হোমিওপ্যাথি পাঠশালা  Homeopathy Pathshala 

Hypothyroidism বা থাইরয়েড গ্রন্থির কর্মহীনতা: কারণ, লক্ষণ, পরীক্ষা ও লক্ষণভিত্তিক ঔষধ নির্বাচন

হাইপোথাইরয়েডিজম বা Hypothyroidism হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যখন থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। থাইরয়েড হরমোন শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি উৎপাদন, শরীরের তাপমাত্রা, হৃদপিণ্ড, পেশি, স্নায়ুতন্ত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই রোগ সাধারণত ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। ফলে অনেক সময় রোগী দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা লাগা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ত্বক শুষ্ক হওয়া, চুল পড়া, স্মৃতি ও মনোযোগের পরিবর্তন ইত্যাদি সমস্যায় ভুগলেও মূল কারণ বুঝতে পারেন না।

তাই হাইপোথাইরয়েডিজমের লক্ষণ দেখা দিলে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা গুরুত্বপূর্ণ।

থাইরয়েড গ্রন্থি কী?

থাইরয়েড গলার সামনের দিকে অবস্থিত প্রজাপতির মতো আকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। এই গ্রন্থি প্রধানত Thyroxine বা T4 এবং Triiodothyronine বা T3 হরমোন তৈরি করে।

থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যক্রম প্রধানত পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত Thyroid Stimulating Hormone বা TSH দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা কমে গেলে প্রাথমিক হাইপোথাইরয়েডিজমে সাধারণত TSH বৃদ্ধি পায় এবং Free T4 কমে যায়।

থাইরয়েড হরমোনের প্রধান কাজ

থাইরয়েড হরমোন শরীরের প্রায় সব অঙ্গের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর প্রধান কাজগুলো হলো:

শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।

খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহারে ভূমিকা রাখা।

শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করা।

হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক গতি ও কার্যক্রমে ভূমিকা রাখা।

পেশি ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করা।

মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও মনোযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করা।

শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।

হাইপোথাইরয়েডিজমের প্রধান কারণ

হাইপোথাইরয়েডিজমের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন:

Hashimoto's Thyroiditis

এটি একটি Autoimmune বা স্বতঃপ্রতিরোধী রোগ। এ অবস্থায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলভাবে থাইরয়েড গ্রন্থির টিস্যুকে আক্রমণ করে। দীর্ঘদিনের এই প্রক্রিয়ায় থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

থাইরয়েড গ্রন্থির অস্ত্রোপচার

থাইরয়েড গ্রন্থির কোনো অংশ বা সম্পূর্ণ গ্রন্থি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হলে পরবর্তীতে হাইপোথাইরয়েডিজম হতে পারে।

রেডিয়েশন চিকিৎসা

গলা বা থাইরয়েড অঞ্চলে রেডিয়েশন চিকিৎসা গ্রহণের পর থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

Hyperthyroidism-এর চিকিৎসার পর

অতিরিক্ত সক্রিয় থাইরয়েডের চিকিৎসার পর কোনো কোনো রোগীর থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা অতিরিক্ত কমে গিয়ে হাইপোথাইরয়েডিজম হতে পারে।

আয়োডিনের ঘাটতি

থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি আয়োডিনের ঘাটতি থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

কিছু ঔষধের প্রভাব

কিছু নির্দিষ্ট ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় থাইরয়েডের কার্যক্রমে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

জন্মগত ও বংশগত কারণ

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে জন্ম থেকেই থাইরয়েড গ্রন্থির গঠন বা কার্যক্ষমতায় সমস্যা থাকতে পারে। পারিবারিক ইতিহাস থাকলেও ঝুঁকি বাড়তে পারে।

পিটুইটারি গ্রন্থির সমস্যা

পিটুইটারি গ্রন্থির সমস্যা হলে পর্যাপ্ত TSH তৈরি নাও হতে পারে। ফলে থাইরয়েড যথাযথভাবে কাজ করতে পারে না।

হাইপোথাইরয়েডিজমের প্রধান লক্ষণ

হাইপোথাইরয়েডিজমের লক্ষণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:

ক্লান্তি ও দুর্বলতা।

অতিরিক্ত ঘুম বা ঘুমঘুম ভাব।

ঠান্ডা বেশি লাগা।

ওজন বৃদ্ধি।

কোষ্ঠকাঠিন্য।

মুখ বা শরীরে ফোলা ভাব।

ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া।

চুল শুষ্ক হওয়া বা অতিরিক্ত চুল পড়া।

ভ্রু ও শরীরের বিভিন্ন অংশের চুল পাতলা হয়ে যাওয়া।

স্মৃতি ও মনোযোগের পরিবর্তন।

মেজাজের পরিবর্তন।

বিষণ্ণতা বা অবসন্নতা।

পেশিতে দুর্বলতা।

পেশি ও সন্ধিতে ব্যথা বা শক্তভাব।

হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে যাওয়া।

কণ্ঠস্বর কর্কশ হওয়া।

মাসিক অনিয়মিত হওয়া।

মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তস্রাব।

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি।

হাইপোথাইরয়েডিজম নির্ণয়ের পরীক্ষা

শুধু লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে হাইপোথাইরয়েডিজম নিশ্চিত করা যায় না। প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করা হয়।

TSH

প্রাথমিক হাইপোথাইরয়েডিজমে সাধারণত TSH-এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

Free T4

Free T4-এর মাত্রা কমে গেলে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতির গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায়।

Thyroid Antibody

Hashimoto's Thyroiditis-এর সন্দেহ থাকলে Anti-TPO antibodyসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে।

Lipid Profile

হাইপোথাইরয়েডিজমের সঙ্গে কোলেস্টেরল ও অন্যান্য রক্তের চর্বির মাত্রা পরিবর্তিত হতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী Lipid Profile করা হয়।

Subclinical ও Overt Hypothyroidism

হাইপোথাইরয়েডিজমের ক্ষেত্রে রোগের মাত্রা বোঝার জন্য পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ।

Subclinical Hypothyroidism-এ TSH বৃদ্ধি পেতে পারে, কিন্তু Free T4 স্বাভাবিক থাকতে পারে।

Overt Hypothyroidism-এ সাধারণত TSH বৃদ্ধি এবং Free T4 কম থাকে।

তাই শুধু একটি পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা নির্ধারণ না করে রোগীর লক্ষণ, বয়স, অন্যান্য রোগ ও সম্পূর্ণ পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করা প্রয়োজন।

হাইপোথাইরয়েডিজমে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক লক্ষণসমষ্টি, শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য, ঠান্ডা-গরমের অনুভূতি, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘুম, মল-মূত্র, মাসিকের ধরন এবং রোগের কারণ বিবেচনা করে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।

হাইপোথাইরয়েডিজমের বিভিন্ন লক্ষণসমষ্টিতে নিম্নলিখিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলোর Materia Medica-ভিত্তিক লক্ষণ বিবেচনা করা যেতে পারে।

Fucus vesiculosus

ওজন বৃদ্ধি, স্থূলতার প্রবণতা এবং বিপাকক্রিয়া ধীর হওয়ার মতো লক্ষণসমষ্টিতে Fucus vesiculosus-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।

বিশেষভাবে বিবেচ্য:

ওজন বৃদ্ধি।

স্থূলতার প্রবণতা।

বিপাকক্রিয়া ধীর হওয়ার অনুভূতি।

থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা কম থাকার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির সম্পর্ক।

Lycopus virginicus

থাইরয়েডের কার্যক্রমের পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণসমষ্টিতে Lycopus virginicus বিবেচনা করা হয়।

তবে ঔষধ নির্বাচনের সময় রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণসমষ্টি ও পরীক্ষার ফলাফল মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

Lithospermum officinale

হরমোনীয় ভারসাম্য ও থাইরয়েডের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু হোমিওপ্যাথিক Materia Medica-ভিত্তিক লক্ষণে Lithospermum officinale বিবেচনা করা হয়।

Withania somnifera

দুর্বলতা, অবসাদ, শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার পর দুর্বলতার মতো লক্ষণসমষ্টিতে Withania somnifera বিবেচনা করা যেতে পারে।

Echinacea angustifolia

দেহের প্রতিরোধক্ষমতা ও দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু লক্ষণসমষ্টিতে Echinacea angustifolia-এর হোমিওপ্যাথিক ব্যবহার বর্ণিত হয়েছে।

Zingiber officinale

হজমের দুর্বলতা, ঠান্ডা অনুভূতি এবং কিছু পরিপাক ও বিপাকীয় লক্ষণসমষ্টিতে Zingiber officinale বিবেচনা করা হয়।

হাইপোথাইরয়েডিজমে লক্ষণভিত্তিক ঔষধ নির্বাচন

একই রোগের নাম থাকলেও প্রত্যেক রোগীর লক্ষণ এক রকম নয়। তাই রোগের নামের ওপর ভিত্তি করে সবার জন্য একই ঔষধ নির্বাচন না করে ব্যক্তিগত লক্ষণসমষ্টি মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

