জনপ্রিয় পোস্ট

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩০, ২০১৮

বধিরতার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

বধিরতার সদৃষ ঔষধ নির্বাচন নির্দেশিকা।

বধিরতা কি ?
শ্রবণশক্তির হ্রাসকে বধিরতা বা Deafness বলে।ইহা অস্হায়ী, আংশিক অথবা স্হায়ী হইতে পারে।

কারণ:
১)বহিঃকর্ণের রোগ,প্রতিবন্ধকতা অথবা গঠন বিকৃতি ঃ-ফোড়া,চর্মরোগ,কর্ণমল,কোন বস্তু প্রবেশ,হাড়ের বুদ্ধি,জন্মগত ত্রুটি ইত্যাদি।
২)কর্ণপটহের রোগসমুহ ঃছিদ্রহওয়া,কাঠিন্য,প্রদাহ,ক্ষত বিকৃতি ইত্যাদি।
৩)মধ্য কর্ণের রোগসমুহ ঃতরুন ও ক্রনিক প্রদাহ,কাঠিন্য, জন্মগত বিকৃতি ইত্যাদি।
৪)মধ্যকর্ণের অভন্তরস্হ ছিদ্রসমুহের রোগ সমুহ ঃক্ষত,রক্তস্রাব,আঘাত,পচন,জন্মগত গঠনবিকৃতি,স্নায়বিক বিকৃতি,য়ক্ষা  এবং উপদংশ,ঠান্ডালাগা,টিউমার,কর্ণমল,বসন্ত,মস্তিস্কের রোগ,টাইফয়েড,ম্যালেরিয়া,ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়ার কারণেও বধির হতে পারেন।

চিকিৎসা ঃরোগ উৎপত্তির কারণ নির্ণয় করে তদঅনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন প্রয়োজন।কর্ণমলের কারণে বধির হলে কর্ণমল বের করে দিলেই বধিরতা দুর  হয়।টনসিল প্রদাহের কারণে বধির হলে টনসিলের চিকিৎসা করলেই বধিরতা দুর হয়।

বধিরতার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নির্বাচনঃ

*অটোরিয়া সহ বধিরতাঃকষ্টিকাম,ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, লাইকোপোডিয়াম, মার্ক সল,পালসেটিলা,সালফার ইত্যাদি।

*ঠান্ডা লাগিয়াঃএকোনাইট ন্যাপ,বেলেডোনা,ডাল্কামারা,রাস টক্স, কষ্টিকাম ইত্যাদি।


*সর্দিসহ বা্ অন্তেঃএকোনাইট ন্যাপ,আর্সেনিক এলবম,বেলেডোনা,কার্ব ভেজ,ক্যামোমিলা,মার্কসল,পালসেটিলা ইত্যাদি।

*হামের পরোবর্তী বধিরতা ঃকার্বভেজ,লাইকোপোডিয়াম,মার্কসল, নাইট্রিকএসিড,পালসেটিলা,সাইলেসিয়া,সালফার ইত্যাদি।

*বসন্তের পরঃ-সালফার,থুজা,সাইলেসিয়া ইত্যাদি।


*টাইফয়েড জ্বরের পরবর্তী বধিরতা ঃএপিস,আর্জেন্টাম নাইট, কার্বভেজ,চায়না,পেট্রলিয়াম,ফস্ফরিক এসিড,ফসফরাস ইত্যাদি।

*অত্যাধিক শুক্রক্ষয়জনিতঃচায়না,ক্যালি ফস,ফস্ফরিক এসিড, সালফার,ফসফরাস ইত্যাদি।


*মস্তকের উদ্ভেদ প্রতিরুদ্ব হইয়াঃমেজেরিয়াম,সালফার ইত্যাদি।


*কুইনাইনের অপব্যবহার জনিতঃআর্নিকা,ক্যালকেরিয়া কর্ব,কার্বোভেজ,ফেরাম ফস,ইপিকাক,নেট্রাম মিউর,নাক্স ভম, পালসেটিলা,সালফার ইত্যাদি।


*টনসিল প্রদাহের কারণে বধির হলে ঃব্যারাইটাকার্ব, ক্যালকেরিয়াকার্ব,হিফারসাল্ফ,ক্রালিবাইক্রম,
লাইকোপোডিয়াম, মার্কসল,এসিডনাই,সাইলেসিয়া,স্ট্যাফিসেগ্রিয়া,সালফার ইত্যাদি।

*অর্শস্রাব বন্ধ হয়ে বধিরতা হলে সদৃশ ঔষধঃনাক্স ভুমিকা ,সালফার ইত্যাদি।


*বহুদিনের কর্ণস্রাব বন্ধ হয়ে বধিরতার সদৃশ ঔষধঃএন্টিম ক্রুড,আর্সেনিক এলবম,কষ্টিকাম,সালফার ইত্যাদি।

*মাথায় আঘাতের কারণে বধিরতার সদৃশ ঔষধঃআর্ণিকা মন্টেনা,চিনিনিয়াম সাল্ফ ইত্যাদি।


*মানুষের কন্ঠস্বর শুনতে পায় নাঃকার্বো এনি,এসিড ফ্লোর,এসিড মিউর,ফসফরাস,সালফার ইত্যাদি।


*মানুষের কন্ঠস্বর ছাড়া অন্য শব্দ শুনতে পায় নাঃইগ্নেশিয়া।


*নাকঝাড়িলে ভাল শুনতে পায়ঃহিপার সাল্ফ,ম্যাংগানাম,সাইলেসিয় ইত্যাদি।


*কানে বন্ধ মনে হয়ঃকোনিয়াম,মার্কসল,পালসেটিলা,সাইলেসিয়া ইত্যাদি।


* মাঝে মাঝে উচ্ছ শব্দে কানের অবরোধ খুলে যায়ঃসাইলেসিয়া।


*শব্দের দিক নির্ণয় করতে পারে নাঃকার্বো এনি,প্লাটিনা,সিকেলি ইত্যাদি।


*কাশিবার সময় বধিরতার উপশম পূর্ণিমায় বৃদ্ধিঃসাইলেসিয়া।


*কাশিবার সময় বৃদ্ধিঃচিলেডোনিয়াম,পালসেটিলা ইত্যাদি।


*শব্দ অনেক দুরে মনে হয়ঃক্যানাবিস ইন্ডিকা,ল্যাক ক্যান,নাক্স মস্কেটা ইত্যাদি।

*গাড়ীতেচড়িলে বা গোলমালে ভালশুনেঃগ্রাফাইটিস,এসিড নাইট্রক ইত্যাদি।
বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে বধিরতার সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ
DEAFNESS, hardness of hearing -- Agar., Agraph.Ambra., Am c., Arn., Ars. iod., Bar. c.Bar. mur., Bell., Calc. c., Calc. fl., Calend, Carbo an., Carbon. s., Caust., Cheiranth., Chenop.Chin. s.Cinch., Con., Dig., Dulc., Elaps, Ferr. p., Ferr picr., Graph., Hep., Hydr., Hydrobr. ac., Iod., Kali ars., Kali c., Kali m., Lob. infl., Lyc., Mang. ac., Merc. d., Merc. s., Mez., Nat. c., Nat. sal., Nit. ac.Petrol., Phos. ac., Phos., Psor, Puls, Rham c., Sal. ac., Sang. n., Sep., Sil., Tellur., Thiosin.Verbasc., Viola od.


Cause
Mercury, abuse of -- Hep., Nit. ac.
Adenoids and hypertrophied tonsils -- Agraph., Aur., Bar. c., Calc. p., Merc., Nit. ac., Staph.
Alternate with sensibility of ear -- Sil.
Apoplexy -- Arn., Bell., Caust., Hyos., Rhus
Bone conduction, deficient, or absent -- Chenop.
Catarrh (eustachian, middle ear) -- Ars. iod., Asar, Calcareas, Caust., Gels., Graph, Hep., Hydr., Iod., Kali bich., Kali m., Kali s., Mang. ac., Menthol, Merc. d., Merc. s., Petrol., Puls., Rosa d., Sang., Sep., Sil., Thiosin.
Cerebral -- Chenop., Mur. ac.
Cold exposure -- Acon., Kali m., Visc. a.
Concussion -- Arn., Chin. s.
Damp weather -- Mang. ac.
Discharge suppressed or eczema -- Lob. infl.
Eruption of scalp, suppressed -- Mez.
Human voice, difficult to hear -- Calc. c., Chenop., Ign., Phos., Sil., Sul.
Infectious diseases -- Arn., Bapt.Gels., Hep., Lyc., Petrol., Phos., Puls.
Nervous exhaustion, and nervous origin -- Ambra., Anac., Aur., Bell., Caust., Chin. s., Cinch., Gels.Ign.Lach., Phos. ac., Phos., Plat., Tab., Val.Nutritional disturbance, in growing children -- Calc. c., Merc. i. r.
Old age -- Kali m., Merc. d., Phos.
Rheumatico-gouty diathesis -- Ferr. picr., Ham., Kali iod., Led., Sil., Sul., Visc. a.
Sclerotic condition of conducting media -- Ferr. picr., Thiosin.
Scrofulous diathesis -- Æthiops, Calc. c., Merc., Mez., Sil., Sul.Sounds, low toned -- Chenop.
Syphilis -- Kreos.
Working in water -- Calc. c.
Aggravation
Before menses -- Ferr. picr., Kreos.
Amelioration
Noise, riding in cars [from] -- Calend., Graph., Nit. ac.
   

EUSTACHIAN TUBES


Catarrh or closure -- Alfal., Alum., Bar. m., Calcareas, Caps., Caust., Ferr. iod., Ferr. p., Gels., Graph., Hep., Hydr., Iod., Kali bich., Kali chlor., Kali m., Lach., Lob. cer., Menthol, Merc. d., Merc., Nit. ac., Penthor., Petrol., Phyt., Puls., Rosa d., Sang. n., Sil., Visc. a.
Inflamed, subacute, great pain -- Bell., Caps.
Tickling inducing swallowing, cough -- Gels., Nux v., Sil.
   

EXTERNAL AUDITORY CANAL


Boils, pimples -- Bell., Calc. picr., Hep., Merc. s.Picr. ac., Sil., Sul.
Burning -- Ars., Arundo, Caps., Sang., Strych.
Digging and scratching Into -- Cina, Psor.
Dryness -- Calc. picr., Carbo v., Ferr. picr., Graph., Nux v., Petrol., Verbasc.
Exostoses -- Calc. fl., Hekla, Kali iod.
Feels, as if distended by air -- Mez., Puls.
Fissures -- Graph., Petrol.
Inflammation and pain -- Acon., Apis, Ars. iod., Bell., Bor., Brachygl., Cal. picr.Cham., Ferr. p., Hep., Kali bich., Kali m.Merc. s., Nit. ac., Psor., Puls., Rhus t., Tellur.
Itching -- Alum., Anac., Calc. c., Caust., Elaps, Hep., Kali bich., Kali c., Psor., Puls., Sabad., Sep., Sil., Sul.Tellur., Viola od.
Polypoid excrescences, granulations -- Alum., Calc. c., Calc. iod., Calc. p., Formica, Kali bich., Kali iod., Kali m., Merc. s., Nit. ac., Phos., Sang., Sil., Staph., Teucr., Thuya.
Scales, epithelial, exfoliated, with scurfy accumulation -- Calc. picr.
Sensation as if
Drop of water in left ear -- Acon.
Heat emanated from -- Æth., Caust.
Obstructed -- Æth., Anac., Asar., Carbon. s., Cham., Crot., Glon., Merc., Nit. ac., Puls.Verbasc.Open too much -- Mez.
Sensitive to air, touch -- Ars., Bell., Bor., Caps., Cham., Ferr. p., Hep., Merc., Mez., Nux v., Petrol., Tellur.
কেন্ট রেপার্টরির সাহায্যে একক লক্ষণে একক ঔষধ নির্বাচনঃ

Single remedy rubrics in Kent’s repertory

HEARING
  1. Hearing, acute, water, running = Lyss
  2. Hearing, illusions, as if tone came from another world = Carb-an
  3. Hearing, impaired, noise, amel = Graph
  4. Hearing, lost, scarlet fever, after = Lyc 
LOST : Acon., agar.alum., am-c., ambr.anac.ant-c., ant-t., arg-n.arn., ars-i.ars., asar.aur-m.aur., bar-c., bar-m.Bell., bor., bry., calc.cann-s., caps., carb-s.carb-v.carl., Caust., cham., chin-s., chlor., cic.coca., cocc., con., croc., crot-t., cupr., dros., dulc., elaps.gels., glon.graph.Hep., hydr-ac., hyos.jatr., kali-ar., kali-c., kali-n.kali-p., lach., lachn., laur., led., Lues., Lyc.lyss.mag-c., mag-m., mang., med., meny., merc-c., merc., mosch., nat-c., nat-m., nat-p., nat-s., nicc., nit-ac., ol-an., olnd., petr., ph-ac., phos., plat.plb., psor., puls.raph., rheum., rhod., rhus-t., sabad., sec.sep., sil., Spig., spong., stann., stram.Sulph., verat., vip., zinc.



