এমন বুকের পাটা কার আছে! সে যেন খুব পাওয়ারফুল পারসন। সেই যেন সর্ব ক্ষমতার অধিকারী-
Haughty pregnancy during
Delusion all power she is
সে ধমকের সুরে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে হুকুম দিতে বেশ সিদ্ধহস্ত। আর তার হুকুম তামিল না করলেই সে খুব খারাপ আচরন করবে-
Abusive insulting
Abusive insulting husband before child and vice versa
তার এমন আচরনে আপনার মন বলে উঠবে "বেটা যেন নিজেকে লাটের বাচ্চা মনে করে!"
Delusion prince he is
সে যেমন নিজেকে পাওয়ারফুল মনে করে তেমনি তার এই পাওয়ারকে ধরে রাখতে সমাজের পাওয়ারফুল ব্যাক্তিবর্গ যেমন এমপি মন্ত্রী পীর দরবেশ ওনাদের সাথে নিজের সম্পর্ক স্হাপন করে-
Delusion communication with god
Delusion every power she is
সে কখনো কখনো তার এই প্রবল পাওয়ার অধীকারি উপলব্ধির কারনে ডেলিরিয়াম অবস্থায় গিয়ে অসামজস্য সব কথা বার্তা বলতে থাকে। যেমন আমার বাড়ির পাশে প্রেসিডেন্টের বাড়ি। আর তার বড় বড় কথা। নিজের সম্পর্কে বেশ বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলতে বলতে একসময় বেশ দেমাগি হয়ে পড়ে।
Haughty pregnancy during
Haughty mania in
তখন আপনি বুঝতে পারবেন এই ব্যাটা আসলে চাপাবাজিতে বেশ ওস্তাদ। কিংবা আপনার অবচেতন মন তার আচরনে মনে হবে চাল নেই চুলো নেই;নিধিরাম সর্দার!
Boaster braggart
Liar charlatan and
এদের মধ্যে প্রবল ধর্মীয় অনুভূতি কাজ করে।কারো কারো ক্ষেত্রে তার ধর্মীয় অনুভূতি এতটাই প্রবল আকার ধারন করে যে সে মনে করে সৃস্টিকর্তার সাথে তার গভীর আত্মিক সম্পর্ক আছে। তবে এটি তার চরম অবস্হা। সাধারনত সে বিভিন্ন পাওয়ারের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চায়। আর ঐ পাওয়ারটাই হল গড। যেমন তার সম্পর্ক সমাজে এমপি মন্ত্রী পীর দরবেশের সাথে-
Delusion communication with god
Religious affection too occupied with religion mania
তার এই সম্পর্ক নিয়ে সে বেশ পূর্নতা অনুভব করে যেমন একজন নারীর গর্ভ যেমন তাকে পূর্নতা দান করে এবং সে ঐ অবস্থায় যদি বেশ দেমাগী হয়ে পড়ে। সে তেমনি।
Haughty pregnancy during
তার মধ্যকার দুর্বলতা সে কখনো প্রকাশ করতে চায়না। তাই সে রুগ্ন অবস্থায় হয় নানা রকম ভান করে না হয় সে প্রচন্ড যন্ত্রনার মুহুর্তে ঐ অবস্থা থেকে দ্রুত বেড়িয়ে আসতে ননারকম অসামজস্য আচরন করে।
Delirium pain with the
Delirium pain from
Affectation
Carried desire to be carried fast
সে তার ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য যে কোন উপায় অবলম্বন করে। যেখানে ছোট হবার সেখানে ছোট হবে কিংবা যেখানে হাম্বিতাম্বি করার সেখানে হাম্বিতাম্বি করবে। প্রয়োজনে সে অন্যের পায়ে পড়বে।
Ambition increased means employed every possible
Hard for for inferior and kind for superior
Shoe bites and shallow pieces
তার ভেসভুসায় সমাজে নিজেকে বেশ পরিচ্ছন্ন দেখানোর চেস্টা করবে। যেমন সাদা পোষাক সাদা জুতা কিংবা সমাজে যে লেবাসগুলোকে মানুষ শ্রদ্ধা করে সম্মান করে ওমন লেবাস পড়ে সবসময় ফিটফাট হয়ে থাকবে। কিন্তু তার ভেতরটা কিন্তু ঠিক তার বিপরীত।
Foppish
Hypocrisy
তার আচারনগত ইতিহাস নিয়ে দেখবেন সে বেশ বেজাত টাইপের। মারামারা কাটাকাটি। অন্যের উপর কেমনে প্রাধান্য বিস্তার করা যায় ইত্যাদি।কিংবা বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কারো ধ্বস নামিয়ে নিজের অবস্থানটা ধরে রাখা যায় সেই কাজেই সে নিযুক্ত-
Ambition increased means employed every possible
Liar charlatan and
Deceitful
তবে আপনি লক্ষ করো দেখবেন সে আপনাকে সরাসরি খাটো করবে না কিন্তু অন্যান্য চিকিৎসকে সমালোচনা করে তার সম্মানের হানি ঘটাবে। এবং কৌশলে আপনার বেশ তোষামোদি করবে। যাতে আপনি তার উপর সতুস্ট  থাকেন। আসলে তার মুখে এক অন্তরে আরএক। সে যেহেতু অন্য একজন নামকরা চিকিৎসককে সমালোচনা করে আপনার সামনে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে আর আপনার সামনে আপনাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে খুশি করতে চাইছে তখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কেন। সে কিছু সুবিধা চায় আপনার কাছ থেকে যা হয়তোবা পূৃৃর্বতন চিকিৎসকের কাছে পায়নি। যেমন, "আরে ডাক্তার সাব আমি কোন ডাক্তারকে গনার মধ্য ধরিনা কিন্তু আপনার অনেক নামডাক আছে, আপনিই পারবেন আমাকে সারাতে।"
cursing swearing desire blashphamy
Hypocrisy
Reproaching others
Flattering seducing behavior

তাহলে একটি কেস বলিঃ
এই রোগিটির ক্রনিক কিডনি ডিজিজ। তার অন্ডকোষে পানি জমে বিশালাকার ধারন করেছে। এসাইটিস আছে। আমি যখন তার সমস্যা দেখতে চাইলাম সে ধমক দিয়ে তার স্ত্রীকে বল্ল,"টিস্যু বাইর কর"। সে টিস্যু বেড় করলো। রোগি আমার হাতে টিস্যুটি দিয়ে লুঙ্গি তুলে বল্ল দেখেন। টিস্যু দিয়ে ধরে দেখেন। আমি দেখলাম। তার পেটে যখন হাত দিয়ে দেখছিলাম সে বলছিল কিল দেন। আস্তে ধরেন কেন। আমি বল্লাম কিল দিলে আপনি কি বাচবেন। সে বল্ল মরে গেলে মরে যাবো। ৫০ টাকার বিষ খেয়ে মরে যাবো। কস্ট আর সহ্য হয়না। আপনাকে অনুমতি দিলাম। মরার ওষুধ দেন কোন সমস্যা নেই। একটু পরেই আবার বলছে আপনার আধ্যাতিক গুরুকে ধ্যান করে ওষুধ দেন। আমারো একজন গুরু আছে। সে বলেছে আমাকে খেসারত দিতে হবে। এই বলেই সে তার আধ্যাত্মিক গুরুকে গালিগালাজ করা শুরু করলো, "ওরে চোরা! তুই আমারে ভোগাস"। তারপর আবার আমাকে উদ্দেশ্য করে বলছে  আপনার মত বয়সী একজন ডাক্তার আছে। সে তার গুরুকে স্মরণ করে ওষুধ দিয়ে বলে যাহ্ ওষুধ দিলাম সেরে যাবি। তারা সেরে যায়। তাই বলি আপনার গুরুকে ধ্যান করে ওষুধ দেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম আপনার নাকটা ওমন ডাবা (ভাঙা) কেন? তখন বলছে আমি খুবই বেজাত ছিলাম। ৫০ জনের সাথে মারামারি করে নাক ফাটাইছি। আজ আমি অসুস্থ্যতার জন্য এরকম। নইলে আপনার মত আরিফ ডাক্তার আমার সাথে কথা বলার সাহস পেতনা। এলাকায় আমাকে ছাড়া কোন বিচার হতনা। চেয়ারম্যানের কাছে  কেউ বিচার নিয়ে গেলে আমার এলাকার লোকজনকে আগে আমার নিকট পাঠায় দিত। আর আমি বিচারের আগে অপরাধীরে আগে পিটায় নিতাম। তারপর বিচার। আমার পিটান খেয়ে অনেক নেশাখোর, জুয়ারু ভালো হয়ে গেছে।  তারা এখন আমরে বলে আপনার জন্য আমরা আজ ভালো আছি। তাদের স্ত্রীরা এসে আমাকে এসে অভিযোগ করতো তার স্বামী ওমুক জায়গায় জুয়া খেলছে বা নেশা করছে। যাইয়া ওরে আগে লাঠি দিয়ে পিটাইতাম। তারপর কথা। এভাবে বহুজনকে কুপথ থেকে সরাইছি। তারা আজ ব্যাবসা বানিজ্য করে বড়লোক। আমারে অসুখ হবার পর থেকে ওরা দেখতে আসে।
কেসটির বিশ্লেষনঃ
এই রোগীটি তার রোগ বৃদ্ধির কারনে ডেলিরিয়াম অবস্থায় ওমন আচরন করছে। তইতো বিনা কারনে প্রথম আবেদনেই সে তার স্ত্রীকে অন্যের সামনে ধমকে কথা বলছে। তাকে তুই তোকার করে ছোট করছে। চিকিৎসকেও ছোট করছে। কিন্তু এটি তার ডেলিরিয়াম অবস্থা-
Delirium pain with the
Delirium pain from
Abusive husband insulting husband is wife before children or vice versa
Abusive insulting
সে বলছে আমি বিষ খাবো, আমাকে মেরে ফেলেন ইত্যাদি। এগুলো সবই তার হিপোক্রেসি। আসলে সে মৃত্যু ভয়ে ভীত। নইলে পরক্ষনেই সে বলতোনা যে আপনার গুরুকে স্মরণ করে ওষুধ দেন--
Fear death
Religious affection too occupied with religious mania
Dictetorial
সে যে তার গুরুকে গালি দিচ্ছিল ওটি গুরুর প্রতি অবিশ্বাস নয় বরং ওটি তার প্রতি তার ভালোবাসার তীব্র অধিকার পাওয়ার আবেদন "চোরা আমারে ভোগায়। আমারে বলেছে খেসারত (পাপের)দিতে  হবে"--
Delusion god communication of god he is
Religious mania
সে নিজেকে এভাবে তুলে ধরছিল যে তার প্রভাবে সমাজের খারাপ লোকেরা ভালো হয়ে গেছে। মানে সে যীশুর মত একজন মহান ব্যাক্তি যার সাহচর্যে খারাপ মানুষ ভালো হয়--
Delusion christ himself
Delusion great person he is a
এবং সে তার ওই গুনাবলীগুলো তুলে ধরতে গিয়ে চিকিৎসকে কিছু মনেই করছেনা। যা তার পাগলামি-
Haughty pregnancy during
Haughty mania in

