এনজাইনা পেক্টোরিস বা হৃদপিণ্ডের ব্যথার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
এনজাইনা পেক্টোরিস কী?
এনজাইনা পেক্টোরিস হলো হৃদপেশিতে প্রয়োজনের তুলনায় অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত কম পৌঁছানোর কারণে সৃষ্টি হওয়া বুকের ব্যথা বা অস্বস্তি। সাধারণত হৃদপিণ্ডের করোনারি ধমনিতে সংকোচন বা রক্তপ্রবাহের সমস্যার সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকে। ব্যথা বুকের মাঝখানে চাপ, ভার, চেপে ধরা, জ্বালা বা অস্বস্তির মতো অনুভূত হতে পারে এবং বাম বা উভয় বাহু, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল, পিঠ কিংবা ওপরের পেটেও ছড়িয়ে যেতে পারে।
স্থির এনজাইনা সাধারণত হাঁটা, সিঁড়ি ওঠা, শারীরিক পরিশ্রম, মানসিক উত্তেজনা, অতিরিক্ত ঠান্ডা বা ভারী খাবারের পর দেখা দিতে পারে এবং বিশ্রামে কমে যেতে পারে।
এনজাইনার প্রধান লক্ষণ
বুকের মাঝখানে চাপ বা চেপে ধরা ব্যথা
বুকে ভারী কিছু বসে থাকার অনুভূতি
ব্যথা বাম বাহু, উভয় বাহু, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে পড়া
শ্বাসকষ্ট
অতিরিক্ত ঘাম
বমি বমি ভাব
মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা
পরিশ্রমে ব্যথা বৃদ্ধি এবং বিশ্রামে উপশম
কখনও বদহজম বা গ্যাসের মতো অনুভূতি
নারী ও কিছু বয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে বুকের ব্যথার পরিবর্তে শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা বমি বমি ভাব প্রধান লক্ষণ হতে পারে।
এনজাইনার সম্ভাব্য কারণ ও ঝুঁকি
করোনারি ধমনিতে চর্বিজাতীয় পদার্থ জমে ধমনি সরু হয়ে যাওয়া এনজাইনার অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া ধমনির খিঁচুনি, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ধূমপান, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, রক্তস্বল্পতা এবং পারিবারিক হৃদরোগের ইতিহাস ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
বুকের নতুন, তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রমশ বাড়তে থাকা ব্যথাকে শুধু “গ্যাস” বা সাধারণ হৃদপিণ্ডের ব্যথা ধরে নেওয়া বিপজ্জনক।
বিশেষ করে ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি অথবা ব্যথা বাহু, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে পড়লে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে এবং জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
বিশ্রামেও নতুন করে ব্যথা শুরু হওয়া, আগের তুলনায় বেশি ঘন ঘন বা বেশি সময় ধরে ব্যথা হওয়া, অথবা বিশ্রামে না কমা ব্যথা অস্থিতিশীল এনজাইনার লক্ষণ হতে পারে; এটি জরুরি অবস্থা।
এ ধরনের অবস্থায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ দিয়ে অপেক্ষা না করে দ্রুত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যেতে হবে।
রোগ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
এনজাইনার সন্দেহ হলে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী করা হতে পারে
ইসিজি
রক্ত পরীক্ষা
ট্রোপোনিন পরীক্ষা, বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের সন্দেহে
ইকোকার্ডিওগ্রাম
ব্যায়ামজনিত পরীক্ষা
করোনারি সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি
করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি
প্রয়োজনে হৃদপিণ্ডের অন্যান্য ইমেজিং পরীক্ষা।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কেসটেকিং
এনজাইনার ক্ষেত্রে শুধু “বুক ব্যথা” দেখে ওষুধ নির্বাচন করা উচিত নয়। রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ, ব্যথার প্রকৃতি, অবস্থান, বিস্তার, কখন শুরু হয়, কী কারণে বাড়ে বা কমে এবং সঙ্গে থাকা মানসিক ও শারীরিক লক্ষণ বিবেচনা করতে হবে।
কেসটেকিংয়ের সময় বিশেষভাবে জানতে হবে
ব্যথা চাপ, ভার, জ্বালা, ছেঁড়া, সুচ ফোটার মতো নাকি চেপে ধরা ধরনের
ব্যথা বুকের কোন অংশে
বাম বা ডান দিকে বেশি কি না
ব্যথা বাহু, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়ায় কি না
হাঁটা বা সিঁড়ি ওঠার সময় বাড়ে কি না
বিশ্রামে কমে কি না
রাতে বা ভোরে হয় কি না
ঠান্ডা, ভয়, দুশ্চিন্তা, রাগ বা মানসিক উত্তেজনায় বাড়ে কি না
খাবারের পর বাড়ে কি না
শ্বাসকষ্ট, ধড়ফড়, ঘাম, বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরার সঙ্গে সম্পর্ক আছে কি না
রোগীর উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, স্থূলতা, ধূমপান ও পূর্ববর্তী হৃদরোগের ইতিহাস।
এনজাইনা পেক্টোরিসে গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
নিচের ঔষধগুলো ঐতিহ্যগত হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা ও রিপার্টরি-ভিত্তিক লক্ষণচিত্রের আলোকে বিবেচিত হয়। এগুলোকে জরুরি হৃদরোগের প্রচলিত চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
১. Cactus grandiflorus
বুকের চারদিকে লোহার বৃত্ত শক্ত করে চেপে ধরার মতো অনুভূতি।
হৃদপিণ্ড যেন লোহার হাত দিয়ে চেপে ধরা হয়েছে এমন অনুভূতি।
ব্যথা বাম বাহুতে ছড়াতে পারে।
হৃদপিণ্ডের স্পন্দন ও বুকের চাপের সঙ্গে তীব্র অস্বস্তি।
মূল ভাব: শক্তভাবে চেপে ধরা বা বেষ্টনকারী বুকের ব্যথা।
২. Spigelia
তীব্র হৃদযন্ত্রের ব্যথা, বিশেষত বাম দিকে।
ব্যথা বাম কাঁধ ও বাহুতে ছড়াতে পারে।
হৃদপিণ্ডের স্পন্দন অত্যন্ত স্পষ্ট অনুভূত হয়।
সামান্য নড়াচড়ায় বা গভীর শ্বাসে ব্যথা বাড়তে পারে।
মূল ভাব: তীব্র বামপাশের হৃদপিণ্ডের ব্যথা ও ধড়ফড়।
৩. Glonoine
হৃদপিণ্ডের সঙ্গে মাথায় প্রচণ্ড রক্তসঞ্চালনের অনুভূতি।
বুকের চাপের সঙ্গে মাথাব্যথা ও ধড়ফড়।
পরিশ্রম, উত্তেজনা বা আকস্মিক রক্তসঞ্চালনের পরিবর্তনের সঙ্গে সমস্যা বাড়তে পারে।
মূল ভাব: হৃদপিণ্ডের ধড়ফড়ের সঙ্গে প্রবল রক্তসঞ্চালন ও চাপের অনুভূতি।
৪. Digitalis
হৃদপিণ্ড দুর্বল, ধীর ও অনিয়মিতভাবে স্পন্দিত হওয়ার অনুভূতি।
সামান্য নড়াচড়ায় হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার ভয়।
হৃদপিণ্ড যেন থেমে যাবে এমন অনুভূতি।
দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্টের সঙ্গে হৃদযন্ত্রের উপসর্গ।
মূল ভাব: হৃদপিণ্ডের দুর্বলতা, ধীর বা অনিয়মিত স্পন্দন।
৫. Latrodectus mactans
বুকের মধ্যে অত্যন্ত তীব্র সংকোচন ও চেপে ধরা ব্যথা।
ব্যথা বুক থেকে বাহু, কাঁধ বা পিঠে ছড়িয়ে যেতে পারে।
অত্যন্ত তীব্র হৃদযন্ত্রের ব্যথার চিত্রে ঐতিহ্যগতভাবে বিবেচিত হয়।
মূল ভাব: তীব্র সংকোচনকারী হৃদপিণ্ডের ব্যথা।
৬. Arsenicum album