++ left : All-s.
++ morning, after rising : Stann.
++ afternoon : Sil.
++ evening, 9 p.m., on lying down agg. : Merc-c.
++ blowing nose : Spig.
++ boring finger amel. : Spig.
++ convulsions, after : Sec.
++ dinner, during : Sulph.
++ leaflet before, sensation of : Ant-c.
++ loud sounds, followed by : Sep.
++ menses, during : Lyc.
++ riding in a wagon amel. : Graph.
++ scarlet fever, after : Lyc.
++ stopped sensation, with : Calad., mang.sep.spig.
++ waking, on : Œna.

বোধিরতা চিকিৎসায় উল্লেখিত ঔষধসমুহের সার্বদৈহিক বিশ্লেষন করে ঔষধ নির্বাচন করা প্রয়োজন।একটি লক্ষণের জন্য যে কয়েকটি ঔষধ দেয়া আছে সেই ঔষধসমুহের পার্থক্য বিচার করার যোগ্য হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার প্রয়োজন।আমার লেখা নবীন ডাক্তারদের উপযোগী করে লেখা।কেহ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে চিকিৎসা করবেন না।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
গঃ রেজি নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮। 

রবিবার, আগস্ট ১২, ২০১৮

সিস্টাইটিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

Cystitis এর সদৃশ ঔষধসমুহের নির্বাচন কৌষল।

Cystitis কি ?
মূত্রথলিতে প্রদাহকে Cystitis বলে।মত্র পথের প্রদাহ হলে বার বার মূত্রবেগ,জ্বর,অস্বস্তি,ও পুজ নির্গত হতে পারে।

কারণ সমুহ ঃএটি মূত্রাশয়ের একটি প্রদাহ জনিত রোগ।মূত্রাশয়ের শ্লেষ্মা ঝিল্লি cystitis প্রদাহ সঙ্গে, তার কাজ বিঘ্নিত এবংপ্রস্রাব প্রদর্শিত হয়।মহিলাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে,এই রোগ পুরুষদের তুলনায় আরো সাধারণ,বেশির ভাগ ক্ষেত্রে,পুরুষদের মধ্যে মূত্রথলিরা মূত্রসংক্রান্ত রোগগুলির একটি পটভূমির বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়।শৈশব ও কৈশোরে, ফুসফুস সংকীর্ণ হওয়ার ফলে সিস্টাইটিস বিকশিত হতে পারে,যা মূত্রাশয়ের নিউরালজিক রোগে পরিণত হয়।প্রস্টাটাইটিস,ইউরিথ্রাইটিস, ভেসিকুলাইটিস সংক্রামক সোসিসিটাইটিস এর কারণে হতে পারে। মেরুদন্ডের প্রদাহ,ডায়াবেটিস,সার্জারি,ওভার-কুলিং,অ্যালকোহল এবং চাপের ক্ষেত্রেও আঘাতের কারণগুলি মূত্রাশয়ের প্রদাহের কারণ।

লক্ষণ সমুহ ঃইহা নিম্নোদরে প্রজনন যন্ত্র এবং সরলান্ত্রের মধ্যবর্তী স্হানে তীব্র বেদনাসহ প্রকাশ পায় এবং পুনঃপুনঃমুত্রবেগ উপস্হিত হইয়া কখনও রক্তযুক্ত মূত্র ত্যাগ হয়।

সিস্টাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের পার্থক্য বিচার ঃ

অ্যাকোনাইট নেপিলাসঃ-ঠান্ডালাগা হেতু প্রবল জ্বর,অস্হিরতা ইত্যাদি ;অত্যধিক উওপ্ত,ঘোর লাল বা ঘোলা মুত্র,মূত্রযন্ত্রে অত্যান্ত যন্ত্রনা,কখনও বা বিন্দু বিন্দু মূত্রপাত;শিশুগণ লিঙ্গ ধরিয়া চীৎকার করে।

এপিসঃ-মূত্রাশয়-গ্রীবায় উত্তেজনাসহ পুনঃ পুনঃ স্বল্প ঘোলা বা রক্তময় প্রস্রাব;মুএপথে জ্বালা যন্ত্রণা।

আর্নিকা মন্টেনাঃ-আঘাত প্রাপ্তি হেতু কষ্টসাধ্য,ঘোলা ঘোর লাল প্রস্রাব রক্তমুত্র।

বেলেডোনাঃ-আগুনের ন্যায় গরম ও লাল মূত্রসহ মূত্রস্হলী প্রদেশে সামান্য স্পর্শে বা ঝাকানি অসহ্য; পরিস্কার মূত্রত্যাগ হয়,কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তাহাতে উজ্বল লাল,পুনঃপুনঃ মূত্রবেগ সত্বেও বিন্দু বিন্দু প্রস্রাব।

বার্বারিস ভলগারিসঃ-মিএথলীমধ্যে ক্ষণে ক্ষণে সুচীবিধন বা সঙ্কোচনবৎ যন্ত্রণা-মূত্রনালী পর্য্যন্ত ধাবিত হয়-কাটিদেশে বেদনা ;নারাচড়ায় বৃদ্বি।

ক্যান্থারিসঃ-মূত্রস্হলী মধ্যে অসহ্য জ্বালাময় বেদনা ও তাহা মূত্রপথ বাহিয়া অন্ডকোষে জঙ্ঘায় বিস্তৃত হয় লিঙ্গমুন্ডে জ্বালা;প্রচন্ড কুন্থন সহ বিন্দু বিন্দু অগ্নিগোলকবৎ মূত্রত্যাগ,কুন্থন কালে যন্ত্রনা বৃদ্বি;মূত্র ঘোলা ও রক্তময়;অত্যধিক জ্বর সহ অস্হিরতা ও পিপাসা,কিন্তু জল পানে বা দর্শন মাত্রেই যাতোনার বৃদ্বি।

চিমাফিলাঃ-স্বল্প মুত্রমধ্যে অত্যান্ত অধিক পজেশ্লেমাময় আবিলতা;ঘন,দড়িদড়াবৎ ও রক্তময় তলানি,মুত্র ত্যাগান্তেও মুত্রবেগ;জ্বর;নিশাঘর্ম।

কোপেভাঃ-মুত্রস্হলীর গ্রীবায় ও মুত্রপথে জ্বালা এবং মুত্রনালিতে চাপ বোধসহ পুনঃপুনঃ বিন্দুবিন্দু সফেন,গাঢ় হলুদাভ ও ভায়োলেট পুস্পের গন্ধযুক্ত মুত্র; রক্তময় মূত্র।

ডাল্কামারাঃ-ঠান্ডা লাগা হেতু মুত্রস্হলীর দীর্ঘস্হায়ী প্রদাহ;স্বচ্ছ মুত্র-ত্যাগ হয় কিন্তু ক্ষণপরেই তাহা জেলির ন্যায় সাদা বা রক্তাভ শ্লেমামিশ্রিত রক্তের চাপযুক্ত হইয়া পড়ে ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়,শীতল আবহাওয়ায় বৃদ্বি।

জেলসিমিয়ামঃ-মুত্র্রথলী-গ্রীবা পেশীর পক্ষাঘত,মুত্রথলীর স্ফীতি;ক্রমাগত অসাড়ে বিন্দু বিন্দু মুত্রপাত কিন্তু মুত্রত্যাগের চেষ্টা করিলে মুত্র-রোধ;যন্ত্রণাবিহীন।

হায়োসিয়ামাসঃ-মুত্ররোধসহ মুত্রথিলীর অত্যাদিক স্ফীতি;ঘোলা শ্লেমা ও পুজময় আবিলতাযুক্ত মুত্র,অত্যাদিক পিপাসা,বিকার ইত্যাদি লক্ষনে উপযোগী

ক্যালি বাইক্রমঃ-মুত্রপথে জ্বলা;মুত্রত্যাগান্তে মনেহয় যেন থাকিয়া গেল।মুত্রপথ বন্ধ;কিডনীম্যে রক্তাধিক্য।

ল্যাকেসিসঃ-মুত্রথলীর শ্লেমাবিকার বশতঃমুত্রমধ্য পচা দুর্গন্ধযুক্ত শ্লেমা;মুত্রথলীতে বেদনা;প্রায় কালোবর্ণ ও সফেন মুত্র।

লাইকোপোডিয়ামঃ-মুত্রথলী ও নিম্নোদরে অতিব্র ও চাপবৎ যন্ত্রণা;মুত্র ঘোলা,দুর্গন্ধযুক্ত বা ঘন পুজময় আবিলতা যুক্ত,দীর্ঘস্হায়ি মুত্রতলী প্রদাহ,মুত্রশর্করা বা মুত্রপাথুরী প্রবনতা।

মার্কসলঃ-শীত ও কম্পসহ জ্বর; মুত্রতলী প্রদেশে স্পর্শে অত্যান্ত যন্ত্রণা;প্রবল মুত্রবেগ সত্বেও ক্ষীণ ধারায় বিন্দু বিন্দু মুত্রপাত;মুত্র মধ্য শেলমা,পুজ ও রক্ত;প্রমেহ জনিত মুত্রতলী প্রদাহ।

নাইট্রিক অ্যাসিডঃ-মুত্রত্যাগ কালে মুত্রনালি ও নিম্নোদরে জ্বালা,মুত্রত্যাগকালে শীতল বোধ হয়।

ফসফরিক অ্যাসিডঃ-মুত্র দেখিতে অবিকল দুগ্ধের ন্যায় এবং শীঘ্রই বিক্লত হইয়া যায়।

পালসেটিলাঃ-ঠান্ডা লাঘা হেতু মুত্রথলী প্রদাহ ;মুত্রথলী প্রদেশে যন্ত্রনা,মুত্রত্যাগে অন্তে মুত্রথলী গ্রীবায় আক্ষেপিক যন্ত্রনা অন্তঃসত্বাবস্হায় মুত্রথলী প্রদাহ।

সেনেগাঃ-বৃদ্ধদিগের মুত্রথলীর শ্লেমাবিকার;সুগাঢ় বর্নের স্বল্প-মুত্র ও তাহা ঝাকিলেই ফেনাযুক্ত হইয়া পড়ে;ক্ষণ পরেই মুত্র ঘন ও ঘোলা হইয়া যায়।

সিপীয়াঃ-মুত্রথলরি পুরাতোন প্রদাহ সহ নিম্নোদরে স্ফীতি,মুত্রমধ্যে শ্লেমাস্রাব (প্রতিবারোই হয় না)মুত্রথলীর মধ্য জ্বালা;ঘন,হড়,হাড়,অতীব দুর্গন্ধযুক্ত মুত্র ও ঘোলা মুত্রের উপর চর্বির ন্যায় পদার্থ ভাসিতে থাকে।

সালফারঃ-দিবারাত্র অবিরাম মুত্রবেগ সহ অতিকস্টে রক্তময় প্রস্রাব;ত্যাগের পুর্বে নিম্নোদরের উপর ও মুত্রপথে কর্ওনবৎ যন্ত্রনা;মুত্র দুর্গন্ধযুক্ত ও তাহার উপর চর্বিযুক্ত পর্দ্দা ভাসিতে থাকে।

টেরিবিম্থিনাঃ-নিম্নোদরে স্পর্শ সহ্য হয় না ;মুত্রথলরি মধ্য আক্ষেপ,কিডনি প্রদেশে জ্বালা;মুত্রমধ্য ঘন,হড় হড়ে,কর্ন্দমবৎ তলানি।

থুজাঃ-পুনঃ পুনঃ মুত্রবেগ সহ প্রচুর পরিমাণে স্বচ্ছ মুত্রত্যগ –কিন্তু তাহা ক্ষণ পরেই ঘোলা হইয়া যায ;মুত্রত্রাগকালে ও পরে মুত্রপথে জ্বালা ও সরলান্ত্র হইতে মুত্রতলীর মধ্য খোঁচা লাগার ন্যায় যন্ত্রনা;প্রমেহ বিষদুষ্টি।

ইউভা আর্সি ঃ-মুত্রকৃচ্ছতা সত্বেও ঘন ঘন মুত্রবেগ সহ অত্যান্ত মুত্র-ত্যাগের পর মুত্রথলীতে জ্বালা ও কাটিয়া ফেলার ন্যায় যন্ত্রনা;প্রচন্ড কুন্থন সহ অত্যাদিক আঠালো শ্লেমা এবং কখনো বা রক্তময়,জ্বর,অস্হিরতা,হাত পা ও মুখের শীতলতা সহ ঘোলা ও পুজ রক্তময় প্রস্রাব;মুত্রত্যাগের প্রথম ভাগে জ্বালাময় বেদনা।