লেখক ঃ ডা. ওয়াই এ আরিফ
সরকারি হোমিওপ্যাথিক কলেজ, মিরপুর।

২৮.৪.১৭

স্টানাম মেট এর রোগী চিত্র - Dr YA Arif

স্টানাম মেট বেশ নম্র। টিন যেমন সহজেই ভাঁজ করা যায় স্টানাম সেরকম। তার বুকের দুর্বলতার জন্য যেমন তার কথা বলতে কস্ট হয়। তেমনি তার বুকে সাহসহীনতার জন্য সে প্রতিবাদ করতে জানেনা। সে তার চরম মানসিক প্যাথলজিতে পাঠক এবং ক্লার্ক অনুযায়ী যা পেলাম তা হল- Taciturn & dislike to Society.  সে সামাজিক পারিবারিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বেশ রিজার্ভড হয়ে পড়ে মানে টিনের মত ভাজ হয়ে যায় সহজেই এবং একসময় সমাজ থেকে নিজেকে আলাদা করে নিরব নিরিবিলি পরিবেশ কামনা করে এবং সে নিজের ভালোমন্দ সবকিছু আপন প্রভুর উপর ন্যাস্ত করে শান্তি কামনা করে। কারন সে জীবন যুদ্ধে ফাইট করতে জানেনা। সে প্রচন্ড রকমের রিজার্ভড। আর তার এই রিজার্ভড মানসিকতার জন্য লোকজন তাকে নানা কথা বলার সুজোগ পায়। কারন সে তো প্রতিবাদ করতে জানেনা। সে মাথা নিচু করে সয়ে যায়। কিন্তু তার অবচেতন মন তা সয়ে নিতে পারেনা। তার ভীতর বিদ্রোহ করে চিন্তাগুলো মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। সে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। কিন্তু সে এ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চায়। সে চায়না যে ওরকম পরিবেশের মুখোমুখি হোক কারন তা তাকে পীড়া দেয়। আর তাই সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সর্বশক্তিমানের নিকট শান্তি কামনা করে। তবে সে ইগনেশিয়ার মত ডিসকনসার্টেড হয়না। বা স্টাফির ন্যায় বোমবাস্টিং কথা বার্তা বলেনা বা তার মধ্যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেনা তা থাকে তার ভিতরে।বরং সে সম্পূর্ন রিজার্ভ হয়ে যায়। অর্থাৎ তার মধ্যে সাইকোটিক- সিফিলিটিক মায়াজমের প্রবলতা বাড়ে। এটিই আমার স্টানাম সম্পর্কে উপলব্ধি।

তাহলে একটি কেস বলিঃ
একজন ক্রনিক হিপ বোন ক্ষয়ে যাওয়ার রোগিনী। সে দীর্ঘ বছর যাবৎ এ জনিত প্রচন্ড কস্ট পাচ্ছিল। ব্যাথায় চলাফেরা বন্ধ হবার উপক্রম। তাকে স্ক্রাচ নিয়ে হাটতে হত। তাকে নিয়ে যখন কেউ টিটকারি করত যে ভালোইতো এখন স্বামী তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে বেড়াবে তখন সে খুবই মনে কস্ট পেত কিন্তু কোন প্রতিত্তোর দিতে পারতোনা। কিন্তু বাসায় এসে মনের মধ্যে ঝড় বয়ে যেত। ঐ কথাগুলোই বারবার মাথায় ঘুরপাক খেত। এতে ঘুম হতনা। কিংবা তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন যখন তাকে ডেকে নিয়ে বসিয়ে উত্তম মধ্যম অনেক কথা শুনিয়ে দিত তখনো সে কিছু প্রতিত্তোর করতোনা। কিন্তু বাসায় এসে সেই একই ঘটনা। সে তার স্বামীর সঙ্গেও ঝগড়া জানতোনা। কারন সে গুছিয়ে কথা বলতে জানেনা। তর্ক করতে জানেনা। দু একটি কথা বলে একদম চুপ হয়ে যেত। একদিন পর্যন্ত কোন কথায় বলতোনা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম কেন আপনি প্রতিত্তোর দিতে জানেননা। সে বল্ল আমি ছোটবেলা থেকেই খুব রিজার্ভ। এভাবেই বড় হয়েছি। আমাদেরকে কারো সংগে মিশতে দেয়নি। খুব রিজার্ভ হয়ে বেড়ে উঠেছি। তার অভিযোগ শ্বশুর মশাই বেশ চাপের মধ্যে রাখে। একটার পর একটা ফর্দ পাঠায় তার স্বামীর নিকট। যেমন তার শ্বশুর বাড়ি করবে এজন্য তার স্বামী লোন করে টাকা দিল। এই লোন পরিষোধ হতেনা হতেই আবার বাইক কেনার জন্য টাকা দাবি করে। এভাবে তাদের অর্থনৈতিক লস ঘটায়। এ নিয়ে তার স্বমীর সাথে ঝগড়া হয় কিন্তু সে ঝগড়া করতে জানেনা। কাথাবার্তা বন্ধ করে দেয়। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম বর্তমানে আপনি এ বিষয়গুলোকে কিভাবে টেকেল দেন। সে বলছে আমি অসুস্থ্য হবার পর থেকে ঐ বিষয়গুলো আর মাথায় আনতে চাইনা। ওগুলো আল্লাহর উপার ছেড়ে দিয়েছি। শুধু তাইনয় যেকোন ব্যাপার আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি। ভালোমন্দ যা করার তিনি করবেন। আমার এখন একা থাকতে ভালো লাগে। কারন হই চই রই রই এগুলো আমার মাথাব্যাথা বাড়িয়ে দেয়। শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ আমার পছন্দ।

কেসটির বিশ্লেষণঃ
সে একা থাকতে চায় এবং একা থাকলে ভালো লাগে- Company aversion to desire for solitude
Company aversion to alone amel when
হইচই শব্দ কোলাহল তার পছন্দ নয় তার পছন্দ শান্ত শান্তিময় পরিবেশ-
Quiet disposition air in open amel
তার অর্থনৈতিক লস এবং আবেক তাকে পীড়া দিয়েছে- Ailments from money from losing
Ailment from emotions.
তাকে কথা শুনালে মাথা নিচু করে মনের কস্ট মনে রেখে শুনে যায় কোন প্রতিবাদ করেনা- sadness looking down when walking on the street
Mildness
Cowerdice
তার কস্টের কথাগুলো শুধু মাথায় ঘুরপাক খায়- Thought Persistent
সে রাগে দুঃখে কস্টে কথা বন্ধ করে দেয়-
Anger taciturn with
Morose taciturn
Taciturn sadness in
সে ছোটোবেলা থেকেই রিজার্ভড-
Reserved
সে চিন্তাগুলো আর মাথায় আনতে চায়না যখন সে অসুস্থ্য
Eating refuse to eat weakness from
সে তার সব সমস্যা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে শান্তি কামনা করছে
Carried desire to be carried shoulder over the
Tranquility recoil to fate.
The medicine is STANUM MET

রচনা ঃ এ ওয়াই আরিফ
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ
মিরপুর, ঢাকা।



২৬.৪.১৭

ভাইরাল/ ব‍্যাকটেরিয়াল নোসোড সদৃশ ঔষধের বর্ণনা

Viral/Bacterial Nosode-গুলো সংশ্লিষ্ট ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। যেমন -

Variolinum বসন্ত রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

Morbilinum হাম রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

Influenzinum সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে কাজ করে।

Denguinum বা Dengue Nosode ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ করে।

Meningococcinum নোসোড টি মেনিঙ্গুকক্কাল ইনফেকশন প্রতিরোধে কাজ করে। [ব্রাজিল-এ এটি নিয়ে স্টাডি হয়েছে]

Leptospira নোসোড Leptospirosis রোগের প্রতিরোধ করে। [কিউবাতে এটি সরকারীভাবে সাফল্যের সাথে ব্যবহার করা হয়েছে]

সেজন্য বর্তমানের নতুন করোনা ভাইরাসজনিত রোগ - কভিড-১৯ প্রতিরোধে SARS-CoV-2 ভাইরাসটির নোসোড ওষুধ তৈরি করা সময়ের দাবি। এটি এ রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে বলে আশা করি।

*** কোন মহামারী রোগের প্রতিষেধক হিসেবে সদৃশ্য লক্ষণ সৃষ্টিকারী যে কোন ওষুধই ব্যবহৃত হতে পারে।
বর্তমান কভিড-১৯ রোগটির যেসব কমন লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে তার সাথে কয়েকটি ওষুধের মিল পাওয়া যায়।
এগুলো হলো -
1. Gelsemium
2. Bryonia alba
3. Camphora
4. Nux vomica
5. Ars album

এ ওষুধগুলো বিভিন্ন হোমিও চিকিৎসকগন সাজেস্ট করেছেন। দেখা যাচ্ছে সবাই একটি ওষুধের মধ্যে আসতে পারছেন না। এর কারণ হতে পারে -
১. নতুন করোনা ভাইরাস ব্যপকভাবে হোমিওপ্যাথরা চিকিৎসা করার সুযোগ পাচ্ছেন না।
২. এই ভাইরাসটি বিভিন্ন দেশে কিছু ভিন্ন লক্ষনও প্রকাশ করছে।
৩. বিভিন্ন দেশের আবওহাওয়া, গন ইমিউনিটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, সেকারনে এটি ভিন্ন ভিন্ন দেশে ফাটালিটি ভিন্ন ভিন্ন হচ্ছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কারন হলো ১ নং কারণ। আমরা যদি প্রচুর পরিমানে রোগী হাতে পেতাম তাহলে কোন দেশ বা অঞ্চলে প্রায় একক প্রতিষেধক ওষুধ নির্বাচন করতে পারতাম। সেক্ষেত্রে ভিথোলকাস যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সেটি অনুসরন করতে পারলে একটি একক ওষুধে পৌঁছানো যেত।
হংকং এর প্রফেসর আরং জেলসিমিয়াম ও ব্রায়োনিয়া ওষুধ প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করে ভাল ফলাফল পেয়েছেন।
বর্তমানে এ ওষুধ দুটির লক্ষণের সাথেই Covid 19 এর লক্ষণাবলী বেশি মিলে। কারণ কভিড-১৯ এর শুরু হয় ধীরে ধীরে।
Camphor ওষুধটি ইরান এর রোগীদের জন্য বেশি কাজ করেছে। কারণ ইরানের হাসপাতালে ভর্তি বেশ কয়েকটি রোগীর কমন লক্ষণ মিলিয়ে এটি নির্বাচন করা হয়েছে, এবং ৩০ এর অধিক রোগীতে এটি প্রয়োগ করে ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে। ইরানের এই রোগীগুলো বেশ জটিল অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আমরা জানি Camphor রোগের কঠিণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
Arsenic album এর লক্ষণ খুব দ্রুত গতিতে দেখা দেয়, এবং এ ওষুধে প্রচুর হাঁচি থাকে। কিন্তু কভিড-১৯ এর প্যাথলোজি Arsenic এর সাথে খুব একটা মিলে না, কারণ কভিড-১৯ ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় এবং হাঁচি থাকে না বললেই চলে।
তবে আর্সেনিক সাধারণ ফ্লুতে প্রায়ই ব্যবহার হয়।

কোন মহামারী রোগে সব ওষুধ সমানভাবে সিমিলিমাম হয় না। যে ওষুধ যত বেশি সিমিলিমাম হবে সেটি ততবেশি প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে। উপরোক্ত ওষুধের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য।

Mohammad Mohshinuzzaman
-----------
Holistic Health
House 1, Road 3, Block A
Mirpur 11, Dhaka 1216