ওজন বৃদ্ধি, ধীর বিপাক ও ঠান্ডা প্রবণতা প্রধান হলে Fucus vesiculosus-এর লক্ষণসমষ্টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

থাইরয়েডের সমস্যার সঙ্গে নির্দিষ্ট হৃদস্পন্দনজনিত লক্ষণ থাকলে Lycopus virginicus-এর Materia Medica লক্ষণ যাচাই করা যেতে পারে।

দুর্বলতা ও শারীরিক-মানসিক অবসাদ প্রধান হলে Withania somnifera-এর লক্ষণসমষ্টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

প্রতিরোধব্যবস্থা ও দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত লক্ষণ থাকলে Echinacea angustifolia-এর Materia Medica লক্ষণ পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

হজম ও বিপাকীয় সমস্যার সঙ্গে বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকলে Zingiber officinale-এর লক্ষণ বিবেচনা করা যেতে পারে।

খাদ্য ও জীবনযাপন

হাইপোথাইরয়েডিজমে সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ।

সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।

প্রয়োজন অনুযায়ী আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা যেতে পারে।

নিজে থেকে অতিরিক্ত আয়োডিন বা আয়োডিনের ঔষধ গ্রহণ করা উচিত নয়।

শাকসবজি, ফল, প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার কমাতে হবে।

নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস করতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ওজন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

থাইরয়েডের ঔষধ গ্রহণকারী রোগীর জন্য সতর্কতা

হাইপোথাইরয়েডিজমের অনেক রোগীর ক্ষেত্রে থাইরয়েড হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। Levothyroxine হলো থাইরক্সিনের কৃত্রিম রূপ এবং হাইপোথাইরয়েডিজমের প্রচলিত চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়।

কেউ যদি ইতোমধ্যে থাইরয়েডের হরমোন বা অন্য কোনো নির্ধারিত ঔষধ গ্রহণ করেন, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেই ঔষধ বন্ধ বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়।

হাইপোথাইরয়েডিজমের চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুযায়ী TSH ও Free T4 পরীক্ষা করে চিকিৎসার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বিশেষ করে গর্ভাবস্থা, গর্ভধারণের পরিকল্পনা, শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন

অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্বাভাবিক তন্দ্রা দেখা দিলে।

চেতনা বা মানসিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে।

শ্বাসকষ্ট হলে।

বুকে ব্যথা হলে।

অস্বাভাবিকভাবে হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে গেলে।

গর্ভাবস্থা বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে।

থাইরয়েডের ঔষধ গ্রহণের পরও পরীক্ষার রিপোর্ট অস্বাভাবিক থাকলে।

গলায় নতুন কোনো ফোলা বা গিঁট দেখা দিলে।

এসব অবস্থায় দ্রুত যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

উপসংহার

হাইপোথাইরয়েডিজম একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোনজনিত রোগ। ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা বেশি লাগা, ত্বক শুষ্ক হওয়া, চুল পড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, স্মৃতি ও মনোযোগের পরিবর্তন এবং মাসিকের অনিয়ম—এসব এর সাধারণ লক্ষণ হতে পারে।

তবে এসব লক্ষণ অন্যান্য রোগেও দেখা দিতে পারে। তাই শুধু লক্ষণের ওপর নির্ভর না করে TSH ও Free T4সহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা উচিত।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর ব্যক্তিগত লক্ষণসমষ্টি অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়। Fucus vesiculosus, Lycopus virginicus, Lithospermum officinale, Withania somnifera, Echinacea angustifolia এবং Zingiber officinale প্রভৃতি ঔষধের Materia Medica-ভিত্তিক লক্ষণ প্রয়োজন অনুযায়ী বিবেচনা করা যেতে পারে।

তবে হাইপোথাইরয়েডিজমে থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা ও নিয়মিত চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো নির্ধারিত থাইরয়েডের ঔষধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়।

রোগীর সঠিক রোগ নির্ণয়, পরীক্ষার ফলাফল ও সামগ্রিক লক্ষণ বিবেচনা করে নিবন্ধিত ও যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।

লেখক 
ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার

সভাপতি, বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
ইভা হোমিও হল
এ আর টাওয়ার, রুম নাম্বার ৯
আশুলিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড
বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের দক্ষিণ পাশে
আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ
মোবাইল: ০১৭১৬৬৫১৪৮৮