আর্সেনিক এল্বামঃ-জ্বর অস্হিরতা,হাত পা ও মুখের শীতলতা সহ ঘোলা ও পূজরক্তময় প্রস্রাব;মুত্রত্যাগের প্রথম ভাগে জ্বালাময় বেদনা।

কিউবেরা ঃ-মুত্রস্হলীর দীর্ঘস্হায়ী প্রদাহ ;শেষ বিন্দু মুত্র ত্যাগকালে অশেষ যন্ত্রনা;সফেন,রক্তময় ও ভায়োলেট পুষ্পের গন্ধযুক্ত মুত্র;রক্তমুত্র।

প্যারিরা ব্রাভা ঃ-লিঙ্গমুন্ডে দুরন্ত বেদনা ও প্রবল কুন্থন সহ অবিরত মুত্রবেগ;মুত্রমধ্য প্রভুত পরিমানে ঘন দড়িদড়াবৎ শ্লেমা ও মূত্র অ্যামোনিয়ার গন্ধ; হামাগুড়ি দিয়া বসিয়া মূত্রত্যাগ করিতে হয়।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে একক ঔষধ নির্বাচনঃ

INFLAMMATION (cystitis)


Acute -- Acon., Ant. t., Apis, Ars., Aspar., Bell., Benz. ac., Berb. v., Camph., Camphror. ac., Can. s.Canth., Caps., Chimaph., Con., Cop.Cub., Dig., Dulc., Elat., Equis., Erig., Eucal.Eup. purp., Ferr. ac., Ferr. p.Gels., Helleb., Hydrang., Hyos., Lach., Merc. c., Methyl. bl., Nit. ac., Nux v., Ol. sant.Pareira, Petros., Pichi, Pip. m., Pop. tr., Prun. sp., Puls., Sabal, Sab., Sars., Saurur., Sep., Stigm., Sul., Tereb., Tritic., Uva, Vesic.
Cause
Cantharis [Abuse of] -- Apis, Camph.
Gonorrhœa -- Bell., Benz. ac., Canth.Cop., Cub., Merc. c., Puls., Sabal.
Operations, and in pregnancy -- Pop. tr.
Fever, strangury [with] -- Acon., Bell., Canth., Gels., Hydrang., Stigm.
Chronic -- Ars., Bals. per., Baros., Benz. ac., Berb. v., BuchuCan. s.Canth., Carbo v., Caust.Chimaph., Coccus, Col., Cop., Cub., Dulc.Epig., Eryng. aq., Eucal., Eup. purp.Fabiana, Grind., Hydr., Iod., Junip., Kava, Lith. c., Lyc., Merc. c., Nit. ac., Pareira, Pichi, Pip. m., Pop. tr., Prun. sp., Puls., Rhus ar., Sabal, Santon., Senega, Sep., Silph., Stigm.Tereb., Thlaspi, Thuya, Tritic., Tub., Uva, Vesic., Zea.


উপরোক্ত ঔষধ ছাড়াও অনেক ঔষধ প্রয়োজন হতে পারে।ডাক্তারের অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিষয়।বিশেষ শকর্কতাঃডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে চিকিৎসা করিবেন না।

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন। লিঙ্ক ঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
গোঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

ক্যানসারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সফলতার কৌষল।

Successful techniques for cancer homeopathic treatment


ক্যান্সার বা কর্কটরোগ কি ও এর লক্ষণ সমুহঃ
অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন সংক্রান্ত রোগসমূহের সমষ্টি। এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি।এর কারণ প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার রোগ সহজে ধরা পড়ে না, ফলে শেষ পর্যায়ে গিয়ে ভালো কোন চিকিৎসা দেয়াও সম্ভব হয় না। বাস্তবিক অর্থে এখনও পর্যন্ত ক্যান্সারের চিকিৎসায় পুরোপুরি কার্যকর কোনও ওষুধ আবিষ্কৃত হয় নি। ক্যান্সার সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পরলে এই রোগ সারানোর সম্ভাবনা অনেকাংশ বেড়ে যায়। ২০০ প্রকারেরও বেশি ক্যান্সার রয়েছে। প্রত্যেক ক্যান্সারই আলাদা আলাদা এবং এদের চিকিৎসা পদ্ধতিও আলাদা। বর্তমানে ক্যান্সার নিয়ে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে এবং এ সম্পর্কে নতুন নতুন অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
কারণঃ ঠিক কি কারণে ক্যান্সার হয় সেটা এখনও নিশ্চিত নয়।তবে সাধারণ কিছু কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে।সাধারণত বয়স যত বাড়তে থাকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে, কারণ এ সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এক হিসেবে দেখা যায় যত মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাদের শতকরা ৭০ ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের ওপর।খাবার এবং জীবণ যাপনের ধারার সাথে ক্যান্সারের গভীর সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে গবেষকরা। যেমন,ধুমপান বা মদ্যপানের সাথে ফুসফুস মুখ ও কন্ঠনালী এবং যকৃত বা লিভারের
 ক্যান্সারের যোগাযোগ রয়েছে।তেমনই ভাবে পানসুপারি,জর্দা,মাংশ,অতিরিক্তলবন চিনি,ইত্যাদি খাবারের সাথেও ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে।যারা সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম কম করে তাদের মধ্যেও ক্যান্সারের প্রবণতাটা বেশি।ক্যান্সারের সাথে জিনগত সম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে।এই কারণে পরিবারের কারো যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা থাকে তাহলে অন্যদেরও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যায়। রাসায়নিক পদার্থের সাথে ক্যান্সারের অনেক বড় একটা সম্পর্ক রয়েছে। যেমন, মেসোথেলিওমিয়া-তে (এক ধরনের দূর্লভ ক্যান্সার, এতে ফুসফুসের চারপাশ এবং পেটের দিকের কোষগুলো আক্রান্ত হয়) আক্রান্তদের ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই এসবেস্টস ধাতুর সংস্পর্শে আসার কারণে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।সাধারণত জাহাজ তৈরির শিল্পের সাথে যারা জড়িত তাদের এই ধাতুর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাটা বেশি থাকে। এই কারণেই অনেক দেশে এই ধাতুর ব্যবহার নিষিদ্ধ।একইভাবে রঙের কারখানা, রাবার বা গ্যাসের কাজে যারা নিয়োজিত তারা এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসার কারণে মুত্রথলিব ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে অনেক দেশে এসব রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরিবেশগত কারণের অন্যতম একটা হচ্ছে সূর্য।রোদে বেশিক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।তেজস্ক্রিয়তার কারণেও বিভিন্ন ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
লক্ষণসমুহঃএকেক ক্যান্সারের জন্য একেক ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে।তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ হচ্ছে:


  1. *খুব ক্লান্ত বোধ করা।
  2. *ক্ষুধা কমে যাওয়া।
  3. *শরীরের যে কোনজায়গায় চাকা বা দলা দেখা দেয়া।
  4. *দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙ্গা।
  5. *মলত্যাগে পরিবর্তন আসা  ডাইরিয়া,কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের সাথে রক্ত যাওয়া।
  6. *জ্বর রাতে ঠান্ডা লাগা বা ঘেমে যাওয়া।
  7. *অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা।
  8. *অস্বাভাবিক রক্তপাত হওয়া।
  9. *ত্বকের পরিবর্তন দেখা যাওয়া।


ক্যানসারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেত:

অ্যান্টি-ক্যানসার ওষুধসমুহ(anti-cancerous remedies) ঃ
* ক -গ্রুপের-আর্জেন্টাম নাইট,আর্সেনিক এল্বা,আর্স আয়োড,অ্যাসাফোটিডা,অরাম মেট,অরাম মিউর নেট,বিসমাথ,ব্রোমিয়াম,ক্যাল্কেরিয়া আর্স,কার্বলিক এসিড,কার্বন সালফ,কার্ব ভেজ,কার্ব এনি,চেলিডোনিয়াম,হোয়াংনান,হাইড্রাসটিস,আয়োডিয়াম,ক্রিয়োজোট,ল্যাকেসিস,ল্যাপিস,লাইকোপোডিয়াম,ম্যাগমিউর,ফসফরাস,ফািইটোলক্কা,রেডিয়াম,স্কিরিনাম,সেম্পারভিয়াম,সিকেলি,সাইলেসিয়া,সিফিলিনাম,ট্যারেন্টুলা,থুজা,ভিস্কাম এল্বা,এক্স-রে ইত্যাদি।

*খ -গ্রুপের -অ্যাকোনাইটরেডিক্স,অ্যালুমেনা,অ্যাপিস,অ্যামব্রাগ্রেসিয়া,অ্যানথ্রাসিনাম,অ্যান্টিম ক্লোরাইড,আর্জেন্টাম মেট,অ্যাসটারিয়াস,অরাম আর্স,অরাম মিউর,ক্যাল্কেরিয়া সালফার, চায়না, সিস্টাস,ক্লেমেটিস,ক্রোটেলাস,ফুলিগোলিগ,গেলিয়াম,জেরানিয়াম,গ্রাফাইটিস,হ্যামামেলিস,ইগ্নেশিয়া,আইরিস ভার্স,কেলি আর্স,কেলি বাইক্রম,কেলি কার্ব,কেলি সাইন,কেল আয়োড,কেলি ফস,কেলি সালফ,মর্ফিয়া, মিউরেক্স,মার্ক আয়োডফ্লে,নেট্রামকার্ব,ক্রোকোডাইলনে ট্রামমিউর,প্লাম্বাম, আয়োড,সোরিনাম,রেডিয়াম, রবিনিয়া,রুটা,স্ক্রুফুলেরিয়া,সিপিয়া,স্টাফিসেগ্রিয়া,সালফার,জিঙ্কাম ইত্যাদি।
ক্যানসারজাত অসুস্হতায় সদৃশ ঔষধ নির্বাচন গাইড ঃ

*চামড়ার ক্ষত বা ঘা -অ্যামব্রাগ্রেসিয়া,অ্যানথ্রাসিনাম,আর্সেনিক এল্বা,আর্স আয়োড,আর্স সালফ ফ্লেবম,অ্যাস্টেরিয়াস,অরাম সালফ,বিউফো,ক্যাল্কেরিয়া সালফ,কার্বলিক এসিড,কার্ব এনি,কার্বোভেজ,কার্বন
সালফ,কোনিয়াম,ক্রোটন,ফেরাম,গ্রালিয়াম,গ্রাফাইটিস,হিপার,ল্যাকেসিস,লাইকোপোডিয়াম,লাইসিন,মার্কুরিয়াস,মিলিফোলিয়াম,নাইট্রিক এসিড,পেট্রোলিয়াম,ফসফরিক এসিড,ফসফরাস,ফাইটোলক্কা,রাসট্ক্স,সিপিয়া,সাইলিসিয়া,স্টাফিসেগ্রিয়া,সালফার,থুজা ইত্যাদি।

*অন্ডকোষের ক্যান্সার –আর্নিকা,কার্বো এনি,ক্লিমেটিস,ফুলিগো-লিগ্রি,ল্যাকেসিস,সাইলিসিয়া থুজা ইত্যাদি।

*অন্ডকোষের থলিতে (উপত্বকজাত)ক্যানসারঃকার্বো এনি,ফসফরিক এসিড ইত্যাদি।

*অন্ত্রে ক্যানসারঃলোবেলিয়া ইরিনাস ইত্যাদি।

*অন্ত্রের নিম্নে ক্যানসার –লাইকোপোডিয়াম,রুটা,টেরেক্সাকাম,নাইট্রিকঅ্যাসিড,ফসফরাস,
সাইলিসিয়া,সালফার থুজা ইত্যাদি।

*পুরুষাঙ্গে ক্যানসার –আর্সেনিক,বেলেডোনা,কার্বনিয়ামসালফ,ব্রোমিয়াম,ফসফরাস,সাইলেসিয়া থুজা ইত্যাদি।

*ফুসফুসে ক্যানসার –আর্সেনিক এল্বা,আর্স আয়োড,ব্রোমিয়াম,কার্বো ভেজ,ক্রোটন,কেলি আয়োড,সিকেলি,থেরিডিয়ন ইত্যাদি।

*মুখে ক্যানসার –ক্রিয়োজোট,মার্ক কর,নাইট্রিক অ্যাসিড ইত্যাদি।

*স্তনে ক্যানসার –অ্যালুমিনা,এপিস,আর্জ.নাইট,আর্নিকা,অরাম,আর্স,নেট্রামকোকোডাইল,ওলিয়াম অ্যানি,মার্কুরিয়াস,কোনিয়াম,হিপার,গ্রফাইটিস,ম্যাগফস,কেলিফস,সাইলেসিয়া,টেরেন্টুলা ইত্যাদি।