ক‍্যান্সার ঠেকাতে সচেতনতা জরুরি


মাত্র ৩ টি কাজ করলেই ক্যান্সার থেকে মিলবে চিরমুক্তি

২০১৭ সালের এক হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রতিবছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করে। আর প্রতিদিন নতুন করে ৩৩৪ জন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয় ৭০ ভাগ মানুষ। অথচ মাত্র ৩টি বিষয়েসচেতন হলেই ক্যান্সার থেকে অনেকটাই দূরে থাকা সম্ভব বলে মনে করেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা। ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতারকারণে। তার মতে, মাত্র তিনটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার।
উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেন না, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যা’ন্সার সেরে যাবে। চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন।ক্যা’ন্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই। উল্লেখ্য, ক্যা’ন্সার স’ম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে ডাক্তাররা সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। ডাক্তাররা বলেছেন, “আমরা আমাদের কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন। এছাড়া আমাদের রোজকার খাবারে যদি থাকে এই ৭টি খাবার, তাহলে ক্যানসার হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করতে পারেন
বাদাম: বাদাম ভিটামিন ই এর সবথেকে ভালো উৎস। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ চীনাবাদাম কোলন, ফুসফুস, যকৃত, এবং অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সকালে কিংবা বিকালের খাবারে বাদাম রাখুন। এ ছাড়াও এক চামচ বাদামের মাখন লাগানো এক টুকরো পাউরুটি আপনার শরীরকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখতে পারে।
বাতাবিলেবু: বাতাবিলেবু, কমলালেবু , ব্রোকলি এই সব কিছুতে রয়েছে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ী নাইট্রোজেন যৌগের গঠন রোধ করে। বাতাবি,কমলালেবু, ব্রকলী এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ অন্যান্য ফল খাদ্যনালী, মূত্রাশয়, স্তন ক্যান্সার, সার্ভিকাল ক্যান্সার, এবং পেট ও কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। তাই প্রতিদিন আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি রাখুন।
মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সবজি। গবেষণায় দেখা যায় উচ্চ মাত্রায় বিটা ক্যারোটিন শরীরে থাকলে তা কোলন, স্তন, পেট ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। গবেষণায় আরও প্রমানিত হয়, যে মহিলারা মিষ্টি আলুর মত বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ সবজি তাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন রাখেন তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক কমে যায়।
হলুদ: হলুদের মধ্যে বিদ্যমান সবথেকে সক্রিয় একটি উপাদান যা ‘কারকিউমিন’ নামে পরিচিত প্রদাহ’জনিত সমস্যা বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উভয় হিসাবে কাজ করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তোলে। শরীরকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করতে চাইলে কাঁচা হলুদ খেতে পারেন অথবা মাছ ও মাংসের তরকারিতে প্রয়োজন মত ব্যাবহার করতে পারেন।
চা: চায়ে রয়েছে ক্যাটচীন নামক একটি যৌগ। এই যৌগটি মানবদেহকে ক্যান্সারের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। সম্প্রতি চীনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যারা চাপানকরেন তাদের ফুসফুস, প্রস্টেট,কোলন এবং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি যারা চা পান করেন না তাদের থেকে অনেক কম। চায়ের মধ্যে সবুজ চা (গ্রিন টী) ক্যা’ন্সার প্রতিরোধের জন্য সবথেকেকার্যকরী।
বেদানা: বেদানায় রয়েছে ‘এলাজিক অ্যাসিড’। এই এলাজিক অ্যাসিড শরীরে ক্যান্সারের জন্য দায়ী যৌগকে নিস্ক্রিয় করে ও ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি বন্ধ করে। যেকোনো উপায়ে পরিবারের সবাইকে আজকে থেকেই বেদানা খাবার জন্য উৎসাহী করুন। সালাদ, জুস, মিল্কশেক অথবা সরাসরি যেকোনো উপায়ে বেদানা খেতে পারেনসবাই।
টমেটো: ক্লিনিক্যাল অনকোলজি জার্নালে ২০০৯ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায় টমেটো ‘লাইকোপিন’ নামক ক্যান্সার প্রতিরোধকে সমৃদ্ধ। লাইকোপিন দেহকেপ্রস্টেট ক্যান্সার সহ অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই পুরুষও মহিলা প্রত্যেকের সপ্তাহে অন্তত তিনটি টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখা অ’ত্যন্ত জরুরি।
সংকলিক: লাইফস্টাইল ডেস্ক।
ডা. ইয়াকুব সরকার।

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন শ্রমসাধ‍্য ব‍্যাপার।

ডা.হ্যানিম্যানের মতে, সুনির্বাচিত ঔষধটি বিনাআয়াসে বা বিনা প্রচেষ্টায় আপনাআপনি উড়ে এসে মুখের মধ্যে পড়বেনা।আদর্শ আরোগ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে রোগীর জন্য যথাযথ একটি ঔষধ (প্রকৃত সিমিলিমাম) অনুসন্ধান এবং নির্বাচনের জন্য একজন চিকিত্সককে সম্ভাব্য সবধরণের সর্বোত্তম পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে জানতে হবে এবং বাস্তবতার নিরিখে সে পদ্ধতিগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে ঔষধ নির্বাচনে ব্রতী হতে হবে।

এবার ঔষধ নির্বাচনের কিছু

কৌশল বা পদ্ধতি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি-

১) বনিং হাউসেন মেথড।

২) সেগালের মাইন্ড টেনিক।

৩) রাজন শংকরণের সেনসেশন মেথড।

৪) জন সলটেনের সিনথেটিক মেথড।

৫) জেন মেথড।

৬) ড্রেনেজ সিস্টেম।

৭) এডভান্স স্টেইজের চিন্তাধারা।

৮) ডাঃ স্টান যেভাবে ঔষধ নির্বাচন করতেন।

৯) প্রফুল্ল বিজয়াকারের একিউট প্রেসক্রাইবিং।

১০) কী নোট ভিত্তিক প্রেসক্রাইবিং।

১১) পোলারিটি এনালাইসিস।

১২) হ্যানিম্যানের দেখানো কৌশল।

বনিং হাউসেন মেথড :

এখানে লক্ষণের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায়

অর্থাৎ

লোকেশন

কজেশন

সেনসেশন

এবং

মডালিটিসকে প্রাধান্য দিয়ে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।

সেগালের মাইন্ড টেকনিক :

এ পদ্ধতিটি বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় এবং কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পেতে যথোপোযুক্ত ঔষধ সিলেকশনে খুবই দরকারি একটি পদ্ধতি।

এ পদ্ধতিতে রোগীর আচার আচরণ,অঙ্গভঙ্গী,স্বভাব,কথাবলার ধরণ,স্বরের উঠানামা,বডি ল্যাংগুয়েজ ইত্যাদি বিষয়গুলো চিকিৎসক সচেতনভাবে পর্যবেক্ষণ করে যথোপোযুক্ত রুব্রিক চয়ন করে রেপার্টরাইজেশন করে উপযুক্ত ঔষধটি নির্বাচন করে থাকেন।

প্রকৃতপক্ষে এ পদ্ধতিটিকে মানসিক লক্ষণকে ব্যবহার করার একটি এপ্লাইড রূপ বলা চলে।

মূলত এ পদ্ধতিতে ঔষধ নির্বাচনের জন্য চিকিৎসক রোগীর তিনটি বিষয়কে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।এগুলোকে সংক্ষেপে "ট্রিপল পি" বলা হয়।বিষয়গুলো হচ্ছে -

P=প্রেজেন্ট বা বর্তমান লক্ষণ।

P=পারসিস্টিং বা পুন:পুন: বা বারবার দেখা দেয় এমন লক্ষণ।

P=প্রোডোমিনেটিং বা তীব্রতা সহকারে দেখা দিচ্ছে এমন লক্ষণ।

অর্থাৎ যে মানসিক লক্ষণগুলো বর্তমানে রোগীর মধ্যে দেখব,যে মানসিক লক্ষণগুলো রোগীর আচার আচরণে বারবার দেখা যাবে এবং যে মানসিক লক্ষণগুলো রোগীর মধ্যে তীব্রভাবে বিরাজ করবে সে ধরণের মানসিক লক্ষণগুলোকে প্রাধান্য দিয়েই ঔষধ নির্বাচন করতে হবে।

এভাবে ঔষধ নির্বাচন করে প্রয়োগ করলে রোগীর

দেহের চর্ম, নাক,মুখ,কান,মলদ্বার অথবা মূত্রদ্বার দিয়ে ক্ষরণ বাড়বে এবং টক্সিন বেরিয়ে গিয়ে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।

রাজন শংকরণের সেনসেশন মেথড :

এ পদ্ধতিতে ভাইটাল সেনসেশনকে প্রাধান্য দেওয়া

হয়।এটি এমন এক ধরণের লক্ষণ যেটি রোগীর দৈহিক,মানসিক এবং প্রধান সমস্যার মধ্যেও উপস্থিত থাকে।রোগী যেটি অনুভব করেন সেটি নির্ণয় করে চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয় রোগীর অনুভূতিটি কোন স্তরে অবস্থান করছে সেটি।রাজন শংকরণ অনুভূতির স্তরগুলোকে ৭-টি ভাগে ভাগ করেছেন।রোগীর অনুভূতি নির্ণয় হয়ে গেলে মায়াজম নির্ণয় করতে হয়।তারপর

বের করতে হয় ঔষধটি কোন জগতের,তারপর গোত্রের,বর্গের সবশেষে মূল উৎসটির।এভাবে ধাপে ধাপে সেনসেশন পদ্ধতিতে একমাত্র সিমিলিমামটি খুব সহজে বের করা যায়।

জন সলটেনের সিনথেটিক মেথড :

এ পদ্ধতিটির প্রচলন করেন নেদারল্যান্ডের ডাক্টার জন সলটেন।তিনি পিরিওডিক টেবলের মৌলগুলোর সাথে হোমিওপ্যাথিক ঔষধের অন্তর্নিহিত বিষয়বস্তুর একটি পরম্পরা উদ্ভাবন করেছেন।যেটিকে চিকিৎসা কাজে ঔষধ নির্বাচনে ব্যবহার করা যায়।

জেন মেথড :

এ পদ্ধতিতে রোগীর সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে ঔষধের পাশাপাশি পথ্যের দিকেও জোড় দেওয়া হয়।সেটি হতে পারে পুষ্টিকর খাবার বা অভাবের স্বভাব পূরণ করে এমন ধরণের বায়োকেমিক বা মাদার টিংচার খেতে দেওয়া।

ড্রেইনজের সিস্টেম :

বর্তমানে রোগীদের দেহে বিষাক্ততার মাত্রা খুবই বেশি।চিকিৎসার শুরুতেই রোগীর দেহ থেকে বিষক্ততা দূর করে নিলে অনেক ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়।ফলে পরবর্তীতে রোগীদের মধ্যে এগ্রেভেশনও কম দেখা যায়।

আরোগ্য প্রক্রিয়াও দ্রুত হয়।উদাহরণস্বরূপ,হ্যানিম্যান এন্টিসোরিক চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে নাক্স প্রয়োগের কথা বলেছেন।এটি একধরণের ড্রেইনেজ পদ্ধতি।কেউ মত দিয়েছেন শারীরতত্ত্বীয় ক্রিয়ার দিক থেকে কোন বিশেষ অঙ্গের ঔষধ হিসাবে পরিচিত ওষুধগুলোকে ড্রেইনেজ বা নিষ্কাশন ক্রিয়া ঘটানোর জন্য ব্যবহার করতে।রাজন শংকরণের মতে,হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গ্রহণে রোগীর দেহের স্রাব বেড়ে গিয়ে বা স্রাব দেখা দিয়ে

রোগীর অবস্থার উন্নতি হতে দেখা যায়।ডা সেগালও তার কেসগুলোকে ক্ষরণ দেখিয়েছেন এবং ঔষধের যথার্থ ক্রিয়াশীলতার মানদন্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এন্ডভান্স স্টেইজের চিন্তাধারা :

এডভান্স স্টেইজে অনেক সময় যখন লক্ষণগুলো স্পষ্ট পাওয়া যায় না তখন অনেক সময় স্পেয়ার অফ একশেনের ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচনের কথা বলা হয়ে থাকে।

ডাঃ স্টান যেভাবে ঔষধ নির্বাচন করতেন :

ডাঃ স্টান মাত্র চার থেকে পাচটি লক্ষন নিতেন। ১) একটি প্যাথোলজিক্যাল ২) একটি অব্জেক্টিভ ৩)একটি মানসিক ও ৪) দুটি সার্বদৈহিক।

পদ্ধতিটি অনেকক্ষেত্রে কার্যকরী হলেও সর্বাবস্থায় কার্যকরী বলা যাবেনা।ক্রণিক কেইসে এত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি অবলম্বন না করে আরো বিশদ পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত।

প্রফুল্ল বিজয়াকারের একিউট প্রেসক্রাইবিং :

এ পদ্ধতিতে প্রথমেই রোগীর নিম্নোক্ত ৩ টি অবস্থার মধ্যে রোগীর মধ্যে কোনটি দেখা যাচ্ছে সেটি নির্ণয় করা হয়।এগুলো হচ্ছে -