বুকের অস্বস্তির সঙ্গে প্রবল অস্থিরতা ও উদ্বেগ।
শ্বাসকষ্ট এবং দুর্বলতা।
রাতে উপসর্গ বাড়ার প্রবণতা।
ঠান্ডা অনুভূতি ও উদ্বেগের সঙ্গে হৃদযন্ত্রের সমস্যা।
মূল ভাব: শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা, উদ্বেগ ও দুর্বলতার সমন্বয়।
৭. Aconitum napellus
হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র বুকের অস্বস্তি।
প্রচণ্ড ভয় ও মৃত্যুভীতি।
আকস্মিক উত্তেজনা বা ভয়জনিত অবস্থার পর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
মূল ভাব: আকস্মিকতা, তীব্র ভয় ও অস্থিরতা।
৮. Phosphorus
বুকের অস্বস্তির সঙ্গে ধড়ফড়।
শারীরিক ও মানসিক উত্তেজনায় উপসর্গ বাড়তে পারে।
দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্টের সঙ্গে হৃদযন্ত্রের লক্ষণ।
মূল ভাব: ধড়ফড়, দুর্বলতা ও সংবেদনশীলতার সমন্বয়।
৯. Lachesis
বুকের চাপ ও হৃদযন্ত্রের অস্বস্তির সঙ্গে অতিরিক্ত উত্তেজনা।
ঘুমের পর বা দীর্ঘক্ষণ বিশ্রামের পর উপসর্গের পরিবর্তন।
গলার চারপাশে চাপ বা আঁটসাঁট পোশাক অসহ্য হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে।
মূল ভাব: চাপ, উত্তেজনা ও বামপাশের প্রবণতা।
১০. Naja tripudians
হৃদপিণ্ডের গভীর ব্যথা ও দুর্বলতার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট।
ব্যথা বাম বাহু বা কাঁধে ছড়াতে পারে।
হৃদযন্ত্রের প্রতি অতিরিক্ত সচেতনতা ও উদ্বেগ থাকতে পারে।
মূল ভাব: হৃদপিণ্ডের ব্যথা, দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্ট।
১১. Kalmia latifolia
হৃদপিণ্ডের ব্যথা বাম কাঁধ, বাহু বা নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ব্যথা হঠাৎ শুরু হওয়ার প্রবণতা।
হৃদযন্ত্রের ব্যথার সঙ্গে ধড়ফড় ও দুর্বলতা।
মূল ভাব: হৃদপিণ্ড থেকে বাম দিকে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা।
১২. Kali carbonicum
বুকের চাপ বা ব্যথার সঙ্গে দুর্বলতা।
রাত বা ভোরের দিকে উপসর্গের প্রবণতা।
পিঠ ও বুকের অস্বস্তির সঙ্গে হৃদযন্ত্রের লক্ষণ।
মূল ভাব: বুকের অস্বস্তি, দুর্বলতা ও নির্দিষ্ট সময়ের পুনরাবৃত্তি।
১৩. Lycopodium
পেট ফাঁপা, অজীর্ণতা ও খাবারের পর বুকের অস্বস্তির সঙ্গে হৃদযন্ত্রের উপসর্গ।
সামান্য খাবারেও পেট ভরা অনুভূতি।
গ্যাস ও পেটের চাপের সঙ্গে বুকের অস্বস্তি।
মূল ভাব: হজমের সমস্যা ও পেট ফাঁপার সঙ্গে হৃদযন্ত্রের অস্বস্তি।
১৪. Nux vomica
অজীর্ণতা, অতিভোজন বা উত্তেজনার সঙ্গে বুকের অস্বস্তি।
কফি, মসলাযুক্ত খাবার ও অনিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে হজমের সমস্যা।
ধড়ফড় ও অস্থিরতার সঙ্গে বুকের চাপ।
মূল ভাব: হজমের গোলযোগ, উত্তেজনা ও হৃদযন্ত্রের অস্বস্তি।
১৫. Tabacum
বুকের চাপের সঙ্গে প্রচণ্ড বমি বমি ভাব।
ঠান্ডা ঘাম ও দুর্বলতা।
তীব্র হৃদযন্ত্রের অস্বস্তির সঙ্গে মুখ ফ্যাকাশে হওয়ার প্রবণতা।
মূল ভাব: হৃদযন্ত্রের অস্বস্তি, বমি বমি ভাব, ঠান্ডা ঘাম ও দুর্বলতা।
রিপার্টরি স্টাডি
এনজাইনা পেক্টোরিসের ক্ষেত্রে রিপার্টরিতে একাধিক রুব্রিক বিবেচনা করা যেতে পারে। সঠিক রুব্রিক রোগীর প্রকৃত লক্ষণ ও ব্যবহৃত রিপার্টরির সংস্করণ অনুযায়ী যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রধান লক্ষণভিত্তিক বিষয়গুলো হতে পারে
Chest pain, heart region