* ক্যানসারের রক্তস্রাব,ব্যাথা ও জ্বালা নিবারনে-আর্সেনিক,সিন্নামোনাস,জেরেনিয়াম,হোয়াংনান ইত্যাদি।

* আঘাতের ফলে আহত স্হানে ক্যানসার-বেলিস পে,কোনিয়াম।

* উন্মুক্ত ক্যানসার-এপিস,কার্বলিক অ্যাসিড,ইচিনেশিয়া।

* উপত্বকজাত যেকোনও অর্বুদ-আর্জেন্টাম নাইট,আর্সেনিক এল্বা,আর্স আয়োড, বেলেডোনা,বিউফো,ক্লামেটিস,কোনিয়াম,হাইড্রাসটিস,কেলিসালফ,ল্যাকেসিস,লাইকোপোডিয়াম,ফসফরাস,ফাইটোলক্কা,র‌্যানান স্যাক,সিপিয়া,সাইলেসিয়া খুজা ইত্যাদি।

*কঠিন যেকোনও অর্বুদ-(একটি আসল প্রকৃতির,শক্ত গ্রন্হিময় অর্বুদ বা ক্যানসারে পরিণত হয়)-অ্যালুমেনা,অ্যানার্কাডিয়াম,আর্জেন্টাম মেট,আর্নিকা,কার্ব এনি,কার্বভেজ, কোনিয়াম,গ্রাফাইটিস,হাইড্রসটিস,ল্যাপিস,ফসফরাস,ফাইটোলক্কা,সিপিয়া,সাইলিসিয়া,সালফার ইত্যাদি।

*কালোবর্ণের অর্বুদ-আর্জেন্টাম নাইট,কার্ডুয়াস,ল্যাকেসিস,ফসফরিক এসিড ইত্যাদি।

*কিডনিরোগে ঃ(পরোক্ষভাবে স্হানিক ধংস সৃষ্টি করে বা ধীরে ধীরে যক্ষারোগে আক্রমণ হয়ে চামরার বিনাশ সাধনকারী অবস্হা)-আর্সেনিক এল্বা,আর্স আয়োড,ব্যারাইটাকার্ব, কার্বলিক এসিড,কার্বোনিয়াম সালফ,গ্রাফাইটিস,হাইড্রাসটিস,কেলি বাইক্রম,ক্রিয়োজোট, লাইকোপোডিয়াম,নেট্রাম মিউর,রাস টক্স,সা্ইলেসিয়া থুজা ইত্যাদি।

*কিডনি গোলাকার ভাবেঃ ঃ-সিপিয়া।

*মস্তিষ্কে অর্বুদ-অ্যাসেটিক এসিড,আর্সেনিক এল্বা,আর্স আয়োড,ক্যাল্কেরিয়া কার্ব,কার্বলিক এসিড,কার্ব এনি,কস্টিকাম,কেলি আয়োড,ফসফরাস,সাইলেসিয়া,সালফার,থুজা ইত্যাদি।

*সারকামা(এক মাংসল উপবৃদ্বি বা সংযোগ কলার ক্যানসার)-আর্সেনিক এল্বা, ব্যারাইটা কার্ব,কার্ব এনি,ল্যাকেসিস,ফসফরাস,সাইলেসিয়া,থুজা ইত্যাদি।

*সারকোমা,হাড়ের ক্যানসার-ক্যালকেরিয়া ফ্লোর,হেক্লা লাভা,সিফিলিনাম ইত্যাদি।।

*নাসিকার সারকোমা ঃ আর্সেনিক এলবম,আর্স আয়োড ইত্যাদি।

*আন্ত্রিক প্রদেশে ক্যানসার ঃঅ্যাপিস,আর্সেনিক,বেলেডোনা,কার্বোভেজ, গ্রফাইটিস, হিপার,হাইড্রাসটিস,ল্যাকেসিস ইত্যাদি।

*চোখের কনীকায় ক্যানসার –হাইড্রাস্টিস,ল্যাকেসিস,ফাইটোলক্কা,থুজা ইত্যাদি।

*জরায়ু ক্যানসার-অ্যালুমিনা,অ্যানাকার্ডিয়াম,অ্যাপিস,আর্জেন্টামমেট,আর্সেনিক এল্বা,অরাম মেট,ব্রোমিয়াম,ক্যান্হারিস,ল্যাকেসিস,কেলিবাইক্রম,লাইকোপোডিয়াম,নেট্রাম মিউর, সাইলিসিয়া ইত্যাদি।

*গলায় ক্যানসার –কার্বো এনি,ল্যাকেসিস,লিডাম,ট্যারেন্টুলা ইত্যাদি।

*ঠোটে ধুমপায়ীদের ক্যানসার –কোনিয়াম ।

*ক্যানসারের যন্রনা কমাতে - অ্যাকোনাইট রেডিক্স,এসিড ফস,এপিস,আর্সেনিক এলবম,ব্রাইয়োনিয়া,সাইট্রিকএসিড,কোনিয়াম, হিপার,গ্রফাইটিস,ম্যাগফস,কেলিফস,সাইলেসিয়া,টেরেন্টুলা ইত্যাদি।

* ক্যানসারের রক্তস্রাব,ব্যাথা ও জ্বালা নিবারনে ঃআর্সেনিক, সিন্নামোনাস,জেরেনিয়াম,হোয়াংনান ইত্যাদি।

* আঘাতের ফলে আহত স্হানে ক্যানসার-বেলিস পে,কোনিয়াম।

* উন্মুক্ত ক্যানসার-এপিস,কার্বলিক অ্যাসিড,ইচিনেশিয়া।

* উপত্বকজাত যেকোনও অর্বুদঃ আর্জেন্টাম নাইট,আর্সেনিক এল্বা, আর্স আয়োড, বেলেডোনা,বিউফো,ক্লিমেটিস, কোনিয়াম,হাইড্রাসটিস, কেলিসালফ,ল্যাকেসিস,লাইকোপোডিয়াম,ফসফরাস,ফাইটোলক্কা,র‌্যানান স্যাক,সিপিয়া,সাইলেসিয়া খুজা ইত্যাদি।

*কঠিন যেকোনও অর্বুদ-(একটি আসল প্রকৃতির,শক্ত গ্রন্হিময় অর্বুদ বা ক্যানসারে পরিণত হয়)-অ্যালুমেনা,অ্যানার্কাডিয়াম,আর্জেন্টাম মেট,আর্নিকা,কার্ব এনি,কার্ব ভেজ,কোনিয়াম, গ্রাফাইটিস,হাইড্রসটিস, ল্যাপিস,ফসফরাস,ফাইটোলক্কা,সিপিয়া,সাইলিসিয়া,সালফার ইত্যাদি।

*কালোবর্ণের অর্বুদ-আর্জেন্টাম নাইট,কার্ডুয়াস,ল্যাকেসিস,ফসফরিক এসিড ইত্যাদি।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে ক্যান্সারের একক ঔষধ নির্বাচন কৌশলঃ

CANCER -- Acet. ac., Ananth., Ant. chlor., Apis, Ars., Ars. br., Ars. iod., Aster., Aur. ars., Aur. m. n., Bapt., Bism., Brom., Calc. c., Calc. iod., Calc. ox., Calend., Carb. ac., Carbo an., Carbon s., Carcinos., Choline, Cic., Cinnam., Cistus.Condur.Con., Cupr. ac., Eosin., Euphorb., Form. ac., Formica, Fullgo, Galium ap., Guaco, Graph., Ham., Hoang n.Hydr.Iod., Kali ars., Kali cy., Kali iod., Kreos., Lach., Lapis alb., Lyc., Maland., Med., Phos., Phyt., Radium, Rumex ac., Sang., Semperv. t., Scirrhin., Sedum rep., Sep., Sil., Symphyt., Sul., Taxus, Thuya.



Antrum [of] -- Aur., Symphyt.
Bone [of] -- Aur. iod., Phos., Symphyt.
Bowel, lower [of] -- Ruta.
Breast [of] (See Female Sexual System.) -- Ars. iod., Bar. iod., Brom., Bufo, Carbo an., Carcinos., Condur., Con., Form. ac., Graph., Hydr., Phyt., Plumb. iod., Nat. cacodyl., Scirrhin.
Cæcum [of] -- Ornithog.
Glandular structures [of] -- Hoang nan.
Omentum [of] -- Lob. erin.
Stomach [of] (See Stomach.) -- Acet. ac., Ars., Bism., Cadm. s., Condur., Form. ac., Hydr., Kreos., Ornithog., Phos., Sec.
Uterus [of] (See Female Sexual System.) -- Aur. m. n., Carbo an., Carcinos., Fuligo, Hydr., Iod., Lapis alb., Nat. cacodyl., Nit. ac., Sec.
To relieve pains -- Alveloz., Apis, Anthrac., Ars., Aster., Bry., Calc. ac., Calc. c., Calc. ox., Carcinos., Ced., Cinnam., Condur., Con., Echin., Euphorb.Hydr., Mag. p., Morph., Op., Ova t., Phos. ac., Sil.

উপসংহার ঃক্যান্সারের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীদের মানসিক চিকিৎসার ব্যাপারে জোর দেয়া প্রয়োজন।ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীরা বেশ মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যান,অনেকে মানসিক ভাবে ভেঙ্গেও পরেন।এই কারণে অনেক সময়ে তাদের অবস্থা বেশি গুরুতর না হলেও অনেকে দ্রুত মারা যান।ফলে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেয়া চিকিৎসকের কাজ।উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের সেবা দেয়ার জন্য বিভিন্ন সংগঠনও আছে।এর মধ্যে একটি হচ্ছে ক্যান্সার আক্রান্তদের একটি গ্রুপ গঠন করেছেন।যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করতে পারেন।এর পাশাপাশি যোগ,মেডিটেশন ইত্যাদির মাধ্যমেও রোগীদের মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার শিক্ষা দেয়া হয়।এর পাশাপাশি মানসিক স্বস্তির জন্য কেউ যদি ধর্মীয় বা সামাজিক কোন কাজে নিয়োজিত হতে চান সে ব্যাপারেও তাদেরকে উৎসাহ দেয়া হয়।

খাদ্য অব্যাস ঃন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টার সিঙ্গাপুর (N.C.C.S) ও Sing Health দলের সদস্য বিশেষজ্ঞরা, ক্যান্সার হবার আগে, সময়ে ও পরে কি খাবার খাওয়া উচিত তার কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রয়োজনীয় খাদ্য নিম্নরূপঃশাকসবজিঃভিটামিন এবং ফাইবারের জন্য টমেটো,গাজর,ডাল, কুমড়া এবং শালগম. টমেটো,পার্সলে পাতা (প্রোস্টেট ক্যান্সার রোগীদের জন্য বিশেষভাবে ভালো)ব্রকলি, ফুলকপি ও বাঁধাকপি মত ক্রুসীফেরাস সবজি উদ্ভিদ।রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে জন্য করলা,ক্যালসিয়াম ও লৌহ জন্য সবুজ শাক সবজি,ফল,ভিটামিন সি এর জন্য কমলালেবু ইত্যাদি।ভিটামিন এবং ফাইবারের জন্য-কলা, কিউই,পীচ,আম,নাশপাতি এবং স্ট্রবেরি।শক্তি বৃদ্ধির জন্য-পেয়ারা, ডুমুর,আলুবোখারা এবং কিশমিশ,প্রোটিন, চর্বিহীন মাংস,মাছ,হাঁস-মুরগি,ডিম,ডেইরিপণ্য,বাদাম,শুকনো মটরশুটি এবং ছোলা,মাছ এবং সয়া সস খাবার(প্রোস্টেট ক্যান্সার রোগীদের জন্য বিশেষভাবে ভালো) শর্করা রাইস, নুডলস,সমগ্র শস্য রুটি এবং পাস্তা ভুট্টা,আলু, মটরশুটি এবং দুগ্ধজাত খাবার,মধু-ব্যাকটেরিয়া বিরোধী এবং ফাংগাস বিরোধী বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ যা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
ক্যান্সার রোগীর যেসব খাবার ত্যাগ করতে হবেঃ ডুবা তেলে ভাজা,গ্রীল বা ভাজা মুরগী,লবণ,মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার,লাল মাংস,আচার,জ্যাম, জেলি, অ্যালকোহল,ধূমপাম,তামাকজাত দ্রব্য ইত্যাদি।

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।
আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.aslamconsole.android.evahomeohall&fbclid=IwAR3mHp4BauqONW3oiO3eVCVTaCqrsPvcY5Z4qq3826ps_Avf6-wN-SixmEg