অসুস্থ হওয়ার পর থেকে ১) রোগী শান্ত হয়ে গেছে (কর্ম তৎপরতার হ্রাস),২)অস্থির হয়ে পড়েছে (কর্ম তৎপরতার

বৃদ্ধি ), ৩) কোন পরিবর্তন আসেনি।

এরপর নিদ্রাকাতর বা অলস হয়ে পড়েছে কিনা।রোগীর কাতরতা, পিপাসাহীন বা পিপাসার্ত কিনা এই বিষয়গুলো যুক্ত করে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।

কী নোটভিত্তিক প্রেসক্রাইবিং :

ঔষধের ব্যাপকতার জন্য নির্বাচনের সুবিধার্থে প্রধান বিষয়বস্তুগুলোকে একত্রিত করে কী নোট তৈরি হয়ে থাকে যেগুলোর ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন করা সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়।যেমন ধরুণ, হঠাৎ আক্রমণ,প্রচন্ড মৃত্যুভয়,অত্যন্ত পানির পিপাসা।ঔষধ হবে.....।

কুকুরভীতি,বজ্রপাতের সময় খিচুনি শুরু হয়,ঠান্ডা বরফ খেতে চায়।ঔষধটি হল......।

ভ্রমণশীল ব্যথা।ব্যথার স্থান অল্প পরিসর জুড়ে।স্থানটি আঙুলের ডগার সমান।ঔষধ হল.......।

পোলারিটি এনালাইসিস :

এ পদ্ধতিতে বোনিংহাউসেন পদ্ধতির চারটির একটি পিলার হ্রাস বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দিয়ে ঔষধ নির্বাচন করা হয়ে থাকে।

হ‍্যানিম‍্যানের দেখানো কৌশল :

উপরে বর্ণিত সবগুলো পদ্ধতি মূলত হ‍্যানিম‍্যানের দেখানো পদ্ধতির বিবর্ধিত ও বিকশিত রূপ।

এ পদ্ধতিতে টোটালিটি অফ সিম্পটমকে প্রাধান‍্য দেওয়া হয়।রোগীর বর্তমান,অতীত,বংশ,

মানসিক,সার্বদৈহিক অবস্থার রোগীলিপি তৈরি করে সেটিকে এনালাইসিস করা হয়।এনালাইসিসে এক্সাইটিং কজ, মানসিক অবস্থা, কনিস্টিউশন, মায়াজম, আনকমন প্রিকুলার লক্ষণ এগুলোকে প্রাধান‍্য দিয়ে প্রয়োজনে রেপার্টরীর সহায়তা নিয়ে এনামনেসিসের মাধ‍্যমে একক ঔষধ নির্বাচন করা হয়।
লেখক : ডা. ফায়েক এনাম।

২৫.৪.১৭

মায়াজমের স্বরূপ-গোকুল বর্মণ।

হোমিও সমীক্ষা, হোমিওপ্যাথিক ত্রৈমাসিক
ষোড়শ বর্ষ,  চতুর্থ সংখ্যা
১০ ই জানুয়ারী, ১৯৯৬
“নির্দিষ্ট মায়াজম এবং বর্তমান চিকিৎসাক্ষেত্রে ইহার প্রয়োগ কলা”
(Fixed Miasm and its use in present day Practice)
ডাঃ বিনোদ বিহারী ঘোষ

(সারাংস)
নির্দিষ্ট মায়াজমের বিশ্লেষণ, সংশোধনের জন্য সঠিক নির্বাচনের জ্ঞান ছাড়া চিররোগী চিকিৎসা বর্তমান কালপর্বে অসম্ভব। কারণ আপাত উপশম হলেও রোগটি অনুরূপ ভাবে বা ভিন্নরূপে পুনরাক্রমণ করে। হোমিও বিজ্ঞানের আরোগ্যের লক্ষ্য সম্পাদিত হয় না।ইহার একটি মাত্র কারণ যে আমরা ডাঃ হ্যানিম্যানের মৌলিক নির্দেশ অমান্য করি অথবা জানি না। দেখা যায় যে সঠিক ভাবে চলতে পারলে প্রকৃত আরোগ্য সম্ভব।

গোড়ার কথাঃ
হোমিওপ্যাথিক বুঝতে হলে গোড়াপত্তন থেকে আলোচনা শুরু করা দরকার।
ডাঃ হ্যানিম্যান যুগের কিছু সংখ্যক সুস্থ মানুষদের দু’দলে ভাগ করে নিতে হবে। একদল মানুষ চিহ্ন এবং লক্ষণ দ্বারা অসুস্থতা প্রকাশ করলো। আর একদল সুস্থ মানুষের উপর ঔষধ পরীক্ষণ হল। তারাও চিহ্ন এবং লক্ষণ দ্বারা তাদের ঔষধ জনিত অসুস্থতা প্রকাশ করল। ডাঃ হ্যানিম্যান বলেছেন প্রথম দলের লক্ষনাবলী  প্রাকৃতিক রোগের লক্ষণ ( Symptoms of Natural disease) অপরটি সুস্থ দেহে ঔষধজ লক্ষণের প্রকাশ (Symptoms of the Drug disease on healthy human being) সদৃশ-নীতি অনুযায়ী অসুস্থকে আরোগ্যে নিতে হলে সুস্থদেহে পরীক্ষণ প্রাপ্ত লক্ষনাবলীর সঙ্গে মেলাতে হবে এবং রীতি অনুযায়ী ঔষধ প্রয়োগে আরোগ্য লাভে করবে। ইহাই রোগ আরোগ্যের শাশ্বত নীতি। সুতরাং দেখা যায় যে রোগ আক্রমণের পূর্বে মানুষটি সুস্থ ছিল এবং অপর মানুষের মাধ্যমেই প্রুভিং হলো।
সদৃশ নীতি আবিষ্কারের প্রথম পর্বঃ
১৭৯০ খৃস্টাব্দে হ্যানিম্যান চায়না দ্বারা তাঁর পরীক্ষা আরম্ভ করেন। ১৮৯৯ পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৫০ বছর ধরে ৯০ টি ঔষধ পরীক্ষা করেন এবং সুস্থ মানুষের উপর ইহার কার্যকারিতা বিষয়ে তার পর্যবেক্ষণ লিপিবদ্ধ করেন। প্রথম দিকে প্রাপ্ত ঔষধগুলি দ্বারা অসুস্থদের  চিকিৎসা আরম্ভ করেন এবং হোমিওপ্যাথির যথার্থতা প্রমানিত হতে থাকে। কিন্তু তিনি লক্ষ্য করেন যে আরোগ্যপ্রাপ্ত মানুষ পুনরায় আক্রান্ত হচ্ছে অনুরূপ বা ভিন্নরূপ অসুস্থতায়। তিনি এই পর্যায়ে ৬৭টি ঔষধ প্রুভিং করেন এবং উক্ত ঔষধগুলি ব্যবহার করেও প্রকৃত আরোগ্য সম্ভব হলনা।

দ্বিতীয় পর্বঃ
ডাঃ হ্যানিম্যান চিকিৎসা কার্য চলাকালীন-ই গবেষণায় রত হলেন এবং দীর্ঘ ১২ বছর ক্রমাগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে এলেন যে চিররোগের মূল কারণ হলো সোরা, এবং সাইকোসিস ও সিফিলিস। এরা  মিলিতভাবে বা এককভাবে রোগীর দেহে রোগ সৃষ্টির কারণ হয় অথবা প্রকৃত আরোগ্যে বাধা সৃষ্টি করে। এর  নাম দিলেন মূল কারণ বা মায়াজম (Fundamental cause). এই সব সাধারণ ঔষধে মায়াজম সংশোধন করা সম্ভব নয় এটা বুঝেই মায়াজম বিরোধী ঔষধের প্রুভিং শুরু করেন। এই সব গবেষণালব্ধ তত্ত্ব এবং তথ্য তাঁর সুবিখ্যাত “ক্রনিক ডিজিজ” পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করেন। [ বলা হয় তিনি ৯০টি ঔষধ Proving করেছেন। মেটেরিয়া মেডিকা পিউরাতে আছে ৬৭টি এবং ক্রনিক ডিজিজে আছে ৪৮টি মোট – ১১৫টি । হয়ত তাঁর শিষ্যরা ২৫টি ঔষধের Proving করেছেন।]
মায়াজম আবিষ্কারের পর তিনি এবং তাঁর শিষ্যগণ চিররোগ আরোগ্যে ঈপ্সীত সামান্য অর্জন করতে থাকেন। ১২ বছর গবেষনার ফলে মায়াজম আবিষ্কৃত হলো। এই সময় তিনি অনেক বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন ৩টি মূল কারণ ছাড়াও আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ক্রনিক ডিজিজে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যা আমরা সার্বিকভাবে নজর দিইনা বা কাজে লাগাই না।

দ্বিতীয় পর্বে আরো কিছু বিসদৃশ ঔষধ ঘটিত রোগঃ
“ক্রনিক ডিজিজ” এর প্রথম পাতায় তৃতীয় প্যারায় তিনি বলেছেন”এলোপ্যাথিক ঔষধের প্রতিক্রিয়ার ফলে অসংখ্য ব্যাধি হয় যা আরোগ্য অযোগ্য অবস্থায় চলে যায় এবং প্রাকৃতিক রোগ (Natural disease) থেকে আরও কঠিন হয়ে পড়ে।“
অর্গাননের ৭৫ সুত্রে বলা হয়েছে যে, “মানব স্বাস্থ ক্ষয়কারী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা সর্বাপেক্ষা শোচনীয় এবং দুরারোগ্য। ইহাদের মারাত্মক অবস্থাকে আরোগ্য সাধনের কোন ঔষধ আবিষ্কার বা নির্বাচন করা একান্ত দুঃসাধ্য।“
৭৬ সূত্রে বলা হয়েছে যে, “কেবল মাত্র প্রাকৃতিক রোগ হতে হোমিওপ্যাথি মানুষকে মুক্ত করতে পারে । মানব দেহ এই সব ভূয়া  চিকিৎসার ফলে যে বিকৃতি সাধিত হয় তাহার প্রতিকার কেবল মাত্র জীবনী শক্তিই করতে পারে। ইহা সম্ভব একমাত্র জীবনী শক্তি যদি সবল থাকে।“
বিসদৃশ ঔষধের বিষক্রিয়া সম্বন্ধে তিনি সতর্ক বানীতে বলেছেন এসব রোগীদের ঔষধ না দিয়ে কয়েক মাস গ্রামাঞ্চলে পাঠিয়ে দেবে। যদি জীবনী শক্তি সবল হতে থাকে তবে সোরাবিরোধী ঔষধ দিয়ে তার বিষক্রিয়া মুক্ত করার চেষ্টা করা যেতে পারে।“ তারপর তিনি নবীনদের সতর্ক করে বলেছেন, “ তরুণ হোমিওপ্যাথ তোমরা অর্থ, যশ আকাংখ্যা করো, কিন্তু চূড়ান্ত অসাফল্য তোমাদের সব আশা নির্মূল করে দেবে যদি এলোপ্যাথ ফেরত রোগির দায়িত্ব গ্রহন করো! “Beheading of the hydraheaded” Jain page 26, 27.
এই ভাবে বিভিন্ন জায়গায় বিসদৃশ ঔষধ সম্বন্ধে আলোচনা করেছেন। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে রোগী এলে বিদেয় করে দেয়া সম্ভব না হওয়ায় আমাদের পূর্বসূরীগন কিছু সোরা বিরোধী এবং অন্য ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করে সুফল পেতে থাকেন এবং এইভাবে পরবর্তী বছরগুলি চলতে থাকে। কিন্তু বর্তমান অ্যান্টিবায়টিক, স্টেরএডের যুগে সালফার, নাক্স, ক্যাম্ফর কাজ করছে না। চিন্তাশীল হোমিওপ্যাথগন ঔষধের বিষক্রিয়া, পার্শ্বক্রিয়া সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত ঔষধটিকে হোমিও রীতি অনুযায়ী শক্তিকৃত করে ব্যবহার করছেন এবং ছদ্ম আবরণ উন্মুক্ত হয়ে প্রাকৃতিক রোগের লক্ষনাবলী সঠিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে। অথবা চিররোগ সদৃশ অবস্থা পরিষ্কার হয়ে রোগী প্রকৃত আরোগ্য লাভ করছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ প্রয়োজন যে এলোপ্যাথগন একই সংগে অনেক ঔষধ ব্যবহার করেন কিন্তু রোগীর দেহে যে ঔষধটির লক্ষণ প্রকাশিত হয় সে ঔষধটি ই  শক্তিকৃত করে দিতে হয়। বর্তমান চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমাদের এ বিষয়টি উপেক্ষা করলে সঠিকভাবে রোগীকে আরোগ্যের দিকে নিয়ে যেতে পারবো না।