Chest, constriction
Chest, oppression
Heart, pain
Heart, pain, extending to left arm
Heart, palpitation
Heart, palpitation, exertion
Chest, pain, exertion
Chest, pain, anxiety with
Heart, pain, night
রিপার্টরি থেকে পাওয়া ঔষধকে মেটেরিয়া মেডিকার পূর্ণ লক্ষণচিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে চূড়ান্ত নির্বাচন করা উচিত। শুধু একটি সাধারণ রুব্রিকের ওপর নির্ভর করে ঔষধ নির্বাচন করা সমীচীন নয়।
চিকিৎসকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
এনজাইনার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক সময় কাছাকাছি হতে পারে। আবার বুকের ব্যথা ফুসফুসের রোগ, পেরিকার্ডাইটিস, মহাধমনির গুরুতর সমস্যা, খাদ্যনালির সমস্যা বা অন্যান্য কারণেও হতে পারে। তাই নতুন বা অস্বাভাবিক বুকের ব্যথার ক্ষেত্রে আগে গুরুতর হৃদরোগের সম্ভাবনা বাদ দেওয়া জরুরি।
বিশেষ করে ব্যথা বিশ্রামেও হচ্ছে, আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে, দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে অথবা বিশ্রামে কমছে না—এমন ক্ষেত্রে অস্থিতিশীল এনজাইনা বা তীব্র করোনারি সমস্যার কথা বিবেচনা করতে হবে।
জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য সচেতনতা
ধূমপান পরিহার করুন।
অতিরিক্ত তেল ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে হৃদ্স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
ওজন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন।
রক্তচাপ, রক্তের চর্বি ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপদ শারীরিক কার্যক্রম চালিয়ে যান।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।
হৃদরোগের জন্য আগে থেকে দেওয়া চিকিৎসা বা ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না। এনজাইনার চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ, জীবনযাপন পরিবর্তন এবং কিছু ক্ষেত্রে করোনারি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি বা বাইপাসের মতো চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
শেষ কথা
এনজাইনা পেক্টোরিস সাধারণ বুকের ব্যথা নয়; এটি হৃদপিণ্ডে রক্তপ্রবাহের সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ, কেসটেকিং, রিপার্টরি ও মেটেরিয়া মেডিকার সমন্বিত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঔষধ নির্বাচন করা প্রয়োজন। তবে তীব্র, নতুন, দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক বুকের ব্যথায় জরুরি হৃদরোগের চিকিৎসা বিলম্ব করা যাবে না।
নিজে নিজে কোনো হোমিওপ্যাথিক বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না। একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন গ্রহণ করুন।
লেখক পরিচিতি
ডা. ইয়াকুব আলী সরকার
সভাপতি, বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম
গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬
ইভা হোমিও হল, আশুলিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড, বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের দক্ষিণ পাশে, বাইপাইল, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশ
মোবাইল: 01716651488