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮।
গঃ রেজি নং ২৩৮৭৬।

সোমবার, জুলাই ৩০, ২০১৮

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি ও মাত্রা তত্ত্ব

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাত্রা ও শক্তি নির্বাচন।



মহাত্মা হ্যানিম্যান বলিয়াছেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সাফল্যের জন্য নির্ভুল ঔষধ নির্বাচনই যথেষ্ট নহে,পরন্তু কিরুপ ক্ষেত্রে কত শক্তির কি পরিমান বা মাত্রা প্রয়োগ করা উচিত সে সম্পর্কে জ্ঞান থাকা উচিত।
 আমরা সকোলেই জানি হোমিওপ্যাথিতে রোগ বলিতে কোন স্হুল বস্তু বুঝায় না এবং তাহা আমাদের  সুস্হ্য দেহকেও আক্রমণ করে না।সোরা যাহাকে আমি যৌন চেতনার বিকৃত পরিণতি বলিয়া মনে করি,তাহারই অধিকারে আমাদের জৈব প্রকৃতির স্বাভাবিক গতি বা রীতিনীতি বিশৃঙ্খলা হইয়া পড়িলে দেহ ও মনে যে অস্বাভাবিক অনুভুতি ও অভিব্যক্তি প্রকাশ পায়,ব্যাধি তাহার নামান্তর মাএ।ইহা কোন স্হূল ব্যাপারে নহে,কাজেই প্রতিকার কল্পে আমরা যে উপায় অবলম্বন করিব তাহা স্হূল হইলে চলিবে না।এইজন্য রোগশক্তির সমকক্ষ করিয়া তুলিবার জন্য ঔষধকেও সুক্ষ্ম অথচ শক্তিশালী অবস্হায় লইয়া যাওয়া উচিত।
উহাকে dynamization বা তীক্ষ্ণ করা বুঝায়।
dilution ভুল এইজন্য যে তাহার অর্থ তরল করা।
 অনেকের ধারণা এই যে,ঔষধ সুনির্বাচিত হইলে শক্তি নির্ণয়ের জন্য মাথা ঘামানোর কোন প্রয়োজন নাই,যে কোন শক্তিতেই তাহা কাজ করিবে।এ ধারণা যথার্থ নয়।কারণ,ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায়,মানসিক পীড়াপ্রধান রোগীকে
 কোন সুনির্বাচিত ঔষধের নিম্ন শক্তি দিয়ে কোন ফল পাওয়া যায় নাই।সেখানে হয়তো সেই ঔষধের উচ্চতর শক্তি প্রয়োগ করিয়াই বিশেষ ফল পাওয়া গিয়াছে।তা ছাড়া রাসায়নিক ও খনিজ পদার্থ হইতে প্রস্তুত অনেক ঔষধ যেমন-- সালফার,ক্যালকেরিয়া কার্ব্ব, নেট্রাম-মি, সাইলিসিয়া,ফেরাম, জিংঙ্কাম প্রভৃতি খুব নিম্ন শক্তিতে বিশেষ কার্যকরী হয় না।উচ্চ শক্তিতে তাহাদের কার্যকারীতাই অধিকতর পরিস্ফুট। আবার আরেক দিকে এমন কতকগুলি অবস্হা আছে যেখানে উচ্চ শক্তির ঔষধ প্রয়োগ,ছুঁরিকা বিদ্ধ করিয়া হত্যা করিবার নামান্তর বলে বর্ণিত হইয়াছে।
যেমন-- যক্ষ্ণা রোগে উচ্চশক্তির সালফার,সাইলেসিয়া প্রভৃতি।সেখানে এই সকল ঔষধ উচ্চ শক্তিতে প্রয়োগ করিলে রোগীকে মৃত্যুর পথে আরও অগ্রসর করিয়া দেওয়া হয় মাএ। তাহা ছাড়া সাধারণ চিকিৎসা ক্ষেত্রেও শক্তির তারতম্য যে রোগের হ্রাস-বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এ বিষয়ে প্রত্যেক চিকিৎসক মাত্রই প্রত্যক্ষ্য অভিজ্ঞতা আছে।যেমন-- সালফার,ক্যালকেরিয়া কার্ব্ব, নেট্রাম-মি, সাইলিসিয়া, ফেরাম, জিঙ্কাম প্রভৃতি খুব নিম্ন শক্তিতেবিশেষ কার্যকরী হয় না।উচ্চ শক্তিতে তাহাদের কার্যকারীতাই অধিকতর পরিস্ফুট। আবার আরেক দিকে এমন কতকগুলি অবস্হা আছে যেখানে উচ্চ শক্তির ঔষধ প্রয়োগ ছুঁরিকা বিদ্ধ করিয়া হত্যা করিবার নামান্তর বলে বর্ণিত হইয়াছে।যেমন-- যক্ষ্ণা রোগে উচ্চশক্তির সালফার,সাইলেসিয়া প্রভৃতি।সেখানে এই সকলঔষধ উচ্চ শক্তিতে প্রয়োগ করিলে রোগীকে মৃত্যুর পথে আরও অগ্রসর করিয়া দেওয়া হয় মাএ। তাহা ছাড়া সাধারণ চিকিৎসা ক্ষেত্রেও শক্তির তারতম্য যে রোগের হ্রাস-বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এ বিষয়ে প্রত্যেক চিকিৎসক মাত্রই প্রত্যক্ষ্য অভিজ্ঞতা আছে।শক্তির ঔষধের উপর তেমন নির্ভরতা দেখা যায় না।আবার যাঁহারা উচ্চ শক্তিতে আহরণ করিয়া আছেন, তাঁহারা উহার কার্য্যকারিতায় এরুপ আকৃষ্ট যে,নিম্ন শক্তিতে নামিতেই চান না।এই উভয় তন্ত্রের চিকিৎসক তাঁহাদের গোঁড়ামি পরিত্যাগ করিয়া বৈজ্ঞানিক মন লইয়া ঔষধের শক্তি সন্মন্ধে যদি গবেষণা করেন তাহা হইলে তাঁহাদের পুর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতার ফল সকল হোমিওপাথিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীগণের সহায়ক হইতে।তদপেক্ষা কম মাএায় মুখ হইতে লালা স্রাব, ঘর্ম্ম,বৃক্কের (Kidney) প্রদাহ প্রভৃতি লক্ষণ প্রকটিত করে,আবার তদপেক্ষা আরও স্বল্প মাএায় ( অর্থাৎ হোমিওপাথিক উচ্চতর শক্তিতে) সুক্ষ্ম লক্ষণ সমুহ ( মানসিক লক্ষণ)প্রকাশ করায়।
( ক) লক্ষণ সমুহ মুখ্যতঃ স্হুুল দেহেই নিবন্ধ থাকিলে( Gross pathological states)( নিম্ন শক্তি ৩x হতে ৩০ শক্তি।)
( খ) যান্ত্রিক ক্রিয়ার গোলযোগ মুখ্য হইলে (Functional disorders) মধ্যম শক্তি (৩০ হইতে ২০০) এবং
(গ) সূক্ষ্ম মানসিক লক্ষণের প্রাধান্যে উচ্চতর শক্তি(২০০ হইতে উর্দ্ধ) প্রযোগ করা যাইতে পারে।
(ঘ) ব্যবহারিক ক্ষেএে আরও একটি নিয়ম প্রণিধান যোগ্য যথা-- প্রাণ সংরক্ষণে " যে যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা যত কম ( Less vital) ঔষধের শক্তি তাহাতে তত উচ্চ প্রয়োগ করা যাইতে পারে।অপর পক্ষে যে শারীর যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা যত বেশী তাহার জন্য তত নিম্ন শক্তির ব্যবহার প্রয়োজন হয়।দৃষ্টান্ত স্বরুপ বলা যাইতে পারে যে, -- কোনো রোগীর বৃক্ক যন্ত্রের গুরুতর পীড়ার লক্ষণ প্রকাশ পাইলে সেখানে নিম্ন শক্তির ঔষধ প্রয়োগ করাই সমীচিন। সেই রুপ কোন যক্ষ্ণা রোগীর ফুসফুস ভীষণ ভাবে আক্রান্ত হইলে সেখানেও উচ্চ শক্তি ব্যবহার করা বিধি সঙ্গত নহে।হৃদরোগ সন্মন্ধেও মনে হয় এ কথা খাটে ।এ সন্মন্ধে ডাঃ কেন্ট বিশেষ ভাবে সতর্ক করিয়া গিয়াছেন।অপর পক্ষে, চর্ম্ম রোগে উচ্চতর শক্তির ঔষধ দিতে কোন বাধা নাই,বরং সুচিন্তিত ও বিচারসহ বলিয়াই মনে হয়।তিনি বলেন,-- কোনও রোগীর পীড়া- প্রবণতার ক্রম বা পরিমান ( Degree of susceptibility) ব্যক্ত হয় তাহার লক্ষণ সমষ্টির ভিতর দিয়া।রোগের লক্ষণ সমষ্টি প্রকাশ পায় যত বেশী,নির্বাচিত ঔষধের সহিত তাহার সাদৃশ্যও মিলে তত বেশী।আবার ঔষধের সহিত লক্ষণ সমষ্টির সাদৃশ্য যত বেশী অনুভুত হয়, সেই ঔষধ যে তত বেশী গভীর প্রতিক্রিয়া আনয়ন করিতে সমর্থ হইবে তাহাতে কোন সন্দেহ নাই।সেই জন্য লক্ষণ সমষ্টির ব্যঞ্জনা যত অধিক স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ পাইবে সুনির্বাচিত ঔষধের তত অল্প পরিমান ( অর্থাৎ উচ্চ শক্তি) ব্যবহার করাই সঙ্গত। অবশ্য গুরুতর যান্ত্রিক পীড়ায় যেখানে রোগীর জীবনী শক্তি অতি ক্ষীণ এবং ঔষধের প্রতিক্রিয়া সহ্য করিতে অসমর্থ সেখানে এ নিয়ম খাটে না -- এই স্হলে ঔষধের নিম্ন শক্তি ব্যবহার করাই নিরাপদ ।
মুতরাং ঔষধ সুনির্বাচিত হওয়া সত্বেও তাহার শক্তি নির্বাচন যে রোগ উপসমের পক্ষে একটি অপরিহার্য্ বিষয় তাহা স্বীকার করিতেই হইবে।সাধারনতঃ যাঁহারা নিম্ন শক্তির ঔষধই বেশী ব্যবহার করেন তাঁহাদের উচ্চ ও নিম্ন শক্তির স্ব স্ব ক্ষেএ আছে।সেই ক্ষেত্রে একটি বিশিষ্ট শক্তিই অন্যটি অপেক্ষা সমধিক উপযোগী।কোন বিশেষ ক্ষেত্রে কোন শক্তি প্রয়োগ করা বিধেয়,সে সন্মন্ধে ধরাবাঁধা একটা নিয়ম বাঁধিয়া দেওয়া চলে না।একজন চিকিৎসকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উপরই তাহা প্রধানতঃ নির্ভর করে।
সুস্থ দেহে ঔষধের প্রুভিং বা পরীক্ষা নিরীক্ষার দ্বারা হোমিওপাথিক ঔষধের লক্ষণ -সমষ্টি নির্ণীত হয়।ঔষধের লক্ষণ সমষ্টির সহিত শক্তি নির্বাচন সন্মন্ধেও একটা সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া য়ায়।
ডাঃ মহাত্মা হ্যানিম্যানের ষষ্ঠ সংস্করণ অনুযায়ী পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতির ঔষধ সেবন রোগীর আদর্শ আরোগ্যের চাবিকাঠি। দ্রুত ও বিনা কষ্টে আরোগ্য লাভের জন্য পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতির ঔষধ নির্বাচন জরুরি।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ডি এইচ এম এস ঢাকা
এম এস এস রাষ্ট্রবিজ্ঞান।
ইভা হোমিও হল
গঃরেজি নং ২৩৮৭৬

মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮

বৃহস্পতিবার, জুলাই ১২, ২০১৮

কার্বাঙ্কলের(Carbuncle) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

Homeopathic medicine for carbuncle

কার্বাঙ্কল বা বিষ ফোড়া কি ?
তীব্র বেদনাসহ ফোলা বা ত্বকে একাধিক ফোঁড়া,যাহা সাধারণত স্টাফালোকোক্কাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত একটি সাংঘাতিক ধরনের ফোড়া।ফোড়ার অনেকগুলি ছোট ছোট মুখ থাকে।কার্বাঙ্কলে পুজ জন্মিবার পূর্বে অত্যন্ত বেদনা ও জ্বালা থাকে।সেই জ্বালা রাতেই বেশী হয়।কার্বাঙ্কল সাধারনতঃ কোমর,ঘাড়ে,পিঠে ও কনুইতে বেশী দেখা দেয়।কার্বাঙ্কলে পুজ না হইলে বিপদের আশঙ্কা বেশি।বৃদ্ধ মানুষের ও ডায়াবেটিস রোগী কার্বাঙ্কল মারাত্মক হয়।
এনথ্র্যাসিনাম(Anthracinum)কার্বাঙ্কল অর্থাৎ বিষ ফোড়ায় ছোট ছোট ছিদ্র হইতে রস ঝরে।ভয়ানক স্পর্শ কাতরতা বেদনা ও জ্বালা।সেই বেদনা ও জ্বালায় রোগী ছট ফট করে।জ্বালা যন্ত্রণা ঠান্ডা জলে উপশম।আক্রান্ত স্হান স্পন্জের মত ছোট ছোট ছিদ্রপুর্ণ; রং  কালচে তার সাথে জলের মত পাতলা পুজ বা রস নির্গত হয়,পূজে ভয়ানক দুর্গন্ধ, স্পর্শকাতর বেদনা,জ্বর থাকে।
আর্সেনিক এলবাম(Arsenic album)রোগী অত্যন্ত অবসাদ, অর্ন্তদাহ, অস্হিরতা,মৃত্যৃ ভয়,পুনঃ পুনঃ অল্প পরিমাণে জল পান করে।কার্বাঙ্কলের জ্বালা যন্ত্রণা ঠান্ডায় বৃদ্ধি।রাত ১২টা থেকে ২টায় বৃদ্ধি।উত্তাপে উপশম হলে উপযোগী।
কার্বভেজ(Carbo veg)দুষ্ট ব্রন,কালো রংয়ের ক্ষত হইতে দুর্গন্ধ পুজ বা রস ঝরে।অত্যন্ত জ্বালা,সেই জ্বালা যন্ত্রণা রাতে বৃদ্ধি,ঠান্ডায় উপশম,রোগী নিয়মিত পাখার বাতাস চায়।ইহাই কার্বোভেজের প্রধান পরিচয়।
ল্যাকেসিস(Lachesis) কার্বাঙ্কলের স্হানটি বেগুনী রংয়ের,তাহাতে সহজে পুজ হতে চায় না যদিও অল্প হয় তাহা রক্ত যুক্ত।অত্যন্ত জ্বালা,সে জ্বালা যন্ত্রণা নিদ্রার উপক্রম কিংবা নিদ্রা ভঙ্গ হইলেই বৃদ্ধি পায়।
নাইট্রিক এসিড(Nitric Acid)রোগীর তিব্র বেদনা,বেদনার সাথে রাত্রিতে প্রচুর ঘর্ম, ও  বেদনায় বৃদ্ধি  পেয়ে থাকে।কার্বাঙ্কলের বেদনা রাত্রিতে বৃদ্ধিসহ ক্ষতের প্রকৃতি এসিড নাইট্রিকের নির্বাচন লক্ষণের সাথে সদৃশ হলে উপযোগী।
মাইরিস্টিকা(Myristica)
মাইরিস্টিকা কার্বাঙ্কালের অপারেশনের কাজ করে।রোগের প্রথম অবস্হায ঘনঘন কয়েকমাত্রা প্রয়োগেই বেদনা উপশম হয়।পুজ থাকলে ফেটে যায় আর পুজ না থাকলে সমূলেই আরোগ্য হয়।
পাইরোজিনাম(Pyrogenium) কার্বাঙ্কলে যখন সেপটিক আকার ধারন করে তখন পাইরোজিনাম শ্রেষ্ঠ ঔষধ।রোগী সেপটিক জ্বর,বমি ডাইরিয়াসহ অত্যন্ত বেদনা জ্বালা ও হিংস্রতা প্রকাশ পায়।প্রচন্ড মাথা বেদনার সাথে রোগীর শরীরে বিষক্রিয়ায় ছটফট করিতে থাকলে উপযোগী।
রাসটক্স(Rhus Tox)কার্বাঙ্কলের প্রথম অবস্হায় যখন চারপাশে তিব্র বেদনাও চুলকানি, মুখমন্ডল ফ্যাকাশে,বেদনায় অস্হিরতা,ছটফটানি দেখা দেয়,এর রং কালচে ও লালচে ভাব থাকে বেদনা নড়াচড়ায় আরাম পায় তখন রাসটক্স প্রয়োজন হয়।
সিকেরি কর(Secale cor) কার্বাঙ্কলে যখন গরম তাপ সহ্য হয় না অন্তরে জ্বালায় ছটফট করে,ভেতরে গরম দেহের বাইরে ঠান্ডা থাকে তখন সিকেলি কর উপযোগী।
সাইলেসিয়া(Silicea)কার্বঙ্কল যখন আলসারেটিভ রুপ নেয়,আস্তে আস্তে ক্ষত জটির আকার ধারন করে,ক্ষতে গরম স্যাকের অভিলাস করে।ঘাড়ে,বাহুতে কার্বঙ্কলে সাইলেসিয়ার নির্বাচক লক্ষণ নিয়ে উপস্হিত হয় তখন সাইলেসিয়া প্রয়োজন।
মার্ক আইয়োড(Merc iod)মার্ক আইওড ফোড়া এবং carbuncles inflammatory পর্যায়ে জন্য একটি চমৎকার ঔষধ; কোন পুজ হয় না যখন ব্যাথার তীব্রতা এবং ব্যথার সঙ্গে তীব্র লাল জ্বলজ্বলে রং হয়; গঠিত পুজ যখন সবুজ,পাতলা এবং পানির মত হয় তখন উপযোগী।
স্ট্যাফাইলোকক্সিনাম(Staphylococcinum)এই ঔষধটি carbuncle এবং furuncles জন্য একটি চমৎকার ঔষধ।
ট্যারেন্টুলা(Tarantula) প্রচন্ড জ্বর,আক্রান্ত স্হানের রং নীলাভ, হুল ফুটানো বেদনা, জ্বালা যন্ত্রণা,গাত্রদাহ,ছটফটানি,জল পিপাসা কার্বাঙ্কলে অনেকগুলি মুখ হইয়া তাহা হইতে রসের মত নির্গত হইতে থাকে।ভয়ানক বেদনা ও জ্বালা, কাপ দিয়ে জ্বর আসে,পরে উচ্চ রঙের মত দেখায়।পুয হইলেও অতি অর্প তৎসহ রক্ত,ক্ষতে স্পর্শকাতরতা,জ্বালা।
এব্রোমা আগষ্টাAmbra Griseaবহুমুত্র রোগীদের কার্বঙ্কলে সহজে পুজ না হইলেও অত্যন্ত বেদনা থাকিলে ইহাতে উপকার হয়।বহুমুত্র,শর্করাযুক্ত প্রস্রাব, প্রস্রাবের পরিমান খুব বেশী।মুত্র বেগ ধারণে অক্ষমতা,দুর্বলতা, মাথাঘোরা, অনিদ্রা, শীর্ণতা, কোষ্ঠবদ্ধ, বহুমুত্রজনিত ফোড়া ইত্যাদিতে ইহা ব্যবহার করিবেন।
উপরোক্ত সদৃশ ঔষধ ছাড়াও কার্বাঙ্কলের সদৃশ চিকিৎসায় বেলেডোনা (Belladonna),বিউফো রানা(Bufo)চায়না(China),কার্বলিকএসিড (Carbolic acid),হিপার সাল্ফ(Hepar Sulph),হায়োসিয়ামাস (Hyoscyamus), ক্রিয়োজোট(Kreosote),এসিড মিউর (Muriatic acid) ইত্যাদির প্রয়োজন হতে পারে।
কার্বাঙ্কলের সদৃশ ঔষধ নির্বাচন-কেন্ট রেপার্টরির সাহায্যেঃ
carbuncle : Agar., ant-t., anthr.apis.arn.Ars.Bell.bufo-r.,caps., carb-an., coloc., crot-c.crot-h.echi.hep.hyos.lach.mur-ac., nit-ac., phyt.pic-ac., rhus-t.sec.Sil.sulph.tarent-c.





++ burning : Anthr.apis.ars.coloc., crot-c.crot-h., hep., Tarent-c.
++ purple, with small vesicles around : Crot-c.Lach.
++ stinging : Apis., carb-an., nit-ac.
কার্বাঙ্কলের বাইওকেমিক চিকিৎসা:-
ফেরম ফস:-আক্রান্ত স্হান লাল,চিরিক মারা,দপ দপানি ব্যথায় ইহা উপকারী।
ক্যালি মিউর:-কোষ্ঠ বদ্ধ জিহ্বায় শ্বেত বর্ণের প্রলেপযুক্ত রোগীদের পীড়ার দ্বিতীয়াবস্হায় ফেরাম ফসের সহিত পর্যায়ক্রমে সেবন করিতে
 হয়।
ম্যাগনেশিয়া ফস:-আক্রান্ত স্হানে বেদনা,গরম তাপে বা সেকে উপশম হইলে ইহা অব্যর্থ।
সাইলেসিয়া:-কার্বাঙ্কলে পুজ সঞ্চয় হইতে থাকিলে ইহা উপকারী।
উপসংহারঃ
বৃদ্ধ বয়সে  অথবা ডায়াবেটিস রোগীর কার্বাঙ্কল হলে জীবন সংকটাপন্ন হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত।জ্বালা যন্ত্রনা নিবারনের জন্য পুইশাকের পাতা,টমেটো,আতা গাছের পাতার প্রলেপ উপকারি।তাই বলে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে এই সকল ব্যবহার করে বসে থাকলে ভুল করবেন।কারাবঙ্কল দেখা দেয়া মাত্র একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নিকট চিকিৎসা নিবেন। সামান্য অবহেলা আপনার জন্য অনেক অনেক ক্ষতির কারণ হতে পারে।সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় বিনা কষ্টে দ্রুত আরোগ্য লাভ করবেন।অনেকেই ফোড়া হওয়া মাত্র এ্যালোপ্যাথিক ঔষধ খেয়ে দাবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেণ এর দ্বারা ঔ রোগীর অপুরনিয় ক্ষতি হয়।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অস্ত্রপচার ছাড়া দ্রুত আরোগ্য লাভের একটি সহজ সরল উপায়।তাই বিষফোড়া হলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ছাড়া বিকল্প কোন চিন্তা করা ঠিক হবে না।
আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্ক ঃ
Download Our App from Play Store

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার।
ইভা হোমিও হল।
বাইপাইল,সাভার,ঢাকা।
গভঃ: রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।
মেবাইল:০১৭১৬৬৫১৪৮৮

মঙ্গলবার, জুলাই ১০, ২০১৮

মস্তিস্কের অবসাদ বা ব্রেনফ্যাগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

Do you suffer from brain fag? Solution by Homeopathy.

মস্তিস্কের অবসাদ বা ব্রেণফ্যাগ কি ?
উকিল,জজ,ব্যারিস্টার,রাজনীতিবিদ ইত্যাদি বিষয়ি লোকের অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে মস্তিস্কের শুন্যতাবোধ,স্মৃতি ভ্রম ইত্যাদি স্নায়িবিক লক্ষণ সমষ্টিকে ব্রেণফ্যাগ বলে।
ব্রেইন ফাগ সিন্ড্রোম (বিএফএস)Brain fag syndrome (BFS) ১৯৬০ সালে আর এইচ প্রিন্স(RH Prince)দ্বারা প্রথম বর্ণনা করা হয়েছিল।এটি নাইজেরিয়াতে প্রথম আবিষ্কৃত হয়ে ছিল,হাইস্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের অনিদ্রা সম্পর্কিত এবং মস্তিস্কের দুর্বলতা,মাথা এবং ঘাড়ের ব্যাথা,মনোযোগের অভাব এবং স্মরণ শক্তির অভাব এবং চোখের ব্যথার লক্ষণ সহ বর্ণনা করা হয়,যার কারণ মানসিক চাপ দ্বারা এই রোগ সৃষ্ট হয়।
অত্যধিক মানসিক শ্রম ও দুশ্চিন্তার কারণে মস্তিস্কের অবসাদ বা ব্রেণফ্যাগ হয়ে থাকে।অতিরিক্ত মাত্রায় সুরাপান,যৌণ অত্যাচার,কোন মর্ফিয়া জাতীয় ভেষজের অপব্যবহার ইহার উত্তেজক কারণ।
ব্রেণফ্যাগের লক্ষণসমুহঃ
ব্রেন ফ্যাগের রোগীর মানসিক অস্হিরতা,অনিদ্রা,কোন চিন্তা বা পড়াশোনার প্রতি একাগ্রতার অক্ষমতা ইত্যাদি ব্রেণফ্যাগের রোগীর প্রধান লক্ষণ।
ব্রেণফ্যাগ হতে মুক্তির উপায়ঃ
বিশ্রাম,পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন,মুক্ত বাতাসে পরিমিত ব্যায়াম ও প্রচুর নিদ্রা যাপওয়া এই অবস্হায় চিকিৎসার একটি অংশ।সুনির্বাচিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দ্বারা মস্কিস্ক সবল ও সুস্হ্য হয়ে যায়।