পরিবেশ এবং খাদ্য সামগ্রী । এক ভয়াবহ চিত্রঃ
বিসদৃশ ঔষধঘটিত অসুস্থতা আলোচনা প্রসঙ্গে পরিবেশ এবং বর্তমান যুগের খাদ্য সামগ্রীর রসায়ন ঘটিত অবস্থা বহু গুরুতর রোগের সৃষ্টি করছে। যদিও এ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ আছে, আমরা সাধারণ ভাবে কিছু উল্লেখ করছি।
দূষিত আবহাওয়া শ্বাসযন্ত্রের বহু রোগের কারণ হয়। শহর বন্দরে উনান, পেট্রল, ডিজেল-জাত ধোঁয়া কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন-মনো অক্সাইড নির্গত করে বায়ু মণ্ডলকে কলুষিত করে , কারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া আকাশসীমাকে কলুষিত করে। অক্সিজেন সমৃদ্ধ বাতাসের অভাব মানুষকে স্থায়ীভাবে হাঁপানি টিবির কবলে নিয়ে যাচ্ছে।
খাদ্যে ভেজাল জনিত অবস্থা ছাড়াও কীট-নাশক এবং সার নিয়মিত খাদ্য সম্ভারকে পুষ্টির বদলে বিষে পরিণত করছে। ভারতের প্রতিটি মানুষকে আয়োডিনযুক্ত লবন খেতে বাধ্য করা হচ্ছে। বর্তমানে থাইরয়েডের সমস্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, Iodized salt একক কারণ হতে পারে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। যদিও এলোপ্যাথরা হরমোন দ্বারা চিকিৎসাকে একটি বিশেষ মাত্রা দিচ্ছেন। হয়ত বা তার ফলে থাইরয়েডের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ডিম মাংস প্রভৃতিকে হরমোন খাদ্য দ্বারা উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা নিয়েছেন ব্যবসায়ীগন।
সার, কীটনাশক সম্বন্ধে বলা হয়েছে যে “মাটির প্রথম স্তর ধ্বংস হয়ে গেছে সার এবং কীট নাশকের কল্যাণে। জমিকে উর্বর করার জন্য ক্রমাগত বেশি এবং মারাত্বক রসায়ন ব্যবহার করা হচ্ছে। ফল সব্জি এবং শস্য সংরক্ষণের জন্য শুধু কীটনাশক বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে তা নয়, বীজগুলিকে ক্রিয়োজোটে সিক্ত করে নেয়া হচ্ছে। এই সব ক্ষেত্রে Lead, Arsenate, Copper sulphate, Sulphur, Bordeaux mixture, Paris green এবং আরো অনেক রসায়ণ যেমন 2-4-D, D. D. T প্রভৃতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
ফলে আমরা যে সব রোগীদের বর্তমানে দেখছি তারা প্রাকৃতিক রোগের (Natural disease) লক্ষণ দিচ্ছে না। দিচ্ছে এই সব রসায়ণগুলির লক্ষণ যা আমরা দৈনিক খাদ্য হিসেবে গ্রহন করছি। (Dr H W Eikenbarry, MD in “The Homoeopathic Prestige March, 1994 page 116).
এ সব ক্ষেত্রেও চিকিৎসক যদি নিয়ম মাফিক চিন্তা করেন এবং যা করা হয়, তাতে কোন লাভ হচ্ছে না। এ সমস্যার সমাধান কি ভাবে হতে পারে  সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন।

ফিক্সড্ মায়াজমের দুর্বোধ্য গভীরতাঃ
চির রোগ সংক্রমণ থেকেই হয়ে থাকে। সোরা অতিদ্রুত সংক্রমণ হয়। সিফিলিস কলুষিত যৌন সম্ভোগ থেকে সংক্রমণ হয়। পরবর্তী সময় এই সংক্রমণের কোন প্রত্যক্ষ প্রমাণ না থাকলেও কিছু অবস্থার সৃষ্টি করে যা থেকে আমরা মায়াজমগুলিকে চিহ্নিত করতে পারি। এই অবস্থাকে বলা হয় বিশেষ মায়াজমের অবস্থা (Miasmatic state). এরা প্রচ্ছন্ন(Latent ) অথবা গৌণ ভাবে (Secondary) প্রকাশিত হয়  প্রচ্ছন্ন বা গৌণ মায়াজমেটিক অবস্থার প্রকাশ লক্ষণ দ্বারা সূচিত হয় যে সব ডাঃ হ্যানিম্যান এবং তাঁর শিষ্যগন পৃথক করতে সক্ষম হয়েছেন।
কিন্তু ফিক্সড মায়াজম সম্বন্ধে ডাঃ হ্যানিম্যান যে সকল রোগের নাম বলেছেন তাদের যাপ্য ক্রিয়াকান্ড পরিষ্কার ভাবে লক্ষণ দিয়ে ধরা খুবই কষ্টকর। এই কারণেই হয়ত বা এর গভীরতা সম্বন্ধে আমরা বিশেষ নজর দেই না। ডাঃ এম এল টেলার এ সম্বন্ধে অনেক আলোচনা করেছেন। আমরা তাঁর লেখার কিছু অংশ উল্লেখ করছি। ডাঃ টেলার বলেছেন তাঁর মর্বিলিনাম ঔষধটি প্রসংগে ডাঃ হ্যানিম্যানের বক্তব্য উদ্ধৃতি দিয়ে। ( যা “ক্রনিক ডিসিজ” ভলুম ১ এ আছে)। ডাঃ হ্যানিম্যানের বক্তব্য “সর্বপ্রকার চিররোগে উৎপত্তি যা মূলত বিশেষ একটি সংক্রমন দ্বারা সংগঠিত হয়।  এই সংক্রমণ ও তার জীবাণুর ক্ষতিকর শাখা প্রশাখা মানব দেহে বিস্তার লাভ করে এবং বৃদ্ধি পেতে থাকে অবিরত ভাবে তার কোন শেষ নেই।“
“কিছু রোগ, যেমন গুটি বসন্ত, হাম, প্রকৃত স্কার্লেট ফিভার, যৌন রোগ, উল শ্রমিকদের চুলকানি, রেবিজ সংক্রমণ, হুপিং কাশি ইত্যাদি এক ধরণের বিশেষ নির্দিষ্ট জীবাণু দ্বারা সংক্রমণ ঘটে যার চরিত্র বরাবর একই ধরণের থাকে। তারা সর্বদাই একই ধরনের থাকে বলে তার সময়ই তাদের চেনা যায়। তাদের নামকরণ করা যায়। “ এই সব রোগের সংক্রমণ মুহুর্ত মধ্যে সংগঠিত হয়।
এর পর ডাঃ টেলর বলেছেন যে, “কিছু তরুণ রোগ সম্পূর্ণভাবে আরোগ্য হয় না, আংশিকভাবে সুস্থ হয় এবং রুগ্নতা এবং আঘাতকে ঈষদ পরিবর্তন করে যাপ্য অবস্থায় থাকে। পুরোপুরি সুস্থ ভাবে ভবিষ্যতে কখনো থাকে না।“
এই ধরণের অভিমত ডাঃ  ডি এম ফাউবেস্টার, ডাঃ এস পি দে প্রভৃতি বার বার ব্যক্ত করেছেন। তা হ’লে দেখা যাচ্ছে যে আপাত রোগমুক্তি ঘটলেও এই সব ফিক্সড মায়াজম ঘটিত রোগের সমারোগ্য অবশিষ্টাংশ রোগীর দেহে থেকে ক্রনিক রোগ সদৃশ লক্ষণাবলী প্রকাশ করে যা কখনই প্রাকৃতিক রোগ লক্ষণ নয়। এই কারণেই এই সব লক্ষণের সমষ্টির ভিত্তিতে ঔষধ প্রয়োগে কখনোই রোগীকে আরোগ্য করে না।

পরিবর্তিত অবস্থাঃ
ডাঃ হ্যানিম্যান তিনটি মায়াজম ছাড়াও উপরোক্ত তত্ত্বগুলি সম্বন্ধেও আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আমরা মোটেই গুরুত্ব দিয়ে দেখি নাই সুদীর্ঘ সময়। ফলে যেন মায়াজম তত্ত্ব আবিষ্কারে পূর্ব অবস্থা ঘিরে আসছে ।চিররোগ সমুহ আপাত আরোগ্য হয়েও ঘুরে ঘুরে ফিরে আসছে। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে
 ১) প্রাকৃতিক রোগের লক্ষণাবলী ছদ্ম আবরণে আচ্ছন্ন থাকছে।
২) সুস্থদেহে প্রুভিং এর প্রাপ্ত লক্ষণাবলী সেই কারণেই সদৃশ মনে হলেও সদৃশ হচ্ছে না।
৩) ফলস্বরূপ অর্গাননের ২নং সূত্র অনুযায়ী আরোগ্য হচ্ছে না।
৪) ঘটনাগুলি এমন হবার কারণ আমরা ডাঃ হ্যানিম্যানের নির্দেশ মানছি না। অথবা বুঝে নিতে পারছি না। এবং আমাদের সে চেষ্টাও নেই।
৫) এই সব বাধা সৃষ্টিকারী উপাদানগুলি কারণ তত্ত্বের অঙ্গীভুত যা অতীত এবং পারিবারিক ইতিহাসেই আছে।
৬) প্রসঙ্গত কারণতত্ত্ব সম্বন্ধে ডাঃ হ্যানিম্যান বিশেষ নজর দিতে বলেছেন। এবং বলেছেন যে কারণ একটি প্রধান চরিত্রগত লক্ষণ। প্রথমেই আমরা কারণ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করব। (Cause first). চরিত্রগত লক্ষণই হবে লক্ষণসমষ্টির মূল কথা। (সূত্র ১৫৩)। ডাঃ হ্যানিম্যানের নির্দেশে ডাঃ বোনিংহোসেন যে লিস্ট দিয়েছিলেন তাতে চরিত্রগত লক্ষণের ৭টি উপাদান আছে। গঠন, অনুভূতি, স্থান, কারণ, হ্রাস-বৃদ্ধি সময় অনুযায়ী এবং অবস্থা অনুযায়ী ও সহযোগী লক্ষণ (Lesser Writings).
ক্রনিক ডিজিজের ১২১ পাতায় দেখা যায় তিনি লিখেছেন Internal cause and cause of continuance এর উপর বেশি নজর দিতে। আমরা এসব গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করি না।

আমাদের করণীয় কাজ:
আমরা দেখেছি, আমাদের সহযোগী চিকিৎসকগন দেখেছেন যে, অতীত ইতিহাসের গুরুত্ব অপরিসীম। এই পরিপ্রেক্ষিতে ঔষধ নির্বাচনের ফলাফল কি হয় তা আমরা আলোচনা করব।
১) অতীত ইতিহাসের সূত্র ধরে ঔষধ নির্বাচন হলে এবং সঠিক মাত্রা ও শক্তিতে প্রয়োগ হলে প্রায়ই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময় মায়াজম বিরোধী এবং ধাতু প্রকৃতি অনুযায়ী ঔষধ প্রয়োগে স্থায়ী আরোগ্য হয়।
২) অতীত রোগের অনারোগ্য অবশিস্টাংশ যাপ্য অবস্থায় থেকে  প্রকৃত রোগের লক্ষণ প্রকাশ হতে দেয় না। অতীতের সূত্র ধরে ঔষধ দিলে যাপ্য অবস্থা অপসারিত হয়ে প্রকৃত রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়, তখন লক্ষণ সমষ্টির ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন হলে রোগী আরোগ্যের দিকে যেতে থাকে।
৩) একটি রোগীর অতীত ইতিহাসে অনেক ঘটনা থাকতে পারে। যেমন অর্জিত মায়াজম ছাড়াও হাম, বসন্ত, মাম্পস, ডিপথেরিয়া, টাইফয়েড,ম্যালেরিয়া, র্যা বিস সংক্রমণ, আঘাত,অস্ত্রপচার,আগুনে পোড়া, এলোপ্যাথিক ঔষধের বিষক্রিয়া, ক্রমাগত গর্ভপাত ইত্যাদি। প্রায়ই রোগীদের মধ্যে একটির বেশি সংক্রমণ থাকে। আমরা তৎকালীন লক্ষণগুলি বিশ্লেষণ করে বুঝতে পারব কোন্ রোগটি যাপ্য অবস্থায় রোগীর দেহে বিক্রিয়া সৃষ্টি করছে। সে সূত্র ধরেই নির্বাচন হবে।
৪) রোগীর দেহে অন্য সংক্রমনের ইতিহাস থাকলে উক্তটিরও সংশোধন দরকার হবে প্রয়োজন মত। ঔষধ প্রয়োগ ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধানে পুনঃ প্রয়োগ দরকার হয়।
৫) বিসদৃশ ঔষধের ক্ষেত্রে যা করা দরকার। যে ঔষধটির লক্ষণ পাওয়া যাবে সেটিকে শক্তিকৃত করে প্রয়োগ করতে হবে।এলোপ্যাথিক ঔষধের প্রুভিং হয়েছে।তা ছাড়া প্রতি ঔষধের বিষক্রিয়া, পার্শ্বক্রিয়ার কিছু লক্ষণ পাওয়া সম্ভব।

প্রয়োগ-রীতি সম্বন্ধে কিছু বক্তব্যঃ
১) বিশেষ রোগটি হবার পর থেকেই শরীর অসুস্থ যাচ্ছে অথবা বর্তমান রোগটি হয়েছে।
২) অতীত ইতিহাসে উল্লেখিত রোগ অথবা রোগগুলি থাকলে যে রোগের চরিত্র চেহারা কিছুটা সাদৃশ থাকবে সে ক্ষেত্রে উক্ত রোগটির নোসোডস্ দিতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে হামের পর চর্মরোগ অথবা পরবর্তী সময়ে দীর্ঘকাল ব্যাপী চর্মরোগ চলতে থাকলে Morbilinum দিতে হবে। চর্মের উপরই হামের প্রকাশ বেশি থাকে। তেমনি মাম্পসের প্রভাব গলার নিকটবর্তী গ্লান্ডগুলির উপর বেশি থাকে। এসব ক্ষেত্রে Parotidinum দিতে হয়। ডিপথেরিয়ার পরবর্তী অবস্থায় লেরিংস, ফেরিংস, টনসিল, ট্রাকিয়া প্রভৃতির বিক্রিয়ায় Diphtherinum দিতে হবে। এই ভাবে অবস্থা বিচার করে আমরা নির্বাচন করব।
৩) যদি দেখা যায় যে রোগ লক্ষণ প্রকাশে বাধা সৃষ্টি হয়েছে অথবা প্রকৃত নির্বাচন করা যাচ্ছে না অথবা নির্বাচিত ঔষধ ঠিক মত কাজ করছে না সেখানে অতীত ইতিহাসের উক্ত রোগ গুলি কিছু থাকলে তার নোসোডস্ দিতে হবে।
৪) বর্তমানে নানা প্রকারের টীকা প্রথা চালু থাকার ফলে টীকা জনিত প্রতিক্রিয়া বাধা সৃষ্টি করতে পারে। সে সব ক্ষেত্রেও নোসোডস্ গুলি ব্যবহার করতে হতে পারে।
৫) কুকুরের কামড় অথবা বিড়াল, ইঁদুর, বানরের কামরের ইতিহাস থাকলে অথবা/ এবং রেবিজ সিরাম ইঞ্জেকসনের ইতিহাস থাকলে Lyssin দিতে হবে।
৬) ডাঃ টেলরের বক্তব্য, হাম মানুষের জীবনে হয়েই থাকে, হয়ত ধরা পড়ে না । দীর্ঘস্থায়ী অনারোগ্যতার ক্ষেত্রে Morbilinum চিন্তা করা হয়।
৭) শুধু নোসোডস্ এ রোগ আরোগ্য হয়ে যায় না। বাধা অপসারিত হয়, অথবা আঘাত রোগলক্ষণ নির্মূল হয়ে যায়। কিন্তু পরে মূল মায়াজম সংশোধনকারী এবং চেহারা চরিত্র (Constitution) মত ঔষধ দিতে হয় স্থায়ী আরোগ্যের জন্য।

উপসংহারঃ
নির্দিষ্ট মায়াজম সম্বন্ধে আলোচনা হলো। আমাদের অভিজ্ঞতা এই শিক্ষাই দেয় যে বর্তমান যুগের রোগ সমুহের জটিল অবস্থা আরোগ্য সম্ভব করে তুলতে হলে এই ধারায় চিন্তা না করে উপায় নেই। বহু আরোগ্য প্রাপ্ত রোগীদের মধ্যে থেকে কয়েকটি রোগীচিত্র সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো।
[গত ৩১/১২/৯৪ তারিখে মহাজাতি সদন সেমিনার হলে “হোমিও সমীক্ষা” আয়োজিত বক্তব্যের সারসংক্ষেপ]

২৩.৪.১৭

কেন্টের হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরিতে ব্যবহৃত ঔষধের নাম ও সংক্ষিপ্ত নামের তালিকা


Dr. J.T.Kent MD.

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় একক ঔষধ নির্বাচনের প্রয়োজনে রেপার্টরির প্রয়োজন অত্যাবশ্যক।আর এই কাজে প্রথমেই জানতে হবে ঔষধের সংক্ষিপ্ত রুপ।রেপার্টরির ব্যবহারের সুবিধার জন্য আপনাদের জন্য কেন্ট রেপার্টরিতে ব্যবহৃত প্রতিটি ঔষধের নাম ও সম্পূর্ণ নাম দেয়া হলো