ব্রেইন ফ্যাগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সর্বাধিক জনপ্রিয় হোলিস্টিক সিস্টেম গুলির মধ্যে একটি। হোলিস্টিক পদ্ধতি ব্যবহার করে স্বতন্ত্রীকরণ এবং সদৃশ উপসর্গ তত্বের উপর ভিত্তি করে।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর যন্ত্রণাদায়ক সমস্ত চিহ্ন এবং উপসর্গগুলি সরিয়ে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের অবস্থা পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে।হোমিওপ্যাথির লক্ষ্য কেবলমাত্র মস্তিষ্কের ফ্যাগের চিকিৎসার জন্য নয় বরং এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং ব্যক্তিগত সংবেদনশীলতা মোকাবেলার জন্য।যতক্ষণ থেরাপিউটিক ওষুধ নিয়ে উদ্বিগ্ন,তেমনি মস্তিষ্কের ফ্যাগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন প্রতিকার পাওয়া যায় যা অভিযোগের কারণ,সংবেদন এবং পদ্ধতির ভিত্তিতে নির্বাচন করা যেতে পারে।স্বতন্ত্র প্রতিকার নির্বাচন এবং চিকিৎসার জন্য,রোগীর একজন যোগ্যতা সম্পন্ন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্রেণফ্যাগের ঔষধসমুহঃ
ইথুজা,এনাকার্ডিয়াম,আর্জেন্ট নাইট্রিকাম,ক্যালকেরিয়া কার্ব, ক্যালকেরিয়া ফস,কোক্কুলাস ইন্ডিকা,জেলসিমিয়াম,কেলি ফস,নাক্স ভুমিকা,এসিড ফস,এসিড পিকরিম,সাইলেসিয়া,জিঙ্কাম,কেলি ব্রোম একোনাইট,এগারিকাস,এমন মিউর,আর্নিকা,চায়না,সিমিসিফুগা, হেলোনিয়াস,ইগ্নেসিয়া,লাইকোপোডিয়াম,নেট্রাম মিউর,ফসফরাস, সেলিনিয়াম, কোকা,সাইক্লামেন,গ্রাফাইটিস,ফাইজষ্টিগমা, প্লাম্বাম, পালসেটিলা,সিপিয়া,ষ্ট্যানাম,সালফার,জিঙ্কাম ফস,ভ্যালেরিয়ানা, প্রভৃতিসহ স্নায়বিক দুর্বলতার সদৃশ চিকিৎসার ঔষধসমুহ ব্রেণ ফ্যাগের চিকিৎসায় প্রয়োজন হতে পারে।

ব্রেণফ্যাগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ সদৃশ ঔষধসমুহের নির্বাচন লক্ষণঃ-
***নাক্স ভুমিকা
মস্তিষ্কের দুর্বলতার রোগীর শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, বেশি বেশি মানসিক পরিশ্রম,অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের কুফল,বিলাসি জীবন যাপন এদের জন্য উপযুক্ত।স্মৃতিশক্তির অভাব,মানসিক পরিশ্রম করিলে মাথা ব্যথা,সকালে ঘুম থেকে উঠার পর মাথা ঘুরিলে নাক্স ভুমিকা উপযোগী।নাক্স ভুমিকা প্রয়োগের পরে ফসফরাস ব্যবহার করতে হয়।
***হায়োসিয়মস:-
মস্তিস্ক ও স্নায়ুমন্ডলীর উপর ইহার ক্রিয়া মুখ্য এবং রক্ত সঞ্চালনকারী যন্ত্রের উপর ইহার ক্রিয়া গৌণ।কলহ প্রিয় এবং অধিক কথা 
 বলে, হিংসুক স্বভাব,রোগী সর্বদাই মনে একপ্রকার সন্দেহ-যেন কেহ বিষ প্রয়োগ করিবে,যে স্হানে থাকে মনে করে ইহা যেন তাহার গৃহ নহে, একেলা থাকিবার ভয়,বিষ খাওয়াইবার ভয়,বিক্রয়ে লোকসানের ভয়।পানাহার গ্রহন করিতে ভয়,কারণ কোনও বিষয়ের ষড়যন্ত্র হইতেছে সর্বদা এইরুপ সন্দেহ।হিংসা রাগ কিম্বা ভালবাসায় বঞ্চিত হইবার কুফলে কোনও পীড়ার উৎপত্তি,ব্যবসায়ের সম্বন্ধ লইয়া কিম্বা কোনও বিষয়ে উত্তেজিত হইয়া অনিদ্রা।নার্ভাস ব্যাক্তিগনের অনিদ্রা,সারা রাত্রি ছটফট করে,শ্বাসকষ্ট,ঘুমের মধ্যে দমবন্ধ অবস্হা,হঠাৎ চমকে উঠে এই লক্ষণ বিশিষ্ট ব্রেণফ্যাগের রোগীর জন্য উপযোগী।
***এনাকার্ডিয়াম-
অতিরিক্ত অধ্যয়নজনিত স্নায়বিক-দৌর্বল;রোগী বিষাদপুর্ণ ও আত্মবিশ্বাস হীন, সহজেই রাগান্নিত হয় ও গালাগালি করে;সৃতিশক্তি হ্রাশ পায়,মস্তকে বেদনা বোধ হয়।যেন বাধিয়া রাখা হইছে অথবা কীলক প্রবিষ্ট হইয়াছে এরুপ মনেহয়।পাকাশয় সর্বদাই শুন্য মনে হয়;আহার করিবার সময় সর্বলক্ষণাধি দুর হয়,কিন্তু কয়েক ঘন্টা পরে পুনরায় প্রকাশ পায়।মলভান্ডের দুর্বলবশতঃ কষ্ঠবদ্বতা,ভীতি ও সন্দেহ প্রবনতা- হাটিবার সময় মনেকরে যেনকেহ তাহাকে অনুসরন করিতেছে।
***আর্জেন্টাম নাইট্রিকামঃ
কটিবেদনা, উঠিয়া দারাইতে গেলে বৃদ্ধি,চলিয়া বেরাইলে উপশম,প্রায়ই মাথা ঘুড়ে ও চলিবার সময় দেহ টলিতে থাকে ও গৃহের নিকট দিয়া যাইবার সময় তাহার সহিত ধাক্কা লাগিবে বলিয়া ভয় করে;রোগী সর্ব কর্মেই তারাহুরা করে,অস্হির হৃৎস্পন্দন,মিষ্ট দ্রব্যে স্পৃহা,আহারের পর উচ্চ উদগার;মুক্তবায়ুর আকাঙ্খা,জরাজীর্ন আকৃতির ব্রেণফ্যাগের রোগীর জন্র উপযোগী।
***ক্যালকেরিয়া ফসঃ-
সর্বলক্ষণে ক্যালকেরিয়া কার্বের অণুরুপ।প্রাতে নিদ্রাভঙ্গ হইতে অত্যাদিক বিলম্ব হয়।কটিদেশে ভাঙ্গিয়া যাইবার ন্যায় বেদনা,আহারের পর মাথা ব্যথা,নিদ্রালুতা,অবসন্নতা এবং গলা ও বুক জলা,প্রবল হৃৎস্পন্দন।
***জেলসিমিয়ম:-
ইহা স্নায়বিক দুর্বলের মহৌষধ।অবসন্নতা ও নিদ্রালুতা - রোগি কোন বিষয়েই মনোনিবেশ করিতে পারে না,মস্তিস্কের দুর্বলতা ও শারীরিক ক্লান্তি-উত্তেজক দ্রব্য গ্রহনে সাময়িকভাবে উপশম বোধ হয়।চক্ষু পল্লব যেন টানিয়া তুলিতে পারে না;আনন্দ,দঃখ,ভয় বা কোন প্রকার মানসিক উত্তেজনা হইলেই উদড়াময় প্রকাশ পায়।
***হেলোনিয়াস:-
যে মস্তিস্কের দুর্বল রোগীর কটিদেশে অত্যদিক দুর্বলতা বোধ; অতিরিক্ত পরিশ্রম বশতঃ শারীরিক অবসন্নতা,জরায়ুর স্হানচ্যূতি,নড়াচড়া করিলে ও বিষয়ান্তরে মনোনিবেশ করিলে উপশম বোধ।
***লাইকোপোডিয়াম:-
অতিরিক্ত শ্রমজনিত এবং যকৃতের বিকার সহ যুক্ত স্নায়বিক দুর্বলতা ও ব্রেনফ্যাগের রোগীর স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়,কথা বলিবার সময় প্রায় ভুল করে।মানসিক অবসন্নতা,একাকি থাকতে চায়, কোষ্টবদ্বতা,প্রস্রাব লাল ও স্বল্প,অস্হির নিদ্রা অজির্ন ও উদরাধ্নান,বিকাল ৪ ঘটিকা হইতে রাত্রি ৮ ঘটিকা পর্যন্ত উপসর্গাদির বৃদ্ধি পায়।
***এসিড ফ:-
শোণিত বা বীর্যাদীর অত্যাদিক ক্ষয় বা দীর্গস্হায়ী দুঃখ,অতিরিক্ত মানসিক শ্রম,প্রভৃতি বশতঃ মস্তিস্কের স্নায়বিক-দুর্বল্যের বিশিষ্ট ঔষধ।মেরুদন্ড মধ্যে জ্বালা বোধ,পড়াশুনা করিতে আরাম্ব করিলেই মাথায় যন্ত্রণা উপস্হিত হয়।ইন্দ্রীয়ের শিথিলতা সহ প্রায়ই স্বপ্নদোষ সহ ও শুক্রতারল্য প্রকাশ পায়,সর্ব বিষয়েই নির্লিপ্ততা ও উদাসীনতা প্রকাশ করে ও চুপচাপ থাকে-কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে চায় না।
***ক্যালি-ব্রোম:-
স্নায়ু প্রধান,অস্হির ব্যক্তি-স্হির হইয়া এক দন্ডও বসিয়া থাকিতে পারে না,হাত ও হাতের আঙুল ক্রমাগত নাড়িতে থাকে, হাত দুইটি অনবরত নাড়ে।স্মরণ শক্তি হ্রাস,কোন কথা বলিতে বলিতে কি বলিতেছিল তা ভুলে যায়।বিষয় সম্পত্তি,মান মর্যাদা ব্যবসা ইত্যাদি নষ্ট হইবার কিম্বা দুঃখ নিবন্ধন অস্হিরতা ও অনিদ্রা; ভয়,রাগ অথবা অত্যাদিক আনন্দ বশতঃ এবং প্রসবকালীন,দন্তোদগমকালীন ও হুপিং-কাশি ইত্যাদিতে আক্ষেপ।অত্যান্ত অস্হিরতা,কিছুতেই একস্হানে থাকিতে পারে না।
বাতুলতা-এই পীড়ার সহিত রোগীর আদৌ নিদ্রা হয় না,স্বরে ভূত প্রেত দেখে,দাতে দাতে ঘষে,গো গো করে,মনে করে যেন তাহাকে কেহ বিষ খাওয়াইবে।মস্তিস্কের দুর্বলতা-সর্বদাই বিষন্ন ও মনমরা,স্মৃতিশক্তির লোপ অপরিমিত ইনিদ্রয় চালনা ও শুক্রক্ষয়জনিত এই পীড়া হইলে ক্যালি ব্রোম উপকারী।অতিশয় পরিশ্রম করিয়া কিম্বা নানা প্রকার বিষয়ে বহুদিন ধরিয়া ভাবনা চিন্তা করিয়া মস্তিস্কের দুর্বলতা অর্থাৎ-মাথাঘোরা, হাত-পা কাপা ইত্যাদি কেলি ব্রোম উপযোগী।
**ফসফরাস:-
ইহা মস্তিস্কের অবসাদের একটি প্রধান ঔষধ।মস্তিস্কের দুর্বলতা-বশতঃ রোগী আদৌ মস্তিস্ক চালনা করিতে পারে না,হাত,পা,চক্ষু এবং মেরুদন্ড জ্বালাবোধ করে।ঘর্ষণে ও মর্দনে উপশম বোধ,অসারে মলমুত্র ত্যাগ, আনন্দ বিষাদ প্রভূ তি উপস্হিত হইলেই প্রবল হৃৎস্পন্দন;সামান্য পরিশ্রম হইলেই কটিদেশে বেদনা হয়।আবহাওয়া হঠাৎ পরিবর্তিত হইয়া ঝড়বৃষ্টি উপস্হিত হইলে অথবা সন্ধাকালে ও অন্ধকার মধ্যে রোগী উদ্বিগ্ন ও আশাঙ্কাযুক্ত হয় ও তাহার উপসর্গাদি বৃদ্ধি পায়।
**সাইলিসিয়াঃ-
মানসিক সর্বপ্রকার কাজেই ভয় পায়।কিন্তু কাজ আরাম্ভ করিলে তাহা উপযুক্তভাবে সম্পাদন করিতে পারে,প্রাতঃ কালে শয্যত্যাগ করিবার পর অবসন্নতা দুর হয়,হাত পা ভাড়ি ও অবশ বোধ হয়;ঝড় বাদলের দিনে ও নৈসর্গিক পরিবর্তন উপসর্গাদির বৃদ্ধি হয়; রোগী বড়ই শীতকাতর ও তাহার সর্বাঙ্গে প্রচুর ঘাম হয় ও কোষ্ঠবদ্বতা বর্তমান থাকে।
**জিঙ্কাম:-
স্নায়বিক দুর্বলসহ মাথাঘোরা;অত্যাদিক কটিবেদনা-উপবেশনকালে বৃদ্ধি;পদদ্বয় সন্চালন করে,মেরুদন্ড মধে জ্বালা,হাত পা দুর্বলবোধ হয় ,মধ্যাহেৃ অত্যাদিক ক্ষুধার উদ্রেক এবং তৎকালে পদদ্বয়ে অত্যাদিক দুর্বলতা বোধ হয়,মদ্যদি পানে উপসর্গাদির বৃদ্ধি।জিঙ্কাম ও পিকরিড এসিডের সংমিশ্রণে প্রস্তুত জিঙ্কাম পিকরিকাম এই রোগের একটি অতি মুল্যবান ঔষধ।
***পিক্রিক এসিডঃ
তিব্র মানসিক পরিশ্রমের পর শিরপীড়া জন্মে, মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে অত্যন্ত বেদনাদায়ক যন্ত্রণায় ছটফট করে,স্পাইনাল কর্ডে বেদনা,প্রবল যৌন উত্তেজনা জাগলে সেই রোগীর পিক্রিক এসিড উপযোগী।