ঔষধের সংক্ষিপ্ত নাম-       পূর্ণ নাম
ঔষধের সংক্ষিপ্ত নাম-   পূর্ণ নাম
Abies-c.---------- Abies Canadensis
Abies-n.---------- Abies Nigra
Abrot.---------- Abrotanum
Absin.---------- Absinthium
Acal.---------- Acalypha Indica
Acet-ac.---------- Acetic Acid.
Acon-c.---------- Aconitum Cammarum
Acon-f.---------- Aconitum Ferox
Acon-l.---------- Aconitum Lycotonum
Acon.---------- Aconitum Napellus
Act-r.---------- Actća Racemosa >> See Cimic. (Cimicifuga Racemosa)
Act-sp.---------- Actća Spicata
Ćsc-g.---------- Ćsculus Glabra
Ćsc.---------- Ćsculus Hippocastanum
Ćth.---------- Ćthusa Cynapium
Agar-em.---------- Agaricus Emeticus
Agar-ph.---------- Agaricus Phalloides
Agar.---------- Agaricus Muscarius
Agn.---------- Agnus Castus
Ail.---------- Ailanthus
Alco.---------- Alcohol
Alet.---------- Aletris Farinosa
All-c.---------- Allium Cepa
All-s.---------- Allium Sativum
Aloe.---------- Aloe Socotrina
Alst.---------- Alstonia Constricta
Alum-m.---------- Aluminium Metallicum
Alum-sil.---------- Alumina Silicata
Alum.---------- Alumina
Alumn.---------- Alumen
Am-be.---------- Ammonium Benzoicum
Am-br.---------- Ammonium Bromatum
Am-c.---------- Ammonium Carbonicum
Am-caust.---------- Ammonium Causticum
Am-m.---------- Ammonium Muriaticum
Ambr.---------- Ambra Grisea
Ambro.---------- Ambrosia Artemisić folia (Not found)
Aml-n.---------- Amyl Nitrite
Ammc.---------- Ammoniacum Gummi
Amph.---------- Amphisbśna
Amyg.---------- Amygdalć Amarć Aqua
Anac-oc.---------- Anacardium Occidentale
Anac.---------- Anacardium Orientale
Anag.---------- Anagallis Arvensis
Anan.---------- Anantherum Muricatum
Ang.---------- Angustura Vera
Anil.---------- Anilinum
Anis.---------- Anisum Stellatum >> See Ill. (Illicum Anisatum)
Ant-a.---------- Antimonium Arsenicosum
Ant-c.---------- Antimonium Crudum
Ant-chl.---------- Antimonium Chloridum
Ant-ox.---------- Antimonium Oxydatum
Ant-s.---------- Antimonium Sulph. Auratum
Ant-t.---------- Antimonium Tartaricum
Anth.---------- Anthemis Nobilis
Anthr.---------- Anthracinum
Anthro.---------- Anthrokokali
Ap-g.---------- Apium Graveolens
Aphis.---------- Aphis Chenopodii Glauci
Apis.---------- Apis Mellifica
Apoc-a.---------- Apocynum Androsćmifolium
Apoc.---------- Apocynum Cannabinum
Apom.---------- Apomorphium
Aral.---------- Aralia Racemosa
Aran-s.---------- Aranea Scinencia
Aran.---------- Aranea Diadema
Arg-c.---------- Argentum Cyanidum
Arg-m.---------- Argentum Metallicum
Arg-mur.---------- Argentum Muriaticum
Arg-n.---------- Argentum Nitricum
Arn.---------- Arnica Montana
Ars-h.---------- Arsenicum Hydrogenisatum
Ars-i.---------- Arsenicum Iodatum
Ars-m.---------- Arsenicum Metallicum
Ars-n.---------- Arsenicum Nitricum
Ars-s-f.---------- Arsenicum Sulphuratum Flavum
Ars-s-r.---------- Arsenicum Sulphuratum Rubrum
Ars.---------- Arsenicum Album
Art-v.---------- Artemisia Vulgaris
Arum-d.---------- Arum Dracontium
Arum-i.---------- Arum Italicum
Arum-m.---------- Arum Maculatum
Arum-t.---------- Arum Triphyllum
Arund-d.---------- Arundo Donax
Arund.---------- Arundo Mauritanica
Asaf.---------- Asa Fśtida
Asar.---------- Asarum Europćum
Asc-c.---------- Asclepias Cornuti (Syriaca)
Asc-t.---------- Asclepias Tuberosa
Asim.---------- Asimina Triloba
Aspar.---------- Asparagus Officinalis
Astac.---------- Astacus Fluviatilis
Aster.---------- Asterias Rubens
Atro-s.---------- Atropia Sulphurica
Atro.---------- Atropinium
Aur-a.---------- Aurum Arsenicum
Aur-i.---------- Aurum Iodatum
Aur-m-n.---------- Aurum Muriaticum Natronatum
Aur-m.---------- Aurum Muriaticum
Aur-s.---------- Aurum Sulphuratum
Aur.---------- Aurum Metallicum
Bad.---------- Badiaga
Bals.---------- Balsamum Peruvianum
Bapt.---------- Baptisia Tinctoria
Bar-ac.---------- Baryta Acetica
Bar-c.---------- Baryta Carbonica
Bar-i.---------- Baryta Iodata
Bar-m.---------- Baryta Muriatica
Bart.---------- Bartfelder (acid spring)
Bell-p.---------- Bellis Perennis
Bell.---------- Belladonna
Benz-ac.---------- Benzoic Acid.
Benz-n.---------- Benzinum Nitricum
Benz.---------- Benzinum
Berb.---------- Berberis Vulgaris
Bism-ox.---------- Bismuthum Oxidum
Blat.---------- Blatta Americana (Not found)
Blatta.---------- Blatta Orientalis
Bol.---------- Boletus Laricis
Bor-ac.---------- Boracicum Acidum
Bor.---------- Borax
Both.---------- Bothrops Lanceolatus
Bov.---------- Bovista
Brach.---------- Brachyglottis Repens
Brom.---------- Bromium
Bruc.---------- Brucea Antidysenterica
Bry.---------- Bryonia Alba
Bufo-r.---------- Bufo Rana
Bufo-s.---------- Bufo Sahytien
Cact.---------- Cactus Grandiflorus
Cadm.---------- Cadmium Sulphuratum
Cahin.---------- Cahinca
Cain.---------- Cainca >> See Cahin. (Cahinca)
Caj.---------- Cajuputum
Calad.---------- Caladium Seguinum
Calc-ac.---------- Calcarea Acetica
Calc-ars.---------- Calcarea Arsenica
Calc-caust.---------- Calcarea Caustica
Calc-f.---------- Calcarea Fluorata
Calc-i.---------- Calcarea Iodata
Calc-p.---------- Calcarea Phosphorica
Calc-s.---------- Calcarea Sulphurica
Calc-sil.---------- Calcarea Silicata
Calc.---------- Calcarea Carbonica
Calen.---------- Calendula Officinalis
Calli.---------- Calliandra Houstoni
Calo.---------- Calotropis Gigantea
Calt.---------- Caltha Palustris (Not found)
Camph.---------- Camphora Officinarum
Canch.---------- Canchalagua
Cann-i.---------- Cannabis Indica
Cann-s.---------- Cannabis Sativa
Canth.---------- Cantharis
Caps.---------- Capsicum
Carb-ac.---------- Carbolic Acid.
Carb-an.---------- Carbo Animalis
Carb-h.---------- Carboneum Hydrogenisatum
Carb-o.---------- Carboneum Oxygenisatum
Carb-s.---------- Carboneum Sulphuratum
Carb-v.---------- Carbo Vegetabilis
Card-b.---------- Carduus Benedictus
Card-m.---------- Carduus Marianus
Carl.---------- Carlsbad
Casc.---------- Cascarilla
Cast-eq.---------- Castor Equi
Cast-v.---------- Castanea Vesca
Cast.---------- Castoreum
Caul.---------- Caulophyllum Thalictroides
Caust.---------- Causticum
Cean.---------- Ceanothus Americanus
Cedr.---------- Cedron
Cench.---------- Cenchris Contortrix
Cent.---------- Centaurea Tagana
Cer-s.---------- Cereus Serpentaria
Cere-b.---------- Cereus Bonplandii
Cet.---------- Cetrararia Islandica (Not found)
Cham.---------- Chamomilla
Chel.---------- Chelidonium Majus
Chen-an.---------- Chenopodium Anthelminticum
Chen-v.---------- Chenopodium Vulvaria
Chen.---------- Chenopodium Glauci Aphis
Chim-m.---------- Chimaphila Maculata
Chim.---------- Chimaphila Umbellata
Chin-a.---------- Chininum Arsenicosum
Chin-b.---------- Chininum Brom.
Chin-s.---------- Chininum Sulphuricum
Chin.---------- China Officinalis
Chion.---------- Chionanthus Virginica
Chlf.---------- Chloroformium
Chlol.---------- Chloralum
Chlor.---------- Chlorum
Chol.---------- Cholesterinum
Chr-ac.---------- Chromicum Acidum
Chr-ox.---------- Chromicum Oxydatum
Cic.---------- Cicuta Virosa
Cimic.---------- Cimicifuga Racemosa
Cimx.---------- Cimex
Cina.---------- Cina
Cinch-b.---------- Cinchona Boliviana
Cinch.---------- Cinchonium Sulphuricum
Cinnam.---------- Cinnamomum
Cinnb.---------- Cinnabaris
Cist.---------- Cistus Canadensis
Cit-ac.---------- Citricum Acidum
Cit-l.---------- Citrus Limonum (Not found)
Cit-v.---------- Citrus Vulgaris
Clem.---------- Clematis Erecta
Cob.---------- Cobaltum
Coc-c.---------- Coccus Cacti
Coca.---------- Coca
Cocain-m.---------- Cocainum Muriaticum
Cocc-s.---------- Coccinella Septempunctata
Cocc.---------- Cocculus Indicus
Coch.---------- Cochlearia Armoracia
Cod.---------- Codeinum
Coff-t.---------- Coffea Tosta
Coff.---------- Coffea Cruda
Colch.---------- Colchicum Autumnale
Coll.---------- Collinsonia Canadensis
Coloc.---------- Colocynthis
Colos.---------- Colostrum
Com.---------- Comocladia Dentata
Con.---------- Conium Maculatum
Cond.---------- Cundurango
Conv-d.---------- Convolvulus Duartinus
Conv.---------- Convallaria Majalis
Cop.---------- Copaiva Officinalis
Cor-r.---------- Corallium Rubrum
Cori-r.---------- Coriaria Ruscifolia
Corn-f.---------- Cornus Florida
Corn-s.---------- Cornus Seriea
Corn.---------- Cornus Circinata
Cot.---------- Cotyledon Umbilicus
Croc.---------- Crocus Sativus
Crot-c.---------- Crotalus Cascavella
Crot-h.---------- Crotalus Horridus
Crot-t.---------- Croton Tiglium
Cub.---------- Cubeba Officinalis
Culx.---------- Culex Moscæ
Cupr-ac.---------- Cuprum Aceticum
Cupr-ar.---------- Cuprum Arsenicosum
Cupr-n.---------- Cuprum Nitricum
Cupr-s.---------- Cuprum Sulphuricum
Cupr.---------- Cuprum Metallicum
Cur.---------- Curare
Cycl.---------- Cyclamen Europæum
Cypr.---------- Cypripedium Pubescens
Daph.---------- Daphne Indica
Der.---------- Derris Pinnata
Dig.---------- Digitalis Purpurea
Dios.---------- Dioscorea Villosa
Dirc.---------- Dirca Palustris
Dol.---------- Dolichos Pruriens
Dor.---------- Doryphora
Dros.---------- Drosera Rotundifolia
Dub.---------- Duboisinum
Dulc.---------- Dulcamara
Echi.---------- Echinacea Angustifolia
Elaps.---------- Elaps Corallinus
Elat.---------- Elaterium
Epig.---------- Epigea Repens
Equis.---------- Equisetum Hyemale
Erech.---------- Erechthites Hieracifolia
Erig.---------- Erigeron Canadense
Ery-a.---------- Eryngium Aquaticum
Ether.---------- Ether
Eucal.---------- Eucalyptus Globulus
Eug.---------- Eugenia Jambos
Eup-per.---------- Eupatorium Perfoliatum
Eup-pur.---------- Eupatorium Purpureum
Eupho.---------- Euphorbium
Euphr.---------- Euphrasia Officinalis
Eupi.---------- Eupion
Evon.---------- Euonymus Europæus
Fago.---------- Fagopyrum
Ferr-ac.---------- Ferrum Aceticum
Ferr-ar.---------- Ferrum Arsenicosum
Ferr-i.---------- Ferrum Iodatum
Ferr-m.---------- Ferrum Muriaticum
Ferr-ma.---------- Ferrum Magneticum
Ferr-p.---------- Ferrum Phosphoricum
Ferr-pic.---------- Ferrum Picricum
Ferr-s.---------- Ferrum Sulphuricum
Ferr.---------- Ferrum Metallicum
Fil.---------- Filix Mas
Fl-ac.---------- Fluoricum Acidum
Form.---------- Formica Rufa
Frag-v.---------- Fragaria Vesca
Gad.---------- Gadus Morrhua
Gall-ac.---------- Gallicum Acidum
Gamb.---------- Gambogia
Gels.---------- Gelsemium Sempervirens
Genist.---------- Genista Tinctoria
Gent. ---------- Gentiana (See Gent-c. and Gent-l.)
Gent-c.---------- Gentiana Cruciata
Gent-l.---------- Gentiana Lutea
Ger.---------- Geranium Maculatum
Get.---------- Gettisburg Water
Gins.---------- Ginseng
Gland.---------- Glanderine >> See Hippoz.(Hippozænium)
Glon.---------- Glonoin
Gnaph.---------- Gnaphalium
Goss.---------- Gossypium Herbaceum
Gran.---------- Granatum Punica
Graph.---------- Graphites
Grat.---------- Gratiola Officinalis
Grin.---------- Grindelia Robusta
Gua.---------- Guaco (Not found)
Gua.---------- Guaiacum
Guano.---------- Guano Australis
Guar.---------- Guarana
Guare.---------- Guarea
Gymn.---------- Gymnocladus
Hæm.---------- Hæmatoxylon
Ham.---------- Hamamelis Virginica
Hecla.---------- Hecla Lava
Hedeo.---------- Hedeoma Pulegioides
Hell.---------- Helleborus Niger
Helod.---------- Heloderma
Helon.---------- Helonias Dioica
Hep.---------- Hepar Sulphuris Calcareum
Hipp.---------- Hippomanes