***মস্তিস্কের অবসাদ গ্রস্হ রোগীর ভবিষ্যতের উৎকণ্ঠায় উদরাময় দেখা দিলে সদৃশ ঔষধ আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম, জেলসিমিয়াম, এসিড ফস ইত্যাদি।
***মস্তিস্কের অবসাদগ্রস্হ রোগী লোক সমাজে উপস্থিত হইতে ভয় পাইলে সদৃশ ঔষধঃ- কার্বোভেজ,জেলসিমিয়াম, লাইকোপোডিয়াম, প্লাম্বাম,সাইলেসিয়া ইত্যাদি।
***মস্তিস্কের অবসাদগ্রস্হ রোগী কাহারো সহিত সাক্ষাৎ করিবার পূর্বে আশঙ্কা প্রকাশ করিলে সদৃশ ঔষধ আর্জেন্ট নাইট্রিকাম,জেলসিমিয়াম, মেডোরিনাম ইত্যাদি।

উপসংহারঃ
স্নায়বিক দুর্বলতা আর ব্রেণফ্যাগ লক্ষনের রোগীর সদৃশ ঔষধ নির্বাচন করে সঠিক মাত্রা ও শক্তিতে নিয়মিত সেবনের পাশাপাশি মানসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে।সুন্দর স্বাস্হ্যকর স্হানে ভ্রমণ,প্রফুল্ল চিত্ত্বে হাসিখুশি পরিবেশে বসবাস ও হালকা ব্যায়াম করা চিকিৎসারই একটি অংশ।

আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক সকল লেখা একসাথে পড়ুন।এপসটি ডাউনলোড করুন,আপডেট নিন।আমার মোবাইল এপস লিঙ্কঃ


ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল,সাভার,ঢাডা।
মোবাইল নংঃ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
রেজি নং ২৩৮৭৬

বুধবার, জুলাই ০৪, ২০১৮

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ইনসুলিনের পরিচিতি ও প্রয়োগ ক্ষেত্র

ইনসুলিন (Insulinum) নির্বচনের লক্ষণ সমষ্টি

ইনসুলিন কি ?
ইনসুলিন প্যাংক্রিয়াসের আইলেট অব ল্যাঙ্গার হ্যান্স নামক সেল হতে যে হরমোন ক্ষরিত হয় সেই ক্ষরিত হরমোন শক্তিকৃত করে প্রস্তুত করা হয়।ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস হয় বা ডায়াবেটিস ইনসুলিনের অভাব জনিত রোগ।
Insulinum প্রয়োগ লক্ষণ সমষ্টি:
১) ক্রনিক অন্ত্রের বা হজমের গোলযোগ যথা উদারাময় ও লিভার বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ থাকে বা হেপাটোমেগালি হওয়ার ইতিহাস আছে; যাদের বেশী উদারাময় হয় তাদের ইনসলিনের বেশী প্রয়োজন হয়।
২) যাদের এলার্জিক একজিমা সাথে লিভারের সমস্যা আছে তাদের জন্য ইনসুলিন প্রয়োজন।
৩) যে রোগীর গলা ও গ্র‌্যান্ড ফোলা থাকে।
৪) রোগীর খালিপেটে মাথা ঘুরে।
৫) মাথার চুল ইঠে যায়।
৬) কোষ্ঠকাঠিন্য হলে মাথায় যন্ত্রনা করে।
৭) সন্ধ্যাবেলায় চোখে কম দেথে।
৮) গলার বেদনা তরল খাদ্য খেলে বাড়ে।
৯) সকালে স্ক্যাপুলা অস্হির মাঝে যন্ত্রনা বাড়ে।
১০) বসলে কোমরে বেদনা করে।
১১) হাটুর পিছন দিকে খিচে ধরে;বসা থেকে উঠতে বেদনা বাড়ে।
১২) পায়ের পাতায় জ্বালা করে।
১৩) সকাল ১১টায় শীতশীত করে।
১৪) মল ত্যাগের পরে দর্বল লাগে।
এই লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে উপস্হিত রয়েছে তার জন্য ইনসুলিন উপযোগী।এছাড়াও Blood sugar এর পরিমান স্বাভাবিক রাখতে ইনসুলিন প্রয়োজনীয় ঔষধ।প্রস্রাবের সুগার নিয়ন্ত্রনেও ইনসুলিন প্রয়োজন।
ডাঃ এলেন এর মতে ইনসুলিন ৩০ শক্তির ঔষধ দিনে তিন বার প্রয়োগে ডায়াবেটিস নিরাময়ে সহায়ক।
ক্লিনিক‍্যালি ইনসুলিন পরীক্ষায় ভারতের তিন সুনামধন্য হোমিওপ্যাথিক ডাঃ কে পি মজুমদার, ডাঃ মাটানি, ডাঃ সুকেন কর মহাশয়ের  মিলিত কালেকটেড সিমপটোমোটোলজী নীচে দেয়া হল।
* মাথা ঘোরা,  ক্ষুধার সময় বাড়ে।
* শরীরের এখানে ওখানে বাতের ব্যথা,  বিশেষ করে  জয়েন্ট গুলিতে এবং মাংসপেশীতে।
* পায়ের তলায় জ্বালা,
* অনেকদিন ধরে ক্রনিক ডা্ইরিয়ায় ভুগতে থাকে,
* আলসার, ঘা, বেডসোরস, যা মোটেই শুকাতে চায় না।বিশেষ করে কোন ইনফেকশনের  পর থেকে বা  ইনফেকসাস রোগের পর থেকে।
* লিভার বড়, বা  ডিসঅর্ডারড লিভার।( ক্রনিক হেপাটাইটিস বা এনলার্জমেন্ট অব দ্য লিভার)
* এ্যালার্জিক এ্যাজমা,
* প্রচুর চুল উঠতে থাকে।
*  সকাল ১১ টায় শীত করে,
* ঘুমঘুম ভাব,
* পায়খানার পরে  দূর্বলতা বোধ,
* সন্ধ্যার দিকে দৃষ্টিশক্তির ক্ষীনতা,
* মাথার যন্ত্রনা, বিশেষ করে  যখন কন্সটিপেশনে ভোগে,
* কোন ইনফেকসাস ডিজিজের পর থেকে রোগীর একটা না একটা প্রবলেম লেগেই থাকে।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
বাইপাইল, সাভার, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮। 

সোমবার, জুলাই ০২, ২০১৮

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আদর্শ আরোগ্যের পথ

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আদর্শ আরোগ্য বিধান। 
প্রতিটি কাজের একটি নির্দিষ্ট নিয়মনীতি থাকে।নিয়মের বাইরে গিয়ে সেই কাজ করলে বিফল হওয়ার সম্ভারনাই বেশী।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগ আরোগ্যে কিছু ধারাবাহিক নিয়ম কানুন মেনে চিকিৎসা করতে হয়।একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ হ্যানিম্যানের প্রদর্শিত পথের বাইরে যেতে পারেন না।মেটেরিয়া মেডিকায় স্হান পাওয়া প্রতিটি ঔষধ চিত্র যেমন স্মরণে রাখা প্রয়োজন তেমনই অর্গানন অব মেডিসিনের প্রতিটি সূত্র মেনে রোগীলিপি তৈরী করা জরুরি।মাত্রা ও শক্তি নির্বাচনেও মনগড়া নিয়ম চলবে না।রোগের জ্ঞান,রোগী চিত্র,ঔষধের চিত্র,মাত্রা ও শক্তি,রোগীর খাদ্য ও পথ্য,বিধি নিষেধ কোন কিছুই অবহেলা করা যাবে না।রোগলিপি প্রনয়নের সময় তরুন রোগ,চিররোগ উভয় রোগের পার্থক্য জানা থাকা ও রোগীর রোগ যন্ত্রনার বিষয় সংগ্রহ করতে কি কি জানতে হবে সবই রোগ আরোগ্যের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়।রোগের আদর্শ আরোগ্যের জন্য তাই রোগলিপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রোগীলিপি প্রনয়নের জন্য অর্গাননের প্রদর্শিত পথ আমাদের জন্য আদর্শ রোগ আরোগ্যের সিড়ি।
তরুন রোগ বা (Acute disease treatment): আঙ্গিক লক্ষণের চিকিৎসা করা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নীতি বিরুদ্ধ।কিন্তু ৫টি পয়েন্ট দ্বারা আঙ্গিক লক্ষণকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করলে তা আর আঙ্গিক লক্ষণ থাকে না। এই নিম্ন লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো আঙ্গিক লক্ষণকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে।
১) কারণ (Causation.)
২) স্হান (Location.)
৩) অনুভূতি (Sensation.)
৪)হ্রাস বৃদ্ধি (Modalities.)
৫) আনুষাঙ্গিক (Concomitance.)
উপরোক্ত পাঁচটি পয়েন্টের ভিত্তিতে তরুণ রোগীর সদৃশ ঔষধটি নির্বাচন করতে সক্ষম হলে তরুণ রোগ আদর্শ আরোগ্য লাভ করবে।
চিররোগ (chronic disease) চিকিৎসার ক্ষেত্রে যে দশটি পয়েন্ট অবশ্যই পালনীয়:-
১)কত দিন যাবত ভুগছেন (Time & Suffering.)
২) রোগের কারণ ও অতীতে কোনো রোগ চাপা পড়ে ছিল কিনা? (Causation & Suppression.)
৩) আক্রান্ত স্থান (Location.)
৪) অনুভূতি (Sensation.)
৫) চারিত্রিক লক্ষণ (Characters.)
৬) হ্রাস বৃদ্ধি (Modalities.)
৭) আনুষাঙ্গিক (Concomitance.)
৮) সর্বশেষ গৃহীত চিকিৎসার বিবরণ (Last treatment.)
৯)সার্বদৈহিক ও খাদ্যের ইচ্ছা অনিচ্ছা/বৃদ্ধি (Generalities & Vegetables Mind.)
১০) মানসিক লক্ষণ (Mind)

চিররোগের আদর্শ আরোগ্য লাভের জন্য উপরোক্ত বিশিষ্ট পয়েন্ট অবশ্যই অনুরণ করতে হবে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় মনগড়া কোন কাজ চলে না। অর্গাননের নির্দেশিকা অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করতে হবে। একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের জন্য উল্লেখ্য পয়েন্টের আলোকে সদৃশ ঔষধ নির্বাচন রোগ আরোগ্যের আদর্শ পথ।এর সামান্য ব্যত্যয় ঘটলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আদর্শ আরোগ্য লাভ অসম্ভব।

ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার
ইভা হোমিও হল
মোবাইল নং ০১৭১৬৬৫১৪৮৮
রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
বাইপাইল(আশুলিয়া থানার পাশে।)
সাভার,ঢাকা।

Comments System

[blogger][disqus][facebook]

Disqus Shortname

theme-daddy