Hippoz.---------- Hippozænium
Hom.---------- Homarus
Hura.---------- Hura Braziliensis
Hydr-ac.---------- Hydrocyanicum Acidum
Hydr.---------- Hydrastis Canadensis
Hydrang.---------- Hydrangea Arborescens
Hydrc.---------- Hydrocotyle Asiatica
Hyos.---------- Hyoscyamus Niger
Hyper.---------- Hypericum Perforatum
Iber.---------- Iberis Amara
Ictod.---------- Ictodes Fœtida >> See Poth. (Pothos Fœtidus)
Ign.---------- Ignatia Amara
Ill.---------- Illicium Anisatum
Ind.---------- Indium Metallicum
Indg.---------- Indigo
Ing.---------- Ingluvin
Inul.---------- Inula Helenium
Iod.---------- Iodium
Iodof.---------- Iodoformum
Ip.---------- Ipecacuanha
Ipom.---------- Ipomia Purpurea
Ir-fl.---------- Iris Florentina
Ir-fœ.---------- Iris Fœtidissima
Ir-g.---------- Iris Germanica (Not found)
Iridium ---------- Iridium
Iris.---------- Iris Versicolor
Jab.---------- Jaborandi
Jac-c.---------- Jacaranda Caroba
Jac-g.---------- Jacaranda Gualandai
Jal.---------- Jalapa
Jatr.---------- Jatropha Curcas
Jug-c.---------- Juglans Cinerea
Jug-r.---------- Juglans Regia
Junc.---------- Juncus Effusus
Juni.---------- Juniperus Virginiana
Kali-a.---------- Kali Aceticum
Kali-ar.---------- Kali Arsenicosum
Kali-bi.---------- Kali Bichromicum
Kali-br.---------- Kali Bromatum
Kali-c.---------- Kali Carbonicum
Kali-chl.---------- Kali Chloricum
Kali-cy.---------- Kali Cyanatum
Kali-fer.---------- Kali Ferrocyanicum
Kali-i.---------- Kali Iodatum
Kali-m.---------- Kali Muriaticum
Kali-ma.---------- Kali Manganicum
Kali-n.---------- Kali Nitricum
Kali-ox.---------- Kali Oxalicum
Kali-p.---------- Kali Phosphoricum
Kali-s.---------- Kali Sulphuricum
Kalm.---------- Kalmia Latifolia
Kaol.---------- Kaolin
Kino.---------- Kino
Kiss.---------- Kissingen
Kreos.---------- Kreosotum
Lac-c.---------- Lac Caninum
Lac-d.---------- Lac Defloratum
Lac-f.---------- Lac Felinum
Lach.---------- Lachesis
Lachn.---------- Lachnanthes Tinctoria
Lact-ac.---------- Lactic Acid.
Lact.---------- Lactuca Virosa
Lam.---------- Lamium Album
Lap-a.---------- Lapis Albus
Lappa-a.---------- Lappa Arctium
Lappa-m.---------- Lappa Major
Lat-m.---------- Latrodectus Mactans
Lath.---------- Lathyrus Sativus
Laur.---------- Laurocerasus
Lec.---------- Lecithin
Led.---------- Ledum Palustre
Lem-m.---------- Lemna Minor
Lepi.---------- Lepidium Bonariense
Lept.---------- Leptandra Virginica
Lil-t.---------- Lilium Tigrinum
Linu-c.---------- Linum Cathar
Lith-m.---------- Lithium Muriaticum
Lith.---------- Lithium Carbonicum
Lob-c.---------- Lobelia Cardinalis
Lob-s.---------- Lobelia Syphilitica
Lob.---------- Lobelia Inflata
Lues. ---------- Luesinum >> See Syph. (Syphilinum)
Lup.---------- Lupulus
Lyc.---------- Lycopodium Clavatum
Lycpr.---------- Lycopersicum
Lycps.---------- Lycopus Virginicus
Lyss.---------- Lyssin (Hydrophobinum)
Mag-arct.---------- Magnetis Polus Arcticus
Mag-aust.---------- Magnetis Polus Australis
Mag-c.---------- Magnesia Carbonica
Mag-m.---------- Magnesia Muriatica
Mag-p-a.---------- Magnetis Poli. Ambo (Not found)
Mag-p.---------- Magnesia Phosphorica
Mag-s.---------- Magnesia Sulphurica
Maland.---------- Malandrinum
Malar.---------- Malaria Officinalis
Manc.---------- Mancinella (Hippomanes)
Mang-m.---------- Manganum Muriaticum
Mang.---------- Manganum
Med.---------- Medorrhinum
Meli.---------- Melilotus Alba
Menis.---------- Menispermum
Ment.---------- Mentha Piperita
Meny.---------- Menyanthes
Meph.---------- Mephitis
Merc-ac.---------- Mercurius Aceticus
Merc-c.---------- Mercurius Corrosivus
Merc-cy.---------- Mercurius Cyanatus
Merc-d.---------- Mercurius Dulcis
Merc-i-f.---------- Mercurius Iodatus Flavus
Merc-i-r.---------- Mercurius Iodatus Ruber
Merc-n.---------- Mercurius Nitrosus
Merc-p-r.---------- Mercurius Præcipitatus Ruber
Merc-sul.---------- Mercurius Sulphuricus
Merc.---------- Mercurius Vivus
Merl.---------- Mercurialis
Mez.---------- Mezereum
Mill.---------- Millefolium
Mit.---------- Mitchella Repens
Morph.---------- Morphinum
Mosch.---------- Moschus
Mur-ac.---------- Muriaticum Acidum
Murx.---------- Murex
Mygal.---------- Mygale Lasiodora
Myos.---------- Myosotis
Myric.---------- Myrica Cerifera
Myris.---------- Myristica Sebifera
Myrt.---------- Myrtus Communis
Naja.---------- Naja Tripudia
Naph.---------- Naphthalin
Narcot.---------- Narcotinum
Nat-a.---------- Natrum Arsenicatum
Nat-ac.---------- Natrum Aceticum
Nat-c.---------- Natrum Carbonicum
Nat-h.---------- Natrum Hypochlorosum
Nat-m.---------- Natrum Muriaticum
Nat-n.---------- Natrum Nitricum
Nat-p.---------- Natrum Phosphoricum
Nat-s.---------- Natrum Sulphuricum
Nicc-s.---------- Niccolum Sulph.
Nicc.---------- Niccolum
Nit-ac.---------- Nitricum Acidum
Nit-m-ac.---------- Nitro Muriatic Acid.
Nit-s-d.---------- Nitri Spiritus Dulcis
Nitro-o.---------- Nitrogenium Oxygenatum
Nuph.---------- Nuphar Luteum
Nux-j.---------- Nux Juglans
Nux-m.---------- Nux Moschata
Nux-v.---------- Nux Vomica
Nym.---------- Nymphæa Odorata
Oci.---------- Ocimum Canum
Œna.---------- Œnanthe Crocata
Ol-an.---------- Oleum Animale
Ol-j.---------- Oleum Jecoris Aselli
Olnd.---------- Oleander
Onos.---------- Onosmodium
Op.---------- Opium
Orig.---------- Origanum Majorana
Osm.---------- Osmium
Ov.---------- Ovinine
Ox-ac.---------- Oxalicum Acidum
Oxyt.---------- Oxytropis Lamberti
Ozone.---------- Ozone (Oxygenium)
Pćon.---------- Pćonia Officinalis
Pall.---------- Palladium
Par.---------- Paris Quadrifolia
Pareir.---------- Pareira Brava
Paull.---------- Paullinia Pinnata
Ped.---------- Pediculus Capitis
Pen.---------- Penthorum
Per.---------- Persica
Peti.---------- Petiveria
Petr.---------- Petroleum
Petros.---------- Petroselinum
Ph-ac.---------- Phosphoricum Acidum
Phal.---------- Phallus Impudicus
Phase.---------- Phaseolus Nanus (Not found)
Phel.---------- Phellandrium
Phos.---------- Phosphorus
Phys.---------- Physostigma
Phyt.---------- Phytolacca Decandra
Pic-ac.---------- Picricum Acidum
Pimp.---------- Pimpinella Saxifraga (Not found)
Pin-s.---------- Pinus Sylvestris
Pip-m.---------- Piper Methysticum
Pip-n.---------- Piper Nigrum
Plan.---------- Plantago Major
Plat-m.---------- Platinum Muriaticum
Plat.---------- Platinum Metallicum
Plb.---------- Plumbum Metallicum
Plect.---------- Plectranthus
Plumbg.---------- Plumbago Littoralis
Podo.---------- Podophyllum Peltatum
Polyg-h.---------- Polygonum Hydropiperoides
Pop-t.---------- Populus Tremuloides
Poth.---------- Pothos Fśtidus
Prun-p.---------- Prunus Padus
Prun-s.---------- Prunus Spinosa
Psor.---------- Psorinum
Ptel.---------- Ptelea Trifoliata
Puls-n.---------- Pulsatilla Nuttaliana
Puls.---------- Pulsatilla Nigricans
Pulx.---------- Pulex Irritans
Pyrog.---------- Pyrogenium
Pyrus.---------- Pyrus Americana
Rad.---------- Radium
Ran-a.---------- Ranunculus Acris
Ran-b.---------- Ranunculus Bulbosus
Ran-s.---------- Ranunculus Sceleratus
Raph.---------- Raphanus
Rat.---------- Ratanhia
Rheum.---------- Rheum
Rhod.---------- Rhododendron
Rhus-a.---------- Rhus aromatica
Rhus-g.---------- Rhus Glabra
Rhus-r.---------- Rhus Radicans
Rhus-t.---------- Rhus Toxicodendron
Rhus-v.---------- Rhus Venenata
Rob.---------- Robinia Pseudacacia
Rumx.---------- Rumex Crispus
Ruta.---------- Ruta Graveolens
Sabad.---------- Sabadilla
Sabal.---------- Sabal Serrulata
Sabin.---------- Sabina
Sac-l.---------- Saccharum Lactis
Sacc.---------- Saccharum Album
Sal-ac.---------- Salicylicum Acidum
Sal-n.---------- Salix Niger
Salam.---------- Salamander
Samb.---------- Sambucus Nigra
Sang-n.---------- Sanguinaria Nitrica
Sang.---------- Sanguinaria Canadensis
Sanic.---------- Sanicula Aqua
Sant.---------- Santoninum
Sarr.---------- Sarracenia Purpurea
Sars.---------- Sarsaparilla
Scil. ---------- Scilla Maritima >> See Squil.(Squilla hispanica)
Scut.---------- Scutellaria Lateriflora
Sec.---------- Secale Cornutum
Sel.---------- Selenium
Senec.---------- Senecio Aureus
Seneg.---------- Senega
Senn.---------- Senna
Sep.---------- Sepia
Serp.---------- Serpentaria
Sil.---------- Silicea
Sin-a.---------- Sinapis Alba
Sin-n.---------- Sinapis Nigra
Sol-m.---------- Solanum Mammosum
Sol-n.---------- Solanum Nigrum
Sol-o.---------- Solanum Oleraceum >> See Sol-n. (Solanum Nigrum)
Sol-t-æ.---------- Solanum Tuberosum Ægrotans
Sol-v.---------- Solidago Virg. aur.
Spig-m.---------- Spigelia Marilandica
Spig.---------- Spigelia Anthelmia
Spira.---------- Spiranthes
Spong.---------- Spongia Tosta
Squil.---------- Squilla Hispanica
Stach.---------- Stachys Betonica (Not found)
Stann.---------- Stannum Metallicum
Staph.---------- Staphysagria
Stel.---------- Stellaria Media
Stict.---------- Sticta Pulmonaria
Still.---------- Stillingia Sylvatica
Stram.---------- Stramonium
Stront.---------- Strontium
Stroph.---------- Strophanthus Hispidus
Stry.---------- Strychninum
Sul-ac.---------- Sulphuricum Acidum
Sul-i.---------- Sulphur Iodatum
Sulph.---------- Sulphur
Sumb.---------- Sumbul
Sym-r.---------- Symphoricarpus Racemosus
Symph.---------- Symphytum Officinale
Syph.---------- Syphilinum
Tab.---------- Tabacum
Tanac.---------- Tanacetum Vulgare
Tann.---------- Tanninum (Not found)
Tarax.---------- Taraxacum
Tarent-c.---------- Tarentula Cubensis
Tarent.---------- Tarentula Hispanica
Tart-ac.---------- Tartaricum Acid.
Tax.---------- Taxus Baccata
Tell.---------- Tellurium
Tep.---------- Teplitz
Ter.---------- Terebinthina
Teucr.---------- Teucrium Marum Verum
Thal.---------- Thallium
Thea.---------- Thea Sinensis
Ther.---------- Theridion
Thlaspi.---------- Thlaspi Bursa Pastoris
Thuj.---------- Thuja Occidentalis
Til.---------- Tilia Europœa
Tong.---------- Tongo
Trif-p.---------- Trifolium Pratense
Tril.---------- Trillium Pendulum
Trio.---------- Triosteum Perfoliatum
Trom.---------- Trombidium Muscæ Domesticæ
Tub.---------- Tuberculinum
Tus-f.---------- Tussilago Fragrans (Not found)
Tus-p.---------- Tussilago Petasites
Upa.---------- Upas Tiente
Uran.---------- Uranium Nitricum
Urt-u.---------- Urtica Urens
Ust.---------- Ustilago Maydis
Uva.---------- Uva Ursi
Vac.---------- Vaccininum
Valer.---------- Valeriana
Vario.---------- Variolinum
Verat-v.---------- Veratrum Viride
Verat.---------- Veratrum Album
Verb.---------- Verbascum Thapsus
Vesp.---------- Vespa Crabro
Vib.---------- Viburnum Opulus
Vinc.---------- Vinca Minor
Viol-o.---------- Viola Odorata
Viol-t.---------- Viola Tricolor
Vip.---------- Vipera
Visc.---------- Viscum Album
Wies.---------- Wiesbaden
Wild.---------- Wildbad
Wye.---------- Wyethia Helenioides
Xan.---------- Xanthoxylum Fraxineum
Yuc.---------- Yucca
Zinc-ac.---------- Zincum Aceticum
Zinc-c.---------- Zincum Cyanatum (Not found)
Zinc-m.---------- Zincum Muriaticum
Zinc-ox.---------- Zincum Oxydatum
Zinc-s.---------- Zincum Sulphuricum
Zinc.---------- Zincum Metallicum
Zing.---------- Zingiber
Ziz.---------- Zizia Aurea


আমার ফ্রী মোবাইল এপসটি ডাউনলোড করুন এবং আমার সকর লেখা আপডেট নিন নিয়মিত।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদ রোড,
আশুলিয়া থানার পাশে সাভার ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ রে নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